ইউজার লগইন
ব্লগ
মাধ্যমিক শিক্ষার প্রতি নজর দেওয়া দরকার
গত দু’দশকে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় যে পরিমাণ উদ্যোগ, মনোযোগ বা সহায়তা দেখা গেছে, মাধ্যমিক শিক্ষা তার ছিটেফোঁটা পায় নি। মূলত ১৯৯০-এর পর থেকে সবার জন্য শিক্ষা, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন ও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিটমেন্টের কারণে এবং প্রাথমিক স্তরে রুগ্ন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারকে বাধ্যতামূলকভাবেই এ সেক্টরে বিশেষ নজর দিতে হয়েছিল। দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করতে, বিশেষত দরিদ্র পরিবারের ঝরে পড়া ছেলেমেয়েদের পুনরায় শিক্ষার ব্যবস্থা করতে এনজিওরাও এসময় এগিয়ে আসে। বিদেশ থেকেও এ সময়কালে প্রচুর সহায়তা এসেছে। সেগুলোর সিংহভাগই প্রাথমিক শিক্ষাকে কেন্দ্র করে এবং তাদের সহায়তায় দেশের দুটো বড় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কার্যক্রম ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। শুরু হচ্ছে তৃতীয়টির কাজ। বলা যায়, সবার জন্য শিক্ষা বাস্তবায়নে যতোটুকু মনোযোগ পাওয়া দরকার, প্রাথমিক শিক্ষা সেক্টর ততোটুকু বা বেশি মনোযোগ
একটি বাংলাদেশ
অনেকদিন ধরে ব্লগ লিখি না, লেখা আসে না। নানা আইডিয়া মাথার মধ্যে গিজ গিজ করছে...কিন্তু লিখতে পারিনা। লিখতে বসলেই রাজ্যর ক্লান্তি এসে ভর করে, কী-বোর্ডে আঙ্গুল চলে না। অল্পতেই ধৈর্য হারাই। জানিনা এমন কেন হচ্ছে ! কিছুদিন কম্পু থেকে দুরে ছিলাম, এই জন্যই কি এমন হচ্ছে ! কে জানে !
আজ অনেকটা ধনু ভাঙ্গা পণ করে কম্পুতে বসেছি, এলেবেলে যাই মনে আসে, লিখবো। অন্তত একটা কিছু না লিখে আজ আর উঠছি না।
নিজের দেশে বিশ্বকাপ হচ্ছে। চারিদিকে উৎসবের আমেজ। রাজধানী ঢাকাকে নববধূর মতো সাজানো হয়েছে। আমরা জানি বধূটি মোটেও সুন্দরী নয়, কসমেটিক পলিশের মাধ্যমে তার কুশ্রী অঙ্গে কৃত্রিম সৌন্দর্যের প্রলেপ দেয়া হয়েছে। তবুও তাকে দেখতে সুন্দর লাগছে। বিশেষ করে রাতের ঢাকা এখন যেন এক যৌবনবতী তরুণী, যার শরীরের পরতে পরতে লুকিয়ে আছে রহস্যময় সৌন্দর্য আর অনাবিল আকর্ষন।
একুশের স্মৃতি (বিস্মৃতি)
টেলিভিশনে একুশের অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে । কী সুন্দর ঝকঝকে ছবি ! কী ছিমছাম দৃশ্য, চোখ জুড়িয়ে যায় ! আমার স্মৃতিতে সেই কোন অতীতের ঝাপসা কিছু অস্পষ্ট দৃশ্য – কোনভাবেই স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছেনা, স্পষ্ট হচ্ছেনা । এতগুলো বছর চলে গেছে – কতকিছু বদলে গেছে । বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে গেছে কত সুখ-দুঃখ বিজড়িত ঘটনা। ১৯৬৯ সালের পর আর কোন একুশে ফেব্রুয়ারিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাওয়া হয়নি আমার, এর পরের আর কোন একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকাতেই থাকা হয়নি।
র সবা
ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভা চলছে মধুর গোলঘরে। ক্যম্পাসে ছাত্রলীগের শিবির পেটানো কর্মসূচির সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার ব্যপারে একটি সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। মিথুন সেদিন বাংলা বিভাগে গিয়ে কালা এনামুলদের সঙ্গে এক শিবির পিটিয়ে এসেছে। পিটিয়ে কলাভবনের দুইতলা থেকে স্লোগান দিতে দিতে নেমেছে, একটা-দুইটা শিবির ধড়, সকাল-বিকাল নাস্তা কর। জামাতি-শিবির-রাজাকার, এই মূহুর্তে বাংলা ছাড়।
ঘটনা রাফি, মাসুদ, অভিনু জানে। জানে অভিও। যে ছেলেটাকে পেটানো হয়েছে, ওকে পেটানোর পরিকল্পনা ছিলো মিথুনেরই। ওরা ছাত্র ইউনিয়নের ছেলে হলেও নিজেদের একটা হিটলিস্ট করেছে। সেই লিস্টে যারা যারা আছে তাদের সবাইকে ক্যম্পাস থেকে এই চান্সে পিটিয়ে বের করে দেয়া হবে। বাংলার ওসমানী মুহসীন হল শিবিরের এজিএস।
চালু হলো নতুন বাংলা ওয়েব সাইট: বাংলাদেশের শিক্ষা
আজকে, এই ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে, জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বাংলাদেশের শিক্ষা নামে একটি শিক্ষা বিষয়ক ওয়েব সাইট চালু হলো। এই সাইটে কী আছে বা কী থাকবে, সেই বিষয়ে কথা বলছি একটু পরে। তার আগে কিছু ব্যক্তিগত অনুভূতি বা মতামত শেয়ার করে নিই।

২.
যে লড়াই লড়ে যাই আমরা সবাই
এ বছর দিব্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে রুৎকার নোটবই, সুদীপ্ত সালামের অনুবাদে। রুৎকা বন্দীশিবিরের কিশোরী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মান বন্দীশিবিরে যার জীবনের শেষ বছর কেটেছে, সে বছরের প্রথম চার মাসে সে নোটবুকে তার জীবনের অভিজ্ঞতা লিখেছিলো। সুদীপ্ত সালামের অনুবাদের হাত চৌকষ না কিন্তু কিশোরীর সরল স্বীকারোক্তি এবং আন্তরিক উচ্চারণে অনুবাদের দুর্বলতার বদলে রক্তমাংসের একজন মানুষের বেচে থাকবার তৃষ্ণাটুকুই উজ্জ্বল হয়ে থাকে ভাবনায়।
কর্পোরেট খেলা দেখা এবং......
১.
বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেইখা মোটামুটি চাঙ্গা। লাইন ছাড়া টিকেট পাইছি, লাইন ছাড়া স্টেডিয়ামেও ঢুকছি। পুরা একহাজার টাকা উসুল হইছে। ব্রায়ান এডামসের তিনটা গানের দামই তো ১০ হাজার টাকার সমান। তারপর ধরেন শিল্প ব্যাংক ভবনরে পিচ বানাইয়া যেভাবে ক্রিকেট খেলা হইছে সেইটার দাম ও ধরেন ৫শ টাকা। ইন্ডিয়ান কিছু মাইয়া যেভাবে ধক ধক করনে লাগা টাইপ নাচছে সেইটার দাম আরও ৫শ টাকা। আনন্দবাজারের কথা অনুযায়ী অনুষ্ঠানের একমাত্র ভাল ছিল লেজার শো। দাদার কথা মাইনা এইটার দাম তাইলে ১ হাজার টাকা। শ্রীলঙ্কার নাচা-গানার দাম আরও ৫শ টাকা। মমতাজ বেগম যেমনে গাইছে সেইটার দামও ১শ টাকা। (চার প্যাকেট পপকর্ণ কিনছি ১শ টাকায়, সুতরাং হাতে থাকলো শূণ্য)।
বাংলা হোক ৩৬৫ দিনের
সালাম রফিক, বরকত, সালাম...কে। সালাম আব্দুল গাফফার চৌধুরী, আব্দুল লতিফ, আলতাফ মাহমুদকে। সালাম মাহবুবুল আলম চৌধুরী, আলাউদ্দিন আল আজাদ, হাসান হাফিজুর রহমানকে। এবং সালাম ১৫ কোটি বাঙালিকে। এঁরা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এঁরা বাংলাকে লালন করছেন। এই শ্রদ্ধাঞ্জলি শুধু একদিনের জন্য নয়, ৩৬৫ দিনের জন্য।
দেখে এলাম টু জিরো জিরো ওয়ানের বিশ্বকাপ :: প্রথম খেলা :)
অনেক দিন ব্লগর ব্লগর করি না ... অনেক অজুহাতের আসল অজুহাত... যেটা সব্বাই সব সময় দেখায়.... সেটা হলো সময়
... আমি অবশ্য ম্যাঙ্গো পাব্লিকের বাইরের কেউ না
... আমিও সময়ের হাত দেখাইয়া গেলাম... যারা এইটা দেখতে পারেন না ... তারা দয়া কৈরা ণুঢ়ানি চুশমিশ দিয়া দেখেন 
গতোকালকের খেলা আর আবারো মাশরাফি প্রসঙ্গ...
গতোকাল বাংলাদেশ আর ইন্ডিয়ার খেলা দেইখা বাঙালির প্রতিক্রিয়া দেইখা বেশ ভালো বোধ করতেছি। দল হাইরা যাওনের পরেও সম্ভাবনার আলোকবিন্দু ধরা পড়তেছে সবার চোখে বিষয়টা বেশ আশাব্যঞ্জক লাগে আমার কাছে। মনে হয় একটা দলের এমন মানসিকতারই প্রয়োজন কোনো দীর্ঘ প্রতিযোগিতায় টিকা থাকতে। আম বাংলাদেশীগো মতোন বাংলাদেশের খেলোয়ারগো মাঝেও যদি এই অনুভবের বিস্তার ঘটে তাইলে সামনেই সুখ সংবাদ অপেক্ষা করতেছে বাংলাদেশীদের জন্য।
ভাষা আন্দোলনের বীর সৈনিক হালিমা খাতুনের প্রতি অসীম শ্রদ্ধা
মেট্টিকুলেশন পাশ করেছি সেই ১৯৪৭ সালে। সে সময় মেয়েদের জন্য কাজটা খুব সহজ ছিলো না। পড়া-শোনার অভ্যাসটা তৈরী হয়েছিলো তখনই। অনেক ধরনের বই পড়তাম। বিপ্লবী বই, সে আমলের লেখকদের বই; আরো অনেক কিছু। আজ তোমরা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা পড়ছো তার মৃত্যূর সত্তুর বছর পর। আমরা সুযোগ পেয়েছিলাম তার লেখা প্রকাশিত হবার সঙ্গে সঙ্গেই পড়ে ফেলার।
আরো আছে। সে আমলে পঞ্চপান্ডবের নাম শুনলে ঘাবড়ে যেতেন অনেক বাঘা বাঘা সাহিত্যিক। আমার কাছে প্রথাবিরোধী এই লেখক গোষ্ঠীকেও অনেক আকর্ষণীয় মনে হতো। আসলে সাহিত্যচর্চার কাজটি খুব সহজ নয়। আমি এখন পর্যন্ত শিশুদের জন্য ৫০টি বই লিখেছি। কিন্তু আজো নিজেকে লিখিয়ে বলে দাবী করার মতো স্পর্ধা আমার হয় নি। খুব গুরুত্বসহ নিজের লেখার যত্ন না নেয়া হলে সাহিত্যিক হওয়া সম্ভব নয়। আজ-কাল অনেকেই এ কাজকে পেশা হিসেবে নেবার সাহস দেখাচ্ছে। আমাদের সময়ে তেমনটি হবার জো ছিলো না।
অদ্ভুত
অদ্ভুত
শাহ আলম বাদশা
কিম্ভুতকিমাকার
একদম ডিমাকার
দেখতে যে ঠিকঠিক গোলও?
থরেথরে পড়ে আছে
খাঁচাটাই ভরে আছে
সংখ্যাতো কম নয়, ষোল!
রাতদিন কেটে যায়
মা‘টা খুব খেঁটে যায়
তা‘ দিলে যেই দিনকুড়ি-
ফুটে হলো ক্ষুদে ছা
হাঁটি হাঁটি পা-পা
চলে গুঁড়ি-গুঁড়ি?
দেখতে তো আচ্ছাই
মুরগির বাচ্ছাই
কান্ডটা অদ্ভুত, নয় বিদঘুটে
ছাগুলো রঙ্গিন কীযে ফুটফুটে!!
*******
কিম্ভুতকিমাকার
একদম ডিমাকার
দেখতে যে ঠিকঠিক গোলও?
থরেথরে পড়ে আছে
খাঁচাটাই ভরে আছে
সংখ্যাতো কম নয়, ষোল!
রাতদিন কেটে যায়
মা‘টা খুব খেঁটে যায়
তা‘ দিলে যেই দিনকুড়ি-
ফুটে হলো ক্ষুদে ছা
হাঁটি হাঁটি পা-পা
চলে গুঁড়ি-গুঁড়ি?
দেখতে তো আচ্ছাই
মুরগির বাচ্ছাই
কান্ডটা অদ্ভুত, নয় বিদঘুটে
ছাগুলো রঙ্গিন কীযে ফুটফুটে!!
*******
উড়াধুরা
অনেকদিন আগে কেউ আমারে খুব কিউটু সুইটু একখান কার্ড দিছিলো 
সেদিন বইপত্তর গোছাতে গিয়ে খুঁজে পেলাম। নতুন করে চোখ বুলাতে গিয়ে মাথায় দুষ্টু বুদ্ধি এলো....সুন্দর একটা জিনিসরে কিরাম ওলট পালট করছি দেখেন!
==========================================
If One Day
If one day you feel like crying
call me...
I don't promise,
that I'll make you laugh
But I can cry with you.
If one day you want to runaway
Don't be afraid to call me...
I don't promise,
to ask you to stop
But I can run with you.
If one day you don't want to listen to anyone,
call me...
I promise to be there for you
And I promise to be very quiet.
But if one day you call me
and there is no answer
come fast to see me...
perhaps i need you.
চন্দ্রাবতীর গুণাবলী
“আমি তোমাকে ভালবাসি”। “এই ফুলটা খুব সুন্দর”। “এই বইটা খুব ভালো”। তোমাকে আমি কেন ভালবাসি, কেন এই ফুলটা সুন্দর, বইটা কেন ভালো, এ সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আমার জন্য খুবই কঠিন । অনেকেই এ সকল প্রশ্নের উত্তর গুছিয়ে দিতে পারবেন হয়তো, কিন্তু আমার মত স্বল্পজ্ঞান সম্পন্ন মানুষের জন্য তা সহজ নয় । তা’ছাড়া, সকলের ভালো-লাগা মন্দ-লাগা কখনোই একই রকম হওয়ার সম্ভাবনা সমান হয়না । ‘আমার চোখে চন্দ্রাবতী’র দু’জায়গায় আমি বলেছি, “ভালো কিছুর মধ্যেকার মন্দ আমাকে বড্ড বেশী কষ্ট দেয়”। এ কথা দিয়ে আমি বুঝাতে চেয়েছি যে বইটি আমার ভালো লেগেছে । আরিফ জেবতিকের ফ্লাপের লেখাটার প্রতি আমি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম, যদিও আমি সেটার সাথে একমত তা পোষ্টে সরাসরি বলা হয়নি । ঐ লেখাটার সাথে একমত পোষণ করে চন্দ্রাবতীর চোখে কাজল রংয়ের ভালো কিছু দিক নিয়ে আরিফ জেবিতিক যা বলেছেন তা আমি এখানে উদ্ধৃত করবো ।
ক্রিকেট জিতলো না, দুঃখ এটুকুই
বাংলাদেশ দল নিজেদের দিনে বিশ্বের যেকোনো দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখে কিন্তু যেকোনো দিনকে নিজেদের মতো করে নেওয়ার মতো দল বাংলাদেশ এখনও হয়ে উঠতে পারে নি, এই বা্স্তবতাটুকু উপলব্ধি করতে পারে নি আমাদের গণমাধ্যম, যেকোনো ভাবেই নিজেদর পণ্য গছাতে মরিয়া বহুজাতিক কোম্পানিও এই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারে নি, সে কারণে গণমাধ্যমে বাংলাদেশ দলের প্রায় হয়ে যাওয়া বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশ দলের মানটা পরিস্কার বুঝা গেলো। বাংলাদেশ দল ক্রমাগত উন্নতি করছে, গত ১০ বছর ধরেই উন্নতি করছে বাংলাদেশ কিন্তু এখনও সমীহ জাগানো দল হয়ে উঠতে পারে নি।