ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার বৃহৎ দেশপ্রেমের অতি ক্ষুদ্র বহিঃপ্রকাশ
ইদানিং যে বিষয়টা নিয়ে পত্রিকায় অনেক লেখালেখি হচ্ছে সেটি আর কিছুই না, গ্যাস পাচার.........
আমাদের বাঙ্গালীদের স্বভাবই হচ্ছে কোনো বিষয়ের ভালো মন্দ ২টো দিক বিবেচনা না করেই যাকে বলে “হাউকাউ” শুরু করে দেই। আমাদের মন্ত্রীসভায় এত্ত এত্ত বুধ্বিমান লোক আছেন (সন্দেহ লাগে!) তারা নিশ্চিত সব কিছু বিবেচনা করেই এই সিধ্বান্তে উপনীত হয়েছেন।
সেদিন (কবে তা না জানলেও চলবে) রাতে ঘুমাতে গিয়ে হঠাৎ করেই আমি বিষয়টা বুঝে গেলাম, কেন দেশে রান্নার জন্য অতি প্রয়োজনীয় গ্যাস পাচার করে দেওয়া হচ্ছে।
কারন আর কিছুই না, কবি বলেছেন (কোন কবি জানি না, জানলে কেউ ইনফো পাস করবেন দয়া করে)
“বড় যদি হতে চাও, ছোটো হও তবে”
আমাদের দেশের সরকারও ওই পথে চলছে তবে ১টু পরির্বতিত রুপে,
“ডিজিটাল যদি হতে চাও অ্যানালগ হও তবে”
উত্তরাধিকারের খোঁজে
উত্তরাধিকারের খোঁজে
বলতে দ্বিধা নেই আগ্রহ বা অনাগ্রহ কোন ভিটাতেই
আমার শেকড় গাঁথা নেই
আমি দৃশ্যপটে ধারালো তলোয়ার হাতে দাঁড়িয়ে আছি,
আক্রমণ কাকে করব জানতে পেলে
এককথায় হাঁফ ছেড়ে বাঁচি।
আমার সামনে দৈনন্দিনতার ফিরিস্তি
তুলে ধরা একধরনের সময় নষ্ট।
একা হতে না পারলে আমার সব সংকল্প
নিমিষেই ভ্রষ্ট - অপছন্দের ছায়ায় তারাজ্বলা
আকাশও হয়ে যায় উধাও।
আমাকে তোমারা যতই স্বাভাবিকতার গেরস্থ সুতায় বাঁধো
জেনো আমি তো নেই আমাতেই -
তাই আগ্রহ বা অনাগ্রহ কোন ভিটেতেই শেকড় না গেঁথে
পেট কাটা চাঁদিয়াল হয়ে বাতাসের অনুকূলে ভেসে যাওয়া
এই আমার নিয়তি;
শুধু দৃশ্যপটের ধারালো তলোয়ার
হাত বদলের জন্যে উত্তরাধিকার খুঁজি
আজো অজান্তেই ।
(১৩.০৪.১১)
অযথা প্যাঁচাল
১।।
রগীর মৃত্যুর পর ক্ষিপ্ত স্বজনেরা হাসপাতাল ভাঙচুর করেছে, ডাক্তারকে আক্রমন করেছে, ইন্টার্ণদের অপমান করেছে, আমি এইসব আবেগাক্রান্ত রোগীর স্বজনদের প্রতি প্রসন্ন ছিলাম না কখনও, তাদের অতিরিক্ত আবেগে তারা ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ আনে, হয়তো নিজেদের অবহেলা কিংবা উপেক্ষায় যার মৃত্যু নিশ্চিত ছিলো তাকে একেবারে শেষ সময়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে আসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে এমনটাই ভাবতাম একটা সময়। তবে আমার সে ধারণা বদলেছে, আমি এখন এইসব রোগীর স্বজনদের দুঃখটা উপলব্ধি করতে পারি, উচ্চমন্য ডাক্তারের ছাওয়ালেরা রোগী এবং তাদের স্বজনদের যে উপেক্ষা, অনাদর, অবহেলা উপহার দেন তাতে যেকোনো স্বাভাবিক মানুষই ক্ষিপ্ত হতে পারে,
ইন্টার্ণ ধর্মঘট, ডাক্তারের চেম্বার ভাঙচুড় এবং হাসপাতাল আর ক্লিনিক ভাঙচুড়ের সংবাদ পড়লে এখন আর রোগীর স্বজনদের দোষারোপ করি না আমি বরং সংশ্লিষ্ট ডাক্তারকেই অপরাধী মনে হয়।
জরুরি কামলা প্রয়োজন :প্রসঙ্গ বর্ষার গান নিয়ে ই-পুস্তক
বন্ধুদের অসীম ভালোবাসা এবং সহযোগিতায় কিছুদিন আগে বর্ষা নিয়ে ই-পুস্তক ‘’মেঘবন্দী’’ প্রকাশিত হয়েছে।বন্ধুদের সাড়া পেয়ে সত্যি আমরা অভিভূত এবং আপ্লুত। ‘’মেঘবন্দী’’ প্রকাশের সময়ই আমাদের ইচ্ছা ছিলো বর্ষার গান নিয়ে একটা আলাদা আয়োজন রাখতে কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতার কারনে সেটি আলোর মুখ দেখেনি।কিন্তু কিছুদিন যাবত কিছু বন্ধুর অক্লান্ত পরিশ্রমে সেই অসমাপ্ত কাজের সফল বাস্তবায়নের উদ্দ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই কারণে আমাদের আরো কিছু বন্ধুর সহযোগিতা দরকার।আগ্রহী বন্ধুদেরকে যোগাযোগের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
কাজের সুবিধার জন্য আমরা নিজেদেরকে কিছু দলে ভাগ করে নিয়েছিঃ
দল ১.
যারা সারা পৃথিবী থেকে খুঁজে খুঁজে বৃষ্টির গান জোগাড় করবে।
দল ২.
প্রথম দলের গানগুলো ক্যাটাগোরি অনুযায়ী বাছাই করবে। যেমন রবীন্দ্র, নজরুল, উচ্চাঙ্গ, ইংরেজি, হিন্দি... এইরকম...
দল ৩.
ফেলে আসা দুরন্ত সময়গুলো
কখনও কি মুছে দেয়া যাবে
সেই সব দিনগুলো......
যখন ছোট ছোট সব স্বপ্নগুলো ঘুরে বেড়াতো বিশাল খেলার মাঠে
বা সদ্য সম্পদে ভরে ওঠা নিষিদ্ধ আম গাছে
কিংবা হাবিজাবি সব খবর আর ঘটনা নিয়ে
মুখর আলোচনায়।।
কখনও কি মুছে দেয়া যাবে
সেই সব দিনগুলো......
যখন খেলার ছলে স্কুল ড্রেস এর উপর নির্মম অত্যাচার
আর পাঠ্য বইয়ের দুর্গম এলাকাগুলো আবিষ্কারের
দুর্দান্ত প্রচেষ্টায় মেতে রইতো
সীমাবদ্ধ ইচ্ছাগুলো।।
কখনও কি মুছে দেয়া যাবে
সেই সব দিনগুলো......
যখন শিক্ষক-ছাত্র একে অপরকে উপাধী দেয়ার হাস্যকর চ্যালেঞ্জ
কিংবা মেয়েদের স্কুলের সামনে বিশেষ কাউকে
চলন্ত বা ছুটন্ত প্রতিভা
এইটা প্রতিভাবানদের নিয়া একটা ছবি ব্লগ। নানা জাতের প্রতিভা আমাদের চারপাশে থাকে। সবাইরে আমরা চিনতে পারি না। আসেন আজ কিছু প্রতিভাবানদের চিনি।
গেছিলাম বেড়াইতে। যদিও রায়হান ভাই সমবেদনা জানাইছে আমারে, পুরানা বউ নিয়া বেড়াইতে যাওয়ায়। আমি হইলাম সেই প্রতিভাবান, যে পুরানা বউ নিয়া হানিমুনে যায়।
বেড়ানো মানেই তো ছবিতোলা। সেরম কিছু ছবি আজ দেখাই তাইলে।
১.
এইটা একটা অস্কার বা নোবেল পাওয়ার মতো ছবি। কাকদের নিয়া তোলা ছবির মধ্যে এইটাই সেরা। কি আলোর ব্যবহার, কি তার কম্পোজিশন. কি তার গতি। অসাধারণ বললেও পুরাটা আসলে বলা যায় না।

২.
আমরা ছাএরা কি দেশের শত্রু???
কয়েকদিন আগে আমি আর একজন যাচ্চিলাম বাসায় কাঠালবাগান এর ভিতর দিয়ে।সেখানে একটি ব্যানার এ লেখা ''এখানে ছাত্রাবাস ভাড়া দেয়া চলবে না চলবে না''কিন্তু কি জন্য জানিনা।আগে মনে করতাম ব্যচেলর রা দেশের শত্রু জাতির শত্রু।যারা কোথাও বাসা ভাড়া নিতে গেলে আগেই লেখা থাকে ব্যচেলর ভাড়া দেয়া হবেনা কিংবা দেখেই বলবে ব্যচেলর??তাহলে ব্যচেলর রা কোথায় যাবে?আর এখন দেখতেছি ছাত্ররাও??তাহলে কোথায় যাব আমরা?? তাই ঢাকায় পড়তে আসার আগে বাবা মা কে বলতে হবে আগে আমার বিয়ে দাও তারপর বউ নিয়ে ঢাকায় যাব পড়তে।তাহলে আর কোনো বাড়িওয়ালা বাড়ি ভাড়া দিতে ভয় পাবেনা.............
কথারশিল্পী
যখন ছোট ছিলাম “আমার বই”, "চয়নিকা" আর “সবুজ পাতা” য় লেখা সব গল্প কবিতা গোগ্রাসে গিলতাম, আর ভাবতাম মানুষের মাথায় না জানি কত বুদ্ধি থাকলে, কত জ্ঞানী হলে লোকে এত সুন্দর করে লিখেন। কিছুদিন আগে আচমকা আবিষ্কার করলাম শুধু লিখে না, সুন্দর করে কথা বলেও কথাশিল্পী হয় লোকে। মুখচোরা হওয়ায় সব সময় যেকোন আলোচনা, ঝগড়ার পর মনে মনে ফুঁসিয়া মরতাম ঠিক সময়ে ঠিক কথাটি বলে দিতে না পারার মনবেদনায়; মনের মধ্যে কথাগুলো ঘুরঘুর করতো আর হাতপা নিশপিশ করতো, মনে হতো যেয়ে মনের ঝাল মিটিয়ে আসি। আমার এক সহকর্মীকে একদিন একটা কাজের কথা জিজ্ঞেষ করলাম, উনি জবাব দেয়ার কিছুক্ষনের মধ্যে সেটা ওনার উপস্থিতিতে ভুল প্রমাণিত হলে ওনাকে জিজ্ঞেষ করলাম কি ব্যাপার। উনি বললেন, আপনার প্রশ্নের সাথে জিজ্ঞেষ করা উচিৎ ছিল যে আমি বিষয়টা জেনে বলছি নাকি না জেনে। সবসময়ের মত এই কথাশিল্পীর কথায় মুগ্ধ আমি, আর একবার তার কথার মুন্সিয়ানার কাছে হার মানলাম।।
বিবন শৈশব
বসুঞ্চরা সিটির বিপরীতে কারওয়ান বাজার মোড়ের দিকে চায়ের দোকানে বসে ছিলাম আমার এক কাজিন সহ।সাড়ে আটটার দিকে এক বুড়ো লোক আসলো চায়ের দোকানে তার একটু পর একটা ছোট মেয়ে আসলো।আমি দেখিনি আমার কাজিন বললো দেখ বাচাটা সুনদোর না।আমাদের মোনার মত দেখতে।আমি বললাম হু।বয়স কি আর হবে পাচ এর মতো। লোকটি মেয়েটিকে একটা পাউরুটি আর চা খেতে দিল।বসার জায়গা ছিলনা তাই বাচাটিকে ডেকে পাশে বসতে বললাম।সে চা রুটি দিয়ে খেতে লাগল।আর চোখেমুখে অনেক আনণদ।তার নাম জিজ্ঞেস করলাম বললো ফাহিমা।আর সে লেবু বেচে আসলো।আর বয়সক লোকটি তার বাবা।লোকটি পাশে অন্য একজনকে বলতেছে মেয়েটিকে এতিম খানায় দিবে কিনতু ১৫০০ টাকা লাগবে তাই আগে দিতে পারেনি।শুনে বুকটা ফেটে যাচছিল কিনতু কিছু করার উপায় নাই।এ রকম কত ফাহিমা আছে যারা হাটতে শিখলেই খাবার জোগার করার জন্য বের হয়।কজনের চোখেই বা তারা পরে।তখন চিনতা করতেছি এ বয়সে একটা বাচ্চার কি করার কথা।তার বই নিয়ে ঈশকূল এ য
কি লিখি তোমায়...
সুচনা বা শুরু করা আমার কাছে খুবই কষ্টকর মনে হয়। সেটা বাস্তব জীবনেই হোক, আর ব্লগ জীবনেই হোক।
একবার চলা শুরু হয়ে গেলে অবশ্য আর কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু চলা শুরু করাটাই হলো আসল কথা।
ঘেমে-নেয়ে পাগল পাগল হয়েও ভেবে পাচ্ছিনা কি লিখবো? কিছু না লিখলে কি করে বোঝাবো আমি এসেছি গো, তোমাদের এই রঙ্গ-মেলায় আমিও শরিক হতে এসেছি। তোমরা আমায় আপন করে নিবে তো? আমি তোমাদের অতি পরিচিত, অতি আপন-জন। কি লিখি তোমাদের জন্য এই মুহুর্তে মনে পড়ছেনা। কিংবা লিখতে পারছিনা। তোমরা অনুপ্রেরনা দিলে হয়তো লিখবো।
রক্ত দিবো, জীবন দিবো, তেল-গ্যাস দিবো না!!
গ্যাস বিক্রী করতে রাজী হয় নাই বইলাই আওয়ামি লীগ নাকি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারে নাই। ২০০৮ সালে আওয়ামি লীগের অবিসংবাদিত জয়ের পেছনে কোন বিষয়টা বড়ো ভূমিকা রাখছে শেখ হাসিনা নিজেই সেইটা অনুমানের জন্য ইঙ্গিত দিছেন কয় দিন আগে। কনকোফিলিপসের সাথে চূক্তি পশ্চিমা শাসকগো কাছে দেওয়া তার প্রতিদান। আর তাই ৩ জুলাইয়ের সফল অর্ধ দিবস হরতালে দমন-পীড়ন-নির্যাতন-প্রেফতার চলবো এইটাই স্বাভাবিক। রাজধানী থেইকা এর আগে চারদলীয় জোটের হরতালেও আগে এমন দেদারসে লাঠিচার্জ কিম্বা গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে নাই।
ফ্রম ঢাকা টু মাইজদী এবং পল্টিবাজী
মুকুল ফোন করেছিলো গত শুক্রবার। নোয়াখালী থেকে। ১ জুলাই তার বিয়ে। বিয়েটা হবে লক্ষীপুরে। আর ২ জুলাই বৌ-ভাত। সেটা মাইজদীতে। দুটোরই দাওয়াত দিয়েছে। আমার মত অনেককেই ব্যক্তিগতভাবে ফোন করেছে মুকুল। বেচারা মুকুল ! গত কয়েক বছর থেকে হা-পিত্যেস করতে করতে জান যায় যায় অবস্থা। সবার প্রেম হচ্ছে, বিয়ে হচ্ছে। তার কোনোটাই হচ্ছে না। সে গরীব মানুষ। মফশ্বলে থাকে... ইত্যাদি মায়াকান্না শুনতে শুনতে আমরা প্রায় সবাই বিরক্ত। অবশেষে তার নিজের মুখে যখন শুনলাম- তার বিয়ে... স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। অবশেষে ছেলেটার একটা কিছু হচ্ছে...
আমাদের বিজ্ঞাপনগুলো
বিপণনের একটা বড় অংশ ভোক্তার আস্থা নির্মাণ, কোম্পানী গুডউইল, ব্রান্ড কিংবা নির্ভরতা নির্মাণে সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন নির্মাতা সংস্থা, তবে বিপণন ব্যবস্থার প্রধান নির্বাহী এবং তার অধস্তন কর্মকর্তারা ভোক্তা মানসিকতা যাচাই করেন প্রতিনিয়ত, ভোক্তার চাহিদা এবং ভোক্তার অনাস্থার জায়গাগুলো যথাযথ চিহ্নিত করে তারা নিজেদের বিজ্ঞাপনে প্রতিদন্ডীদের অনাস্থার জায়গা চিহ্নিত করে নিজেদের পণ্যের মাহত্ম্য তুলে ধরেন এবং এভাবেই বিজ্ঞাপন আমাদের চারপাশে একটা কল্পজগত নির্মাণ করতে সমর্থ হয়।
গৌরীকে গৌরী প্রদান:
গৌরবর্ণ নারী আর শ্যামবর্ন পুরুষ আদর্শ জুটি এমন একটা বিশ্বাস আমাদের সামাজিক মন:স্তত্ত্বে কিভাবে প্রবিষ্ট হয়েছে তা নির্ধারণ করতে হয়তো কোনো সমাজ বিজ্ঞানীর একমুহূর্ত সময় লাগবে না কিন্তু আমাদের সাধারণ মানুষের ভেতরে এই ধারণা বেশ ভালোভাবেই আছে।
দেহজ প্রেম
দেহজ প্রেমকে তুমি
ভালোবাসা থেকে পৃথক কর না
প্রাণী মাত্রই তারই ফসল
এই পৃথিবীর গতি সঞ্চারিত হয়
কামে-প্রেমে-মোহে!
ধর্ষণেও সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে
কারণ-
তোমার শরীর সৃষ্টির
রহস্যময় এক আধার
আইনস্টাইন কি রবি ঠাকুর
সক্রেটিস প্লেটো বা মার্কস লেনিন
চে-গুয়েভারা অথবা মাওসেতুং
বুদ্ধ রাম মোহাম্মদ অথবা যীশু
সবার জন্ম প্রক্রিয়া একি বৃন্তে আবর্তিত
মোনালিসার দেহজ সৌন্দর্যই
কোটি কোটি মানুষের মনের খোরাক
তাই তো আমি তোমার শরীরের পুজারী
এ সত্য প্রকাশ করতে পেরে আমি ভার মুক্ত
যারা সভ্যতার খোলস পরে
এ সত্যকে নগ্ন বলছে-
নগ্নতা তাদের মনেই বাসা বেঁধেছে।
আমি মনকে শরীর থেকে আলাদা করছি না
শরীর আর মনের মিথস্ক্রিয়ায়
এ সভ্যতার জন্ম- শুধু তাই বলছি।
বৃষ্টি.....
বৃষ্টিরা ঝরে যায় শহরে ও গ্রামে
চাল বেয়ে জল পড়ে বালতি ও ড্রামে
ভেসে যায় নদী খাল রাস্তাও ভাসে
কারো মনে রঙ লাগে কারো ঘর ভাসে
কেউ দেবে প্রিয় ঘুম ঢুকে কম্বলে
কেউ ঘরে ঢুকে যায় কেউ পথে চলে
মজা করে খাবে কেউ খিচুড়ি ইলিশ
বর্ষার গান শুনে দেবে কেউ শিস
জীবনের ঘানি কেউ টানে জলে ভিজে
তার ব্যথা বৃষ্টিও ভাবে না যে নিজে
আপন খেয়ালে ঝরে যখন তখন
বড়োই কঠিন বোঝা বৃষ্টির মন।