ইউজার লগইন
ব্লগ
দেশপ্রেমিক গ্রামীণফোন!
সকালে পূর্বনির্ধারিত সময়ে গ্রামীণফোনের প্রতিনিধি এলেন তাঁদের বিজনেস সলিউশনস-এর অফার নিয়ে। প্রতিষ্ঠান চালানোর মতো জটিল কাজ কীভাবে তারা জলবৎ তরলং করে দিচ্ছে বিভিন্ন প্যাকেজ দিয়ে, তারই এক মনকাড়া উপস্থাপনা।
সব ঠিক আছে। কিন্তু বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম জিপি কানেক্ট নামের একটা অফারের কাগজ দেখে। দেশপ্রেমের পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে যে গ্রামীণফোন মানুষকে শেখায় কীভাবে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হবে, মানুষকে দেখায় দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট, তারা বাংলাদেশের মানচিত্র ছেপেছে উল্টো করে।

পুরো সাইজের লিফলেট
সবার জন্য প্রেম
.. ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... ....
প্রেম, কেন নয়?
সময় যার প্রেমের টানে
জোয়ার-ভাটা প্রেমময়...
মাথা রাখো বুকের কাছে
ভাবনা কেন করছো মিছে
প্রেম আমার... প্রেম আমার...
যত প্রকার ভাষা জানি
যত আমার শুদ্ধ ধ্বনি
প্রেম আমার... প্রেম আমার...
গ্রহণ করো...
জলের পোকা সাক্ষী মেনে
আনন্দে বল দেবী সমূদ্র সহায়
প্রেম ছাড়া কি উপায়...
প্রেম ছাড়া কি উপায়...
.. ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... ... ...
প্রতিবাদ ও দৃষ্টি আকর্ষন টু মডারেটর
বড়দের ১৩ জোকস। অবশ্যই ২৪+ শীর্ষক একটা পোস্ট আমার মন কেড়েছে বিশেষ করে ৫ নম্বরটা।অনেকদিন পরে হাসলাম মন খুলে। অফিস গিয়ে বসের সাথে শেয়ার করব ভাবছি। ব্লগার আজকের অফিস টাইমটা আনন্দময় করে ফেলেছেন তাই ধন্যবাদ তাকে। আর একটি আনন্দময় পোস্ট দুটো ছবি গল্প। (উৎসর্গ - মাসুম ভাই) খুবি ভালো লেগেছে। নিজ নিজ অর্ধাঙ্গিনীকে নিয়ে অসাধারণ কিছু আনন্দময় মহূর্তের ছবি দিয়ে সাজানো পোস্টটি অনেককেই তার বৈবাহিক জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে নতুন উদ্দীপনায় জীবনকে উপভোগ্য করে তুলতে উৎসাহিত করবে।
প্রতিবাদঃ
জিতেগারে জিতেগা পাকিস্তান জিতেগা অথবা একটি অসহায় প্রেমের উপাখ্যান...
১৯৯২ সালে আমি তাজা তরুণ। তখন অবশ্য তারুণ্যের দোলাচল শুরু হইছে সারা পৃথিবীতে। সোভিয়েত বিপর্যয়ের পর এই দেশেও তার প্রভাব ভালোমতোই পড়তে শুরু করছে। তেমন একটা সময়ে দেশের বামপন্থী দলগুলিও অনেক জাতীয়তাবাদী অবস্থান নিয়া ফেলতেছিলো। তারুণ্যের সামনে এই জাতীয়তাবাদ ছিলো অনেকটাই কৌশলী অবস্থান। কারণ স্নায়ূযুদ্ধের কাল শেষে তখন সারা পৃথিবীতে মৌলবাদ আবার মাথাচাড়া দিতেছিলো। আমেরিকা যেনো পরিকল্পিত ভাবেই তাদেরই পৃষ্ঠপোষণায় বেড়ে ওঠা মৌলবাদী শক্তিরে তখন শত্রুর পোশাকে সাজাইতেছিলো। এমনি একটা সময়ে এই দেশেও মৌলবাদের শক্তি প্রোথিত হইয়া যায়। যেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এই দেশের সেক্যুলার ভাবাদর্শ গইড়া উঠতেছিলো তার বিপরীতে এই মৌলবাদের ছায়া পড়লো বেশ শক্তিশালি অবয়ব নিয়াই। মুখোমুখি লড়াইয়ে তখন দেশের সেক্যুলার চেতনার সবচাইতে বড় ধারক শক্তি সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলি জাতীয়তাবাদরেই মূল হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার শুরু করলো। আমরা সেই
তোমার সঙ্গে আমার অথবা আমার সঙ্গে তোমার আর দেখা হবে না
গল্পটা মীরকে উৎসর্গ করলাম
একবার গোয়ালন্দঘাটে ফেরিতে ওঠার আগে ইলিশ মাছ ও ইলিশের ডিম ভাজা খেয়েছিলাম। তাও ২৫ বছর আগে। ইলিশ মাছের ডিমের সেই স্বাদ আর কখনো পাইনি। সেই গোয়ালন্দঘাট আর নেই, সেই আমিও নেই।
গোয়ালন্দঘাটের কথা খুব মনে পড়লো বরিশাল যেতে। আমাদের ক্যডেট কলেজের রি-ইউনিয়ন। এর আগে কখনো রি-ইউনিয়নে যাওয়া হয়নি, আমাদের ব্যাচের কেউ উদ্যোগ নেয়নি, আর তাই একসঙ্গে যাওয়ার কথা কখনো ভাবাও হয়নি। এবার রফিক ফোনের পর ফোন করে সবাইকে রাজি করালো।
আরিচা ধরে গিয়েছিলাম আমরা চারজন, এক গাড়িতে। রেজার গাড়ি, ওই চালায়। আর আমরা তিনজন, বুলবুল, সাগর ও আমি। ভাবা যায় ২৫ বছর পর আমরা চারজন এক হলাম?
সন্তভাবনা

গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের যে কয়টা গল্প বার বার মনে হয় তার মধ্যে "সন্ত" (The Saint) অন্যতম। গল্পটি কলম্বিয়ার এক গন্ডগ্রাম টলিমা থেকে আসা এক পিতা-মারগারিতো দুয়ার্তের- দাবীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে; যে তার কন্যার শবদেহ নিয়ে ২২ বছর ঘুরে বেড়ায় ভ্যাটিকানের পথে পথে, দাবি একটাই তার কন্যাকে সন্ত মনোনীত করা হোক।
রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব
জীবনে প্রথম রক্ত দেবার কথা আজ আর মনে নেই। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ছাদ ধসে পড়ার সেদিেনর কথা মনে আছে। আমরা ৪ বন্ধু মিলে ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে রক্ত দিয়েছিলাম।
এর পর রক্ত দিয়েছি বই মেলায়। ১৯৯২ সালে। বাংলা একাডেমীর বইয়ের দোকানে সাথেই ছিল সন্ধানীর স্টল। মিষ্টি হেসে ডাক্তার মেয়েটা ডাকলো- ভাইয়া, আপনার এক ব্যাগ রক্ত বাঁচাতে পারে একটি অমূল্য জীবন... টাইপের কথা বলে। আমি রাজী হলাম রক্ত দিতে। রক্ত দেবার পর ওরা "কেক আর কোক" খেতে দিল। খেলাম। বললো, ১৫/২০ মিনিট বসে তারপর যান। স্মার্টলি বললাম, দুর কিছু হবে না। কত বার দিলাম। চেয়ার ছেড়ে উঠতেই মাথা ঘুরে পড়লাম। একদম মাটিতে। জ্ঞান হারাবার আগে ডাক্তার মেয়েটার চেহারা দেখলাম। ও কি একটু মুচকি হেসেছিল ?
একাত্তরের এদিনে বাংলাদশের ঘরে ঘরে স্বাধীনতার পতাকা ওড়ে
২৩ মার্চ ছিল পাকিস্তান প্রজাতন্ত্র দিবস। লাহোর প্রস্তাবের স্মরণে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হত। কিন্তু সেদিন ঢাকার প্রেসিডেন্ট ভবন ও সেনাবাহিনীর সদর দফতর ছাড়া বাংলাদেশে আর কোথাও পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা ওড়েনি। ঢাকার সেক্রেটারিয়েট, হাইকোর্ট, গণপরিষদ, ইপিআর, রাজারবাগ পুলিশ সদর দফতর, ঢাকা বেতার, টেলিভিশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রধান বিচারপতি ও মুখ্য সচিবের বাসভবনসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকা তোলা হয়।
এদিনেই বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সদস্যদের সামরিক কায়দায় অভিবাদনের মধ্য দিয়ে তাঁর বাসভবনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। এর আগে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট নূরে আলম সিদ্দিকী এই পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেন।
ভু সা'ইমে তৌস্, তোজু'র্স
দশ-বারো বছর আগে যারা দেশের অবস্থা দেখে 'কি দিন আইলো রে' বলে আক্ষেপ করতো, তারা আজকের ঊর্ধ্বমূল্যের বাজার দেখে কি বলবে মনে হয় বুঝতেই পারছে না। আব্বুকে অনেকদিন জিনিসপত্রের দাম নিয়ে অনুযোগ করতে শুনি না। সারাদিন খালি পেপার পড়ে। পেপারের মধ্যে যে কি পাইলো লোকটা! অবশ্য ট্রাফিক জ্যাম, পাবলিক বাস আর ধুলিমুখর এই শহরে আর কিইবা আছে, যার প্রতি আগ্রহ জন্মায়? ভার্চুয়াল জগতটাকে বরং অনেক উষ্ণ মনে হয়। অনেক নিরুত্তাপ, বৃক্ষের ছায়ার মতো একটা জায়গা।
আমার যাদুমনি (৭)
আজকে'র ছবি গুলো'তে ঋহানের সাথে রয়েছে রোহা। রোহা, আমার বড় ভাইয়া'র মেয়ে। আমাদের ভাই-বোন'দের বাচ্চা'দের মাঝে সে সবার বড়, লক্ষী একটা জান আমাদের!
ঋহান আর রোহা মিলে কি করে, আসুন দেখি। ওহ, ছবি গুলো দেখা'র আগে আমি একটা মজার ঘটনা বলে নেই।
তাস অথবা বাতাস
তাস অথবা বাতাস-
এর মধ্যে হাওয়া এসে উল্টিয়ে দিলো
হুলের মতো স্থুলো সহবাস।
প্রতিবেশি মন শান্ত হলে উচ্চতা বেড়ে
ওঠে ঢেউ;মাছের পোনা না কি ফনা এসে চুমু খেয়ে গেল,
এরই নাম বুঝি বেজন্মা সুনামি!
হার্বার বারবার জল এসে
তুলে ধরে সাঁকোর প্রয়োজন;
তবু তুমি কাছে এসো সই,ধ্বংসাবস্থার আয়োজন।
যদি এসে দেখ খাল বিল বাউলের ঝোলায় ভর্তি তামাক বৃক্ষের বীজ
জগতের সকল শঙ্কার জন্ম হয়ে গেছে তখন;
ভেঙ্গে যাওয়া খোলের হাহাকার;
তুলে নেবে বিধবা বিশ্বের শেষ প্রণয় অধিকার।
চোর আর প্রহরী বিষয়ক কবিতা
প্রহরী দেখেনা কভু চোরেরে সজ্জন
আর তাই চোর থাকে আড়ালে আড়ালে
প্রহরী দূরত্বে গেলে চোরের আরাম
চোর তাই থাকে চুপ নিভৃত আয়েশে
তবু চোর, ঘাঘু চোর নিষ্ঠা সহকারে
অপেক্ষায় ওত পেতে থেকেছে নিয়তঃ
যদি কোনোদিন আসে এমনো অবুঝ
যেদিন প্রহরী তারে খুলে দেবে সব
তুলে দেবে মালসামান তার করপুটে...
প্রহরীও নিষ্ঠা ভাবে, দাঁড়ায় দরজায়
চোর তার বিপরীত হারায় আড়ালে।
আহা সমাপনী
আহা বাতুলতা...
কেহ তারে জানে নাই কখনো শাশ্বতঃ...
বড়দের ১৩ জোকস। অবশ্যই ২৪+
কৌতুক বলার নানা বিপদ আছে। আর সেটা হল কারো না কারো পড়া থাকবেই। কারণ এর কোনো কপিরাইট নাই, সংগ্রহ করাই মূল কাজ। এখানে আনলাকি ১৩টা জোকস দিলাম। অবশ্যই বড়দের। কেবল বড়দের বললে ভুল হবে, কঠোরভাবে বড়দের। সুতরাং যারা বড় হন নাই তার আর পড়বেন না। এখানেই থামেন, অন্য পোস্টে যান।
আবারও বলি এই পোস্ট বড়দের, কোনো ভাবেই ছোটদের না। সবগুলো জোকস সংগ্রহ করা, কেবল একটা খানিকটা মৌলিক বলা যায়। কোনটা?
দেখি কে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন।
ভেবেছিলাম ১০টা দেবো, পরে মনে হল ১৫টা দেই। শেষমেশ ১৩টা দিলাম। আবারো বলি অনেকেরই হয়তো সবগুলো পড়া। তারপরও দিলাম।
১.
মেয়েদের সুখী করার ৭০ টা উপায় আছে। এর মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে শপিং, আর এর পরেই ৬৯
২.
বন্ধুর বউকে বিয়ে করেছে দবির। স্ত্রী পরিত্যক্ত ছবির দুঃখে কষ্টে দবিরকে বললো, শেষ পর্যন্ত সেকেন্ড হ্যান্ড পেলি!
অপেক্ষা
কমিকসে মাঝে মাঝেই চোখে পড়তো, ঘুম না পেলে ভেড়া গুনো। আর যে বয়সে আমি চোখ চেপে-বুজে ঘুমাতে চাইতাম, সে বয়সে আমি ভেড়াই চিনতাম না, গুনবো কিভাবে! মাঝে মাঝে একা বাসায় ভয় পেতাম, তখন আমি খুব করে ঘুমাতে চাইতাম। কিন্তু ঘুম আসতো না। তবু চোখ চেপে শুয়ে থাকতাম, অপেক্ষা করতাম। একসময় ভয় কাটতো, আমি আস্তে আস্তে ঘুমের রাজ্যে তলিয়ে যেতাম। ঠিক তলিয়ে যাবার আগ মুহূর্তে একটা দৃশ্য চোখে ভেসে উঠতো। একটা কালো বিড়াল দেয়ালের উপর থেকে ঝাঁপ দিয়ে মাটিতে নামছে। কালো বিড়াল দেখে আশ্বস্ত হবার কোনো কারণ নেই। তবু আমি হতাম, কারণ ঐ বিড়ালটাকে দেখতে পাওয়া মানে ঘুমিয়ে পড়া। আমি এখনো মাঝে মাঝে ঘুমের ঠিক আগে বিড়ালটাকে দেখি। এসব কথা কাউকে সাধারণত বলি না। কেউ বিশ্বাস করবে না। কাকে আর দোষ দিব...কোনো এক কালে যে আমার ঘুমাতে সমস্যা হতো সেটা এখন আমার নিজেরও বিশ্বাস হতে চায় না!
ডাবল রুফ না কি ভুলে যাবার উসিলা?
চার মাস অনেকের কাছে কোন সময় নয়। আমার কাছে ১২০ দিন, কলমের বৈধব্য, কাগজ জমে যাওয়া, কী-বোর্ডের শীত কাতরতা...মনের শুষ্কতা। এটা কি রাইটার্স ব্লকেজ না কি প্রতিদিনের শিকড় উপড়ানো ব্যস্ততার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ!!
আমি এতকিছু জানি না, আমের সাথে জাম মিলিয়ে ও যদি একটা লিখা আসে আমি এখন খুশি হব আমার অবস্থা এমনই...
জীবনটা যেন ডাবল রুফে রাখা কোন জিনিসের মতো
প্রতিদিন ভাবি নামাব কিন্তু নানা টানাপোড়েনে আর হয়ে ওঠে না;
বেহুল জোস্নায় চরাচর ভেসে যায়, আমি চাদেঁর নীচে বসি কই!
বাউলা বাতাসে ঘূর্ণি নাচন,
মাথার ভেতর পাক্ দিয়ে ওঠে, বসন্ত তবু বলে আমি তার নই।
হরিণের জিহ্বায় বড়শি গেঁথে দূর বহুদূর-
আলো নেই, বেতাল বিংশতির (অ) সুর,
ডাবল রুফের শেষটা দেখা হয় না; বন্যাবাতি অনিত্য হয়ে
সব নগ্ন করে ধরিয়ে দেয় না চোখের আয়নায়,
আয়ু ক্ষয় হতে থাকে-
ঘষটে চলা পথের সীমানায়...