ইউজার লগইন
ব্লগ
গল্প: সেদিনও কিভাবে কিভাবে যেন ঠিকই
১.
লিফটের ঝকঝকে কাঁচে নিজের চেহারাটা নিবিড়ভাবে একটু পর্যবেক্ষণ করে নিই। সঙ্গের মানুষগুলোকে খানিকটা উপেক্ষা করেই গালের মাঝ বরাবর উঁকি দিতে থাকা ব্রণটাকে একটু টিপে দেখি। নাহ্ এখনো শক্ত হয়ে আছে। কিছু বলা যাবে না। বললে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে যাবে। অবশ্য আমি জানি, ব্রণগুলো ঠিক ইন্টারভিউয়ের দিন ছাড়া আর কোনোদিন ওঠে না। তাই এ নিয়ে আফসোস করে লাভ নেই। স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম হিসেবে মেনে নিয়ে অগ্রসর হতে হয়।
চুলগুলোও একটু দেখে দেখে ঠিক করে নিলাম। এরপরে হয়তো আর সে সুযোগ মিলবে না। এসব কর্পোরেট হাউজের ভাবগতিক সবসময়ই আমার কাছে বড় দুর্বোধ্য। হয়তো কোনো মিটিং রুমের মতো জায়গায় ঘন্টাখানেক সটান বসে থাকার পর ডাক আসবে জনাকয়েক লোকের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করার। আরেকবার চুল ঠিক করার সুযোগ না পাওয়াই স্বাভাবিক।
ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ৫
দ্বিতীয়বার আবারো নরওয়ে যাওয়া হলো ২০০৮ এর জুনের শেষদিকে। এবার তিনমাসের লম্বা যাত্রা। একই সাথে ভয়, অনিশ্চয়তা আর মনের ভেতর চেপে রাখা একটা ইচ্ছের বোধ কাজ করছিলো। দেশে আমার তখনকার পার্টনারের সাথে সুতো কেটে ফেলার ব্যাপারে কথাবার্তা চলছিলো, আর নরওয়েতে সেই মানুষটা যার টানে আর কোন সুতোই গজালো না চার বছরে। দুই নৌকায় পা দিয়ে চলা আমার স্বভাবে নাই, তাই আমি প্রাণপণে একটা সুতো ছিঁড়বার আর আরেকটা সুতোর টান অগ্রাহ্য করবার দোটানায় ছিলাম। বড়ো অদ্ভুত সময় ছিলো সেটা।
জিল ও ক্যালির পরিবারিক গল্প।
জিল ও ক্যালির পরিচয় ১৯৮৬ সালে আমেরিকার সাউথ ক্যারেলিনায়। দুজনেই তখন কলেজের ছাত্র ছাত্রী। জিলের মনে কি ছিল তা না জানা গেলেও তখন ক্যালি একজন চাকুরীজিবি হয়ে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপনে বিভোর ছিলেন। এক বছর পর ১৯৮৭ সালে তারা বিয়েটা সেরে নেন। বিবাহের পরপরি ক্যালি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। তার পরের বছর গুলো ও সময় একটা বিরাট ইতিহাস।
১৯৮৭ থেকে ২০১১ সাল, ২৪ বছর। একে একে ক্যালি এখন ১৮ সন্তানের গর্বিত মাতা! বিবাহের প্রথম ১৫ বছরের প্রতি বছরই মা হয়েছেন। ১৬তম সন্তান এলি দুনিয়াতে আসার পর আরো দুটো সন্তান মিস্কারেজ হয়, যাদের ক্যালি দুনিয়ার মুখ দেখাতে পারেন নাই। সে সময়টা ছিল জিলের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়। দুটি সন্তান মিস ক্যারেজ হওয়ার ব্যাপারে ম্যাটারনিটি ডাক্তারগন বলেন, মিস ক্যারেজ হয়েছিল লো প্রোগ্রেসিভ এর কারনে হরমোনের পরিবর্তন সাধন হয়ে যাওয়াতে। পরবর্তীতে ক্যালি এ সমস্যা উতরে উঠেন এবং আবার সন্তানের মা হতে থাকেন।
এবিসি ফ্যান্টাসী কাপ, প্রথম লেগ: সদলবলে নাইমা পড়েন
দুঃখিত দেরী হয়ে গেলো বলে।
১.
প্রথম লেগের এন্ট্রি শুরু করলাম।
আপনাকে যা করতে হবে, তা হলো বাংলাদেশ দলের স্কোরকার্ডের সংখ্যাগুলো অনুমান করবেন। ১১ জন খেলোয়াড়ের স্কোর, ব্যাটিং অর্ডার অনুযায়ী, এবং অতিরিক্ত রান।
তারপর মন্তব্যের ঘরে লিখে দেবেন, লম্বালম্বি বা আড়াআড়ি।
যেমন, ৭০, ৮৫, ......, ২৫ -- এভাবে এক লাইনে লিখতে পারেন
অথবা নিচের মতো করেও লিখতে পারেন।
৭০
৮৫
....
২৫
আর অনুমান করতে হবে কালকের ম্যাচে কে জিতবে?
বাংলাদেশ? নাকি, ভারত?
তো দেরী কেন? এক্ষুণি নেমে পড়ুন
২.
এই পোস্টে একই সাথে আগামীকালের খেলা নিয়ে আপনার বিশেষজ্ঞ মতামতও দিতে পারবেন। যেমন কালকের একাদশ কেমন হওয়া উচিত। স্ট্রাটেজী কিরকম হওয়া উচিত। খেলা চলাকালে ভারতীয় খেলোয়াড়দের উপর দুনিয়ার যাবতীয় কুফাবর্ষন, আশরাফুল বা সেরকম কারো গুষ্ঠি উদ্ধার -- সব চলবে।
চালিয়ে যান, কি আছে দুনিয়ায়?
৩.
পিনোমাইসিন-১
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ তাঁর যমুনা তীরের কাচারি বাড়ীর দোতলায় একটি আরাম কেদারায় অলস ভঙ্গিতে বসে আছেন। একটু নজর করে দেখলেই বুঝা যায় তিনি যমুনার জলের দিকে চেয়ে কোন গভীর চিন্তায় নিমগ্ন হয়ে আছেন। এমন গম্ভীর সময়ে আরাম কেদারার হাতলে রাখা তাঁর মোবাইলখানা বেরসিকের মত বারবার বেজে উঠছে আবার প্রায় সাথে-সাথেই নিস্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে। কবিগুরুর ভাবনায় ঘনঘন ছেদ পড়ায় কপালের রেখাগুলো বিরক্তির সাথে প্রকট হয়ে ফুটে উঠছে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও মোবাইলখানা হাতে নিয়ে দেখলেন লালন ফকিরের আটটা মিসকল। কবিগুরু কিঞ্চিত বিরক্ত হয়ে লালনকে কল ব্যাক করলেন।
ফোন রিসিভ করেই লালন সুধালেন "পেন্নাম হই ঠাকুর মশাই, শরীর স্বাস্থ্য ভালোতো?"
এহেন নির্দোষ প্রশ্নের উত্তরে কবিগুরু খেঁকিয়ে উঠে বললেন "সময় গময় নাই এইরূপ উথাল-পাথল মিসকল দেয়ার হেতু কি লালন?"
মাসব্যাপী কার্নিভাল ১১
কারওয়ান বাজারে মানবজমিনের অফিসের সামনে বিশালাকৃতির একটা গরিলার ব্যাটে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাফল্য কামনা করা হয়েছে, ঢাকা শহরের সৈন্দর্যবর্ধন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কিংবা ক্রিকেট বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে কে কিংবা কারা গরিলার ধারণাটা সামনে নিয়ে এসেছেন আমি জানি না, অবশ্য আফ্রিকার তিনটি দেশ এবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহন করছে, সে কারণে গরিলা বাংলাদেশে আসতেই পারে, কিন্তু সেই সাথে বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকদের কোনো ল্যাম্পপোষ্টে ঝুলিয়ে প্রদর্শন করলে আমাদের অংশগ্রহনটা আরও সুন্দর হতে পারতো।
সুন্দরী ঢাকা
খুব ছোটবেলায় ঘরের বেহাল অবস্থা দেখে আম্মা বেশি ঝাড়িঝুড়ি দিলে যা কিছু অগোছালো সব চেপেচুপে ওয়া্র্ডরোবের ড্রয়ারে ঠেইলা ঢুকাইয়া ফেলতাম, ঢাকার বর্তমান সৌন্দর্য্যবর্ধনরেও সেইরকমের ধামাচাপা কিসিম মনে হইতেসে কিছু কিছু জায়গায়। শেরাটনের সামনের ফকিরগুলারে কি ট্রাকে তুলে গরু চালান দেওয়া হইসে কোথাও? হকার ফ্রি ঢাকা কি আমাদের রোজকার চিত্র? এতো ঝামেলার মধ্যেও যে আমরা টিকে আছি এই শহরে এইটাই কি এনাফ বিজ্ঞাপনযোগ্য না?
আজ উঠবে বিশ্বকাপের পর্দা, প্রথম খেলা ১৯শে ফেব্রুয়ারী
আমাদের একটা ফটোগ্রাফি দল আছে। বেশ কয়েক দিন থেকেই শুনতেছি "বিশ্বকাপ বাংলাদেশ' এর ছবি তুলতে বের হবে। তাদের সেই ফটোগ্রাফি যেন আমাদের মুগ্ধতা জাগানিয়া হয় সেই কামনা এবং তাদের জন্য কিছু ছবি তুলে দিলাম।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম আজ যেভাবে সাজবে:
১।

২।

৩।

৪।
তেইল্যাচোরা
সৃষ্টির বিবর্তন চিন্তায় আবুল হোসেনের চোখে ঘুম নেই গত কয়েকমাস ধরে। এতবছর ধরে সে জেনে এসেছে তার পূর্বসুরী হযরত আদম আর বিবি হাওয়া। কিন্তু সেদিন ডারউইন নামে এক লোকের পুস্তিকা পড়ার পর থেকে মাথাটা তার আউলা হয়ে গেছে। সে ভাবতেই পারছে না কোথাকার গেছো বাঁদর বা শিম্পাঞ্জি থেকে তার বংশের উৎপত্তি। চিন্তায় চিন্তায় মাথার চুল অর্ধেক পড়ে চকচকে স্টেডিয়াম বেরিয়ে গেছে, আর কিছুদিন গেলে পুরো ইনডোর স্টেডিয়াম, এই জীবনে আর বউ মিলবে না।
এই জন্যই ছেলেবেলার ফজু পাগলা রাস্তায় চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে বলে বেড়াতো, 'বেশী পড়া পড়বি, পাগলা হয়ে মরবি'। ফজু হয়তো এককালে জ্ঞানের দিকপাল ছিল।
সেই থেকে বাথরুমে আয়নার দিকে বারবার তাকিয়ে মেলানোর চেষ্টা করছে গেছো বাঁদর বা শিম্পাঞ্জীর কোন অংশের সাথে তার বেশী মিলে। বৃথা চেষ্টা। ডজন ডজন বইপত্র ঘেটে ঘেটে প্রমান খোঁজারও বৃথা চেষ্টা করলো। ফলাফল ডারউইনের দিকে না গিয়ে ফজু পাগলার দিকেই যায়।
আমরা পীরাইন
পীরাইন নুশেরা আর তানবীরার মুরীদগনের কলিজা ফাইটা যাইতাছে ।
মুরীদগন, পীরাইনরা যা কইবো তাই সই না, মাহবুব সুমন, মাসুম-ভাস্কর রা যা কইবো তাই দোয়া- দুরুদ না? ফাত্রা চামচামো বাদ দ্যান, পীরাইনরা যে ভাবে মারজুক আর বাদশাকে অপমান সূচক কথা কইয়া যাইতাছে তাতে একবারো মনে হয় নাই যে পীরাইনগোর ***** থাকবো না? সম্মান সবারই আছে , এইডা মনে না থাকলে ****** টিকান খুব কঠিন হইব । আমরা বন্ধু গন্ধ হইতে সময় লাগবো না
আমার চোখে চন্দ্রাবতী
আমাকে সাথে নিয়ে কেউ বিয়ের কনে দেখতে গেলে সে মেয়ের সাথে বিয়ে না-হবার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ । মেয়ে দেখে পেট পুরে খেয়ে ফিরে আসবার সময় যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘মেয়ে কেমন?’ আমি বলি ‘ভালোইতো’ । ‘শুধু ভালোইতো বললেই চলবে? কেমন ভালো তাও বলো’। এবার আমি আর ভালো কিছু খুঁজে পাইনা মেয়েটির মধ্যে । তার যা কিছু ত্রুটি সব কিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বলতে থাকি । কনে পছন্দে আমার মতামতের উপর আর কেউ কোন কথা বলতে সাহস পায়না, অতএব আর কী, আত্মীয়তা আর হয়না সেখানে ।
একই ব্যাপার ঘটে আমাকে নিয়ে শপিংয়ে গেলে, বিশেষ করে শাড়ী, গহনা বা এমন কিছু যা কিনতে পছন্দ করবার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য । সবাই যেটা পছন্দ করে কিনবার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে ফেলে, সেখানে আমার মতামত চাইলে সেটার দোষ-ত্রুটি দেখিয়ে কেনার বারোটা বাজিয়ে দিতে বেশী সময় ব্যয় করতে হয়না ।
আমরা বন্ধুর প্রোডাক্ট বাই প্রোডাক্ট নিয়ে চিন্তা ভাবনা (আপডেটেড)
সারাদিনে দুটো জায়গায় থাকি আমি চরম কমফোর্ট নিয়ে। বাড়িতে আমার নিজের ইজি চেয়ারে ঠ্যাং লম্বা করে বসে কোলে ল্যাপটপ নিয়ে ফেসবুকে টুকুর টুকুর আর এবিতে কুটুর কুটুর। ফেসবুকের উন্নয়ন সাধনে আমার অবদানেরতো শেষ নাই সবাই জানেন। এখন ভাবলাম এবির জন্য কি করা যায়। এবি ভর্তি আবিয়াইত্তা পোলাপান, খালি ম্যাসেজ দেয় ইনবক্সে, আপু ডাচ যোগাড় করে দেন, আলুই খাই তবুও খাই। বিমার বিয়েতো দেখা যায় আগুনে ঘৃতের কাজ করেছে। কেউ কেউ মনের দুঃখে ফেসবুকে নিজের খোমার ছবি সরাইয়া দিয়া, মোমবাত্তির ছবি লাগাইয়া শোক পালন করতেছে। আমার ফেসবুকের ইনবক্স তাদের দুঃখে কষ্ট উথলাইয়া উথলাইয়া উঠছে আর ঠারে ঠোরে আমারে বড় হওয়ার দায়িত্ব কর্তব্যে সম্পর্কে জ্ঞান দিচ্ছে। ভাবছি বড় বড় ব্যবসায়ীরা মূল ব্যবসার সাথে কিছু সাইড ব্যবসা রাখেন, প্রোডাক্ট বাই প্রোডাক্ট। টেক্সটাইল মিলের মালিকরা আস্তে আস্তে গার্মেন্টস খুলেন, এরপর খুলেন নিজের শোরুম আর তারপর নিজের মার্কে
গল্প : রাইডিং
ছোটবেলায় খেলনার পোকা ছিলাম। আমার একটা রেলগাড়ির সেট ছিলো। সেটা কলেজে যখন হোস্টেলে থাকতাম তখন চুরি হয়ে যায়। আমি বুঝি না আমার চেয়েও কোন্ বড় খেলনার পোকা বের হলো, যে কলেজে উঠেও রেলগাড়ির সেট দিয়ে খেলতে চায়। তবে আমার সাদা এফওয়ান রেসিং কারটা এখনো আছে। মাঝে মাঝে চারটা পেন্সিল ব্যাটারী লাগিয়ে চালাই। রিমোট টিপে কন্ট্রোল করি।
এখন আর ছোটবেলার মতো খুব মজা করে হয়তো খেলি না, কিন্তু অভ্যাসবশে একটা কাজ করতে ভালোই লাগে। বিশেষতঃ যখন মন খারাপ লাগে, তখন মনটাকে পজ্ করে রাখার জন্য এরকম দু’চারটে অভ্যাস থাকলে মন্দ না।
ছোটবেলার কথা ভাবতে আমার সবসময়ই খুব ভালো লাগে। আমি এক সময় ছোট ছিলাম। যখন দুই হাত সামনের দিকে করে মুখ দিয়ে হুন্ডার মতো ভু ভু শব্দ করতে করতে পাড়াময় দৌড়াতাম। আমার সঙ্গে আরো দুইটা ছেলে দুইটা মেয়ে দৌড়াতো। আমাদের সবার পরনে শুধু লাল, কালো নানা রংয়ের হাফপ্যান্ট।
অনুবাদ
পরবর্তীতে
কৃশতার সাথে ঠান্ডা পানির খুব বেশী দুরত্ব নেই।
অভিদ
কারো আকড়ে ধরার মত কিছু এখানে বাকি নেই।
দিনগুলো দীর্ঘ্য আর কোমল, এবং মেয়েটির
নিজস্বতার টুকরোগুলো অব্যক্তভাবে এরমাঝে অহেতু
ভেসে বেড়ায়।সে প্রায় বৃষ্টি-সদৃশ,
প্রতিটা ফোটা ঠান্ডা তার চেয়ে, স্বচ্ছ।
তাদের চেহারা তার মত হয়ে যায়, যারা
তার পরিদর্শনে আসে, তার আকাঙ্খা তাদের নিজেদের।
যখন সে টের পায় তার ভেতর উষ্ণ
শিশুদের সন্তরন অথবা প্রেমিকদের
তার চামড়ার ছায়াতলে, সে সবাইকে
বয়ে নেয় তার গভীরতম গন্তব্যে। তারা চলে যায়
রুপালী অশ্রু মেখে। উজ্জ্বল রাতে সে
চাঁদটাকে পরে নরম গয়নার মত আর
সেই পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে যা তার মতই স্থির, নিরব।
সামান্য স্পর্শে তার সমস্ত শরীর কেঁপে উঠে।