ইউজার লগইন
ব্লগ
নতুন ঘর চাই (ছোটদের গল্প)
চার বছরের তুলতুলে ছোট্ট শিশু মৌ'মনি দৌড়ে তার আব্বার ঘরে গিয়ে কানে কানে নালিশ করছে,
‘আব্বু দাদীমা খুব চেঁচামেছি শুরু করেছে আবারও। দাদীমা আপনাকে, আপনার আব্বাকে, আপনার আব্বার ছেলেদের সহ আপনার দাদাকেও খুব গালমন্দ করে চলছে। আমাকে ছাড়া ঘরের সকলকে নাকি বের করে দেবে।‘
কেন মা'মনি? তোমার দাদীমনিকে তুমি কি তোমার নূতন দালান বাড়ির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছ?
না আব্বু আমি বলিনি। আম্মুর মুখে শুনেছে।তাই হয়ত মনে পড়ে গেল। চার বছর বয়সী বোরহান সাহেবের' শিশু কন্যা মৌ'মনির কথা শুনে মেয়েকে কুলে তুলে কাঁধে করে নিয়ে মৌ'মনির দাদীমা, মানে বোরহান সাহেবের 'মা' এর কাছে এল। মায়ের ইজিচেয়ারের পাশে বসে বোরহান সাহেব মিনতি করল বলতে শুরু করল, ''মা আপনি আবারও উত্তেজিত হয়ে গেলেন।আমরা এখনো আপনার অনুমতির অপেক্ষায় বসে আছি।’’
সম্পাদকীয় নীতির পরাধীনতা
সাংবাদিকতা পেশাদার বিতার্কিক এবং রাজনীতিবীদদের জন্য উপযুক্ত জায়গা হয়ে উঠছে।কেবল সাংবাদিকতা করার ব্রত নিয়ে যারা এই পেশাতে আছেন, আসছেন বা আসবেন,তাদেরপক্ষে প্রকৃত সাংবাদিকতা করাটা ক্রমেই অসম্ভব হয়ে পড়ছে।বিতার্কিকদের প্রসংগ আনলাম এ কারনে যে, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিতার্কিককে যে কোন বিষয়ের পক্ষে- বিপক্ষে বলার জন্য তৈরি থাকতে হয়। লটারির উপর নির্ভর করে কোন দল পক্ষে বলবে আর কোন দল বলবে বিপক্ষে। এছাড়া একই বিষয়ের উপর ভিন্ন দিনে বিতার্কিক দুটি অবস্থানে থেকে বক্তব্য রাখতে পারেন।রাজনীতিবীদরাতো একই বিষয়ের পক্ষে- বিপক্ষে বলতে আরো সিদ্ধহস্ত। একই ইস্যুতে দলীয় অবস্থান পাল্টানোর সংগে সংগে, রাজনীতিবীদের বক্তব্যও পাল্টে যায়। আবার দলের সংগে তার সম্পর্কের টানাপোড়ন বিবেচনাতে পাল্টে যায় বক্তব্যের সুর। বিতর্ক যারা করেছি, বা দর্শক হিসেবে দেখার অভিজ্ঞতা আছে, তারা জানি বিতর্কের বিধিমালা।আর রাজনীতি থেকে যারা দূরে, সেই
রাশিফলের পূর্বাভাস আর ৫০ হাজার টাকার খ্যাপ
রাশিফলে বিশ্বাস করি না সংগত কারণেই। কিন্তু কৌতুহল ও বিনোদন হিসাবে প্রথম আলোতে প্রায়ই রাশিফলটা দেখে থাকি। যেহেতু এতে উৎসাহমূলক এবং সাবধানতামূলক কথাবার্তা বেশি থাকে, তাই মন্দ কী! কয়েক দিন ধরে আমার রাশিতে বলা হচ্ছিল অপ্রত্যাশিতভাবে টাকা আসতে পারে। আমিও ভাবতে থাকি, চাকরিজীবী ছাপোষা মানুষদের অপ্রত্যাশিত টাকা আসার সুযোগ কোথায়? ব্যবসা-বাণিজ্যে না হয় এসব ঘটে থাকে। আমাদেরতো বরং অপ্রত্যাশিত ব্যয় নিয়মিত ঘটনা।
মিলনমেলা
আমাদের গৃহে অতি সম্প্রতি এক মিলনমেলার আয়োজন করা হইবে। উপলক্ষ আমার কনিষ্ঠ ভ্রাতার “হ্যাপী বার্থডে”। যারা এখনো বুঝিতে পারেন নাই, মিলনমেলার অর্থ, তাহাদের উদ্দ্যেশ্যে বলি, মিলনমেলার বাংলাদেশী অর্থ হইল “পার্টি”। তবে পার্টি বলিতে গেলেই আপনাদের মাথায় যে পার্টির কথা ভাসিয়া উঠে এ পার্টি সে পার্টি নহে, মানে কোন রাজনৈতিক পার্টি নহে, এ হইল সাধাসিধা মানুষ সমৃদ্ধ সাধাসিধা পার্টি থুক্কু মিলনমেলা।
অনুস্ঠান কবে হইবে তার ঠিক নাই, কে দাওয়াত পাইবে আর কে কে পাইবে না তা নিয়া আমার মা জননীর চিন্তার শেষ নাই। আর যাহারা দাওয়াত পাইবে বলিয়া একেবারে নিশ্চিত তাহারা কোন সৌন্দর্যকেন্দ্র হইতে নিজেদের রঙ করিয়া আসিবেন তাহার চিন্তায় মশগুল।
সুরত আলীর যাপিত জীবন

অনেক দিন অন্ধকারে থাকতে থাকতে সুরত আলী অনেকটা মাকড়সা টাইপের হয়ে গেছে। ছোট্ট ঘরের মধ্যেই নিজের জাল বিছিয়ে থাকে। গতি মন্থর। এক জায়গায় স্থাণুর মত বসে থাকে। খুব সামান্যই পিলপিল করে এ কোনায় ও কোণায় হাঁটে। মানুষ আর মাকড়সার মধ্যে পার্থক্য খুঁজতে হলে বলতে হবে,সুরত আলী অন্ধকারে থাকতে থাকতে চোখ দুটো ঠিক আলো সহ্য করতে পারে না।
দিনকাল ভালো না, বাইরের আতণ্ক সুরত আলীকে খুব ছোট করে ফেলেছে। মাকড়সার মত সরু পেট। কাঠি কাঠি হাত পা। চেহারায় লাবণ্যহীন খসখসে ভাব। চেহারাটা মাকড়সার মতই বিশ্রী।
বাংলাদেশের ক্রিকেট: শুধুই হতাশা?
বাংলাদেশ প্র্যাকটিস ম্যাচ সহ পরপর পাঁচ ম্যাচ জিম্বাবুয়ের মাটিতে হেরে গেছে। সমানে ৫-০ তে হোয়াইট ওয়াশের আতংক। দেশের লাখ লাখ ক্রিকেট সমর্থক দলের এ দুরবস্থায় হতাশাগ্রস্ত। এই ব্লগেও দুইজন ব্লগার ইতিমধ্যে এ নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। আমি আগেই ভাবছিলাম এ নিয়ে লিখব। নানা কারণে লেখা হয়ে উঠেনি। এখন ওদের সাথে সাথে ক্রিকেট ভক্ত আমিও দুইটা কথা লিখে রাখি।

বাংলাদেশের জিম্বাবে সফর: এসব কিসের আলামত? (১)
সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ একটা অপরাজেয় দল, জিম্বাবুয়েতে গিয়ে সফরকারীরা অনায়াশে সব ম্যাচ জিতে নেবে। এর জন্য যদিও আমাদের দলের অধিনায়ক এবং তার ধারাবাহিকতায় দলের সিনিয়র সদস্যরাও দায়ী। দেশে থেকে প্লেনে উঠার আগে তারা নিউজ মিডিয়াগুলোতে সাক্ষাতকার দিতে শুরু করে বাংলাদেশ অল্প খানিকটা হলেও ফেভারিট দুই দলের লড়াইয়ে। আমরাও তাদের বিবেচনায় বিশ্বাস করে বসি। বিশ্বাস করাটা যদিও দোষের না, নতুন নির্বাচক কমিটি, দুইজন প্লেয়ারের কাউন্টি অভিজ্ঞতা কিংবা এক মাসের ফিটনেস ট্রেনিং সব মিলিয়ে বেশ খানিকটা নির্ভরতা তৈরী করতে পেরেছিলো জেমি সিডন্স কাল পিছু ফেলে আসা বাংলাদেশ দল।
স্বাধীনতার কবি শামসুর রাহমান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ।
![]()
"স্বাধীনতা তুমি
রবি ঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান ।
স্বাধীনতা তুমি
কাজী নজরুলের ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দুলানো
মহান পুরুষ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে কাঁপা
স্বাধীনতা তুমি
শহীদ মিনারে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির উজ্জ্বল সভা ।"
মেঘবন্দী (৫) ... রিমি রিমঝিম রিমঝিম নামিলো দেওয়া / তানবীরা
রিমি রিমঝিম রিমঝিম নামিলো দেওয়া
তানবীরা
পয়লা আষাঢ়, প্রথম কদম ফুল, প্রথম প্রেম। বাঙালীর জীবনে এগুলো যেন ছঁকে বাঁধা। বিরহী যক্ষ এদিনে মেঘকে দূত করে পাঠায় তার প্রেমিকার কাছে (মেঘদূত কালিদাস)। রোমান্টিক দিন, রোমান্টিক কালের সূচনা সেই থেকে আমাদের ভারতবর্ষে। সেই থেকে বৃষ্টিতে এ দেশের মানুষের মন উদাস হয়, রোমান্টিক ভাব আসে। কবিতার খাতা নিয়ে পুট পুট কবিতা লিখে, গানে সুর দেয়। ঘরের লাগোয়া বারান্দা দিয়ে টুপটাপ পাশের বাসার কিশোরীর প্রেমে পড়ে। ইলিশ ভাজা আর খিচুড়ি খায়। তাদের আর কোন কাজে মন বসে না। জানালা দিয়ে উদাস হয়ে আকাশ দেখে। সিনেমাতে শুকনা খটখটে রোদের মধ্যে হুট করে বৃষ্টি নামিয়ে গান লাগিয়ে দেয়। নায়ক ভিজে – নায়িকা ভিজে, সাথে ভিজে দুনিয়া।
আবোল তাবোল - ২
[ডিসক্লেইমার :হাবিজাবি টাইপ পোষ্ট।অলস সময়ের এলোমেলো চিন্তাভাবনা।যুক্তি খুঁজে লাভ নাই,মন চলে আবেগের রেলগাড়িতে!করার মত কোন কাজ থাকলে ইহা না পড়াই উওম]
#বিষয় ¤
আশা - নিরাশা, হতাশা ও ভালবাসা :
বাংলাদেশের 'ট্যুর অফ জিম্বাবুয়ে '।
আমি ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ নই।অনেক কিছুই ভাল ভাবে বুঝি না,নানান পরিসংখ্যান তো মনে থাকেই না।
বরং ক্রিকেট ভালবাসি বলা যায়।ছোট থাকতে ওয়াসিম আকরাম,সাঈদ আনোয়ারের পাকিস্তানের খেলা দেখেই ক্রিকেট ভালবাসা।মনে আছে,স্কুল লাইফের অনেকটা সময় কেটেছে বাসার ছাঁদে গনগনে রোদের মধ্যে ভাইয়ার সাথে ৫০ ওভারের ওয়ান ডে আর দিনে ৯০ ওভার করে ৫ দিনের টেষ্ট ম্যাচ খেলে!এখন সময় অনেক বদলে গেছে।আগের মত ক্রিকেট খেলা তো দুরের কথা,বাংলাদেশ ছাড়া আর কারো খেলা টিভিতেও দেখা হয়না খুব একটা।
তাই বরং বলা ভাল ক্রিকেট না,বাংলাদেশের ক্রিকেট কে ভালবাসি।
বিড়ালের গলায় তবে ঘণ্টাটা বাঁধতেই হয়...
পুলিশ কোনো এককালে এই দেশে জনগণের সেবক ছিলো। বা একটা গল্পের শুরু হইতে পারে এক দেশে এক সৎ পুলিশ ছিলো। কালের প্রবাহে সততা আর পুলিশত্ব এই দুই বিশেষণ আর ক্রিয়া পদ যেনো আজ তেল আর জল। তারা একসাথে মিশে না। তাপমাত্রা বাড়লে ছিটকাইয়া উঠে। যারা কাছাকাছি থাকে তারা তেল কিম্বা জলের আক্রমণের শিকার হয়। শরীরে ফোষ্কা পড়ে। আমাদের প্রত্যাশা হইলো সততা আর পুলিশের কর্মকাণ্ড তার পুলিশত্ব এই দুইয়ের দা-নকুল সম্পর্কের দায়ে আমরা সামাজিক ফোষ্কা নিয়া ঘোরাফেরা করি। সেই ফোষ্কার কোনো প্রতিষেধক নাই। ধীরে ধীরে আমরা মাইনা নিতে শুরু করি, পুলিশ মানে সমাজের সেই ক্ষমতার অপব্যবহারকারী অংশ যারা আমাদের আরোপ কইরা দেয়া চাওয়া-পাওয়া দিয়া চলে না। তাদের সামাজিক উপস্থিতি কেবল সহজ উপায়ে ধনী হইবার জন্য। পুলিশের আত্মীয়-স্বজনরাও এই সমাজে নিরাপদ থাকে। অপরাধ আর অপরাধীরে নিষ্কণ্টক করবার জন্যই এখন প্রত্যেক ঘরে ঘরে একজন কইরা পুলিশ জন্ম দিবার শপথ ন
ইফতারাড্ডা
"আমরা বন্ধু"রা মাঝে মাঝে কিছু খুচরো আড্ডা দেই। যেখানে আমরা আসলে ব্লগের সবাইকে খুব মিস করি। আড্ডার অবশ্য আলোচ্য একটা বিষয় হলো "আমরা বন্ধু" ব্লগের সবাই মিলে একটা বড়সড় আড্ডা আয়োজন করা। বিবিধ ভেজালে পইড়া আয়োজন ভেস্তে যায়। তো এইবার অন্য কোনও ভেজালে পড়নের আগেই একখান ইফতার আড্ডার আয়োজন কইরা ফেলছি। সো এখন সময় ঘোষণা দেবার...
**************
আগামী ২২শে অগাস্ট সোমবার জন্মাষ্টমীর ছুটি। "আমরা বন্ধু"র সবাই একটু কষ্ট কইরা নিকেতন চইলা আসেন। আমরা আশা করি দুপুর দুইটা থেকে সবাই উপস্থিত থাকবো। তয় যারা মনে করতেছেন দুপুর দুইটায় চান্দি ফাটা রোদ শুরু হইয়া যাবে তারা সক্কাল সক্কাল চৈলা আসতে পারেন কোনৈ সমস্যা নাই..
যেইখানে যাইতে হইবো সেই ঠিকানাটা
***************
এইবার স্পন্সর ইত্যাদি...
বাড়িওয়ালা স্পন্সর করতেছে ভ্যেনু পেলাস খিচুড়ী
আদমের মুক্তি ! ময়নার অন্তর্যাত্রাঃ রানওয়ের তারেক মাসুদ ।

কতো সাধের ছাওয়াল আমার রাস্তায় পইরা মরে ... 'মুক্তির গান' । নাই । সব শ্যাষ ! তারেক মাসুদ জীয়ে নাই ! আছে তার মুক্তির গান মাটির ময়না অন্তর্যাত্রা রানওয়ে . . .
আদম সুরত(১৯৮৫) । বরেণ্য শিল্পী এসএম সুলতানের উপর করা তারেক মাসুদের তথ্যচিত্র । ক্যানভাসের সুলতান বন্দী হলেন সেলুলয়েডের ফিতায় । নড়াইলের আদম সুলতানের কীর্তিকে জানান দিতে ভালবেসে শ্রদ্ধা জানাতে মাসুদ সিনেবন্দী করলেন তাঁকে । নাম দিলেন

'আদম সুরত' । তারেক আপনি জানতেন ... জেনেই আপনি এই নামকরণ করেছেন । এই পোড়াদেশে আদমের চেহারা কী হয় তা আপনার জীবন দিয়েই প্রমাণ করে গেলেন ।
হাম্বার আহার
জানি ভুলগুলো নিয়ে আর কিছুটা পথ পাহারা দিতে হবে
শৈশবের মুদ্রাদোষ আজো আমার পিছু ছাড়লোনা বোলে
অস্তিত্বে থাকো মানে ফুলে ফলের চিহ্ন বৃক্ষে আদি
মুক্তির অপর নাম মূহুর্তের দমকা হাওয়া।
এই হাওয়া মাঝে মধ্যে আমার ঘরে আসে
খোঁজে স্ত্রীলিঙ জাতীয় কোন পদার্থ
আমিতো তখন আদম সুরত ধরে
ধারা পাল্টানোর মসলা শুনাই শব্দশিশুর কানে ।
পাল্টাল কই এইতো সকল আদি
নিধুবাবুর নিশ্চয়তা গেল
গোলের মধ্যে সকল পাখির আবাস
ছানার সঙ্গী খড়কুটো কেবল।
লিঙ দিয়ে অঙ্গ ঢাকার কথা
কোথায় থেকে কোথায় এলো ক্রুশের মাথায় বঙ
ললনারা গঠলো বুঝি নারীসত্ত্বা সংগ ।
এইখানে তোর হাতাহাতি শুরু
গুরুর কৃপায় নমরুদও পায় পাহাড়
ধ্যান যোগে বিয়োগ নামার ঢলে
তৃন সকল হলো হাম্বার আহার।
স্যালুট টু ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল উদ্দিন আহমেদ, বীর উত্তম...
এরই ফাঁকে একসময় তোমার গৃহের প্রহরীদের মধ্যে
মরেছে দু’জন প্রতিবাদী, কর্ণেল জামিল ও নাম না-জানা
এক তরুণ, যাঁর জীবনের বিনিময়ে তোমাকে বাঁচাতে চেয়েছিলো।
– নির্মলেন্দু গুণ (সেই রাত্রির কল্পকাহিনী)
কর্ণেল জামিল উদ্দিন আহমেদ...
কর্নেল জামিল নামেই পরিচিত...
অকুতোভয় আর নিয়মানুবর্তী এই মানুষটার প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি...
১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট ভোরে যখন বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে হামলা করা হয়... সেনাবাহিনীর এই একজন মাত্র সাহসী সৈনিক এগিয়ে গিয়েছিলেন তাকে রক্ষা করার জন্য... একজন সৈনিকের যে দায়িত্ব... দেশপ্রেমিক আর সৈনিকের কর্তব্য তিনি পালন করেছিলেন নিষ্ঠার সাথে...