ইউজার লগইন
ব্লগ
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-১
অফট পিকঃ তার বা তাদের মতো লিখতে পারি না বলে সেদিন একজন এমন ঝাড়ি দিলো।দেখে চোখে পানি চলে এসেছিলো।তাই আজ থেকে আবজাব শুরু করলাম।যখন যা মনে আসবে তাই লিখবো পারলে আমারে যেন কেও ঠেকায়।
রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দিবো...............জয় বাংলা:
১.
হাতি নিয়ে মাতামাতি
বাংলাদেশ/নেদারল্যান্ড। নিশ্চিত বাংলাদেশ জিতবে। তবুও মনে ভয় কখন কি হয়। উইকেট পরা শুরু করলেতো তা মহামারী আকার ধারন করে। খেলা চলছে। এমন সময় আমার কাজের বুয়া এসে আমার মেজ মেয়েকে বললো '' হাতি দেখবে? মাঠে দাঁড়িয়ে আছে।" একথা শুনে আমার বাচ্চা তিনটা উঠে দৌড় ওদের পিছন পিছন আমি। বারান্দায় এসে দেখি হাতি চলে যাচ্ছে। বাচ্চারা ঘ্যান ঘ্যান শুরু কবলো --মা হাতিকে ডাকো, বাসায় আনো , আমি হাতির পিঠে চড়ব। বিরক্ত হয়ে বললাম ডাকতে।
মন খারাপের দিস্তা
একটু আগে ঋহান’কে বকা দিচ্ছিলম “তোমার সাথে আর কথা নেই। তুমি গত ৩দিন যাবৎ দুধ ছাড়া কিচ্ছু খাও না”। বলে রাগ মাখা মুখ নিয়ে ওর জন্য দুধ বানাচ্ছি, দেখি সে আমাকে ফলো করছে। যেই আমি ওর দিকে তাকালাম সে হেসে দিলো। আমি বললাম, “কোন লাভ নেই। তুমি ভেবেছো হাসলেই মা’র রাগ কমে যাবে? জ্বী না!” বলে আবার অন্য দিকে তাকালাম। এবারও সে আমাকে ফলো করছে। দুধ বানানো শেষ। ফিডার দেয়ার জন্য যখন আবার তাকালাম, এবার সশব্দে হেসে দিলো। পরাজিত হলাম ওর কাছে। আমিও হেসে ওকে কোলে তুলে জড়িয়ে ধরলাম।
তুচ্ছ মানব জন্ম
মানুষ হিসেবে আমি মাঝারি মানের - মানে মিডিওকার আর কি! (তার মধ্যে উচ্চতা, ওজন, মেধা, অর্থনৈতিক অবস্থা সবই পড়ে।) এহেন মানুষের আবার পছন্দ অপছন্দ! আমারে কেউ গোনার মধ্যেই ধরে না। তায় আমি াবার যেই বিষয়টা পছন্দ করি, তা জগতের বেশিরভাগ বুদ্ধিজিবী, উচ্চমানের মানুষ, সিরিয়াস মানুষ কেউ ই পছন্দ করেন না। সেটা হল রসিকতা। আমি রসিক মানুষ বেশ পছন্দ করি।
আমার পথে তোমার ঝিকিমিকি
বাংলাদেশ ক্রিকেট টীমকে নিয়ে একটু টেনশনে আছি। আজ-কাল জিতলেও মানুষ সমালোচনা করতে ছাড়ছে না। ওরাও তো সবাই রক্তে-মাংসে গড়া, ভুল অভ্যাসে ভরা মানুষ। টাকা যাই কামাই করুক, তা দিয়েই সব বিচার করে ফেলা বোধহয় একশ' ভাগ ঠিক হবে না। আমাদের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকা দিয়ে দেশে খালি ওরা একাই লালিত-পালিত হচ্ছে না। আরো অনেকে হচ্ছে। এমন অনেক গোষ্ঠীকে আমাদের টাকা দিয়ে পালা হচ্ছে, যাদেরকে হয়তো আমাদের দরকারই নেই। যেমন, র্যাব (rab)।
প্রকৃতি তুমি এতো নিষ্ঠুর কেনো!!
আজকে সকালে এক বন্ধুর ফেইসবুক স্টেটাস পইড়া আসলেই কনফিউজ্ড হইলাম। জাপানে প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প আর তারই ফলশ্রুতিতে আরো ভয়ঙ্কর জলোচ্ছ্বাস সুনামি ইফেক্টে যখন মানুষের জানমাল অস্তিত্ব আসলেই নিশ্চিহ্ন হইয়া যাওনের আশংকা দেখা দিছে সেইসময় এই পদার্থ বিজ্ঞানী বন্ধু বলতেছে,
জাপানে ব্লাস্টের পর নিউক্লিয়ার পাওয়ার সোর্স নিয়া যেই বিতর্ক তৈরী হইছে, তাতে দেশের বিকল্প জ্বালানীর স্বপ্ন মাঠে মারা যাইবো। কয়লা নিয়া কর্পোরেইট মাল্টি ন্যাশনালগুলি খেয়োখেয়ি শুরু করবো আর সোলার পাওয়ার এই বর্ষা বিধৌত দেশে কখনোই প্রধান জ্বালানীশক্তি হইতে পারে না।
সংবাদপত্র জগতের গল্প-১
সকালেই ফোন ফাহিমের। ধরতেই বললো, মাসুম ভাই চাকরিটা ছেড়ে দিলাম। চমকে উঠে বললাম, কেন, কি হয়েছে। ফাহিম জানালো, গতকাল মিটিং ছিল মালিকের সাথে, মিটিং-এ মালিক গালাগালি করেছে খারাপ ভাবে। সেটা শুনতে ভাল লাগেনি বলেই সাথে সাথে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে। মিটিং-এই ফাহিম মালিককে বলে এসেছে যে, আপনার চাকরি আর করছি না।'।
ফাহিমকে চিনি অনেকদিন ধরে। অত্যন্ত ভাল ছাত্র ছিল। কিন্তু নানা সঙ্গদোষে ভাল ছাত্রের সুনামটা আর ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সামলে নিয়েছে নিজেকে। বিয়ে করেছে, একটা ছেলেও আছে। পুরো পরিবারটা তেখতে ভাল লাগে। ফাহিমের বউ আমার বউয়ের দিক থেকে আত্মীয়ও হয়। আবার আমি যখন ইত্তেফাকে, তখন তাকে আমার সম্পাদিত অর্থনীতির পাতায় লিখতে দিতাম। সেই সুবাদে তার সাংবাদিক হওয়ার পথটা সহজ হয়েছিল। আর এখন নিজ যোগ্যতায়ই বিশেষ প্রতিনিধি হতে পেরেছে।
চোখের তরজমা
চোখের তরজমা;
পাপড়ির পর্দা;
তারে তারে কম্পণ পৌঁছালো কী?
কলিজার ভেতর থেকে রক্ত ছাড়া আর কি দেখানোর আছে!
নখের দিকে তাকাও
নেল পলিশ ছাড়াই কী রূপে জ্বলজ্বল করে বাহারি আচড়।
আলপনা মানে হস্তরেখার খাল
নাভী ও যোনি দুই সীমান্ত,-
চলে দুই দিকে অন্ত আমার অন্তর্জাল
দুটি পা' গেছে মলয় ও হিমালয়
হিমের ভেতর দেখ অমার তালু দেখ কতো উষ্ণ!
ফিরে এসো সিঁথিপথ ধ'রে, দেখ গুঁরুদাস
সন্ধ্যা নদীর সকাল বিকাল রাত্তির নাই
জোয়ার ভাটা তবু হাটাহাটি করে এইসব তীর্থস্তনে।
ঘুমের অতীত এই সিঁথিপথ ঘুম;
স্বপ্নের আবহসঙ্গীত হলো সিলিপিং পিল।
তবু মেপে নাও পায়ের ছাপ থেকে মাছি ও মাছের দীর্ঘতা
ওড়নার খানিকটা অংশত দৃশ্য উড়ে
শিকার নিয়ে চলে মহারাজা
বাঘের স্থান বদলের ইতিহাস পাঠ করা পর্যটক।
আমাদের জন্যে অপেক্ষাই শ্রেয় হলো;
বলো,আমরাই কী তোমার শিকার হবো?
নিঃশব্দের গল্প শেখাও
ঘুমোতে যাবার আগে কিছু বলে নিতে হয় স্বপ্নের কাছে
যেনো দোষে কিছু ফুটে না ওঠে ঠোটে;
কিছু যেনো ডুবে না যায় যাযাবর লোভে।
বালিশ কম্বলের কাছে ওয়াদা করে নিতে হবে
সব কথা বলা যাবে শ্রুতি ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে
ঘরের জানলাগুলো জানাবে দিগন্তের খবর।
অবাক করার মতো কোনো বাকদেবী দাওয়াত পাবে না
যারা এসো নগ্ন হয়ে
যদি পারো-
মাছের স্বভাব দেখাও
গল্পের উঠানে ঝাপ দিয়ে নিঃশব্দের গল্প শেখাও।
লুঙ্গি ওপেন ও চাদর ধোয়া
লুঙ্গি ওপেন
আমরা তখন মতিঝিল টিএন্ডটি কলোনিতে থাকি। এসএসসি পরীক্ষার পর অফুরন্ত অবসর। পড়াশুনা নাই। স্কুলের নিয়মের বেড়া নাই। সারাদিন আড্ডা, খেলা নিয়া থাকতাম। আরেকটা জিনিস শিখতে শুরু করেছি তখন, মেয়েদের সাথে ফিল্ডিং মারা। মাঞ্জা মেরে দলবেধে ঘুরতাম আর বিল্ডিংয়ের বারান্দায় দাড়ানো মেয়েদের সাথে টাংকি মারতাম।
আমাদের ভালবাসার সবটুকু বাংলাদেশ দলের জন্য

চলছে খেলা। প্রথম ইনিংস শেষ হলো একটু আগেই। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সকাল ৯টায় ম্যাচ শুরু হয়। তার আগে অবশ্য বাংলাদেশ এই প্রথমবারের মত টসে হারে। প্রথম ব্যাট করতে নামা নেদারল্যান্ডস'এর রান ৪৬ ওভার ২ বলে ১৬০।
নেদারল্যান্ডের ধ্বসের শুরুটা হয় আমাদের ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসানের বল দিয়েই। প্রথম শিকার ওয়েসলি বারেসিকে এলবিডব্লিউ হয়। মুদাসসর বুখারি আউট হন রাজ্জাকের বলে মুশফিকের ক্যাচ। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান এরিক সোয়াজনিস্কি ও টম কুপার দলকে টেনে নিতে থাকেন। দূর্ভাগ্যজনক ভাবে রান আউট হন সোয়াজিনিস্কি সাকিবের বলে।

'ইমপসিবলের চেয়েও অধিক ইমপসিবল হলো আনইমপসিবল'
যেমন আমি লিখতাম বা লিখতে পারতাম আজ সকালের নৈয়মিক দিনাচার নিয়ে। দুটি বালিকা সামনের সিটে বসে বিস্তর বকবক করেই যাচ্ছিলো। টুইটারের মনযোগ থেকে বাধ্য হলাম তাদের খুনসুটি শুনতে। সাধারণত সহযাত্রীদের কানের দূরত্ব মেপে চাপা গলায় যেমন মানুষ ফিসফিস করে - সেসব নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে আগেই। মাইক্রোবাস ভর্তি মানুষ এখন মনযোগী অডিয়েন্স।
একজন বললো, মা'কে দারোয়ান বানিয়ে রেখেছি সাড়ে ৬টা থেকে। গাড়ী আসলেই যেনো আমাকে ডাক দেয়! সকাল থেকে মেজাজ গরম!
অন্যজন হাসলো খিলখিলিয়ে। আমি তো এলার্মেও উঠি না। মা আমাকে সেই ছোটবেলা থেকে সকালে উঠিয়ে দেয়, ইস আরেকটু ঘুমাতে পারতাম যদি!
আমার কানে কিছু বলতে এলো সে, হাতছানি তার অজানায় বহুদূর
প্রবাস জীবনের ব্যস্ততায় আর তিতলির অবুঝপনায় ক্লান্ত হয়ে সায়ান আস্তে আস্তে তিতলির সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দিল। মেইল, ফোন সবকিছু সে নিজে কমিয়ে দিল, তিতলির ডাকে সাড়া দেয়াও কমিয়ে দিল। ওদের মধ্যে একটা অলিখিত নিয়ম ছিল, প্রতি ভোরে দুজন দুজনকে সুন্দর একটা দিনের শুভকামনা জানিয়ে উইশ করা, সেটা সায়ান বন্ধ করে দিল। শুধু যে তিতলির অবুঝপনা আর ঝগড়া এটার কারণ ঠিক তাও নয়। আজকাল সায়ান ভবিষ্যৎ এর কথাও ভাবছিল। সামনের সুন্দর উজ্জল ক্যারিয়ার আর ভবিষ্যৎ ফেলে সে সহসা দেশে ফিরতে চায় না। আর তিতলিও তার পরিবারের খুব ন্যাওটা। তাদের ছেড়ে সে এই দূরদেশে আসার কথা ভাবতে পারে না। তাহলে এ লং ডিসট্যান্স রিলেশনশিপের ভবিষ্যৎ কি? কি দরকার এ মূল্যবান সময় আর শক্তি বৃথা নষ্ট করে তার রাত জাগার?
গল্প: অতি সাধারণ কথোপকথন
হানিমুন সহজ কথা না। এটার পরিকল্পনা করাও কম ঝকমারি না। জীবনে একবারের বেশি হানিমুন হয়ও না। হলেও প্রথমবারের ব্যপারই থাকে ভিন্ন। আবার বিয়ের পরপরই হানিমুনে না গেলে পরে আর সেটাকে হানিমুন বলাও যায় না।
সব মিলিয়ে একটা ব্যপারে নিশ্চিত থাকতে পারো যে, হানিমুনের একটা পাকা বন্দোবস্ত না করে বিয়ে করে ফেলাটা আসলে ভালো হবে না। এখন ধরো, বিয়ের অন্য সব রকম প্রস্তুতি তোমার নেয়া হয়ে গেছে। আর হানিমুন সম্পর্কে ভেবে রেখেছো যে, সে পরে দেখা যাবে। তাহলে কিন্তু হবে না। সবার আগে এটা ভেবে রাখা জরুরি। এটা ভাবার আগে অর্থনীতি নিয়ে ভাবাও জরুরি। এজন্য অবশ্য শওকত হোসেন মাসুমের সাদা-কালোর অর্থনীতি বইটি পড়ে রাখতে পারো চাইলে।
জীবনের উদ্দেশ্য
(সংবিধিত সাবধান: আজাইরা প্যাঁচাল)
জীবনের উদ্দেশ্য অনুধাবন করার গুরুত্ব কি? সময় কি এসেছে নিজের জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে বের করার ?

আপনার জীবনের উদ্দেশ্য কি?
• আপনার জীবন কি আপনার নিয়ন্ত্রনে আছে ? নাকি জীবন কোন এক দৈব চক্রে আপনাকে কিছু একটা সুযোগ করে দিবে সে অপেক্ষায় আপনি জন্য বেঁচে আছেন ?
• আপনি কি বলেন সেটা ব্যাপার না, কি করেন সেটাই আসল !
• খুঁজে বের করুন কিভাবে আপনি আরও উদ্দেশ্য-মন্ডিত জীবন যাপন করতে পারেন !
আপনি কি কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কেন আপনি পৃথিবী এসেছেন ? যদি আপনার জীবনের কোন উদ্দেশ্য না থাকে, তাহলে বেঁচে থাকার কোন মানে আছে কি ?