ইউজার লগইন
ব্লগ
আমি ৩ জুলাইয়ের হরতাল সমর্থন করি...
আমি কস্ট রিকভারী'র অংকটা আদৌ বুঝি না। তামিম সাহেব থেইকা শুরু কইরা দেখি ব্লগ লেখকদের অনেকেও ২+২=৫ এর অনেক হিসাব মিলাইয়া বুঝাইয়া দেয়। এতোদিন শোনা ৮০% আর ২০% ভাগাভাগির অংকটা অনেকরে মিলাইতে দেখি আরো জটিলতায়। তাতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি আরো বাড়ে। আমরা আশান্বিত হইতে শুরু করি, অন্ততঃ ২০% তো না! ২৭% পাওনের সম্ভাবনা আছে। আবার ২০% আর ৮০%'এর অংকটা কেউ চোখে আঙ্গুল দিয়া দেখাইয়া দিলে উত্তর শুনি ঐটা কেবল এলএনজি'র বেলায় ঘটবো। আমি এলএনজি বুঝি। দীর্ঘদিন সিটি করপোরেশনের বাইরে থাকনের অভিজ্ঞতায় বুঝি তরল গ্যাসে নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জীবন চলে। বড়লোকেদের জন্য পাইপ বসাইয়া বায়বীয় গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এই এলএনজি'র লেইগা পাইপ লাগবো না এই সুসংবাদও অনেকে শোনায়। কিন্তু এলএনজি'র দাম কিরম হবে? তারবেলায় দেখি সকল কবিরাই নীরব।
খোয়াবনামা
দুটো স্বপ্ন আমি প্রায়ই দেখি।
একই স্বপ্ন বারবার ঘুরেফিরে দেখার মানে কী- আমি জানি না। কিন্তু আমি দেখি। যেহেতু স্বপ্নদেখা বিষয়ে আমার কোনো হাত নাই।
স্বপ্ন ১: সিঁড়ি বেয়ে নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের ওপর তলায় উঠছি। আমার আগে আগে উঠছে আরও কয়েকজন। এক পর্যায়ে দেখি আর সিঁড়ি নাই। কিন্তু উঠতে হবে। আমি হতাশ হয়ে দেখি, অন্যরা দেয়াল বেয়ে, লাফিয়ে লুফিয়ে কীভাবে যেন উঠে যাচ্ছে। কিন্তু আমি পারছি না। তবে অনেক চেষ্টার পর অনেক দেরীতে আমি পারি। আমি তখন হাঁপিয়ে উঠি এবং জেগে যাই।
স্বপ্ন ২: সাঁতার কাটার মতো বুকে হেঁটে আমি এগিয়ে যাচ্ছি। দুহাতে ভর দিয়ে নিজের শরীরকে এভাবে টেনে নিয়ে যাওয়া- উফ, কী সাংঘাতিক কষ্টকর! তবু আমি এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। আমাকে অনেক দূর যেতে হবে। আমি কি পারব? আমি হাঁপিয়ে উঠি এবং জেগে যাই।
ত্যানা পেচানো অথবা আজাইরা ছাইপাস।
আবার সেই মনের এলোমেলো ভাব। অপেক্ষা করে বসেছিলাম এইরকম ভাবটা আসার জন্যে। রীতিমত উপভোগ করছি এখন এটা। এটাকে এক্সাইটমেন্ট নাম দেয়া যায় কি না সে নিয়ে আমি শতভাগ নি:সন্দেহ নই। অনেকদিন পরে দেশে আসার আগের কঘন্টায় মনের আলোরিত অবস্থাটার নাম হিসেবে 'এলোমেলো'ই বেশী মানান সই। গতদুইতিনদিন রীতিমত মন খারাপ অবস্থা গেছে। আজব মনের আজব ব্যাপার স্যাপার।
এবার দীর্ঘদিনের বিরতীর পর দেশে আসা হচ্ছে আমার। চৌদ্দমাস পরে। এর দিন ধরে একটানা দেশে না এসে থাকিনি। সাত আট মাসে একবার আসা হয়েছে তাই এক প্রকার সহজ স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গিয়েছিল, অনুভুতিগুলো পরিচিত ছিল। এবার একটুখানি অচেনা ঠেকছে।
লেবার মার্কেট
১
মানুষের ভিড় দেখে ভেতরে ভেতরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে আব্দুল মজিদ। এত মানুষ শহরে করে কি? থাকেই বা কোথায়? আর তার মতো সব হা-ভাতে অভাবী মানুষগুলো কি ঢাকা শহর ছাড়া আর কোনো শহর দেখে না? একটা সময় নৌকা বেয়ে তার সংসার চলেছে। স্ত্রী সন্তানদের ভরণ-পোষণ শেষে উদ্বৃত্ত কিছু থাকলে নানা পার্বণে ভালো মন্দ কিছু হয়ে যেতো। কিন্তু ব্রহ্মপুত্র শুকিয়ে যাওয়াতে তার ভাগ্য বলতে গেলে খরায় পুড়ছে তখন থেকে। তার ওপর ছেলেরা যার যার সুবিধা মতো আলাদা হয়ে যে যেদিক পারলো চলে গেল। নয়তো এই বয়সে তাকে এখন কাজ খুঁজতে হতো না। সে শুনেছে, লেবার মার্কেট বলে শহরের বাজার বা স্টেশনের পাশেই গরু-ছাগলের হাটের মতো জন-কামলাদের হাট বসে। লোকজন এসে দেখে শুনে নিজেদের পছন্দ মতো লোকজন নিয়ে যায় প্রয়োজনীয় কাজ করাতে।
এলোমেলো সত্য কথা...
আমি ঘুরপাক খাইতেছি শুন্যসময়ের চক্করে...এইখানে বহুকাল আগে একবার আইছিলাম, আর তাই বলে পরিচিত লাগে সব দেয়াল, মেঝে আর স্যুইচবোর্ড।
আর এই খানে আমি যা ভাবতে পারি সব আছে
বরফ, বৃষ্টি আর সান্টা ক্লজ।
এইখানে তুমিও আছো আমার সকল অপরাধ মেনে।
অপরাধ মেনে নিতে তোমাকে যতোটা ছোট হতে হয়
তারে আমি ভালোবাসা বলে জানি...
ভালোবাসায় অসহায়ত্ব থাকে কিম্বা নাই
কিন্তু আমারে অসহায়ত্বের শেকল আষ্টেপৃষ্টে বাধে
এইখানে আমার আমি অনেক মূখ্য হতে থাকি
এই আমারে অনেক ছোট মনে হয়...অনেক ছোট
ঠিক যতোটা ছোট হয় পথের ধুলোকনা
আহা ধুলিকনা! তার প্রবেশাধিকার থাকে সকলখানে!
এইবার তবে নদী হই শুন্যতায়
এইখানে নদী বয়ে যাবে তার নিজস্ব গতিময়তায়
কোন এককালে তুমিও এসে মেলে দেবে বেগুনি নৌকার পাল...
বাংলাগ্যালারী ডট কম
http://www.banglagallery.com/ - এ ওয়েবসাইটটিতে রয়েছে ইতিহাস নিয়ে এক বিশাল আয়োজন। বাংলা সৃষ্টির সম্পূর্ণ ইতিহাস। আছে খ্রিস্টপূর্ব ১২০২ হতে ব্রিটিশরাজের শাসন, পাক-ভারত সৃষ্টির ইতিহাস, বাংলা ভাষার দাবিতে আন্দোলনরত একুশে ফেব্রুয়ারির বর্ণনা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাংলাদেশের জন্মকথা, একাত্তর পরবর্তী স্বাধীন দেশের শাসন ব্যবস্থা, ১৯৭৫-এর আগস্টের কথা।
বাংলাগ্যালারী সম্পর্কে এভাবেই লিখেছিলো দৈনিক যুগান্তর।
বাংলাগ্যালারী’র যাত্রা শুরু ১৯৯৮ সালে, যখন বাংলাদেশের মানুষ অন্তর্জালের সাথে কেবল পরিচিত হওয়া শুরু করেছে, তখন। তাওহিদ হাবিব নিজের শখের বশে এই বাংলাগ্যালারী’র যাত্রা শুরুর উদ্যোগ গ্রহন করেন।
অহনার অজানা যাত্রা (বারো)
অনেকদিন পর কোন একটা বড় অনুষ্ঠানে যাবে, এ নিয়ে অহনা মানসিকভাবে খুব উত্তেজিত। দিদির সাথে কি পড়ে যাবে প্রবাসীতে, কিভাবে সাজবে তা নিয়ে আলোচনা করে সেভাবে সে প্রস্তূত হল। লম্বা প্রতীক্ষার পর এলো সেদিন। অনেক লোকজনে গমগম করা হলে তারা ঢুকল। দেশ ছেড়ে আসার পর এ প্রথম প্রায় দেড়শ বাঙ্গালীর সমাগমে ভর্তি কোন জায়গায় অহনা পা রাখল। সুন্দর শাড়ি, সুবেশী সাজগোজ, চুড়ি গয়নার টুংটাং, হাসি উচ্ছাস এ পরিবেশে মুহূর্তেই মন ভাল হয়ে গেলো তার। অনেকের সাথে টুকটাক আলাপ হল। বাংলাদেশি কোলকাতা দুজায়গার বাঙ্গালীরাই আছেন। তবে কোলকাতার বাঙ্গালীর সংখ্যাই সেখানে বেশি। কিছু বাংলাদেশি পরিবারের সাথে আলাপ হলো। কিন্তু আন্তরিকতা বেশি পেলো কোলকাতার লোকদের কাছ থেকেই। বয়সে কাছাকাছি হওয়ার কারণেও হয়তো বন্ধুত্ব জমে উঠলো তাদের সাথে বেশি। সুন্দর অনুষ্ঠান দেখে, ভালো খাবার পেট পুরে খেয়ে অত্যন্ত আনন্দ চিত্তে বাড়ি ফিরলো তারা। তার কিছুদিন পর থেকেই “
৩ জুলাই হরতালের লিফলেট: জাতীয় সম্পদে জনগণের মালিকানা ও কর্তৃত্ব চাই, দেশের জন্য সর্বনাশা চুক্তি ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ হোন............
সময়ের দাবীতে এ লেখাটি হুবহু কপি করে দিতে বাধ্য হলাম। এভাবে কপিপেষ্ট নীতিমালা বিরুধী হলেও প্রথম পাতায় তুলে দেয়া জরুরী বলে মনে করছি।
দেশের জন্য সর্বনাশা চুক্তি ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ হোন। নীরবতা দেশের ধ্বংস ডেকে আনবে।
দেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে ৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ১২ টা ঢাকা মহানগরীতে
হরতাল পালন করুন।
একই দিন জেলা শহরগুলোতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ। দেশের সর্বত্র, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ ৩ জুলাই সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করবেন। এবং দেশবিরোধী চুক্তি বাতিল, জাতীয় সম্পদ রক্ষা, ও জনগণের স্বার্থে তার সর্বোত্তম ব্যবহারের দাবিতে নিজ নিজ উদ্যোগে প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন-ব্যানার হাতে প্রধান সড়কে দাঁড়াবেন।
চিঠি: আত্বার সাথে বেঈমানী
...করোনা তুমি, দোহাই লাগে তোমার... আর যাই করো বেঈমানী করোনা, তোমার আত্বার সাথে। তোমার মন কি চায়, আগে জিজ্ঞেস করো, খুব ঠান্ডা মাথায় ভেবে তুমি ঠিক করো। যা তুমি করছো, তা কি তুমি চাও? তোমার আত্বা যেটা চায়, সেটা যদি করো, তাহলে তুমি ঠিকই আছো। আর যদি তোমার আত্বা যা চাইছে, তুমি নানা অজুহাতে, বিভ্রান্তি কিংবা শংকায় ভুগে করতে পারছো না, করছো না; তাহলে প্লিজ তুমি এখনই নতুন করে ভাবো, সাহস সঞ্চার করো। তোমার চারপাশের সবাই তোমাকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে। দোহাই লাগে, ছলনা করোনা, ছলচাতুরী করোনা, মিথ্যার আশ্রয় নিওনা। এই জগতের আর কেউ না হোক, তোমার নিজের কাছে তো জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা থাকা চাই। যদি আমি সেই স্বচ্ছতা তোমার কাছ থেকে আশা করে থাকি কিংবা দাবি, আর তা যদি আমার ভুল হয়, আমি ক্ষমাপ্রার্থী।
তিন ফোটা জলের বিরহ
চোখ মেলতেই উপহার! তিন ফোটা জল। আমার করতলে। তিনটি ফোটাকে এক করে নিলাম। ফোটা জলে মুছে নিলাম চোখ। বাইরে আধো অন্ধকার আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। এমনদিনে তাকে- অলস সকাল বলা যায়, নাকি বিরহ সকাল? আলসেমিটা হয়তো কাজকে ফাকি দেয়ার জন্য। আর বিরহটা?কার কথা বলি আর কে বেজার হবে। প্রিয়জন প্রীতি কার পক্ষে করি!
Ekakitto
এই তুমি একটু বাবুকে ধরবে আমি মায়ের সাথে কথা বলছি।
হ্যাঁ, মা, বলো
জামাই কি এখনই বাসায় আসলো?
এইতো আসলো, ওর সাথে কথা বলবে?
না, আমি তাহলে পরে ফোন করবো, তুই জামাইয়ের কি লাগবে দেখ।
বুঝলা মা, তোমাদের মতো মা আর শ্বাশুড়ীর জন্য ছেলেরা নিজেদের দায়িত্ন নিতে শিখে, ওর বয়েস তো কম হইলো না, এখন যদি নিজেকে দেখে রাখতে না পারে তাহলে বাবুকে দেখবে কিভাবে? তুমি কবে আসতেছো?
আমার তো ঐদিকে যাইতে ইচ্ছা করে না, এত ফাঁকা চারপাশ, কথা বলার মানুষ খুঁজে পাই না। দম বন্ধ দম বন্ধ লাগে।
তুমি একা বাসায় থাকো আমারও তো টেনশন হয়।
আমরা আর আছি কয় দিন, তোরা ঐদিকে ভালো আছিস এইটা জেনেই ভালো লাগে, তোরা কবে আসবি?
বৃষ্টি বারান্দা
আমার একটি বৃষ্টি বারান্দা ছিল। বারান্দাই বলবো কারন এর দুই দিক জুড়ে ছিল অর্ধ দেয়াল। অর্ধ ঠিক নয় তার চেয়ে নিচু । আর এর অর্ধেকটায় ছিল ছাদ। সবুজ টিনের ছাদ। একে আমি জোৎস্না বারান্দাও বলতাম। কারন এখানেই আমি জোৎস্নার জলে গা ভেজাতাম। পাশে নিম গাছের ঝিরঝিরে পাতাগুলি অপূর্ব ছন্দ তুলে গুনগুনাতো যখন বাতাস বইতো।
যখন প্রচন্ড বৃষ্টিতে চরাচর ভিজে একাকার তখন আমি বারান্দায় আমার পা ভেজাচ্ছি বৃষ্টির জলে। কারন বাগানে ঘুরে ভিজে ভিজে এক সময় তো ঘরে ফিরতেই হয়। তখন যদি মন মাতানো বৃষ্টি থাকে আমি কেমন করে রইব ঘরে। গভীর রাতে যখন আকাশ ভেঙ্গে নামে তখন আমার মন চলে যায় বারান্দায়, ধীরে ধীরে আমি নিজেই চলে যেতাম সেই বারান্দায়।
বিবর্ণ গোধূলি
ম্লান আলোয় মিশিয়েছি আজ রোদের গন্ধ
ফিনফিনে হাওয়ার ঝরণা বইছিল তখন
তুমি এলে চুপ করে ঠোঁটে বোঁটে কাঁপুনি তুলে
স্নিগ্ধ আলো হাসিতে মিলায়
আমিও চুপি চুপি কথা কই মৌণস্বরে হৃদি জানালায়
লম্বা ঝোঁপের ঘাসের ফাঁকে উঁকি দিলে
সুরন্বিত সুরভিত হয়ে
কাত হলে
তারপর চলে গেলে পেছন ফিরে
গভীর অতলে মিলিয়ে।।
[এই কবিতায় ৫০ শব্দ-ই আছে। কিন্তু এটা পোস্ট হচ্ছিল না। তাই এই কথাগুলো লিখে কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিচ্ছি যে, পোস্ট না হওয়াতে সমস্যা কোথায় ছিল, জানাবেন কি? ধন্যবাদ।]
স্বপ্নধরার জন্মদিন
দেখতে দেখতে পাঁচ বছর হয়ে গেল স্বপ্নধরার। ২০০৬ ৭ জুলাই যাত্রা শুরু করে মাত্র ১৩ জন শিশু নিয়ে। এখন তা দাঁড়িয়েছে ৭০জনে। স্বপ্ন ধরার এই সাত তরুণ মিলেই ছোট্ট একটি রুমে এখনও চালিয়ে যাচ্ছে । আগামী ৭ জুলাই ২০১১ এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম দিন। এই ব্লগের সব বন্ধুদের আমাদের এই ক্ষুদ্র পাঠশালায় আমন্ত্রণ। সবাই মিলে কেক কাটবো।
প্রধানমন্ত্রী, আপনার কথা শুনলাম, এবার আমাদের ডিমের গল্পটি আপনাকে শুনতেই হবে
মাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি খুবই কড়া লেখা বিডি নিউজে প্রকাশিত হয়েছে। সেই লেখার পাঠপ্রতিক্রিয়া এটি।