ইউজার লগইন
ব্লগ
সাংবাদিক বনাম সাংবাদিকতা: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রীক অভিজ্ঞতার কাটা ছেড়া
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তির পর প্রথম মাথায় এলো পত্রিকা বের করতে হবে। কি করা যায়, কিভাবে করা যায় ভাবতে ভাবতে সাজদার ভাইয়ের চায়ের দোকানের চা খেতে খেতে কখন যে বাকির খাতায় নাম উঠে গেছে টের পাইনি। যখন টের পেলাম তখনও সিদ্ধান্ত হয় নি। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো প্রথম বর্ষ থেকে একটি লিটলম্যাগ সাইজে ফটোকপির পত্রিকা বেরুবে। স্যারদের সাথে আলাপ হলো। অনেকে উৎসাহ দিলেন। একজন বললেন, মফস্বল থেকে এসেছো তো, এখনো মাথা ঠিক হয় নি। এরকম অনেক সিদ্ধান্ত নাকি ফিবছরই হয়। দুয়েকটা সংখ্যা বের হয়, তারপর বন্ধও হয়ে যায়। আর এধরনের ‘ফালতু ’ কাজে ডিপার্টমেন্টের নাম উল্লেখ করা যাবে না। পরের সংখ্যাই তিনিই অবশ্য একপাতার একটি বাণি দিয়েছিলেন।
নাকের ডগায় ঈদ! [ঈদ নিয়ে হাবিজাবি/খোঁজখবর পোষ্ট!]
আজকে একুশ রোযা শুরু হয়ে গেল!
দেখতে দেখতে, কথা নাই বার্তা নাই ২০ রোযা শেষ!আর কয়দিন গেলেই, হুট্ কইরা দেখা যাইবো ঘুম থিকা উঠলেই ঈদ!
রমজানের এই একটা মাস ক্যামনে যে এত তাড়াতাড়ি শেষ হইয়া যায়, এইটা আসলেই একখান গবেষনার বিষয়।
এই রোযার মাস টা আইলেই বোঝা যায়,
ভাল জিনিস বেশিদিন থাকেনা!
এখনো কয়েকদিন বাকি আছে তাই ভাবলাম, ঈদ লইয়া সবার লগে একটু আড্ডা মাইরা লই।
আশা করি, সবার রোযা ভালই চলতেছে। সাথে, ঈদ প্রস্তুতি ও।
গত দুইবারের মত এইবার ও রোযা ঢাকাতেই কাটাইতে হইব।মহা বিরক্তিকর ব্যাপার।ঢাকায় তো ঈদের ফিলিংস ই খুঁইজা পাওয়া যায় না।আমাদের বিল্ডিঙেই ঈদের দিন অনেকের ঘুম ভাঙে দুপুর বেলা।চাঁনরাতে পার্টি সার্টি করেই তো টায়ার্ড, ঈদের জামাত ধরবে কে?!শুধু মাছবাজার টাইপের চিরায়ত জ্যাম হারিয়ে গিয়ে রাস্তাঘাট মরুভূমি হয়ে যেতে দেখলেই বোঝা যায়, ঢাকায় এখন ঈদ।
আরেক ঝামেলা হল টাইম কাটানো।
আগুন পোহাতে হলে নিজেকে জ্বালাবেন: এলিজি ফর তারেক মাসুদ
সর্বদক্ষিণে বাস করে এক অরাজক কাল। তার পাশের চেয়ারে একজন অসুখী মানুষ। একেবারে উত্তরে বাস করে ভালগার আউটফিট। তার সম্মুখে দণ্ডায়মান স্ফুর্তি।
এসব দেখে শিক্ষা নেয়া যায়। প্রতিজ্ঞা করি আর কখনও ডান বাম থেকে বিচলিত পর্যবেক্ষকের জায়গা দখল করবো না। গান এবং তান নিয়ে ব্যস্ত থাকবো।
অথবা এক কাজ করা যায়। এর পর থেকে প্রতি অক্ষরের পরে দুটো ব্যাকস্পেস। আশা করা যায় বেশ দীর্ঘসময় পরে ফিরে যাওয়া যাবে শুরুতে। শীর্ষে।
যখন এটা পতনেরই দ্রোহ, তখন তরান্বিত হোক। যদি প্রয়োজন হয় বলবেন। মশলা যোগান দেবো। যদি অন্তরঙ্গ যাপন চান - দয়া করে ভিজিটিং কার্ড রেখে যাবেন। হিসেব মত গোটা দশেক ফেসবুক একাউন্ট পাঠিয়ে দেবো। প্রতিটা ফুল থাকবে বন্ধুতে। নিখুঁত বন্ধু নামক অমানিশা ভর করবে না।
ভালবাসা তারপর দিতে পারে গত বর্ষার সুবাস
কষ্টগুলোর শিকড় ছড়িয়ে
ঐ ভয়ানক একা চাঁদটার সাথে,
স্বপ্নের আলোতে যাবো বলে
যখন চোখ ভিজে যায় রাতে
ভালবাসা তারপর দিতে পারে
গত বর্ষার সুবাস,
বহুদিন আগে তারাদের আলো
শূন্য আঁধার আকাশ।
প্রখর রোদে পোড়া পিঠ
আগুনের কুণ্ডে শেঁকা হাত
শিশির ছোঁয়া পাবে হাসি
অন্ধকারে কেটে যাবে রাত,
ভালবাসা তারপর দিতে পারে
গত বর্ষার সুবাস,
বহুদিন আগে তারাদের আলো
শূন্য আঁধার আকাশ।
অর্ণবের সঙ্গেই সাধারণত এটা বেশি ঘটে। ওর এক-একটা গান মাঝে মাঝে নিউরণের ভেতরে চলে যায়। সেখান থেকে সেগুলোকে বের করে নিয়ে আসার কাজটা সহজ হয় না কখনোই।
---
আমরা এগারো জন- আগস্টের কোন এক আনন্দমাখা সন্ধায়
কলিং বেলের সুইচটা সামনে। আঙুলটা সুইচের উপর রাখার আগেই দরজাটা খুলে গেল। কানে ফোন ধরা তন্ময়ের। আমাকে দেখে ভিতরে যেতে ইশারা করে। আমি আর আমার বর ওর বাসায় ঢুকলাম।
হঠাৎ দেখি চোখের সামনে সবুজ একটা লন। লনের পাশ দিয়ে ছোট্ট একটি রাস্তা চলে গেছে ভিতরে। হাতের বায়ে 'সুরঞ্জনা'। রাস্তা ধরে আমতলায় পৌঁছানোর আগে থেকেই ভীর ভাট্টায় নজর পরে। ভিতরে কথা বলছেন আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ।
ধুর কি আবোল তাবোল..। তন্ময়ের গোছানো বাসায় সেই বিসাকের লালরঙা বাড়ি এলো কোথেকে! এই আড্ডা আর সেই আড্ডার ছবি মিলেমিশে একাকার হচ্ছে বারবার। ..তাই তোহ!
দিব্যি দেখা যাচ্ছে আন্দু (আমাদের আন্দোলন) বসে আড্ডা দিচ্ছে। ইশ আমি এবারো লেট।
নতুন ঘর চাই (ছোটদের গল্প)
চার বছরের তুলতুলে ছোট্ট শিশু মৌ'মনি দৌড়ে তার আব্বার ঘরে গিয়ে কানে কানে নালিশ করছে,
‘আব্বু দাদীমা খুব চেঁচামেছি শুরু করেছে আবারও। দাদীমা আপনাকে, আপনার আব্বাকে, আপনার আব্বার ছেলেদের সহ আপনার দাদাকেও খুব গালমন্দ করে চলছে। আমাকে ছাড়া ঘরের সকলকে নাকি বের করে দেবে।‘
কেন মা'মনি? তোমার দাদীমনিকে তুমি কি তোমার নূতন দালান বাড়ির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছ?
না আব্বু আমি বলিনি। আম্মুর মুখে শুনেছে।তাই হয়ত মনে পড়ে গেল। চার বছর বয়সী বোরহান সাহেবের' শিশু কন্যা মৌ'মনির কথা শুনে মেয়েকে কুলে তুলে কাঁধে করে নিয়ে মৌ'মনির দাদীমা, মানে বোরহান সাহেবের 'মা' এর কাছে এল। মায়ের ইজিচেয়ারের পাশে বসে বোরহান সাহেব মিনতি করল বলতে শুরু করল, ''মা আপনি আবারও উত্তেজিত হয়ে গেলেন।আমরা এখনো আপনার অনুমতির অপেক্ষায় বসে আছি।’’
সম্পাদকীয় নীতির পরাধীনতা
সাংবাদিকতা পেশাদার বিতার্কিক এবং রাজনীতিবীদদের জন্য উপযুক্ত জায়গা হয়ে উঠছে।কেবল সাংবাদিকতা করার ব্রত নিয়ে যারা এই পেশাতে আছেন, আসছেন বা আসবেন,তাদেরপক্ষে প্রকৃত সাংবাদিকতা করাটা ক্রমেই অসম্ভব হয়ে পড়ছে।বিতার্কিকদের প্রসংগ আনলাম এ কারনে যে, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিতার্কিককে যে কোন বিষয়ের পক্ষে- বিপক্ষে বলার জন্য তৈরি থাকতে হয়। লটারির উপর নির্ভর করে কোন দল পক্ষে বলবে আর কোন দল বলবে বিপক্ষে। এছাড়া একই বিষয়ের উপর ভিন্ন দিনে বিতার্কিক দুটি অবস্থানে থেকে বক্তব্য রাখতে পারেন।রাজনীতিবীদরাতো একই বিষয়ের পক্ষে- বিপক্ষে বলতে আরো সিদ্ধহস্ত। একই ইস্যুতে দলীয় অবস্থান পাল্টানোর সংগে সংগে, রাজনীতিবীদের বক্তব্যও পাল্টে যায়। আবার দলের সংগে তার সম্পর্কের টানাপোড়ন বিবেচনাতে পাল্টে যায় বক্তব্যের সুর। বিতর্ক যারা করেছি, বা দর্শক হিসেবে দেখার অভিজ্ঞতা আছে, তারা জানি বিতর্কের বিধিমালা।আর রাজনীতি থেকে যারা দূরে, সেই
রাশিফলের পূর্বাভাস আর ৫০ হাজার টাকার খ্যাপ
রাশিফলে বিশ্বাস করি না সংগত কারণেই। কিন্তু কৌতুহল ও বিনোদন হিসাবে প্রথম আলোতে প্রায়ই রাশিফলটা দেখে থাকি। যেহেতু এতে উৎসাহমূলক এবং সাবধানতামূলক কথাবার্তা বেশি থাকে, তাই মন্দ কী! কয়েক দিন ধরে আমার রাশিতে বলা হচ্ছিল অপ্রত্যাশিতভাবে টাকা আসতে পারে। আমিও ভাবতে থাকি, চাকরিজীবী ছাপোষা মানুষদের অপ্রত্যাশিত টাকা আসার সুযোগ কোথায়? ব্যবসা-বাণিজ্যে না হয় এসব ঘটে থাকে। আমাদেরতো বরং অপ্রত্যাশিত ব্যয় নিয়মিত ঘটনা।
মিলনমেলা
আমাদের গৃহে অতি সম্প্রতি এক মিলনমেলার আয়োজন করা হইবে। উপলক্ষ আমার কনিষ্ঠ ভ্রাতার “হ্যাপী বার্থডে”। যারা এখনো বুঝিতে পারেন নাই, মিলনমেলার অর্থ, তাহাদের উদ্দ্যেশ্যে বলি, মিলনমেলার বাংলাদেশী অর্থ হইল “পার্টি”। তবে পার্টি বলিতে গেলেই আপনাদের মাথায় যে পার্টির কথা ভাসিয়া উঠে এ পার্টি সে পার্টি নহে, মানে কোন রাজনৈতিক পার্টি নহে, এ হইল সাধাসিধা মানুষ সমৃদ্ধ সাধাসিধা পার্টি থুক্কু মিলনমেলা।
অনুস্ঠান কবে হইবে তার ঠিক নাই, কে দাওয়াত পাইবে আর কে কে পাইবে না তা নিয়া আমার মা জননীর চিন্তার শেষ নাই। আর যাহারা দাওয়াত পাইবে বলিয়া একেবারে নিশ্চিত তাহারা কোন সৌন্দর্যকেন্দ্র হইতে নিজেদের রঙ করিয়া আসিবেন তাহার চিন্তায় মশগুল।
সুরত আলীর যাপিত জীবন

অনেক দিন অন্ধকারে থাকতে থাকতে সুরত আলী অনেকটা মাকড়সা টাইপের হয়ে গেছে। ছোট্ট ঘরের মধ্যেই নিজের জাল বিছিয়ে থাকে। গতি মন্থর। এক জায়গায় স্থাণুর মত বসে থাকে। খুব সামান্যই পিলপিল করে এ কোনায় ও কোণায় হাঁটে। মানুষ আর মাকড়সার মধ্যে পার্থক্য খুঁজতে হলে বলতে হবে,সুরত আলী অন্ধকারে থাকতে থাকতে চোখ দুটো ঠিক আলো সহ্য করতে পারে না।
দিনকাল ভালো না, বাইরের আতণ্ক সুরত আলীকে খুব ছোট করে ফেলেছে। মাকড়সার মত সরু পেট। কাঠি কাঠি হাত পা। চেহারায় লাবণ্যহীন খসখসে ভাব। চেহারাটা মাকড়সার মতই বিশ্রী।
বাংলাদেশের ক্রিকেট: শুধুই হতাশা?
বাংলাদেশ প্র্যাকটিস ম্যাচ সহ পরপর পাঁচ ম্যাচ জিম্বাবুয়ের মাটিতে হেরে গেছে। সমানে ৫-০ তে হোয়াইট ওয়াশের আতংক। দেশের লাখ লাখ ক্রিকেট সমর্থক দলের এ দুরবস্থায় হতাশাগ্রস্ত। এই ব্লগেও দুইজন ব্লগার ইতিমধ্যে এ নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। আমি আগেই ভাবছিলাম এ নিয়ে লিখব। নানা কারণে লেখা হয়ে উঠেনি। এখন ওদের সাথে সাথে ক্রিকেট ভক্ত আমিও দুইটা কথা লিখে রাখি।

বাংলাদেশের জিম্বাবে সফর: এসব কিসের আলামত? (১)
সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ একটা অপরাজেয় দল, জিম্বাবুয়েতে গিয়ে সফরকারীরা অনায়াশে সব ম্যাচ জিতে নেবে। এর জন্য যদিও আমাদের দলের অধিনায়ক এবং তার ধারাবাহিকতায় দলের সিনিয়র সদস্যরাও দায়ী। দেশে থেকে প্লেনে উঠার আগে তারা নিউজ মিডিয়াগুলোতে সাক্ষাতকার দিতে শুরু করে বাংলাদেশ অল্প খানিকটা হলেও ফেভারিট দুই দলের লড়াইয়ে। আমরাও তাদের বিবেচনায় বিশ্বাস করে বসি। বিশ্বাস করাটা যদিও দোষের না, নতুন নির্বাচক কমিটি, দুইজন প্লেয়ারের কাউন্টি অভিজ্ঞতা কিংবা এক মাসের ফিটনেস ট্রেনিং সব মিলিয়ে বেশ খানিকটা নির্ভরতা তৈরী করতে পেরেছিলো জেমি সিডন্স কাল পিছু ফেলে আসা বাংলাদেশ দল।
স্বাধীনতার কবি শামসুর রাহমান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ।
![]()
"স্বাধীনতা তুমি
রবি ঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান ।
স্বাধীনতা তুমি
কাজী নজরুলের ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দুলানো
মহান পুরুষ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে কাঁপা
স্বাধীনতা তুমি
শহীদ মিনারে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির উজ্জ্বল সভা ।"
মেঘবন্দী (৫) ... রিমি রিমঝিম রিমঝিম নামিলো দেওয়া / তানবীরা
রিমি রিমঝিম রিমঝিম নামিলো দেওয়া
তানবীরা
পয়লা আষাঢ়, প্রথম কদম ফুল, প্রথম প্রেম। বাঙালীর জীবনে এগুলো যেন ছঁকে বাঁধা। বিরহী যক্ষ এদিনে মেঘকে দূত করে পাঠায় তার প্রেমিকার কাছে (মেঘদূত কালিদাস)। রোমান্টিক দিন, রোমান্টিক কালের সূচনা সেই থেকে আমাদের ভারতবর্ষে। সেই থেকে বৃষ্টিতে এ দেশের মানুষের মন উদাস হয়, রোমান্টিক ভাব আসে। কবিতার খাতা নিয়ে পুট পুট কবিতা লিখে, গানে সুর দেয়। ঘরের লাগোয়া বারান্দা দিয়ে টুপটাপ পাশের বাসার কিশোরীর প্রেমে পড়ে। ইলিশ ভাজা আর খিচুড়ি খায়। তাদের আর কোন কাজে মন বসে না। জানালা দিয়ে উদাস হয়ে আকাশ দেখে। সিনেমাতে শুকনা খটখটে রোদের মধ্যে হুট করে বৃষ্টি নামিয়ে গান লাগিয়ে দেয়। নায়ক ভিজে – নায়িকা ভিজে, সাথে ভিজে দুনিয়া।
আবোল তাবোল - ২
[ডিসক্লেইমার :হাবিজাবি টাইপ পোষ্ট।অলস সময়ের এলোমেলো চিন্তাভাবনা।যুক্তি খুঁজে লাভ নাই,মন চলে আবেগের রেলগাড়িতে!করার মত কোন কাজ থাকলে ইহা না পড়াই উওম]
#বিষয় ¤
আশা - নিরাশা, হতাশা ও ভালবাসা :
বাংলাদেশের 'ট্যুর অফ জিম্বাবুয়ে '।
আমি ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ নই।অনেক কিছুই ভাল ভাবে বুঝি না,নানান পরিসংখ্যান তো মনে থাকেই না।
বরং ক্রিকেট ভালবাসি বলা যায়।ছোট থাকতে ওয়াসিম আকরাম,সাঈদ আনোয়ারের পাকিস্তানের খেলা দেখেই ক্রিকেট ভালবাসা।মনে আছে,স্কুল লাইফের অনেকটা সময় কেটেছে বাসার ছাঁদে গনগনে রোদের মধ্যে ভাইয়ার সাথে ৫০ ওভারের ওয়ান ডে আর দিনে ৯০ ওভার করে ৫ দিনের টেষ্ট ম্যাচ খেলে!এখন সময় অনেক বদলে গেছে।আগের মত ক্রিকেট খেলা তো দুরের কথা,বাংলাদেশ ছাড়া আর কারো খেলা টিভিতেও দেখা হয়না খুব একটা।
তাই বরং বলা ভাল ক্রিকেট না,বাংলাদেশের ক্রিকেট কে ভালবাসি।