ইউজার লগইন
ব্লগ
খুচরা পোস্ট ৪ : টিম ও নেলা'র উপহার
জোনাল প্রোবলেম
মৌসুমের বাসা সারাদিনব্যাপি আড্ডা দিয়া রাতের বেলা বারাইলাম। অন্যরা যার যার মত চইলা গেল আমি আর বিলাই হাটা ধরলাম একসাথে। আমাদের দুইজনের বাসা একইদিকে। হাটতেছি আর ভাবতেছি কেমনে যামু। আমাদের ঐদিকে যাওয়ার জন্য সাধারণত কিছু পাওয়া যায় না। কয়টা রিক্সা দেইখা বিলাই জিগাইল। একজন উত্তর দিল 'আমি ঐদিকে যাই না।' আরেকজন বলল ভাল্লাগতেছেনা। আমি বিলাইরে বললাম, দেখছ জোনের বাইরে থাকার প্রোবলেম? পরে কপালগুনে সিএনজি পেয়ে আসতে আসতে আমরা একমত হইলাম যে পরের আড্ডা বেইলি রোড থিকা রামপুরা পর্যন্ত জোনের মধ্যে করা উচিত।
টিম ও নেলা
সৈয়দ বংশের ছেলে
সৈয়দ বংশের ছেলে তিনি
নামটি আবুল হোসেন
যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্বটি পেলেন।
যোগাযোগে নেই যোগাযোগ
শত অভিযোগ
অহরহ মরছে মানুষ
কাঁপছে না তো বুক।
ভাঙাচুরা খানাখন্দক
নেইকো সংস্কার
আম-জনতার দাবি ওঠে
পদত্যাগ দরকার।
মানববন্ধন আর অনশন
হচ্ছে যার তরে
অযোগ্যের পদটি তিনি
আছেনই ধরে।
অঘটন আর দুর্ঘটনায়
বাড়লো শুধু বাজেট
শেষ হাসিটি হেসেই তার
ভারী হলো পকেট।
সংস্কারটি হবে কোথায়
হচ্ছে জায়গা খোঁজা
মন্ত্রীর পদ ছাড়বো
এতোই কি সোজা?
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ী
চলছে আরিচা
বরাদ্দটি থাক না পড়ে
ধরুক মরিচা।
ধনীর দুলাল জেনো আমায়
আছে ক্ষমতা
বোকার রাজ্যে বাস করে
তাই তো জনতা।
মিশুক গেলো মাসুদ গেলো
আরো কতো শত
গুণী লোকের মরণ যাত্রায়
বাড়লো বাজেট ততো!
২৭.০৮.২০১১
মেঘবন্দী (৭) ... হায়রে বৃষ্টি! / রাফি
হায়রে বৃষ্টি!
রাফি
গাছের পাতায় ঝিড়ঝিড়ে বৃষ্টির টুপটাপ টুপটাপ, টিনের চালে ঝুপঝাপ ঝপঝাপ, কিংবা মুষুলধারে বৃষ্টির বাধানো রাস্তার দুধার দিয়ে তীব্র বেগে ছুটে চলা....হায়রে বৃষ্টি।
বৃষ্টি মানে ঘুমঘুম আলসে ভাব, ভার্সিটির হলে কাথা মুড়ি দিয়ে ঘুমানো, কিংবা আলগোছে গায়ের গেন্জিটা খুলে মায়ের অগোচরে ভেজার চেষ্টা, কিংবা ক্লাশ রুম থেকে জানালার গ্রীল পেরিয়ে কিশোরের ভেজা কাক দেখা....
বৃষ্টি মানে স্কুল ছুটি টিফিন পিরিয়ডেই, বৃষ্টি মানে মাঠ কাদা করে ফুটবল খেলা, বৃষ্টি মানে স্কুল শেষে ব্যাগ-জুতো-মোজা পলিথিনে ভরে প্যান্ট গুটিয়ে জমে যাওয়া পানিতে ঢেউ তুলে হাটা...।
বৃষ্টি মানে দুপুরে খিচুড়ী-মাছ-বেগুন ভাজা.... বিকেলে চাল-বুট ভাজা.....আর বাজার থেকে ব্যাগ ভরে বাবার হরেক রকমের মাছ নিয়ে আসা.......
অন্ধকারের উৎস থেকে তিনি আলোকবার্তা নিয়ে এলেন...
একদিন যা কিছু স্পষ্ট মনে হয়েছিল
সে-সব এখন আর স্থির
নির্ধারিত সত্য নয়;
আলো বেড়ে গেছে; আবছায়া আরো
বেড়ে গেছে;
--- আমাদের বুদ্ধি আজ; জীবননানন্দ দাশ
ভূমিকায় অহমিকা
জীবিকা অথবা জীবন (শেষাংশ)
শোনা যাচ্ছিলো শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী হবেন। এ বিষয়ে রহমান সাহেব বা সালমা বেগমের বিশ্বাসের ভিত বেশ পোক্ত হলেও শৈলেশ বর্মণ নিজের মনে সে কথা ঠাঁই দিতে পারেন না। তিনি আরো নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পেরেছেন যে, ভুট্টো কখনোই বাঙালিদের ক্ষমতায় বসতে দেবে না। এমনকি পশ্চিম পাকিস্তানের একটি শিশুও মনে প্রাণে চাইবে না যে, পূর্ব পাকিস্তানকে শোষণের পথ চিরতরে রুদ্ধ হয়ে যাক। লোকসানের রাজপুরীর চেয়ে লাভের আস্তাকুর ভালো। আর সে কথা পশ্চিম পাকিস্তানের শকুনগুলো ভালোই বোঝে।
শৈলেশ বর্মণ আর রহমান সাহেব ছয় দফা দাবির বিষয়গুলো নিয়ে আলাপের এক ফাঁকে সালমা বেগম বললেন, আপনেরা কি কিছু টের পাইতাছেন?
রাহমান সাহেব অবাক হয়ে বললেন, কোন ব্যাপারটা?
এই যে আমাগো চাইরো দিকে বিহারি মানুষ হঠাৎ কইরাই যেন বাইড়া গেছে।
দুই চামচ ভালবাসা!
***ইতি তোমার,'আমি'..***
..তবুও মনে রেখ।
নীলাকাশে চেয়ে..
বিকেল ছাদের হাওয়ায়;
উচ্ছাশে,
মেঘেদের সাথে ভেসে যাবে বলে..
দিবা রাত্রি,
ভর দুপুরে বৃষ্টি ভিজে..
বিষণ্ণতা সারাবেলা..
উষ্ণ জোছনা ছুঁয়ে,
আলো আঁধারির সাতকাহন..
আনমনে,
দুষ্টুমিতে আলতো হেসে..
কেউ একজন ছিল..
তোমায় ভালবেসে..।।
***প্রিয়তমেষু..[ভালবাসা কবিতা!]***
জেনো..
বৃষ্টি নয়,
আকাশ জুড়ে
বিষণ্ণতার নীল..
এলোমেলো যতোসব
স্বপ্ন আমার,
ভেঙ্গে পরে বারেবার..
বেদনার নীল হয়ে,
আকাশ ছুঁয়ে;
অশ্রু হয়ে ঝরে..
জেনো..
না বলা কথা যত,
কথকতা কত শত..
ভালবাসা,
হারায় ভাষা..
মেঘ হয়ে,
উদ্ভ্লান্ত -
ভেসে যায়..
তোমায় ভেবে..
জেনো,
দিনভর সোনালী রোদ্দুর..
বাতাসের গা'য়,
রুপোলি ডানার চীল..
এক পা দু'পা পথ,
অকারনে প্রিয়
ঘাসফুল..
গোধূঁলির লাজ রাঙা,
লাজ ভাঙ্গা আলো..
এটুকুই উপহার,
তোমার..আমার..
আপনার কি মনে হয়?
বহুদিন থেকে একটা বিষয় মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটা হলো বর্তমান তরুণ প্রজন্ম ঠিক কোন বিষয়টি নিয়ে ভাবে। ঠিক কোন বিষয়ে তাদের ইন্টারেস্ট গড়ে ওঠেছে। উত্তরটা খুব সহজ আবার উত্তরটা খুব কঠিন। একটা সময় গেছে যখন তরুণদের সময় গেছে বিপ্লব করে করে। আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে অনেকগুলো দশক পার হয়ে গেছে। সেটা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ পর্যন্ত গড়িয়েছে। এরপর আবার স্বৈচার বিরোধী আন্দোলনে সময়েও ছিল তরুণেরা।
তাই প্রশ্নটা এলো। বর্তমান প্রজন্ম কি নিয়ে ভাবে? আমি এমন অনেককে চিনি যারা দেশকে গালি দিয়ে মোটামুটি গোষ্ঠী উদ্ধার করে। কেউ কেউ দেশের রাজনীতি নিয়ে তর্ক বিতর্ক শেষে একমত হয় যে, ‘এই দেশের খুব কিছু উন্নতি হওয়ার নয়। কারণ রাজনীতি আমাদের বারবার ১০০ পা পেছনে নিয়ে যাচ্ছে। ’
একজন মৃত্যুপথযাত্রী ব্লগার বন্ধুকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

ভুপেন হাজারিকার সেই বিখ্যাত গানটি আজ বার বার মনে আসছে।
"মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য,
একটু সহানুভুতি কি..মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু।"
আমাদের একজন ব্লগার বন্ধু । নিক নাম তার হাসনা-হেনা। তার আসল নাম হল সেলাষ্টিয়ান পিনারু। তিনি মূলতঃ প্রথম আলোতে ব্লগিং করেন। যার বর্তমান বয়স ৪২।
আবোল তাবোল -৩
[ডিসক্লেইমার:
আরেকটা হাবিজাবি টাইপ পোষ্ট। ঘুম ঘুম চোখে; ক্লান্ত মস্তিস্কের হাবিজাবি চিন্তার এলোমেলো উপস্হাপন।]
#বিষয়: ভ্রমন, ঘুরাঘুরি ও অন্যান্য হাবিজাবি।
আমি দুঃখবিলাসি মানুষ। খুব ইচ্ছে করে হারিয়ে যেতে। বাঊন্ডুলের মতন। যখন ইচ্ছা, যেভাবে ইচ্ছা।
পারি না। তাই, বিষণ্ণ লাগে। রয়ে যাই, যে কে সেই। বিষণ্ণ বাউন্ডুলে।
অনেক দিন কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়না। কোথাও যেতে নিলেই আম্মুর খালি টেনশন। হয় এক্সিডেন্ট হবে আর নয়তো মরে টরে যাব। একটা কিছু হবেই!
কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ,ডুলাহাজরা,হিমছড়ি আরো কত কী জায়গা ভাইয়া ঘুরে এসেছে বন্ধুদের সাথে। তখন কিছু না, আমার বেলাতেই যত আপত্তি।
এত্ত বড় হইয়া গেলাম, এখনো কক্সবাজার-ই দেখা হইল না!
আর বন্ধুগুলাও জানি সব কেমন কেমন! প্ল্যান ট্যান সব ঠিক-ই হয়, কিন্তু শেষে এসে সব হুট্ করে ভন্ডুল।
জাহাজীর মন খারাপ
বেশ খারাপ লাগছে। বেশ কিছুদিন ধরে এই রকম খারাপ প্রায়ই লাগছে।
ইতালির জ়েনোয়া বন্দরে আমাদের জাহাজটায় গত ১৮ ঘন্টা ধরে কাজ়
করছে। ছেড়ে যাওয়ার আর ৬ ঘন্টা আছে।
কেন খারাপ লাগছে। কারণ ইতালিতে কাল কিসের যেন একটা উতসব
আছে। জাহাজের সাইড রেলিং থেকে দূরের শহর দেখে বোঝা যাচ্ছে।
এমনকি বন্দর কর্তৃপক্ষও বলছে যে দ্রুত যেন কাজ শেষ করি, না হলে
কোন কারন ছাড়া আমাদেরকে ২ দিন বসে থাকতে হবে। তাতে বন্দর
ও জাহাজ ভাড়াটের অনেক ক্ষতি হবে। সবাই তাদের আনন্দের প্রস্তুতি
নিচ্ছে আর আমরা সেই আনন্দ থেকে দূরে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
গতবছর আমার নিজের দেশের বন্দর থেকেও ঈদের আগে একি ভাবে
বিদায় নিতে হয়েছে। আমরা কি মচ্ছব, যে সব আনন্দ থেকে বিদায়
নিতে হচ্ছে।
খুব বেশি পড়াশোনা করতে পারিনি, তাই প্রাইভেটে মেরিনারস ট্রেইনিং
আমার না বলা কথা
আমি আর বৃষ্টি ছুয়ে দেখব না
অঝোর ধারায় আর কাদবে না আমার অশান্ত হৃদয়
আমি উন্মত্ত হবনা, হবো নিশাচর
রয়ে যাবো নিভৃতে সবার স্মৃতি চারণে।
গভীর রাতে যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে যাবে
তখন আমি প্রলাপ করব না
শুধু অভিসম্পাত দিব নিজেকে
কেন ভুলতে পারিনা আজও তোমাকে।
কি বর্ষায়,কি শীতে, আমি তোমাকে তোমাকে যেতে চাই
পারছি না যে...
এ হৃদয় থেকে কবে তুমি মুছবে বল
আমি জ্বলছি...ভীষণ।
আমার ফুলের বাগানে এবার রাজ্যের জোনাকির আনাগোনা
সন্ধ্যা হলেই সেখানে আলোর মিছিল আসে
না আমি সেখানে যাবনা
আমি আলোর মিছিলের অন্তরালে অমাবস্যার সাথেই থাকবো
তবুও তোমাকে ভাববো না
তোমার জন্য সুখ ও চাইবো না
তোমাকে অভিসম্পাত ও করবো না।
অনেক হয়েছে, এবার আমি স্বপ্ন দেখবো
নিজেকে আমি নিজের দ্বারা সম্মোহিত করব
আমার বিধ্বস্ত নীলিমায় আবার সূর্য মুখ তুলে দাঁড়াবে
আর আমার কবিতা চলবে অবিরাম......... মধ্যরাতে।
ঈদের দিনে
কালের পরিক্রমায় বছর ঘুরে
আবার এলো ঈদ
ধনী-গরিব নাই ভেদাভেদ
কণ্ঠে সবার গীত।
ভোর বিহানে গোসল সেরে
নতুন জুতা-কাপড় পরে
যাবে ঈদগাহে,
নামাজ শেষে খুতবা শুনে
ফিরবে উৎসাহে।
দান-খয়রাত, জাকাত-ফেতরা
বিলিয়ে দেবে আরেক মাত্রা
অন্তরে আজ ঈদ।
নতুন পোশাক আর টুপিতে
ঈদগাহ একাকার,
দোয়া শেষে কোলাকুলিতে
ব্যস্ত এক কারবার।
ফিরনি-সেমাই, কোরমা-পোলাও
পারো যতো মন ভরে খাও,
কদমবুছিতে হাত সালামি
উদার চিত্তে নাও।
আজকে সবাই মুক্ত মনে
পাড়া-পড়শি সবার সনে
করবে আলিঙ্গন,
ছেলে-বুড়ো সবাই মিলে
ঝগড়া-বিবাদ ভুলে গিয়ে
রচিবে বন্ধন।
পথ আর পথিকের সংঘাত বিষয়ক ভাবনা (১)
...
একটা পথ এলোমেলো ছড়িয়ে পড়েছে,
আর পথিকেরা ছুটেছে চারপাশে ব্যস্ত,
নতুবা গন্তব্য কখন বদলে যাবে
তার নিশ্চয়তা নেই, আছে
অ্যামনেশিয়া ভীতি, বিষ্ফোরণের সম্ভাব্য
ইতিহাসে শংকিত হৃদয়ে অস্থিরতা বোধ।
কেউ অনুসরণে রয়েছে অলস প্রজাপতিরে
সে হয়তো তাদের নিয়ে যাবে ফুলের বাগানে।
কেউ কেউ পিছু নিয়েছে বেপথু বিড়ালের
তার জন্য অপেক্ষাতে আছে সুসজ্জিত মালকিন।
অনেকেই চলেছে নিজের ঠিকানাতে
পথ যেদিকেই চলে যাক, ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাক
যোগাযোগের সমস্ত নদী-রেললাইন-মেঠোপথ
পরিবার নিয়ে ঘরে আবদ্ধ সুখের মূল্যমান
তাদের নিকট যেনো সবচেয়ে বেশি।
পথের এমন ভাষা অচেনা ঠেকেছে
সব পথিকের, যারা যারা মাসের বাজার করে,
কিম্বা যারা দিন আনে দিন খায়, সকলের কাছে।
চিরকাল মানুষ জেনেছে তারা পথের সৃজন করে,
পথিক নিজের প্রয়োজনে একেছে পথের রেখা।
পথ যখন নিজের মতো এলোমেলো ছড়িয়েছে
আমার জন্যে করিলে হারাম।
জলের জাত দেখে বুঝিবার শিক্ষা গ্রহন করি নাই কভু কিসে জোয়ার আর কখন ভাটা হয়।
কখনও আমি তার পিছে থাকি
কখনও আমি তার সামনে
মধ্যখানে বা না জোয়ার না ভাটায় থাকি কখনও
তবু তার সাথে থাকা হলো না কখনো।
প্রভু এই শিক্ষা কোথা থেকে গ্রহন করি বলো?
সাথে থাকিবার লাভে ও লোকসানে নিরলস গতি যেমন বলিয়া ওঠে আরাম আরাম
সিয়াম সাধনার মাসে তুমি ইহাই আমার জন্যে করিলে হারাম।
খোকার ধোঁকা
সিটি মেয়র খোকা
বোকা সেজে জনগণকে
দিচ্ছে কেবল ধোঁকা।
মস্ত বড় অট্টালিকায়
বসেই প্ল্যান আঁকেন
কোনো কিছু জানতে গেলে
শুধুই তিনি বাঁকেন।
শহর ভর্তি আবর্জনার
গড়েছে এক পাহাড়
তিনি হলেন সাদেক হোসেন
‘খোকা’ খ্যাতি যাহার।
মশা মারতে কামান তিনি
দাগান নাহি কভু
মান-ইজ্জতের মাথা খেয়ে
মেয়র আছেন তবু।
বিএনপির সার্টিফিকেটে
মেয়র খোকা ভাই
সবকিছুতে ভাগাভাগি
কর্ম শুধু একটাই।
মতিঝিলের ফুটপাত বলো
হোক না টেন্ডারবাজি
সিটি মেয়র খোকা ভাই
তাতেও দিব্যি রাজি।
গাড়ির তরে গড়লেন তিনি
বিশাল সিটি সেন্টার
যানজটেরা পালিয়ে যাবে
টিপলে শুধু এন্টার।
নগর ভবনের কর্তা তিনি
আছেন মহাসুখে
যানজট আর দুর্ঘটনায়
মরছে মানুষ ধুঁকে।
বছর বছর বাড়ান বাজেট
বাড়ে খাজনা-ট্যাক্স
উন্নয়নের ছোঁয়া নেইকো
বলেন শুধু নেক্সট।
২৬.০৮.২০১১