ইউজার লগইন
ব্লগ
চলন্ত বা ছুটন্ত প্রতিভা
এইটা প্রতিভাবানদের নিয়া একটা ছবি ব্লগ। নানা জাতের প্রতিভা আমাদের চারপাশে থাকে। সবাইরে আমরা চিনতে পারি না। আসেন আজ কিছু প্রতিভাবানদের চিনি।
গেছিলাম বেড়াইতে। যদিও রায়হান ভাই সমবেদনা জানাইছে আমারে, পুরানা বউ নিয়া বেড়াইতে যাওয়ায়। আমি হইলাম সেই প্রতিভাবান, যে পুরানা বউ নিয়া হানিমুনে যায়।
বেড়ানো মানেই তো ছবিতোলা। সেরম কিছু ছবি আজ দেখাই তাইলে।
১.
এইটা একটা অস্কার বা নোবেল পাওয়ার মতো ছবি। কাকদের নিয়া তোলা ছবির মধ্যে এইটাই সেরা। কি আলোর ব্যবহার, কি তার কম্পোজিশন. কি তার গতি। অসাধারণ বললেও পুরাটা আসলে বলা যায় না।

২.
আমরা ছাএরা কি দেশের শত্রু???
কয়েকদিন আগে আমি আর একজন যাচ্চিলাম বাসায় কাঠালবাগান এর ভিতর দিয়ে।সেখানে একটি ব্যানার এ লেখা ''এখানে ছাত্রাবাস ভাড়া দেয়া চলবে না চলবে না''কিন্তু কি জন্য জানিনা।আগে মনে করতাম ব্যচেলর রা দেশের শত্রু জাতির শত্রু।যারা কোথাও বাসা ভাড়া নিতে গেলে আগেই লেখা থাকে ব্যচেলর ভাড়া দেয়া হবেনা কিংবা দেখেই বলবে ব্যচেলর??তাহলে ব্যচেলর রা কোথায় যাবে?আর এখন দেখতেছি ছাত্ররাও??তাহলে কোথায় যাব আমরা?? তাই ঢাকায় পড়তে আসার আগে বাবা মা কে বলতে হবে আগে আমার বিয়ে দাও তারপর বউ নিয়ে ঢাকায় যাব পড়তে।তাহলে আর কোনো বাড়িওয়ালা বাড়ি ভাড়া দিতে ভয় পাবেনা.............
কথারশিল্পী
যখন ছোট ছিলাম “আমার বই”, "চয়নিকা" আর “সবুজ পাতা” য় লেখা সব গল্প কবিতা গোগ্রাসে গিলতাম, আর ভাবতাম মানুষের মাথায় না জানি কত বুদ্ধি থাকলে, কত জ্ঞানী হলে লোকে এত সুন্দর করে লিখেন। কিছুদিন আগে আচমকা আবিষ্কার করলাম শুধু লিখে না, সুন্দর করে কথা বলেও কথাশিল্পী হয় লোকে। মুখচোরা হওয়ায় সব সময় যেকোন আলোচনা, ঝগড়ার পর মনে মনে ফুঁসিয়া মরতাম ঠিক সময়ে ঠিক কথাটি বলে দিতে না পারার মনবেদনায়; মনের মধ্যে কথাগুলো ঘুরঘুর করতো আর হাতপা নিশপিশ করতো, মনে হতো যেয়ে মনের ঝাল মিটিয়ে আসি। আমার এক সহকর্মীকে একদিন একটা কাজের কথা জিজ্ঞেষ করলাম, উনি জবাব দেয়ার কিছুক্ষনের মধ্যে সেটা ওনার উপস্থিতিতে ভুল প্রমাণিত হলে ওনাকে জিজ্ঞেষ করলাম কি ব্যাপার। উনি বললেন, আপনার প্রশ্নের সাথে জিজ্ঞেষ করা উচিৎ ছিল যে আমি বিষয়টা জেনে বলছি নাকি না জেনে। সবসময়ের মত এই কথাশিল্পীর কথায় মুগ্ধ আমি, আর একবার তার কথার মুন্সিয়ানার কাছে হার মানলাম।।
বিবন শৈশব
বসুঞ্চরা সিটির বিপরীতে কারওয়ান বাজার মোড়ের দিকে চায়ের দোকানে বসে ছিলাম আমার এক কাজিন সহ।সাড়ে আটটার দিকে এক বুড়ো লোক আসলো চায়ের দোকানে তার একটু পর একটা ছোট মেয়ে আসলো।আমি দেখিনি আমার কাজিন বললো দেখ বাচাটা সুনদোর না।আমাদের মোনার মত দেখতে।আমি বললাম হু।বয়স কি আর হবে পাচ এর মতো। লোকটি মেয়েটিকে একটা পাউরুটি আর চা খেতে দিল।বসার জায়গা ছিলনা তাই বাচাটিকে ডেকে পাশে বসতে বললাম।সে চা রুটি দিয়ে খেতে লাগল।আর চোখেমুখে অনেক আনণদ।তার নাম জিজ্ঞেস করলাম বললো ফাহিমা।আর সে লেবু বেচে আসলো।আর বয়সক লোকটি তার বাবা।লোকটি পাশে অন্য একজনকে বলতেছে মেয়েটিকে এতিম খানায় দিবে কিনতু ১৫০০ টাকা লাগবে তাই আগে দিতে পারেনি।শুনে বুকটা ফেটে যাচছিল কিনতু কিছু করার উপায় নাই।এ রকম কত ফাহিমা আছে যারা হাটতে শিখলেই খাবার জোগার করার জন্য বের হয়।কজনের চোখেই বা তারা পরে।তখন চিনতা করতেছি এ বয়সে একটা বাচ্চার কি করার কথা।তার বই নিয়ে ঈশকূল এ য
কি লিখি তোমায়...
সুচনা বা শুরু করা আমার কাছে খুবই কষ্টকর মনে হয়। সেটা বাস্তব জীবনেই হোক, আর ব্লগ জীবনেই হোক।
একবার চলা শুরু হয়ে গেলে অবশ্য আর কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু চলা শুরু করাটাই হলো আসল কথা।
ঘেমে-নেয়ে পাগল পাগল হয়েও ভেবে পাচ্ছিনা কি লিখবো? কিছু না লিখলে কি করে বোঝাবো আমি এসেছি গো, তোমাদের এই রঙ্গ-মেলায় আমিও শরিক হতে এসেছি। তোমরা আমায় আপন করে নিবে তো? আমি তোমাদের অতি পরিচিত, অতি আপন-জন। কি লিখি তোমাদের জন্য এই মুহুর্তে মনে পড়ছেনা। কিংবা লিখতে পারছিনা। তোমরা অনুপ্রেরনা দিলে হয়তো লিখবো।
রক্ত দিবো, জীবন দিবো, তেল-গ্যাস দিবো না!!
গ্যাস বিক্রী করতে রাজী হয় নাই বইলাই আওয়ামি লীগ নাকি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারে নাই। ২০০৮ সালে আওয়ামি লীগের অবিসংবাদিত জয়ের পেছনে কোন বিষয়টা বড়ো ভূমিকা রাখছে শেখ হাসিনা নিজেই সেইটা অনুমানের জন্য ইঙ্গিত দিছেন কয় দিন আগে। কনকোফিলিপসের সাথে চূক্তি পশ্চিমা শাসকগো কাছে দেওয়া তার প্রতিদান। আর তাই ৩ জুলাইয়ের সফল অর্ধ দিবস হরতালে দমন-পীড়ন-নির্যাতন-প্রেফতার চলবো এইটাই স্বাভাবিক। রাজধানী থেইকা এর আগে চারদলীয় জোটের হরতালেও আগে এমন দেদারসে লাঠিচার্জ কিম্বা গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে নাই।
ফ্রম ঢাকা টু মাইজদী এবং পল্টিবাজী
মুকুল ফোন করেছিলো গত শুক্রবার। নোয়াখালী থেকে। ১ জুলাই তার বিয়ে। বিয়েটা হবে লক্ষীপুরে। আর ২ জুলাই বৌ-ভাত। সেটা মাইজদীতে। দুটোরই দাওয়াত দিয়েছে। আমার মত অনেককেই ব্যক্তিগতভাবে ফোন করেছে মুকুল। বেচারা মুকুল ! গত কয়েক বছর থেকে হা-পিত্যেস করতে করতে জান যায় যায় অবস্থা। সবার প্রেম হচ্ছে, বিয়ে হচ্ছে। তার কোনোটাই হচ্ছে না। সে গরীব মানুষ। মফশ্বলে থাকে... ইত্যাদি মায়াকান্না শুনতে শুনতে আমরা প্রায় সবাই বিরক্ত। অবশেষে তার নিজের মুখে যখন শুনলাম- তার বিয়ে... স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। অবশেষে ছেলেটার একটা কিছু হচ্ছে...
আমাদের বিজ্ঞাপনগুলো
বিপণনের একটা বড় অংশ ভোক্তার আস্থা নির্মাণ, কোম্পানী গুডউইল, ব্রান্ড কিংবা নির্ভরতা নির্মাণে সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন নির্মাতা সংস্থা, তবে বিপণন ব্যবস্থার প্রধান নির্বাহী এবং তার অধস্তন কর্মকর্তারা ভোক্তা মানসিকতা যাচাই করেন প্রতিনিয়ত, ভোক্তার চাহিদা এবং ভোক্তার অনাস্থার জায়গাগুলো যথাযথ চিহ্নিত করে তারা নিজেদের বিজ্ঞাপনে প্রতিদন্ডীদের অনাস্থার জায়গা চিহ্নিত করে নিজেদের পণ্যের মাহত্ম্য তুলে ধরেন এবং এভাবেই বিজ্ঞাপন আমাদের চারপাশে একটা কল্পজগত নির্মাণ করতে সমর্থ হয়।
গৌরীকে গৌরী প্রদান:
গৌরবর্ণ নারী আর শ্যামবর্ন পুরুষ আদর্শ জুটি এমন একটা বিশ্বাস আমাদের সামাজিক মন:স্তত্ত্বে কিভাবে প্রবিষ্ট হয়েছে তা নির্ধারণ করতে হয়তো কোনো সমাজ বিজ্ঞানীর একমুহূর্ত সময় লাগবে না কিন্তু আমাদের সাধারণ মানুষের ভেতরে এই ধারণা বেশ ভালোভাবেই আছে।
দেহজ প্রেম
দেহজ প্রেমকে তুমি
ভালোবাসা থেকে পৃথক কর না
প্রাণী মাত্রই তারই ফসল
এই পৃথিবীর গতি সঞ্চারিত হয়
কামে-প্রেমে-মোহে!
ধর্ষণেও সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে
কারণ-
তোমার শরীর সৃষ্টির
রহস্যময় এক আধার
আইনস্টাইন কি রবি ঠাকুর
সক্রেটিস প্লেটো বা মার্কস লেনিন
চে-গুয়েভারা অথবা মাওসেতুং
বুদ্ধ রাম মোহাম্মদ অথবা যীশু
সবার জন্ম প্রক্রিয়া একি বৃন্তে আবর্তিত
মোনালিসার দেহজ সৌন্দর্যই
কোটি কোটি মানুষের মনের খোরাক
তাই তো আমি তোমার শরীরের পুজারী
এ সত্য প্রকাশ করতে পেরে আমি ভার মুক্ত
যারা সভ্যতার খোলস পরে
এ সত্যকে নগ্ন বলছে-
নগ্নতা তাদের মনেই বাসা বেঁধেছে।
আমি মনকে শরীর থেকে আলাদা করছি না
শরীর আর মনের মিথস্ক্রিয়ায়
এ সভ্যতার জন্ম- শুধু তাই বলছি।
বৃষ্টি.....
বৃষ্টিরা ঝরে যায় শহরে ও গ্রামে
চাল বেয়ে জল পড়ে বালতি ও ড্রামে
ভেসে যায় নদী খাল রাস্তাও ভাসে
কারো মনে রঙ লাগে কারো ঘর ভাসে
কেউ দেবে প্রিয় ঘুম ঢুকে কম্বলে
কেউ ঘরে ঢুকে যায় কেউ পথে চলে
মজা করে খাবে কেউ খিচুড়ি ইলিশ
বর্ষার গান শুনে দেবে কেউ শিস
জীবনের ঘানি কেউ টানে জলে ভিজে
তার ব্যথা বৃষ্টিও ভাবে না যে নিজে
আপন খেয়ালে ঝরে যখন তখন
বড়োই কঠিন বোঝা বৃষ্টির মন।
বিভীষিকা
যখন সময় কাটানো আজগুবি মনে হয় তখন উদ্ভট কিছু চিন্তা মাথায় আসে। ঠিক এরকম আজগুবি ও উদ্ভট চিন্তা করছিলাম প্রকৃতির নিষ্ঠুর কিন্তু অনিবার্য একটি নিয়ম নিয়ে। এর নাম হল "মৃত্যু"। ভাবছিলাম যদি মৃত্যু নামক জিনিষটা না থাকত তাহলে ইহ জগতের চেহারাটা কেমন হত? একটু ভেবে দেখুন-
০১। মৃত্যু না থাকলে "মৃত্যু" শব্দসহ অনেক শব্দের উদ্ভব হতনা
০২। মৃত্যু না থাকলে "বেঁচে থাকা" নামক বিষয়টাই থাকতনা
০৩। পৃথিবীর জন্ম থেকে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত কত হত কে জানে
০৪। পৃথিবীতে খাবারের প্রয়োজন হতনা কারন আপনি মরবেননা খাবেন কেন?
০৫। খাবার উৎপাদনকারী শিল্পকারখানা থাকতনা, থাকতনা কৃষিকাজ, থাকতনা কৃষক
০৬। অর্থনীতির ধরণ হত আলাদা, শিল্পের ধরণ ও প্রয়োজন হত সীমিত
০৭। সারা দুনিয়ায় মানুষের সাথে অন্য জীব-জন্তুর সংখ্যাও হত অস্বাভাবিক
০৮। জীব-জন্তুরও খাবারের প্রয়োজন হতনা বিধায় তারা কি করত কে জানে
আমার সিসিমপুর (১)
ভাত খাওয়ার পর আরাম করে বসে আম খাচ্ছিলাম। এমন সময় ফোন বেজে উঠল। ফোন ধরেই আম্মু আমাকে ডাকলো। বুঝতে পারলাম এটা বাজির ফোন, নাহলে আমার ডাক আসার কথা না। যাই হোক ফোন ধরতেই বাজি বলল একটু ওয়েব ক্যামে আসবে? মেঘলা তোমাকে একটা সারপ্রাইজ দিতে চায়।
ওয়েব ক্যামে বসলাম। মেঘ নাচতে নাচতে দেখালো তার সুইমিং ক্লাস থেকে তাকে সার্টিফিকেট দিয়েছে, সে ভালো সাঁতার কাটতে পারে। মেঘ চিৎকার করছে, তোম্মাআআআআআ!!! তোমরা কবে আসবে আমাদের বাসায় বেড়াতে?? তোমরা যখন আসবে তখন আমি তোমাদের সাঁতার কেটে দেখাবো। তাই তোমাদের সবাইকে এখানে আসতে হলো!!!
আমি বললাম আমরা আসবো পরে। তুমি কবে আসবে বলো?
মেঘের সরল উত্তর, আমিও তোমার কাছে আসতে চাই। শুধু জানো, একটু এক মিনিট আম্মি কে জিজ্ঞাসা করে আসি! একটু পর আম্মিকে জিজ্ঞাসা করে এসে মেঘলা জানালো যে, বাংলাদেশে আসতে অনেক টাকা লাগবে তাই উনি এখন আসতে পারবেন না।
চৌষট্টি খুপড়ি (পটভুমি )
চৌষট্টি খুপড়িতে মনোযোগ আটকে থাকে, সেখানেই দীর্ঘমেয়াদী লড়াই, যদিও প্রতিপক্ষ দুজনই মুখে স্নিগ্ধতা নিয়ে বসে থাকে, চায়ের কাপে আলতো চুমুক, আর চৌষট্টি খুপড়িতে ধুন্ধুমার লড়াই চলে, প্রায় অলক্ষ্যেই সম্রাট হত্যার চক্রান্ত হয়, দুজনেই নিজের অবশিষ্ট সৈন্যসামন্ত নিয়ে বিপক্ষের গজ অশ্ব রানী আর নৌকা মেরে কিস্তিমাতের স্বপ্ন দেখে, অবশেষে কাউকে না কাউকে পরাজয় মেনে নিতে হয়। তারা অবশেষে পরিত্যাক্ত শিরোস্ত্রান তুলে নেয় হাতে, বড়ে, নৌকা, গজ, রাজা বাস্কে তুলে রাখে, চৌষট্টি খুপড়ি পেছনে ফেলে চলে যায় নিজের খুপড়িতে।
সংবিধান সংশোধন নাটকে নামধারী বাম চরিত্র
নাটকের নাম সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধনী বিল ২০১১। পুরো নাটকে ২৯৪টি (সংসদ নেতা, সংসেদ বিরোধী দলীয় নেতা ও বিরোধী দলীয় নেত্রী, বিদায়ী প্রধান বিচারপতি, সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বাম সংসদ সদস্যগণ ) চরিত্র। সব চিরত্রের বর্ণনা দেয়ার সময় হবেনা বলে আমি অত্যন্ত দুঃখিত্। যদিও এখানে মুল চরিত্র সংসদ নেতা। কিন্তু আমার নাটকের প্রধান চরিত্র উনি নন। এ নাটকে প্রধান চরিত্রে আছেন, বর্তমান মহাজোট সরকারের তথাকথিত শরিক নামধারী বামদলের কয়েকজন নেতা। এসব মান্যগণ্য অভিনেতারা (নেতারা) এ নাটকে আজব এক ভেলকীবাজি খেলা দেলালো আমাদের দর্শকদের জন্য।
একটা রিকশার বদলে একটা টয়োটা গাড়ী আর নিজের পয়সায় নিজের গ্যাস
১। আর কত বিশ্বব্যাংক , আই এম এফের পা চাটবো ????
ওরা বললো যানজটের কারন রিকশা সুতরাং রিকশা উঠাও । অথচ যানজটের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জঘন্য শীর্ষ দশ শহরে ঢাকার নাম নাই । লন্ডনের যানজট ঢাকার চেয়েও জঘন্য কই তারপরও দেখি নাতো এইখানে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের মাতবরী????????
আমরা কি ভেবে দেখেছি একটা রিকশার জায়গায় কি সুন্দরভাবে একটা জাপানি টয়োটা জায়গা নিছে ঢাকার রাস্তায় ??? জাপান বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের সবচেয়ে বড় টাকার যোগানদার আর জাইকার সুদের টাকা ছাড়াতো আমাদের বড় সব প্রজেক্ট হয় না । একটা টয়োটা আসলে কি যানজট কমে না জাপানের কিছু পয়সা রোজগার হয়??????