ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার যাদুমনি (৪)
আজকের ছবি গুলো বিভিন্ন দিনের, বিভিন্ন মূহুর্তে তোলা। আসলে স্টকে অনেক অনেক ছবি আছে ঋহানের। কিন্তু সেগুলো থেকে যে ভালো গুলো বেছে আলাদা করবো, সময়ের অভাবে সেটা হয়না। আর এত এত ছবি'র মাঝে কোনটা দিলে ভালো হয় বুঝে পাইনা। হাতের কাছে যে কয়টা পেলাম তার মাঝে যেগুলো ভালো লাগলো সেগুলোই দিয়ে দিলাম।
খেলার ফাঁকে
ঋহানঃ পোলাপাইন কিবোর্ডটাও ঠিক মত চালাইতে শিখে নাই। এই দেখো সবাই, এইভাবে লেখালেখি করতে হয়

ক্ষুধার্ত ঋহান

অসাধারণ একটি শিক্ষামূলক গল্প
একদা এক বিরাটাকার জাহাজে যান্ত্রিক গোলযোগ পরিলক্ষিত হয়। জাহাজ মেরামতের অভিপ্রায়ে মালিকের চেষ্টায় কোন ত্রুটি দৃষ্টিগোচর হয়নি। আজ এক জনকে, কাল অন্য জনকে, পরশু আরেকজনকে দিয়ে চেষ্টা চালিয়েই যাইতেছিল। কিন্তু কাহারো পক্ষেই এই জাহাজটিকে মেরামত করা সম্ভব হইতেছিল না। দেশ বিদেশের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা আপ্রাণ চেষ্টা করিয়াও যখন কোন কুল কিনারা করিতে পারিতেছিল না তখন এক বৃদ্ধ লোকের ডাক পরিল। কারণ বৃদ্ধার যৌবনকালে এমন একটি সমস্যার সমাধান করিয়াছিল বলিয়া জনশ্রুত আছে।
বয়োবৃদ্ধ ভদ্রলোক বিশাল এক যন্ত্রপাতির বাক্স লইয়া হাজির হইয়া দ্রুতই কাজে নামিয়া পরিল। সে ইঞ্জিনের শুরু হইতে শেষ পর্যন্ত খুবই সতর্কতার সহিত পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরখ করিয়া দেখিল। জাহাজের মালিক বৃদ্ধার সহিত সর্বক্ষণ লাগিয়া থাকিল এবং বোঝার চেষ্টা করিল বৃদ্ধা কিভাবে জাহাজ মেরামত করিবে।
লজ্জা এবং অন্যান্য........
প্রথম লজ্জা আমাদের অন্যরকম এবং অবিশ্বাস্য পরাজয়ের। দ্বিতীয় লজ্জা আমাদের হতাশার অতিরিক্ত বহিঃপ্রকাশে। আমরা কি এখনো পর্যাপ্ত সভ্য হতে পারিনি যে এভাবে ইট ছুড়ে অতিথিকে তাড়িয়ে দিতে হবে। আমদের মানসিকতা এতটা নিচু আর কতভাবে দেখাবো ? আমাদের তামিম, সাকিবরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে দাঁড়াতে পারেনি, কেন পারেনি বিশ্লেষণ করে পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। আমি ক্রীড়া বিশ্লেষক নই, আমি গতকালের খেলার বিশ্লেষণ করতেও বসিনি। আমার আপত্তি, অতিথির গাড়িতে ইট ছোঁড়া নিয়ে। যতটা লজ্জা আমাদের পরাজয়ে, তারও চেয়ে বেশি লজ্জা আমাদের আচরনে। তামিম সাকিবদের জয় যদি আমাদের উল্লাশে মাতিয়ে দিতে পারে, তবে তাদের পরাজয় আমাদের স্পর্শ করে না কেন? কেন আমরা ভুলে যাই জয় পরাজয় জীবনেরই অংশ, আর পরাজয় কখনো খুব খারাপ ভাবেও আসতে পারে।
এক অসম প্রেমের কাহিনী
মাঝে মাঝে অবাক হয়ে ভাবি, জানার আছে কত কিছু। সামু ব্লগে প্রথম চোখে পড়েছিলো মাঙ্গা শব্দটি। এরপরে আমার নিজের ব্লগেও শব্দটি পেয়েছি বিভিন্ন সময়। এই সেদিনই পড়লাম নাম নাই আর ভাস্করদা'র লেখায়। কোন্ ধরনের এ্যনিমেশনকে মাঙ্গা নামে ডাকা হয় সেটি জানতাম ঠিকই, কিন্তু এছাড়া জানা ছিলো না প্রায় আর কিছুই।
কন্টাক্ট লেন্স
কেমন আছেন সবাই? এটা ব্লগে আমার ১ম পোস্ট ।ভাল লাগছে লিখতে পেরে
পোস্টটা দেয়ার সময় ১টা প্রশ্ন ঘুরছিল মাথার মধ্যে । সেটা দিয়েই শুরু করলাম
পাওয়ার কন্টাক্ট লেন্স কোন কম্পানীরটা ভাল হবে?
ল্যাসিক কি নিরাপদ?কোন সাইড এফেকট নেইত?
... ................................
................. .................................
........................... ..........................
............................................... ............................
টাইগার প্রতিদিন শিকার করে না!
আজকাল আর মন ভাল রাখতে পারছি না। নানা কারনে নানা সমস্যায় জীবনটা অনেকটা তেজপাতার মত হয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে একটা অর্থিক সমস্যায় পড়ব বুঝা যাচ্ছে! আয় ব্যয়ের হিসাব মিলছে না মোটেই! কি করব বুঝতে পারছি না। কোন পথে গেলে ‘গুরুধন’ পাব বুঝতে পারছি না। চারপাশের অনেকের অবস্থা দেখে আরো ভয়ে পড়ছি দিনকে দিন! কেমন যেন একটা অদৃশ্য গ্যাড়াকলে পড়ে যাচ্ছে আমাদের সামাজিক অবস্থা। রাষ্ট্রের পরিচালন পদ্বতির উপর আমাদের সাধারন মানুষের কোন হাত না থাকলেও সাধারন মানুষ যাদের পরিচালক হিসাবে নিযুক্ত করে, তাদের আচরন ও কর্ম পদ্বতি সঠিক না হলে সাধারন মানুষকেই তার ভার বহন করতে হয়! আমার মনে হয় আমরা সেই রকম একটা অবস্থার মধ্যে আছি এইসময়ে। যাক যা হবার তা তো হবেই! আমার মত আদার ব্যাপারী জাহাজের খবর নিয়ে কি লাভ! কিন্তু সব আদার ব্যাপারী এক হয়ে গেলে জাহাজ ব্যাপারী যাবে কই! কত কত জাহাজ ব্যাপারী এই দুনিয়ায় আসলো আর গেল! কত আদমের এই দুনিয়া!
ধাঁধা পোস্ট
এইটা একটা ধাঁধা পোস্ট। আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ। উত্তরটা আর দিলাম না। আপনারাই বলেন-
বাসায় আপনি দেখেন টেলিভিশন। কিন্তু আপনি যখন বের হন নিয়ে যান আপনার সেল বা মোবাইল ফোনটাকে।
আপনার হাতে যখন টাকা থাকে না আপনি তখন টিভি দেখেও আনন্দ পান না। পারলে বিক্রি করে দেওয়ার কথাও ভাবেন। কিন্তু যখন আপনার হাতে টাকা থাকে আপনি আপনার মোবাইল ফোনটাকে বদলে ফেলেন।
আপনি কখনো কখনো টিভি উপভোগ করেন। কিন্তু আপনি আপনার মোবাইল ফোন নিয়ে খেলেন প্রায় সর্বক্ষণ, সর্বদা আপনার হাতেই থাকে সেটটি।
টিভি একবার কেনার পর সেটি সারাজীবনের জন্য ফ্রি, তেমন কোনো অর্থ ব্যয় করতে হয় না। কিন্তু মোবাইলের পেছনে যদি অর্থ ব্যয় না করেন তাহলে সেবা আর পাচ্ছেন না।
টিভি আজকাল অনেক বড়, মোটাসোটা এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরোনো। কিন্তু মোবাইল সুন্দর, স্লিম এবং সহজেই বহনযোগ্য।
তাপিত হৃদয় যেখানে শীতল হয়, সেখানে বস্তু রবে জেনো নিশ্চয়
খ্রিস্টাব্দ ২০০৮ ছিলো এ্যনিমেশন ভক্তদের জন্য দারুণ একটি বছর। বেশ কিছু চমৎকার এ্যনিমেশন দেখার সুযোগ, ভাগ্য হয়েছিলো সেবার। ওয়াল-ই আর মাদাগাস্কার: ইস্কেপ টু আফ্রিকা'র কথাতো আগেই বলেছি। সালের আরো একটা চমৎকার মুভি ছিলো কুং ফু পান্ডা। ড্রীমওয়ার্ক্সের পরিবেশনা ছিলো দারুণ; ডাস্টিন হফম্যান, অ্যাঞ্জেলিনা জলি, জ্যাকি চ্যাং, জ্যাক ব্ল্যাকদের ডাবিং ছিলো দারুণ আর এ্যনিমেশন হলেও কাহিনীচিত্র, দৃশ্যায়ন ছিলো দারুণস্য দারুন! মুভিটা দেখে অমৃতসম তৃপ্তি পেয়েছিলাম।
এলেবেলে
অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করে কোনো কিছু লিখা হয়না। মানুষ কত কিছু লিখে, অথচ আমি কিছু লিখতে পারি না। এক প্রকার ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স এ ভুগি। না জানি লিখা কেমন হয়। সবাই কত সুন্দর লিখে। আমার লিখা কি সেই রকম হবে? তারপরেও মাথায় কতকিছু ঘুরে, তাই আমি নিচের লিখাটি লিখলাম।
আমার এক ছোটভাই আমার উদ্দেশ্যে একটা গল্প লিখল। সেই গল্পটিতে দুইজন বন্ধুর কথা উল্লেখ করল। তারা দুইজন একটা দোকানে ঝাড়বাতি কিনতে গেল। তারা সেইখানে যেয়ে একটি বাতিও কিনতে পারলোনা। কারণ ঝাড়বাতিগুলো তাদের ঘরের সাথে মানানসই হচ্ছিলনা। গল্প শেষ হয়ে যায় ঝাড়বাতি না কেনার দুঃখ পর্য্ন্ত। এই রকম কত শত গল্প আমার মাথায় ঘুরতে থাকেয় কিন্তু কিছুই আমি লিখতে পারিনা। কারণ গল্প গুলোর শেষ রূপান্তর আমি কি দিব তাই বুঝতে পারিনা।
কবিতা: শুধু তোমার নামটুকু পার হতে পারি নি আজো
বয়সের সঙ্গে সবকিছুতে স্থিরতা চলে আসে। পৃথিবীর বয়সও বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু এগিয়ে যাচ্ছে স্থিতাবস্থার দিকে। আজ-কাল মানুষের মধ্যে একটা প্রাইম পার্ফেকশনের ব্যপার কাজ করে। চেহারায়, আকারে, ভঙ্গিতে, সবকিছুতেই। আমার মনে হয় অনন্য সাধারণ একটি প্রজাতি বিবর্তনের প্রায় শেষ ধাপে এসে পৌঁছেছে।
বিবর্তনের কথায় আরেকটা যে কথা মনে পড়লো, ইদানীং কালের মশাগুলো কিন্তু অন্যরকম হয়েছে। মশার বিবর্তন সবচে' দ্রুত হয়। যে কারণে সেটা সহজেই সবার চোখে পড়ে। আগে মশায় কামড়ে দেয়া জায়গাটা লাল হয়ে ফুলে থাকতো এবং অনেকক্ষণ পর্যন্ত ব্যথা করতো। এখনকার মশাগুলো পোকার মতো তীক্ষ্ণ কামড় দেয়। যেখানে হুল ফুটায় একদম জ্বলে ওঠে। কিন্তু জ্বলুনি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। লাল দাগও পাই না তেমন একটা।
রুটি ও রবীন্দ্রনাথ -

রবীন্দ্রনাথকে চিনতে হলে আমাদের রুটি সেঁকতে হবে... আমাদের আটার দলা মাখতে হবে... বর্ষার অমোঘ মেঘে ঝরা প্রথম বৃষ্টির পানিতে ভাজতে হবে... রুটি!
হ্যাঁ... কবিগুরুও রুটি ভেজেছেন... না বউকে খুশি করতে বা তার রাগ দমাতে নয়, ভেজেছেন জীবনকে জানতে... রুটির ফুটো দিয়ে চেষ্টা করেছেন বিশ্বকে দেখতে...
আজ জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে...
কবিগুরুর এই অদম্য ইচ্ছের মূলেও রুটি...
শুধু বিশ্ব লয়ে নয়... কবিগুরু খেলেছেন রুটি লয়েও...
তবে রুটিকে আমরা যেভাবে চিনি, বা যেভাবে চিনতে চাই, কবিগুরু কখনোই চাননি সেভাবে রুটিকে আমাদের সামনে তুলে ধরতে। অবশ্যই! তাহলে আর বিশ্বকবি আলাদা হলেন কিভাবে। রুটিকে রবীন্দ্রনাথ ভেলা বানিয়েছেন। না ভেলা নয়! সোনার তরী!
আনন্দময় একটা দিন
ছুটির দিন, আবার বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলা। হাতের কাছে অসংখ্য বই, কোনটা ছেড়ে কোনটা পড়ি অবস্থা। ছফামৃতটা হাতে নিয়ে বসলাম। এটা শেষ করে আহমদ শরীফ-এর ডায়েরি, ভাব-বুদ্বুদ শেষ করবো। এরপর রফিক আজাদের কোনো খেদ নেই অথবা আব্দুল মান্নান সৈয়দের ডায়েরি। হাতের কাছে অনেকগুলো ভাল বই থাকলে এর চেয়ে আন্ন্দময় জীবন আর কী আছে।
কেনা হয়েছে অনেকগুলো ডিভিডি। মাত্রই অস্কার দিল। এবার অস্কার নিয়ে বিতর্ক কম। কেবল ইনসেপশন নিয়ে কেউ কেউ কথা বলছেন, এই ছবিটির নাকি আরও ভাল করা উচিৎ ছিল। আমার কাছে কিন্তু তা মনে হয়নি। আমার কাছে ইনসেপশন বরং ওভাররেটেড লাগছে। একজন সাধারণ দর্শক হিসেবে আমার ছবিটি আহামরি ভাল লাগেনি। হয়তো আমি ছবিটি ভাল বুঝতে পারিনি। 
বাংলাদেশ টিমের পরাজিত হইবার সম্ভাব্য কারণসমূহ
১। স্বাগতিক দেশ হিসাবে অতিথি দেশকে প্রিভিলেজ দেওয়া হয়েছে।
২। এইটা আসলে ম্যাচ ফিক্সিং ছিল। বাংলাদেশ দল ঘুষ খেয়ে ইচ্ছা করে হেরেছে।
৩। খেলার মাঠটা আসলে বাঁকা ছিল।
৫। আয়ারল্যান্ড বিশ্বকাপে দ্রুততম সময়ে সেঞ্চুরী করার প্রতিশোধ হিসাবে আমরা দ্রুততম সময়ে সবচেয়ে কম রানের রেকর্ড গড়লাম।
৬। এটা আসলে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের কাউকে সেঞ্চুরী করতে না দেয়ার একটা সুক্ষ পরিকল্পনা ছিল।
৭। বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়েরা দুপুরে বিটিভির বাংলা সিনেমা মিস করতে চাননি।
৮। বাংলাদেশের উপর ডাক্তার ইউনুসের অভিশাপ লেগেছে।
৯। আশরাফুলের উপর সহানুভূতিশীল হয়ে সকলে খারাপ খেলছে।
১০। গ্রামীণ ফোনের ধর্মনিরপেক্ষ বিজ্ঞাপনই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পতনের কারণ, যতবারই এই বিজ্ঞাপন দেখানো হয় ততবারই একটি উইকেট এর পতন হয়। নিরপেক্ষতার সীমা থাকা দরকার, তাওহীদ আর শিরক কখনো এক হতে পারে না।
ভালো লাগার-ভালোবাসার টিম ওয়েস্ট ইন্ডিজ...
বেশ কয়েক মাস আগে রায়হান ভাইয়ের সাথে কথার পিঠে কথা চড়াইতে চড়াইতে আমি বলছিলাম বাংলাদেশের সাথে ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলা হইলে আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাপোর্ট করুম। তুলনামূলকভাবে যূক্তিপ্রবণ মানুষ হওয়াতে রায়হান ভাই আমার সেই সিদ্ধান্ত নিয়া মারাত্মক কোনো প্রতিক্রিয়া দেখান নাই। কিন্তু আমি যা কইছিলাম তাতে সত্যতা ছিলো। বাচ্চাকালে আমি যেই স্কুলে পড়ছি সেই স্কুলের গেইম টিচার ছিলেন একজন জাতীয় ক্রিকেটার, সেই টিচার আজম স্যারের কল্যাণে আমার ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ তৈরী হইছিলো ৭/৮ বছর বয়সেই। আর সেই আগ্রহ তৈরী হওয়ার সময়টাতে যেই বিশ্বকাপটা মনোযোগ দিয়া অনুসরণ করি, সেই ৭৯'তে দ্বিতীয়বারের মতোন চ্যাম্পিয়ন হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যেই দলের নেতৃত্ব তখন ক্লাইভ লয়েডের হাতে, বোলার জোয়েল গার্নার, মাইকেল হোল্ডিং, এন্ডি রবার্টস আর কলিন ক্রফ্ট। গ্রীনিজ-লয়েড-কলিন কিং আর ভিভিয়ান কিং রিচার্ডস যেই দলের ব্যাটিং তান্ডব চালায়। তারে বাদ দিয়া অন্য
আজকের ম্যাচ নিয়ে ভাবনা
১.
বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আজকেরটা।
আয়ারল্যান্ড ইংল্যান্ডকে হারিয়ে হিসেব একটু ওলট-পালট করে দিলেও, বলা যায় যে অঘটন বারবার ঘটাতে পারবেনা তারা। ঐদিকে গ্রুপের সবচেয়ে শক্তিশালী ভারতের সাথে এক পয়েন্ট নিয়ে রাখাতে, আয়ারল্যান্ডের সাথে পয়েন্ট খোয়ানোর পরও ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে ইংল্যান্ড, যদি ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে তারা হেরে না বসে, এবং বাস্তবে সেটার সম্ভাবনও খুব কম। সেদিন দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে পড়ায় দেখা গেছে দিনে দিনে কতটা অসহায় একটা দলে পরিণত হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।