ইউজার লগইন
ব্লগ
বিশুদ্ধ জীবন
বিশুদ্ধ জীবনের অপর নাম কি?
নিজেকে যতবার প্রশ্ন করেছি উত্তর পেয়েছি ‘ছক’ এ চলা।
অমন একটেরে চলা কে কবে মানতে পারে!
অথচ চারিদিকে সেই প্রস্তুতি;
প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া মানে গোল্ডফিশের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অর্জন -
অ্যাকুরিয়ামের সীমিত গন্ডিতে সব তর্জন গর্জন।
এফএম শুনতে শুনতে দাঁড়ি কামানো, ওড়না পিন্আপ,
লাঞ্চ বক্স ব্যাগে পুরে নামানো ঘরের ঝাঁপ;
তারপর দৌড়, ন’টা পঁয়তাল্লিশ বাজি রেখে কার্ড পাঞ্চ,
হাজিরা খাতায় সই-
নিজের মনকে চোখ ঠারা আদতে প্রত্যেকে”বাঁশী” কবিতার
কেরানী ছাড়া অন্য কেউ নই -
খুব ক্যাতা আমি অমুক, ভিজিটিং কার্ড, গলায় টাই
হিলের ঠকঠক, ঠোঁট পালিশ-
কেরানীগিরিটা কেড়ে নিলে বিছানায় শুইয়ে রাখা জীবন্মৃত
কোলবালিশ।
বিশুদ্ধ জীবনে তাই বরাবর ঢেলে দিয়েছি ছাই,
‘ছক’ এর চারপাশ ছেঁড়া, সুযোগ করে যখন তখন
খ্যামটা নেচে গাই।
(১৫.০৭.১১)
ঘাতক!
ঘাতক মোরা যানকে বলি
আসল ঘাতক কে?
ঘাতক মূলেই বাস-ট্রাকের
চালক বনে যে।
প্রতিদিনই জীবন মোদের
হচ্ছে কতো সাবাড়,
এ জীবনকে রক্ষা করে
সাধ্য কার বাবার।
জীবনটাকে তুচ্ছ করেই
নিত্য পথচলা,
নিচ্ছে জীবন ঘাতক ট্রাক
যেন ছেলেখেলা।
এ জীবনটা জীবন তো নয়
নির্ঘাত মৃত্যুকূপ,
যাচ্ছে জীবন শত শত
মন্ত্রী থাকছে চুপ!
ভাঙাচুরা সড়ক রে ভাই
চলার তো জো নেই
উন্নয়নের জোয়ার বটে
কথার ফুলঝুরিতেই।
আইন আছে প্রয়োগ নেই
পুলিশি চাঁদাবাজি,
হাঁকছে গাড়ি যেমন-তেমন
যন্ত্রদানব সাজি।
আছে গাড়ি ফিটনেস নেই
চলছে অবাধে,
ট্রাফিক আছে ট্রেনিং নেই
সাধ্য কার বাধে।
এক আঙুলের ইশারায়
যন্ত্রদানব থামে,
টুপাইস বুঝিয়ে
কেটে পড়ে চামে।
নোট :
যান= যানবাহন, জো নেই= উপায় নেই,
বাধে= বাধা দেয়, চামে= সুযোগ বুঝে।
ভদ্রমহিলার কেচ্ছা
কবিতা চর্চা অপছন্দনীয় অপরাধ!
ভদ্রমহিলার কাছে,
শব্দটা শুনতেই নাকি তিতকুটে লাগে!
তাই কবিতার জগত থেকে প্রস্থান করেছিলাম ।
রাজনীতি রাগবি খেলার মত!
তার বুঝতে গিয়ে নাকি
মস্তিস্কে মহাহাঙ্গামা লাগে !
তাই রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করেছিলাম ।
সাংবাদিকতা টোকাইদের কাজ !
আমার কৌতুহলী প্রশ্নে নাকি
তার চরম বিরক্তি আসে !
তাই মিডিয়ার সাথে আত্নীয়তা ছিন্ন করেছিলাম ।
পিরিত করা জঘন্য অপরাধ !
সেই ভদ্রমহিলার কাছে
আমাকে দেখতে নাকি রামছাগল লাগে !
তাই ছ্যাক খেয়ে পলায়ন করেছিলাম ।
সেই ভদ্রমহিলার নামটা শুনতে চান ?
থাক না, নাইবা বললাম !!!
আমার এবং শিল্পী তনিমা রাতুলের কিছু নতুন শিল্পকর্ম
বন্ধুরা ছাপচিত্রের উপরে আপনাদের কেমন আগ্রহ আছে জানি না তবুও অতি সম্প্রতিক আমার করা কতগুলো কাজের লিংক দিচ্ছি। সাথে আছে পেইন্টার তনিমা রাতুলের করা কিছু কাজ। ভালো লাগলে জানাবেন।এই কাজগুলো মানে আমার করা কাজগুলো একটু নতুন টেকনিকে করা। ক্যানভাস প্রিন্ট বলছি যাকে।এই টেকনিকের বিশেষত্ব হচ্ছে সাধারন প্রিন্টের কাজে অনেকগুলো ধাপ থাকায় ফর্ম এবং আইডিয়া থেকে বাধ্য হয়ে খানিকটা সরে আসতে হয় কিন্তু ক্যানভাস প্রিন্টে ধাপগুলো কম থাকায় সেই সম্ভাবনা নাই । যাই হোক এত কিছুর পরও বেশ খানিকটা নির্ভর করছে দর্শকের উপর তারা এই মাধ্যম এবং কালার ব্যবহার কেমন ভাবে গ্রহন করেন সেটাই দেখার বিষয় ।http://www.gonshaipahlavi.fineartsbd.com/
দুর্ঘটনা বা অবহেলা নয়- হত্যাকাণ্ড
দুর্ঘটনা নিয়ে লিখতে ভালো লাগে না। কিছু দুর্ঘটনা না লিখিয়ে রাখতে পারলোনা। যে দুর্ঘটনাগুলো কাঁদিয়েছে, রাগিয়েছে আর প্রতিবাদী করে তুলছে ক্রমশ। একদিন হয়তো ক্রোধই দেশ ছাড়া করবে এই অধমকে। আগেই আবেগী এই লেখার জন্য ক্ষমা প্রার্থী..
১.
১৫ ই আগষ্ট’৭৫ ও তারপর : বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের আততায়ীদের উল্লম্ফনকাল
বারবার আশাহত ও পরাজিত হতে হতে ’আশা এক প্রবঞ্চনা’তেই ঈমান এনেছিলাম । কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্টে ত্রিবেনী আর পুজির নষ্ট সঙ্গমে কিংবা স্টেনগানের ব্রাশ ফায়ারে বঙ্গবন্ধু হত্যার [1] পর বহুল প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় [2] , যুদ্ধাপরাধী বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন [3] যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু [4],উচ্চ আদালত কর্তৃক সংবিধানের ৫ম সংশোধনী বাতিল [5] , রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত কর্তৃক সামরিক আদালতে লে. কর্নেল এম এ তাহেরের গোপন বিচার অবৈধ ঘোষণা করে দেয়া রায় [6] ইত্যাদি ঘটনায় আবারও আশায় বুক বাধতে ইচ্ছা হচ্ছে । আমরা একইভাবে আশা করি খালেদ-হায়দার-হুদা-মঞ্জুর ও জিয়া হত্যারও বিচার হবে [7] । লুৎফা তাহেরের[8] মতো সালমা খালেদ[9]এর প্রত্যাশাও পূরন হবে ।
বৃষ্টি ও জোছনা..[অলীক কাব্য - এলোমেলো কাব্যকথন!]
[পুর্বকথন :
বৃষ্টি,
তোমারো কী 'মন ভাল নেই' হয়?
যায় কী ছুঁয়ে বিষণ্ণতার হাওয়া?
তোমার আকাশ যায় কী ঢেকে মেঘে?
যাও কী ভুলে ভিতর বাহির যাওয়া?
'নীল বেদনা' সে-ও কী তোমার চেনা?
তুমি-ও বুঝি হুট্ অভিমান কর?
নীল আকাশে ভাসিয়ে মনের তরী,
নীল জোছনায় অঝোর ধারায় ঝরো?]
বন্ধ দুয়ার খোলেনি আজো,
আঁধারের কোলাহলে..
ডেকে যায়;
নিঃশব্দে,
তীব্র জোছনাপ্রহর..
মেঘের গা'য়ে জল,
জলস্পর্শে জোছনা
মেঘে ভিজে যায়,
ভেসে যায় জোছনা..
ভোরের আঁধার হয়ে;
ছুঁয়ে যায় জোছনা,
অগাধ বিশ্বাসে..
আরো একবার -
ভেসে যাক চরাচর,
রুপোলি স্নিগ্ধতায়..
..
ফিরে এসো জোছনা..।।
আলোকবর্তিকা...
অনেকদিন ব্লগে লেখা হয়নি, মূলত ব্যস্ততার কারণেই - যদিও মাঝে মাঝে লেখার কথা ভেবেছি। ভেবেছি, আনন্দময় কোনো অভিজ্ঞতার কথা লিখবো, পড়ে সবার মন-ও আনন্দে ভরে উঠবে! আমাদের নাগরিক জীবন থেকে আনন্দ তো হারিয়েই গেছে, যদি একটা লেখা অনেকের মনে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে - পারে মন্দ কি? আবার, এমন কিছু লেখার কথাও ভেবেছি কখনো কখনো যা পড়ে মনটা কোমল বিষণ্নতায় ভরে উঠবে । না, মন খারাপ করিয়ে দেয়ার মতো লেখার কথা বলছি না, বলছি কোমল অনুভূতিতে আচ্ছন্ন হবার মতো লেখার কথা। আমাদের যাপিত জীবনের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতাগুলো এতটাই রূঢ়, এতটাই কঠোর যে মনটা দুমড়ে-মুচড়ে থাকে সারাক্ষণ। আনন্দিত হবার মতো বা কোমল আচ্ছন্নতায় ভরে উঠবার মতো ঘটনা প্রায় ঘটেই না!
ফেরারী হুইসেল
উড়তে গেলেই
আমার ভেতর থেকেই একটা হাত এসে থামিয়ে দেয়
যখন সকল দিকভ্রম আর সম্মুখের আঁধার হতে
গোটাগোটা মানববৃক্ষ গ্রন্থিত হয়ে যায়
ইতিহাসের ওয়েব পৃষ্ঠায়
থরো থরো লিংকবাহনে চড়ে খুঁজতে থাকি বায়োডাটা
আর ছবির ধারাবাহিক
সদ্য ইতিহাস হয়ে পড়া জীবিতরা
কেউ এক একটা পৃষ্ঠা খুলে
সহচর নানান বইয়ের ভেতরে জমাট কোনো মন্ত্র বলে
কেবল একবার জানিয়ে যায়
উড়তে গেলে আর কোনো বাঁধায় বিদ্ধ হবে না প্রজাপতি মন
ফের অঙ্কিত হবার আগে
সকল সড়ক মোড়ে হয়তো দাঁড়িয়ে থাকবে
ফেরারী হুইসেল
মরণরে তুহু মম শ্যাম সমান...
তুমি যেভাবেই চলো, যতো সাবধানে;
মৃত্যু এসে দাঁড়াবে তোমার পাশে,
ঘাড় ফেরাতেই মৃত্যুর মুখশ্রী তোমার চোখের
দোড়গোড়ায় নাড়াবে মৃত্যুময়তারে।
বর্ষা চলে গেছে, তবু বর্ষণ থামে না
এখন বৃষ্টিতে ভিজে রোমান্টিক হতে
ইচ্ছা করেনা একেবারেই,
বন্ধ কাঁচের জানালা বরং অনেক
আবেগময়তা আঁকে শরীরে শরীরে
সেখানে যেমন ঠিকড়ায় রোদ্দুর
তেমনি আঁধার একেছে স্থিরতা...
কেবল জলের ঘ্রাণহীন নীরবতা
মৃত্যুর মতোন তারে আকড়ে থাকে
বিলাসী বিশ্বাসে।
বালুকনা নিয়মমতো স্ফটিক স্বচ্ছতায়
পাল্টে যায়, তার ইতিহাসে মৃত্যু
না লেখা হলেও, কাঁচ বলে আমরা
আসলে জল-রোদ্দুর-আঁধারের সাথে
তার পরকাল দেখি; মৃত্যু মানে দেহান্তরে যাওয়া
মৃত্যু মানে আড়ালের কাহিনী রচনা।
বৃষ্টি বলে বেরিয়ে পড়ি না
বৃষ্টি বলে কাঁচের এপাশে
অসহায় রূপকল্প আঁকি
জীবন অথবা জীবনের মতো মায়া,
আর সেসময় কিছু মানুষ, যাদের
মিশুক ভাই
একুশে আসছে'। ছোট একটা নোটিশ দুলছিল সার্ক ফোয়ারার পাশের জাহাঙ্গির টাওয়ারে। ওটা দেখি প্রতিদিন। একুশে কি জানিনা। একদিন বিশ্ব সাহিত্যের কেন্দ্রের ছাদে বসে জানলাম বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি টেলিভিশন আসছে। সেখানে কাজ করবো সেটা ভাবনায় আসেনি। এই সময়টায় ভোরের কাগজে প্রধান ফিচার হিসেবে লিখা কয়েকটি বিষয় নিয়ে প্রামান্য চিত্র তৈরি সাধ জেগেছিল। যেমন চোরের গ্রাম। এছাড়া বায়ান্নোর ভাষা কণ্যাদের নিয়ে তথ্যচিত্র। সেই সাধ মেটানোর বাসনা নিয়েই একুশে টেলিভিশনে টেলিফোন করি। একুশের অফিস তখন বনানী। অপারেটর জানালেন- এই বিষয়ে মিশুক মুনীরের সঙ্গে কথা বলাই ভাল। প্রথম দিন তাকে পাওয়া যায়নি। তৃতীয় দফায় পেলাম। বললেন অফিসে গিয়ে বায়োডাটা দিয়ে আসতে। গেলাম, কিন্তু এর আগে যেহেতু তাকে দেখিনি কখনো, তাই অনায়াসে আমার সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলেন। আবার ফোন- তিনি চলে গেছেন শিল্পী শাহাবুদ্দিনকে নিয়ে শু্টিঙ-এ কুষ্টিয়া। ফিরলেন দিন পনের পর , গ
মাটির মেয়েটি হারিয়ে ফেলেছি
যখন আমি ছোট ছিলাম
শিশু ছিলাম
মেঘের মতো, ঘাসের মতো, জলের মতো।
শহরের ইট, সিমেণ্ট, রড, কংক্রীট থেকে দূরে...
দূর গ্রাম দেশে। মাটির সাথে মিশে
জলের সাথে ভেসে, শ্রাবণের প্লাবন আমার বন্ধু ছিল।
আকাশের মেঘ মালা আমার ভাল লাগত
হিজল ও অশ্বথ্বের রঙ্গিন ডালে দোলতে দোলতে
চপল মেয়েটির গালে
জোর করে চুমু এঁকে দিতাম।
দুষ্টু মেয়েটির তুলতুলে হাতের চট তখন আমার ভাল লাগত।
------এখন বড় হয়ে
শহরে এসে, শহুরে হয়ে
টকটকে লাল গালওয়ালা সেই মেয়েটিকে ভুলে...
মনে হল দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় এত দিনে
আমি সব খুয়েছি।
কাদা মাটির গন্ধ ভুলে গেছি, মেঘের ডাক ভুলে গেছি,
হিজল অশ্বথ্বের পাতার রঙ্গিন সুর হারিয়েছি।
মেয়েটির সঙ্গে দিঘির ওপারে দাঁড়িয়ে বর্ষামঙ্গল গান শুনতে পায় না আর।
কদম ফুলের ঘ্রান এখন আর অনুভব করিনা।
বৃষ্টি বিলাসী মেয়েটিকে হারিয়ে
এখন হাতড়িয়ে খুঁজি অন্ধকারে অমাবশ্যার গন্ধ,
আমরা বন্ধু ও যুবকের ভাবনা
৩৩ বছরের যুবকের মনে অনেক স্বপ্ন। মোটামুটি ভাল একটা চাকরী করবে। এখন যা করছে সেটাকে ভাল বলা যাবেনা। গতানুগতিক। সুন্দর একটা দক্ষিণমুখী বারান্দাওয়ালা বাসা ভাড়া নেবে। তাতে যদি কিছু টাকা বেশি যায়, যাক না। বাড়ি থেকে ছোট বোনটা আর মা'কে নিয়ে আসবে নিজের কাছে। বোনটা সামনের বছর এসএসসি দেবে। ততদিন বাড়িতে থাকুক। বোনটার পরীক্ষা শেষ করা পর্যন্ত সে নতুন বাসাটা গুছিয়ে নেবে। বাসায় কিছু আসবাবপত্র কিনতে হবে। মেসবাড়িতে অন্যের সাথে রুম শেয়ার করে আর কত ! বুয়ার হাতের রান্না খেতে খেতে কখন জানি ৫/৬ বছর কেটে গেছে।
রাত পোহালেই মৃত্যু এসে দাঁড়ায় চৌকাঠে
এক.
রাত শান্তিময়।
সময়কে ছেড়ে দিলে সেও পৌছে যায়
রাতের গহ্বরে, গহীন জঠরে।
রাতের পরিধী জুড়ে ঘুম
রাতের ভেতরে সুনসান
রাতের অন্তরে প্রিয়তমা,
ওম!
দুই.
শান্তির শুলুকে যখন তোমার পেছন পেছন ঘুরছি,
তখন তখন চোরাচোখে রাতের শরীর দেখা,
রাতের শরীরে ঘাম;
রাতের শরীরে ঘ্রাণ
রাতের শরীরে প্রেম
রাত আর শরীরের গল্প এভাবে একক হয়ে যায়।
শরীরের সব কাহিনী রাতের...শরীর হয়তোবা
শরীর হয়েছে রাতের ছোঁয়ায়।
তিন
ভোর রাতে বেজেছে সাইরেন
অনেকে হয়তো স্বপ্নের নাগাল থেকে
যাবে কাজের সন্ধানে।
রাত মানে আপন চৌহদ্দিময়
গোনাগুনতি, জাল বোনা;
মাছ ধরতে যাবো মাঝরাতে, ঢেউয়ে ঢেউয়ে
উলুখড় ভেসে যায়...তাহাদের খোঁজ কে রেখেছে
কোনোকালে।
কেবল রাতের কাছে তারা দামী,
রাতের শরীর ভেদ করে জাল ছুড়ে দিলে
উলুখড় জড়ানো মাছেরা তাকায় করুণ চোখে।
এরচে' মরে যাওয়া ভালো, রাতের আঁধারে চোখে
সংশয়ী শব্দেরা ভীড় করে, কেমন ভাষাহীন
শিমূলে শিমূলে বিলম্বিত যাত্রা আমার ও একটি দূরপত্র
(১)
শিমূলে শিমূলে বিলম্বিত যাত্রা আমার,
তারপর দীর্ঘ অনুশোচনা
ব্যর্থতার গ্লানী নিয়ে শোকের নাচানাচি
এবং আমি হঠাৎই বর্নহীন হয়ে যাই।
(২)
অল্পপোঁড়া চাঁদ সবে জ্যোৎস্না ছড়াচ্ছে সর্বত্র
সামনে আবছাযা সুপুরী বাগান,
আামি এবং তারাগুলো।
তুমি বললে “ভুলে যেও”।
আমিতো আর নিষ্ঠুর হাতে গোলাপ ছাঁটতে পারি না।
(৩)
প্রিয়,
তোমাকে শেষ কখন কোথায় দেখেছিলাম মনে পড়ে না আর।
যদিও, যখন তখন তোমাকে নিখুঁত ভাবতে কষ্ট হয় না এখনো।
লাল একটা গোলাপ পাঠিয়েছিলে একদিন, মনে পড়ে?
কেন পাঠিয়েছিলে জিজ্ঞেস করা হয়নি কখনো,
শীত-কুয়াশা ছাপিয়ে কতদিন তোমার জানালা ঘেষে ঠিক হেটে গিয়েছি রাত্রিতে,
যদি দেখা হয়, দেখা পাই আশায়।
মজাটা হল, তুমি চেয়েও দেখনি কখনো, তাতে কী হেসেছি মনে মনে।
কখনো বা শীতের কোমল রোদ ছায়ায় পুকুর ধারে দাড়িয়ে
সিঁদুরে লাল শেওলা বাতাসের ছোঁয়ায় জড়ো হওয়া দেখতে দেখতে মৃদু হাসতে তুমি।