ইউজার লগইন
ব্লগ
আল্লা বাংলাদেশে থাকে (আল্লা ইন দ্যা বাংলাদেশ)
আমার বউ আর মেয়েটা গত বছরের শেষে দেশে গিয়েছিলো ক'দিনের জন্য বেড়াতে, ফিরে এসেছে জানুয়ারীতে। দেশে গিয়ে এয়ারপোর্টের ঝক্কি, ট্রাফিক জ্যাম, জিনিস পত্রের আকাশচুম্বী দাম আর নিরাপত্তার ঝুকির মধ্যে পড়ে বউ আমার আল্লাহকে স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশীই ডেকেছিলো ।
ট্রাফিক জ্যামে পড়লেও "আল্লাহই মালুম কখন ছাড়বে"।
রিক্সা-সিএনজি-ক্যাবের ভাড়া আর জিনিস পত্রের আকাশচুম্বী দাম দেখে "হায় আল্লাহ, দুই বছরে এই অবস্থা!"
বাইরে থেকে ফিরতে রাত হলে "আল্লাহ ঠিক মত বাসায় যেন পৌছাতে পারি"।
কেবল ইশ্বর কারো কাছে যাবেন না
প্রকৃতি থেকে নিয়েছি যা তারও অধিক
ঘৃণা এবং অপবিত্রতা মাখা প্রতিবস্তু দিয়েছি ফিরিয়ে ।
জল নিয়ে দিয়েছি প্রস্রাব
প্রেম নিয়ে প্রতিশোধ ফিরিয়ে দিতে দিতে হয়েছি মানুষ ।
বৃক্ষ থেকে নিয়ে ফল দিয়েছি তার ডাল ভেঙে
যেন দ্বিতীবার আর কোন পুরুষ গাছের কাছে না যায় অই খানকিটা
অক্সিযেন নিয়ে মৃতবৎ কার্বনডাই অক্সাইড ছেড়েছি ফনার মতো ।
বলো গ্রহণ সত্য না বর্জণ বিবিধ?
ফেরত যাবার কালে কোন কিছুই আর অক্ষত রবে না
মনে পড়ে তোমার কথা
কোন প্রকার বর্জণ না করেও তুমি কারো প্রভু কারো পিতা
কারো প্রণয় ছুঁয়ে না দেখেও তোমার উলম্ব দেহ থাকে সীতা ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:আমার আরো কবিতা প্রবন্ধ বা রাজনৈতিক চিন্তার উপর পাঠ প্রয়োজন মনে হলে দয়া করে ঘুরে আসুন:http://www.gonshaipahlavi.fineartsbd.com
আমার যাদুমনি (১৮)

মাহে রমজানের পবিত্রতা অক্ষুন্ন রাখুন!

ঋহান "আল্লাহ" দেয়।
(মানে সে নামাজ পড়া কে আল্লাহ দেয়া বলে)

চুরি করে সিরিয়াল খেতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা

চুরি'তে ধরা খেয়ে মুড অফ
আমাদের ঋহান 
এই পোস্ট কেবল মাসুম ভাইয়ের জন্য...
শওকত হোসেন মাসুম। একজন ব্লগার কিম্বা একজন সাংবাদিক হিসাবে উনারে যতোটা পছন্দ করি তার চাইতে অনেক অনেক বেশি পছন্দ করি একজন মানুষ হিসাবে। অনেকরেই দেখি উনারে নিয়মিত টেলিভিশনে দেইখা বেশ আহ্লাদিত হইয়া যাইতে। একজন সাংবাদিক, একজন ব্লগার হওয়ার পাশাপাশি উনি সবার কাছে একজন টিভি ব্যক্তিত্য হিসাবেও অ্যাপিয়ার করেন। কিন্তু আমি কষ্ট কইরা রাত জাইগা সংবাদপত্র বিশ্লেষণ শোনার আগ্রহটা কখনোই পোষণ করি নাই। মাসুম ভাই কখনোই আমার কাছে বৃহৎ মাপের কোনো ব্যক্তিত্য হিসাবে প্রতিভাত হন নাই।
বয়সে আমার চাইতে উনি কতো বড় হইতে পারেন? সেইদিন এক কাছের মানুষ উনার বয়স আন্দাজ করতে গিয়া কইলো, "উনি তোমার সমান বা একবছরের ছোট হইতে পারেন।" আমি সাথে সাথে তুমুল প্রতিবাদ জানাইলাম। কারণ মাসুম ভাই আমার ছয় বছর আগে এসএসসি পাস করছেন। বয়সে নিদেন পক্ষে আমার চাইতে ৫/৬ বছরের বড় হইবেন।
নিবর্ষা শ্রাবণ(অলীক কাব্য!)
[কোন এক শ্রাবণ দিনের শেষে,
প্রখর রৌদ্রদিনের স্মৃতি তখনো উজ্বল।
প্রতি পদক্ষেপে তার দিনান্তের ক্ষয়,
ক্লান্ত পথিকের পথ ভোলা দু'টি চোখ।
সেথায় দেখেছিলেম;
পড়েছে,
মেঘেদের ছাঁয়া..]
কালো পিচ ঢালা রাস্তা,
বিক্ষোভে ম্রিয়মান..
যেন ফেটে পড়বে সে,
আর একটুতেই..
ক্ষনিকের বাতায়ন,
নাড়া দিয়ে যায়;
বদ্ধ জীবনদ্বারে..
কেঁপে উঠে শিহরনে,
বয়োঃবৃদ্ধ গাছের;
শুশ্ক পাতা যত..
সময়ের মরচে পরা দেয়ালে,
একটা দু'টা চড়াই;
কাকে যেন ডেকে ডেকে ক্লান্ত..
নির্জন শহরতলীর;
কানাগলি রাস্তায়,
ধূলিঝড়..
ঘূর্নিপাকে উড়ে যায়,
পুরানো চিঠি -
ডায়েরির ছেড়া পাতায়;
সুসময়..
দুরে কোথাও..
চিরচেনা ছোট্ট নদীর;
নিঃশ্বাসে বিষ-
বালুকাবেলা রুক্ষ,
নদী তীর চৌচীর..
অথচ সেদিন বরষা..।
জোয়ান অফ আর্ক
ইতিহাস ঘাঁটাঘাটি করলে যে কয়জন সাহসী, যোদ্ধা, রাজনীতিবিদ এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারী পাওয়া যায় তাদের মধ্যে জোয়ান অফ আর্ক ছিলেন অন্যতম। তিনি ছিলেন পরাধীন ফ্রান্সের মুক্তিদাত্রী বীরকন্যা এবং রূপকথাতুল্য এক নেত্রী। মিউজ নদীর তীরে দঁরেমি গ্রামের এক সাধারণ কৃষক পরিবারে ১৪৪২ সালের ৬ই জানুয়ারী এই বীর নারীর জন্ম। ফ্রান্স তখন ইংরেজদের শাসনাধীন ছিল। ইংল্যান্ডের রাজপুত্র ষষ্ঠ হেনরি ফ্রান্সের সিংহাসনে আরোহন করলে ফ্রান্সের রাজা সপ্তম চার্লস পালিয়ে যান। মাত্র তের বছর বয়সে মাঠে ভেড়ার পাল চড়াবার সময় জোয়ান দৈববাণী শুনতে পান যে তাকে মাতৃভূমির স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার ও ফ্রান্সের প্রকৃত রাজাকে ক্ষমতায় পূনর্বহাল করার জন্য প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। দৈববাণী শুনামাত্রই জোয়ান অনেক চেষ্টার মাধ্যমে ফ্রান্সের পলাতক রাজা সপ্তম চার্লসের সঙ্গে দেখা করেন এবং দেশের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য তার কাছে সৈন্য প্রার্থনা
"মা"
মাগো তুমি শুধু গর্ভধারিনী নও,
অসুখে মোর নির্ঘুম রাত্রি জেগে রও,
মাগো তুমি শুধু দশ মাস দশ দিন গর্ভে দাওনিকো ঠাঁই,
সারাক্ষণ ছায়া হয়ে থাকো আমি যেখানে যাই,
মাগো তুমি শুধু দুধ করোনিগো দান,
ভালবেসে আজও বাচিয়া রেখেছো মোর প্রাণ,
মাগো আমার এই দেহ মন তো তোমারি গরা,
এই দেহ মোর তোমারি রক্তে ভরা,
মাগো আমারি অনুভূতি তো তোমারি দান,
ভালবাসা দিয়ে তুমি কর তার প্রমাণ,
মাগো তুমিই তো প্রথম শিখিয়েছো কথা,
তুমিই তো বুঝিয়ে দিয়েছো জগতের যত ব্যথা,
মাগো তোমারি হাত ধরে শিখেছি প্রথম পথ চলা,
তোমারি মুখের মুধুর গানে কাটিয়েছি মোর শৈশব বেলা,
মাগো তুমিই প্রথম শিখিয়েছো শিষ্টাচার,
তুমিই করিয়েছো প্রথম আহার,
যে নারী সারাক্ষণ আমার চিন্তায় থাকে নির্ঘুম সে তো তুমি মা,
আমার দেহের রক্ত নিশ্বাসে মিশে আছে তোমারি মহিমা,
যে নারী আমার মঙ্গলের জন্য করে প্রার্থনা,
যে নারী আমার সুগের জন্য প্রভূকে করে আরাধনা,
ভূলিনি তোমায়
তুমিতো জানো আজ আমার জন্মদিন।মনে পড়ে ১০ই আগষ্ট আসার আগেই তুমি আমাকে চিঠি পাঠাতে।আর সেই সাথে জন্মদিনের কার্ড ও পাঠাতে।আর আমি পোষ্ট অফিস থেকে তোমার পাঠানো চিঠি আর উপহার গুলো নিয়ে আসতাম।বাড়িতে না পৌছানো আগ পর্যন্ত আমি চিঠি খুলতাম না।বাড়িতে ফিরে রুমের দরজা বন্ধ করে গভীর আগ্রহে খুব যত্নে তোমার চিঠিটা খুলতাম।প্রত্যেক চিঠির শুরুতে লিখতে "আমার স্বপ্ন সুমন,জানি তুমি আমার চিঠির প্রতিক্ষায় অধীর আগ্রহে বসে আছো, ছটফট করছো।আর এদিকে আমিও ছটফট করছি কবে তোমার উত্তর পাবো।"তোমার সর্বশেষ চিঠি পেয়েছিলাম ২০০৬এর ৯ই আগষ্ট।আমার জন্মদিন উপলক্ষে পাঠিয়েছিলে ৬পৃষ্টার সুদীর্ঘ চিঠি।চিঠির প্রতিটা লাইনে ছিল ভালবাসার কথা।তুমি চিঠিতে লিখেছিলে আমাকে ইন্ঞ্জিনিয়ার হিসেবে দেখতে চাও।আজ আমি ইন্ঞ্জিনিয়ার হতে চলেছি।এইতো আজ বাড়ি থেকে আলোচনা করে ফিরলাম কোথায় বিএসসি ইন্ঞ্জিনিয়ারিং পড়বো।বাড়ির সিদ্ধান্ত ডুয়েট এ পড়তে হবে।তাই কঠোর সংকশ্পবদ
ভালো লাগছে না
পিঠে ব্যথা, কিছু ভালো লাগছে না।
ভাবলাম একটা ব্লগ লিখি।
তাও ভালো লাগছেনা।
কী যে করি!
কাল অফিসের কথা মনে করলে কেমন যেন বিবমিষা বোধ হচ্ছে।। ।
বিবশ বীভৎস বিবমিষা। ।
(কী অদ্ভুত! বলছে ৫০ শব্দের কমে না'কি ব্লগ হবেনা।। তো কি হবে? ঘোড়ার ডিম?)
(আরে বাবা আর মতো শব্দ লিখবো? আর তো লিখতে ইচ্ছে করছে না!)
ফুল পাহাড়ের দেশে
ছোট্ট স্টেশনটায় এসে মন ভালো হয়ে গেল।। লোকজনের ভীড় নেই, হট্টগোল নেই; চারিদিকে শুনশান।, কোথাও কোন শব্দ নেই।।

মেয়ে আমাদের স্টেশন মাস্টার সেজে অভ্যর্থনা জানাল।।

স্টেশন থেকে বেরিয়ে, বাস ধরলাম।। কিছুক্ষণ যাবার পরই শুরু হল, ঘন বন।।। বাসের জানালা থেকে ছবি তুললাম।

আবোল তাবোল-১
[ডিসক্লেইমার:
পুরাই হাবিজাবি টাইপ পোষ্ট।অলস সময়ের আজগুবি চিন্তাভাবনা।করার মত কোন কাজ থাকলে ইহা না পড়াই উত্তম।
তবুও যারা সময় করে পরবেন তাদের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।চিন্তাগুলো আমার নিজের কাছেই বেশ এলোমেলো তাই লেখাটা খুব একটা গোছানো হবে না বলেই আমার ধারনা!]
বিষয় : বর্ষা ও মৃত্যুচিন্তা ।
বৃষ্টি পড়ছে।দিন রাত কোন বিরাম নেই। এই কমে তো এই আবার বেড়ে যায়।ছাতা ছাড়া বাইরে যাওয়া যায়না, এমন বিরক্তিকর অবস্হা।একেই বোধহয় বলে বর্ষার 'গাদলা'!
এইরকম দিনগুলো আসলেই, বিশেষত রাতের বেলা।জানি না কেন, আজগুবি একটা চিন্তা মাথায় এসে জ্বালিয়ে মারে।
চিন্তাটা আমাদের কবর জীবন নিয়ে!
আমরা জানি আমাদের মৃত্যুর পর যখন আত্মা শরীর ছেড়ে চলে যায়.তখন ওই শরীরের আর বিশেষ কোন মূল্য থাকেনা।ওই শরীরের আর কোন অনুভূতি ও থাকার কথা না।
কিন্তু হাদীসে এসেছে,
গোল্লায় যাক সমাজ ভাবনা
গোল্লায় যাক সমাজ ভাবনা
জানিস হরতাল সামনে রেখে দশটা গাড়ি পুড়লো ধিকিধিকি?
শুনেছিস যোগাযোগমন্ত্রী কিভাবে খাচ্ছে
পরিবহন মালিকদের হাতে ফাঁকি!
ভীষণ ঘটমান বর্তমান সচেতন বন্ধুর ফোন ইচ্ছে করে,
আলগোছে কানের কাছ থেকে একটু দূরে রাখি।
আমার বলতে ইচ্ছে করে, ”তুই জানিস না ইসাবেলা,
আমিও এখন নির্বিরোধ নৈর্ব্যক্তিকতার একনিষ্ঠ সাকি!”
বলি না।
সত্য জেনে চেপে যাওয়ার মতো মাহাত্ম্য
আর কোনকিছুতে নেই।
কতদিন, মাস, বছর আমি রাজনীতি সচেতন নই
আমার সামনে সীমিত কড়িতে চলার হিসাব,
আমি ন্যূব্জ, যেখানে সেখানে রাখা আসবাব
আমার উপর কথিত বাস্তবতার ধূলো জমে যায় প্রতিদিন,
আমি মুছিনা,
এমন কী এখন আর স্বীকারও করি না
কোথাও কোন ঋণ
এই যে খামারী জীবন টেনে নিয়ে যাচ্ছি এই যথেষ্ট
বরং আমাকে বাঁচাতে তুই হ’ আরেকটু সচেষ্ট
বিবিধ স্মৃতি : আড়তদারি ব্যবসায়ের অভিজ্ঞতা
আগের দুই পর্বে একান্ত ব্যক্তিগত স্মৃতি অনেকের একঘেয়েমি লাগতে পারে। তাই বিষয়ভিত্তিক স্মৃতি লেখার কথা ভাবছি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, আড়তদারি ব্যবসায়ের অভিজ্ঞতা, পালিয়ে গিয়ে বিয়ে, পার্বত্য চট্টগ্রামে রাবার বাগান গড়ার চেষ্টা, গার্মেন্টস শিল্পে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর এক্সপেরিমেন্ট, বাংলাদেশে ইন্টারনেটের সূচনা, প্রথম আলোতে ১১ বছর, ইত্যাদি।
ইচ্ছে
ইচ্ছে হলেই লিখে ফেলা যেতো.
.তোমার কানের দুলের দুষ্টুমির কথা
তোমার কালো টিপের নার্ভাসনেস
লিপিস্টিকের ভিরু ইশারা
নেইল পলিশের বিষন্ন হয়ে যাওয়া
রেশমি চুড়ির হঠাত থমকে যাওয়া,
আচলের বেসামাল উড়াউড়ি
তোমার অনামিকা ঘিরে ছায়াদের ঘুরোঘুরি
আর চুলের কালো টিপটার মরচে পড়ে যাওয়ার ইতিবৃত্ত,
তোমার নাকের তিলটাকে নিয়ে আমার যে স্বরবৃত্ত।
কিন্তু যেখানটায় লিখবো,
সেই তোমার করতলে যে হাটুজল !
অর্থ অর্জন
আপা দেশে এসেছে অনেকদিন পর। সাথে ভাগ্নেটা। বেশ পাজি। কথাবার্তা শুনতে চায় না। নিজের মতই সব কিছু করে। নিজের মতই সব কিছু পেতে চায়। সবকিছুই তাকে সেইভাবে দিতে হবে, যেভাবে সে চায়। বিদেশ থেকে আসা একটা চার বছরের ছেলে যে এমন জিদ ধরে চলবে, ভেবে পায় না তানিশা। সবে এইচএসসি শেষ করেছে সে। হাতে যথেষ্ট সময়। তাই সব আবদার তার উপরই। কী আর করা আপার ছেলে যে!