ইউজার লগইন
ব্লগ
কিছু কথা...
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যতম বিদ্যা পীঠ। জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণাধারদের এখানে যোগ্য করে গড়ে তোলা হয় এমনটা মনে করাই স্বাভাবিক। আসলেই তাই। এই বিশ্ববিদ্যালয় তার সবটুকু ঢেলে দেয় আমাদের ঠিক ভাবে গড়ে তোলার জন্য। প্রকৃত শিক্ষার আলোতে আলোকিত হবার সুযোগ এখনে সবার জন্য আছে। কেউ সু্যোগটা নেয়, কেউ নেয় না। এই লেখাটা তাদের জন্য যারা নিজেদের কে ঐ সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে...
মিরসরাই: যে দুর্ঘটনা হত্যার শামিল
(ডিসক্লেইমার: মিরসরাইয়ে দুর্ঘটনার পর ক্ষোভে-রাগে দুটো লেখা লিখেছিলাম। একটি প্রকাশিত হয়েছে আমরা বন্ধুতে, বাকিটা পাঠিয়েছিলাম একটা বিখ্যাত জায়গায়। তারা ছাপে নি। অনুরোধ করেছিলাম না ছাপালে অন্তত জানাতে। তারা সেই অনুরোধটুকুও রাখে নি। এতোদিনেও যেহেতু ছাপে নি, ধরে নিচ্ছি তারা আর ছাপবে না। অপ্রকাশিত এই লেখাটি এতোদিন পর প্রকাশ করা উচিত কিনা, বিলম্বিত প্রতিক্রিয়ার আদৌ কোনো মূল্য আছে কি না জানি না, তারপরও দিলাম। কেন, তা জানি না। বোধহয় নিজের রাগটুকু অন্যকে জানানোর একটা আকাঙ্ক্ষা খুব বেশি করে কাজ করছে নিজের মধ্যে।)
চোখে নিয়ে স্বপ্ন আর বুকে নিয়ে অনেক অনেক কথা, আমার বয়স বাড়ে, আমি বাড়ি না...
শৈশবে টিচার জিগাইলো বড় হইলে কে কী হইতে চাও? তখনো আমি আসলে জানতাম না আমি কী হইতে চাই, তাই বেশিরভাগ বন্ধুর জবাব অনুসরণ কইরা বলছিলাম পাইলট হবো টীচার! পাইলট হইতে চাওয়াটা মনে হয় তখনকার পোলাপাইনের কাছে ফ্যাশনের মতোন ছিলো। আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখতো সেই আমলের শিশুরা...তখনো আমার তেমন কোনো স্বপ্ন তৈরী না হইলেও আমিও পাইলট হইলাম। কিন্তু আসলে তখন থাকতাম একেবারেই নিজের ভেতর। একটা ছোট্ট নিজের রাজ্য ছিলো, সমব্রানিয়া। সেই রাজ্যের ত্রাতা ছিলাম আমি।
পদ্মা এক্সপ্রেস
পদ্মা এক্সপ্রেস চলনবিলের পাড়ে এসে থেমে গেল
ঠিক যেমটি আমি থমকে গিয়েছিলাম তোমাকে দেখে
ট্রেনের হুইসেল নেই, চলনবিলের আছে মৃদু গোংগানী
ওকে অভিমানও বলতে পারো
মনে নেই, অভিমান করলে আমার ঠোট নড়তো না
তুমি বলে যেতে নিরবধি, ঢেউয়ের মতোই।
পদ্মা এক্সপ্রেসের দীর্ঘ বিরতি আর ওদের খুনসুটিতে
আমি বিহবল হয়ে পূর্বের রংধনু দেখি, নাকি পূর্বের দিনে ফিরে যাই
ভাবতে ট্রেনের গতি বাড়ে, আর ভাবনাটা বুঝি তোমাকে ছাড়ে!
চলোনা বৃষ্টি নামাই
১.
ওরা একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে পড়তো। ছেলেটা যখন মাস্টার্স-এর ক্লাশ শুরু করেছে, মেয়েটি তখন সদ্য ক্লাশ করতে এসেছে। প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তাদের মধ্যে বিয়ে হল আরও ১০ বছর পরে। প্রেমের বিয়ে না। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের মধ্যে কখনো দেখাও হয়নি।
জুন মাসে বাংলাদেশ থাকে তপ্ত। গরমের লু হাওয়া বয়। আবার জুনে স্বস্তিও আছে। অবিরাম বৃষ্টি পড়ে। ২০০২ সালের সেই জুনে বৃষ্টি হচ্ছিল না। সেরকম এক সময়ে বিয়ে হলো ওদের। যেন বিয়ে হওয়ার জন্যই অপেক্ষা। বৌভাত পার হয়ে ওদের হানিমুনে যাওয়ার দিন থেকে শুরু হল অবিরাম বৃষ্টি।
কক্সবাজারে তখন এখনকার মতো এতো হোটেল ছিল না। লাবনী পয়েন্টে কেবল লাবনী, সিগালে মাত্র ইট বসানো শুরু হয়েছে। ওরা উঠেছিল কলাতলীতে, একটা রেস্ট হাউজে।
সেদিন মটরসাইকেলটা বিক্রি হয়ে গেছিলো!
ক্লাস এইটে পড়ি। বাবার মটরসাইকেলের দিকে ঝোঁক। সুযোগ হয় না চালাবার। চুরি করে চালাতে হয়। একদিন জানলাম বিক্রি করে দেবে। যেদিন সন্ধ্যায় মটরসাইকেলটা নিয়ে যাবে, সেদিন আর বাবা মটরসাইকেল চালাননি। রিকশায় অফিসে গেছেন।
দুপুরের দিকে সুযোগ পেয়ে মায়ের চোখ ফাকি দিয়ে চাবিটা হস্তগত করলাম। তারপরে চুপিসারে মটরসাইকেল বের করে স্টার্ট দিলাম। শব্দে মায়ের ঘুম গেলো ভেঙে। তিনি বাইরে নামার আগেই ভো করে মটরসাইকেল চালিয়ে পাশের কলেজের মাঠে চলে এলাম। মা জানতেন না যে আমি চালাতে পারি। দেখলেন এসে উল্কার মত মটরসাইকেলের ছুটে যাওয়া। ভীষণ ভয় পেয়ে তিনি দৌড়াতে দৌড়াতে কলেজের মাঠে এসে উপস্থিত হলেন।
ভুলেই গেছিলাম। একটু আগে মা ফোন করলেন। বললেন, তোর মনে আছে সেই ঘটনাটার কথা? কিভাবে আমি দৌড়ে গেছিলাম তোর পেছনে পেছনে?
দবিরের বৈদেশ যাত্রা- এক
ইমিগ্রেশন অফিসারের সামনে গিয়া দবির তার সবুজ পাসপোর্টটা দিলো। পাসপোর্টটা খুলে অফিসার একবার দবিরের দিকে, একবার পাসপোর্টের দিকে চাইলো। দবির মনে মনে কৈলো- খাইছে !
মুখে কৈলো, কোনো অসুবিধা অফিসার ?
গম্ভীরভাবে অফিসার কৈলেন, দেখতেছি...
অনেকক্ষণ ধৈরা অফিসার পাসপোর্ট দেখলেন। তার দেখার ভাবে মনে হৈলো বেটা লেখাপড়া জানেনা। অথবা এমন কিছু তার চোখে পড়ছে যে, সে সিদ্ধান্ত নিতে পারতেছেনা। দবিরও ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে শুরু করলো।
আপনের কাছে কত ডলার আছে ? হঠাৎ কৈরা অফিসার জিগাইলো।
দবির কৈলো, ৭০০ ডলার।
এর বেশি নাইতো ? আবার জিগাইলো সে।
না, তয় বাংলাদেশি ৩/৪ শ টাকা আছে।
এই প্রথম বিদেশ যাইতেছেন ?
জ্বি না, এর আগে আরো ৫ বার গেছি...
কিন্তু প্রতিবারই আপনে বাসে কৈরা গেছেন। এইবারই প্রথম বিমানে যাইতেছেন।
জ্বী ।
তা, কেনো যাইতেছেন মালয়েশিয়া ?
বেড়াইতে।
কয়দিন থাকবেন ?
৭/৮ দিন।
আমারই গাছের শেকড় আমায় সালোকসংশ্লেষণের জন্য গিলে নেয়

নদীর জলে ক্রমাগত বৃষ্টি ঝরে পড়ছে। আমার ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাকের ভেতর ডুবে থাকা জানালাটার একটা কপাট নষ্ট। কেয়ার ঝোপের পাশের কপাটটাই নষ্ট। তাই কেয়াফুলের দিকে বার বার চোখ চলে যায়। আমি চাই না প্রিয় ফুলটিকে দেখতে। কিন্তু ঘুরে ফিরে আমার চোখ ওদিকেই চলে যায়। তন্ময় হয়ে তাকিয়ে থাকি।
তুমি আসবে বলে----
ঝরা পাতার দিন শেষে, এখন সবুজের সমাবেশ চারিদিকে! দিন আসুক বা রাত যাক চলে, তাতে কারো কিছু যায় আসুক বা না আসুক, প্রকৃতির সময় গুননে কোনো হেরফের নেই! কেউ দেখুক বা না দেখুক, আনন্দে কারও মন ভরে উঠুক বা না উঠুক, তাতে তার কিছু ভাবনা নেই যেনো! ঠিক ঠিক-ই রঙ যাচ্ছে বদলে...ঠিক ঠিক-ই আসছে নুতন সময়, পুরাতন কে অনুকরন করে...চলছে দিন...যেমন চলে আসছে হাজার বছর ধরে!
বুনে চলা ধুসর ভাবনার জাল
ক্রমাগত বুনে চলেছি ভাবনার জাল
রঙের স্পর্ষে হয়ে ওঠেনি এখনো রঙিন,
ধুসরতার মাঝে বসবাস যার।
মুহুর্ত থেকে মুহুর্তে গড়ে উঠছে
নতুন এক ঘর।
বাড়ছে পরিধি ক্রমাগত বুনে চলা
ধুসর ভাবনার জাল।
পরে আছে ধুলো জমা ক্যানভাস
তুলির স্পর্ষ পায়না বহুকাল,
সাদা পাতার ওপর চলেনা
কোন বর্তমান এর আকিঁবুকি।
নিস্তব্ধ জীবন,
মুহুর্ত থেকে মুহুর্তে কেবল বেড়ে চলছে
এক একটি ঘর,
ক্রমাগত বাড়ছে পরিধি
ধুসর ভাবনার জাল।
[ শব্দগুলো জোড়া লাগতে চায়না..।
..]
বাই
রমিজ উদ্দিনের বয়স খুব একটা কম হয়নি। গত সাতাশ ডিসেম্বরে আটষট্টিতে পড়েছেন। মাঝখানের কয়েক বছর বলতে গেলে নারী সঙ্গ থেকে বঞ্চিতই ছিলেন প্রায়। কিন্তু আর যেন শরীরের চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছিলেন না। স্ত্রী সামসুন্নাহারের বয়সও প্রায় একান্ন হতে চললো। এ বয়সে তিনি স্ত্রীর সঙ্গ বলতে নারী সঙ্গের জন্য যেন হন্যে হয়ে উঠলেন। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে কয়েকবার মৃদু ঝগড়াও হয়ে গেছে। কিন্তু তিনি স্ত্রীকে বোঝাতে পারেন না যে, বয়স বেশি হলেও তিনি এখনও ফুরিয়ে যাননি।
রিপোস্ট করার সুযোগ দেন, তাইলে পোস্টের ২য় পর্ব পড়ার সুযোগ দিমু :)
আইজকা আমার টপিক পাইলাম, তাই জেহাদী জোশে মোবাইল থিকাই পোাস্টাই
.. টপিক টা হইল আমি ক্যান ইশ্বর রে বিশ্বাস করি
.. আরে ভাই সাবস্ক্রিপশান ফি লাগেনা, এর থিকা বড় কোন কারণ দরকার আচে
.. বাই দ্য ওয়ে আমার লাইনের ইশ্বর আবার আল্লাহ .. পৈতৃক/মাতৃসূত্রে প্রাপ্ত
যা বলছিলাম... বহুদিন ধইরাই নেটে দেখলাম অনেকে ইশ্বরে অবিশ্বাসের পাঠ দিচ্ছেন.. আর চলছে না.. আজকে এর একটা লজিক্যাল বিহিত (!!!) করতেই হবে..
ব্যাপারটা সিম্পল..
সতসিদ্ব- ১: - অলি বার বার পিরে আসে
সতসিদ্ব- ২: - পিরে আসতে হবে ( কিন্তু )আল্লার রহমতে (এর মাঝে আমারে আবার সিলেটের পাহারি পত থেকে পিরে আসতে হয়
)
সিদ্বান্ত- আবার জিগায় !!! রাহমাতুল্লিল আলামীন ছাড়া আর কি?
আর আপনারা যদি এই ভাইবা ইশ্বরে অবিশ্বাসের পাঠ দেন যে যে এই লেখাগুলা পইড়া আমি আল্লারে বিশ্বাস করা বাদ দিয়া দিমু তাইলে বস টেইক ইট ইঝি.. খুল দাউন.. অলি পিরে আসা পর্যন্ত ওয়েট করেন
.. তার আগে না
রখস - এ - বিসমিল
শুভ জন্মদিন ময়না পাখি!!!
আমরা বন্ধু ব্লগের সব বন্ধুদের চোখের সামনে পুচকু থেকে একটু একটু করে বড় হলো ঋহান, সমুদ্দুর, এশা, আয়লা, মাধুর্য। এই ব্লগের প্রত্যেকে এই পুচকুগুলার বেড়ে উঠার, হাসি-কান্নার ক্ষণগুলোর সাথে জড়িয়ে থেকেছে। শুধু এই কজন ই না ... মেঘ, রাইয়ান, রিমঝিম, শ্রেয়া, পিয়ন্তী, ছোট মামদো ভূত, রোদ্দুর, নিধি, ২ রাজকন্যা (পিয়াল ভাই, মানিক ভাই এর মেয়ে) সহ প্রত্যেকটা বাচ্চা আমাদের সবার জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে। এরা সবাই আমাদের বুকের ভেতর গভীর মমতার একটা জায়গা তৈরী করেছে। স্বর্গের এই দেবশিশুদের হাসি আমাদের মন জুড়িয়ে দেয়। সৃষ্টিকর্তাকে সবসময় বলি এই হাসি যেনো অমলিন থাকে। ঋহান সোনা , চাঁদের কণা, গুলুগুলু ময়না পাখিটার কাল প্রথম শুভ জন্মদিন। সেই ছোট্র পোটলা ঋহান এখন হাঁটতে শিখেছে, দাঁত বের করে কি সুন্দর করে হাসে! আহারে কি মায়া! ঋহানের প্রথম জন্মদিনে সবার পক্ষ থেকে অনেক অনেক অনেক আদর আর দোয়া। অনেক বড় হও বাবা!
আমার যাদুমনি (১৭)
আজকের সিনেমা'র নাম...... "তরকারি'র সাথে একদিন"
ঋহানঃ ইস! বাজারে তলি-তক্কারির যা দাম! দেখি কি কি বাজার করলো 
ঋহানঃ ইয়েএ, অনেক তক্কারি
ঋহানঃ দেখি, এটা পঁচা দিয়ে দিলো না তো?
ঋহানঃ দেখে তো মনে হচ্ছে ভালোই বাজার হয়েছে, হুমম!
ঋহানঃ দেখি, এইবার একটু রান্না করি! 
মন্ত্রী মোদের!
মন্ত্রী মোদের ফারুক খান
নিত্য নাকি বাজারে যান!
স্বপ্নে হাঁকেন পণ্য দাম
দেশচিন্তায় ঘুম হারাম।
কালোবাজারির জানের জান
পণ্য কী নিজের টাকায় খান
নাকি শুধুই দাম চড়ান\
মন্ত্রী মোদের ফারুক খান
রমজানেরই সুযোগ চান
বৈঠক হয় তার-ব্যবসায়ীর
দাম বেঁধে দেন তেল-চিনির।
বৈঠক তো নয় সিন্ডিকেট
মুনাফার টাকায় পূর্ণ পেট
দাম বেঁধে দেন যাচ্ছেতাই
ব্যবসায়ীদের বড় ভাই\
*************
প্রতিক্রিয়া
ব্যবসায়ীরা বলেন-
তাই রে নাই রে তাই..
প্রশংসিত ফারুক ভাই
পণ্যের দাম বাড়াতে
আপনার জুড়ি নাই।
মন্ত্রী বলেন-
হয়েছে জব্বর ভাই..
বিশ্ববাজারে বেড়েছে মূল্য
আমি কী ফারুক তার তুল্য,
বেড়েছে দাম অতি নগণ্য
জনগণ এবার হবেই ধন্য।
জনগণ বলেন-
মন্ত্রী ওহে ফারুক খান
দোহাই আপনার এবার যান
মন্ত্রিত্ব ছেড়ে হাল ধরেন
জনগণকে মাফ করেন।