ইউজার লগইন
ব্লগ
"নেভার লেট মি গো"
কোনো কোনো ছবি দেখে হঠাৎ বিষন্ন হোয়ে যাই, কাজুও ইশিগুরোর "নেভার লেট মি গো" উপন্যাসের চলচিত্রায়ন দেখেও একই রকম বিষন্ন হলাম। যদিও উপন্যাসের পরিসরে যেভাবে বিষয়টা উঠে আসা সম্ভব ছবিতে সেভাবে অনেক কিছুই উপস্থাপন করা সম্ভব না, মাঝে মাঝে শব্দ ছবির চেয়ে শক্তিশালী হতে পারে, আমার এমনই ধারণা।
ধর্ম বিক্রি বন্ধ করতে হবে
আমি ঢাকায় বেড়ে উঠেছি। ছোটবেলা থেকেই বেড়ে উঠেছি সংস্কৃতিমনা পরিবারে। যেখানে গান-বাজনা-নাচ-বিতর্ক কোন কিছুতে বাধা নেই। নির্বিকারভাবে তিন ভাইবোনের যা করতে ইচ্ছে হতো তাই করতে পেরেছি। কারও খাবার প্লেটে ভাত বেশি আর কারও প্লেটে কম এই বিষয়টির সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় ‘মিনা কার্টূনের’ মধ্য দিয়ে। সেই কার্টূনে দেখেছি মিনাকে মাছের ছোট টুকরা দেয়া হয় আর মিনার ভাইকে দেয়া হয় বড় টুকরো। সমাজ সচেতনার নানান উদ্যোগ মাঝে মাঝে শিশুদের মনে আটকে যেতে পারে। আমার মনেও আটকে গিয়েছিল। একজন মার কাছে সন্তানের বিভেদকরণ অত্যন্ত ভয়াবহ ইঙ্গিত বহন করে। ভাবতেই পারি না আমার মা অথবা বাবা তার সন্তানকে ছেলে- মেয়ে ভাগে ভাগ করে নিবেন।
কালবেলার সেই মাধবীলতা

মাধবীলতার কথা মনে আছে? সেই যে অনিমেষের মাধবীলতা।
একটা সময় গভীর প্রেমে পড়েছিলাম মাধবীলতার। মাধবীলতা যদিও আমার প্রথম প্রেম ছিল না। প্রথম প্রেম ছিল মেমসাহেব। জীবনে একজন মেমসাহেব থাকবে, তার প্রেরণায় আমি বিরাট কিছু হয়ে যাবো তাও যে ভাবিনি তা নয়। কিন্তু মেমসাহেবের মৃত্যু মেনে নিতে কষ্ট হতো। এদিক থেকে নিমাই ভট্টাচার্য বেশ নিষ্ঠুর। এরপরে প্রেমে পড়েছিলাম সুনন্দার। চলতি পথে কোনো এক সুনন্দার সাথে হঠাৎ দেখা হওয়ার কথা খুব ভাবতাম। কিন্তু চারুদত্ত আধারকারের বঞ্চনার জন্য সুনন্দা কতটা দায়ী সে বিতর্ক এখনো আমার মনে রয়ে গেছে। এর পর প্রেমে পড়ি মাধবীলতার। আহা! মাধবীলতা।
হ য ব র ল - ৪
২০১০ সালের শেষ লগ্নে আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড লিষ্টের প্রায় ৬০% মানুষের স্টেটাসটি এরকম ছিলো যে “২০১০ সালের মত এমন খারাপ বছর যেন আর দেখতে না হয়”। আসলেই কি তাই হচ্ছে? ২০১১ সালের শুরু থেকে চারিদিকে কেবল মৃত্যু আর মৃত্যু। মাত্র এপ্রিল মাস শুরু, এই তিন মাসের মাঝে চেনা পরিচিতদের মাঝে প্রায় ৭-৮টি মৃত্যু সংবাদ।
১. আমার এক চাচী (আব্বার কাজিনের ওয়াইফ), আগুনে পুড়ে গিয়ে ঝলসে যাওয়া দগদগে শরীর নিয়ে কষ্ট করলেন। মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করলেন টানা দুই মাস। কিন্তু শেষমেশ কিছুদিন আগে পরাজিত হলেন মৃত্যুর কাছে।
২. কিছুদিন আগে সিলেটে এক তরুনী তার ঘরের কাজের মেয়েটি সহ খুন হলেন। অনেকেই হয়তো খবরটি জানেন, পেপারে পড়েছেন। সেই মেয়েটিও আমার দূরসম্পর্কের আত্মীয়। সামান্য ৩০ হাজার টাকার জন্য কত নৃশংস ভাবে মৃত্যু হলো তার। সেদিন তার নিকটাত্মীয়র কাছে শুনলাম পুরো কাহিনী। মারা যাওয়ার পর আটদিন তার লাশ পরে ছিলো ঘরের মেঝেতে। আটদিন? মৃত্যুও তো শান্তি দিলো না মানুষটাকে।
২০৩৬ - এ ব্লগ স্টোরি
হঠাৎ ডান হাতে চাপ বোধ হলো। কোনভাবে দূর করতে পারছি না। মনে হলো নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। মাংসের মধ্যে কিছু একটা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। চাকা চাকা পিন্ড জোট পাকাচ্ছে। ভয় পেয়ে গেলাম, প্যারালাইজড হয়ে যাচ্ছি না তো!
মাউস ধরতে গিয়ে বিপত্তি। একমাত্র নাতিটা এ নিয়ে বেশ কথা শোনায়। “এখনও তুমি মাউস ব্যবহার করো? কবে যে একটু আধুনিক হবে! সেই পুরানো ওয়েবে পড়ে আছো ত্রিশ বছর যাবত!” কিন্তু মেমরী স্ক্রিনে তেমন সুবিধা পাই না। মাউস, কীবোর্ড চেপে এখনও শান্তি মেলে। হাতের ভেতরে জোট পাকানো ক্লাস্টার গুলো আলগা হলো। মাংস আর রক্তের মধ্যে স্বাভাবিক ত্বরণ শুরু হয়েছে।
যৌনতার ইতিহাস আর কিছু যৌনসর্ম্পকের ভিডিও বিষয়ক আলোচনা...
সূচনা:
“সিফফিনের যুদ্ধ ও আমিনীর হরতাল”
দুটো ঘটনাই অতীতের, একটা সুদূর অতীত আরেকটা নিকট অতীতের। গত দুই দিন ধরেই আমার মন কেবল খচ খচ করছে, তাই খচখচানি থামানোর জন্য লিখতে বসলাম।
১) সিফফিনের যুদ্ধঃ-
সময়ঃ- জুলাই মাস, ৬৫৭ খৃষ্টাব্দ।
স্থানঃ- সিফফিন, ইউফ্রেটিস নদীর তীর, ইরাক ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা।
প্রথম পক্ষঃ- হজরত আলী- (ফাতিমার স্বামী ও নবীজির জামাতা, বহুল পরিচিত, তাই অধিক পরিচয়ের দরকার আছে বলে মনে করছিনা)।
দ্বিতীয় পক্ষঃ- হযরত মাবিয়া – (পিতা আবু সুফিয়ান, মাতা- হিন্দা, এই সেই হিন্দা যিনি নবিজীর চাচা আমির হামজার হৃদপিন্ড কাঁচা চিবিয়ে খেয়েছিল। আর আবু সুফিয়ান- যিনি সারা জীবন নবীজির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে শেষ বয়সে প্যাদানির ডরে মুসলমান হয়ে পিঠ বাঁচানোর জন্য নিজের মেয়েকে নবীর সাথে বিয়ে দেন। মাবিয়ার আরো একটা বড় পরিচয় আছে, তিনি হলেন বহুল পরিচিত ‘ইয়াযিদ’- মানে এযিদের পিতা)।
জীবিকা অথবা জীবন- ১১, ১২, ১৩
১১
সেদিন শহিদ মিনার থেকে ফিরে আসার পর মনু মিয়ার জীবনটা যেন আরো জটিলতার ঘেরাটোপে আটকে গেল। সবার আগে ঘোড়াগাড়ি থেকে নেমে গেটে ধাক্কা দিতেই ভেতর থেকে কেমন হুটোপুটির শব্দ ভেসে আসে। সে যেন মৃদু কথাবার্তাও শুনতে পেলো বলে মনে হলো। তাই সে আরো জোরালো আর দ্রুত শব্দ তোলে গেটের ধাতব পাতে। সেই সঙ্গে খানিকটা চিৎকার করে ডেকে ওঠে, আজগর বাই! ওই আজগর বাই! হুনছেন
খানিক পর আজগর গেট খুলে সবাইকে একই সঙ্গে দেখতে পেয়ে কেমন ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়। তরা আইতে না আরো দেরি হওনের কথা আছিলো? কথা বলার সময় জিভের আগায় শব্দগুলো যেন জড়িয়ে যায় আজগরের।
পেছন থেকে সালমা বেগম ধমকে উঠে আজগরকে বললেন, এতক্ষণ কি করতাছিলি?
আজগরকে অকস্মাৎ দিশেহারা মনে হয়। কেমন এক শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে
সূর্যরাঙ্গা পরানপুর
আমার এক বন্ধু আছেন নিউ ইয়র্কে থাকেন-- স্বভাবে মধ্যবিত্ত, অভাবে গল্পকার, কিভাবে কিভাবে যেন ফিল্ম পরিচালকও। সবচেয়ে বড় পরিচয় তার, সে হইলো ব্যাপক আড্ডাবাজ। আগে প্রায় দেখা সাক্ষাত হইতো এখন দূরে থাকি বিধায় ফোনে কথা হয় মাঝেসাঝে। উনি সুযোগ পাইলে পচানি দিতে ছাড়েন না আমাকে, "শুনেন শুনেন... কেবল তো আইসেন, ৫ বছর কাটুক ঢাকার নামটাও মুখে নিবেন না। কি নাই এই শহরে। ঢাকার জন্য কান্দেন ক্যান। আপনি হইবেন বিশ্বনাগরিক, ঢাকা ঢাকা করলে চলবো?"
গল্প: বাক্সবহির্ভূত পুতুল
ইংলিশ রাজ্যের ফুটপাথে কেউ গ্লাভস্ না খুললে তার সঙ্গে হ্যন্ডশেক করা হয় না। আমেরিকার পথেও একজন ভদ্রলোক কখনোই গ্লাভস্ না খুলে কোনো সুন্দরীর সঙ্গে হ্যন্ডশেক করে না। তবে দু'দেশেই অপেরা কিংবা উচ্চমার্গীয় পার্টি কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোয় গ্লাভস্ না খুলেই অনেকে কাজ চালিয়ে দেয়। এটা হচ্ছে ডিমান্ড অভ সিচুয়েশন। মানবসমাজে প্রচলিত এই হ্যন্ডশেকের রীতিটা আমার কাছে বেশ উপাদেয় ও স্বাস্থ্যকর মনে হয়। এতে মানুষে মানুষে ঘনিষ্ঠ যোগসাজশ ঘটে। কেননা দু'জন মানুষের মধ্যে স্পর্শ বিনিময়ের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে-মাংসে একটা সুক্ষ্ণ দ্যোতনা সৃষ্টি হয়, যা মানুষকে সামান্য হলেও প্রভাবিত করে।
আমি নিজে অনেক বড় বড় বিপদ থেকে উদ্ধার পেয়েছি হ্যন্ডশেকের কল্যাণে। আবার মজার অনেক ঘটনাও আছে হ্যন্ডশেক নিয়ে। দুনিয়ায় কখনো কখনো চূড়ান্ত আনপ্রেডিক্টেবল এবং আউট অভ বক্স প্রকৃতির মানুষের দেখা পাওয়া যায়। নিয়া ছিলো তেমনই একজন মানুষ। ওর সঙ্গে চমৎকার একটা সম্পর্ক হয়তো হতোই না, যদি প্রথমদিন হ্যন্ডশেক নিয়ে একটা গণ্ডগোল আমাদের মধ্যে না হতো।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -৭
কিছু ভাবার না পেয়ে বা ভাবতে গিয়ে আটকে গিয়ে বৃক্ষ গুনতে শুরু করলাম। নদীর বুক চিড়ে দৌড়ে যাবার তাড়া নেই ভাসমান যানের, কেউ একজন গিয়ে বলে এসেছে ক্যাপ্টেনকে ধীরে চলতে। বড় নদী ছেড়ে সুন্দরবনের ভেতর থেকে প্রবাহিত শাখা নদীতে। দিবস-সায়াহ্নে নির্জনতা প্রখর হয়ে ওঠে। অভূতপূর্ব গুঞ্জন আছড়ে পড়লো - দিবসের কোলাহল তাড়িয়ে। সূর্যালোকের কিরণ সশব্দ বিচ্ছুরিত হয়, আর আঁধারের থাকে কোমল শব্দমালা। হরিদ্রা বর্ণের কোঠরে সবুজাভ সংমিশ্রণ যেন দূর্দান্ত ক্যানভাস তৈরী করেছিলো। এক, দুই থেকে হাজার ছাড়িয়েও ক্লান্তিহীন গণনা চলছিলো আমার।
যতো দোষ রিকশা ঘোষ!
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন জানিয়েছেন, ঢাকার ব্যস্ত রাস্তা থেকে পর্যায়ক্রমে রিকশা উঠিয়ে দেওয়া হবে। রিকশা উঠিয়ে দেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি মূলত যানজটের কথা উল্লেখ করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ উক্তির মাত্র দুদিন আগে ঢাকার রাস্তায় রিকশাচালকরা ধুন্ধুমার কাণ্ড করেছে। রামপুরা-মগবাজার-মৌচাক ব্যস্ত সড়কে রিকশা চলাচল বন্ধের প্রতিবাদে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে রাস্তা অবরোধ করেছে, গাড়ি ভাংচুর করেছে। পরদিন ভাঙা গাড়ির আরোহী, কান্নারত ও ভয়ার্ত এক শিশুর মানবিক আবেদন-সমৃদ্ধ ছবি ছাপা হয়েছে প্রায় সবকটি শীর্ষ দৈনিকে। এ ছবি দেখে নাগরিক সমাজ স্বভাবতই বিহ্বল হয়েছেন; বোধকরি কান্নারত শিশুর জায়গায় নিজের কিংবা পরিচিত কোনো শিশুর মুখাবয়ব কল্পনা করে শিউরেও উঠেছেন।
গোলাপবালা....

জানো তো, ভালোবাসা কেমন?
আমার হাতের এই গোলাপবালাটার মতোন
চিরযৌবনা, যুগে যুগে বারে বারে ফিরে আসে
সেই একই রূপ নিয়ে, একই আবেদন নিয়ে...
চিরসুন্দরী...
মা'র যুগেও যা, মেয়ের যুগেও তা....
রঙীন... জ্বলজ্বলে...দগদগে...
গোলাপবালা'র সৌন্দর্য্য পুরনো হয়না....
ভালোবাসারও...... ।।
মাঝে মাঝে শুধু সাদা-কালোয় হারিয়ে যায়
রক্ত লাল ভালোবাসা....
--
শিরোনামহীন/ পুত্তলিকা/ পুতুল
১৯শে এপ্রিল ২০০৯, রাত ১টা ৩৯।
ছবি : পুতুলের হাত 
[কবিতাটা জেবীন আপার জন্য পোস্ট করলাম]
হ য ব র ল - ৩
১. আজ বেশ কিছুদিন যাবৎ নিজেকে কেমন জানি অগোছানো লাগছে। সবই ঠিক আছে। বাবা-মা, ছেলে-স্বামী, ভাই-বোন, সংসার – সব ঠিক আছে। কোন কিছুতেই তেমন কোন অসুবিধে নেই, তবুও কেন এমন লাগছে আমি জানিনা।
২. আমার জীবনের বেশি’র ভাগ সময় আমি ঘর কুণোই ছিলাম। বন্ধু-বান্ধব, আড্ডা, ঘুরে বেড়ানো এগুলোতে খুব পাগল কখনই ছিলাম না। এমনকি বৃষ্টি’তে ভেজা, অজানা উদ্দেশ্যে হেঁটে বেড়ানো, এগুলোর জন্যও নিজের মধ্যে কখনো কোন আকর্ষন বোধ করিনি। কিন্তু আজ-কাল কেন জানি এই সমস্ত কিছু আমাকে খুব টানে। এগুলো’তে ডুবে থাকতে খুব ইচ্ছে করে আমার। কিন্তু কেন করে, আমি জানিনা।
৩. আমি খুব ছোটবেলা থেকেই খুব জেদী স্বভাবের। না এটা আমার কোন গুন না। এটা আমার একটা দোষই বলা যায়। কিন্তু আমি এরকমই। একটা সময় চেষ্টা করেছিলাম নিজেকে বদলাতে। সেই চেষ্টা’র ফলে আমার জেদ করার পরিমানটা কমেছে ঠিকই, কিন্তু জেদ এর গভীরতা কমেনি। মানে জেদ করিনা করিনা, কিন্তু যখন মাথায় জেদ চাপে তখন সব শেষ। তবে এখন আর সেই জেদ দমানো’র চেষ্টাও ছেড়ে দিচ্ছি আস্তে আস্তে। কারন, আমার জন্য যেহেতু দুনিয়ার কোন নিয়ম বদলায় না, তাহলে আমি কেন “দুনিয়া কি মনে করবে” ভেবে নিজেকে বদলাবো?
আমার সোনালী হলুদ সূর্য ডোবার কিনারায়
মাঝে মাঝে সিরিয়াস রকম উইয়ার্ড (weird) অবস্থা তৈরী হয়। ভদ্রলোকী-অভদ্রলোকী কোনো কাজ করেই মন ওঠে না। এমন হলে খুব নাজুক পরিস্থিতিতে পড়ে যাই। কেননা আমার দু'টো মুখোশ আছে। দু'টোই যখন আমাকে আড়াল করতে ব্যর্থ হয় তখন ভেতরে ভেতরে অস্থির না হয়ে পারি না। অস্থিরতা কমাতে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গেলাম সেদিন। 'না না আজকে আমি জামাইএর সঙ্গে বাইরে যাবো। তুমি চলে যাও।' দ্রুত স্থানত্যাগ করলাম।
সে সময় কেন জানি মাথার ভেতর তিন পাগলের হলো মেলা গানটি বাজছিলো। লালন সাঁইএর তিন গুরু- শ্রীচৈতন্যদেব, শ্রী নিত্যানন্দ ও অদ্বৈত আচার্য। পনেরো শতকে জন্ম নেয়া তিন বাউন্ডুলে। আবার তিন বৃহত্তম মানবপ্রেমিক। আমার পরিচিত আরো দুই মানবপ্রেমিক হচ্ছেন, স্বামী বিবেকানন্দ ও তাঁর গুরু শ্রীরামকৃষ্ণ। এরা আবার উনিশ শতকের মানুষ। মনে পড়ে গেল একটি গল্প।