ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার যাদুমনি (১৬)
সব মানুষের রুহ-ই নাকি একই সময়ে তৈরী, কেবল এক একজনের জন্ম এক এক সময়ে। সেজন্য-ই নাকি যত দিন পেরুচ্ছে, তত-ই বাচ্চা'রা ছোট থেকে সব্জান্তা টাইপ হয়ে যাচ্ছে।
আমি মাঝে মাঝে ঋহান এর বুদ্ধি দেখলে অবাক হই (মাশাল্লাহ), এইটুকু বাচ্চা এগুলো বুঝে কিভাবে, কে জানে!
যাইহোক, আজকের ছবি গুলো "পড়ুয়া ঋহান" এর ছবি
আমি পড়তে বসলেই আমার বই-খাতা-কলম নিয়ে এমন করা তার জন্য আজ-কাল বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে 
মনযোগ সহকারে খাতার লেখা পড়ছে মাষ্টার ঋহান (খাতা কিন্তু উলটা
)
লেখা দেখা শেষ!
অদ্ভুত আঁধার এক .............
অদ্ভুত আঁধার এক
এই দেশে এসেছে আবার !
আমার বোনের দেহে
গুরুর লোলুপ ক্ষুধা
নিবারিত হয়েছে এবার !!!!!
আরো বেশী মরে গেছি
নারীর বেদনা দেখি
বোঝে নাই নারী !!!!!
লোলুপ গুরুর মাথা
আরেক গুরুর ছাতা
যোগায় সাহস !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
হায় রে পদের লোভ !!!!
এই বার এরা দেখি
খুলেছেন আঁধারের
মহাপাঠশালা !!!!!!
এমন আঁধার পাঠ
কোন কালে কোন দেশে
মেলেছিলো এতো ডালপালা ?
জেগে ওঠা বিবেকের
মহাসমাবেশে
আঁধারের ক্রর হাসি
আসিতেছে ভেসে !!!!!!!!!!!!!!!!!!
তবুও বিবেক আর
মানবে না হার !
যতোই রাঙাক চোখ
নতুন আবাস গড়া
নিকষ নিঝুম এই
গহীন আঁধার !!!!!!!!!!!!!!!!!!
আর একটা আজাইরা জোকস......... :D
এই জোকসটাও ফেসবুক থেকে পাইছি।
জোকসঃ
গার্লফ্রেন্ডের পরপর ২ sms এ বয়ফ্রেন্ডের পরপর ২বার heart attack
প্রথম smsঃ
চল আমাদের রিলেশন ভেঙ্গে দেই। আমি তোমার প্রতি মন থেকে আগের মত আর feelings পাচ্ছিনা।
......২য় smsঃ
সরি! সরি!
এই sms টা তোমার জন্য নয় !!!!!!!!!
বিঃদ্রঃ এই জোকসটা শুধুই ফান করার জন্য দেয়া হইছে। কারো ভাল না লাগলে আগের থেকেই সরি বইলা নিলাম। 
একটি আংটি এবং ভালবাসা!
হঠাত্ করেই লোডশেডিং। গতবছর গরমের চাইতে এবার ঢাকা শহরে লোডশেডিং এর প্রবনতা বেশ কোম। কিন্তু লোডশেডিং এর এই দেশে লোডশেডিং ছাড়াও যেন কেমন, কেমন লাগে! তারপরও প্রায় ঘন্টা দুয়েক হবে বিদুত্ গেছে। বেশ অনেকদিন পরে লোডশেডিং বলেই কি আসার আর নামই নাই? পরে শুনতে পেলাম ট্রান্সফরমার নষ্ট হওয়াতে এই দশা! রাত সাড়ে এগারোটা মত ঘড়িতে। কিছুক্ষণ আগে ঝুম করে একটা বৃষ্টি হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি হলেও প্রকৃতি কিন্তু এখন বেশ চুপচাপ। হঠাত্ করেই ছাদে যেতে ইচ্ছে হলো, প্রকৃতির এই চুপচাপ মায়াজালটা দেখার জন্য আর হাজার বার না পারা একটি কাজ সম্পূর্ন করার জন্য।
এমন লাগে...দেউলিয়া
অক্ষরের উপর চোখের জল ঝরে পড়া, এমন তো ঘটেই থাকে। কত কাগজ ভিজে থ্যাবড়ে গেছে! কী-বোর্ডে আঙ্গুল চলার সাথে বড়জোর চোখজ্বলা, মনের সুখে কান্না আর কোথায় তেমন হয়! তাই সম্ভবত প্রেমের ভালোবাসার গল্পগুলো ভার্চুয়াল বন্ধুত্বের মতোই ঠুনকো। পকেট টেলিফোন ইনডেক্স মেমোরিতে কিছু নাম্বার টুকে ঘনিষ্ঠদের তালিকা তৈরী হতো সহজেই - ফেসবুক এ ২০০, মোবাইলে ৫০০ সব না কি বন্ধু, খেই হারাই; ইমেজ তৈরীর আগেই ভুলে যাই। দিনশেষে মোবাইল হাতে বেস দেখি নিজের ক্লান্তিটুকু বলবার মতোও আদতে কোথাও কেউ নেই। রঙহীন স্বপ্নের মতো, গন্তব্য ছাড়া গতির মতো - এ এক অদ্ভূত বয়ে চলা যেখানে ডান হাতও বাম হাতের অগম্য। মানুষে মানুষে দূরত্ব ছাড়া তৈরী হবার কিছুই অবশিষ্ট নেই। চূড়ান্ত কিছু দেখবার আশায় দেউলিয়া হয়ে বসে আছে সবাই - এমন লাগে...
.....পাবলিক ভদ্রতা শিখবে কবে ..... X(
মাথায় রক্ত উঠে আছে, কিছুক্ষন আগে পাওয়া এক ইমেইল পাবার পর। বাংলাদেশ থেকে একজন ইমেইল করেছেন, মোটামুটি বংগানুবাদ হচ্ছে:
জনাব.....
আমি অমুক বাংলাদেশ থেকে বলছি। জেনে খুশি হবেন যে আমি আপনার ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করতে আসছি। দুর্ভাগ্যবশতঃ আমি থাকার জন্য কোন স্থান পাচ্ছি না। আমার একটা বাসা/স্থান দরকার যেখানে আমি এসে থাকবো আর পরে আমার ফ্যামিলী এসে আমার সাথে জয়েন করবে। এ ব্যাপারে আপনার হেল্প করার থাকলে জানাবেন।
.......................
পুরা চিঠিতে ভদ্রতার লেশমাত্র নাই। একজন অপরিচিত মানুষকে প্রথমবারের জন্য চিঠি লেখলে নিজের পরিচয়, বৃত্তান্ত দিতে হয় সেই ফর্মালিটির ধারে-কাছে নাই। গৎবাধা কথা, "জেনে খুশি হবেন.......।" সে কি শ্যালক হয় যে আমি খুশি হবো?
মৃত্যু জানে বন্ধুতা কারে কয়...
এক.
আমাকেও জাপটে ধরেছে মৃত্যু বলিহারী। কোনভাবে বাউলি কেটে সরে যেতে চাইলেও, মৃত্যুর সংখ্যাতত্ত্বরে ছেড়ে যাওয়া হয় না। সম্ভাব্য তালিকাও ধীরে ধীরে বর্তমান হয়। অতএব আমি আর মৃত্যু নিকটবর্তী প্রতিবেশীর মতো বসবাস করতে শুরু করি।
মৃত্যু কখনো স্থিরতা জানে নাই...সে চারপাশ-নাগপাশ জানে। আমি বুঝতে পারি আলোকের মতো চেহারার মৃত্যু আমারেও ঘিরে ফেলে।
দুই.
মৃত্যুর সাথে চুক্তি করে ফেলি, যেইদিন কারখানা চালু হবে সেইদিন তারসাথে দেখা হবে। তারপর সখ্যতা। মৃত্যুর চে কে বেশি বলো আর ভালোবেসেছে আমায়।
তিন.
একলা হলেই মৃত্যু এসে ভর করে কাঁধে। তারে নিয়ে সামাজিক চলাফেরা ঝামেলার মনে হয়। তবু তার নূরানি বদন ভালোবাসি বলে তাড়ানোর ইচ্ছা হয় নাই কোনোকালে। একলা আমি আর একলা মৃত্যু মিলে ভালোবাসাবাসি।
এক গ্লাস জোছনা আর এক গ্লাস অন্ধকার হাতে
প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় ভাবি, নাহ কালকে থেকে তাড়াতাড়ি ঘুমাবো। পরেরদিন আবারও সেই মধ্যরাত পার করে এই কথাটা মনে হয়। অথচ কোনো কারণ নাই এত রাত জাগার। কোনো কাজ নাই, পড়ালেখা করি না তাও মাঝরাত না হলে ঘুম আসে না।
যথারীতি সকালে ঘুম ভাঙ্গে বেলা করে। বাবা প্রতিদিন একই কথা বলেন - “রাত ১০টায় খাইসিস আর এখন সকাল ১০টা বাজে। পেটে কিছু দেয়া লাগবে?? নাকি ঘুমালেই পেট ভরবে”??
আমি চুপচাপ বকা হজম করতে করতে নাস্তা হজম করার আয়োজন করি। যদিও বাবা একটু রাগ করেই বলেন কথাগুলো। কিন্তু এইটুকু রাগে সিধা হওয়ার পাবলিক তো আর আমি না! তাই রাতজাগা চলতেই থাকে।
কত রকমের হয় রাত জাগা। কখনো হসপিটালে, কখনো বাসায়, পড়ার টেবিলে বা কম্পিউটারে, আড্ডা দিয়ে, ঘুরতে বেরিয়ে, সিনেমা, গান বা রেডিওর প্রোগ্রাম শুনে আবার কখনো শুধুই চুপচাপ বসে থেকে।
ছন্দ ভাঙ্গা, বিষণ্ন আকাশ
ছন্দ ভাঙ্গার গান
আমার সুরে না কি ছন্দ নেই আর
সুর ভেঙ্গে ছুটে চলে জীবন
যেন আজ যন্ত্রণারই পাহাড়।
তোমারও কি রাতভোর বৃষ্টিতে শুকনো দু’হাত
তুমিও কি আমারই মতো খোঁজো
শান্তির একটি প্রভাত!
তোমারও কি দুকূল জোড়া আঁধার
জীবন যেন আজ যন্ত্রণারই পাহাড়।
আমারো জল জমা চোখে আগুনের ছাটা
আমিও বন্দী তোমারই মতো
যতই জুড়ি শূন্য দু’মুঠা।
আমারো সব মুছে যায় বারবার
আমার সুরে তাই ছন্দ নেই আর
সুর ভেঙ্গে ছুটে চলে জীবন
যেন আজ যন্ত্রণারই পাহাড়।
(২০.০৪.১১)
বিষণ্ন আকাশ মেলা
বিষণ্ন আকাশ যেদিন মাথায় ঢুকে পড়ে
সেদিন ভীষণ কষ্ট হয় প্রাত্যহিকতা পালন করতে।
ভেজা মাটি নিজেকে রোদে মেলে খুঁজছে সুখ,
এমন সময় জল যদি গড়াতে হয় উৎসুক
তেমন লাগে সেইসব দিনগুলোতে।
নিজের ইচ্ছেগুলোকে প্রতি মুহূর্তে প্রত্যাখ্যান করতে করতে
ক্লান্ত হয়ে উঠি,
বৃষ্টির দিন...............
আষাড় মাস বৃষ্টি ঝরছে সারাদিন।ঘরে বসে শুয়ে আছি।কোন কাজ নাই তাই লিখছি।আর পুরনো সৃতি মনে করতেছি আগে গ্রামে থাকতে এই সময় কি করতাম।হয়তবা মাঠে খেলতে যেতাম।সবাই মিলে মজা করে ফুটবল খেলতাম।তারপর পুকুরে এসে লাফ দিতাম। আর না হয় মাছ ধরতাম।এই দিনগুলো যে কি মজ়ার ছিলো তা বলে বুঝাতে পারবনা।এখন মনে হয় যদি শহরে বড় হতাম তাহলে এই শৈশব গুলো পেতাম না।এখন মনে হয় যদি আবার ফিরে যেতে পারতাম আমার শৈশবে তাহলে কি মজাই না হত।শহরের যান্তিক জীবনে আর ভালো লাগেনা কিন্তু বাধ্য হয়ে থাকতে হয়।আমরা যে সময়টা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ঘুরছি মজা করছি,পাখি ধরছি,ঢিলে আম পারছি, শহরের বাচারা সে সময়টা কম্পিউটার এ গেম খেলে তা কাটিয়ে দেয়.।.।।আষাড় মাস বৃষ্টি ঝরছে সারাদিন।ঘরে বসে শুয়ে আছি।কোন কাজ নাই তাই লিখছি।আর পুরনো সৃতি মনে করতেছি আগে গ্রামে থাকতে এই সময় কি করতাম।হয়তবা মাঠে খেলতে যেতাম।সবাই মিলে মজা করে ফুটবল খেলতাম।তারপর পুকুরে এসে ল
ঈশ্বর সমীপে---
যখন ঘুমায় পৃথিবী...
রাত্রির কোলে মাথা রেখে...
নির্ভেজাল স্বপ্ন হয়ে--
তখন আমি আসি ;
পরিশ্রান্ত পথিকের
পায়ের ক্লান্তি হয়ে !
আষাঢ় শেষে এইখানে যখন
শ্রাবনের আনাগোনা...
বিভ্রান্ত আকাশ যখন
বৃষ্টি ঝরায় বড্ড অদ্ভুতভাবে !
এক পশলা--দুই পশলা !
তারপর...আবার রোদ ঝরায়
সোনা রঙ ভরিয়ে দিয়ে !
আমি তখন অব্যক্ত চোখের
অপলক দৃষ্টি হই !
যখন চাতকের মত তৃষ্ণার্ত মনেরা আকাশে না পাওয়ার প্রশ্ন ছুড়ে দেয়!
নিজের অজান্তে !
কোনো কারন ছাড়াই যখন দৃষ্টি চলে যায়
আকাশের ঐ বিশাল দূরত্বের দিকে!
আমি তখন উত্তর হই
অনুচ্চারিত প্রশ্নের !
বৃষ্টির ছন্দপতনের
আর
তৃষ্ণার্ত সবুজ ঘাসের তৃষ্ণার !
প্রবল ব্যস্ততা যখন কেড়ে নিয়ে যায়
সবকিছু...
সুখ-স্বস্তি-দুঃখ অথবা অভিমান !
ঘুর্ণমান পৃথিবীর আপেক্ষিক ঘুর্ণনের বেড়াজালে
যখন হারিয়ে যাই সবাই...
এই তুমি-আমি -আমরা !
তখন সব ঘুর্ণন-গতি-ত্বরন-মন্দন
আমাদের সাংবাদিকতা
মানুষ সাংবাদিকদের শ্রদ্ধা করে না বরং অধিকাংশ সাংবাদিকদের মানুষ ভয় পায়, ভয় পাওয়ার যুক্তিসংগত কারণও রয়েছে, মানুষের নিজস্ব জীবনযাপনের গল্প, নিজস্ব অপরাধ এবং গোপনীয়তার আড়াল যা মানুষ রেখে দিতে চায় সেসব তথ্য সাংবাদিকদের সংগ্রহে থাকলে মানুষ নিতান্তই অসহায়। একটি সংবাদপত্র প্রকাশিত তথ্য মানুষের এই গোপনীয়তার আড়াল ভেঙে যা সে সযতনে অন্য মানুষের চোখের আড়ালে রেখে দিতে চায় সেসব গোপনীয়তার আড়াল ভেঙে ফেলতে পারে, স্পর্শ্বকাতর তথ্যসংগ্রহ করে সেটা সংবাদপত্রে ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিলাসিতার জীবনযাপন করা সাংবাদিকদের সংখ্যাও কম নয় পৃথিবীতে।
ফাসিঁর দাবি নিয়ে এসেছি...
আমি উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে ঐ অমানুষ শিক্ষকের ফাসিঁ দাবি করছি। আমি তার মৃত্যদন্ড চাইছি। কোন সুযোগ নেই ছলচাতুরির। এ ধরনের অপকর্ম করে আইনের সীমাবদ্ধতার সুযোগে কোনভাবেই বেঁচে থাকতে পারেনা পরিমলের মত পশুরা।
আসুন নারী-পুরুষের সমতার সমাজ গড়ি, যেখানে নারীকে শুধু জৈবিক কারণে নীপিড়নের শিকার হতে হবেনা। আসুন আওয়াজ তুলি, এইসব পরিমলদের নির্মমভাবে মৃত্যুর শাস্তি নিশ্চিত করার। আসুন এক হই, মানুষ-মানবতা-সততার পৃথিবী গড়ে তুলতে।
এ মূহুর্তে কিছুই বলার শক্তি নেই, শুধু পরাজিত হবার বেদনা...
জানোয়ারের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষকে দেয়া ছোট বোনের অভিযোগপত্রটি :
খসড়া
ইদানিং ঢাকাতেও খসড়া সম্পর্ক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এটা পশ্চিমা সংস্কৃতি। ধীরে ধীরে পূর্বেও চলে এসেছে। প্রতিবেশি দেশে এটা খানিকটা বেশি বা আগে ওটা অনুকরণ শুরু হয়। এদেশে এজাতীয় সম্পর্কের অনুপ্রবেশ গণমাধ্যম এবং সাহিত্যর মাধ্যমে। আমরা স্যাটেলাইটে ভারতীয় চ্যানেল মনস্ক অনেকটাই। পত্রিকা বা সাহিত্যের স্বাদ পেতেও। এতে বিরোধ বা সংঘর্ষের কিছু নেই। কিন্তু কথা হলো এই মাধ্যম গুলো থেকে আমরা নেয়া বা অনুকরনের বেলাতে কোনটিকে বেছে নিচ্ছি। ঐ স্যাটেলাইট চ্যানেল বা সাহিত্যের মেধার ঘনত্ব বা উচ্চ মানের অবস্থান সেটা কি আমরা অনুসরন করতে পারছি?