ইউজার লগইন
ব্লগ
এমন লাগে...দেউলিয়া
অক্ষরের উপর চোখের জল ঝরে পড়া, এমন তো ঘটেই থাকে। কত কাগজ ভিজে থ্যাবড়ে গেছে! কী-বোর্ডে আঙ্গুল চলার সাথে বড়জোর চোখজ্বলা, মনের সুখে কান্না আর কোথায় তেমন হয়! তাই সম্ভবত প্রেমের ভালোবাসার গল্পগুলো ভার্চুয়াল বন্ধুত্বের মতোই ঠুনকো। পকেট টেলিফোন ইনডেক্স মেমোরিতে কিছু নাম্বার টুকে ঘনিষ্ঠদের তালিকা তৈরী হতো সহজেই - ফেসবুক এ ২০০, মোবাইলে ৫০০ সব না কি বন্ধু, খেই হারাই; ইমেজ তৈরীর আগেই ভুলে যাই। দিনশেষে মোবাইল হাতে বেস দেখি নিজের ক্লান্তিটুকু বলবার মতোও আদতে কোথাও কেউ নেই। রঙহীন স্বপ্নের মতো, গন্তব্য ছাড়া গতির মতো - এ এক অদ্ভূত বয়ে চলা যেখানে ডান হাতও বাম হাতের অগম্য। মানুষে মানুষে দূরত্ব ছাড়া তৈরী হবার কিছুই অবশিষ্ট নেই। চূড়ান্ত কিছু দেখবার আশায় দেউলিয়া হয়ে বসে আছে সবাই - এমন লাগে...
.....পাবলিক ভদ্রতা শিখবে কবে ..... X(
মাথায় রক্ত উঠে আছে, কিছুক্ষন আগে পাওয়া এক ইমেইল পাবার পর। বাংলাদেশ থেকে একজন ইমেইল করেছেন, মোটামুটি বংগানুবাদ হচ্ছে:
জনাব.....
আমি অমুক বাংলাদেশ থেকে বলছি। জেনে খুশি হবেন যে আমি আপনার ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করতে আসছি। দুর্ভাগ্যবশতঃ আমি থাকার জন্য কোন স্থান পাচ্ছি না। আমার একটা বাসা/স্থান দরকার যেখানে আমি এসে থাকবো আর পরে আমার ফ্যামিলী এসে আমার সাথে জয়েন করবে। এ ব্যাপারে আপনার হেল্প করার থাকলে জানাবেন।
.......................
পুরা চিঠিতে ভদ্রতার লেশমাত্র নাই। একজন অপরিচিত মানুষকে প্রথমবারের জন্য চিঠি লেখলে নিজের পরিচয়, বৃত্তান্ত দিতে হয় সেই ফর্মালিটির ধারে-কাছে নাই। গৎবাধা কথা, "জেনে খুশি হবেন.......।" সে কি শ্যালক হয় যে আমি খুশি হবো?
মৃত্যু জানে বন্ধুতা কারে কয়...
এক.
আমাকেও জাপটে ধরেছে মৃত্যু বলিহারী। কোনভাবে বাউলি কেটে সরে যেতে চাইলেও, মৃত্যুর সংখ্যাতত্ত্বরে ছেড়ে যাওয়া হয় না। সম্ভাব্য তালিকাও ধীরে ধীরে বর্তমান হয়। অতএব আমি আর মৃত্যু নিকটবর্তী প্রতিবেশীর মতো বসবাস করতে শুরু করি।
মৃত্যু কখনো স্থিরতা জানে নাই...সে চারপাশ-নাগপাশ জানে। আমি বুঝতে পারি আলোকের মতো চেহারার মৃত্যু আমারেও ঘিরে ফেলে।
দুই.
মৃত্যুর সাথে চুক্তি করে ফেলি, যেইদিন কারখানা চালু হবে সেইদিন তারসাথে দেখা হবে। তারপর সখ্যতা। মৃত্যুর চে কে বেশি বলো আর ভালোবেসেছে আমায়।
তিন.
একলা হলেই মৃত্যু এসে ভর করে কাঁধে। তারে নিয়ে সামাজিক চলাফেরা ঝামেলার মনে হয়। তবু তার নূরানি বদন ভালোবাসি বলে তাড়ানোর ইচ্ছা হয় নাই কোনোকালে। একলা আমি আর একলা মৃত্যু মিলে ভালোবাসাবাসি।
এক গ্লাস জোছনা আর এক গ্লাস অন্ধকার হাতে
প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় ভাবি, নাহ কালকে থেকে তাড়াতাড়ি ঘুমাবো। পরেরদিন আবারও সেই মধ্যরাত পার করে এই কথাটা মনে হয়। অথচ কোনো কারণ নাই এত রাত জাগার। কোনো কাজ নাই, পড়ালেখা করি না তাও মাঝরাত না হলে ঘুম আসে না।
যথারীতি সকালে ঘুম ভাঙ্গে বেলা করে। বাবা প্রতিদিন একই কথা বলেন - “রাত ১০টায় খাইসিস আর এখন সকাল ১০টা বাজে। পেটে কিছু দেয়া লাগবে?? নাকি ঘুমালেই পেট ভরবে”??
আমি চুপচাপ বকা হজম করতে করতে নাস্তা হজম করার আয়োজন করি। যদিও বাবা একটু রাগ করেই বলেন কথাগুলো। কিন্তু এইটুকু রাগে সিধা হওয়ার পাবলিক তো আর আমি না! তাই রাতজাগা চলতেই থাকে।
কত রকমের হয় রাত জাগা। কখনো হসপিটালে, কখনো বাসায়, পড়ার টেবিলে বা কম্পিউটারে, আড্ডা দিয়ে, ঘুরতে বেরিয়ে, সিনেমা, গান বা রেডিওর প্রোগ্রাম শুনে আবার কখনো শুধুই চুপচাপ বসে থেকে।
ছন্দ ভাঙ্গা, বিষণ্ন আকাশ
ছন্দ ভাঙ্গার গান
আমার সুরে না কি ছন্দ নেই আর
সুর ভেঙ্গে ছুটে চলে জীবন
যেন আজ যন্ত্রণারই পাহাড়।
তোমারও কি রাতভোর বৃষ্টিতে শুকনো দু’হাত
তুমিও কি আমারই মতো খোঁজো
শান্তির একটি প্রভাত!
তোমারও কি দুকূল জোড়া আঁধার
জীবন যেন আজ যন্ত্রণারই পাহাড়।
আমারো জল জমা চোখে আগুনের ছাটা
আমিও বন্দী তোমারই মতো
যতই জুড়ি শূন্য দু’মুঠা।
আমারো সব মুছে যায় বারবার
আমার সুরে তাই ছন্দ নেই আর
সুর ভেঙ্গে ছুটে চলে জীবন
যেন আজ যন্ত্রণারই পাহাড়।
(২০.০৪.১১)
বিষণ্ন আকাশ মেলা
বিষণ্ন আকাশ যেদিন মাথায় ঢুকে পড়ে
সেদিন ভীষণ কষ্ট হয় প্রাত্যহিকতা পালন করতে।
ভেজা মাটি নিজেকে রোদে মেলে খুঁজছে সুখ,
এমন সময় জল যদি গড়াতে হয় উৎসুক
তেমন লাগে সেইসব দিনগুলোতে।
নিজের ইচ্ছেগুলোকে প্রতি মুহূর্তে প্রত্যাখ্যান করতে করতে
ক্লান্ত হয়ে উঠি,
বৃষ্টির দিন...............
আষাড় মাস বৃষ্টি ঝরছে সারাদিন।ঘরে বসে শুয়ে আছি।কোন কাজ নাই তাই লিখছি।আর পুরনো সৃতি মনে করতেছি আগে গ্রামে থাকতে এই সময় কি করতাম।হয়তবা মাঠে খেলতে যেতাম।সবাই মিলে মজা করে ফুটবল খেলতাম।তারপর পুকুরে এসে লাফ দিতাম। আর না হয় মাছ ধরতাম।এই দিনগুলো যে কি মজ়ার ছিলো তা বলে বুঝাতে পারবনা।এখন মনে হয় যদি শহরে বড় হতাম তাহলে এই শৈশব গুলো পেতাম না।এখন মনে হয় যদি আবার ফিরে যেতে পারতাম আমার শৈশবে তাহলে কি মজাই না হত।শহরের যান্তিক জীবনে আর ভালো লাগেনা কিন্তু বাধ্য হয়ে থাকতে হয়।আমরা যে সময়টা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ঘুরছি মজা করছি,পাখি ধরছি,ঢিলে আম পারছি, শহরের বাচারা সে সময়টা কম্পিউটার এ গেম খেলে তা কাটিয়ে দেয়.।.।।আষাড় মাস বৃষ্টি ঝরছে সারাদিন।ঘরে বসে শুয়ে আছি।কোন কাজ নাই তাই লিখছি।আর পুরনো সৃতি মনে করতেছি আগে গ্রামে থাকতে এই সময় কি করতাম।হয়তবা মাঠে খেলতে যেতাম।সবাই মিলে মজা করে ফুটবল খেলতাম।তারপর পুকুরে এসে ল
ঈশ্বর সমীপে---
যখন ঘুমায় পৃথিবী...
রাত্রির কোলে মাথা রেখে...
নির্ভেজাল স্বপ্ন হয়ে--
তখন আমি আসি ;
পরিশ্রান্ত পথিকের
পায়ের ক্লান্তি হয়ে !
আষাঢ় শেষে এইখানে যখন
শ্রাবনের আনাগোনা...
বিভ্রান্ত আকাশ যখন
বৃষ্টি ঝরায় বড্ড অদ্ভুতভাবে !
এক পশলা--দুই পশলা !
তারপর...আবার রোদ ঝরায়
সোনা রঙ ভরিয়ে দিয়ে !
আমি তখন অব্যক্ত চোখের
অপলক দৃষ্টি হই !
যখন চাতকের মত তৃষ্ণার্ত মনেরা আকাশে না পাওয়ার প্রশ্ন ছুড়ে দেয়!
নিজের অজান্তে !
কোনো কারন ছাড়াই যখন দৃষ্টি চলে যায়
আকাশের ঐ বিশাল দূরত্বের দিকে!
আমি তখন উত্তর হই
অনুচ্চারিত প্রশ্নের !
বৃষ্টির ছন্দপতনের
আর
তৃষ্ণার্ত সবুজ ঘাসের তৃষ্ণার !
প্রবল ব্যস্ততা যখন কেড়ে নিয়ে যায়
সবকিছু...
সুখ-স্বস্তি-দুঃখ অথবা অভিমান !
ঘুর্ণমান পৃথিবীর আপেক্ষিক ঘুর্ণনের বেড়াজালে
যখন হারিয়ে যাই সবাই...
এই তুমি-আমি -আমরা !
তখন সব ঘুর্ণন-গতি-ত্বরন-মন্দন
আমাদের সাংবাদিকতা
মানুষ সাংবাদিকদের শ্রদ্ধা করে না বরং অধিকাংশ সাংবাদিকদের মানুষ ভয় পায়, ভয় পাওয়ার যুক্তিসংগত কারণও রয়েছে, মানুষের নিজস্ব জীবনযাপনের গল্প, নিজস্ব অপরাধ এবং গোপনীয়তার আড়াল যা মানুষ রেখে দিতে চায় সেসব তথ্য সাংবাদিকদের সংগ্রহে থাকলে মানুষ নিতান্তই অসহায়। একটি সংবাদপত্র প্রকাশিত তথ্য মানুষের এই গোপনীয়তার আড়াল ভেঙে যা সে সযতনে অন্য মানুষের চোখের আড়ালে রেখে দিতে চায় সেসব গোপনীয়তার আড়াল ভেঙে ফেলতে পারে, স্পর্শ্বকাতর তথ্যসংগ্রহ করে সেটা সংবাদপত্রে ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিলাসিতার জীবনযাপন করা সাংবাদিকদের সংখ্যাও কম নয় পৃথিবীতে।
ফাসিঁর দাবি নিয়ে এসেছি...
আমি উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে ঐ অমানুষ শিক্ষকের ফাসিঁ দাবি করছি। আমি তার মৃত্যদন্ড চাইছি। কোন সুযোগ নেই ছলচাতুরির। এ ধরনের অপকর্ম করে আইনের সীমাবদ্ধতার সুযোগে কোনভাবেই বেঁচে থাকতে পারেনা পরিমলের মত পশুরা।
আসুন নারী-পুরুষের সমতার সমাজ গড়ি, যেখানে নারীকে শুধু জৈবিক কারণে নীপিড়নের শিকার হতে হবেনা। আসুন আওয়াজ তুলি, এইসব পরিমলদের নির্মমভাবে মৃত্যুর শাস্তি নিশ্চিত করার। আসুন এক হই, মানুষ-মানবতা-সততার পৃথিবী গড়ে তুলতে।
এ মূহুর্তে কিছুই বলার শক্তি নেই, শুধু পরাজিত হবার বেদনা...
জানোয়ারের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষকে দেয়া ছোট বোনের অভিযোগপত্রটি :
খসড়া
ইদানিং ঢাকাতেও খসড়া সম্পর্ক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এটা পশ্চিমা সংস্কৃতি। ধীরে ধীরে পূর্বেও চলে এসেছে। প্রতিবেশি দেশে এটা খানিকটা বেশি বা আগে ওটা অনুকরণ শুরু হয়। এদেশে এজাতীয় সম্পর্কের অনুপ্রবেশ গণমাধ্যম এবং সাহিত্যর মাধ্যমে। আমরা স্যাটেলাইটে ভারতীয় চ্যানেল মনস্ক অনেকটাই। পত্রিকা বা সাহিত্যের স্বাদ পেতেও। এতে বিরোধ বা সংঘর্ষের কিছু নেই। কিন্তু কথা হলো এই মাধ্যম গুলো থেকে আমরা নেয়া বা অনুকরনের বেলাতে কোনটিকে বেছে নিচ্ছি। ঐ স্যাটেলাইট চ্যানেল বা সাহিত্যের মেধার ঘনত্ব বা উচ্চ মানের অবস্থান সেটা কি আমরা অনুসরন করতে পারছি?
আমার বৃহৎ দেশপ্রেমের অতি ক্ষুদ্র বহিঃপ্রকাশ
ইদানিং যে বিষয়টা নিয়ে পত্রিকায় অনেক লেখালেখি হচ্ছে সেটি আর কিছুই না, গ্যাস পাচার.........
আমাদের বাঙ্গালীদের স্বভাবই হচ্ছে কোনো বিষয়ের ভালো মন্দ ২টো দিক বিবেচনা না করেই যাকে বলে “হাউকাউ” শুরু করে দেই। আমাদের মন্ত্রীসভায় এত্ত এত্ত বুধ্বিমান লোক আছেন (সন্দেহ লাগে!) তারা নিশ্চিত সব কিছু বিবেচনা করেই এই সিধ্বান্তে উপনীত হয়েছেন।
সেদিন (কবে তা না জানলেও চলবে) রাতে ঘুমাতে গিয়ে হঠাৎ করেই আমি বিষয়টা বুঝে গেলাম, কেন দেশে রান্নার জন্য অতি প্রয়োজনীয় গ্যাস পাচার করে দেওয়া হচ্ছে।
কারন আর কিছুই না, কবি বলেছেন (কোন কবি জানি না, জানলে কেউ ইনফো পাস করবেন দয়া করে)
“বড় যদি হতে চাও, ছোটো হও তবে”
আমাদের দেশের সরকারও ওই পথে চলছে তবে ১টু পরির্বতিত রুপে,
“ডিজিটাল যদি হতে চাও অ্যানালগ হও তবে”
উত্তরাধিকারের খোঁজে
উত্তরাধিকারের খোঁজে
বলতে দ্বিধা নেই আগ্রহ বা অনাগ্রহ কোন ভিটাতেই
আমার শেকড় গাঁথা নেই
আমি দৃশ্যপটে ধারালো তলোয়ার হাতে দাঁড়িয়ে আছি,
আক্রমণ কাকে করব জানতে পেলে
এককথায় হাঁফ ছেড়ে বাঁচি।
আমার সামনে দৈনন্দিনতার ফিরিস্তি
তুলে ধরা একধরনের সময় নষ্ট।
একা হতে না পারলে আমার সব সংকল্প
নিমিষেই ভ্রষ্ট - অপছন্দের ছায়ায় তারাজ্বলা
আকাশও হয়ে যায় উধাও।
আমাকে তোমারা যতই স্বাভাবিকতার গেরস্থ সুতায় বাঁধো
জেনো আমি তো নেই আমাতেই -
তাই আগ্রহ বা অনাগ্রহ কোন ভিটেতেই শেকড় না গেঁথে
পেট কাটা চাঁদিয়াল হয়ে বাতাসের অনুকূলে ভেসে যাওয়া
এই আমার নিয়তি;
শুধু দৃশ্যপটের ধারালো তলোয়ার
হাত বদলের জন্যে উত্তরাধিকার খুঁজি
আজো অজান্তেই ।
(১৩.০৪.১১)
অযথা প্যাঁচাল
১।।
রগীর মৃত্যুর পর ক্ষিপ্ত স্বজনেরা হাসপাতাল ভাঙচুর করেছে, ডাক্তারকে আক্রমন করেছে, ইন্টার্ণদের অপমান করেছে, আমি এইসব আবেগাক্রান্ত রোগীর স্বজনদের প্রতি প্রসন্ন ছিলাম না কখনও, তাদের অতিরিক্ত আবেগে তারা ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ আনে, হয়তো নিজেদের অবহেলা কিংবা উপেক্ষায় যার মৃত্যু নিশ্চিত ছিলো তাকে একেবারে শেষ সময়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে আসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে এমনটাই ভাবতাম একটা সময়। তবে আমার সে ধারণা বদলেছে, আমি এখন এইসব রোগীর স্বজনদের দুঃখটা উপলব্ধি করতে পারি, উচ্চমন্য ডাক্তারের ছাওয়ালেরা রোগী এবং তাদের স্বজনদের যে উপেক্ষা, অনাদর, অবহেলা উপহার দেন তাতে যেকোনো স্বাভাবিক মানুষই ক্ষিপ্ত হতে পারে,
ইন্টার্ণ ধর্মঘট, ডাক্তারের চেম্বার ভাঙচুড় এবং হাসপাতাল আর ক্লিনিক ভাঙচুড়ের সংবাদ পড়লে এখন আর রোগীর স্বজনদের দোষারোপ করি না আমি বরং সংশ্লিষ্ট ডাক্তারকেই অপরাধী মনে হয়।
জরুরি কামলা প্রয়োজন :প্রসঙ্গ বর্ষার গান নিয়ে ই-পুস্তক
বন্ধুদের অসীম ভালোবাসা এবং সহযোগিতায় কিছুদিন আগে বর্ষা নিয়ে ই-পুস্তক ‘’মেঘবন্দী’’ প্রকাশিত হয়েছে।বন্ধুদের সাড়া পেয়ে সত্যি আমরা অভিভূত এবং আপ্লুত। ‘’মেঘবন্দী’’ প্রকাশের সময়ই আমাদের ইচ্ছা ছিলো বর্ষার গান নিয়ে একটা আলাদা আয়োজন রাখতে কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতার কারনে সেটি আলোর মুখ দেখেনি।কিন্তু কিছুদিন যাবত কিছু বন্ধুর অক্লান্ত পরিশ্রমে সেই অসমাপ্ত কাজের সফল বাস্তবায়নের উদ্দ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই কারণে আমাদের আরো কিছু বন্ধুর সহযোগিতা দরকার।আগ্রহী বন্ধুদেরকে যোগাযোগের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
কাজের সুবিধার জন্য আমরা নিজেদেরকে কিছু দলে ভাগ করে নিয়েছিঃ
দল ১.
যারা সারা পৃথিবী থেকে খুঁজে খুঁজে বৃষ্টির গান জোগাড় করবে।
দল ২.
প্রথম দলের গানগুলো ক্যাটাগোরি অনুযায়ী বাছাই করবে। যেমন রবীন্দ্র, নজরুল, উচ্চাঙ্গ, ইংরেজি, হিন্দি... এইরকম...
দল ৩.
ফেলে আসা দুরন্ত সময়গুলো
কখনও কি মুছে দেয়া যাবে
সেই সব দিনগুলো......
যখন ছোট ছোট সব স্বপ্নগুলো ঘুরে বেড়াতো বিশাল খেলার মাঠে
বা সদ্য সম্পদে ভরে ওঠা নিষিদ্ধ আম গাছে
কিংবা হাবিজাবি সব খবর আর ঘটনা নিয়ে
মুখর আলোচনায়।।
কখনও কি মুছে দেয়া যাবে
সেই সব দিনগুলো......
যখন খেলার ছলে স্কুল ড্রেস এর উপর নির্মম অত্যাচার
আর পাঠ্য বইয়ের দুর্গম এলাকাগুলো আবিষ্কারের
দুর্দান্ত প্রচেষ্টায় মেতে রইতো
সীমাবদ্ধ ইচ্ছাগুলো।।
কখনও কি মুছে দেয়া যাবে
সেই সব দিনগুলো......
যখন শিক্ষক-ছাত্র একে অপরকে উপাধী দেয়ার হাস্যকর চ্যালেঞ্জ
কিংবা মেয়েদের স্কুলের সামনে বিশেষ কাউকে