ইউজার লগইন
ব্লগ
অনুযোগ
জোনাকের ডানায় লোড শেডিং
অনুযোগ-উপযোগ গুলো কাকে জানাই
কচুরী ফুলে ধুতরার কাটা
একথাও কেনো বলতে মানা?
মেঘলা আকাশে দাড়ঁকাকের আস্ফালন
একি প্রতিবাদ নাকি বিপর্যয়
কোকিলের মতো ফেরারী গাঙচিল
একথাও বুঝি যাবেনা বলা?
মেঠো পথে ফরমালিন
পরীক্ষার কর্তৃপক্ষ নেই
পিচ ঢালা পথে এক হাটু কুয়াশা
একেই বলে বুঝি তামাশা?
সবাই সত্য বলছে
এর পক্ষে কে করবে সাফাই
মিথ্যেরাই সুন্দরের পূজারী
ওদেরই তোবারক আজ বাতাসা!
প্যাট্রিয়ার্ক
[উপলক্ষ্য পেলেই কবিতা বেজে ওঠে। কেবল অ্যালিগরীগুলো সাজিয়ে সাজিয়ে সময় কাটানো অথবা সময়কে কেটে অসময়ের সাইরেন বাজাতে উৎসুক হয়ে পড়ে সেল্ফ, স্রেফ কবিতার শব্দ বাক্যে। আমি এই কবিতা উগড়াইলাম জুডিথ বাটলারের পোস্ট স্ট্রাকচারাল এনালিসিস জেন্ডার ট্রাবল বইটা পড়তে পড়তে। অগাস্ট মাস এলেই মনে পড়ে একদিন নারীর অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলাম ভীষণ। মনে পড়ে শ্লোগানে শ্লোগানে মুষ্টিবদ্ধ ছিলাম পথের প্রান্তরে...]
পিতা তোমার অভ্যাসে আমি কেমন ডুবেছি দেখো
আমিও পুরুষ হয়ে অধঃস্তন করেছি নারীর মূদ্রালেখ্য;
খুঁজেছি নধর ঠোট
ভেজা ঠোটে এঁকেছি অনেক আঁকাবাঁকা
খেলুড়ে চুম্বন, তবু
তৃষ্ণা মেটে নাই বেলা-অবেলায়।
আহা! স্বপ্ন-স্বপ্ন ফ্যান্টাসীতে আমি
শরীরের চড়াই অথবা উৎরাই পেরিয়ে
পৌছে গেছি পুরুষালি ত্যাগের মহিমা
মেনে, কিম্বা কখনো না মেনে।
করপুটে কোমল পৃথিবী
বাণী সমুচ্চয়
সময়টি অস্থিরতার। নানা কারণে মনটা এলোমেলো-তছনছ হয়ে আছে। চারদিকে তাকালে স্বস্তিদায়ক কিছু চোখে পড়ে না! এইরকম অস্থির মন নিয়ে সুস্থির হয়ে বসা আর গুছিয়ে কিছু লেখা কঠিন! এমনিতেও একটানা বেশ কিছুদিন লেখার মধ্যে ছিলাম। একাধিক ঈদসংখ্যার জন্য গল্প-উপন্যাস-গদ্য লিখতে হয়েছে! লিখেছি পত্রপত্রিকার জন্যও। এত লেখার পর একটা অসন্নতাও কাজ করছে লেখালেখি নিয়ে। অথচ কিছু না কিছু লেখার জন্য হাত নিশপিশ করছে। এই লেখাটি আমার বিভিন্ন সময়ের বিক্ষিপ্ত চিন্তার ফসল! চিন্তা তো একমুখী নয়, বিভিন্ন সময়ে নানাদিকে ধাবিত হয়। ফলে এই লেখার বিষয়গুলোও পারম্পর্যহীন, নানাভাবে আমার বিক্ষিপ্ত চিন্তাগুলোকে ধরে রেখেছে!
কবিতা: পরাগায়ন ও শিষ্টাচার
নিজেকে তীব্র আগুনের দিকে ছুটে চলা একটা পতঙ্গ মনে হচ্ছে। যে দ্রুতগতিতে নিজের ভস্মীভূত পরিণতির দিতে ধাবমান। ভালো লাগছে এই ভেবে যে, অবশেষে নিজের জন্য নিরন্তর খারাপ লাগতে থাকাটাকে দূরে সরিয়ে দিতে পেরেছি। এখন শুধুই অপেক্ষা। এবং এই নিষ্ঠুর আমাকে দীর্ঘদিন ধারণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা। সময়, প্রকৃতি আর ভূখন্ডের প্রতি।
কবিতাকে আমি সহজ মনে করি না। আমার কবিতা লেখার অপচেষ্টাগুলো কখনো সফল হয়েছে, এমন দাবিও করি না। যে কারণে ব্যর্থতার দায়টুকু মাথা পেতে নিতেও আপত্তি নেই।
রাত্রিনা তোমার শারীরিক সৌন্দর্য্যও
ঐশ্বর্যময়, সর্বত্র ধন-সম্পদের ছড়াছড়ি
উদয়াস্ত আমি যদি কোনো ঠোঁট চাই
পাওয়ার জন্য, তোমার নধর
ঠোঁট দু’টোই চাইবো।
যদি কখনো কাউকে দেখে আমার
জড়িয়ে ধরে বুকের উত্তাপ
অনুভব করতে ইচ্ছা হয় তো সে তুমি।
কখনো হয়তো তোমার বুকে
খেলা করতেও ইচ্ছে হতে পারে,
কারণ আমার বাহুলগ্না ছাড়া
আর কোনো অবস্থাজনিত
ঢাকাবাসী-আদিবাসী-অভিবাসী আর বীনবাঁশির তত্ত্ব: যেদিক চাইবেন তিনি, বিভ্রান্ত ইদুরের দল সেদিকেই ঝাপ দিবে
মাঝে মাঝে এক অযৌক্তিক অহম তৈরী হয়, এই শহরটারে মনে হয় একেবারে নিজের আর যারা অভিবাসী হইছে বিবিধ কারনে তাদের অসহনীয় লাগতে থাকে। মনে হয় এই শহরের শরীরে তারা আছে জীবানুর মতো, অনাহুত, দখলদারী মনোবৃত্তিতে। আমার মনে হইতে থাকে এই শহরটারে ভালোবাইসা জীবনের ৪০টা শরীরি বছর কাটাইয়া দিছি, তারো আগে আরো এক-দেড়শ বছর জেনেটিক্যালি এই শহরেই ছিলাম আমি। এই রকম মনে হওয়াতে অপরাধবোধ তৈরী হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিলো, একবিংশ শতকের উত্তরাধুনিক দুনিয়ায় একটা শহর নিয়া এমন জাত্যাভিমান বেশ বিব্রতকর। অথচ জানি গতো শতকের শেষভাগেও পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে অভিবাসীরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হইছে। ফিজি, সিঙ্গাপুর, পাপুয়া নিউ গিনি...
বইপড়ার অভিজ্ঞতা , কিছুটা তিক্ততার , কিন্তু পুরোটাই মজার :) :)
ব্লগে নিক নিয়েছি কিছুদিন হল । কিন্তু পোস্ট করিনি । আজ ভাবলাম করি । কিন্তু ভেবে পাচ্ছিলাম কি পোস্ট করব । তাই ভাবলাম আমার প্রিয় কোন পুরনো পোস্ট দিয়েই না হয় শুরু করি । তাই দিয়ে দিলাম আমার খুব পছন্দের একটা পোস্ট । আশা করি আপনাদের খারাপ লাগবে না
ছোট বেলায় পড়েছিলাম বই কিনে নাকি কেউ দেওলিয়া হয় না । বর্তমান যুগে এই কথাটা কতটা যুক্তিসঙ্গত তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে । কিন্তু এটা নিয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই যে বই পড়ে কেউ দেওলিয়া হয় না । আমি বিশ্বাস করি একমাত্র বই পড়লেই প্রাচুর্য লাভ করা যায় । জ্ঞানের প্রাচুর্য । যা কখনও কমেনা , বরং বেড়েই যায় । কারণ বইই একমাত্র মাধ্যম যেখানে সঞ্চিত আছে হাজারো মানুষের অর্জিত জ্ঞান । আর সেই বই পড়া মানেই তার অর্জিত জ্ঞান নিজের মধ্যেও নিয়ে নেওয়া । শতাব্দী প্রাচীনকাল থেকে বিবর্তনের মাধ্যমে কাগজ থেকে বই আজ ইবুকে রূপ নিয়েছে ।
বুকওয়ার্মস!(বই নিয়ে কথকতা!)
আমার ছেলেবেলা আর বড় হয়ে ঊঠার সময় টা কেটেছে নানাবাসায়,সাহিত্যিক নানার ছায়ায় নানান রকম বইয়ের সাথে।
বাসা ভরা ছিল গল্পের বই। ছোটদের আর বড়দের সব বই, আলাদা করা ছিল তিনটা ইয়া বড় বই এর আলমারীতে। বেড়ে উঠার একেকটা ধাপে হাতে আসা একেকটা জগতের চাবি,অনুভূতিটা বলে বোঝানোর নয়।
বাসার সবাই-ই বেশ পড়ুয়া, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে আমারও তাই খুব বেশি সময় লাগেনি। আম্মু তো এখনো বই পড়তে বসলে রান্নার কথা ভুলে যায়,এরকম অবস্থা! আমার আর কী দোষ!
বিপ্রতীপ সম্পর্কের জ্যামিতি
*
দেয়াল ঘেঁষে নেমে আসে বোকাটে রোদ,
সাময়িক শ্যাওলার ভেলভেটে আয়েশী হামাগুড়ি দিয়ে।
দেয়ালের ওপাশে থাকা বিষণ্ণ গাছটিও জেনেছে বোকাটে নেমে আসা গান।
বোঝেনি তারা,
বোকাটে গানের সুরটা লেখা হয়েছে বিষণ্ণ গাছটাকে ভেবেই।
শ্যাওলা বেছে নিয়েছে আধো আলো আধো ছায়ার সম্পর্ক,
সে ভাবতে পারেনি উজ্জ্বল রোদ তাকে দিতে পারে বৃক্ষের স্বাধীনতা।
বিষণ্ণ গাছটিও রয়ে গেছে দেয়ালের ওইপাশে, যেখানে ছিটেফোঁটা রোদ উঁকি মারে অনভ্যাসে।
রোদের সাধ্য ছিলো দেয়ালটাকে ভেঙ্গে ফেলে
বিষণ্ণ গাছটাকে আলিঙ্গনের,
তার মনের অশ্রুগুলোকে এক নিঃশ্বাসে পান করার,
দু’জন মিলেমিশে জীবনের গানে মেতে ওঠার।
বোকা রোদ,
বরাবরের অনভস্ততায় বাঁধা পড়ে রইলো দেয়ালের কার্ণিশে,
আর লিখতে থাকলো বিপ্রতীপ সম্পর্কের সংখ্যাতত্ত্ব।
।
।
_________________________________________________________
*আলসেমীর জং কাটানোর চেষ্টা
মেঘবন্দী (৬) ... বর্ষার তিন ছত্র / আশফাকুর র
বর্ষার তিন ছত্র
আশফাকুর র
বৃষ্টি।পৃথিবীর সকল দেশের সকল মানুষের কাছে বৃষ্টি এক প্রার্থিত নাম। আর আবহাওয়া, অর্থনৈতিক ও ভৌগলিক নানা কারণে আমাদের দেশে বৃষ্টি এক চিরচেনা ও প্রার্থিত অতিথির নাম। আমাদের দেশের সাহিত্যেও তাই বৃষ্টি আর বর্ষার মারাত্মক প্রভাব। এক বর্ষাকে ঘিরেই আমাদের কবিরা লিখেছেন হাজার হাজার ছত্র। আমাদের সাধারন জীবনেও বৃষ্টির প্রভাব কম নয়। বৃষ্টির রূপ নানারূপে আসে আমাদের কাছে আসে আমাদের জীবনের নানা সময়ে। বৃষ্টির এই রূপের বিবর্তন আমাদের জীবনের এক অসাধারন অংশ। আমার মতে রুপের এই বিবর্তন তিন ছত্রে। তাহল শৈশব, কৈশোর আর যৌবন কালে।
একঝাঁক ইচ্ছে ডানা যাদের আজ উড়তে মানা
একদিন দেখবো আলো আঁধারের শেষ যেখানে
আসবেই দখিন বাতাস আকাশের বার্তা নিয়ে,
একঝাঁক ইচ্ছে ডানা যাদের আজ উড়তে মানা
মিলবেই তাদের অবাধ স্বাধীনতা।
যেখানে তোমার আমার কোনো কথা নেই কথা নেই কোথাও থামার
ঠিক নেই ঘরের হদিস শুধু আছে পথ কতদূর নেই তা জানা
দুঃখ নেই কিছু সেখানে
নেই সুখ খোঁজবার কোনো দায়
প্রয়োজন নেই কারো একা বসে ভাববার একটু বাঁচার উপায়,
কেঁদো না বন্ধু আমার গাও গান নিয়ম ভাঙার
এ গানের শেষেই আছে ভোরের আকাশ,
একঝাঁক ইচ্ছে ডানা যাদের আজ উড়তে মানা
মিলবেই তাদের অবাধ স্বাধীনতা।
দূর্দান্ত একটা লিরিক। গানটা প্রায়ই আনমনে গুনগুন করার চেষ্টা করি।
আরো একটা গান। এটা ডুয়েট, শিরোনাম হচ্ছে; কই যাও একলা একলা?
Dancing where the stars go blue
সাংবাদিক বনাম সাংবাদিকতা: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রীক অভিজ্ঞতার কাটা ছেড়া
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তির পর প্রথম মাথায় এলো পত্রিকা বের করতে হবে। কি করা যায়, কিভাবে করা যায় ভাবতে ভাবতে সাজদার ভাইয়ের চায়ের দোকানের চা খেতে খেতে কখন যে বাকির খাতায় নাম উঠে গেছে টের পাইনি। যখন টের পেলাম তখনও সিদ্ধান্ত হয় নি। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো প্রথম বর্ষ থেকে একটি লিটলম্যাগ সাইজে ফটোকপির পত্রিকা বেরুবে। স্যারদের সাথে আলাপ হলো। অনেকে উৎসাহ দিলেন। একজন বললেন, মফস্বল থেকে এসেছো তো, এখনো মাথা ঠিক হয় নি। এরকম অনেক সিদ্ধান্ত নাকি ফিবছরই হয়। দুয়েকটা সংখ্যা বের হয়, তারপর বন্ধও হয়ে যায়। আর এধরনের ‘ফালতু ’ কাজে ডিপার্টমেন্টের নাম উল্লেখ করা যাবে না। পরের সংখ্যাই তিনিই অবশ্য একপাতার একটি বাণি দিয়েছিলেন।
নাকের ডগায় ঈদ! [ঈদ নিয়ে হাবিজাবি/খোঁজখবর পোষ্ট!]
আজকে একুশ রোযা শুরু হয়ে গেল!
দেখতে দেখতে, কথা নাই বার্তা নাই ২০ রোযা শেষ!আর কয়দিন গেলেই, হুট্ কইরা দেখা যাইবো ঘুম থিকা উঠলেই ঈদ!
রমজানের এই একটা মাস ক্যামনে যে এত তাড়াতাড়ি শেষ হইয়া যায়, এইটা আসলেই একখান গবেষনার বিষয়।
এই রোযার মাস টা আইলেই বোঝা যায়,
ভাল জিনিস বেশিদিন থাকেনা!
এখনো কয়েকদিন বাকি আছে তাই ভাবলাম, ঈদ লইয়া সবার লগে একটু আড্ডা মাইরা লই।
আশা করি, সবার রোযা ভালই চলতেছে। সাথে, ঈদ প্রস্তুতি ও।
গত দুইবারের মত এইবার ও রোযা ঢাকাতেই কাটাইতে হইব।মহা বিরক্তিকর ব্যাপার।ঢাকায় তো ঈদের ফিলিংস ই খুঁইজা পাওয়া যায় না।আমাদের বিল্ডিঙেই ঈদের দিন অনেকের ঘুম ভাঙে দুপুর বেলা।চাঁনরাতে পার্টি সার্টি করেই তো টায়ার্ড, ঈদের জামাত ধরবে কে?!শুধু মাছবাজার টাইপের চিরায়ত জ্যাম হারিয়ে গিয়ে রাস্তাঘাট মরুভূমি হয়ে যেতে দেখলেই বোঝা যায়, ঢাকায় এখন ঈদ।
আরেক ঝামেলা হল টাইম কাটানো।
আগুন পোহাতে হলে নিজেকে জ্বালাবেন: এলিজি ফর তারেক মাসুদ
সর্বদক্ষিণে বাস করে এক অরাজক কাল। তার পাশের চেয়ারে একজন অসুখী মানুষ। একেবারে উত্তরে বাস করে ভালগার আউটফিট। তার সম্মুখে দণ্ডায়মান স্ফুর্তি।
এসব দেখে শিক্ষা নেয়া যায়। প্রতিজ্ঞা করি আর কখনও ডান বাম থেকে বিচলিত পর্যবেক্ষকের জায়গা দখল করবো না। গান এবং তান নিয়ে ব্যস্ত থাকবো।
অথবা এক কাজ করা যায়। এর পর থেকে প্রতি অক্ষরের পরে দুটো ব্যাকস্পেস। আশা করা যায় বেশ দীর্ঘসময় পরে ফিরে যাওয়া যাবে শুরুতে। শীর্ষে।
যখন এটা পতনেরই দ্রোহ, তখন তরান্বিত হোক। যদি প্রয়োজন হয় বলবেন। মশলা যোগান দেবো। যদি অন্তরঙ্গ যাপন চান - দয়া করে ভিজিটিং কার্ড রেখে যাবেন। হিসেব মত গোটা দশেক ফেসবুক একাউন্ট পাঠিয়ে দেবো। প্রতিটা ফুল থাকবে বন্ধুতে। নিখুঁত বন্ধু নামক অমানিশা ভর করবে না।
ভালবাসা তারপর দিতে পারে গত বর্ষার সুবাস
কষ্টগুলোর শিকড় ছড়িয়ে
ঐ ভয়ানক একা চাঁদটার সাথে,
স্বপ্নের আলোতে যাবো বলে
যখন চোখ ভিজে যায় রাতে
ভালবাসা তারপর দিতে পারে
গত বর্ষার সুবাস,
বহুদিন আগে তারাদের আলো
শূন্য আঁধার আকাশ।
প্রখর রোদে পোড়া পিঠ
আগুনের কুণ্ডে শেঁকা হাত
শিশির ছোঁয়া পাবে হাসি
অন্ধকারে কেটে যাবে রাত,
ভালবাসা তারপর দিতে পারে
গত বর্ষার সুবাস,
বহুদিন আগে তারাদের আলো
শূন্য আঁধার আকাশ।
অর্ণবের সঙ্গেই সাধারণত এটা বেশি ঘটে। ওর এক-একটা গান মাঝে মাঝে নিউরণের ভেতরে চলে যায়। সেখান থেকে সেগুলোকে বের করে নিয়ে আসার কাজটা সহজ হয় না কখনোই।
---
আমরা এগারো জন- আগস্টের কোন এক আনন্দমাখা সন্ধায়
কলিং বেলের সুইচটা সামনে। আঙুলটা সুইচের উপর রাখার আগেই দরজাটা খুলে গেল। কানে ফোন ধরা তন্ময়ের। আমাকে দেখে ভিতরে যেতে ইশারা করে। আমি আর আমার বর ওর বাসায় ঢুকলাম।
হঠাৎ দেখি চোখের সামনে সবুজ একটা লন। লনের পাশ দিয়ে ছোট্ট একটি রাস্তা চলে গেছে ভিতরে। হাতের বায়ে 'সুরঞ্জনা'। রাস্তা ধরে আমতলায় পৌঁছানোর আগে থেকেই ভীর ভাট্টায় নজর পরে। ভিতরে কথা বলছেন আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ।
ধুর কি আবোল তাবোল..। তন্ময়ের গোছানো বাসায় সেই বিসাকের লালরঙা বাড়ি এলো কোথেকে! এই আড্ডা আর সেই আড্ডার ছবি মিলেমিশে একাকার হচ্ছে বারবার। ..তাই তোহ!
দিব্যি দেখা যাচ্ছে আন্দু (আমাদের আন্দোলন) বসে আড্ডা দিচ্ছে। ইশ আমি এবারো লেট।