ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার চোখে চন্দ্রাবতী
আমাকে সাথে নিয়ে কেউ বিয়ের কনে দেখতে গেলে সে মেয়ের সাথে বিয়ে না-হবার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ । মেয়ে দেখে পেট পুরে খেয়ে ফিরে আসবার সময় যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘মেয়ে কেমন?’ আমি বলি ‘ভালোইতো’ । ‘শুধু ভালোইতো বললেই চলবে? কেমন ভালো তাও বলো’। এবার আমি আর ভালো কিছু খুঁজে পাইনা মেয়েটির মধ্যে । তার যা কিছু ত্রুটি সব কিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বলতে থাকি । কনে পছন্দে আমার মতামতের উপর আর কেউ কোন কথা বলতে সাহস পায়না, অতএব আর কী, আত্মীয়তা আর হয়না সেখানে ।
একই ব্যাপার ঘটে আমাকে নিয়ে শপিংয়ে গেলে, বিশেষ করে শাড়ী, গহনা বা এমন কিছু যা কিনতে পছন্দ করবার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য । সবাই যেটা পছন্দ করে কিনবার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে ফেলে, সেখানে আমার মতামত চাইলে সেটার দোষ-ত্রুটি দেখিয়ে কেনার বারোটা বাজিয়ে দিতে বেশী সময় ব্যয় করতে হয়না ।
আমরা বন্ধুর প্রোডাক্ট বাই প্রোডাক্ট নিয়ে চিন্তা ভাবনা (আপডেটেড)
সারাদিনে দুটো জায়গায় থাকি আমি চরম কমফোর্ট নিয়ে। বাড়িতে আমার নিজের ইজি চেয়ারে ঠ্যাং লম্বা করে বসে কোলে ল্যাপটপ নিয়ে ফেসবুকে টুকুর টুকুর আর এবিতে কুটুর কুটুর। ফেসবুকের উন্নয়ন সাধনে আমার অবদানেরতো শেষ নাই সবাই জানেন। এখন ভাবলাম এবির জন্য কি করা যায়। এবি ভর্তি আবিয়াইত্তা পোলাপান, খালি ম্যাসেজ দেয় ইনবক্সে, আপু ডাচ যোগাড় করে দেন, আলুই খাই তবুও খাই। বিমার বিয়েতো দেখা যায় আগুনে ঘৃতের কাজ করেছে। কেউ কেউ মনের দুঃখে ফেসবুকে নিজের খোমার ছবি সরাইয়া দিয়া, মোমবাত্তির ছবি লাগাইয়া শোক পালন করতেছে। আমার ফেসবুকের ইনবক্স তাদের দুঃখে কষ্ট উথলাইয়া উথলাইয়া উঠছে আর ঠারে ঠোরে আমারে বড় হওয়ার দায়িত্ব কর্তব্যে সম্পর্কে জ্ঞান দিচ্ছে। ভাবছি বড় বড় ব্যবসায়ীরা মূল ব্যবসার সাথে কিছু সাইড ব্যবসা রাখেন, প্রোডাক্ট বাই প্রোডাক্ট। টেক্সটাইল মিলের মালিকরা আস্তে আস্তে গার্মেন্টস খুলেন, এরপর খুলেন নিজের শোরুম আর তারপর নিজের মার্কে
গল্প : রাইডিং
ছোটবেলায় খেলনার পোকা ছিলাম। আমার একটা রেলগাড়ির সেট ছিলো। সেটা কলেজে যখন হোস্টেলে থাকতাম তখন চুরি হয়ে যায়। আমি বুঝি না আমার চেয়েও কোন্ বড় খেলনার পোকা বের হলো, যে কলেজে উঠেও রেলগাড়ির সেট দিয়ে খেলতে চায়। তবে আমার সাদা এফওয়ান রেসিং কারটা এখনো আছে। মাঝে মাঝে চারটা পেন্সিল ব্যাটারী লাগিয়ে চালাই। রিমোট টিপে কন্ট্রোল করি।
এখন আর ছোটবেলার মতো খুব মজা করে হয়তো খেলি না, কিন্তু অভ্যাসবশে একটা কাজ করতে ভালোই লাগে। বিশেষতঃ যখন মন খারাপ লাগে, তখন মনটাকে পজ্ করে রাখার জন্য এরকম দু’চারটে অভ্যাস থাকলে মন্দ না।
ছোটবেলার কথা ভাবতে আমার সবসময়ই খুব ভালো লাগে। আমি এক সময় ছোট ছিলাম। যখন দুই হাত সামনের দিকে করে মুখ দিয়ে হুন্ডার মতো ভু ভু শব্দ করতে করতে পাড়াময় দৌড়াতাম। আমার সঙ্গে আরো দুইটা ছেলে দুইটা মেয়ে দৌড়াতো। আমাদের সবার পরনে শুধু লাল, কালো নানা রংয়ের হাফপ্যান্ট।
অনুবাদ
পরবর্তীতে
কৃশতার সাথে ঠান্ডা পানির খুব বেশী দুরত্ব নেই।
অভিদ
কারো আকড়ে ধরার মত কিছু এখানে বাকি নেই।
দিনগুলো দীর্ঘ্য আর কোমল, এবং মেয়েটির
নিজস্বতার টুকরোগুলো অব্যক্তভাবে এরমাঝে অহেতু
ভেসে বেড়ায়।সে প্রায় বৃষ্টি-সদৃশ,
প্রতিটা ফোটা ঠান্ডা তার চেয়ে, স্বচ্ছ।
তাদের চেহারা তার মত হয়ে যায়, যারা
তার পরিদর্শনে আসে, তার আকাঙ্খা তাদের নিজেদের।
যখন সে টের পায় তার ভেতর উষ্ণ
শিশুদের সন্তরন অথবা প্রেমিকদের
তার চামড়ার ছায়াতলে, সে সবাইকে
বয়ে নেয় তার গভীরতম গন্তব্যে। তারা চলে যায়
রুপালী অশ্রু মেখে। উজ্জ্বল রাতে সে
চাঁদটাকে পরে নরম গয়নার মত আর
সেই পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে যা তার মতই স্থির, নিরব।
সামান্য স্পর্শে তার সমস্ত শরীর কেঁপে উঠে।
জীবিকা অথবা জীবন- ১০
ঘোড়ার গাড়ি চলতে আরম্ভ করলে কালো রাস্তার ওপর দিয়ে হালকা ছন্দে ছুটন্ত ঘোড়ার ক্ষুরের ঠকাঠক শব্দ কান পেতে শোনে মনু মিয়া। বড্ড অদ্ভুত সে ধ্বণি! কেমন যেন নেশা ধরে যায়। ঘোড়ার ক্ষুরধ্বণি শুনতে শুনতে হঠাৎ তার মনে হয় যে, ঘোড়ার গাড়ি চালানোর কাজটা খুব একটা মন্দ না হলেও মানুষের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকাটা খুব বেশি সুবিধার বলে মনে হয় না। প্রতিদিন কাজ খোঁজার মতই, যা না পেলে পুরো দিনই মাটি বলতে গেলে। আর এভাবেই শ্রমজীবী মানুষেরা সুবিধাবাদী মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছার কাছে বাঁধা পড়ে যায় ধীরে ধীরে।
চলতি রিকশায়ও অনেক যাত্রীর হাতে ফুল দেখা যায়। কারো হাতে অনেক ফুল দিয়ে বানানো তোড়া। কেউ বা কোলে দাঁড়া করিয়ে নিয়ে যাচ্ছে চাকার মত গোলাকার কিছু। নানা বর্ণের পাতার চাকতির মাঝে লাল-হলুদ ফুলের আরেকটি চাকতি।
মাসব্যাপী কার্ণিভাল ১০
উই হ্যাভ বলস:
মাশরাফি বিষয়ে আরো কিছু উপলব্ধি...
মাশরাফিরে জাতীয় দল থেইকা বাদ দেওনের পর আমি একটা পোস্ট দিছিলাম। নো মাশরাফি নো ক্রিকেট শিরোনামের সেই পোস্টের পর নদীর জল বহুঘাট ঘুরছে, পৌষের কনকনা শীত শেষে আজ বসন্ত সমীরনে মন উচাটন, মৌসুমী পাখিরা আবার উড়াল দিছে নতুন ঠিকানায়। কিন্তু মাশরাফি আর দলে অন্তর্ভূক্ত হয় নাই। সেই পোস্টের পর মাশরাফি তার শল্য চিকিৎসক বন্ধু ডাক্তার ইয়াংয়ের কাছ থেইকা ছাড়পত্র পাইয়াও লীগের একটা মাত্র ম্যাচ খেলনের পার্মিশন পাইছে। সেই ম্যাচে তার বোলিং দেইখা আমাগো সংগঠকগো মুখ হা হইছে, নির্বাচকরা কইছে ছেলেটা নিজের সর্বনাশ করতেছে।
ভিঝ্যুয়াল ডিকশনারি - ২
আচ্ছা প্রিভিউয়ের মধ্যেই যদি সব চইলা আসে তাহলে তো পোস্ট প্রিভিউ বইলা আর নতুন কিছু থাকে না 
উপরের দুই লাইন বাখানিয়া লিখলাম যাতে করে মূল পোস্ট রে প্রিভিউ'য়ের বাইরে নেয়ার যায় 
আশা করি এতে কাজ হবে
.. সাসপেন্স বজায় রাখার চেষ্টা আরকি ।
যাউগ্গা কাজের কথায় আসি - ''ভিঝ্যূয়াল ডিকশনারি - ১'' না পইড়া থাকলে পইড়া আসেন, আর পইড়া থাকলে চলেন রওয়ানা দেই...
এই পোস্টের শিরোনাম ভাবছিলাম এইরকম দিব - ''ভিঝ্যুয়াল ডিকশনারি - ২, কিংবা এক রিদয়বান নাপিতের গল্প'' ... ব্লগার ম্যাভেরিক এর একটা ম্যাভেরিক ম্যাভেরিক ফ্লেভার আসত পোস্টে ... খিকজ

চিত্র ১: সুশীল মানে এই নয় যে আপনাকে সর্বদা জিলেট রেঝর ব্যাবহার করতেই হবে
ওকাম'স রেঝর ( Occam's / Ockham's razor) -
অংবংটং
অংবংটং
ক্লাসের সবাই ওসমানকে বুদ্ধু বলে, এমনকি স্যারেরাও। সেজন্য ওর খুব দুঃখ। পড়াশুনা করে খুব। রাত জেগেও পড়াশুনা করে, কিন্তু কি যে তার ভাগ্য, মনে থাকে না কিছুই। এজন্য তাকে সবার কাছেই বকুনি খেতে হয়। বাড়িতে মা বাবা ভাই বোন সবাই বকে, বোকা বলে, গাধা বলে। আবার পাড়ার লোকরাও বকে মাথা নেই বলে। ক্লাসের সব ছাত্রই ওকে একদম আসল বুদ্ধু বলে।
সেদিন ছিলো শনিবার। হাফ স্কুল। হেড স্যার এলেন ক্লাসে। পড়া ধরলে সবাই ঠিক ঠিক উত্তর দিল। কিন্তু ও মানে ওসমানের গালে জোরে জোরে দুটো চড় কষে দিলেন। লজ্জায় অভিমানে দুঃখে, ওসমানের মরে যেতে ইচ্ছে করলো।
একটি বিতর্কের অবতারণা: সাহিত্য আমরা কেন করি ? কেন পড়ি ?
রাসেল ভাই এর মাসব্যাপী কার্নিভাল সিরিজের এক জায়গায় সম্প্রতি হুমায়ুন আহমেদের রচনা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে । পাঠক তৈরীতে হুমায়ুনের অবদানের কথা তিনি বলেছেন । দ্বিমতও এসেছে প্রচুর । 'হালকা' বলে হুমায়ুনকে নাকচ করে দিতে চান অনেকে । কতোটা ভারী হলে পরে বোদ্ধার ছাড়পত্র (সনদ) পাওয়া যায়- এ নিয়ে ভাবতে গিয়ে মনে হলো, আমরা সাহিত্য কেন করি ? কেন পড়ি ? যিনি লেখেন, কেন লেখেন ? পাঠক কেন পড়েন ?
*অবসর বিনোদন !
* কিঞ্চিত আনন্দ প্রাপ্তির আশায় (পড়তে ভালো লাগে বলে) !
* সাহিত্য করে 'নো-বেল' না হোক, নিদেনপক্ষে 'হ্যা -বেইল' পাবার জন্য !
* এমনি -এমনি !
* সুপ্ত বোধগুলো জাগাবার জন্য !
* সাহিত্যের ভালো-মন্দ চরিত্ররা বাস্তবের চরিত্রদের বুঝতে সহায়তা দেয়, তাই !
কিন্তু প্রথম বাণীটাতেই আটকে গেলাম
বিশ্ব ভালবাসা দিবসের অনুষ্ঠান ইদানীং বেশ খোলাখুলিভাবেই টিভিতে দেখানো হচ্ছে। স্কুলের বেঞ্চে ইউনিফর্ম পড়া ছেলে-মেয়ের বসে গল্প করা দেখে ভাবি, আমি যখন স্কুলে পড়তাম তখন এটা অচিন্ত্যণীয় ছিলো যে; প্রেমিকার সঙ্গে নিরিবিলিতে একটু বসলাম আর টিভি ক্যমেরা সেখানে হাজির হয়ে গেল, আর আমরাও সে দৃশ্য নির্দ্বিধায় সেলুলয়েডের ফিতায় বন্দী হতে দিলাম।
যাক সে কথা, মতিঝিল আমার খুবই প্রিয় একটি এলাকা। ওর সঙ্গে আমার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। একটা ব্যপার প্রায়ই ঘটে, যে জিনিসগুলোর সঙ্গে আমি স্যূট করি সেগুলো চমৎকারভাবে জীবনে মানিয়ে যায়। যেগুলোর সঙ্গে স্যূট করতে পারি না সেগুলোকে খাপ খাওয়ানো সাধারণত সহজ হয় না।
শুভ জন্মদিন নুশেরাপু!
ব্লগার রশীদা আফরোজ এর ফেবু থেকে জানাতে পারলাম আজ নাকি আমাদের সবার প্রিয় নুশেরাপুর জন্মদিন! যদি তাই হয় তবে ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক আজ বসন্ত আর কেক খাই আর নাইবা খাই আজ নুশেরাপুর জন্মদিন (নাকি জন্মরাত!) যাই হোক জন্মদিনে নুশেরাপুকে বাসন্তীয় শুভেচ্ছা। তার সুসাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করছি।
মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৯
ইদানিং বইমেলার চারপাশে রংতুলি আর রং এর ডিব্বা নিয়ে যারা আল্পনা আঁকতে ঘুরে তাদের সাথে বইমেলার সম্পর্ক নিছকই বাণিজ্যিক, আগে যখন বইমেলায় এই আল্পনার জমজমাট ব্যবসা ছিলো না তখন চারুকলার শিক্ষার্থীরা হাতে রং তুলি নিয়ে একুশের উৎসবে সামিল হতো, সবাইকে বইমেলা কিংবা জাতীয় উৎসবের আনন্দে সামিল করবার জন্য তারা নিজেরাও বইমেলার অবৈতনিক শুভেচ্ছাদুত ছিলো, তাদের অংশগ্রহন এখন অনুপ্রবেশকারীদের আগ্রাসনে বিলুপ্ত প্রায়। গতকাল বইমেলায় একজন আর্টিস্ট এসে দাঁড়ালো সামনে, ঋকের দিকে তাকিয়ে বললো এঁকে দেই?
আমার আপত্তি স্পষ্ট হয়ে উঠবার আগেই দেখলাম ঋক হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, বাড়ানো হাতে শুভ বসন্ত লিখে শেষ করবার পর বললাম কত নিবেন?
আপনারা যা ভালো মনে করেন, সবাই নিজের মতো দেয়।
ঊৎসর্গ : ভালোবাসা দিবস।
একবার খুব ইচ্ছা হলো প্রকৃতিকে ভালোবাসি
ফুলেরা এসে বলে, আমায় ভালোবাসো
বললাম, ঠিক আছে কিন্তু তোমাদের রুপ-গন্ধ কি পারবে
আমাকে আমরন উদ্দীপ্ত করতে.....
ফুলেরা চুপ্সে গেল।
ডালে বসা ছোট্ট পাখিটি তার অদ্ভুত রঙিন
লেজটা নাড়িয়ে বলে, দেখতো আমি কেমন রই
বললাম, ওহে পাখি সত্যি করে বল, তোর ডানায় কি
আমার স্বপ্নগুলোর ভার সইবে......
পাখিটা উড়ে গেল অন্য কোথাও।
মুখে মুখে কথা রটে গেল নদীর কাছে
সে তার শীতল জলের ঝাপটা দিয়ে আমায় বলে, জোর করব না
তবে চাইলে আমার কাছে একবার আসতে পারো
জিজ্ঞেস করলাম, তুমি এত বিশাল কিন্তু তাতে কি তুমি পারবে
আমার সব অনুভুতিগুলোকে ডুবিয়ে বাঁচাতে.....
নদী অন্যদিকে তার বাঁক ঘুরিয়ে নিল।
একখন্ড ঝড়ো বাতাস সেদিক দিয়ে যাচ্ছিল
বলে বসল, আমিতো আজীবন তোমার সাথেই আছি,
আমায় কেন নয়