ইউজার লগইন
ব্লগ
জীবিকা অথবা জীবন- ১০
ঘোড়ার গাড়ি চলতে আরম্ভ করলে কালো রাস্তার ওপর দিয়ে হালকা ছন্দে ছুটন্ত ঘোড়ার ক্ষুরের ঠকাঠক শব্দ কান পেতে শোনে মনু মিয়া। বড্ড অদ্ভুত সে ধ্বণি! কেমন যেন নেশা ধরে যায়। ঘোড়ার ক্ষুরধ্বণি শুনতে শুনতে হঠাৎ তার মনে হয় যে, ঘোড়ার গাড়ি চালানোর কাজটা খুব একটা মন্দ না হলেও মানুষের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকাটা খুব বেশি সুবিধার বলে মনে হয় না। প্রতিদিন কাজ খোঁজার মতই, যা না পেলে পুরো দিনই মাটি বলতে গেলে। আর এভাবেই শ্রমজীবী মানুষেরা সুবিধাবাদী মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছার কাছে বাঁধা পড়ে যায় ধীরে ধীরে।
চলতি রিকশায়ও অনেক যাত্রীর হাতে ফুল দেখা যায়। কারো হাতে অনেক ফুল দিয়ে বানানো তোড়া। কেউ বা কোলে দাঁড়া করিয়ে নিয়ে যাচ্ছে চাকার মত গোলাকার কিছু। নানা বর্ণের পাতার চাকতির মাঝে লাল-হলুদ ফুলের আরেকটি চাকতি।
মাসব্যাপী কার্ণিভাল ১০
উই হ্যাভ বলস:
মাশরাফি বিষয়ে আরো কিছু উপলব্ধি...
মাশরাফিরে জাতীয় দল থেইকা বাদ দেওনের পর আমি একটা পোস্ট দিছিলাম। নো মাশরাফি নো ক্রিকেট শিরোনামের সেই পোস্টের পর নদীর জল বহুঘাট ঘুরছে, পৌষের কনকনা শীত শেষে আজ বসন্ত সমীরনে মন উচাটন, মৌসুমী পাখিরা আবার উড়াল দিছে নতুন ঠিকানায়। কিন্তু মাশরাফি আর দলে অন্তর্ভূক্ত হয় নাই। সেই পোস্টের পর মাশরাফি তার শল্য চিকিৎসক বন্ধু ডাক্তার ইয়াংয়ের কাছ থেইকা ছাড়পত্র পাইয়াও লীগের একটা মাত্র ম্যাচ খেলনের পার্মিশন পাইছে। সেই ম্যাচে তার বোলিং দেইখা আমাগো সংগঠকগো মুখ হা হইছে, নির্বাচকরা কইছে ছেলেটা নিজের সর্বনাশ করতেছে।
ভিঝ্যুয়াল ডিকশনারি - ২
আচ্ছা প্রিভিউয়ের মধ্যেই যদি সব চইলা আসে তাহলে তো পোস্ট প্রিভিউ বইলা আর নতুন কিছু থাকে না 
উপরের দুই লাইন বাখানিয়া লিখলাম যাতে করে মূল পোস্ট রে প্রিভিউ'য়ের বাইরে নেয়ার যায় 
আশা করি এতে কাজ হবে
.. সাসপেন্স বজায় রাখার চেষ্টা আরকি ।
যাউগ্গা কাজের কথায় আসি - ''ভিঝ্যূয়াল ডিকশনারি - ১'' না পইড়া থাকলে পইড়া আসেন, আর পইড়া থাকলে চলেন রওয়ানা দেই...
এই পোস্টের শিরোনাম ভাবছিলাম এইরকম দিব - ''ভিঝ্যুয়াল ডিকশনারি - ২, কিংবা এক রিদয়বান নাপিতের গল্প'' ... ব্লগার ম্যাভেরিক এর একটা ম্যাভেরিক ম্যাভেরিক ফ্লেভার আসত পোস্টে ... খিকজ

চিত্র ১: সুশীল মানে এই নয় যে আপনাকে সর্বদা জিলেট রেঝর ব্যাবহার করতেই হবে
ওকাম'স রেঝর ( Occam's / Ockham's razor) -
অংবংটং
অংবংটং
ক্লাসের সবাই ওসমানকে বুদ্ধু বলে, এমনকি স্যারেরাও। সেজন্য ওর খুব দুঃখ। পড়াশুনা করে খুব। রাত জেগেও পড়াশুনা করে, কিন্তু কি যে তার ভাগ্য, মনে থাকে না কিছুই। এজন্য তাকে সবার কাছেই বকুনি খেতে হয়। বাড়িতে মা বাবা ভাই বোন সবাই বকে, বোকা বলে, গাধা বলে। আবার পাড়ার লোকরাও বকে মাথা নেই বলে। ক্লাসের সব ছাত্রই ওকে একদম আসল বুদ্ধু বলে।
সেদিন ছিলো শনিবার। হাফ স্কুল। হেড স্যার এলেন ক্লাসে। পড়া ধরলে সবাই ঠিক ঠিক উত্তর দিল। কিন্তু ও মানে ওসমানের গালে জোরে জোরে দুটো চড় কষে দিলেন। লজ্জায় অভিমানে দুঃখে, ওসমানের মরে যেতে ইচ্ছে করলো।
একটি বিতর্কের অবতারণা: সাহিত্য আমরা কেন করি ? কেন পড়ি ?
রাসেল ভাই এর মাসব্যাপী কার্নিভাল সিরিজের এক জায়গায় সম্প্রতি হুমায়ুন আহমেদের রচনা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে । পাঠক তৈরীতে হুমায়ুনের অবদানের কথা তিনি বলেছেন । দ্বিমতও এসেছে প্রচুর । 'হালকা' বলে হুমায়ুনকে নাকচ করে দিতে চান অনেকে । কতোটা ভারী হলে পরে বোদ্ধার ছাড়পত্র (সনদ) পাওয়া যায়- এ নিয়ে ভাবতে গিয়ে মনে হলো, আমরা সাহিত্য কেন করি ? কেন পড়ি ? যিনি লেখেন, কেন লেখেন ? পাঠক কেন পড়েন ?
*অবসর বিনোদন !
* কিঞ্চিত আনন্দ প্রাপ্তির আশায় (পড়তে ভালো লাগে বলে) !
* সাহিত্য করে 'নো-বেল' না হোক, নিদেনপক্ষে 'হ্যা -বেইল' পাবার জন্য !
* এমনি -এমনি !
* সুপ্ত বোধগুলো জাগাবার জন্য !
* সাহিত্যের ভালো-মন্দ চরিত্ররা বাস্তবের চরিত্রদের বুঝতে সহায়তা দেয়, তাই !
কিন্তু প্রথম বাণীটাতেই আটকে গেলাম
বিশ্ব ভালবাসা দিবসের অনুষ্ঠান ইদানীং বেশ খোলাখুলিভাবেই টিভিতে দেখানো হচ্ছে। স্কুলের বেঞ্চে ইউনিফর্ম পড়া ছেলে-মেয়ের বসে গল্প করা দেখে ভাবি, আমি যখন স্কুলে পড়তাম তখন এটা অচিন্ত্যণীয় ছিলো যে; প্রেমিকার সঙ্গে নিরিবিলিতে একটু বসলাম আর টিভি ক্যমেরা সেখানে হাজির হয়ে গেল, আর আমরাও সে দৃশ্য নির্দ্বিধায় সেলুলয়েডের ফিতায় বন্দী হতে দিলাম।
যাক সে কথা, মতিঝিল আমার খুবই প্রিয় একটি এলাকা। ওর সঙ্গে আমার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। একটা ব্যপার প্রায়ই ঘটে, যে জিনিসগুলোর সঙ্গে আমি স্যূট করি সেগুলো চমৎকারভাবে জীবনে মানিয়ে যায়। যেগুলোর সঙ্গে স্যূট করতে পারি না সেগুলোকে খাপ খাওয়ানো সাধারণত সহজ হয় না।
শুভ জন্মদিন নুশেরাপু!
ব্লগার রশীদা আফরোজ এর ফেবু থেকে জানাতে পারলাম আজ নাকি আমাদের সবার প্রিয় নুশেরাপুর জন্মদিন! যদি তাই হয় তবে ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক আজ বসন্ত আর কেক খাই আর নাইবা খাই আজ নুশেরাপুর জন্মদিন (নাকি জন্মরাত!) যাই হোক জন্মদিনে নুশেরাপুকে বাসন্তীয় শুভেচ্ছা। তার সুসাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করছি।
মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৯
ইদানিং বইমেলার চারপাশে রংতুলি আর রং এর ডিব্বা নিয়ে যারা আল্পনা আঁকতে ঘুরে তাদের সাথে বইমেলার সম্পর্ক নিছকই বাণিজ্যিক, আগে যখন বইমেলায় এই আল্পনার জমজমাট ব্যবসা ছিলো না তখন চারুকলার শিক্ষার্থীরা হাতে রং তুলি নিয়ে একুশের উৎসবে সামিল হতো, সবাইকে বইমেলা কিংবা জাতীয় উৎসবের আনন্দে সামিল করবার জন্য তারা নিজেরাও বইমেলার অবৈতনিক শুভেচ্ছাদুত ছিলো, তাদের অংশগ্রহন এখন অনুপ্রবেশকারীদের আগ্রাসনে বিলুপ্ত প্রায়। গতকাল বইমেলায় একজন আর্টিস্ট এসে দাঁড়ালো সামনে, ঋকের দিকে তাকিয়ে বললো এঁকে দেই?
আমার আপত্তি স্পষ্ট হয়ে উঠবার আগেই দেখলাম ঋক হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, বাড়ানো হাতে শুভ বসন্ত লিখে শেষ করবার পর বললাম কত নিবেন?
আপনারা যা ভালো মনে করেন, সবাই নিজের মতো দেয়।
ঊৎসর্গ : ভালোবাসা দিবস।
একবার খুব ইচ্ছা হলো প্রকৃতিকে ভালোবাসি
ফুলেরা এসে বলে, আমায় ভালোবাসো
বললাম, ঠিক আছে কিন্তু তোমাদের রুপ-গন্ধ কি পারবে
আমাকে আমরন উদ্দীপ্ত করতে.....
ফুলেরা চুপ্সে গেল।
ডালে বসা ছোট্ট পাখিটি তার অদ্ভুত রঙিন
লেজটা নাড়িয়ে বলে, দেখতো আমি কেমন রই
বললাম, ওহে পাখি সত্যি করে বল, তোর ডানায় কি
আমার স্বপ্নগুলোর ভার সইবে......
পাখিটা উড়ে গেল অন্য কোথাও।
মুখে মুখে কথা রটে গেল নদীর কাছে
সে তার শীতল জলের ঝাপটা দিয়ে আমায় বলে, জোর করব না
তবে চাইলে আমার কাছে একবার আসতে পারো
জিজ্ঞেস করলাম, তুমি এত বিশাল কিন্তু তাতে কি তুমি পারবে
আমার সব অনুভুতিগুলোকে ডুবিয়ে বাঁচাতে.....
নদী অন্যদিকে তার বাঁক ঘুরিয়ে নিল।
একখন্ড ঝড়ো বাতাস সেদিক দিয়ে যাচ্ছিল
বলে বসল, আমিতো আজীবন তোমার সাথেই আছি,
আমায় কেন নয়
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, আজ সারা দিন ভাবছি
আমার লেখার কোন আভ্যাস নাই, চেষ্টা করিনি কখনও কিন্তু জানি লাভ হতো না ।ঘটনায় চলে আসি, আজ সকলটা অন্য গুলো সকালের মতোই ছিল,গত কাল ফাগুনের শুরু, আজ ভ্যালেন্সটাইন ডে, তরুণের মনের রঙ যেন এ দু দিনে অনেক খানি পাকা হয় । যতোই ফুল ফুটুক আর মনে রঙ ছড়াক আমার কাছে শীত বসন্ত সবই সমান,দিন -রাত,ঋতু ভেদ আমার কাছে নিয়ম ছাড়া আর অন্য কিছু মনে হয়না । কিন্তু আজকের দিনটা খুব অবাক করা একটা দিন আমার জন্য আর এ কারণেই ভাবাচ্ছে খুব।
পিঠাপিঠির ভালোবাসা
মা ঘরের কাজে ব্যস্ত, তার চেয়ে পাহাড়সম ব্যস্ততায় ডুবে আছে একবছর দশমাসের নওশীন। দাদার সাথে চাচাতো ভাইদু'টাকে স্কুল থেকে আনতে যেতে হবে, ছোটচাচুর সাথে সময়মতো নিচে গিয়ে পানির মটার ছেড়ে পানি তুলতে হবে, বুয়া এলে তার পেছন পেছন ঘরে ঘরে ঘুরা আর দীদাকে পান খাওয়ায় সঙ্গ না দিলে কি করে চলবে সব!
মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৮
বইমেলা ক্রমশঃ লিফলেটনির্ভর হয়ে উঠছে, প্রতিদিনই বইমেলায় ঢুকবার সময় কেউ না কেউ একটা না একটা লিফলেট এগিয়ে দেয়, সেসব লিফলেটে কোনো না কোনো বইয়ের বিজ্ঞাপন থাকে, অধিকাংশ বইই আমি শেষ পর্যন্ত কিনতে যাই না কিন্তু আমার ধারণা কেউ না কেউ অবশ্যই কিনে এমন লিফলেটে লেখা বই।
এবিসি ফ্যান্টাসী কাপ, ঢাকা'২০১১ -- বিশ্বকাপে, আত্মা কাঁপে
বিস্তারিত আসিতেছে, তার আগে নিজের অনুভূতিটা একটু বয়ান করি।
ফুটবল বিশ্বকাপের বেলায় আনন্দে বিশ্ব কাঁপে, সাথে আনন্দে আমি নিজেও কাঁপি। প্রিয়দল ব্রাজিল আউট হয়ে গেলে হল্যান্ড, হল্যান্ড গেলে স্পেন, স্পেন গেলে অন্যকিছু, মানে যাই ঘটুক আনন্দে কাঁপাকাঁপি করা যায়।
কিন্তু এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপ যত কাছাকাছি আসছে, কিঞ্চিৎ আনন্দে কাঁপার পাশাপাশি ততবেশী আত্মাকাঁপাও শুরু হয়ে গেছে। গতবার পর্যন্ত বাংলাদেশ দল নিয়ে বড় কোনো আশা করতাম না, আত্মার কাঁপাকাঁপিও তেমন ছিলোনা। কিন্তু গত বছরের কীর্তিকলাপে এবারের সাকিব বাহিনীটাকে দেখে,
"কেমন যেনো অন্যরকম লাগে,
বিরাট আশাও মনে জাগে"।
এত আশা জাগে যে কবিতা চলে আসে! সেজন্যই এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপে, আমাদের আত্মা কাঁপে।
এখন আসি আসল কথায়। আত্মা যতই কাঁপুক, আমরাবন্ধু ক্রিকেট ফ্যান্টাসী কাপ তো হতেই হবে। নাকি বলেন? তাহলে আর দেরী কেন?
তোমার জন্য মিছেমিছি কাব্য লিখি না
মাঝে মাঝে ভাবি তোমায় কিছু উপহার পাঠাবো
না দামি ব্র্যান্ডেড কোন শার্ট কিংবা ঘড়ি নয়
ফরাসি পারফিউম বা ট্র্যান্ডি সানগ্লাসও নয়
খুব সাধারণ কিছু, খুব সাধারণ
ধরো রোজ গায়ে মাখি যে সাবানটা তার কিছু অংশ
কিংবা কিছুটা টুথপেষ্ট, বডিলোশন বা শ্যাম্পু
তা নইলে রোজ যে জ্যাম জেলি খাই
বোয়াম থেকে তুলে দিবো তাদের কিছুটা বা
আমার প্রিয় চকোলেটের বাক্স থেকে একমুঠো চকোলেট।
আমি এখন আর জানি না তোমার প্রিয় রঙ কোনটা
জানি না কোন গান এখন উতলা করে তোমায়
কোন বইটা পড়ে অনেক ভাবো তুমি
যেমন তুমিও জানো না আমার প্রিয় কবি কে এখন
কোন সিনেমা দেখে আমি হাঁপুস নয়নে কেঁদেছি
মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গিয়ে আর ঘুম না এলে
বুক ব্যাথা করলে কি কি সব ভাবি।
একদিন দুজনের সব জানার প্রতিজ্ঞা ছিলো
পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গেলেও আমরা দুজনে দুজনার
ছোট থেকে ছোট দুঃখ, সামান্য থেকে সামান্য আনন্দ
একসাথে ভাগ করে নিবো, পাশে থাকবো।