ইউজার লগইন
ব্লগ
তুমি বিভ্রাট!
অবশেষে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ঠিকানা যোগাড় করতে পারলাম । একদিন বিকেলে যেয়ে হানা দিলাম লীমা আপার বাসায় । জুলাই মাস – অসম্ভব গরম পড়ছে ক’দিন থেকে । ঠিকানা মিলিয়ে বাসায় যখন পৌঁছালাম, তখন মনে হচ্ছিল এত কষ্ট করে না-এলেই ভালো হত। ঘেমে নেয়ে উঠেছি, কলিং বেল টিপতেই লীমা আপা দরজা খুলে দিলেন। ভেতরে ঢুকবার আগেই সে-ই আগের মত করে তার হাত ধরে অভিমানী কন্ঠে জানালাম কত অনুযোগ, কত অভিযোগ। তার দিক থেকে আন্তরিকতার কোন ঘাটতি ছিলনা। তবুও তাকে কেমন যেন একটু নিষ্প্রাণ মনে হচ্ছিল। সেই চঞ্চলতা নেই তার মধ্যে, বেশ একটু ভারিক্কী গিন্নী-গিন্নী ভাব। তালপাতার সেপাই লীমা আপা এখন আর আগের মত শুকনা নেই, এখন তাকে মোটাদের দলেই বরং ফেলা যায়। যা’হোক, ড্রয়িং রুমে বসলাম-খুলে গেলো দু’জনের মুখের আগল। পুরাতন দিনের কত কথা, কত স্মৃতি রোমন্থন, তারই ফাঁকে জানতে পারলাম যে দুলাভাই অফিস থেকে ফিরে রেস্ট নিচ্ছেন, ছেলেমেয়েরা কেউ খেলতে আর কেউবা প্রাই
বাংলার বাঘ
১৯ই ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের খেলা দেখে খুবেই ভাল লেগেছে। আগে আশা করতাম বাংলাদেশ ভাল খেলবে আর এখন ভরসা করছি বাংলাদেশের ক্রিকেটার দের উপর। ভারত ভাল টিম তাদের রয়েছে অনেক অভিগ্যতা এবং প্রথম সারির বলার ও ব্যাটসম্যান । তাদের জন্য ৩৭০ করা খুব ১টি বিরাট কিছুনা। কিন্তু আমাদের ২৮৩ রান ভারতের বিপরিতে অনেক কিছু প্রমান করে। এখন আমাদের ব্যাটসম্যানরা অনেক চাপ নিয়েও ২৮৩ করতে পারে। তাই তাদের উপর আমার ভরসা আছে, আছে দোআ এবং আশা করি ১৬ কোটি বাঙালি বাংলার বাঘদের জন্য দোআ করবে যাতে তারা আরো ভাল করতে পারে।
আগামীকাল (২৩/২/১১) শুরু হচ্ছে তথ্য অধিকারসংক্রান্ত অভিযোগসমুহের শুনানী।
আগামীকাল (২৩/২/১১) সকাল ১১টায় শুরু হচ্ছে তথ্য অধিকারসংক্রান্ত অভিযোগসমুহের শুনানী। তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ জারীর পর গত ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মত ৬টি অভিযোগের শুনানী হয়। সেদিন তাৎক্ষনিকভাবে ২টি অভিযোগের নিষ্পত্তিও করা হয়। তথ্য কমিশনে আগামীকাল দ্বিতীয়বারের মত মোট ৭টি অভিযোগের শুনানী করা হবে।
দেওয়ানী আদালতের মর্যাদাসম্পন্ন তথ্য কমিশনকে সে আদলে সাজানও হয়েছে। প্রধান তথ্য কমিশনারের নেতৃত্বে অপর দুইজন তথ্য কমিশনার এ শুনানী পরিচালনা করবেন ।
আমার যাদুমনি (৩)
এই ছবি গুলো "আই সি সি ওয়ার্ল্ড কাপ ক্রিকেট ২০১১" এর বোনাস।
কাল রাতে ছবি গুলো ফেইসবুক এ শেয়ার করা মাত্র লাইক আর কমেন্ট এর নটিফিকেশনের জোয়ার দেখে আমি ভাগন্তি দিছিলাম। এখনো সেখানে যাইনাই, ভাবলাম আগে এইখানে শেয়ার করে নেই।

ছবি ১: বাংলাদেশ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ 

ছবি ২: বাংলাদেশ দলের জয়ের জন্য দোয়া দুরুদে ব্যস্ত ঋহান

ছবি ৩: আই সি সি ট্রফিটা দেখা যায় দরজার উপরের স্টোররুমে

আমার উপকূলে ভেঙ্গে পড়া ঢেউগুলো
আমাকে একটু বলবেন কেন আপনি যখন সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নিজের জগতে ডুবে যান, তখন একটা সুখী প্রান্তর দেখতে পান না? যেখানে উঁচু-নিচু মসৃণ সবুজ ঘাসের জমিন আর ছোট ছোট নীল জলের দীঘি থাকে। থাকে ঝাউগাছের সারি। একটা গলফ্ স্টিক থাকে আপনার হাতে। থাকে একটা সাজানো বল। আপনাকে বলটা মারতে হবে। কেন পারেন না?
মস্তিষ্ককে আক্রান্ত করে রেখে যায় একটি কথা। মানুষের অন্তিম প্রাপ্তিটা কি? সেটা কি জীবনের শেষ মূহুর্তে পাওয়া যায়? মনে হয় না। একেবারে আক্ষরিক অর্থেই যাকে বলে শেষ মূহুর্ত, সেসময় ভালো কিছু দেয়া প্রকৃতির স্বভাববিরুদ্ধ। প্রকৃতি একটা ভালোকে সৃষ্টি করে অনেক পরিকল্পনা করে। যার জন্য সেই ভালোটি তৈরী, সে নিজে সেটা উপভোগ না করা পর্যন্ত তা মহাকালে মিলিয়ে যেতে পারে না।
মাধ্যমিক শিক্ষার প্রতি নজর দেওয়া দরকার
গত দু’দশকে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় যে পরিমাণ উদ্যোগ, মনোযোগ বা সহায়তা দেখা গেছে, মাধ্যমিক শিক্ষা তার ছিটেফোঁটা পায় নি। মূলত ১৯৯০-এর পর থেকে সবার জন্য শিক্ষা, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন ও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিটমেন্টের কারণে এবং প্রাথমিক স্তরে রুগ্ন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারকে বাধ্যতামূলকভাবেই এ সেক্টরে বিশেষ নজর দিতে হয়েছিল। দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করতে, বিশেষত দরিদ্র পরিবারের ঝরে পড়া ছেলেমেয়েদের পুনরায় শিক্ষার ব্যবস্থা করতে এনজিওরাও এসময় এগিয়ে আসে। বিদেশ থেকেও এ সময়কালে প্রচুর সহায়তা এসেছে। সেগুলোর সিংহভাগই প্রাথমিক শিক্ষাকে কেন্দ্র করে এবং তাদের সহায়তায় দেশের দুটো বড় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কার্যক্রম ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। শুরু হচ্ছে তৃতীয়টির কাজ। বলা যায়, সবার জন্য শিক্ষা বাস্তবায়নে যতোটুকু মনোযোগ পাওয়া দরকার, প্রাথমিক শিক্ষা সেক্টর ততোটুকু বা বেশি মনোযোগ
একটি বাংলাদেশ
অনেকদিন ধরে ব্লগ লিখি না, লেখা আসে না। নানা আইডিয়া মাথার মধ্যে গিজ গিজ করছে...কিন্তু লিখতে পারিনা। লিখতে বসলেই রাজ্যর ক্লান্তি এসে ভর করে, কী-বোর্ডে আঙ্গুল চলে না। অল্পতেই ধৈর্য হারাই। জানিনা এমন কেন হচ্ছে ! কিছুদিন কম্পু থেকে দুরে ছিলাম, এই জন্যই কি এমন হচ্ছে ! কে জানে !
আজ অনেকটা ধনু ভাঙ্গা পণ করে কম্পুতে বসেছি, এলেবেলে যাই মনে আসে, লিখবো। অন্তত একটা কিছু না লিখে আজ আর উঠছি না।
নিজের দেশে বিশ্বকাপ হচ্ছে। চারিদিকে উৎসবের আমেজ। রাজধানী ঢাকাকে নববধূর মতো সাজানো হয়েছে। আমরা জানি বধূটি মোটেও সুন্দরী নয়, কসমেটিক পলিশের মাধ্যমে তার কুশ্রী অঙ্গে কৃত্রিম সৌন্দর্যের প্রলেপ দেয়া হয়েছে। তবুও তাকে দেখতে সুন্দর লাগছে। বিশেষ করে রাতের ঢাকা এখন যেন এক যৌবনবতী তরুণী, যার শরীরের পরতে পরতে লুকিয়ে আছে রহস্যময় সৌন্দর্য আর অনাবিল আকর্ষন।
একুশের স্মৃতি (বিস্মৃতি)
টেলিভিশনে একুশের অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে । কী সুন্দর ঝকঝকে ছবি ! কী ছিমছাম দৃশ্য, চোখ জুড়িয়ে যায় ! আমার স্মৃতিতে সেই কোন অতীতের ঝাপসা কিছু অস্পষ্ট দৃশ্য – কোনভাবেই স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছেনা, স্পষ্ট হচ্ছেনা । এতগুলো বছর চলে গেছে – কতকিছু বদলে গেছে । বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে গেছে কত সুখ-দুঃখ বিজড়িত ঘটনা। ১৯৬৯ সালের পর আর কোন একুশে ফেব্রুয়ারিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাওয়া হয়নি আমার, এর পরের আর কোন একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকাতেই থাকা হয়নি।
র সবা
ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভা চলছে মধুর গোলঘরে। ক্যম্পাসে ছাত্রলীগের শিবির পেটানো কর্মসূচির সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার ব্যপারে একটি সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। মিথুন সেদিন বাংলা বিভাগে গিয়ে কালা এনামুলদের সঙ্গে এক শিবির পিটিয়ে এসেছে। পিটিয়ে কলাভবনের দুইতলা থেকে স্লোগান দিতে দিতে নেমেছে, একটা-দুইটা শিবির ধড়, সকাল-বিকাল নাস্তা কর। জামাতি-শিবির-রাজাকার, এই মূহুর্তে বাংলা ছাড়।
ঘটনা রাফি, মাসুদ, অভিনু জানে। জানে অভিও। যে ছেলেটাকে পেটানো হয়েছে, ওকে পেটানোর পরিকল্পনা ছিলো মিথুনেরই। ওরা ছাত্র ইউনিয়নের ছেলে হলেও নিজেদের একটা হিটলিস্ট করেছে। সেই লিস্টে যারা যারা আছে তাদের সবাইকে ক্যম্পাস থেকে এই চান্সে পিটিয়ে বের করে দেয়া হবে। বাংলার ওসমানী মুহসীন হল শিবিরের এজিএস।
চালু হলো নতুন বাংলা ওয়েব সাইট: বাংলাদেশের শিক্ষা
আজকে, এই ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে, জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বাংলাদেশের শিক্ষা নামে একটি শিক্ষা বিষয়ক ওয়েব সাইট চালু হলো। এই সাইটে কী আছে বা কী থাকবে, সেই বিষয়ে কথা বলছি একটু পরে। তার আগে কিছু ব্যক্তিগত অনুভূতি বা মতামত শেয়ার করে নিই।

২.
যে লড়াই লড়ে যাই আমরা সবাই
এ বছর দিব্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে রুৎকার নোটবই, সুদীপ্ত সালামের অনুবাদে। রুৎকা বন্দীশিবিরের কিশোরী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মান বন্দীশিবিরে যার জীবনের শেষ বছর কেটেছে, সে বছরের প্রথম চার মাসে সে নোটবুকে তার জীবনের অভিজ্ঞতা লিখেছিলো। সুদীপ্ত সালামের অনুবাদের হাত চৌকষ না কিন্তু কিশোরীর সরল স্বীকারোক্তি এবং আন্তরিক উচ্চারণে অনুবাদের দুর্বলতার বদলে রক্তমাংসের একজন মানুষের বেচে থাকবার তৃষ্ণাটুকুই উজ্জ্বল হয়ে থাকে ভাবনায়।
কর্পোরেট খেলা দেখা এবং......
১.
বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেইখা মোটামুটি চাঙ্গা। লাইন ছাড়া টিকেট পাইছি, লাইন ছাড়া স্টেডিয়ামেও ঢুকছি। পুরা একহাজার টাকা উসুল হইছে। ব্রায়ান এডামসের তিনটা গানের দামই তো ১০ হাজার টাকার সমান। তারপর ধরেন শিল্প ব্যাংক ভবনরে পিচ বানাইয়া যেভাবে ক্রিকেট খেলা হইছে সেইটার দাম ও ধরেন ৫শ টাকা। ইন্ডিয়ান কিছু মাইয়া যেভাবে ধক ধক করনে লাগা টাইপ নাচছে সেইটার দাম আরও ৫শ টাকা। আনন্দবাজারের কথা অনুযায়ী অনুষ্ঠানের একমাত্র ভাল ছিল লেজার শো। দাদার কথা মাইনা এইটার দাম তাইলে ১ হাজার টাকা। শ্রীলঙ্কার নাচা-গানার দাম আরও ৫শ টাকা। মমতাজ বেগম যেমনে গাইছে সেইটার দামও ১শ টাকা। (চার প্যাকেট পপকর্ণ কিনছি ১শ টাকায়, সুতরাং হাতে থাকলো শূণ্য)।
বাংলা হোক ৩৬৫ দিনের
সালাম রফিক, বরকত, সালাম...কে। সালাম আব্দুল গাফফার চৌধুরী, আব্দুল লতিফ, আলতাফ মাহমুদকে। সালাম মাহবুবুল আলম চৌধুরী, আলাউদ্দিন আল আজাদ, হাসান হাফিজুর রহমানকে। এবং সালাম ১৫ কোটি বাঙালিকে। এঁরা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এঁরা বাংলাকে লালন করছেন। এই শ্রদ্ধাঞ্জলি শুধু একদিনের জন্য নয়, ৩৬৫ দিনের জন্য।
দেখে এলাম টু জিরো জিরো ওয়ানের বিশ্বকাপ :: প্রথম খেলা :)
অনেক দিন ব্লগর ব্লগর করি না ... অনেক অজুহাতের আসল অজুহাত... যেটা সব্বাই সব সময় দেখায়.... সেটা হলো সময়
... আমি অবশ্য ম্যাঙ্গো পাব্লিকের বাইরের কেউ না
... আমিও সময়ের হাত দেখাইয়া গেলাম... যারা এইটা দেখতে পারেন না ... তারা দয়া কৈরা ণুঢ়ানি চুশমিশ দিয়া দেখেন 
গতোকালকের খেলা আর আবারো মাশরাফি প্রসঙ্গ...
গতোকাল বাংলাদেশ আর ইন্ডিয়ার খেলা দেইখা বাঙালির প্রতিক্রিয়া দেইখা বেশ ভালো বোধ করতেছি। দল হাইরা যাওনের পরেও সম্ভাবনার আলোকবিন্দু ধরা পড়তেছে সবার চোখে বিষয়টা বেশ আশাব্যঞ্জক লাগে আমার কাছে। মনে হয় একটা দলের এমন মানসিকতারই প্রয়োজন কোনো দীর্ঘ প্রতিযোগিতায় টিকা থাকতে। আম বাংলাদেশীগো মতোন বাংলাদেশের খেলোয়ারগো মাঝেও যদি এই অনুভবের বিস্তার ঘটে তাইলে সামনেই সুখ সংবাদ অপেক্ষা করতেছে বাংলাদেশীদের জন্য।