ইউজার লগইন
ব্লগ
মৃত্যুর সাথে বসবাস
রুমকির অফিসে কাজ করতে করতে শরীরের একটু অস্বস্তিকর ম্যাজম্যাজানি অনুভূতির জন্যে ডাক্তারের কাছে যাওয়া হঠাৎ ই, তেমন কোন বিরাট পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া। ডাক্তার সব শুনে কিছু চেকাপ লিখে দিলেন। আবার হসপিটালে যাও, চেকাপ করাও এই বিরক্তি নিয়ে অফিসের মাঝে হাসপাতালে যাওয়া। হাসপাতালে প্রথম চেকাপ হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষজ্ঞ ডেকে নিয়ে বললেন, আমি আর একটু নিশ্চিত হতে চাই তাই তুমি আবার আসো, আরো কিছু পরীক্ষা করবো। তারপর আবারো তেমনই মন নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া, ভাবা পাবেনাতো কিছুই, ওষুধও দিবে না, মাঝ থেকে খোঁচাখুচি করা।
এসো হে ভালবাসা
পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ঠাই, দৃষ্টির দূর নীলিমায়
প্রবাহমান সাগরের সীমাহীন উম্মাতাল টেউয়ের দোলা
শীতের বৃষ্টি ধারার মত চুপসে যাওয়া শীতল বাহুতে
কৃষ্ণচূড়ায় লালে রাঙিয়ে খোঁপা, শ্বেত শুভ্র কাশফুলের
ছোঁয়ায় শাড়ীর আঁচল কুড়ায় ধরনীর মৃত্তিকা ।
গোলাপের কলির মত প্রস্ফুটিত জীবন রেখা শ্রাবন
বাঁশরির সুরের খেলায় এপাড়া ওপাড়া ঘুরে বেড়ায়
অনেকটা মুক্ত বিহঙ্গের মত। ক্লান্ত পথিক আমি পথের
পর পথ। মুগ্ধ নয়নে অপলক তাকিয়ে থাকি অন্যরকম
স্নিগ্ধতা নিয়ে , পিরামিডের দেশের নির্বাক মমির মত।
নীলনদ বল কিংবা পদ্মার ঢেউ ভাসিয়ে দিয়েছে
তার অনন্ত স্রোতের ধারায় , শুষ্ক বুকে জেগে উঠে
ভালবাসার সবুজ দূর্বাঘাস। এবার তাকাই নিজের পানে
আর কত অবজ্ঞায় ঠেলে দেব হে ভালোবাসা তোমায়
এস মোর শুষ্ক বুকে হিমেল শীতের উষ্ণতা নিয়ে।
অলসতা....
সকাল থেকেই শুয়ে শুয়ে ভাবছি, মানুষ কি ভাবে শুয়ে বসে জীবনটা পার করে দেয়! ঘুমিয়েই ছিলাম, একটা কল আসায় জেগে উঠতে হল। কম্পিউটার এ সমস্যা। যেতে হবে।মুখে মুখে বলে দিলাম, সমাধান হল।
যাক, যা ভাবছিলাম। মানুষের অলসতা নিয়ে। কেউ শুয়ে আছে, দেখলেই আমার শরীর কিরবির করে। এত মুলবান সময়, এইভাবে পার করে কি করে মানুষ! মনে হয় ধাক্কা দিয়ে তাকে শোয়া থেকে উঠিয়ে দেই। ঘুমাতে দেখলে, পানি ঢেলে তার ঘুমের বারোটা বাজাতে ইচ্ছে করে। সময়ের মূল্য নিয়ে বাংলা/ ইংলিশ- এ যত ধরনের প্রবাদপ্রবচন আছে, সবগুলো তাকে গিলিয়ে দিতে ইচ্ছে করে। এর মাঝে আবার দরজায় আওয়াজ!
ধ্যাত! একটু শুয়ে থাকতে দেখলে কারোর সহ্য হয় না। যাক বাবা, অন্য কেউ নয়। মা। বললেন, খবরের কাগজ দিয়ে গেছে। মাকে বললাম, এই ঘরে দিয়ে যাও। কে আবার উঠবে?
পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আনন্দ আরেকটু কমে গেল

আশিয়ানা ছবিটা দেখেছেন? সেই যে দিপ্তী নাভাল ও মার্ক জুবের ছিল। সেই যে দুজনের সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। সে সময়ের একটা গান আছে। গানটা আগে শুনি
উস মোর কে শুরু করে ফির ইয়ে জিন্দেগী
এই সিনেমাই আরেকটা গান আছে। একটু অন্যধরনের। সেটাও শোনা যায়
হামসফর বানকে হাম......
যারা আর্থ ছবিটা দেখেছেন তারা কী কখনো ভুলবেন সেই যে শাবানা আজমীর বাসায় গিটার বাজিয়ে রাজ কিরণের গানটা। ঝুকি ঝুকি সে নজর
আমার কোনো মৃত্যু দিবস নাই
সেদিনই মরতে পারতাম
কিন্তু ঠিক আগে মারা গেলেন তারেক মাসুদ
কেবল তার জন্য নির্দিষ্ট রাখতে
পুরো দিবসই এড়িয়ে গেলাম
... এরপরে যেকোন একদিন বেঁছে নিতেই
স্টিভ গেলেন চলে আপেলের আসল দেশে
পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য
সেদিনও আমার মৃত্যু পেছালো
এরপরে যেদিনই মরতে যাই
কোন না কোনো মৃত্যু পূর্ণ রাখে দিনগুলি
জগজিৎ সিং পুরো মাসটাই বন্ধ করে দিলে
আমার জন্য থাকে না মৃত্যুদিবস বাকি
পারা, না পারার দেশে
পুঁজিবাজারে পুঁজি কোথায়
বলতে পারেন, না-
পুঁজি হারিয়ে গলায় দড়িতে
ঝুলতে পারেন।
ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য কি
কিনতে পারেন, না-
বেশি দামে ভেজাল পণ্য
আনতে পারেন।
নিরাপদে সড়কপথ কি
চলতে পারেন, না-
নিসন্দেহে জীবনবাজি
রাখতে পারেন।
বিদ্যুতের লোডশেডিং কি
মানতে পারেন, না-
কুপি-হারিকেন জ্বালিয়ে
রাখতে পারেন।
ফুটপাতে নির্ঝঞ্ঝাটে কি
হাঁটতে পারেন, না-
মূল সড়কে হাঁটতে গিয়ে
প্রাণ দিতে পারেন।
জীবন চলার সংকট কি
সইতে পারেন, না-
না খেয়ে ধুঁকে ধুঁকে
মরতে পারেন।
আয় বুঝে ব্যয় কি কভু
করতে পারেন, না-
ভিক্ষার থালা হাতে রাস্তায়
নামতে পারেন।
সরকারের চৌদ্দগোষ্ঠী কি
ঝাড়তে পারেন, না-
বসে বসে বৃদ্ধাঙ্গুলি মুখে
চুষতে পারেন।
খুন-সন্ত্রাসের বিচার কি কভু
পাইতে পারেন, না-
দুহাত তুলে সৃষ্টিকর্তাকে
জানাতে পারেন।
১১.১০.২০১১
সমঝোতা বা অস্থিরতায় কাবু- আমরা যারা হাবু
আমারই কোন এক লেখায় একটি মন্তব্য ছিল, "রেগে গেলে লজিক এলোমেলো হয়ে যায়"..কথাটা মানি..তাই অনেকদিন পর আবার লেখার চেষ্টা। আসলে বোঝার চেষ্টা- প্রেক্ষাপট আর পরিস্থিতি নিয়ে.. ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন। অন্তত এখনো কিছু মানুষ অতীতে কে কত "বড় ভুল" করেছে তা নিয়ে অযথা তর্ক এড়িয়ে ভুল শুধারােনার চর্চা করে। আমি বিশ্বাস করি আমি তাদের দলে..
১.
মেঘবন্দী (১২) ... একটি বর্ষণমুখর রাত্রি এবং নষ্ট কৌমার্যের গল্প / জুলিয়ান সিদ্দিকী
কেবল বৃষ্টির জন্যই মানব জীবনে বর্ষাকালের একটা আলাদা গুরুত্ব আছে। যে কারণে একে মানুষ মনে রাখে। মনে রাখে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলীকে। আর এ ছাড়াও হয়তো ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে মানুষের জীবনের কিছু কিছু ঘটনা জড়িয়ে থাকে ওতপ্রোত ভাবে। যে কারণে বিশেষ ঘটনা হিসেবে সেগুলো দখল করে নেয় স্মৃতির কিয়দংশ। আর সেই বিশেষ ঘটনাটির আগে-পরের বেশ কিছু স্মৃতিও উজ্জ্বল থাকে মানস পটে। তো যে ঘটনাটি বলার জন্যে এ গল্পের অবতারণা, তার আগের কিছু কথা না বললেও নয়। যদিও মনে হতে পারে মূল গল্পের সঙ্গে এ ঘটনার কী সম্পর্ক?
চাঁদপুরে একদিন
১৯৭৬ সালের কথা। মেজো ভাইয়ের বিয়ের সুবাদে অন্যদের সাথে চাঁদপুর যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল আমার। তখন চাঁদপুর যাওয়ার সহজ বাহন ছিল ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চ বা স্টিমার। ছোটবেলায় নৌকা-লঞ্চে ওঠার অভিজ্ঞতা অনেক, কিন্তু স্টিমারে প্রথম উঠেছিলাম চাঁদপুর যাওয়ার সময়। তখন এ রুটে ‘পাক ওয়াটার’ ও ‘বেঙ্গল ওয়াটার’ নামে দুটি স্টিমার সার্ভিস চালু ছিল। গিয়েছিলাম পাক ওয়াটারে এবং এসেছিলাম বেঙ্গল ওয়াটারে। পৃথক দুটি স্টিমার ভ্রমণের অভিজ্ঞতাও ছিল ভিন্ন ধরনের। এ স্টিমার দুটি এখনো চালু আছে কি না জানা নেই। স্টিমারে ভ্রমণ লঞ্চের চেয়েও নিরাপদ মনে হয়েছিল। খুব মজা পেয়েছিলাম।
শিরোনামহীন ৭
রাত গভীর , এলোমেলো মন , হেডফোনে গান বড়ই নস্টালজিক হই।
সারাদিনের উইকএন্ডের ভীড় পিছু ফেলে অলস সময় বিছানায়। কি করবো বুঝতে পারি না। কবি হলে নাহয় কবিতা লিখতাম।
কেউ জেগে নেই যে গল্প করবো আছে শুধু পাশের বাগানবাড়ীর শিয়ালগুলা ।
ঠান্ডা আবহাওয়া ঘুমানোর আদর্শ পরিবেশ কিন্তু ইচ্ছে করেই ঘুমকে পরাজিত করা। কেন????
সারাদিনের আদর্শ কামলা দেয়ার পর কলিগদের সাথে ঠান্ডা বিয়ারের গ্লাস আর হাতে আধপোড়া সিগারেট মনে হয় এইতো জীবন । ক্যামেরা হাতে যখন মানুষের হাসিমুখ গুলা বন্দী করি মনে হয় এইতো জীবন। বাসায় ফিরে নিত্য নতুন খাবার রান্না করে রুমমেটদের নিয়া আড্ডা দিয়া খাওয়া আহা এইতো জীবন। সপ্তাহ শেষে যখন ব্যাংক একাউন্ট মজুরী দিয়ে ভরে যায় তখনইতো জীবন।
বেলা শেষে একদিন..[অণু গল্প]
বাসাটা কেমন যেন অচেনা লাগছে আজ,নিহা'র কাছে..
কেন জানি মনে হচ্ছে,কোথাও কেউ নেই..একদম-ই যে কেউ নেই,তা অবশ্য বলা যায়না।
বারান্দায় ইজিচেয়ারে বাবা শুয়ে আছে আর রান্নাঘরে মা বোধহয় চা বানাচ্ছে বাবার জন্য।
নিহার নিজের-ই জানা ছিলনা,ও যে এত শক্ত ধাতের মেয়ে।এই কয়েকদিন যে কী একটা দৌড়াদৌড়ি গেল..ভাইয়া তো দুবাই,ছুটি পায়নি বলে আসতেই পারলো না।সবকিছু বলতে গেলে নিহাকেই দেখতে হয়েছে।বিকেল পর্যন্ত ঘরভর্তি চেনা-অচেনা যত লোকজন।আর সন্ধ্যার আলো আধারিতে এসেই যেন আজ নিঝুম অন্ধকার..
হাসিমুখেই ছিল নিহা,পুরোটা দিন।কিন্তু সবকিছুর শেষে আর সামলাতে পারেনি নিজেকে,ঝরঝর করে কেঁদে ফেলেছে..
নিজের ঘরটা-ও খুব অচেনা লাগছে আজ।ফিটফাট বিছানা,গোছানো আলনা..কিছুই যেন নিহার সাথে যায়না।এলোমেলো করে দিতে মন চায় সবকিছু..
শিশু না কাল গেলো মাটি আর ধুলাতে, যৌবন কাল গেলো রঙ্গে
আমার একপাটি ঘুঙ্গুর ছিলো। সেই একপাটি ঘুঙ্গুর একপায়ে পড়েই শুরু হল হুমায়ুন স্যারের ক্লাসে আমার নাচ শেখা। এরপর রাজু স্যার, রূপা আপু, রামকান্ত স্যার অনেকের কাছেই নাচ শিখেছি। হুমায়ুন স্যার এবং রাজু স্যারকে আমি খুব পছন্দ করতাম। কারন উনারা দুজন আমাকে অনেক চকলেট খাওয়াতেন। আর খুব কষ্টকর ব্যাপার হচ্ছে এই দুজনেরই অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। শৈশব বলতে অনেকের মাঠ দাপিয়ে খেলাধূলা করার অনেক রকম স্মৃতি থাকে। কিন্তু আমার শৈশব ছিল শুধুই পড়ালেখা আর নাচ এই দুই গন্ডিতে সীমাবদ্ধ। আমার মাঠ দাপিয়ে খেলাধূলার সৌভাগ্য ছিলনা। ছিলো নাচ শেখার সুযোগ।
মনে আছে, এক শুক্রবার বিকেলে আব্বু আর ছোট খালা আমাকে নিয়ে গেলেন নাচের স্কুলে। তারপরে অনেক বছর আমি একটানা নাচ শিখেছি। তবে আমার নাচের মুল ক্রেডিট দিতে হয় ছোটখালাকে। কারন আমাকে নাচ শেখানোর ব্যাপারে ওই ছিল সবচেয়ে বেশী ইন্টারেস্টেড।
স্টিভেন পল জবস- জীবন জুড়ে তিনি।
স্টিভ জবসের জন্ম ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিস্কো শহরে। পুরো নাম স্টিভেন পল জবস। বাবা-মা ছিলেন অবিবাহিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জুটি। এর মধ্যে মা জনা চিবলে আমেরিকান ও বাবা আবদুল ফাত্তাহ জান্দালি ছিলেন সিরিয়ান বংশোদ্ভূত।
শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় চে গুয়েভার
চে গুয়েভার আমার নেতা। যখন বুঝতে শিখেছি তখনই তার ভক্ত বা শিষ্য হয়ে উঠেছি। সেই সময় আমরা পেয়েছিলাম আমাদের স্বৈরশাসক এরশাদকে তাড়ানোর আন্দোলন। বুকের রক্ত প্রতিদিনের শ্লোগান, কবিতা, পথ নাটক, মিছিল , মিটিং--- আমাদের অন্তরে চে, চেতনায় চে, তখন আমাদের হাতে নিকলাই আস্রেভোস্কির ইস্পাত থেকে শুরু করে বিমলের কড়ি দিয়ে কিনলাম পর্যন্ত। কত বিপ্লবী নেতা এই বিশ্বে বারবার আসেছেন তার একটি জাতিতে সীমাবদ্ধ কিন্তু চে সারা বিশ্বের নেতা । ইতিহাস কত মর্মান্তিক । সেই সময় চে কে হত্যা করে যারা হিরো হতে চেয়েছিল সেই তারা সেই তাদের মানুষ কি চরম ঘৃণা করে।
চে কে আমি কি দেব বা তাকে নিয়ে আমি কি লিখব। তিনি দিয়েছে আমাকে আমার জীবনের একটি শ্রেষ্ঠ সময়। তার প্রতি শ্রদ্ধায় সূনীলের এই কবিতাটি লিখলাম।
চে গুয়েভারার প্রতি
চে, তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয়
হারাতে হারাতে যতটুকু পেয়েছি, তার শেষও বুঝি আর রাখা গেল না
(ক)
যতীশ কে দেখেছি,
যতটুকু প্রশস্ত তার শরীর
প্রায় কাছাকাছি ঢোলটি নিয়ে চওড়া হাসিতে ভাসতে ভাসতে, ভাসাতে ভাসাতে
উৎসবে রং চড়াতে চলেছে।
এই দিনগুলোয়,
ঢাকের শব্দের রঙধনু মাখাতে মন্ডপে মন্ডপে আমরা যতীশের পাশেই,
যারা বন্ধু ছিলাম, লাড্ডু হাতে মুখ মিষ্টিতে ব্যকুল হতে হতে কখন যে রাত গভীর হয়ে যেতো !
কখনো শুনিনি জাত-অজাত, মুসলিম-হিন্দু,
কাঁধে কাঁধ মিলিযে কাঠের যে শিল্ডটা জিতে এনেছিলাম
এখনো তা সেলফে সাজানো, সাক্ষী দেবে সময়ের,
মাঝে মাঝে ছুঁয়ে দেখি, আনন্দে আত্মহারা হই।
যতীশ, তোর ঘুড়ি উড়ানো দেখে আমি এতটাই মোহিত যে,
ওটাই আমার ধ্যান হয়ে গেল এক সময়,
স্কুল ফাঁকি দিয়ে সুতোয় মান্জা মেরে নেমে পড়তাম
তোকেই বধ করতে।
বধ হতে কখনোই কষ্ট পেতে দেখেনি তোকে,
চুপিসারে হাসি হাসি মুখে লাটাই-সুতো গুটিয়ে ঠিক সরে পড়তি।
তোদের বাড়ীর পশ্টিমে ঢালু জমিটার পাশেই যে বুড়ো কড়ই গাছ শিকড় ছড়িয়ে,
তার উপর বসে কাঁচা আম খাওয়ার ধুম,
মাসিমা ঠিক নুন- মরিচ ডলে দিত, বলতো, নে কাঁচা আমে মাখিয়ে নে।
প্রায়ই মার্বেলের বয়্যামটা বের করে দিব্যি লেগে পড়তাম খেলতে,