ইউজার লগইন
ব্লগ
মৃত্যু বিষয়ক উপলব্ধি অথবা একটি মৃত্যু বিষয়ক উপপাদ্য
অপঘাতে মৃত্যু সুখের, প্রতিশোধের মৃত্যু বিস্ময়ের
আমাকে না জানিয়ে চোখ খুবলে নিলে,
পরদিনও আকাশ দেখতে চাইবো,
আমার আকাশ তখন ধারণ করবে কৃষ্ণবর্ণ,
অথচ জানবোই না আমার পরিচিত চোখ
এখন এলিয়ে পড়ে আছে তোমার ব্যালকনিতে...
আমি তো আসলে জানতে চাই...
অন্ধ হওয়ার আগে আমার চোখের আর্তি
তোমাকে আনন্দ দেবে,
আমি স্মৃতির বিরহে কাতর তাকাবো
অথচ তখন দৃষ্টিটাই নেই আমার,
দেখতে না পেলে অক্ষিকোটরের কোনো মূল্য নেই।
একটা সাদা দেয়ালের শান্ত গায়ে
লিখে রাখি জীবনের উপপাদ্য
মৃত্যু + অভিজ্ঞতা = ০ (শূন্য)
ক্যাফেকথন
আমি সাধারনত চকচকে-ঝকঝকে জায়গা একটু এড়িয়ে চলি। বড়লোক, মিডিয়া পার্সোনালিটি, সমাজ সংস্কারক, আর্ট-সমালোচক, সংস্কৃতি-বোদ্ধা, সুন্দরী সোসালাইট—এই গ্রুপের লোকজন দেখলে আমার কেন জানি একটা টেনশন তৈরী হতে থাকে। তাদের নানারকম ভাঁজের আলাপ শুনতে শুনতে এক পর্যায়ে সেটা পরিনত হয় হীনমন্যতায়। যতক্ষন তাঁরা সামনে থাকেন আমার মনে অদ্ভুত সব চিন্তা ঘুরতে থাকে (আচ্ছা, আজ কি চুলে শ্যাম্পু করেছিলাম?/ মুনীর চৌধুরী যেন শেষ কোন নাটক লিখেছিলেন?/ বামদলগুলো কি আবার দেশ গেলো, দেশ গেলো রব তুলেছে?/ পিকাসো’র ব্লু-পিরিয়ডের ত্বাত্তিক মাহাত্ব্য নিয়ে সবাই এত চিন্তিত কেন?/ নাহ, এবার বুনুয়েলের ছবিগুলো দেখতেই হবে)। মোটের উপরে, আমি কি কি জানিনা, কি কি বুঝিনা, কি কি দেখিনাই, কি কি করিনাই—জীবনের সেই সবগুলো ব্যার্থতাগুলোকে জোর করে ইনারা আমার ঘাড়ে সিন্দাবাদের বুড়োর মত চাপিয়ে দ্যান। আমি হাঁসফাঁস করতে থাকি দিনের পর দিন। বন্ধ
শুভ জন্মদিন তানবীরা'পু

শুভ জন্মদিন তানবীরা'পু। আমি সারাদিন একবারও আপনাকে উইশ করার সুযোগ পাই নি। অথচ দুপুর থেকে জানি আজ (এতক্ষণে সেটা ইয়েস্টারডেও হয়ে গেছে) আপনার জন্মদিন। মৌসুম দেখলাম প্রথম শুভেচ্ছা জানিয়েছে। যেটা নিশ্চিতভাবেই আমার জানানোর কথা। যাক্ বেটার লেট দ্যান নেভার।
কিন্তু কথা হচ্ছে আপনি কি আমাকে ভুলে গেলেন? জন্মদিনে কি কি গিফট পাইলেন? ভাইয়া কি দিলো? পিচ্চি কি দিলো? আর আপনি কি করলেন? কেমন কাটলো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী? এই জিনিসগুলো সামনাসামনি বসে চা-বিড়ি সহকারে আলোচনা করতে পারলে বোধহয় ভালো লাগতো।
গল্প: হাল্কা প্রেমের গল্প
রাত হয়েছে। হিম শীতল হাওয়াতে জড়িয়ে যায় সাবেত। কিছুক্ষণ পরপর গাড়ির হর্নের আওয়াজ আসে। খুব জোরে নয়। মনে হয় আওয়াজগুলো খুব চুপে চুপে রাতের নিরবতা ভেদ করে এগিয়ে আসে। কিংবা আওয়াজটা সাবেতের কাছ হয়ে আরও দূরে গিয়ে হারিয়ে যায়।
সাবেতের হাতে সিগারেট। ধোঁয়া উড়ে। ধোঁয়াও হারিয়ে যায় বাতাসে।
বিষাক্ত ধোঁয়া কি বাতাসে চিরকাল থেকে যায়? এমন প্রশ্ন হুট করেই তার মনে আসে। সে ভাবে; আর সিগারেটে ফু-লাগায়। ধোঁয়া আবার বের হয়। আবার হারিয়ে যায়। ধোঁয়ার সাথে বাতাসের খেলা। মজা লাগে।
এমনই খেলা সে শুরু করেছিল মাসখানেক আগে। বন্ধুদের সাথে খেলা। অফিসে নতুন জয়েন করা সিনিয়র ম্যানেজার ম্যাডামের সাথে খেলা।
ম্যাডাম দেখতে সুন্দর না। চেহারাতে বয়সের ছাপ আছে। বয়স হবে ৩৫ কিংবা ৩৬।ম্যাডাম খুব স্মার্ট। কথা বলার ভঙ্গিটা খুব সুন্দর। মায়া লাগে।
পুরান গপ
বাংলা সিনেমার একটা ভয়াবহ হিট গান আছে রুনা লায়লার। যদ্দুর মনে অয় সিনেমাতে অঞ্জু ঘোষ (সিওর না, মাসুম ভাই কৈতারবো) এই গানের লগে লিপসিং করছিলো। গানটার কতা এই রকম আছিলো-
এই বৃষ্টি ভেজা রাতে চলে যেওনা.... একটু কর করুনা । এই খানে গীতিকার ক্যান যে করুনা শব্দটা ব্যবহার করছে- সেই জানে ! আমারো আইজকাল ক্যান জানিনা, লোকজনরে করুনা করতে ইচ্ছা করতাছে 
অঞ্জলী পেতেছি, জল দাও
অফিসে আসবার সময় মার ফোন এল। মা খুব উদ্বিগ্ন কন্ঠে জানাল ---শোন লাইজুর না হার্ট এ্যাটাক করেছে। খুব ভাল করেই চিনি তবুও জিজ্ঞাসা করলাম---কোন লাইজু?
---আরে ডাঃ লাইজ়ু।
---ও আচ্ছা।
---ওকে ইউনাইটেডে ভর্তি করেছে।
---ভাল তো।
---ভাল তো? কী বলছিস তুই? মিনুকে বলেছি গাড়ি নিয়ে আসতে। আমি হাসপাতালে যাব। লিপি খুব কান্না কাটি করছে। ---করাই তো স্বাভাবিক। ওর তো আর একটা বর নাই।
--- তোর কি হয়েছে? এভাবে কথা বলছিস কেন?
--- ডাঃ লাইজুর হার্ট এ্যাটাকের খবরে খুব কষ্ট পেয়েছি তাই এভাবে কথা বলছি। আমি অফিসে চলে এসেছি মা রাখি। ফোনটা কেটে দিলাম জো্র করেই।
কবে আমরা প্রথম হেঁটেছি সেই স্মৃতি আমাদের কারোরই মনে নেই। যেমন মনে নেই কবে প্রথম নিজ হাতে খেয়েছি বা কবে লজ্জা হয়েছে অন্যের সামনে কাপড় না খোলার। কিন্তু সেই সময়ের একটি স্মৃতি আমার মনে মাঝে মাঝেই ভেসে উঠে।
না বাঁচার ক্ষোভ
স্পর্শের উপর স্পর্শ তুলে শূন্যে মেলে চোখ
সে এক চতুর রোগ
ক্ষরিত হৃদয় আলো ফেলে নিপুণ অবিরত
খুঁজে নিতে পাখির রেশম পালক
এ বড় এক শখ।
পানিতে হেঁটে হেঁটে মাছের আসে ক্লান্তি।
ক্লান্তি আসে আমারও সাঁতারে জলপুলে
ক্ষণিকে মিলায় জল শিহরণ তুলে তুলে
সেও তো জলেরই তলে
ক্লান্ত দেহ অবদমিত হলে
দেখে উর্ধ্বে মূর্ত ছায়াপথ
স্মিত শখ
ঘোরের মাঝে ডুবে নিয়তির রথ
ভুলে সে সৃষ্ট হাতের নিপুণ গৌরব
অবশেষে পড়ে থাকে পেছনে
ফেলে রাখা হতাশার আসব।
অতৃপ্ত ক্ষুধা মরে নি যদিও
ভেসে উঠে তা রাত্রি ভোর
শূন্য বাড়ি ফিরে নিমেষেই
বিষণ্ণ অবয়ব, না বাঁচার ক্ষোভ।।
স্মৃতি আর বর্তমান বিষয়ক কবিতা
সেই শহরের বালুকনা
ইট-কাঠ-লাবণ্য-বিনয় কিম্বা সমর্পণ
সব আমার নিকটাত্মীয় মনে হয়।
সেইখানে যা কিছু রোপিত নিয়মের
অথবা অনিয়মের শষ্যদানা
তার বেড়ে ওঠায় দেখেছি
আবেগের প্রজাপতি খেলা করে।
সেই শহরে নৈতিকতার সীমারেখা নাই
সেই শহরে আঁধার কিম্বা আলোকের বিভাজন
নাই; যা কিছু জেনেছি ভালো, সব
সেই শহর সাজায় তার শরীরের বাঁকে।
একান্ত বাধিত বলে তোমাদের শহরে রয়েছি,
সময়ক্ষেপন করি ফিরে যাবো পুনরায়।
অন্তরাল আর অন্তরায় ভেঙে দিয়ে
তুমুল গতির ঝলকানিতে-কারসাজিতে,
এই শহরের মৃত্যু হবে এক নিমিষেই।
সেই শহরের সব আমার ভীষণ চেনা
চোখ বুজে বলে দিতে পারি
ঠিক কতোদূর গেলে মিলে যাবে
স্বপ্নের পাজল, অনৈতিক ভালোবাসা।
সেই শহরের হৃৎপিণ্ড ঠিক কতোবার টিক টিক
করে, সেই শহরের ইস্টিশানে সময়ের রেলগাড়ি
সন্ধ্যা নামবার আগেই কেমন করে
মিটারগেজ অথবা ব্রডগেজ ছেড়ে সুর্যাস্ত দেখতে
চলে যায় তার সব জানি...
আসেন কাইজ্জা করি..
ভাব- টাব বাদ। সোজা বাংলায় লেখি। মনে যা আসে, তাই লেখবো।
এই পোস্টটা একটা কাইজ্জা পোস্ট। যার মনে যা আছে, যা কাউরে কইতে চান, কিন্তু বলতে পারতেছেন না, এইখানে ঝাঁপায়ে পরেন। তবে, লুকায়ে না, নিজ নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে লগ- ইন করে নিজের নামে।
আমার বিরুদ্ধে যদি কারো কোন অভিযোগ থাকে, যেমন "এক নিক থেকেই প্রথম পাতায় ৩টা পোস্ট," মডু আইসা থাবড়া দিতে চায়, তাও সই। প্রবাসী- দেশি নিয়া যদি কারো কিছু বলার থাকে, পিছে না বলে এইখানেই বলেন। আর, লুকানোর কিছু নাই, আমরা সবাই জানি, সবারই কিছু না কিছু অতীত আছে। সেটা হয়ত নতুনদের জানা নেই, এখানে এসে সবাই ঝামেলাগুলা পিছনে ফেলে একটা ঘরোয়া আমেজে গপ্পো করে, তাতেও যদি কেউ ঝামেলা করতে চান, সেটা এখানে না করার অনুরোধ।
যদি কেউ বলেন,
এইখানে লিখবো বলে দাসখত দিয়ে ফেলেছি নাকি?
যে দুর্ঘটনা অনেক দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়...
চট্টগ্রাম মীরেরসরাই দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ আক্ষরিক অর্থেই থমকে গেছে। ঘটমান নানা খবরের প্রবাহে কিছুদিন পর হয়তো আমরা এর কথা ভুলে যাবো; শুধু যে পরিবারগুলোর সন্তান নিহত বা আহত হয়েছে তারা বছরের পর বছর এই শোকের ভার বইতে থাকবে। ঘটনার জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী চালককে খোঁজা হচ্ছে; হয়তো তার শাস্তিও হবে। কিন্তু এই দুর্ঘটনার কারণে ইতোমধ্যে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলোর কি কোনো সুরাহা হবে?
মেঘবন্দী (২) ... আয় বৃষ্টি চলে - আমার এলোমেলো বৃষ্টিকথন / আনিকা
আয় বৃষ্টি চলে - আমার এলোমেলো বৃষ্টিকথন
আনিকা
''ছেলেবেলার বৃষ্টি মানেই যখন-তখন...
ছেলেবেলা মানেই অবাক বিশ্ব ভরা,
আয় বৃষ্টি চলে, সেই কিশোরীর কোলে,
গেরস্থালী ফেলে... কিচ্ছুটি না বলে।''
আমার ছোটবেলা......
আমি এখনও মিল খুজি আমার সেই ছোটবেলার সেই বাংলার সাথে এই বাংলার।যখন ছোট ছিলাম তখন আমি অনেক কলপনা প্রবন ছিলাম।একটা জিনিস পড়লে ওইটা নিয়ে অনেক কল্পনা করতাম।যেমন অ-তে অজগর ওই আসছে তেড়ে।কিন্তু তখনও আমার অজগর দেখা হয়নি।তখন কল্পনা করতাম অজগর টা কেমন দেখতে।এই পড়াগুলো পড়তাম আর মুগ্ধ হতাম।কি যে একটা আনন্দ অনূভুতি কাজ করত তা বলে বুঝান যাবেনা।তারপর যখন একটু বড় হলাম তখন পড়লাম....
ঐ দেখা যায় তালগাছ ঐ আমাদের গা
ঐ খানেতে বাস করে কানাবগির ছা.....
আর সেখানে যে ছবিটি দেয়া ছিল তা আপনাদের কি মনে আছে???
আমারও সঠিক মনে নাই,কিন্তু মনে হচ্ছে সেখানে দেয়া ছিল একটি মাঠের ছবি আর তার দূরে একটি তালগাছের ছবি,কল্পনা করে দেখুন আপনার সাথে মিলে কি না??
তখন ছবিগুলো দেখতাম আর চোখ বন্ধ করে কল্পনা করতাম আর আমার গ্রামের সাথে মিলাতা্ম......তখন মনে হত এটা আমার গ্রাম আর এই সবগুলো জায়গায় আমার বিচরন।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কারা ?
স্বাধীনতার পক্ষের-বিপক্ষের শক্তি নিয়ে আলোচনা,সমালোচনা,তর্ক-বিতর্ক,সমীক্ষা-নিরীক্ষা,টকশো,লেখালেখি গত ৪০
একটি সবজি কৌতুক!
আমার নাম মুক্ত, আমি একটি সবজি কৌতুক বলবো।
সবজি কৌতুক মানে, সবজি নিয়েই কৌতুক, অন্য কিছু মনে করার কোন কারণ নাই, কেউ কিছু মনে করলে/ কিছু বেশি বুঝলে সেইটা যার যার বিবেচনা এবং অবশ্যই শামুক- লোচনা! আমার কিছু করার নাই/ বলারও নাই!! কৌতুক আমি নিজে বানাই নাই, কোথাও থেকে নিশ্চয় মারা, কাজেই, এইখান থেকে মারছো, ঐখানে শুনছি বইলা কেউ কো- কো করবেন না!! আগে শুনলে অফ যান, না শুনলে পড়া শুরু করেন...
একদিন এক গোলগাল কমলালেবু মিনি স্কার্ট আর গেঞ্জি পড়ে বিকেলে পাড়া বেড়াইতে আসছে। তাই দেখে পাড়ার তুখোড় স্মার্ট কচি শসা চোখে সানগ্লাস লাগিয়ে চুলটা টেরি করে আঁচড়ে কমলালেবুর সাথে ভাব জমাইতে আসছে।
বেশ বেশ। গায়ে পড়া স্বভাবে ভাব জমানো, তারপর ভাব- ভালোবাসা, ভালো লাগা- প্রণয় এবং তারপর আর কি যা হয়
...
অহেতুক লিরিকের আনাগোনা
এক.
চৌকাঠ পেরোলে হয়তো পেয়ে যাবো শব্দের খোঁজ
কিন্তু আলসে আমার পা চলে নাই, ডানায় করেছে ভর
ক্লান্তি।
দুই.
শব্দের চে আলোকের গতিবেগ বেশি
কোনোকালে এই জ্ঞান পেয়েছিলো ব্যর্থ বালকেরা
তবু চোখের চে কান বেশি প্রখর হয়েছে দিনে দিনে
শব্দের নিকটে হেরে গেছে আলোর কারসাজি।
তিন.
বিনিদ্রার মন্ত্র পড়ে আমি পড়ে পড়ে ঘুম যাই
যদিওবা স্বপ্ন ছাড়া যেই ঘুম তারে মনে হয় মৃত্যু
অতএব আমি মরে পড়ে থাকি
শূন্যের ক্যান্টিনে...
চার.
শেষ হলে উঠে চলে যাবো
মনস্থির করে গ্যাট মেরে বসে থাকি।
আবার সন্তর্পণে চাই
কোনোদিন শেষ না হোক আমাদের ছেলেখেলা।
পাঁচ.
আমার সোনার ময়না পাখি
তুমি কোনদেশে চলে যাও
পৃথিবীর কোনো দেশে আমার ঘরবাড়ি নাই...