ইউজার লগইন
ব্লগ
জামাই- বৌ
(বৈদেশী আপা তানবীরারে উৎসর্গ...)
বেচারী মহিলারা
জামাইয়ের গায়ে হাত তুললে – নর নির্যাতন
জামাই বৌয়ের গায়ে হাত তুললে – নারী নির্যাতন
জামাইকে কারো সাথে দেখে ফেললে – আইজ তোমার এক দিন কী আমার দুই দিন
জামাইকে কারো সাথে দেখে ফেলে কিছু না বললে – অসম্ভব বিষয়
জামাই ঘরের বাইরে থাকলে – অফিসের নামে লটর পটর
বৌ ঘরের বাইরে থাকলে – শপিং
জামাই ঘরের ভিতরে থাকলে – সারাদিন ঘ্যান ঘ্যান কাওয়ালী
জামাই বাচ্চাদের বকলে – পাষাণ
বৌ বাচ্চাদের বকলে – শাষণ
জামাই বউদের চাকরী করতে না দিলে – সন্দেহবাতিকগ্রস্ত/হিংসুটে
বউদের চাকরী করতে দিলে – বউয়ের দেমাগ বাড়তে সাহায্য করা
জামাই মায়ের কথা শুনলে – বেকুব
জামাই বউয়ের কথা শুনলে – ভেড়া
চলচ্চিত্র রিভিউ: হাজারো খাওয়াশেই এ্যায়সি (২০০৩)

ক্রিকেট বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে গৃহপরিচারিকারে ধর্ষণের অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত শাইনি আহুজার ভিন্ন কারাগারে স্থানান্তরের খবরটা পত্রিকার এক কোনায় পইড়া থাকলেও আমার নজরে পড়লো। বিষয়টা আকষ্মিক। ভারতীয় সিনেমার খুব বেশি ভক্ত না হওয়ায় শাইনি আহুজা নামের এই অভিনেতার নাম আগে কখনো শোনা হয় নাই। কিন্তু সাত বছরের দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত এই ধর্ষক পুরুষের সাজারে যখন সালমান খান কিম্বা ফারহান আখতারের মতোন তারকারা লঘু পাপে গুরু দণ্ড বইলা পত্রিকাতে বিবৃতি দিলো তখন একেবারেই অভ্যাসবশতঃ তারে নিয়া ইন্টারেনেটে খোঁজাখুঁজি শুরু করলাম।
হ্যাপি ম্যান''স ডে
বেচারা পুরুষরা
মেয়েদের গায়ে হাত তুললে – জালিম
মেয়েরা তাদের গায়ে হাত তুললে – বুজদিল
বউকে কারো সাথে দেখে ফেলে কিছু বললে – জেলাস
বউকে কারো সাথে দেখে ফেলে কিছু না বললে – মিনমিনে
নিজে কারো সাথে বের হলে – বেঈমান
ঘরের বাইরে থাকলে – আওয়ারা
ঘরের ভিতরে থাকলে – অকর্মা
বাচ্চাদের বকলে – জালিম
বাচ্চাদের না বকলে – দায়িত্বহীন
বউদের চাকরী করতে না দিলে – সন্দেহবাতিকগ্রস্ত
বউদের চাকরী করতে দিলে – বউয়ের কামাইয়ে চলা
মায়ের কথা শুনলে – বাবু
বউয়ের কথা শুনলে – হাবু
একটি হিন্দী চেইন মেইলের অনুবাদ। সময়ের স্বল্পতা'র জন্যে ছন্দ মিলাতে পারিনি। 
কেউ মিলিয়ে দিলে আপডেট করে দিবো। তবুও পুরুষজাতিকে শুভেচ্ছা জানাতে ভুললাম না 
আমার আমি
আমি আসলে খুবই অপদার্থ কিসিমের পাবলিক। ভালো কোন কাজ, ভালো কিছু ধরে রাখতে পারি না। গান, পড়ালেখা, লেখালেখি কোনটাই জীবনে ঠিক করে করলাম না। অথচ সুযোগের আমার অভাব ছিলো না। এখন যে আমার জীবন বা সুযোগ কোনোটা শেষ হয়ে গেছে তাও না। কিন্তু ওই যে বললাম আমি অপদার্থ।
মাঝে মাঝেই মনে হয় একটু পদার্থ হওয়া দরকার। কিন্তু পদার্থ হওয়ার জন্য তেমন কিছুই করি না। মা-বাবা, ভাই-বোন, বোনের জামাই- ভাইয়ের বউ সবাই এত্ত এত্ত ভালোবাসে আমাকে। অথচ কারও জন্যই আমার তেমন কিছু করা হয় না। বাসায় সবার ছোট হওয়াটাই যে আমার এত ভালোবাসার কারণ তাও না। সব বাসাতেই কেউ না কেউ ছোট থাকে। কিন্তু আমার মত এত আদরে কেউ থাকে না।
কিছুদিন আগে একটা "এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম" এর জন্য গিয়েছি ইন্টারভিয়ু্ দিতে। আমাকে বলা হলো - “তোমার জীবনের এমন কোনো একটা ঘটনা বলো যেটা তোমার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিলো এবং কিভাবে তুমি সেটা ফেস করেছিলে”।
আজ আমায় চলে যেতে দাও
আজ আমায় চলে যেতে দাও
আমি আবার একটু নতুন করে বাঁচতে চাই
আরেকবার জীবনটাকে শুরু করতে চাই
কতদিন ভোর হওয়া দেখিনা, কাশবনেও যাইনা কতোকাল
শেষ কবে বৃস্টিতে ভিজেছিলাম মনে ও নেই...
খুব ইচ্ছে করে আজকাল, খুব খুব...
আবার সেই উদ্দাম জীবনটা ফিরে পেতে
আবার সেই হারিয়ে যাওয়া "আমি" কে খুঁজে পেতে
জীবনটাকে নতুন করে সাজিয়ে, নিজের জন্য বাঁচতে
আজ আমাকে ধরে রেখনা, আজ আমায় কোন বাধা দিও না
দোহাই লাগে, আমায় চলে যেতে দাও...
~ পুতুল
৫ই এপ্রিল ২০১১
রাত ১২-৪৫ এর দিকে
সিলেট
এটি একটি প্রেমের গল্প হতে পারত
রেল-লাইনের স্লিপারের প্রতি কোনোকালেই আমার আগ্রহ ছিল না। কোনোদিন পথের প্রয়োজনে হয়ত রোদ জর্জরিত দুপুরে দৌড়ে, কখনো হেঁটে পার হয়েছি অসমান্তরাল সমাজের সাথে বেমানান সমান্তরাল দু’টো পাত ধরে। আজ বাড়ি থেকে বের হয়ে যখন কোনো রিকশা পাচ্ছিলাম না, ওদিকে হাতে সময় কম- তাই শর্টকার্ট হিসেবে রেললাইনের পথটাই বেছে নিলাম।
ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে কেবল। জন-মানুষহীন রাস্তায় কেবল মিহি দানার মতো আলো। এই আলোর মতোই যেন আমার অস্তিত্ব; তবে কখনো পরিপূর্ণ হয়ে ফোটে না,ফুটলে সন্ধ্যা হয়ে যায় তাড়াতাড়ি, অথচ আমি অনেকদিন ধরে অপেক্ষায় আছি, একটি পবিত্র আলোর জন্য, যে আলোতে আমার কদাকার মুখের মুচকি হাসি হঠাৎ করেই নিভে যাবে না, নিভলেও নেভার জন্য পর্যাপ্ত সময় আমাকে দেবে,যেন আমি মানিয়ে নিতে পারি।
নাম দর্শনের মাজেজা : দুই
নাম ছাড়া যে কোন কিছু চলছেই না তার কারণ কি?
আসলে এখনকার দিনের নাম রাখা কর্মসূচির দিকে যদি আমরা তাকাই তাহলে দেখি যে, সন্তানটি জন্ম নেবার পূর্বেই তারা সন্তানটির জন্যে একটি নাম ঠিক করেন অনেক ক্ষেত্রে একাধিক নামও রাখা হয়। তারপর বাচ্চাটি পৃথিবীতে আসে এবং সকলে যখন তাকে একটি নির্দিষ্ট নামে ডাকে তখন বাচ্চাটিও উক্ত নামে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। প্রাচীনকালে অর্থাৎ এই নাম রাখার আদি পর্যায়ের দিকে যখন আমরা তাকাই তখন কিন্তু জন্মাবার পূর্বেই এইভাবে এখনকার মতো নাম ঠিক করা হতো না। তারা প্রথম সন্তানটির কর্মকান্ড পর্যবেক্ষণ করতেন, তার স্বভাব দেখতেন এবং তারপর তার একটি নাম-ধাম ঠিক করতেন। এইখানে পাঠককে একটা জিনিষ জানিয়ে রাখতে চাই যে, আদিতে নাম রাখার সাথে ধামও ঠিকঠাক রাখতে হতো। নামের ব্যাক্তিটি কোথায় থাকবে সে ব্যপারটা নিশ্চিত করতে হতো।এবং এখনও ধাম ঠিক করতে হয়,তবে অবশ্যই জন্মাবার অনেক পরে করা হয়।
ওর আর কাছে যেতে চাই না আমি
আমি হসপিটাল খুবই অপছন্দ করি, ভয় না তবে কি একটা অস্বস্থি কাজ করে তাই পারতপক্ষে যাওয়া হয় না আমার। বোন-ভাইয়েদের বাচ্চা হলো, আমি ওদের দেখেছি বাসায় আসার পর। সৃষ্টিকর্তার অসীম করুনায় হাতে গোনা দু’একবার ছাড়া আমাকে যেতেই হয়নি হসপিটালে। সেই আমিই যখন ভর্তি হলাম ছোট্ট একটা অপারেশনের জন্যে খুবই বিরক্তিকর অবস্থায় পড়লাম। ব্যাথাবেদনার একটুও স্মৃতি নাই আমার ঐ বিষয়টায়, তবে অম্লান হয়ে আছে যে মূহুর্তটা থাকবে সারাজীবনই। পোষ্ট অপারেটিভে সাধারনত বাইরের কাউকে ঢুকতে দেয়া হয় না, তবে ভাইয়ার বন্ধুস্থানীয়রা ছিলো বিধায় আম্মা-আব্বা গেলেন আমায় দেখতে, গলার স্বরে বুঝতে পারলাম উনাদের উপস্থিতি তবে চোখ মেলে দেখতেই পারছিলাম না সিডেটিভের ঘোরে। প্রথম চোখটা মেলে দেখলাম ওর মুখটা, অবাক হয়েছিলাম এখানে কি করে এলো “ও”!
রিপোষ্ট "সামন্ততান্ত্রিকতা "
আমাদের সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতা বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে কিন্তু এখনও কারো কারো দাসমালিকসু্লভ আচরণে আশ্চর্য হই। আমরা হয়তো সভ্যতা কিংবা সুশীলতার গরিমায় অস্বীকার করতে পারি কিংবা স্বয়ং মার্ক্সও ভ্রান্ত হতে পারেন, বাস্তবতা হলো আমাদের ভুখন্ডেই দাস ব্যবসা প্রচলিত ছিলো। অচ্ছুতেরা বাজার থেকে বৌ কিনে নিজের যৌনযন্ত্রনা নিরসন করতেন একদা।
আমাদের সামন্ততান্ত্রিকতার প্রকোপ স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে কমেছে, সমাজ থেকে একেবারে উচ্ছেদ হয়ে গেছে এমনটা বলা যাবে না। পুরোনো দিনের বাংলা ছবিতে যেমন দেখা যায় বাস্তবতা ছিলো অনেকটা সে রকমই, সেই সময়ে অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলা দেশের একটা ছবি এঁকেছিলেন সুনীল, সেখানেও একই রকম দৃশ্যের চিত্রায়ন দেখে বলা যায় এই সামন্ততান্ত্রিক প্রথাটা তখনও ছিলো।
এই দুপুরটা তোমাকে দিতে পারি
নির্মাণ শ্রমিকদের করা শব্দের আড়ালে নীরবতার দুপুর যখন সতীত্ব হারায়, তখন মনে পড়ে এমন কত না দুপুর সব তুচ্ছ করে তুমি আমার কাছে এসেছো, আমি নির্দ্বিধায় তোমার হয়েছি। কেমন মন কেমন করা দুপুর আসে ফিরে ফিরে এইসব নির্বিষ বেকারত্বের দিনগুলোতে, আমার কারো সাথে অভিসারে যাওয়া হয় না। লুকানো বরফের আড়াল থেকে তোমার ছুরিধার উষ্ণতা এসে আমাকে ছারখার করার ডংকা বেজে উঠে না, ইসাবেলা। আমি যখন তোমাকে দুপুর দিতে চাই তুমি তখন ভোরের কম্বল আদরে ঘুমন্ত। আমার এখানে গ্লাসে গ্লাসে ব্লাডি মেরির ঝলকে এখন আর তোমার উচ্ছ্বল ছায়া উকিঁ দেয় না, বড় বন্ধুবিহীন, ন্যাড়া এই শেষ বসন্তের দিনগুলো। আলাদা করে তামাকের ব্র্যান্ড খুজেঁ আমাদের সাপ্তাহিক পার্টির আয়োজন ও কবেই চৌপাট!
''একটি বিশেষ ঘোষনা'' বৃষ্টি বিষয়ক ই-পুস্তক
কামাল ভাইয়ের একটা পোস্ট পড়লাম । সাথে সাথে আরো কয়েকজনের পোস্ট... বৃষ্টি নিয়ে। আহা কি ঝুমঝুম বৃষ্টি।
জানালার শিক ধরে বৃষ্টি দেখার দিন এলো আবার।
শহরে টিনের বাড়ি নেই, ঝমঝম শব্দ নেই, তবু বৃষ্টি ভালো লাগে।
অফিস ফেরতা ক্লান্ত শরীর, জল কাদায় নাস্তানাবুদ, তবু বৃষ্টির শান্তি।
প্রেমের দিনে ছাতাটা উড়ে যাবে হাওয়ায়, ভিজবো তুমি আমি- সেই বৃষ্টি।
জলডোবা হয়ে বাড়ি ফেরা, সরিষা তেলে মুড়ি মাখিয়ে স্মৃতির ভেলায় ভেসে যাওয়ার বৃষ্টি এসেছে শহরে।
বৃষ্টি কেবল একলা আসে না, সঙ্গে নিয়ে আসে স্মৃতির ঝাঁপি। মনে পড়ে যায় সেই কতকালের পুরনো সব কথা।
আর মনে হয়, এমন দিনে তারে বলা যায়।
এমন দিনেই তো বলা যায়। বলে ফেলুন তাহলে আপনার বৃষ্টিবিলাসের গল্প। বৃষ্টি নিয়ে আনন্দ বেদনার গল্প।
খুচরা পোস্ট -১

এক
মাথাটা জট বেঁধে আছে। কেমন ঝিম ঝিম করে। গত ২৪ ঘন্টায় চরম ঘুম দিয়েছি এই কারণেই এই অবস্থা। ইচ্ছা করে পরে পরে ঘুমাই। কিন্ত বেশি ঘুমাইলে আবার ঝিমানি ধরে।
বাসা থেকে অফিস দীর্ঘ জার্নি বাই বাসে করে যেতে হয়। ছালু মানে ব্লগার ছায়ার আলো বলছিল সে বাসে উঠেই টানা ঘুম দেয়। ঐদিন দেখলাম রায়হান সাঈদ গাড়িতে বসেই নাক ডেকে ঘুমাইল। ইদানিং আমিও বাসে এই প্র্যাক্টিস করতেছি।
দুই
অনেকদিন পোস্ট দিইনা। চিন্তা করলাম ঘুম ঘুম ভাব নিয়া পোস্ট দিয়ে একটা পোস্ট বাড়াই। আমার পোস্ট কম বলে দাদা ভাই আবার তাচ্ছিল্য করে। দাদাভাইয়ের সাথে একটা চ্যালেঞ্জে যাওয়া যায়। যেমন এক মাসে আমাদের দুইজনের মধ্যে যে কম পোস্ট দিবে সে খাওয়াইবে।
ওরা ঈশ্বর প্রেরিত ত্রাতা
গভীর রাত চারিদিকে ভয়ঙ্কর নিস্তব্ধতা। পাঁচজন বোরখা পরা মহিলা দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে শহরের রাস্তা দিয়ে। শহরের এক প্রান্তে ক্যাথেলিক গির্জা। গির্জার সামনে এসে একজন মহিলা খুব আস্তে আস্তে দরজায় আঘাত করলো। তাদের চোখে, মুখে, এমন কি সমস্ত শরীরে ভয়। বার বার এদিক ওদিক তাকাচ্ছে, যেন তাদের পিছনে কোন নেকরে তারা করে আসছে।
এক বিদেশিনী মহিলা দরজা খুলে ভিতরে আসতে ইঙ্গিত করলেন। তার হাতে একটি হারিকেন। এই মৃদু আলোতেই তারা পাঁচজন যেন প্রান খুঁজে পেল। মহিলা বললেন--- কোন ভয় নেই, ঈশ্বর আপনাদের সহায় হবেন। পাঁচ মহিলার একজন রওশনারা ডুকরে উঠলো। বিদেশিনী তাকে পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন ---আপনার স্বামী, সন্তানেরা ভাল থাকবেন।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -৬
ঘোরতর বিতর্ক আছে ডায়েরীর অডিয়েন্স নিয়ে। আমাদের নিপাট প্রচারবিমুখ সংস্কৃতি বলে নয়, বিশ্বে গত দশক পর্যন্ত ডায়েরীর সাথে ব্যক্তিগত শব্দটির অর্থপূর্ণ সংযোগ ছিলো। একান্তও যুক্ত হতো যার সাথে গোপনীয়তার একটা প্রকাশ্য অবস্থান ছিলো। প্রচলিত এই মতকে আমার ভাওতাবাজি মনে হয়। ব্যক্তির উন্মুখ প্রচারণার পরিশীলিত কৌশল ছাড়া ডায়েরীর আর কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে না। ডায়েরীকারকরা নিজের জন্য এত পরিশ্রমী হবেন কেনো, বরঞ্চ কোড-ডিকোডই যথোপযুক্ত হতো; ভাষায়-গঠন ও প্রকরণে অন্যের পাঠ্য-যোগিতা করার কোনো মানে হয় না। যখন ডায়েরী লিখতাম তখন মাথার মধ্যে থাকতো বিশেষ কেউ - নির্মাণ করতাম চেতন-অবচেতনে তার চোখে যেভাবে দেখতে চাই নিজেকে। প্রতিজন ডায়েরী-পরিচালক তার অনির্ণীত অথচ মূল্যবান পাঠকের চোখে নিজের বিনির্মাণ সম্পন্ন করেন। ফলে আমি একসময় ডায়েরী লেখা বাদ দিলাম। সুন্দরবন ভ্রমণের বছর দুয়েক আগে।
আজাইরা দিনপঞ্জী... ১৭
আমি অনেকদিন ধরে একটা কমপ্রেসড অবস্থায় ছিলাম, ট্রানজিশান স্টেজে যেমন কোন অবস্থা বের করা যায়না, সবকিছু ক্রমাগত অস্থির থাকে আর কোন কিছুই সাম্যাবস্থায় পৌঁছোয় না সেইরকমের একটা জায়গায়। তারপরে একদিন কেন জানিনা আম্মার সাথে গলা ফাটিয়ে ঝগড়া করলাম, তারপরে আবার আম্মাকে জড়িয়ে ধরে বাচ্চাকালের মতো শুয়ে ছিলাম একটা রাত। এর দুদিনের মাথায় ভ্যাপসা গরম পড়তে শুরু হওয়া দিনের শেষে গভীর রাতে একটা এলোমেলো বৃষ্টি হলো। বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমি হঠাৎ আবিষ্কার করলাম অনেকদিন ধরে আমি নিজেকে বেশ বেচারা ভেবে নিয়ে করুণা করে আসছি, আমি ভেবে নিচ্ছিলাম আমার স্বপ্ন নাই, কিছু করার নাই, কোথাও যাওয়ার নাই। কিন্তু সেই সময়টায়, সেই রাতের বেলায় আমার মনে হচ্ছিলো আমার এক্ষুণি রাস্তায় বেরিয়ে পড়তে হবে। কোন কিছু ভুলবার জন্যে বা মনে করবার জন্যে নয়...