ইউজার লগইন
ব্লগ
তোমাকে ভালোবাসার থেকে মুক্তি চাই
দেখলেই যেমন বিটকেলে পরমাণুভূতি
ঠায় দাড়িয়ে থাকতে অশ্রাব্য গোঙানি শুনি
ব্যাকবেঞ্চিতে যাবতীয় ধীমান
আমার পুরুষ জঙ্ঘাতে প্রথম প্রেমিক পুরুষ!
যার সকল মুখস্থ দেহাবশেষ কেবল ধূসর বনলতা
আরাধ্য অঞ্জলী দিয়ে ফেসবুকের চিত্রে চিত্রে ট্যাগন
দুচারটে অভিমানী ফোড়ন পীড়নের পরে
পুরুষের দুই স্তনের মাঝে প্রেমাংশুর নখের আচড়!
আমার পুরুষ প্রেমিক এবার আমাকে পুরুষ করো
দেহস্থ ভাজের মাঝে হৃদয়ের অবোধনামায়
আমাদের উত্তররমনীদের বিস্ফোরিত উরু থেকে
জন্ম দাও এক যৌন-রাজনীতির আনকোরা পুরুষ!
এসব প্রশ্ন কখনো কর না । বোবা কালা হয়ে থাকো।
কেন ইউনুস প্রশ্নে বিচলিত যুক্তরাষ্ট্র ???
কেন সরকারের ২ বছর পর মনে হলো ইউনুস অবৈধ ভাবে ক্ষমতায় আছেন ?
কেন এতদিন বাংলাদেশ ব্যাংক অবৈধ ব্যাক্তির সাথে লেন দেন করলো ?
কেন এতদিন বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবস্থা নেয় নাই ইউনুস সাহেবের বিরুদ্ধে?
কেন সেই কুমিরের ছানার মতন একই গল্প - টিনের চাল খুলে নেয়া, লাশ দাফন করতে না দেয়া , গরু নিয়ে যাওয়ার গল্প বলা হচ্ছে ? এর বাইরে আর কি কিছু ঘটে নাই ? কেন ঘটে নাই ? যদিও বা ঘটে সেগুলো কেন আমরা জানিনাই?
কেন পি কে এস এফ দেশে ক্ষুদ্র ঋন চালু করলো ? কেন ইউনুস মডেল ফলো করলো তারা ?
কেন অন্যান্য ক্ষুদ্র ঋন প্রদান কারী এন জি ও দেশে এখনো ক্ষুদ্র ঋন নিয়ে কাজ করছে, যদি এটা এতই খারাপ বিষয় হয় ?
কেন ক্ষুদ্র ঋনের আরো ভালো ফর্মুলা নিয়ে কেউ এগিয়ে আসছে না ?
কেন শেখ হাসিনা ক্ষুদ্র ঋন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন, যদি এতই খারাপ হয় ?
নৈর্ব্যক্তিক সময়ের শব্দ
কয়েকটা টেলিফোন বেজে উঠেছিল কোথাও
আর, রাতজাগা ঘুমেদের আস্ফালনে চাপা পড়ছিলো
বিবিধ আগুনের তাপ
ত্রিধাবিভক্ত জিহ্বা নিয়ে উল্লসিত সাধুগোত্র
অন্যের রক্তে পানপাত্র ভরে নিচ্ছে অবিরাম
পাথর চোখের কার্নিশে ঘর বাঁধা প্রজাপতি, তোমরা উড়ে চলে যাও
এখানে স্বপ্নের বলি দেয়া হবে কিছুক্ষণ পর
বেজে উঠবে বিকলাঙ্গ নর্তকীর কাঁচের চুড়ি
হাড়ের গভীরে হেঁটে যাওয়া ঘুন পোকা, তুমি কেঁদে উঠোনা
এখনি প্রস্তুত করা হবে রাজকীয় সিংহাসন
অভিষেক হবে ক্লীব জনকের যৌনাচার
কর্মীরা ফিরে চলে গেছে মেঠোপথ অসমাপ্ত রেখে
দায়ভার... একা, অবিরাম সময়ের ।
কালিদাস পণ্ডিতের ধাঁধাঁ - ১
কবি কালিদাস আমাদের কাছে 'কালিদাস পণ্ডিত' নামে বেশী পরিচিত। ‘কালিদাস পণ্ডিত’ কে আপনারা সবাই জানেন। কালিদাস পণ্ডিতকে নূতন করে পরিচয় করে দিয়ে আমি নিজে 'পন্ডিত' সাজতে চাই না। নেট তথা গুগুল টাইপ প্রোগ্রামগুলোই এখন বিরাট বিরাট পন্ডিত! কিছু জানতে হলে লিখে সার্চ করলেই হল। ‘কালিদাস পণ্ডিত’ লিখে সার্চ করে কালিদাস পন্ডিত প্রসঙ্গে জানুন। কালিদাস ছিলেন ধ্রুপদি সংস্কৃত ভাষার এক বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার। কালিদাস প্রাচীন যুগের ভারতীয় কবি। তিনি সংস্কৃত ভাষার শ্রেষ্ঠ কবিরূপে পরিচিত। যদিও তাঁর জীবনকাহিনী সম্পর্কে বিশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না।

(কালিদাস পন্ডিতের আনুমানিক ছবি, হাতে আঁকা)
ওড টু মাই ফ্যামিলি- ২
ঢাকা থেকে আগে গ্রামের বাড়ি যাওয়া একটা ঘটনা ছিলো।
সাত দিন আগে থেকে মা শুরু করতো, "আর ৬ দিন পর রাজশাহী যাবে তো তুমি, যাও এখন হাত-মুখ ধুয়ে পড়তে বস", কিংবা (অতি জঘন্য কোন খাবার দেখায়ে) "৫ দিন পর রাজশাহী, দুধটা শেষ কর"--- আমরা দাঁতে দাঁত চেপে কোনরকমে অপ্রিয় কাজগুলো করে ফেলতাম আর কতদিনে সাত দিন ঘুরে ৫, ৪, ৩, ২, ১ হবে তার অপেক্ষায় দিনানিপাত করতাম। সময় তখন বড়ই গাদ্দার ছিলো, এমন আস্তে কাটতো! আর এদিকে আমাদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের মত বাড়তেই থাকতো।
প্রেমিকের ভালমন্দ
(আমার প্রতিটি লেখার মত এটিও প্রাত্যহিক জীবনের কথোপকথনের ফলে তৈরী।আমার এক বন্ধূর 'আমার প্রেমিক ভাল না' টাইপের অভিযোগ থেকেই আমি বিষয়টি নিয়ে ভাবি।)
মানুষ ভাংগা চেয়ারেরই প্রেমে পড়ে।
প্রেমের ইনিশিয়াল ইমপেক্ট মারাত্নক, মানুষ সরাসরি ভেংগে পড়ে। তবে ধকল কাটিয়ে উঠার পর মানুষের মনে হয় আসলে সে ভাংগা চেয়ারেরই প্রেমে পড়েছে। তিন পা নিয়ে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ায় এমন চেয়ার। সারফেসে পেরেক ওঠা, 'বসলে-নড়াচড়া-বারণ' এমন চেয়ার।
সমস্যা আপনার মধ্যে:
ক্ষমা করো হে নারী
আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস । এদিনে তোমাদের নিয়ে টিভিমিডিয়া টক শো করবে,পত্রিকায় বিশেষ পাতা বেরুবে , ব্লগাস্ফিয়ারে প্রচুর পোস্ট আসবে (নারীর সম্মানে পোস্ট স্টিকি হবে কোথাও ), ফেসবুকে ষ্ট্যাটাসের বন্যা বইবে কিন্তু তুমি নারীই থেকে যাবে বেলা শেষে । বস্তুত:দুনিয়ার সমস্ত আবিস্কারে
ইতিহাস বিনির্মানে
অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তথা মুক্তির লড়াইয়ে
সাহিত্যে ধর্ম দর্শনে বিজ্ঞানে সংস্কৃতিতে
যুগে যুগে তোমরা রেখেছে অবদান
কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক ইতিহাস তোমাদের কথা চেপে গেছে
সমাজ তোমাদের কথা ভুলিয়ে দিতে চেয়েছে
আর শিশ্নকেন্দ্রীক সাহিত্য সমালোচনা তোমাদের অস্বীকার করেছে ।
আজ আমাদের এ দীনতা ও অপরাধ ক্ষমা করো হে নারী ।
ও নদীরে - - - -
এখন মনে হয়, আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে যে গ্রামে ও যে নদীর তীরে তা ভারী সুন্দর! বাংলাদেশের আর দশটি গ্রামের মতই বৈচিত্রহীন একটা গ্রাম। আর সে গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তারও চেয়ে বৈচিত্রহীন একটা নদী। বাংলাদেশে নদীর কত সুন্দর সুন্দর নাম, মেঘনা, যমুনা, সুরমা, করতোয়া, রূপসা, তিস্তা, চিত্রা, শীতলক্ষ্যা, কুশিয়ারা, আরও কত কি! এমন সুন্দর একটা নামের নদীর পাশের কোন একটা গ্রামে আমার জন্ম হয়নি। যে গ্রামে জন্মেছি, তার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটির নাম শুনলে সবাই নাক কুঁচকায় – সেটার নাম মাথাভাঙ্গা। আমরা ছোট বেলায় লিখতাম মাথাভাঙা, উচ্চারণও করতাম তাই-ই, এখনও। কিন্তু কালে কালে আর সব কিছুর মতই মাথাভাঙা এখন হয়ে গেছে মাথাভাঙ্গা।
যাপিত জীবন: ছেলেবেলার খেলা
ফুটবল, ক্রিকেট, ডাংগুটি, তাস(সিগারেটে প্যাকেট), হকি ইত্যাদি সব খেলাই খেলতাম ছোটোবেলায়। যদিও কোনোটার পারফর্মেন্স উল্লেখ করার মত না, মহল্লা লেভেলেই। সারাজীবনে শুধুমাত্র একবারই পুরস্কার পেয়েছিলাম। সেটা মহল্লার খেলাতে। দৌড়ে আর মোরগ লড়াইয়ে প্রথম। কিন্তু এর বাইরে কোনো প্রতিযোগিতায়ই পুরস্কারের ধারে কাছে যাইতে পারি নাই। মান ভালো না হলেও খেলায় আমার আগ্রহ সব সময়। জয় পরাজয় কিছু নয় অংশ গ্রহন করাই বড় কথা এই দর্শনে বিশ্বাসি হয়ে খেলায় লেগে থাকতাম।
আমাদের ছেলেবেলায় ফুটবল ছিল প্রধান খেলা। কিন্তু আমার জন্য আরামদায়ক ছিলনা। কারণ আমার শরীর নরম। খালি পায়ে খেলতাম। এদিকে অন্যদের পা ছিল লোহার মত শক্ত। কতবার ল্যাং খেয়ে পা ফুলে ব্যাথায় কাতড়েছি। তারপরও খেলে গেছি, মানে বলের পিছনে দৌড়ানো আর কি।
আমার যাদুমনি (৫)




খেলা খেলা আর খেলা

খেলা করবে আর মারামারি করবেনা? সেও কি হয়?

মারামারি করে একজন চিৎপটাং!



ঋহান ঋহান ঋহান.....................

খৃষ্টপর দুই সেঞ্চুরী
খৃষ্টপর দুই সেঞ্চুরির সিঁধেল অন্ধকারে
নায়কেরা কেমন বদ বখত হয়ে গেলো
আলোকালো আর কালোআলো তারকা থেকে
উৎক্ষেপণ যন্ত্রে চেপে নেমে এলো মাই ফুটে!
পানির বদলে গ্লাস ভেঙে খাই অটুট তৃষ্ণা মুখে
চাদরের হাতলে পিলোবন্দি ঘুরি রাতের দূর্বাঘাসে
যেখানে পতন তারও তলে গভীর খাদের বাঁকে
এক চুমুক অধর গিলে - আবার নায়ক হয়ে ফেরে!
আস্তিনে মোছা সফল গোঁফের সতেজ সফেদ ডাটা
কেবল চালান করে দিচ্ছি হেঁসেলের প্রয়োজন ভেবে
আরো কিছু পরে যদি কোনো গোয়েন্দা তল্লাশী চলে
দেখিয়ে দেবো সুয়ারেজের ছিপিটা কিভাবে খোলে!
ব্যানার সমালোচনাঃ- যেদিন তর্জনি'র "যাদুকরি" ইশারাতে জেগে উঠেছিলো মানুষ, মুক্তির আস্বাদে
নিজের বাংলা গেয়ান লৈয়া খুব বেশি গর্ব করনের মতন কিছু নাই, হিন্দিও শুইনা বুঝি এরম।
এই গেয়ান লৈয়াই কিছু লেখনের টেরাই দিতেছি।
হিন্দিতেঃ-
আলাদীন কি পাস এক যাদুই চেরাগ থি.............
বা
ইস গাঁও মে এক যাদুগর রেহতা হ্যাঁয়, জিনকো পাস এক যাদুই জুতা হ্যাঁয়।
বা
উন আঁখোকি যাদুই ইশারেপে ম্যাঁয় ঘায়েল হুঁয়া........
বাংলাতেঃ-
ক্রিস এঙ্গেল বা ডেভিড ব্লেইনের থেকে আমার ডেভিড কপার ফিল্ডের যাদুই বেশি ভালো লাগে।
বা
যাদুর পেন্সিল, আআহা যাদুর পেন্সিল
থাকতো যদি এমন একটা যাদুর পেন্সিল।
হিন্দিতে যতবার যাদুই লিখছি, ততবারই কইলাম যাদুই এর মিনিং বাংলায় যাদুর অর্থ লয়।
যেরাম হিন্দি শব্দগুলারে বাংলায় কইতে গেলে আমি এমনে কমু যে
একাত্তরের এদিনে-বঙ্গবন্ধু বললেন -এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ। বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের অবিস্মরণীয় একটি দিন। একাত্তরের এই দিনে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রমনার রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে ঘোষণা করেছিলেন পাকিস্তানের অপশাসন ও নিষ্পেষণ থেকে বাঙালির মুক্তির মূলমন্ত্র। এই ভাষণটির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করা।কবি নির্মলেন্দু গুণ শেখ মুজিবের সাত মার্চের ভাষণকে বলেছেন একটি মহাকাব্য। আর সেই মহাকাব্যের মহাকবি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কবি গুণের কবিতায় বঙ্গবন্ধুকে কবি অভিহিত করার প্রতিধ্বনি শোনা গেছে লন্ডনের সানডে টাইমস পত্রিকার মতো কাগজে। কাগজটি শেখ মুজিবকে নাম দিয়েছিল 'এ পোয়েট অব পলিটিক্স' ।
চলুন ফিরে যাই একাত্তরে-
গল্প: হরেক রংএর মার্বেল
১.
সেদিন ঘর থেকে মাত্র বের হয়েছি, সিঁড়িতে একটা কালো হুলো দেখলাম। বেড়ালের চোখ সবসময়ই দর্শনীয়। আমি বেড়াল দেখলেই তার চোখের দিকে তাকাই। ছোটবেলায় মার্বেল জমানোর শখ ছিলো। এখন অবশ্য যেরকম সুন্দর সুন্দর মার্বেল ক্যম্পাস আর এ্যলিফ্যন্ট রোডের ফুটপাথে বিক্রি করে, সেরকম মার্বেল তখন পাওয়া যেতো না। সবুজ বা ঘন কালো রংএর মার্বেল ছিলো শুধু। সেরকম মার্বেল জমিয়েছিলাম এক হাজার। যার বেশিরভাগ খেলে খেলে জেতা। বেড়ালের চোখ আমার কাছে মার্বেলের মতো লাগে। শুনেছি ভুত মরে নাকি মার্বেল হয়।
সাইকেলটা একটা সীজনাল খোর। যখন যে সীজন চলে, তখনকার সহজলভ্য খাদ্যটি সে প্রচুর পরিমাণে খেতে থাকে। বর্ষার সময় সে কাদা খায়। গরমকালে খায় ধুলা। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট ধুলা না ঝাড়লে জিনিসটা মনুষ্য সমাজে চলার মতো চেহারায় আসে না। আনমনে ধুলা ঝাড়তে ঝাড়তে ভাবছিলাম, সামনে দিয়ে বেড়াল চলে যাওয়াটা অপয়াই হয় কি না কে জানে।
রিপোষ্ট কবিতা প্রথম পর্ব
এইটা মুকুলের জন্য রিপোষ্ট করলাম, মুকুল কইলো অনেক দিন ধইরা সে আমার কবিতাওউবিতা পড়ে না, লিখা হয় নাই কইয়া পুরানা মাল গছায়া দিলাম
ভালোবাসা সর্বগ্রাসী
০১.
ভালোবাসা সর্বগ্রাসী, অস্তিত্ব গিলে খেতে চায়
ডাঙ্গার প্রাণী ডুবে অগাধ জলে ,প্রেমের বরশী গিলে বৃথা তড়পায়।
০২.
আমি কীটস হলে ভালো হতো, বলতাম "আমার নাম লেখা ছিলো জলে"
আমি হারিয়ে নিজের নাম ঘুরছি শহরে
তুমিহীনা এ নগর পোড়ে বিরহ অঙ্গারে ।
০৩.
তোমার দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছি, আসবো?
নিছক আবেগ বক্ষে ধরে
নিকষ কালো অন্ধকারে
একলা একাই দাঁড়িয়ে আছি, আসবো?
উপড়ে নেওয়া শেকড়ে এখনও লেগে আছে রক্ত আর অশ্রুকণা
সারাদিনের সঞ্চিত খড়কুটোয় এলোমেলো ঘুমায়াছে ক্লান্ত চড়াই
কড়া নেড়ে নেড়ে নিস্তব্ধ মহল্লার সবকটা জানালায় জ্বলে উঠলো আলো,
অসময়ে চলে যাওয়া ভালো।
শিশির দু পায়ে পিষে আমি ফিরে যাই...
০৪.