ইউজার লগইন
ব্লগ
গল্প: লিহীন
(খুনোখুনি, রক্তপাত আছে লেখায়...)
রওশনের মতো বুনো আর হিংস্র মনের ছেলে এ পৃথিবীতে অনেক কম জন্মেছে। যারা জন্মেছে তাদের বেঁচে থাকা সবসময়ই মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, কলুষিত করেছে এবং সবশেষে মানুষ বাধ্য হয়েছে তাদের প্রতি নিষ্ঠুর হতে। এদেরকে মানুষের জন্য দুর্ভাগ্যের নিমিত্ত হয়ে পৃথিবীতে আসা একধরনের প্রাণী হয়তো বলা যায় কিন্তু মানুষ বলা যায় না। প্রকৃতি নিজের কোনো এক অদ্ভুত খেয়ালেই এদেরকে মানুষ বানিয়ে পাঠায় না।
চট্টগ্রাম শহরে সিডিএ বলে একটা এলাকা আছে। সেটার ১২ নম্বর রোডের একদম শেষ মাথায় রওশনদের বাড়ি। জায়গাটা খুব ঘিঞ্জিমতো, যেখানে ওদের বাড়ির পাশ দিয়েই চলে গেছে শহরের বড় বড় স্যূয়ারেজ ড্রেনগুলোর একটি। সেটাকে ওরা বড় নালা বলে।
গ্রহান্তরী বৃষ্টি..(আধুনিকাব্য!)
সারারাত বৃষ্টি ঝরে গেল,
অঝোরে..
তমসাচ্ছন্ন নগরীর
অন্ধকারে,
মৃত্যুর ছায়া..
সময়ের নির্মমতায়,
বিমর্ষ প্রহর..
শেষরাতের ঘুমন্ত প্রহরী,
বরই গাছের পাতায় জল-
ল্যাম্পপোষ্টের নিয়ন আলোয়;
রুপোলি ঝিলিক..
স্তব্ধ সময়ের সাক্ষী;
বাতাসের গায়ে ভাসে,
কর্পূরের গন্ধ ভরা জল..
অসময় সময়ে;
সমুদ্দুরের অশ্রু ছুঁযে,
মেঘ হয়ে নামে..
বৃষ্টি,
গ্রহান্তরের চিরচেনা অচেনা আগন্তুক..।।
[ভাল লাগলে জানাবেন,
না লাগলে আরও বেশি করে..
ভাল থাকুন সবাই,
অনেক ভাল..সবসময়।।]
**আর কি লেখবো বুঝতে পারছিনা,৫০ টা শব্দ যে এত বেশি জানা ছিলনা!
বিবিধ স্মৃতি বহন করে দু'বছর পরই ৫০ হবো, সেঞ্চুরির স্বপ্নও দেখি! (পর্ব-২)
৭. ভুট্টো সরকার সেখানে অবস্থানরত বাঙালিদের জন্য পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নিতে অপশানের সুযোগ দিল। বাবা তাঁর ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে (সম্ভবত, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করার কারণে বৈষম্যের শিকার হতে পারে- এমন আশঙ্কা করে) পাকিস্তানে থাকার অপশান দিলেন। শুনে মায়ের দিন-রাত কান্নাকাটি চলতে থাকলো। দেশের আপনজন ছাড়া ভিনদেশে থেকে যাওয়া তিনি মেনে নিতে পারছিলেন না। বাবাও দ্বিধায় পড়লেন। অফিসের বসরা তাঁকে স্নেহ করতেন। তাঁদের তালে পড়ে অপশান দিয়েছিলেন। মায়ের কান্নাকাটিতে আবার অপশানের ফরম পূরণ করে বাসায় এসে ঘোষণা দিলেন অপশান দুটোই দেওয়া থাকলো, ভাগ্যে যেটা হবে তা-ই মেনে নেব।
বন্ধু দিবস... :: বন্ধুগো... আমার...
বন্ধু তোমার চোখের মাঝে চিন্তা খেলা করে
বন্ধু তোমার কপাল জুড়ে চিন্তালোকের ছায়া
বন্ধু তোমার নাকের ভাজে চিন্তা নামের কায়া
বন্ধু আমার মন ভাল নেই / তোমার কি মন ভালো
বন্ধু তুমি একটু হাসো / একটু কথা বলো
বন্ধু আমার বন্ধু তুমি / বন্ধু মোরা ক' জন
তবুও বন্ধু...... মন হলো না আপন’- কৃষ্ণকলি
বন্ধুত্বের আহ্বান... বন্ধুত্বের অবগাহন... বন্ধুত্বেই জীবন... বন্ধুত্বেই মরন... এত এত বন্ধুর ভীরেও পুরোনোরা হারায়... খুজে পাওয়ায় আত্মহারা সুমন হয়তে বলে ওঠে
হঠাৎ রাস্তায়, অফিস অঞ্চলে
হারিয়ে যাওয়া মুখ, চমকে দিয়ে বলে
বন্ধু কি খবর বল?
কতোদিন দেখা হয় নি।
ইফতারের রাজনীতি: আ'লীগ-বিএনপি-জামাত এবং আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের দেউলিয়াপনা!

(যুদ্ধাপরাধীর দায়ে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির জন্য মোনাজাতে খালেদা ও অলি)
গতকাল ০৬ আগষ্ট দিনটি আমার মনে হয় আরোও কিছু কিছু দিনের মত মনে রাখার মত দিন। এ জন্য মনে রাখার দিন বলছি যে, ঐ একই দিন জামাত ও আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টি ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অনেক বাঘা বাঘা রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, সম্পাদক, স্ব-ঘোষিত সম্পাদক আরোও অনেকে। স্ব স্ব দলের নেতা কর্মীরা তো ছিলই। আজ যদিও বিএনপির নেত্রী খালেদার আমন্ত্রণ ছিল প্রধানমন্ত্রী হাসিনার ইফতার তথা রাজনৈতিক সভায়, কিন্তু তিনি সেখানে না গিয়ে দলবল শুদ্ধ সবাই গেলেন জামাতের ইফতার তথা রাজনৈতিক সভায়।
হুদাহুদাই (২)
প্লেনে যাতায়াত ভাড়ার সাথে খাবার আর অন্যান্য আনুসাঙ্গিক সুবিধাদির খরচ যোগ করা থাকে - এটাই সাধারনত হয়ে থাকে। কিন্তু ধরুন যদি প্লেনে বসে খিদে পেলেই খাবার কিনতে হচ্ছে কিংবা টয়লেটে যাবার তাগিদে প্রতিবারই আপনাকে পকেটের পয়সা দিতে হচ্ছে, কেমন লাগবে ব্যাপারটা? খাবার মানলাম আপনি কিছু না কিছু বয়ে নিয়ে যেতে পারেন সাথে করে কিন্তু টাট্টিখানার কি ব্যবস্থা করা সম্ভব? প্রথম যখন জানলাম প্লেনে এমন হাস্যকর ব্যবস্থা সত্যিই আছে, হাসবো না অবাক হবো বুঝেই উঠিনি। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে একজন জানালো, এই ব্যবস্থা আছে ''ফ্লাইমি'' নামের ইউরোপের এক এয়ারলাইন্সে!
বিবিধ স্মৃতি বহন করে দু'বছর পরই ৫০ হবো, সেঞ্চুরির স্বপ্নও দেখি! (পর্ব-১)
বয়স নিয়ে অনেকের লুকোচুরি থাকলেও আমি বেশ বড়াই করি নিজের বয়স নিয়ে। মনে করি, বয়সও আমার অন্যতম সম্পদ। হিসেব করার চেষ্টা করি, কী পেলাম আর পেলাম না। ব্লগ আঙ্গিনায় আমার মত বয়স্ক হয়ত খুব বেশী নেই, কিন্তু আমি চেষ্টা করি চলমান প্রজন্মের মেধাবী মানুষগুলোর চিন্তার সাথে পরিচিত থাকার। দেখি, আমার চিন্তা/উপলব্ধির ব্যাপারে আমরাবন্ধুর ব্লগাররা আগ্রহী হন কি-না।
১. সুন্দরবন সংলগ্ন এক গ্রাম্য জনপদে কিশোরী মায়ের কোলে জন্ম নিয়ে নানাবাড়ীতে পরম আদরে বড় হচ্ছিলাম। আমার হাজী সাহেব দাদু ছিলেন কোমল মনের কিন্তু কর্কশ আচরণের সমাজপতি মানুষ। কি যে ভয় পেতাম তাকে! হিটলারের কর্মচারিদের কিভাবে দিন কাটতো- ঐ বয়সে টের পেয়েছিলাম।
তবুও ফিরে আসুক
(১)
তবুও ফিরে আসুক
সবুজ, মাটি ফাটল ধরলো হঠাৎ,
আর তুমি উঠে আসলে অবলীলায়।
কী ছিলনা না তোমার,
মাটি ছিল, পতাকা ছিল
অদৃষ্ট দেখার মোটা ফ্রেমের
একজোড়া স্বচ্ছ কাঁচ ছিল,
আর, ছিলাম আমরা।
ছিল এত,
তারপরও তোমাকে লুকাতে হয়েছিল, এ’ কটি বছর,
দিন ও রাতের খেলায তুমি নিশ্চিত পলাতক ছিলে।এবং
তুমি দেখলে না
লাল বৃত্ত আরও গাঢ় হয়েছে এ’ কদিনে।
তুমি এসেছো ?
ভুলে যেও না
ভরা পদ্মা এখন শুধুই বালি, এবং
তুমি শুধুই ছবি।
(২)
সম্প্রসারিত
বন্ধু,
তুমি কি খুঁজিতেছ,
অনেকগুলো বছর পর
অন্যের ছায়া হইতে তুমি
যে প্রতিমা তৈরী করিয়া আনিয়াছ
তোমার নিজস্ব ভূমির সহিত তাহার মিল কোথায়?
তুমি ক্রমশঃ দূরে চলিয়া যাইতেছ।
তবুও ফিরে আসুক
(১)
তবুও ফিরে আসুক
সবুজ, মাটি ফাটল ধরলো হঠাৎ,
আর তুমি উঠে আসলে অবলীলায়।
কী ছিলনা না তোমার,
মাটি ছিল, পতাকা ছিল
অদৃষ্ট দেখার মোটা ফ্রেমের
একজোড়া স্বচ্ছ কাঁচ ছিল,
আর, ছিলাম আমরা।
ছিল এত,
তারপরও তোমাকে লুকাতে হয়েছিল, এ’ কটি বছর,
দিন ও রাতের খেলায তুমি নিশ্চিত পলাতক ছিলে।এবং
তুমি দেখলে না
লাল বৃত্ত আরও গাঢ় হয়েছে এ’ কদিনে।
তুমি এসেছো ?
ভুলে যেও না
ভরা পদ্মা এখন শুধুই বালি, এবং
তুমি শুধুই ছবি।
(২)
সম্প্রসারিত
বন্ধু,
তুমি কি খুঁজিতেছ,
অনেকগুলো বছর পর
অন্যের ছায়া হইতে তুমি
যে প্রতিমা তৈরী করিয়া আনিয়াছ
তোমার নিজস্ব ভূমির সহিত তাহার মিল কোথায়?
তুমি ক্রমশঃ দূরে চলিয়া যাইতেছ।
জম্মদিনে..[-আবোল তাবোল!]
তেইশ!তেইশ হয়ে গেল?!
ভাবা যায়?এইতো মাত্র কয়েকদিন আগেই দেখতাম(আয়নায় আর কী!)
ছোট্ট নিরীহ শান্তশিষ্ট লেজবিশিষ্ট একজন!
ইস্কুল যায়,চুপচাপ বসে ক্লাস করে।বাদাম খায়,জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকে।
বাসায় ফিরেই স্বমূর্তি!বাকি সারা দিন বাসার সবাইকে জালিয়েই দিন কেটে যায়।(এখনো!)
সেই পুঁচকার কী না বয়ষ এখন তেইশ!
বাপরে..!কত্ত বড় হইয়া গেছি!
অবশ্য লাভ নাই কোন।ছোট ছেলে তো,সারাজীবন ছোটই থাকতে হইব!
কী আর করা..
সারা দিন রাত দৌড়াদৌড়ি;চা কফি,পড়াশোনায় ফাঁকিবাজি আর দুষ্টামি!
এভাবেই চইলবে,
এই আমার কপাল!
বাহ,কত্ত বড় বড় কথা ভাবতে শিখে গেছি।কী দারুন নিদারুন অবস্হা!
মাঝে মাঝে একটু খারাপ-ই লাগে,
আমার সাথের পোলাপাইন সব পড়াশোনা প্রায় শেষ,দুইদিন পর চাকরিতে ঢুইকা যাইব।আর আমার সামনে এখনো অকুল দরিয়া অগাধ সমুদ্দুর ইত্যাদি ইত্যাদি..!
তার উপর যা একখান শহরে থাকি,
কোনদিন জানি ঠুস্ করে মরে যাই ভয়-ই করে।
স্টোরিয়া পোলস্কা (১)
অবশেষে বহুকাঙ্খিত সামার ভ্যাকেশন। ইউরোপের সামার, হায় ভগবান অবস্থা। বৃষ্টিতে বৃষ্টিতে পুরো ইউরোপ জেরবার এবার। সস্তার প্লেনওয়ালারা টারমাক নেন না পয়সা বাঁচান। আগের দিনের মতো সিঁড়ি বেয়ে কাক ভেজা হয়ে উঠলাম প্লেনে। সুনীলের “মানুষ মানুষ” উপন্যাসের আনোয়ারাকে খুঁজতে খুঁজতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম টের পাইনি। দুপুরবেলা বহুদিন পর একটা ন্যাপ নেয়া হলো। মেয়ের গুতানিতে উঠলাম, স্যান্ডউইচওয়ালি এসেছে। স্যান্ডউইচ খেতে খেতে আবার ঘুমিয়ে পড়ার দশা আমার। পোল্যান্ডের অর্থনৈতিক অবস্থা হল্যান্ডের তুলনায় বেশ খারাপ। অনেক পোলিশ স্যাঙ্গুইন ভিসার সুবিধার কারণে হল্যান্ডে জব করেন। সপ্তাহান্তে কিংবা মাসে মাসে তারা বাড়ি যান। আমাদের শহর থেকে কাজ করে গ্রামের বাড়িতে পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার মতো। প্লেনে অনেক পোলিশ মেয়ে আছে। ইষ্ট ইউরোপীয়ান মেয়েদের দেখলেই ওয়েষ্ট ইউরোপীয়ান মেয়েদের থেকে আলাদা করে চেনা যায়। এরা অনেক সুন্দর স্কার্ট বা
মজার বিজ্ঞাপণ নিয়ে টুকটাক, তুংতাং
জাপানের টিভি চ্যানেলগুলোতে মাঝে মাঝে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মজার মজার বিজ্ঞাপনগুলো নিয়ে অনুষ্ঠান করে। বলাই বাহুল্য, সবগুলো বিজ্ঞাপণই খুব বুদ্ধিদীপ্ত থাকে। আর নতুন নতুন আইডিয়ারও দেখা পাওয়া যায় মাঝে মাঝে।
তেমনি একটা বিজ্ঞাপণ সেদিন দেখলাম টিভিতে। দেখে মনে হলো, মানুষের চিন্তাভাবনা কতটা ক্রেজী (ভালো অর্থে) হতে পারে, আর কতটা মাত্রা ছাড়িয়ে (এখানেও ভালো অর্থেই) যেতে পারে! বিজ্ঞাপণটা নিয়ে ক্রিয়েটিভিটি আর অবজেক্টিভিটির একটা খেলার বুদ্ধি মাথায় এলো।
প্রথমে বিজ্ঞাপণটার বর্ণনা দেবার চেষ্টা করি।
দেখা যায় যে রাতের বেলা অফিস শেষে ঘরে ফেরা বাবা জামা-কাপড় না পাল্টেই সোজা চলে যান একমাত্র পুত্রসন্তানের ঘরে। ছয়-সাত বছরের ছেলেটিকে দেখা যায় বেঘোরে ঘুমাচ্ছে। পরের দৃশ্যে বিছানায় বসে বাবা সন্তানের দিকে তাকিয়ে প্রশান্তির হাসি হাসেন, আর তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে থাকেন। তখনই ঘটনাটা ঘটে!
ব্লগারদের সিডিউল নির্ধারণ করা হোক
আমরা বন্ধুর মোটামুটি নিয়মিত পাঠক হিসেবে মাঝে মাঝে একটু হতাশ হয়ে পড়ি যখন দেখি যাদের লেখা খুব পছন্দ করি তাঁরা কোনো পোস্ট দেননি। বিশেষ করে ইদানিং যেন মন্দা চলছে এই ব্লগটিতে।
তাই, আমরা বন্ধু-তে গা ছাড়া ভাবটা দূর করতে আমার অনুরোধ/প্রস্তাব হচ্ছে, কে কী বারে লিখবেন তা আগে থেকেই নির্ধারণ করে জানিয়ে দেওয়া হোক। যেমনটা, পত্রিকার কলামিস্টদের বেলায় আগে বেশ দেখা যেত। এর মাধ্যমে সেই বিশিষ্ট ব্লগার কিছুটা প্রস্তুতি নিয়ে চমৎকার চমৎকার পোস্ট দিবেন। আমরাও অপেক্ষায় থাকব, এবার মাসুম ভাই কী আমিষ/নিরামিষ পরিবেশন করলেন, সামছা আকিদা জাহান কী ফাটালেন, তুষার আবদুল্লাহর কবিতায় কতটুকু ভেসে গেলাম, মেসবাহ য়াযাদ কী দেখে আসলেন ইত্যাদি।
দুটি পথ
মটর পাতায় দুই ফোটা জল
এক ফোটা তোমার, এক ফোটা আমার।
তিতাসের ঢেউয়ের এক ভাজে তুমি, আরেক ভাজে আমি
বালুকাবেলায় চঞ্চলা দুই ঝিনুক
সোনালীটি তোমার, সাদাটি আমার।
জোনাক জ্বলে, জোনাক নিভে
আলোটা তোমার, অন্ধকার আমার।
রেললাইন চলে গেছে নিরুদ্দেশ,
মেঠোপথের জানা আছে কোথায় শেষ..
তুমি আমি পথের সন্ধিতে দাড়িয়ে,
বেছে নিতে হবে পথ।
তোমার সংগে দরকষাকষি নয়,
নরম মেঠো পথ তোমার,
পাথরে ভর করে চলা রেলপথ থাকুক আমার!