ইউজার লগইন
ব্লগ
এবিসি ফ্যান্টাসী কাপ: তৃতীয় পর্ব
১.
প্রথমেই দুঃখ প্রকাশ করছি, দ্বিতীয় পর্বের রেজাল্ট হিসেব করার সময় পাইনি এখনও। এর মধ্যেই দেখলাম, তৃতীয় পর্ব শুরু হবার সময় চলে এসেছে!! চামে ফাঁকিবাজি করি, দুই লেগের রেজাল্ট একসাথে দিয়ে দেবো ভাবছি।
খিলাড়ীরা সবাই, নেমে পড়ুন তবে।
বরাবরের মতোই, ১২ টা স্কোর আর কে জিতবে -- এই অনুমান লিখে দিন।
(খেলোয়াড়ের নাম দেয়ার দরকার নেই, কারণ আপনার দেয়া স্কোরের ক্রম আর ঐদিন বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারকে একই ধরে হিসাব করা হবে।)
মনে রাখবেন, শেষ ম্যাচ পর্যন্ত আপনার চ্যাম্পিয়ন হবার সম্ভাবনা আছে ।
২.
একই সাথে আলোচনাও চলুক।
আগামী ম্যাচে দল কেমন হওয়া উচিত। টসে জিতলে ব্যাটিং নেয়া উচিত কিনা। থার্ড পাওয়ার প্লে কত ওভারের দিকে নেয়া উচিত, অথবা অন্য যে কোনো কিছু নিয়ে।
৩.
এখন পর্যন্ত ফলাফল:
আসিতেছে.... মহাসমারোহে!!!!.... সম্পূর্ণ রঙীণ 
মাসব্যাপী কার্ণিভাল পিডিএফ
কয়েক বছর আগে সামহয়ারইনব্লগে রেজিঃ করি ততদিনে রাসেল সেখানে প্রতিষ্ঠিত ব্লগার। রাসেলের নিকটা ছিল একটু অন্যরকম। নামের পর ব্র্যাকেটে আট টা ডট। ভাষার উপর অসাধারণ দখল, যুক্তিপূর্ণ আলোচনা, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষনী ক্ষমতায় সে তখন মোটামুটি সেলিব্রিটি ব্লগার। তখন লিখতো প্রচুর। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে তার ভারত ভ্রমনের কাহিনি। খুব কম ভ্রমন কাহিনিই আমার কাছে এতো ভালো লেগেছে। এত সাবলীল বর্ণনা যে পুরা লেখা এক বসায় পড়লেও ধৈর্য্য বিচ্যুতি ঘটেনা। সেই সিরিজটা নিয়া একটা বই প্রকাশ হতেই পারে।
আমার আজকের এই পোস্টে দেয়ার কারণ হল আমি একটা পিডিএফ বানিয়েছি সেইটা জানান দেয়া। রাসেলের মাসব্যাপী কার্ণিভাল সিরিজটা একসাথে করে তাড়াহুড়া করে এই পিডিএফ বানাইলাম। যদিও রাসেলের অনুমতি নেই নাই। এইটা নিয়া অবশ্য দুশ্চিন্তা নাই। এত অমায়িক যে ভদ্রতার খাতিরে কিছু বলবেনা। বললেও চা সিগারেট খাইয়ে ম্যানেজ করা যাবে।
একাত্তরের এদিনে বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করা হয়
আজ ২ মার্চ। একাত্তরের উত্তাল মার্চের দ্বিতীয় দিন। এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় লাখ লাখ ছাত্র-জনতার সামনে বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করা হয়।
আমাদের, তুমি আমি
কথোপকথনঃ
- কি সারাদিন খালি প্রশ্ন! এতো প্রশ্ন আসে কোত্থেকে তোমার?
- বলো না, মন যে ছুয়েঁছি তা কি পুরোটাই? ভালোবাসো আমায়?
- “সখি ভালোবাসা কারে কয়
একি শুধু এক ধোকাঁ নয়?”
- “এই যে হৃদয় উপড়ানো ভালোবাসা,
একি নিতান্তই দু’দিনের খেলা,
নাকি সেই সে অনুভূতি, যা চিরকাল থাকে না বলা!!”
- তোমার আরো বলার বাকি আছে নাকি, দিনমান এতোবার বলছো তাও!!
- “চিলতে রোদে পাখনা ডোবা,
মুচকি হাসে শহরতলী
রোজ সকালে পড়ছে মনে,
সেই কথাটা কেমনে বলি?”
- “অনেক সুখের মাঝে যখন ভূতেরা পিঠে কিলায়,
ভালোবাসি বলে মানুষ অবলীলায়!”
- হুহ! বেশি বুঝো তুমি! তাইতো একবার বলেই শেষ!
- হ্যাঁ, যেটা বলার বলেছিই তো, আর কি?
মানুষ মূলত প্রিয় মাটিরই তৈরী
বসার জায়গাটা থেকে ২০ বা ২৫ ডিগ্রি কোণে সামনে তাকালে এক চিলতে ছায়া রংএর কাঁচ এবং তারপরে দেখা যায় আকাশ। ওই আকাশটা আসলে কোনো বস্তু নয়, ওর কোনো আকার নেই; ও আমাদের কল্পনা। ওপর দিকে আসলে কিছু নেই শূন্যতা ছাড়া।
সেই শূন্যতাকে আঁধার করে নেমে আসছে গোধূলী। একটি সময় যখন অনেক কথা মনে পড়ে যায়। কথাগুলো সকালের ঘুম ভাঙা তাড়াহুড়োয় কিংবা দুপুরের নিরিবিলিতে মনে পড়ে না। সময় মানুষের চিন্তাশক্তি, বলা ভালো চিন্তার প্যাটার্নকে প্রভাবিত করে ভালোভাবেই।
ও কিন্তু আরো একটা দারুণ কাজ করে। সেটা হচ্ছে প্রলেপ দেয়া। গ্রামে মাটির ঘর লেপে দেয়ার একটা ব্যপার আছে। সময় মানুষের জীবনঘরটি নিয়মিত লেপে রাখে। সব ক্ষোভ, সব ক্ষত, পুঞ্জী পুঞ্জী হতাশা, ভুলে যেতে চাওয়া স্মৃতি কিংবা প্রিয়জনের কাছ থেকে পাওয়া সামান্যতম কষ্টগুলো সেই প্রলেপের নিচে চাপা পড়ে থাকে। এ থেকে আমি নিশ্চিত হই, মানুষ মূলত মাটিরই তৈরী।
জোছনা
মধ্যদুপুরের গনগনে সূর্য মাথায় নিয়ে রাজ পথে হেঁটে চলছে এক যুবক। হলুদ পাঞ্জাবী গায়ে খালি পায়ে পথ চলা নয়। আর আট দশটা তরুনের মতই বেশভূষা তার। হাতে জ্বলন্ত সিগারেট। কোথায় যেন সে পড়েছিল মধ্য দুপুরের সূর্্যটাকে ঠিক ভাবে উপভোগ করতে হলে হাতে রাখতে হয় একটা জ্বলন্ত সিগারেট আর জোছনা উপভোগ করতে লাগে অমৃত সুধা যেটাকে আমরা আদর করে ডাকি লাল পানি। জোছনার কথা মনে পড়তেই তার মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল। স্বপ্নের ভাঙ্গনের রঙ আর বাস্ততার তুলিতে আঁকা এই হাসি। আমৃত সুধা ছাড়াই জোছনা দেখতে চেয়েছিল সে। নির্মল মনটাকে আলোকিত করতে চেয়েছিল চাঁদের ধার করা আলোতে। তার চোখে জোছনার মতই কোমল, নির্মল, অনিন্দ্য সুন্দর হয়ে ধরা পড়েছিল মেয়েটা। কোন কালেই কবি ছিল না সে। তারপরও মেয়েটাকে দেখা মাত্রই তার মুখের ভাষা হয়ে গেল কাব্যিক। আলোর পাশে কালোর কোন জায়গা নেই। তাই আস্তে আস্তে মনের কালো দাগ গুলো মুছতে শুরু করল সে। নিজেকে গুছিয়ে নিতে
কাবজাব - ৬
প্রতিদিনের মত আজকের দিনটাও কোন ভাবেই আলাদা ছিলো না আমার জন্যে। সেই একই যান্ত্রিক নিয়মের জীবন। তাও প্রতিটা দিনেরই কেমন যেনো একটা আলাদা রেশ থাকে। আজকের দিনটাও শুরু হয়েছে আমার জন্যে চরম বোরিং ভাবে। তবে হ্যা মন্দের ভালো হয়ত বলা যায়। এই শেষ প্রহরে এসে ভাবছি সব ভালো যার শেষ ভালো তার এই রকম ফালতু থিওরী আসলে এখন বাদ দেওয়ার সময় হয়ে এসেছে।
মাসব্যাপী কার্ণিভাল ১৪
নিজের জন্য লেখা, পাঠকের জন্য লেখা
ফেসবুক বাংলা অনুবাদ: গ্রামীণফোনের আহ্বান নাকি কৃতিত্ব বাগানোর ধান্ধা?
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রামীণফোন ‘জরুরিভত্তিতে ফেসবুক অনুবাদক আবশ্যক’ বিজ্ঞাপন দিয়েছে। বিজ্ঞাপনটি দেখে শুরুতে মনে হয়েছিল, গ্রামীণফোন কিছু অনুবাদক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে যাদের কাজ হবে ফেসবুকের যাবতীয় বিষয়-আশয় অনুবাদ করা। বিজ্ঞাপনটির আউটলুক এমন যেন এটি একটি চাকুরির বিজ্ঞপ্তি এবং অনুবাদক নিয়োগ করে অনুবাদের কাজটি করার জন্য ফেসবুক গ্রামীণফোনকে দায়িত্ব দিয়েছে।
ডাইরী ১১৮
.................................................................................................
এক.
পায়ে পায়ে ঘুরতে ঘুরতে আমার কখনো নিজেকে কুকুর আবার কখনো একপাটি স্যান্ডাল মনে হয়। যখন মানুষ প্রাণভয়ে ভীত হয়ে দৌড়ে পালাবার কথা ভাবে তখন সবার আগে সে ছুড়ে ফেলে দেয় পুরনো জুতার পাটি। অহেতুক সেই জুতার মতোন আমি এদিক ওদিক হয়ে পড়ে থাকি পথে। প্রত্যাশায় থাকি পায়ের...প্রত্যাশিত পায়েরা শোনেনা আর্তনাদ।
তবু আমি পায়ে পায়ে ঘুরে জানান দিয়েছি, রয়েছি তোমার পায়ের কাছে...সুযোগ পেলেই নুপুরের মতো আকড়ে থাকার ইচ্ছা...
দুই.
শৈশবে কুকুরে ভয় ছিলো। হিংস্রতায় নয়। বরং কুকুর বড্ড ন্যাওটা। এখন নিজেই আমি সেই কুকুরের মতোন অবসেসিভ থাকি প্রভূর নাগাল পাওয়ার প্রত্যাশায়। জানি প্রভূ আর আমারে রাখেনি এমনকি তার স্মৃতির মনি কোঠায়...তবু।
তিন.
:.সময় যেন এই বাঁধন কখনো ছিড়তে না পারে.:
যখন বাসার পথে রওয়ানা দিলাম তখন ঘড়িতে প্রায় পৌনে নয়টা। ঢাকার অতি পরিচিত জ্যাম ঠেলে বাসায় পৌছালাম রাত সাড়ে দশটা। ঋহান তার সব চাচা, ফুপ্পি, খালা আর মামাদের আদরের চটে অস্থির হয়ে গাড়িতে উঠার একটু পরেই আমার কাঁধে মাথা ঠেকিয়ে ঘুমিয়ে গেছে। আমি আর কি করবো, বসে বসে ভাবছিলাম আজ কি নিয়ে লিখবো। আজ-কাল অনেক কিছুই মাথায় ঘুরে। কিন্তু যখন লিখতে যাই, কিচ্ছু আসে না হাতে। তাই তখন ভাবছিলাম, “যদি এমন কোন পদ্ধতি থাকতো যে, আমি এখন যা ভাবছি তা আটোমেটিক কোথাও লেখা হয়ে যাচ্ছে! তাহলে আজ অনেক বড় একটা লেখা দিতে পারতাম এবি’তে”।
এক.
আমাকে ছেড়ে যাওয়ার পর
মাঝে মাঝে গভীর ভাবের কথা ভাবতে হয়। কারণ আর কোনো কাজ থাকে না হাতে। বসার জায়গাটা থেকে ২০ বা ২৫ ডিগ্রি কোণে সামনে তাকালে এক চিলতে ছায়া রংএর কাঁচ ও তারপরে আকাশ দেখা যায়। সাদা-নীল আকাশটি অন্ধকার করে নেমে আসছে একটি গোধূলী। এটাকেই কি সন্ধ্যা বলা যায়? সময়টা কেমন মন উদাস করানো। এমন সময়ে অনেক কথা মনে পড়ে যায়। আমি নিশ্চিত সে কথাগুলো সকালের ঘুম ভাঙা তাড়াহুড়োয় কিংবা দুপুরের কাজের ফাঁকের নিরিবিলিতে মনে পড়ে না। আসলেই সময়গুলো মানুষের মনে কত শক্ত প্রভাব ফেলতে পারে।
কলিন ফার্থঃ সিনেমার রাজপুরুষ
১১ ডিসেম্বর ১৯৩৬ সালে রেডিওতে বক্তৃতা দিতে গিয়ে অষ্টম এডওয়ার্ড বলেছিলেন- "I have found it impossible to carry the heavy burden of responsibility and to discharge my duties as king as I would wish to do without the help and support of the woman I love." স্বেচ্ছায় তিনি সিংহাসনের লোভ কাটিয়ে চলে যান। পরের ভাই ষষ্ঠ জর্জ সিংহাসনে বসেন। সুদর্শন রমণীমোহন রাজা সরে গিয়ে আসেন তোতলা রাজা। স্পিচ থেরাপিস্টের সহায়তায় তিনি হয়ে ওঠেন বাগ্মী। কিংস স্পিচ ছবির জন্য রাজা ষষ্ঠ জর্জের ভূমিকায় অভিনয় করে অস্কার পেলেন কলিন ফার্থ।
ছেড়ো না ছেড়ো না হাত দেব না দেব না গো যেতে থাকো আমার সাথে :: একের ভেতর পাঁচ
১
ধরেন আপনার মহল্লার গোটা দশেক পাব্লিক মাত্র দুইজনরে চান্সে পাইয়া ধরলো। ডরে বুক ধুকপুক ধুকপুক করবো অবিশ্যই। খোদাই ষাড়ের কইলজা না হইলে এদের মাঝখান থেকে বের হওয়া প্রায় অসম্ভব। ১০ জনে চারিদিক থেকে ঘেড়াও কইরা আটকাইয়া একজন ইটা মারে... কোন চুদুরবুদুর হইলেই দুই পাশে দাড়ানো আরো দুইজন আঙ্গুল দেখাইয়া দেয়
... বিষয়টা কিরম অমানবিক
... তয় এইখানে ইংরেজ ভদ্রলোক মাইক আর্থারটন সাহেব ভাল এক্টা বক্তিমা দিছে... "আমার পিঠ আমার নিজের সমস্যা। এটি পুরো জাতির দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে না।" নিজের পিঠ নিজেরই বাচানো উচিত
সেইটা দেখলাম গত কালকে... জাম্পেস একটা ম্যাচ ... বিশ্বকাপের এখনো অনেক খেলা বাকি যদিও ... তার পরেও মনে হইল বিশ্বকাপের বেষ্ট খেলাটা হয়তো দেইখা ফেল্লাম। অনেকেই বলতেছে ক্রিকেটের জয় হইছে... কিন্তু আমি তো দেখলাম ভারত জিতল
.... বিশ্বাস হয় না? জহির খানের বক্তিমা পড়েন
২
বৈকালের গরম দুধ
সেই ছোট্ট বেলায় রোজ সকালে গরু দোহানোর সময় ছোট্ট একটা কাঁসার গ্লাস হাতে নিয়ে অপেক্ষা করতাম। দোহানো শেষ হতেই সেই ফেনা উঠা দুধ মা গ্লাসে ভরে দিতেন, ঢকঢক করে খেয়ে নিতাম, কখনো বা দুই গ্লাস (বড় হয়ে বুঝেছি যে তার পরিমান ছিল এখনকার আধা লিটারের মত)। না-জ্বালানো সেই উষ্ণ কাঁচা দুধের যে স্বাদ ও ঘ্রাণ, তা আর কোন খাবারে কখনও পেয়েছি বলে মনে হয়না। একটু বড় হয়ে উঠবার পরে না-জ্বালানো দুধ বাদ হয়ে গেল। ভাত খাওয়ার পরে কাঁসার থালায় হাত রেখে বসতাম, মা কুসুম গরম দুধ ঢেলে দিতেন পাতে,কব্জি না-ডুবা পর্যন্ত দুধ ঢালতেই হতো। তার কম হলেই চিৎকার, আরও দাও, আরও দাও। চাকরী করতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত এমন করে দুধ খাওয়ার অভ্যেসটা কম-বেশী বজায় ছিল।