ইউজার লগইন
ব্লগ
অঞ্জলী পেতেছি, জল দাও
অফিসে আসবার সময় মার ফোন এল। মা খুব উদ্বিগ্ন কন্ঠে জানাল ---শোন লাইজুর না হার্ট এ্যাটাক করেছে। খুব ভাল করেই চিনি তবুও জিজ্ঞাসা করলাম---কোন লাইজু?
---আরে ডাঃ লাইজ়ু।
---ও আচ্ছা।
---ওকে ইউনাইটেডে ভর্তি করেছে।
---ভাল তো।
---ভাল তো? কী বলছিস তুই? মিনুকে বলেছি গাড়ি নিয়ে আসতে। আমি হাসপাতালে যাব। লিপি খুব কান্না কাটি করছে। ---করাই তো স্বাভাবিক। ওর তো আর একটা বর নাই।
--- তোর কি হয়েছে? এভাবে কথা বলছিস কেন?
--- ডাঃ লাইজুর হার্ট এ্যাটাকের খবরে খুব কষ্ট পেয়েছি তাই এভাবে কথা বলছি। আমি অফিসে চলে এসেছি মা রাখি। ফোনটা কেটে দিলাম জো্র করেই।
কবে আমরা প্রথম হেঁটেছি সেই স্মৃতি আমাদের কারোরই মনে নেই। যেমন মনে নেই কবে প্রথম নিজ হাতে খেয়েছি বা কবে লজ্জা হয়েছে অন্যের সামনে কাপড় না খোলার। কিন্তু সেই সময়ের একটি স্মৃতি আমার মনে মাঝে মাঝেই ভেসে উঠে।
না বাঁচার ক্ষোভ
স্পর্শের উপর স্পর্শ তুলে শূন্যে মেলে চোখ
সে এক চতুর রোগ
ক্ষরিত হৃদয় আলো ফেলে নিপুণ অবিরত
খুঁজে নিতে পাখির রেশম পালক
এ বড় এক শখ।
পানিতে হেঁটে হেঁটে মাছের আসে ক্লান্তি।
ক্লান্তি আসে আমারও সাঁতারে জলপুলে
ক্ষণিকে মিলায় জল শিহরণ তুলে তুলে
সেও তো জলেরই তলে
ক্লান্ত দেহ অবদমিত হলে
দেখে উর্ধ্বে মূর্ত ছায়াপথ
স্মিত শখ
ঘোরের মাঝে ডুবে নিয়তির রথ
ভুলে সে সৃষ্ট হাতের নিপুণ গৌরব
অবশেষে পড়ে থাকে পেছনে
ফেলে রাখা হতাশার আসব।
অতৃপ্ত ক্ষুধা মরে নি যদিও
ভেসে উঠে তা রাত্রি ভোর
শূন্য বাড়ি ফিরে নিমেষেই
বিষণ্ণ অবয়ব, না বাঁচার ক্ষোভ।।
স্মৃতি আর বর্তমান বিষয়ক কবিতা
সেই শহরের বালুকনা
ইট-কাঠ-লাবণ্য-বিনয় কিম্বা সমর্পণ
সব আমার নিকটাত্মীয় মনে হয়।
সেইখানে যা কিছু রোপিত নিয়মের
অথবা অনিয়মের শষ্যদানা
তার বেড়ে ওঠায় দেখেছি
আবেগের প্রজাপতি খেলা করে।
সেই শহরে নৈতিকতার সীমারেখা নাই
সেই শহরে আঁধার কিম্বা আলোকের বিভাজন
নাই; যা কিছু জেনেছি ভালো, সব
সেই শহর সাজায় তার শরীরের বাঁকে।
একান্ত বাধিত বলে তোমাদের শহরে রয়েছি,
সময়ক্ষেপন করি ফিরে যাবো পুনরায়।
অন্তরাল আর অন্তরায় ভেঙে দিয়ে
তুমুল গতির ঝলকানিতে-কারসাজিতে,
এই শহরের মৃত্যু হবে এক নিমিষেই।
সেই শহরের সব আমার ভীষণ চেনা
চোখ বুজে বলে দিতে পারি
ঠিক কতোদূর গেলে মিলে যাবে
স্বপ্নের পাজল, অনৈতিক ভালোবাসা।
সেই শহরের হৃৎপিণ্ড ঠিক কতোবার টিক টিক
করে, সেই শহরের ইস্টিশানে সময়ের রেলগাড়ি
সন্ধ্যা নামবার আগেই কেমন করে
মিটারগেজ অথবা ব্রডগেজ ছেড়ে সুর্যাস্ত দেখতে
চলে যায় তার সব জানি...
আসেন কাইজ্জা করি..
ভাব- টাব বাদ। সোজা বাংলায় লেখি। মনে যা আসে, তাই লেখবো।
এই পোস্টটা একটা কাইজ্জা পোস্ট। যার মনে যা আছে, যা কাউরে কইতে চান, কিন্তু বলতে পারতেছেন না, এইখানে ঝাঁপায়ে পরেন। তবে, লুকায়ে না, নিজ নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে লগ- ইন করে নিজের নামে।
আমার বিরুদ্ধে যদি কারো কোন অভিযোগ থাকে, যেমন "এক নিক থেকেই প্রথম পাতায় ৩টা পোস্ট," মডু আইসা থাবড়া দিতে চায়, তাও সই। প্রবাসী- দেশি নিয়া যদি কারো কিছু বলার থাকে, পিছে না বলে এইখানেই বলেন। আর, লুকানোর কিছু নাই, আমরা সবাই জানি, সবারই কিছু না কিছু অতীত আছে। সেটা হয়ত নতুনদের জানা নেই, এখানে এসে সবাই ঝামেলাগুলা পিছনে ফেলে একটা ঘরোয়া আমেজে গপ্পো করে, তাতেও যদি কেউ ঝামেলা করতে চান, সেটা এখানে না করার অনুরোধ।
যদি কেউ বলেন,
এইখানে লিখবো বলে দাসখত দিয়ে ফেলেছি নাকি?
যে দুর্ঘটনা অনেক দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়...
চট্টগ্রাম মীরেরসরাই দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ আক্ষরিক অর্থেই থমকে গেছে। ঘটমান নানা খবরের প্রবাহে কিছুদিন পর হয়তো আমরা এর কথা ভুলে যাবো; শুধু যে পরিবারগুলোর সন্তান নিহত বা আহত হয়েছে তারা বছরের পর বছর এই শোকের ভার বইতে থাকবে। ঘটনার জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী চালককে খোঁজা হচ্ছে; হয়তো তার শাস্তিও হবে। কিন্তু এই দুর্ঘটনার কারণে ইতোমধ্যে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলোর কি কোনো সুরাহা হবে?
মেঘবন্দী (২) ... আয় বৃষ্টি চলে - আমার এলোমেলো বৃষ্টিকথন / আনিকা
আয় বৃষ্টি চলে - আমার এলোমেলো বৃষ্টিকথন
আনিকা
''ছেলেবেলার বৃষ্টি মানেই যখন-তখন...
ছেলেবেলা মানেই অবাক বিশ্ব ভরা,
আয় বৃষ্টি চলে, সেই কিশোরীর কোলে,
গেরস্থালী ফেলে... কিচ্ছুটি না বলে।''
আমার ছোটবেলা......
আমি এখনও মিল খুজি আমার সেই ছোটবেলার সেই বাংলার সাথে এই বাংলার।যখন ছোট ছিলাম তখন আমি অনেক কলপনা প্রবন ছিলাম।একটা জিনিস পড়লে ওইটা নিয়ে অনেক কল্পনা করতাম।যেমন অ-তে অজগর ওই আসছে তেড়ে।কিন্তু তখনও আমার অজগর দেখা হয়নি।তখন কল্পনা করতাম অজগর টা কেমন দেখতে।এই পড়াগুলো পড়তাম আর মুগ্ধ হতাম।কি যে একটা আনন্দ অনূভুতি কাজ করত তা বলে বুঝান যাবেনা।তারপর যখন একটু বড় হলাম তখন পড়লাম....
ঐ দেখা যায় তালগাছ ঐ আমাদের গা
ঐ খানেতে বাস করে কানাবগির ছা.....
আর সেখানে যে ছবিটি দেয়া ছিল তা আপনাদের কি মনে আছে???
আমারও সঠিক মনে নাই,কিন্তু মনে হচ্ছে সেখানে দেয়া ছিল একটি মাঠের ছবি আর তার দূরে একটি তালগাছের ছবি,কল্পনা করে দেখুন আপনার সাথে মিলে কি না??
তখন ছবিগুলো দেখতাম আর চোখ বন্ধ করে কল্পনা করতাম আর আমার গ্রামের সাথে মিলাতা্ম......তখন মনে হত এটা আমার গ্রাম আর এই সবগুলো জায়গায় আমার বিচরন।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কারা ?
স্বাধীনতার পক্ষের-বিপক্ষের শক্তি নিয়ে আলোচনা,সমালোচনা,তর্ক-বিতর্ক,সমীক্ষা-নিরীক্ষা,টকশো,লেখালেখি গত ৪০
একটি সবজি কৌতুক!
আমার নাম মুক্ত, আমি একটি সবজি কৌতুক বলবো।
সবজি কৌতুক মানে, সবজি নিয়েই কৌতুক, অন্য কিছু মনে করার কোন কারণ নাই, কেউ কিছু মনে করলে/ কিছু বেশি বুঝলে সেইটা যার যার বিবেচনা এবং অবশ্যই শামুক- লোচনা! আমার কিছু করার নাই/ বলারও নাই!! কৌতুক আমি নিজে বানাই নাই, কোথাও থেকে নিশ্চয় মারা, কাজেই, এইখান থেকে মারছো, ঐখানে শুনছি বইলা কেউ কো- কো করবেন না!! আগে শুনলে অফ যান, না শুনলে পড়া শুরু করেন...
একদিন এক গোলগাল কমলালেবু মিনি স্কার্ট আর গেঞ্জি পড়ে বিকেলে পাড়া বেড়াইতে আসছে। তাই দেখে পাড়ার তুখোড় স্মার্ট কচি শসা চোখে সানগ্লাস লাগিয়ে চুলটা টেরি করে আঁচড়ে কমলালেবুর সাথে ভাব জমাইতে আসছে।
বেশ বেশ। গায়ে পড়া স্বভাবে ভাব জমানো, তারপর ভাব- ভালোবাসা, ভালো লাগা- প্রণয় এবং তারপর আর কি যা হয়
...
অহেতুক লিরিকের আনাগোনা
এক.
চৌকাঠ পেরোলে হয়তো পেয়ে যাবো শব্দের খোঁজ
কিন্তু আলসে আমার পা চলে নাই, ডানায় করেছে ভর
ক্লান্তি।
দুই.
শব্দের চে আলোকের গতিবেগ বেশি
কোনোকালে এই জ্ঞান পেয়েছিলো ব্যর্থ বালকেরা
তবু চোখের চে কান বেশি প্রখর হয়েছে দিনে দিনে
শব্দের নিকটে হেরে গেছে আলোর কারসাজি।
তিন.
বিনিদ্রার মন্ত্র পড়ে আমি পড়ে পড়ে ঘুম যাই
যদিওবা স্বপ্ন ছাড়া যেই ঘুম তারে মনে হয় মৃত্যু
অতএব আমি মরে পড়ে থাকি
শূন্যের ক্যান্টিনে...
চার.
শেষ হলে উঠে চলে যাবো
মনস্থির করে গ্যাট মেরে বসে থাকি।
আবার সন্তর্পণে চাই
কোনোদিন শেষ না হোক আমাদের ছেলেখেলা।
পাঁচ.
আমার সোনার ময়না পাখি
তুমি কোনদেশে চলে যাও
পৃথিবীর কোনো দেশে আমার ঘরবাড়ি নাই...
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ: জ্ঞান-সাধনার সমার্থে এক মহৎ বাঙালি
এ বছর বর্ষাটা বেশ জেঁকে বসেছে। একেবারে আষাঢ়ের প্রথম দিন থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি-জলের গান। আকাশ অন্ধকার করে, মেঘলা গলির কিনারা ঘেঁষে বৃষ্টি এসে নামছে আমাদের প্রাত্যহিক বারান্দায়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। সন্ধ্যা থেকে রাত্রি। তারপর রাত্রির সুগভীর সুনশান ভেদ করে আবার শুরু হয় বৃষ্টি। এ যেনো পুরো সময় জুড়ে থাকা বৃষ্টির সাহানা সুর- আলিঙ্গন করে রাখে আমাদের একেবারে নিত্য নবীনা মায়ের মতোন।
এ রকম বৃষ্টি যখন ঘরে-বাইরে, হৃদয়ে-বন্দরে নিবিড়তায় ছেয়ে থাকে- তখন ঘরের কোণে বসে কিংবা গরম চায়ের আড্ডায় আমরা প্রায়ই বলে থাকি- এবারে বর্ষাটা যা হচ্ছে- শীতটা এবার কম হবে। অনেকে চোখ বড়ো বড়ো করে তাকায়; সে কী! তুমি কী করে বললে?
বিচ্ছিন্ন আমি, আমার পানির বোতল, লাইটার, অ্যাশ ট্রে
ব্লগিং মিস করতেসি। ভালোভাবেই। এ ব্যপারেও পুরোনো একটা কথাই বলবো। আমার কোনো কিছুতে খারাপ লাগে না। মৃত্যূ ছাড়া পৃথিবীর প্রত্যেকটা বিষয়ের ভেতর থেকে আমি আনন্দ খুঁজে নিতে পারি। আর আমি বিশ্বাস করি, আনন্দ জিনিসটা সংক্রামক। এটা ক্ষনিকের জন্য হলেও মানুষকে তার সবগুলো দুঃখ একসঙ্গে ভুলিয়ে দিতে পারে। তবে এ কথাও সত্য, ব্লগিং এমন একটা বিষয় যেটা সত্যিই পোড়ায়।
মানুষের জীবন ক’দিনের? বন্ধু নাম নাই আর শর্মির সঙ্গে একদিন কথা হচ্ছিলো। জীবন নাকি দুইদিনের। দুইদিন বিষয়টা আসলে কি? ষাট বছরকে কেন দুইদিন বলছি? তখন আমার মনে হলো, মারা গেলে ‘পিসি’র সুইচের মতো সত্যি সত্যিই যদি কোনো সুইচ পারমানেন্টলি অফ হয়ে যায়’ তাহলে কি আসলেই এই সবকিছুর কোনো মূল্য থাকে?
মেঘবন্দী (১) ... বৃষ্টি / মুক্তবয়ান
ব্লগে প্রকাশ হওয়া ইবুকের লেখাগুলি ক্রমান্বয়ে সবার সামনে উপস্থাপনের অনুরোধ ছিলো। আজ থেকে "মেঘবন্দী", আমাদের বৃষ্টি নিয়ে ই বুকের লেখাগুলি ব্লগে প্রকাশ করা শুরু হলো।
বৃষ্টি
মুক্ত বয়ান
ব
কেমন করে তুমি বয়ান করবে সকালের কথা
কেমন করে তুমি বয়ান করবে সকালের কথা
দুরের আকাশে যখন ঠুমরির তালে পাখি ডানা ঝাপটায়
অথবা থৈ থৈ জলের জারজ সন্তানেরা আওয়াজ তোলে নিধুর নৃত্য ধ’রে
কেমন করে তুমি বয়ান করবে শরতের আকাশে মেঘের পালের ভাসমান ভাষা?
কেমন করে পারা যায় অই সব নিরাবতার বয়ান করতে যেখানে আয়নাল হক ও হাল্লাজের আলখেল্লার যুগপৎ বসবাস।
তুমি দেখাতে পারো জলের নিঃশ্বাস থেকে বৃক্ষের আয়ুবর্ধক বৃদ্ধি
বেচে থাকার একমাত্র সুচক জোয়ার ভাটার আঠালো স্বভাব
কীভাবে তুমি বয়ান করতে পারো অঙ্কিত বিন্দুর সীমাবদ্ধতায় আমাদের ইতিহাস রচিত হলো।
বলো নিরুপমা, অনুরোধের আসরে কিভাবে বয়ান করবে ফুটন্ত ফুলের ঘ্রাণ
প্যারিসের বোতলজাত নিঃসঙ্গতা দিয়ে অঙ্গ ঢাকা রমনীয় পুরি
পুড়ে দিলো অক্ষরের ক্ষত;এরপর বাক্যের ঘরে যদি তুমি দেখ সাপ লুডুর খেলায় মত্ত কিছু তরুণ তরু
তাদের হারজিতে যেভাবে তৈরী হয় পরজীবী সেমিকোলন
বাড়ির কাছে আর্শিনগর
এক
মুকুলের বৌভাতে মাইজদী গিয়ে একটা ভুল ভাঙলো। সৈয়দ ওয়ালিউল্লার লাল সালু থেকে ধারণা ছিল শস্যের চেয়ে টুপি বেশি ওখানে। সেরকম চোখে পড়লনা। সাধারণ দশটা মফস্বল শহরের মতই। তবে যে বৃষ্টি পড়ছিল, লোকজন বাইরে ছিল কম। তত্ত্ব পুরাপুরি যাচাই করা যায় নাই।
দুই
এখনকার হরতাল আমার জন্য ভালো। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকে। গাড়ি বাস পাওয়া যায়। তাড়াতাড়ি অফিসে যাওয়া যায়। কিন্তু দুইদিন হরতাল থাকলে একদিন অফিসে যাই না। ক্যামেরা নিয়ে বের হই। সেদিন গেলাম বছিলা।
