ইউজার লগইন
ব্লগ
ওড টু মাই ফ্যামিলি- ৩
আমার ছোট বোনটি বড্ড ভালো মানুষ। সকালে উঠে মর্নিং ওয়াক করেন, বাবা-মাকে সঙ্গ দেন, বাড়ির অন্যদের দেখাশুনা করেন, কাজের ফাঁকে ধ্রুপদী ভারতীয় নাচের তালিম নেন, আর সঙ্গে ঢাকায় একটা বিদেশী দূতাবাসে বিরাট অঙ্কের চাকরি করেন। সিরিয়াস মানুষ বলেই মনেহয় কমেডি ঘটনাগুলো ওর কপালেই ঘটে। কাল সকালে ফোন করেছে আমাকে, উদ্বিগ্ন গলায় বললো, জানিস কাল কি হইসে? আমি নিশ্চিত তেমন সিরিয়াস কিছুনা। বললাম কি হইসে? আধাঘন্টাব্যাপী ঘূর্নিঝড় উঠলো ঢাকা-আমেরিকা ফোন লাইনে। আমার মনে পড়ে গেলো অন্য একগল্প।
একটা টানেলে আটকে রয়েছি...
প্রবেশমুখে তেমন কিছু লেখা ছিলো না যদিও,
তবু টানেল বলেই জানতাম
ভেতরে আঁধার খেলা করে।
আমাদের অসহায় চোখ
অতএব দেখে নাই অন্ধকার আর নৈশব্দের মাঝে
কেমন ঝগড়াঝাটি চলে।
প্রবেশমুখে কেবল লিখে দিলেই চলতো,
আঁধার কখনো পরোয়া করেনি কাহারেও...
সাবধানে আঁধার পেরিয়ে বেরিয়ে যাবেন।
তাহলে আনন্দময় সময়টা কেটে যেতো আঁধারে আঁধারে।
আঁধারের সাথে চোর-পুলিশ খেলতে খেলতে।
নিষেধের তারস্বরে আমরা পুলকিত চিত্তে
আঁধারের চেয়ে বেপরোয়া চলবার অভিনয় করতাম...
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-২
১.
ঢাকায় বাস যদি জ্যামে আটকে থাকার পর ছাড়া পায় আর ড্রাইভার যদি ঠিক মতো আগায় নিতে না পারে তাইলে তার চোদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ছাড়ে লোকজন।একদিন সেই অবস্থায় বসে আছি বাসের মধ্যে কিছু লোক ড্রাইভারের গুষ্ঠি উদ্ধার করছে।আমার পাশের জন আরো দুই কাঠি আগায় দিয়ে বলে
''মনে হয়তেছে.......পোলারে লাথি দিয়ে বাস থেকে ফ্যালায় দেই।''
আমি আস্তে কইরা বললাম, ভাই ড্রাইভিং জানেন?
বলে না।
আমি বললাম তাইলে ড্রাইভাররে লাথি দিয়ে ফেললে বাস চালাবে কে?
বেচারা হেসে বলে দেখেন না শালা কতক্ষন জ্যাম ছাড়ছে আর ও চুদুরবুদুর লাগাইছে।
তাই বলি আপনারা আমার উপর বিরক্ত হয়ে আবার লাথি দিয়ে ফেলায় দিয়েন না।
২.
দিনকাল ভয়াবহ খারাপ যাচ্ছে এই কিছুক্ষন আগে সুপারম্যানের বাঁশডলা খেলাম।কাল যেমন এক ডিনার পার্টিতে গিয়ে রামধরা খেলাম।কেমন? তাইলে বলি
জ্বীন দেখতে কেমন !
আজ কদিন ধরে আমরা বন্ধুর ব্লগ বন্ধুরা জ্বীনের গল্পের জন্য তাড়া দিচ্ছে। সেদিন বেড়াতে যেয়ে আমি তাদের সাথে একটা জ্বীনের গল্প শেয়ার করেছিলাম। আমি জ্বীনে বিশ্বাস করি কিনা জানি না কিন্ত ছোটবেলা থেকেই আমার জ্বীনের গল্প শোনার বিশেষ আগ্রহ ছিল। আমরা গ্রামে বেড়াতে গেলে মা বলতেন বাঁশ বাগানে চুল ছেড়ে যাবে না, জ্বীনে ধরবে। আমি গ্রামের আত্নীয়দের জিজ্ঞেস করতাম কাকে জ্বীন ধরে, তারা বলতেন সুন্দরী মেয়েদের আর সুন্দর ছেলেদের ধরে পরী। আমার জীন দেখার খুব শখ ছিল, ভাবতাম কেন তারা শুধু সুন্দরী মেয়েদের উপর ভর করে? ঊঠতি বয়সে ভাবতাম আমি কি সুন্দর না? তাহলে চুল খোলা রেখে এত বাঁশ বাগানে হাঁটলাম কেন জ্বীন আমার উপর ভর করল না?
কালিদাস পণ্ডিতের ধাঁধাঁ - ২
কবি কালিদাস তথা কালিদাস পণ্ডিত নিয়ে আমি গত কিছুদিন নেটে অনেক তথ্য উত্তাপ পড়েছি। কবি কালিদাস প্রসঙ্গে জানা সহজ নয়। ধারনা করা হয় কবি কালিদাসের জন্ম অনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ২য় শতকে। এত আগের নানা তথ্য এখন আর সঠিক ভাবে পাওয়া সম্ভব নয়। কম্পিউটারের কল্যানে এখন যে সব তথ্য সংরক্ষন হয়ে যাচ্ছে তা হয়ত আগামী প্রজন্মের কাজে লাগবে। কবি কালিদাস আমলে কম্পিউটার তথা নেট থাকলে ভাল হত (!)। কবি কালিদাস নেটে নিজ হাতে আত্বজীবনী লিখে গেলে আমাদের আর সত্যমিথ্যা নিয়ে ভাবতে হত না।

(কালিদাস পন্ডিতের হাতে আঁকা আরো কয়েকটা ছবি দেখলাম, কোনটায় গোঁফ আছে, কোনটায় গোঁফ নেই। তবে বাবড়ী চুলের বাহার সব কটায় দেখা যায়)
টাইগারদের মিউ মিউ আর সমালোচকের গর্জে ওঠার দিন...
স্টেডিয়ামে গিয়া খেলা দেখি নাই বহুদিন, কিন্তু গতোকাল রাত বারটার সময় এক বন্ধু হঠাৎ ফোন কইরা জানতে চাইলো বাংলাদেশ আর সাউথ আফ্রিকার সাথে খেলা দেখতে চাই কীনা, তার কাছে একটা ক্লাব হাউজের টিকেট আছে...এই টিকেট প্রাপ্তির সম্ভাবনায় মনে হইলো যাই একদিন অন্ততঃ দেশের ক্রিকেট সমর্থকগো বাস্তবতাটা বুইঝা আসি। আর তাই সকাল সকাল ঘুম থেইকা উইঠা রওনা দিলাম মিরপুর স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে।
স্টেডিয়ামে ঢুকনের আগে আমার বুটের ভিতরে পাঁচটা সিগারেট লুকাইয়া নিলাম যাতে কোনো ঝামেলা না হয়। ফোন ছাড়া আর কোনো বহনযোগ্য মালামাল রাখলাম না সাথে, যাতে চেকিং বিষয়ক জটিলতা এড়ানো যায়। তারপরেও আমার পকেটে থাকা চ্যাপস্টিকটা বাইর কইরা ছুইড়া ফালাইয়া দিলো গেইটের সতর্ক প্রহরীরা। একা একা খেলা দেখতে যাওনটা একটু বোকামী আজকালকার যূগে। তয় আমার মন কইতেছিলো পরিচিত লোক হয়তো পাওয়াই যাইবো এতো লোকের ভীড়ে।
ভাবনা ও একটি পরাজয়
বাংলাদেশ দল আজ পরাজিত হইছে... এইটা সমস্যা না... খেলায় হারজিত থাকবই ... এটা মাইনাই খেলতে নামছে... প্রতিযোগিতায় কখনো দুই দল জিতে না ... আসেন একটা পোস্টমার্টেম করি ক্যান বাংলাদেশ হারল...
কিছু বিষয় মাথায় রেখে আমাদের তদন্ত চালানো প্রয়োজন। একটু ভাবুন... মাত্র কয়েক দিন আগেই জাপানে প্রলয়ঙ্করী সুনামি শেষে দুনিয়াদারি ১০ ফুট দূরে সইরা গেছে। স্বাভাবিক ভাবেই এর প্রভাব মিরপুর স্টেডিয়ামে পর্ছে। স্টেডিয়াম, পিচ... সব কি ঠিক জায়গামত আছিল? কোচ, টিম এবং টিম সংশ্লিষ্ট কেউ বিষয়টা নিয়ে ক্যান মাথা ঘামাইল না? এখন এই প্রশ্নই বার বার মানুষের মুখে মুখে...
যেখানে ছোট থেকেই আম্রা জেনে আসছি "নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা" ... এটা স্মরণে থাকার পরও ক্যান বিষয়টা খেয়াল করা হলো না? এই যে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের ভুলিয়ে রাখা হলো এর মধ্যে কি বিরোধী দলের ষড়যন্ত্র আছে? সবগুলো বিষয় তলিয়ে দেখার সময় এসেছে...
দোলযাত্রা...
দোল কি???
দোলযাত্রা-কে অনেকে সংক্ষেপে দোল বলে থাকেন।
ফাগুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে (প্রচলিত পঞ্জিকা অনুসারেঃ ১৪ তম রাতের পরবর্তী দিন) দোলযাত্রা নামক অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। যাকে অনেকে "বসন্তোৎসব"-ও বলে থাকে।
দোলযাত্রা একটি হিন্দু বৈষ্ণবীয় উৎসব। এটি ভারতের বিভিন্ন স্থানে (বহিঃবঙ্গে) "হোলি উৎসব" নামে-ও পরিচিত। তবে, প্রকৃতপক্ষেঃ এটি আসলে অনেকটা ভিন্ন ধরনের উৎসব; তবে মূল-বিচারে বলা চলে এরা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।
আবার, এই পূর্ণিমা তিথিতেই শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু জন্ম-গ্রহণ করেন বলে একে গৌর-পূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়।
উদ্ভব কিভাবে???
এটি বৈষ্ণব মতানুসারীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়।
আমার ৬০ টাকা
আমরা বন্ধুর কয়জন ব্লগার বন্ধু বেড়াইতে যাইব, আমারে আগের রাতে ফুন দিছিল এক মাইয়া, দেখতে একদম সরল সিদা, গাল ভরা মমতাজের হাসি (Innocent)। আমারে কইল আপা আপ্নের বাসার কাছে আমরা বেড়াতে যামু আপ্নিও জয়েন করেন আমাগো লগে। আমি সাদাসিদা মানুষ, কিচ্ছু বুজিনা......কইলাম কই যাবা ?ওই মাইয়া কয় যামু এয়ারপর্টের কাছে...আমি ভাব্লাম ঠিক আছে যাই, ছুটির দিন বাড়িত থাইক্যা কি লাভ, তার চাইয়া বেড়াইতে গেলে যদি অন্য কুন Love হয়!!!! কইলাম ঠিক আছে তুমরা উত্তরার কাছাকাছি আইলে জানাইও।
কবিতা: শুধু তোমার নামটুকু পার হতে পারি নি আজো
বয়সের সঙ্গে সবকিছুতে স্থিরতা চলে আসে। পৃথিবীর বয়সও বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু এগিয়ে যাচ্ছে স্থিতাবস্থার দিকে। আজ-কাল মানুষের মধ্যে একটা প্রাইম পার্ফেকশনের ব্যপার কাজ করে। চেহারায়, আকারে, ভঙ্গিতে, সবকিছুতেই। আমার মনে হয় অনন্য সাধারণ একটি প্রজাতি বিবর্তনের প্রায় শেষ ধাপে এসে পৌঁছেছে।
তবে বিবর্তন মানুষের জন্য সমূহ বিপদও ডেকে আনতে পারে। কারণ মানুষ তার অবস্থানগত কারণে অন্যান্য প্রজাতির ওপর ছড়ি ঘুরাতে সক্ষম। কিন্তু নিজেরা প্রকৃতির অসীম ক্ষমতার কাছে ভীষণ অসহায়। যেকোন সময় ভোজবাজির মতো মিলিয়ে যেতে পারে সবাই, সবকিছুসহ। এই অন্তর্জাল, কম্পিউটার, পারমাণবিক শক্তি বা টেকসই পরিকল্পনা, কোনোকিছুই কাজে আসবে না তখন।
আমি বলি কি, ভরপুর সম্ভাবনা আর ভয়ংকর আশঙ্কার সম্মিলনই জীবন। এর মাঝেই একটু ফাঁক বের করে নিতে হয় বেঁচে থাকার জন্য। নিজেকে ও অন্যকে ভালবাসার জন্য।
তেজস্ক্রিয়তা কি... এবং... আমাদের করণীয় কি...
[[
গত কয়েকদিন যাবৎ জাপানের পারমানবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে দূর্ঘটনার পেক্ষিতে আমাদের সামনে তেজস্ক্রিয় পদার্থ এবং এর দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা বিষয়ক কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশিত হচ্ছে...
তাই...
সকলকে প্রকৃত তথ্য জানিয়ে বলছি...
নিজে বিভ্রান্ত হবেন-না...
এবং...
অযথা বিভ্রান্তি ছড়াবেন-না...
]]
তেজস্ক্রিয়তার সংজ্ঞা...
প্রতিটি মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ওজন এর নিউক্লিয়াস-এর মধ্যস্থ নিউট্রন ও প্রোটন-এর সমষ্টির সমান। যে-সব মৌলের পরমাণুর ওজন বেশী (সাধারণতঃ ২০০-এর উপর বা এর কাছা-কাছি) তাদের বলা হয় ভারী মৌল। এ-সব ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্ত-ভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়, এই প্রক্রিয়াকে-ই তেজষ্ক্রিয়তা (Radio-activity) বলে।...
তেজস্ক্রিয়তার আবিস্কার...
ডাইরী ১২০
--------------------------------------------------------------------------------------------------------
এক.
পাহাড়টারে খুঁজে পাওয়া যায়নি গতোকাল। ভীত পাহাড় লুকিয়েছিলো এমন কোথাও যার পথ জানা ছিলো না তোমার...লুকোন পাহাড় হাতের মুঠোয় পাওনি বলে কাল রাতে তুমি অনেক কেঁদেছো...অনেক কেঁদেছো?
দুই.
ক্লোক গায়ে দিয়ে পাহাড়টা আসলেই লুকিয়ে ছিলো, ঘুমিয়ে ছিলো। তুমি তারে খুঁজে পেলে ছুঁয়ে দিতেই জেগে উঠতো সে। তারপর তোমাকে ছাপিয়ে ছড়িয়ে যেতো, মিলিয়ে যেতো। পাহাড়টারে মুঠোর ভেতর আটকে রাখার মন্ত্র জানো?
তিন.
এমন প্রতারক পাহাড় এককালে আমার ভীষণ বশ ছিল, বলতেই মাথা উচিয়ে দাঁড়াতো মেঘের পাঁজর ভেদ করে, বলতেই আবার নমিত সমতল, ঠিক যেনো নিরাশার পদাবলী। মেঘদলের সাধ্য কি তারে ধরতে পারে!
চার.
আমার যাদুমনি (৬)
তানবীরা আপু'র কথা অনুযায়ী এবার বাছাবাছি না করে সব ছবি দিয়ে দিলাম, জনগন কার কোনটা পছন্দ, বেছে নিন
ঋহানঃ কানে ধচ্চি মা, মাফ করে দাও। আর দুষ্টুমি কব্বো না
আমার বাবামনি'টা, মাশাল্লাহ!
কবিতা: শুধু তোমার নামটুকু পার হতে পারি নি আজো
বয়সের সঙ্গে সবকিছুতে স্থিরতা চলে আসে। পৃথিবীর বয়সও বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু এগিয়ে যাচ্ছে স্থিতাবস্থার দিকে। আজ-কাল মানুষের মধ্যে একটা প্রাইম পার্ফেকশনের ব্যপার কাজ করে। চেহারায়, আকারে, ভঙ্গিতে, সবকিছুতেই। আমার মনে হয় অনন্য সাধারণ একটি প্রজাতি বিবর্তনের প্রায় শেষ ধাপে এসে পৌঁছেছে।
তবে বিবর্তন মানুষের জন্য সমূহ বিপদ ডেকে আনতে পারে। কারণ মানুষ নিজস্ব অবস্থানের সুযোগে অন্য প্রাণীদের ওপর ছড়ি ঘুরাতে সক্ষম। কিন্তু নিজেরা প্রকৃতির অসীম ক্ষমতার কাছে ভীষণ অসহায়। যেকোন সময় ভোজবাজির মতো মিলিয়ে যেতে পারে সবাই, সবকিছুসহ। এই অন্তর্জাল, কম্পিউটার, পারমাণবিক শক্তি বা টেকসই পরিকল্পনা, কোনোকিছুই কাজে আসবে না তখন।
আমি বলি কি, ভরপুর সম্ভাবনা আর ভয়ংকর আশঙ্কার সম্মিলনই জীবন। এর মাঝেই একটু ফাঁক বের করে নিতে হয় বেঁচে থাকার জন্য। নিজেকে ও অন্যকে ভালবাসার জন্য।
---
এ জার্নি বাই মাইক্রোবাস, সিডান, হিরু হুন্ডা ফ্রম ঢাকা টু জিন্দাপার্ক টু চিকেন বিরিয়ানী
দুই-তিনদিন আগেই প্লান হইছিলো বৃহষ্পতিবার ১৮ মার্চ এবির ফটু মন্ত্রনালয় টঙ্গী রেল স্টেশন এর আশপাশে গিয়া ফটু তুলতে চায়। সকাল নয়টার ফটুগ্রাফার তিনজন (হাসান রায়হান, রায়হান সাঈদ আর বৃত্ত শুভ) রওনা দিলো ফটু তুলতে। আর দুধভাত আমজনতা সাড়ে ছয়জন (আমি, শওকত মাসুম, লীনা দিলরুবা, জয়ীতা, টুটুল, লীনা ফেরদৌস এবং তার মেয়ে মাধূর্য) আমরা রওনা দিলাম একটু বেলা করে সকাল এগারটায়।