ইউজার লগইন
ব্লগ
মাসুম ভাইয়ের জন্মদিন, দলে দলে ভোট দিন

(পোস্টার সৌজন্য: নজরুল ভাই)
অনেক দিন পরে এবিতে ঢুকলাম
ঢুকেই দেখি মাসুম ভাইয়ের জন্মদিন
শুভ জন্মদিন মাসুম ভাই
পার্টি চাই পার্টি চাই 

মাসুম ভাই ভালো মানুষ পার্টি চাইছি না করতে পারব না
কিন্তু মাসুম ভাইরে কি গিফট করা যায়?
এই নিয়া চিন্তায় চিন্তায় নাজেহাল
গরিব মানুষ
পকেটে টাকা পয়সা থাকে না
কি গিফট দেই?
আল্লাহ বলছেন বুদ্ধিমানদের ঘরজামাই থাকতে হয় না
তাই বিশেষ একটা বুদ্ধি পাইলাম
মাসুম ভাই বড়লোক মানুষ
এসব বৈষয়িক গিফট দিয়া তারে সন্তুস্ট করা যাইবো না
তারে দিতে হবে বিশেষ গিফট
কি গিফট দেয়া যায়? ভোট 
মাসুম ভাই ইলেকশনে খারাইছে
আমগো মাসুম ভাই
অর্থনীতিবিদ মাসুম ভাই
মৃত্যুঞ্জয়
হঠাৎ করেই মাথাটা হালকা মনে হচ্ছে। ঘাড়ের উপর মাথাটা স্থির থাকতে চাইছে না। মাথাটা যেন হয়ে গেছে বাতাস ভর্তি বেলুন। সোজা হয়ে থাকতে পারছে না । নিজের ভারে একদিকে হেলে পড়ছে। জোর করে সোজা রাখতে চাইলাম, না রাখা যাচ্ছে না। শরীরটা নিস্তেজ হয়ে আসছে। মাথাটা হাত দিয়ে সোজা করে রাখবার জন্য দুই হাত দিয়ে ধরতে চাইলাম। হাত আমার নিয়ন্ত্রনে নেই, হাত উপরে উঠলো না। আমি হাঁটু ভেঙ্গে বসে পড়লাম। বসার সময় মনে মনে বলছি সাবধানে বসতে হবে, খুব সাবধানে।
চোখ মেলে দেখি সামনেই সাদা রঙের চাপা দেয়াল। হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যাবে। দেয়ালে ধোঁয়াটে সাদা আলো। মোম এর আলো কি? এত উপরে মোমের আলো কেন? আমি কোথায়? আবার সব আধাঁর । ধীরে ধীরে আঁধার কেটে গেল।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -২
মনে কেনো পড়বে না! পড়তেই হবে। একাশি সালের ঘটনাও মনে আছে। এরও আগে কোথায় ছিলাম সেসবেরও কিছু কিছু মনে আছে। কিন্তু এমন মনে পড়ায় চলবে না। আমার চাই প্রতিটা দিনক্ষণের হিসাব। চব্বিশ ঘন্টার হিসাব। ষাট মিনিটের হিসাব। সেকেন্ডের হিসাব না হলেও চলবে। থাক..মিনিটের হিসাবেরও দরকার নেই।
ক্লাস থ্রিতে যে স্কুলটাতে ভর্তি হলাম সেটা বিশেষ পছন্দ হয়েছিলো। সরকারী প্রাইমারী স্কুলের বেহাল দশার থেকে সেটা হয়তো উন্নতর ছিলো। অবশ্য এটা এখন মনে হতেই পারে। এর তিনবছর পরে সে স্কুল যখন ছাড়লাম - আর কখনই যাওয়া হয়নি, অথচ বড় হতে হতে দেখলাম চারদিকে কেবল রঙহীন প্রাইমারী স্কুলের ছড়াছড়ি। সম্ভবত এর আগের স্কুলটার তুলনায় সবুজ, সুন্দর আর খোলামাঠের হওয়ায় ভালো লেগে গেছিলো।
মাসুম ভাই এর জন্মদিনে শুভেচ্ছা
আমাদের অনেক প্রিয় বন্ধু, প্রিয় ব্লগার মাসুম ভাই এর আজ জন্মদিন। কততম তা জানি না। তবে শত বছর ধরে মাসুম ভাই এমনই থাকুক সেটাই চাই। এত অন্তরিক, নিরহংকারী, ভালো মানুষ, খুব ভালো বন্ধুর এই শুভদিনে শুধুই প্রার্থনা সৃষ্টিকর্তা যেনো মানুষটাকে সুস্থ রাখেন, প্রিয়জনদের মাঝে প্রিয়জনদের ভালোবাসায় রাখেন যুগ যুগ ধরে। জন্মের এই শুভক্ষণ শতবর্ষ ধরে ফিরে আসুক সবার ভালোবাসায় শিক্ত হয়ে


দুই বার্থডে বয় মাসুম ভাই আর শুভ কেক কাটছে সাথে জ্বীন লীনাপা

দৃই মামাকে জস্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে আসা মাধূর্য
এলোমেলো কিংবা উল্টাপাল্টা
নদী ভরা কূলে কূলে , খেতে ভরা ধান ।
আমি ভাবিতেছি বসে কী গাহিব গান ।
১.
বরং বাবার কথা বলি। আমার বাবা গ্রামে মানুষ, ম্যাট্রিক পাশ করে বরিশালে এসেছিলেন বিএম কলেজে পড়তে। এর পর চাকরি হয় পাকিস্তানের বিমান সংস্থা পিআইএতে। জীবনটা সে সময় সহজ ছিল। চাকরি পেয়ে বিয়ে করেন, আমার মা তখন ১৩ বছরের। আমার বাবার পোস্টিং ছিল করাচীতে, ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের সময় চাকরি ছেড়ে দেন। পাকিস্তানিদের অধীনে চাকরি আর করার সেই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট সাহসী ছিল বলা যায়। কারণ আমার বাবা অস্ত্র হাতে যুদ্ধে যাওয়ার মতো মানুষ ছিলেন না। আমরা তখন তিন ভাই বোন। সুতরাং অনিশ্চিত একটি জীবন ছিল আমার বাবার সামনে। যুদ্ধের সময় আমাদের নানা বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিলেন আমার বাবা। বাবা ঢাকায় কিভাবে ছিলেন আমি জানি না। আশ্চর্য, একদিনও বাবার কাছে সেটা জানতে চাইনি।
মুক্তিযুদ্ধ ও একটি পরিবার
ছোট্ট শহর বগুড়া, যেখানকার কতশত মধুর স্মৃতি আমাকে জড়িয়ে রেখেছে পরম মমতায়। সেই ছোট বয়সে নানাবাড়ির (জলেশ্বরীতলা) পাশের বাড়ির দুই বোনকে আমার রূপকথার পরীর মত মনে হতো, শাহানাআপু- সোমা আপু একই রকম দেখতে, চেহারার এত মিল যে আমার শিশু চোখ তাদের ঠিকমতো নির্ণয় করতে পারতো না- কোনটা কে। তারা দুই বোন দুই ভাই, দাদা-দাদী আর ফুপুর কাছে থাকতো ।স্কুল শিক্ষিকা সেই ফুপুকে যে ওরা কী ভয় পেত (আমরাও ভয় পেতাম)! সেই ফুপুই তাদের অভিভাবক, আমার মনে প্রশ্ন ছিল ওদের মা-বাবা কোথায়?তারপর একদিন সেই প্রশ্নের জবাব পেলাম-তখন অতকিছু বুঝি নাই কিন্তু মনটা বিষাদে ভরে গিয়েছিল। যত বড় হয়েছি সেই বিষাদ বেদনাও বেড়েছে ,মনে হয়েছে দেশের মানুষের তাদের কথা জানা দরকার কিন্তু কিভাবে?
রিক্যাপচারিং পাস্ট -১
ফিরে যাবার চেষ্টা করছি অতীতে। যত অতীতে যাওয়া যায়। একদম দিনক্ষণ, মুহূর্তের পুনর্জাগরণ ঘটাতে প্রানান্তকর ঘেটে যাচ্ছি। যেমন কিছু স্মৃতি আমার মাথা থেকে বিলকুল হারিয়ে গেছে।
এই যেমন বরিশাল থেকে একবার আমরা খুলনা গেলাম স্টিমারে। প্রথম। সেই সালটা কত ছিলো? মনে নেই। মনে করার চেষ্টা করতে গিয়ে দুটো সাল মাথায় এলো, ১৯৮২/১৯৮৩। এর ভেতর থেকে সঠিক সালটা বেছে নিতে হলে আরো একটু মাথা ঘামাতে হবে।
আড্ডা দিতে ইচ্ছুক নাকি কেউ?
অনলাইন সদস্য
অমি
নরাধম
বৃত্তবন্দী
লীনা দিলরুবা
জয়িতা
শাতিল
শাওন৩৫০৪
রন
রাসেল আশরাফ
সাঈদ
জয়িতা
আড্ডা দিতে ইচ্ছুক নাকি কেউ?
আসেন আড্ডাই।
৫০ অয়ার্দ কি হইছে? এই পঞ্চাশ অয়ার্দের ঝামেলায় আর বাঁচিনা...
এলোমেলো ভাবনার বক বকানি ।
অনেক দিন কিছু লিখি না । কিছুই না । শেষ গল্পটা বোধ হয় মাসখানেক আগে লেখা । আর কবিতা কবে লিখছি মনেই নাই । পরীক্ষা শেষ, তাই নোট লেখার ঝামেলাও নাই । গল্প যে লিখব, মাথা খালি থাকলে কি গল্প লেখা যায় । মাথা পুরা জ্যাম হয়ে আছে । গল্পের প্লট আসে তো কিভাবে সাজাবো সেটা আসে না । বিরক্তিকর একটা অবস্থা । কিছু মানুষের লেখার স্টাইল মন দিয়ে লক্ষ করি । তারা এই ব্লগেরই সবাই । কি অনায়াসে তারা সবাই লিখে যাচ্ছে । লেখা পড়ে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না ।
*
মুগ্ধ হাতপাখা
-আবু মকসুদ
গেরুয়া শহরের জমকালো রাত্রিগুলো
ঘোড়ার খুরের আওয়াজে
বিছানায় এলিয়ে পড়ে জীবনের অপূর্ণ ভাণ্ডার
সমুদ্র স্নানে গিয়ে বালির জানুতে
লুকিয়ে ছিলাম মাটির প্রদীপ,
হাত পা গুটানো সময়ে ফের ফিরে এসেছিল চুম্বন স্মৃতি
বিচ্ছিন্ন সম্পর্ক আগুনের হল্কা ছুটায়
যৌথ বাগানের ফুলে ওড়ে কীট, আর
স্মৃতির প্রতিমা হয়ে কাঁদে একদার মুগ্ধ হাতপাখা।
ধুসর বৈধব্য সাজ, বিপরীত মুখী
হাওয়ায় নিভে যায় শেষ মোমবাতি
নদীর ওপাড়ে পোড়ে এক জীবনের দুটি চিতা।
ডিমান্ড অভ সিচুয়েশন
ইংলিশ রাজ্যের ফুটপাথে কেউ গ্লাভস্ না খুললে তার সঙ্গে হ্যন্ডশেক করা হয় না। আমেরিকার পথেও একজন ভদ্রলোক কখনোই গ্লাভস্ না খুলে কোনো সুন্দরীর সঙ্গে হ্যন্ডশেক করে না। তবে দু'দেশেই অপেরা কিংবা উচ্চমার্গীয় পার্টি কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোয় গ্লাভস্ না খুলেই অনেকে কাজ চালিয়ে দেয়। এটা হচ্ছে ডিমান্ড অভ সিচুয়েশন। তবে মানবসমাজে প্রচলিত এই হ্যন্ডশেকের রীতিটা বেশ স্বাস্থ্যকর। এতে মানুষে মানুষে ঘনিষ্ঠ যোগসাজশ ঘটে। কেননা দু'জন মানুষের মধ্যে স্পর্শ বিনিময়ের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে-মাংসে একটা সুক্ষ্ন দ্যোতনা সৃষ্টি হয়, যা মানুষকে সামান্য হলেও প্রভাবিত করে। আমি নিজে অনেক বড় বড় বিপদ থেকে উদ্ধার পেয়েছি হ্যন্ডশেকের কল্যাণে। আবার নানাবিধ ঝামেলায়ও আক্রান্ত হয়েছি হ্যন্ডশেকের কল্যাণে। জীবনে কখনো-সখনো চূড়ান্ত আনপ্রেডিক্টেবল, আউট অভ বক্স প্রকৃতির মানুষের দেখা মিলে যায়। এ্যান ছিলো তেমনই একজন।
স্বাধীনতার ৪০ বছর: শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগতি কতোটুকু?
একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ৪০ বছর সময় খুব বেশি না হলেও একেবারে কমও নয়। বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৪০ বছর পার করছে। স্বাভাবিকভাবেই এ সময়ে এসে অনেকে হিসেব-নিকেশ করতে চাইবেন- এই লম্বা সময়ে বাংলাদেশ কতোটুকু এগিয়েছে। বিশেষত স্বাধীনতার পর গণমানুষ একটি স্বাধীন দেশের কাছ থেকে যে মাত্রার উন্নতি ও অগ্রগতি আশা করেছিল, সেই প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যকার ফারাক কতোটুকু সেটি দেখার সময় হয়েছে এখন।
অবাঞ্চিতের অশ্রুগাঁথা
উৎসর্গঃ মেসবাহ য়াযাদ ভাইকে রক্ত দিয়ে যিনি মানুষের পাশে থাকেন।
চাকরী সুত্রে আমাকে কিছু উন্নয়ন মূলক কাজ করতে হয় আমাদের পাওয়ার প্লান্টের আশে পাশের গ্রামগুলিতে, অবশ্য আমি নিজেও এই কাজে অনেক আনন্দ পাই। গ্রামের এই অসহায় মানুষের মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারলে আমার ভাল লাগে। মাঝে মাঝে ভাবি কাজ করেতো সবাই বেতন পায়, সম্মান পায় আর তার সাথে আমি একটা বাড়তি কিছু পাই তা হল -অসহায় মানুষের মুখের একটু হাসি।
জিভের যখন খিদে পায়
এই সমস্ত অঙ্গন জুরে যত আমার জিভেরা
উদরপূর্তিতে এবং হৃদয়মুর্তিতে আলগোছে বেড়ে ওঠে
গ্লাসোভিত শৃঙ্গারের চোয়াল আর লম্বা ভুরুর জোয়াল বেয়ে
ততই অভুক্ত কথকের চড়াস্বর আমার বিসম্বাদ লাগে
এর চেয়ে উনুনে-অঙ্গারে অর্ধসিদ্ধ জিভের তলে বাতিল মাংস
দুয়েকটা নোনতা চুমুর চেয়ে অনেক দুরন্ত স্যালিভায় জোটে
হুটহাট বালখিল্য অভ্যর্থনায় দু-পেগ কড়কড়ে রামের দু-ঠোঁটে
মিহি চিকনাই গন্ধের সাথে টনিকের টোটা হৃদয়ের মগজ খোলে
সড়কে মড়কে নরকে সোজাসাপ্টা গন্তব্যের বিবস্ত্র ইংগিতে
দু'পা থেকে দৌড়ানো ইঞ্জিন ফেলে একেবারে উলঙ্গ খিদেয়
জিভেদের এবার শাসন বারণ তপস্যান্তে মেটানো ক্ষুধায়
তোমার বহিস্থ সকল অঙ্গ থেকে মশলাই কাবাব কেটে খায়
মামুন ভাইয়ের মেয়েরা আর মায়েরা।
আমার একটা খুব একটা বাজে অভ্যাস আছে।মন খারাপ হলে এর ওর ফেসবুকের ছবি দেখা শুরু করি।হয়তো দুই/তিনটা মজার কমেন্ট করি দিয়ে আস্তে আস্তে মন ভালো করি।মাঝে মাঝে দোস্তের ছবি দেখে দিন পার করে দেই।নাজ ভাবী অবশ্য আমার দোস্তের ছবি নিয়মিত ব্লগ এবং ফেসবুকে শেয়ার করে ঝামেলা এড়াচ্ছেন। কিন্তু কিছুদিন বিরতী দিলে বুঝতে পারবেন কত ইটে কত খোয়া হয়। এইখানে আরেকজন আছেন দুইটা পরীর বাপ আগে নিয়মিত ছবি দিতেন ব্লগে।তারপরে আরেক মহাদেশে হিজরত করার পর ব্যস্ততার অজুহাতে সেটা কমাতে থাকলেন।তারপরেও আমি এই ছ্যাচড়া তার পিছু ছাড়ছি না দেখে উনি আমারে ভাবীর সাথে দোস্ত পাতায় দিলেন ভাবী যেহেতু নিয়মিতই ছবি আপলোড করেন সুতরাং আমার বা আমার মতো আরো একজনের ছ্যাচড়ামি অনেক কমে গেল আর এই সুযোগে উনি আস্তে আস্তে লেখালেখিই ছেড়ে দিলেন।