ইউজার লগইন
ব্লগ
মুক্তগদ্যঃ আমার পা'য়ে পা'য়ে জড়ায় ঘাসে জমা মেঘেদের অশ্রু
*
আমার পা'য়ে পা'য়ে জড়ায় ঘাসে জমা মেঘেদের অশ্রু।
**
তুমি অবাক তাকিয়েছিলে জানালার শিক ধরে। মেঘেদের ঘনকালো ছায়া পড়েছিলো তোমার চোখে। বিষণ্ণ আকাশের শোকে, তোমার চোখের কোলেও জমেছিলো জল। ছিটে ফোঁটা বৃষ্টিরা, ঠিকানা খুঁজে খুঁজে হয়রান। দু' দণ্ড বিশ্রামে তোমার গালের শ্যামলা মাঠে নিয়েছিলো আশ্রয়য়। আমি অপেক্ষায় ছিলাম, গাঢ় বৃষ্টির কিংবা তোমার জানালা ছেড়ে চলে যাবার।
কে বলবে, পাওয়াতে বেশী সুখ? না কি হারানোতে?
***
দুরের বটগাছটাতে উথাল পাঠাল বাতাসের ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে। তরুণ গাছটার বুড়োটে হলুদ পাতাগুলো এলোমেলো ছুটছে মুক্তির আনন্দে। পিচ ঢালা পথটা যেন নদী। বর্ষায় ভরভরন্ত যৌবন। ওই বাঁকে, এলোমেলো ওড়না নিয়ে ব্যাস্ত কিশোরী। আমি হেঁটে চলেছি... না... না... আমি নৌকা বেয়ে চলেছি পিচ ঢালা নদীতে। বাতাসের মাতলামিতে বারবার নিভে যাচ্ছে হাতের ম্যাচ, তবুও চেষ্টা করে চলেছি।
****
ব্লগবাকুম-১
১.
কদিন আগে (১৯ জুন) বিএনপি সমর্থকদের নিয়ে তৈরি বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ শেয়ারবাজার নিয়ে একটি সেমিনার করলো। খালেদা জিয়া সেই সেমিনারে কথা বলেননি, কিন্তু উপস্থিত ছিলেন। সেখানে একজন আলোচক ছিলেন ফরহাদ মজহার। তাঁর বাণীটা একটু পড়ি প্রথমেই। তিনি বলেছিলেন, ‘সেমিনারে বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতিই দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর নীতিগত অবস্থান প্রমাণ করছে।’
ফরহাদ মজহার খালেদা জিয়ার এই নীতিগত অবস্থান কবে আবিস্কার করলেন জানতে একটু মন চাচ্ছিল।
২.
বর্ষার ই-পুস্তক ''মেঘবন্দী''
অবশেষে প্রকাশিত হলো বর্ষার পুস্তক "মেঘবন্দী''
আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা ব্ন্ধুর ব্লগাররা লিখেছেন বৃষ্টি বিষয়ক দারুণ সব রচনা।
অবশেষে মহাসমারোহে প্রকাশিত হলো ই-পুস্তক... কিছু সমস্যা হয়তো থেকে গেছে তবু। নিজগুনে ক্ষমা করবেন এই প্রত্যাশায়...
ই-পুস্তকটি সম্পাদনা করেছেন- রাসেল আশরাফ, টুটুল এবং নজরুল ইসলাম
প্রচ্ছদ আর অলঙ্করণ করেছেন নজরুল ইসলাম
প্রচ্ছদের জন্য সুন্দর একটি ছবি তুলে দিয়েছেন সাইফ তাহসিন
সুন্দর একটি নাম দিয়েছেন একলব্যের পুনর্জন্ম
অলঙ্করণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে আইরিন সুলতানার করা অসম্ভব সুন্দর ব্যানার "কৃষ্ণচূড়া"
অবশেষে যারা যারা লেখা দিয়েছেন, যারা ইচ্ছে থাকা সত্বেও লেখা দিতে পারেননি আর যারা পড়ছেন... সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ

nmmnmn
গত বুধবারে যখন স্কুলের গণ মেইলে জানলাম ২৫টি শিশুর জন্য নতুন হোম দরকার, না হলে একসপ্তাহের মধ্যেই এদের শেষ করে ফেলা হবে তখন থেকেই এদের অন্তত কয়েকজনকে নতুন হোম খুজে দেয়ার তাগিদ অনুভব করলাম।
এই শিশুগুলো, মানে চন্দন গাছের চারা গুলো জন্মাবধী সুর্যের আলো দেখেনি, বড় হয়েছে কয়েক মাস কৃত্রিম নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে। স্বাভাবিকি ভাবেই গবেষনার কাজে লাগছে এমন বাড়তি চারা গুলো নষ্ট করে ফেলতে দ্বিধা করা হবে না। তবে চন্দন গাছ বলে কথা, স্যান্ডালউড।
প্রথমে পাকড়াও করলাম সৌদী ল্যাবমেটকে, ব্যাটা একা বাসা নিয়ে থাকে বড় ড্রামে চন্দন গাছটাকে রাখতে পারবে। সৌদী ল্যাবমেটটা এমনিতে খাঢ়ুস, কিন্তু ঠিক লাইন মত এগোনে গেলে একে সব কিছুতেই মানানো যায়। ঠিক লাইনটাই ধরলাম, বল্লাম চন্দন কেন বিখ্যাত (সুগন্ধী কাঠ, কসমেটিকস তৈরীতে লাগে....ইত্যাদি ইত্যাদি)। ফলাফলঃ সে নেবে একটা।
ডুবোচর
ভাঙ্গনের শ্লোগান আসছে দশদিক থেকে
যমুনা ছোবল দিচ্ছে সিরাজগঞ্জে
পদ্মা চোখ রাঙাচ্ছে মুন্সিগঞ্জে
বরিশালে পায়রা দিচ্ছে হায়নার ইশারা
ধরলা, তিস্তা'র ক্ষুধাও তীব্র হচ্ছে
সবার গন্তব্য নতুন জনপদ।
আচ্ছা তোমার কণ্ঠেও কেনো
ভাঙনের জয়গান
নি:স্ব করার হিংস্র আনন্দে
কেনো মেতে উঠো তুমি
এই অশ্রু সংগীতে কেনো
ভাসাও প্রেমের বীনা?
আমিও হতে পারি তোমার
ভাঙ্গনের ক্ষুদ্র পলি কনা,
যদি প্রতিশ্রুতি থাকে
তোমার সফেদ জলরাশির
অতলে হয়ে থাকতে পারি
ডুবোচর, যেখানে দিনমান
পাবো তোমার নজর!
লগ ইন করতে পারছি না......
গত প্রায় ২ মাস http://www.amrabondhu.com/ তে লগ ইন করতে পারছি না । মন খারাপ । সবাই কত কিছু লেখা-লেখি করে ফেলল, পড়তে পারলাম না। ভাই মোডু সমস্যা কি আমার, নাকি অন্য কোন সমস্যা হইসে.....?? আজ ক্যাফে থেকে অনেক কষ্টে ঢুকতে পারলাম।
জানিনা আবার কবে লগ ইন করতে পারব।
আশা করি ব্লগ এর সবাই ভাল আছেন । শুভেচ্ছা সবাইকে।
ছুটির ২তম!! দিন
ছুটি চলছে। বাসায় এসেছি তাই একা লাগছে না মোটেও বরং কাজ ছাড়া লাগছে। আম, জাম কাঠাল খাওয়াও শেষ। ঘুরতে ইচ্ছে হচ্ছে খুব। আবহাওয়াও ভালনা। কি যে করব বুঝতে পারছিনা।গতকাল সারাদিন ঘুমিয়ে কাটিয়েছি, তাই আজ আর ঘুমোতেও ইচছে করছেনা। ঠিক করলাম ঘুরতে বের হব, সেটাও আর হবে কিভাবে? আকাশ থেকে ঝমঝমিয়ে বৃস্টি ঝরতে লাগলো। দিনটা একরকম মাটিই হয়ে গেল। দেখি নতুন কোন আইডিয়া মাথায় আসে কিনা।

বিড়ম্বনা
বাবা হওয়ার সবচেয়ে বড় যন্ত্রনা প্রতিমুহূর্তেই একটা না একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সার্বক্ষণিক সংশয়ে থাকতে হয় সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে, পরবর্তী মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলো কি না সেটাও যাচাই করতে হয় এবং এই সম্পূর্ণ বিষয়টা অনেক সময়ই বোঝার মতো মনে হয়, আমাদের শৈশবে এত বেশী সিদ্ধান্তের প্রয়োজন ছিলো না, আমাদের চাহিদা ছিলো কম, আমাদের বিধিনিষেধও ছিলো কম। সিদ্ধান্তগুলো ছিলো খুব সাদামাটা, দুপুরে ঘুমাবে না খেলবে? খেললে কোথায় গিয়ে খেলবে, কার সাথে মেশা যাবে কার সাথে মেশা যাবে না সিদ্ধান্তগুলোও হয়তো ছিলো তবে সেসব সিদ্ধান্ত দৈনন্দিন নিতে হতো না।
কাছের মানুষ
রাসেলের “বাবার পোশাক” লেখাটা পড়ে মনটা খুব বিষন্ন হলো। অনেকদিন এমন মন ভিজিয়ে দেয়া ব্লগ পড়িনি। লেখাটা মাথায় ঘুরছিলো থেকে থেকে। হঠাৎ ইচ্ছে করলো আমার বাবাকে নিয়ে কিছু লিখতে। না, আমার বাবা আমার দূরের কোন মানুষ নন। খুব কাছের মানুষ, বন্ধু। মায়ের হাত থেকে বহুবার বাঁচিয়েছেন বাবা আমায়, বহু আবদার পূরন করেছেন, এখনো করেন হাসিমুখে। বাবার সাথে সারাবেলা খেলেছি এমনকি খেলতে খেলতে রেগে গিয়ে মারামারিও করেছি কখনো কখনো। ক্যারাম, ব্যাডমিন্টন, তাস খেলা সবকিছুর হাতেখড়ি বাবার কাছে। বানিজ্যমেলা, বইমেলার পরিচয় বাবার কাছ থেকে। সত্যজিত – মৃনাল সেন জেনেছি বাবার কাছ থেকে। কিন্তু আজকাল কেমন যেনো একটা নাম না জানা দূরত্ব তৈরী হচ্ছে। ফোনে কেমন আছেন, কি করছেন জিজ্ঞেস করে, এটা কেনো হলো না, সেটা কেনো হয় না, দু / একটা ঝাড়ি মারার পর আর কথা খুঁজে পাই না। যে জায়গায় মায়ের সাথে, বোনদের সাথে ঘন্টায়ও কথা ফুরায় না, সে জায়গায় পাঁচ মিনিট
সূচনা
সূচনা দিয়ে শুরু করব বলেই ভাবলাম। সব কিছুরই একটা শুরু আর শুরুতে সূচনা থকতে হয় :)। আমি দুই সাগরের এপাড় বসে ৪ ঘন্টার এগিয়ে থাকা পৃথিবী থেকে লিখছি। সাগড় পাড়েই বাস আমার। সাগড়ের এপাড়ে বসে ভাবি আমি ওপাড়ে আমাদের সবুজ দেশের সবুজ মানুষ গুলোর কথা, ভাবি ওপাড়ের নীল আকাশ আর সরলতার কথা।
সেই এক সবুজ বন্ধুর উদার ও ভালবাসার চোখে পরেই এই ব্লগকে জানা। ইচ্ছে শেয়ার করব সাগড়ের এপারের কথা আর জানবো সাগড়ের ওপাড়ের ছোট ছোট সুখ দুঃখ, ভাললাগা ভালবাসা এই আশা নিয়ে আমার এই পথে হাটা শুরু। মনে আশা আমার গাং চিল আর শিতের পাখিরা ঠোটে করে নিয়ে যাবে আমার বার্তা ওপাড়ে আর পায়ে বঁেধে নিয়ে আসবে গুচ্ছ গুচ্ছ ভালবাসা আর বন্ধুতা এ পাড়ে।
সবাই কে জানার ও সবার লেখা পড়বার আগ্রহ নিয়ে পড়া শুরু ও লেখা শুরু।
চ্যুত
প্রথম সঙ্গমের পুলকে
আমরা বিদিক,
বিয়ে ফিলিপের।
লাদেন শহীদ!
শ্রদ্ধাশ্রুতে সিক্ত
আমাদের চোখ,
অন্তর, এমনকি অন্তর্বাস।
.
আমাদের আবর্তচ্যুত
আমরা দুজন শুধু
পরস্পরে-
মিশে আছি,
ভিজে আছি,
মেতে আছি।
৫০ ওয়ার্ড না হলে নাকি পোস্ট হবে না, তাই আরো একটা পিচ্চি কবিতা পোস্টিলাম।
মধুর পিছে ঘুরে আমার
ফুরিয়ে গ্যাছে দিন।
সব পতঙ্গ পায় কী মধু?
পেলাম নিকোটিন।
হরি! হরি! তাও নাকি ৫০ ওয়ার্ড হয়নি! সুতরাং, আরো একবার আরো একটি কবিতা প্রচেষ্টা
এই প্রণয়রসিক অন্ধকারে
তোমার সবগুলো জলাধার
খুলে দাও।
ঈশ্বর মারার আগেই
স্নানে পানে
একটি বার শুধু
প্রাণ ভরে মরতে চাই।
আমার না লেখা গল্পগুলো
আমি বিভিন্ন সময়ে গল্প লিখতে চেয়েছি, সুযোগ পেলে উপন্যাসও লিখতে চেয়েছি কিন্তু দীর্ঘ সময় কোনো নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে লেখার ধৈর্য্য না থাকায় কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হয় নি, দুইটা উপন্যাস ভুলে শুরু করে এত দিন পর উপলব্ধি করেছি সেসব উপন্যাস শেষ করবার মতো ধৈর্য্য আমার হবে না। লেখালেখি করবার মতো নিমগ্নতা আমার নেই। উপন্যাস লেখার মতো কষ্টকর কোনো প্রয়াসে যাওয়া আমার জন্য নয়।
এলোমেলো
পুরো তোমাকে পাওয়াটা বেশ সহজলভ্য
কিন্তু তোমার ঠোঁটের ঐ তিলটা
যেখানে দিনমান ঘুরপাক খায় আমার মনটা
সেটা এই বাজারে ব্শে দুষ্প্রাপ্য।
নজর ফেরাই যদি কানের ঐ দুলটায়
দেখি মরচে পরে গেছে তার ঝঙ্কারে
জানিনা কি আছে তোমার ঐ নাক ফুলটায়
তারও নাকি বরাদ্দ শেষ আজ ভোরে?
তোমার দৈর্ঘ্য-প্রস্থ জানা নেই
আমার নাদাবি হলফনামা
তোমার কাছে পৌছে গেছে
কেবল পৌঁছেনি রুলজারীর বার্তাটা
যেখানে বলা আছে -কেন তোমার ঐ
তিলটার একক মালিকানা হবে না আমার?
নোটিশ হাতে পেয়ে জবাব দিতে হবে চট জলদি
না হলে নতজানু হয়ে দাড়াঁতে হবে
ভালবাসার মুখোমুখি!
আমাদের আবেগ আমাদের বিশ্বাস
আমরা আদতে ছিলাম মুর্তিপূজারী, আমাদের রক্তে এখনও সেই মুক্তিপূজারী জীন, মাদল শুনলেই ভক্তিরসে টইটুম্বর হয় হৃদয় আর আদ্র হয়ে যায় চোখ, আমরা শ্রদ্ধাস্পদ পূণ্যবান মানুষ খুঁজি চতুস্পদের মতো আর যার তার উপরে অহেতুক মাহত্ব্য আরোপ করি। আমরা যাদের উপরে ভক্তি শ্রদ্ধা এবং মাহত্ব্যআরোপ করি তাদের মৃত্যুর জন্য আমরা অপেক্ষা করি প্রতিদিনই। আমাদের ভক্তিরসের চুড়ান্ত প্রকাশ ওরসে।
মাশাল্লাহ, আমাদের সেনাবাহিনীর কত উন্নতি হচ্ছে!
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং ভারতের সেনাবাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক ও যোগাযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৯ সালের শুরু থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন বিষয়ে সেমিনার, প্রশিক্ষণ ও মহড়ায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন নতুন বিষয়ে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি আগে যেসব বিষয়ে কখনও দেশের বাইরে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হতো না এখন সে বিষয়েও প্রশিক্ষণের সুযোগ দিচ্ছে ভারত।