ইউজার লগইন
ব্লগ
গল্প: নীলামনির গল্প
১
পাচ্ছি না একটুও শান্তি। নীলামনিকে সেদিন স্বপ্নে দেখলাম। দেখলাম কি, সে আমাদের বাড়ির একটা ঘর ভাড়া নিয়েছে। স্বপ্নে তো কতকিছুই দেখা যায়। আমি দেখলাম, এক ঘুঘু ডাকা স্তব্ধ দুপুরে ও ঘুমিয়েছে কিংবা ঘুমোনোর ভান করছে এমন সময় আমি গিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরেছি। ধরে বিছানার ওপরে দুইটা পাক দিয়েছি। তারপর হুটোপুটি শুরু করে দিয়েছি দু'জনে মিলে। নাকের সঙ্গে নাক ঘষছি আর দুইজনই খুব হাসছি। ও আমাকে বজ্জাত, হাড়কেলো ইত্যাদি বলে বলে কিল দেয়ার আর রাগ দেখানোর চেষ্টা করছে। আমি একসময় দুইহাতে ওর হাত দু'টিকে বালিশের দু'পাশে ঠেসে ধরে আটকে দিলাম। ওর আর তখন নড়াচড়া করার কোনো উপায় থাকলো না। কিন্তু ভীষণ লজ্জা পাচ্ছিলো বলে তাকিয়ে ছিলো অন্যদিকে। আমি অবশ্য চেষ্টা করেও ওর দিক থেকে চোখ ফেরাতে পারছিলাম না। নীলামনির মতো অনিন্দ্যসুন্দরী মেয়ে আমি আগে কখনো দেখি নি। পরে কখনো দেখবো এমনও মনে হয় না। ওর ঠোঁট থেকে আমার ঠোঁট তখন ঠিক এক ইঞ্চি দূরে। একটা রিনরিনে হাসির শব্দ ভাসছিলো অনেক দূরে কোথাও। আর আমি ওর বুকের ভেতর চলতে থাকা তোলপাড় স্পষ্ট অনুভব করতে পারছিলাম।
এক ছিলো গূড় আর অনেক ছিলো পির্ফা
তো একজন কইলো
: মনে হইতাছে, ___ ভাই আবারো কাঠির আগায় গুড় লাগাইয়া গেছেন! সব পিপড়া এক লগে হাজির হইতাছে এইখানে!!
ভাব্লাম, জুকার্বার্গের এত্তবড় একটা সাইট্রে কাঠি কইতেছে বেপার্টা কি?
জিগাইলাম কে গুড় আর কেডাইবা পির্ফা?
আসলেইতো???
আসল কাঠি কুনটা, গুড় কুন্টা আর পির্ফাই বা কারা...
আসলে ভেজাল হইছে কি, ইদানিং লুকজন খালি ঝিমায়।ঝিমায় আর জুকার্বার্গের সাইটে গিয়া একটা ঘরের ভিত্রে ঢুইকা ঝিমাইতে ঝিমাইতে আড্ডা মারে। এদিকে মাঠ খাখা করে। কেউ কস্ট কৈরা মাঠে আসে না, সবতে মিল্যা ঠিকঠাক মতো খেলাধুলাও করে না। এইটা আসলে ঠিক না। মাঠে নাম লেখাইয়া সেই মাঠে না আইসা ঘরের ভিত্রে বৈয়া বৈয়া আড্ডা দেওনটা আসলে একটু কেরাম কেরাম জানি লাগে।
যাই হৌক, ঘটনা হৈলো একজনে কইলো যে মাঠে না আইসা ঘরে বৈসা আড্ডা দেওন উচিত না, লগে লগে ঘরে ভিত্রে হাজির হয়া গেলাম আম্রা সবতে। পুলাপান সব খ্রাপৈয়া গেছেগা। কলিকাল ঘোর কলিকাল...
আমি অপারগ তোমায় বাঁচাতে, জেনো।
অনেকতো হল,
এবার ভেঙ্গে ফেলার পালা।ভেবেছো কিছু ?
প্রায় ৪০ টি বছর এদিক সেদিক, এগলি ওগলি ঘুরে ক্লান্ত হওনি যদিও,
হারাওনি শ্রী এতটুকু বরং ক্রমশঃ বর্ধিত,
হৃষ্টপুষ্ট উরুযুগল আরও হয়েছে দৃঢ়,
দৃঢ় এবং কাঙ্খিত সর্বজনে ।
তারপরও বলছি, ফিরে এসো।এখনি, পিছু হটো,
আজ রাত্রীর পর-কিংবা অল্প কিছু দূরেই, ঐ গলিটার মোড়েই, আড়ালে,
তুমি বেহাত হবে তোমার।
দীর্ঘ সময়ের সাধনায় বাগানো শিশ্ম উঁচিয়ে
ঠিক ওত পেতে আছে, ওরা।
এখনো সময় কিছু বাকী, ফিরে এসো, লুকিয়ে পড়ো,
কিংবা যদি, দিনের মধ্যবয়সে যাও মিশে মিছিলে,
কাঁচের চুড়ি ভেঙ্গে বজ্রমুষ্ঠিতে ঝরাও রক্ত,
ধরাও কাপন ঔ সভ্যতার (!) বুকে।হানো আঘাত।ভাঙ্গো সংস্কার।
কিংবা করি আহবান
“তীর্থে যাব, যাবে ?”
যদিও আমি অপারগ তোমায় বাঁচাতে, জেনো।
হিস্ট্রি বিহাইন্ড দ্যা সিক্সটিন ডেইজ এ্যাকটিভিজম
প্যাট্রিয়া মিরাবাল, মিনার্ভা মিরাবাল এবং মারিয়া তেরেসা মিরাবাল নামের তিনবোনের জন্ম ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের সিবাও অঞ্চলে। ত্রুজিল্লোর একনায়কতান্ত্রিকতার বিপক্ষে শক্ত অবস্থান এবং নারীর অধিকার আদায় বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহনের জন্য এই তিন বোনকে স্প্যানিশ ভাষায় ডাকা হতো "লাস মারিপোসাস" (প্রজাপতি) নামে। রাফায়েল লিওনিদাস ত্রুজিল্লো ছিলেন তৎকালীন সময়ে ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের একজন সামরিক শাসক যিনি সম্পূর্ন অগনতান্ত্রিকভাবে নিজেকে রাস্ট্রপতি ঘোষনা করেছিলেন। তার শাসনামলকে ২০ শতকের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী শাসনামল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গনতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এবং নারীর প্রতি শোষনরোধে বিভিন্ন বৈপ্লবিক কর্মকান্ড পরিচালনা করার জন্য স্বামীসহ মিরাবাল ত্রয়ীকে বহুবার কারাবরন করতে হয়েছিল। ১৯৬০ সালের ২৫ শে নভেম্বর কারারুদ্ধ স্বামীদের সাথে দেখা করার জন্য রুফিনো থেকে পুয়ের্তোপ্লাতায় যাওয়ার
না হলে তিনি হয়তো কান্না চাপতে চাপতে বলার চেষ্টা করতেন
যদি বলি বিষয়টা সাপোর্ট করতে পারলাম না, তাহলে হয়তো কেউ কেউ আপত্তি করবেন। গরীব মানুষ- এই জিনিসটা আমাদের সেন্টিমেন্টকে ভালোই নাড়া দেয়। একবার কোনোভাবে গরীব হয়ে পড়তে পারলেই তার জন্য সাত খুন মাপ। মাপ না হলেও সাজা কমবে অন্তত সত্তুর ভাগ। আমি গরীবিয়ানা সম্পর্কে বিষোদ্গার করতে চাই না। নিজেও সারাজীবন নিচু মধ্যবিত্ত জীবন যাপন করেছি। আজো অবস্থার খুব বেশি পরিবর্তন হয় নি। তাই গরীব হলে কেমন লাগে সে সম্পর্কে একেবারে ধারণা নেই, তা বলবো না।
হুদাহুদাই (১)
কোন মহিলা প্রথম বিদেশযাত্রা নিয়ে ভ্রমণকাহিনী লিখেছিলেন?
আমাকেও তুমি সাথে নিও
ভালবাসা দিও দুহাত খুলে,
বটবৃক্ষের শীতল মূলে,
তুমি নিয়ে এসো শত বৃষ্টি কণা,
আমি, শুধু আমি যদি হই আপনজনা।
ঘুমায় যদি, স্বপ্ন দিও,
কোলবালিশের মানুষ ভেবে,
আমাকেও তুমি সাথে নিও।
আমাকেও তুমি দিও আড়ি,
ভাঙা অভিমানে স্বপ্ন ছাড়ি,
যদি অলিক হও, তবু দেখতে দিও,
যাত্রা ভুলের যাত্রী করে,
আমাকেও তোমার সাথে নিও।
আমাকেও তুমি দিও গো ব্যথা,
যদি ভুল হয় ভুলের কথা,
ক্ষমা না কর তো শাস্তিই দিও,
পাপভোগ সব শেষ হয়ে গেলে
আমাকেও কিন্তু সাথে নিও।
এ মনে তুমি থাক যতদূর,
একটু একটু করে বহুদূর,
যদি ক্লান্ত তুমি, জিরিয়ে নিও,
আবার রথের যাত্রা হলে,
এই, আমাকেও তুমি সাথে নিও।
মেঘবন্দী (৩) ... অনিন্দ্য রাত্রিপ্রাঙ্গণে পুনর্বার / মেঘ অদিতি
অনিন্দ্য রাত্রিপ্রাঙ্গণে পুনর্বার
মেঘ অদিতি
একটা ঘুড়ি উড়ছিল একটু আগেও। নাটাই হাতে হাফপ্যান্ট পরা ছেলেটি ঘুড়িটাকে পাকা নাচিয়ে হাতে ওড়াচ্ছিল। তারপরই ভোঁকাট্টা, এখন একলা হয়ে ঝুলে আছে গাছের ডালে। বৃষ্টিহাওয়া ঘুড়িটাকে ছেলেটির কাছ থেকে আলাদা করে উড়িয়ে এনে বসিয়ে দিয়েছে অন্য জায়গায়, ছেলেটি বৃষ্টিতে ভিজছে আর বোকা বোকা চোখে ওর ভিজতে থাকা নেতিয়ে পড়া গোলাপী-সাদা ঘুড়িটার দিকে তাকিয়ে আছে। গলির মুখে আটকে যাওয়া অনেকের সাথে নীল সালওয়ার-কামিজ বৃষ্টি থেকে নিজেকে বাঁচাতে মাথায় তুলে দিচ্ছে আকাশনীল ওড়নার আড়াল। সেঁটে যাচ্ছে আরও বেশী করে দেয়ালের সাথে। মুঠোফোনে তাড়া দেওয়া প্রেমিককে এইমাত্র রাগীমুখে যেন ধমকে উঠল সে, তারপর ফোন ব্যাগে পুরে অখন্ড মনোযোগ ঢেলে দিল মুখ আর হাতের বিন্দু বিন্দু জলকণার প্রতি।
সকল মহামান্য ব্যাক্তি বরাবর
ইদানীং যা চলছে দেশে এই সব নিয়ে কথা বলতে আর ইচ্ছা আমার করে না। কোন সুস্থ মানুষের কিছু আর বলার থাকতেও পারে না। এক অধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগম উনার কথা মনে হলেই আমার আত্মতৃপ্তিতে ঢেকুর উঠে। আহা, এখনি চোখ ভারী হয়ে আসছে। এত প্রগতিশীল মহিলা দেশে আছে ভাবতেই মনটা ভরে যায়। কিন্তু ম্যাডাম হোসনে আরা আপনি কি জানেন নাবালিকা একটা বাচ্চার সাথে সেক্স করলে সেটা সেক্স থাকে না? সেটা হয় রেপ। নাকি এইটুকু ঘুলি পরমেশ্বর আপনার মাথায় দেয় নাই? আপনার কি জানা আছে মিউচুয়াল সেক্স হওয়ার জন্যে “কনসেন্ট” নামে একটা জিনিস লাগে। কিন্তু মহামান্যা মাথামোটা অধ্যক্ষা সাহেবা, ১৮ এর নিচে (ক্ষেত্র বিশেষে ১৬) একজন নাবালিকা কখনোই সম্মতি দিতে পারে না। মহামান্যা আপনি কি জানেন শুধু মাত্র এই কারনে এই দেশে ১৮ এর নিচে বাচ্চাদের যদি সম্মতির নিয়ম থাকতো কত মেয়ের বাল্য বিবাহ হতো?
চেনা সুখের অচেনা দুঃখ !
আজকাল প্রায় সময়ই নিজেকে খুব শূন্য শূন্য মনে হয়। কেমন যেন দুঃখ দুঃখ ভাব। সামান্য সামান্য দাড়িতে নিজেকে ওটার সঙ্গী করতে বেশ ভালোই লাগে। একটা কিচ্ছু যদি ভালো লাগে! নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করার চরম পরীক্ষাগুলো দিতে মজায় লাগে। যদি জয়ী হওয়া যায় তাহলে খুব সুখী মনে হয়। তবে আমার নিজের কষ্ট বলে যেমন কিছু নেই, তেমনি সুখ বলেও কিছু নেই। যা আছে তার সবটুকুই যেন ধূসর মরিচীকা মাত্র।
খুব ছোটবেলা থেকেই কেমন যেন নিজের কষ্টগুলোকে কষ্ট বলে মনে হতোনা। আবার অন্যের কষ্টগুলোকে মানতে পারতাম না। নিয়তি আর বাস্তবতার কাছে বেশ ভালো ভাবেই হেরে যেতাম আমি। বুঝতে দিতাম না কাওকেই, চোঁখ বুজে মেনে নিতাম সব কিছুকে। একা চলার ক্ষমতা যেমন আমার ছিলনা, তেমনি একা চলতেও আমাকে বাধা দেয়নি কেও কথনো। যতটুকু শিখেছি পরিবার কেন্দ্রিক তার সবটুকুই যেন সোনা। তারপরেও কেন জানি আমার ভিতর লক্ষ্য করার মত কোন কিছু নাই।
মৃত্যু বিষয়ক উপলব্ধি অথবা একটি মৃত্যু বিষয়ক উপপাদ্য
অপঘাতে মৃত্যু সুখের, প্রতিশোধের মৃত্যু বিস্ময়ের
আমাকে না জানিয়ে চোখ খুবলে নিলে,
পরদিনও আকাশ দেখতে চাইবো,
আমার আকাশ তখন ধারণ করবে কৃষ্ণবর্ণ,
অথচ জানবোই না আমার পরিচিত চোখ
এখন এলিয়ে পড়ে আছে তোমার ব্যালকনিতে...
আমি তো আসলে জানতে চাই...
অন্ধ হওয়ার আগে আমার চোখের আর্তি
তোমাকে আনন্দ দেবে,
আমি স্মৃতির বিরহে কাতর তাকাবো
অথচ তখন দৃষ্টিটাই নেই আমার,
দেখতে না পেলে অক্ষিকোটরের কোনো মূল্য নেই।
একটা সাদা দেয়ালের শান্ত গায়ে
লিখে রাখি জীবনের উপপাদ্য
মৃত্যু + অভিজ্ঞতা = ০ (শূন্য)
ক্যাফেকথন
আমি সাধারনত চকচকে-ঝকঝকে জায়গা একটু এড়িয়ে চলি। বড়লোক, মিডিয়া পার্সোনালিটি, সমাজ সংস্কারক, আর্ট-সমালোচক, সংস্কৃতি-বোদ্ধা, সুন্দরী সোসালাইট—এই গ্রুপের লোকজন দেখলে আমার কেন জানি একটা টেনশন তৈরী হতে থাকে। তাদের নানারকম ভাঁজের আলাপ শুনতে শুনতে এক পর্যায়ে সেটা পরিনত হয় হীনমন্যতায়। যতক্ষন তাঁরা সামনে থাকেন আমার মনে অদ্ভুত সব চিন্তা ঘুরতে থাকে (আচ্ছা, আজ কি চুলে শ্যাম্পু করেছিলাম?/ মুনীর চৌধুরী যেন শেষ কোন নাটক লিখেছিলেন?/ বামদলগুলো কি আবার দেশ গেলো, দেশ গেলো রব তুলেছে?/ পিকাসো’র ব্লু-পিরিয়ডের ত্বাত্তিক মাহাত্ব্য নিয়ে সবাই এত চিন্তিত কেন?/ নাহ, এবার বুনুয়েলের ছবিগুলো দেখতেই হবে)। মোটের উপরে, আমি কি কি জানিনা, কি কি বুঝিনা, কি কি দেখিনাই, কি কি করিনাই—জীবনের সেই সবগুলো ব্যার্থতাগুলোকে জোর করে ইনারা আমার ঘাড়ে সিন্দাবাদের বুড়োর মত চাপিয়ে দ্যান। আমি হাঁসফাঁস করতে থাকি দিনের পর দিন। বন্ধ
শুভ জন্মদিন তানবীরা'পু

শুভ জন্মদিন তানবীরা'পু। আমি সারাদিন একবারও আপনাকে উইশ করার সুযোগ পাই নি। অথচ দুপুর থেকে জানি আজ (এতক্ষণে সেটা ইয়েস্টারডেও হয়ে গেছে) আপনার জন্মদিন। মৌসুম দেখলাম প্রথম শুভেচ্ছা জানিয়েছে। যেটা নিশ্চিতভাবেই আমার জানানোর কথা। যাক্ বেটার লেট দ্যান নেভার।
কিন্তু কথা হচ্ছে আপনি কি আমাকে ভুলে গেলেন? জন্মদিনে কি কি গিফট পাইলেন? ভাইয়া কি দিলো? পিচ্চি কি দিলো? আর আপনি কি করলেন? কেমন কাটলো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী? এই জিনিসগুলো সামনাসামনি বসে চা-বিড়ি সহকারে আলোচনা করতে পারলে বোধহয় ভালো লাগতো।
গল্প: হাল্কা প্রেমের গল্প
রাত হয়েছে। হিম শীতল হাওয়াতে জড়িয়ে যায় সাবেত। কিছুক্ষণ পরপর গাড়ির হর্নের আওয়াজ আসে। খুব জোরে নয়। মনে হয় আওয়াজগুলো খুব চুপে চুপে রাতের নিরবতা ভেদ করে এগিয়ে আসে। কিংবা আওয়াজটা সাবেতের কাছ হয়ে আরও দূরে গিয়ে হারিয়ে যায়।
সাবেতের হাতে সিগারেট। ধোঁয়া উড়ে। ধোঁয়াও হারিয়ে যায় বাতাসে।
বিষাক্ত ধোঁয়া কি বাতাসে চিরকাল থেকে যায়? এমন প্রশ্ন হুট করেই তার মনে আসে। সে ভাবে; আর সিগারেটে ফু-লাগায়। ধোঁয়া আবার বের হয়। আবার হারিয়ে যায়। ধোঁয়ার সাথে বাতাসের খেলা। মজা লাগে।
এমনই খেলা সে শুরু করেছিল মাসখানেক আগে। বন্ধুদের সাথে খেলা। অফিসে নতুন জয়েন করা সিনিয়র ম্যানেজার ম্যাডামের সাথে খেলা।
ম্যাডাম দেখতে সুন্দর না। চেহারাতে বয়সের ছাপ আছে। বয়স হবে ৩৫ কিংবা ৩৬।ম্যাডাম খুব স্মার্ট। কথা বলার ভঙ্গিটা খুব সুন্দর। মায়া লাগে।
পুরান গপ
বাংলা সিনেমার একটা ভয়াবহ হিট গান আছে রুনা লায়লার। যদ্দুর মনে অয় সিনেমাতে অঞ্জু ঘোষ (সিওর না, মাসুম ভাই কৈতারবো) এই গানের লগে লিপসিং করছিলো। গানটার কতা এই রকম আছিলো-
এই বৃষ্টি ভেজা রাতে চলে যেওনা.... একটু কর করুনা । এই খানে গীতিকার ক্যান যে করুনা শব্দটা ব্যবহার করছে- সেই জানে ! আমারো আইজকাল ক্যান জানিনা, লোকজনরে করুনা করতে ইচ্ছা করতাছে 