ইউজার লগইন
ব্লগ
কবিতা পড়ার প্রহর
চোখের উপর হাত উল্টো করে চেপে শুয়ে আছে অদিতি। ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করে বাজছে। একটু আগেই সে ঘড়িতে সময় দেখলো রাত ১২.৪০ মিনিট। অদিতি ভাবছে, প্রতিদিন অরিত্রর সাথে তার দেখা হয় না, তবু একই শহরে থাকে, অকারণেই একটু পর পর কথা হয় ফোনে, অকারণ এস এম এস। মনে হয় দুজন দুজনের পাশেই আছে।অরিত্র গতকাল রাতের বাসে চট্রগাম গিয়েছে তার অফিসিয়াল কাজে।ঢাকায় না ফেরা পর্যন্ত অদিতির মন অস্থির থাকবে।মোবাইল ফোনটা আরেক হাতে ধরে আছে। ফোন করতে ইচ্ছে করলেও করতে পারছে না কারণ অরিত্রর সাথে তার দুজন সহকর্মীও আছে। তারা রাতের খাবারের পর আড্ডা দিচ্ছে, সেটা অদিতিকে এস এম এস করে জানিয়েছে।হাত সরিয়ে চোখ মেলে দেখতে ইচ্ছে করছে না কত রাত হলো।হঠাৎ মোবাইল বেজে উঠলো।অদিতি খুব আদুরে গলায় বললো...
-হ্যালো!
-কি করো?ঘুমাওনি কেনো?
-তোমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছিলো যে!মনে হচ্ছে অনেক দূরে তুমি।
বাঙালির গরব : হাজার বছর আগে বাঙালিরা জনগনের মধ্য থেকে রাজা নির্বাচিত করেছিল দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করার জন্য

ব্যক্তিই পারে পরিবর্তন করতে সমগ্র জাতির ভাগ্য।
ব্যক্তিই পারে সৃষ্টি করতে নতুন ইতিহাসের।
একজন ব্যক্তি মহাত্মা গান্ধী সারা পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন প্রতিবাদের নতুন পদ্ধতি।
একজন ব্যক্তি নেলসন মেন্ডেলা সারা দক্ষিন আফ্রিকার বর্ণবাদের শৃঙখল ভেঙেছেন।
একজন ব্যক্তি শেখ মুজিব একটা জাতিকে হাজার বছরের গোলামির গ্লানি দূর করে স্বাধীন ভূখন্ড উপহার দিয়েছে।
একজন ব্যক্তি রাজা গোপাল একশ বৎসরের মাৎসান্যায়ের অবসান ঘটিয়ে হতদ্যম বিশৃঙখল নিজ জাতিকে সমৃদ্ধিশালি গর্বিত জাতিতে উন্নীত করেছিলেন।
হাজার বছর পিছনের বাঙালির গর্বের সেই চমকপ্রদ অভূতপূর্ব ঘটনাবলীর দিকে একটু নজর ফেলা যাক।
মাৎসান্যায়
সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছিনা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময় ঘনিয়ে এল
বিশ্বকাপের উত্তাপ লাগতে শুরু করেছে অনেক আগে থেকেই। তবে সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে আজ। প্রথম দল হিসেবে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় আসছে কানাডা। কানাডাকে দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে মাঠের বাংলাদেশেরও। ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে তাদের বিপক্ষে।
বিষ্ময়কর যুবক মোঃ শহর আলী!
আমরা আজ সবাই সহজলভ্য জিনিস পাওয়ার প্রত্যাশা করি। অথচ কোন কাজের কথা বললে আমরা এড়িয়ে যাই বা সহজভাবে বলে দেই, আমি পারব না বা আমার দ্বারা সম্ভব না, আমরা বেশির ভাগই ভাবই আমাদের ক্ষমতা খুবই সীমিত সব কাজ আমাদের দ্বারা সম্ভব না। অদ্যম ইচ্ছাশক্তি আমাদেরকে সাফলের চুড়ান্ত শিখরের পৌছে দিতে সক্ষম।এমন ই এক যুবকের সাথে
আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব
জীবনের শেষ শুকনা খাওয়া
নিরান্নব্বই সালের শ্যাষ সপ্তায় দুই দোস্ত মিল্যা ঠিক করলাম নয়া সেঞ্চুরিতে আর শুকনা ধরামু না। আরেক দোস্ত আছিলো খুলনাত, তারে দিয়া শুকনা আনাইলাম তিরিশ টেকার। সেই টাইমে তিরিশ টেকায় বহুতগুলা শুকনা পাওন যাইতো। যাই হউক, শুকনা সাইজ করনের দায়িত্ব পড়লো আমার উপরে। অইটাইমে শুকনা ভালোই সাইজ করতে পারতাম। তো আটানা দামের সান-মুন সিগ্রেটের সুকা ফালায়া দিয়া পুরা শুকনা দিয়া তিনটা লোড দিলাম। সান-মুন সিগ্রেটের ফিল্টার দামী সিগ্রেটের ফিল্টারের থাইকা ছোট আছিলো, যার লাইগা বেশি ধুমা ফিল্টার হইতোনা :হুক্কা:।
নতুন ইমোর দ্রুত ব্যবহার
আমার বই বের হয়েছে। গেছি বই মেলায়। আমার সামনে লম্বা লাইন। অটোগ্রাফ দিয়ে কুলিয়ে উঠছি না। এক পর্যায়ে কলমের কালি শেষ হয়ে গেল। কী আর করি। তখন আঙুলটাকেই কাজে লাগালাম।

কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চালানো গেলো না। কেমনে যাবে? দিবাস্বপ্ন
কী এতোক্ষণ ধরে দেখা যায়?
তবুও সবাইকে জানিয়ে রাখি। আমার এই বই কিনতে লাগবে ৯০টি
টাকার মুদ্রা। ২৫% কমিশন ধরে এই দর। 
তবে এরই মধ্যে যারা কিনেছেন তাদের
। আর যারা কিনবেন বলে ঠিক করেছেন তাদের জন্য
আজ একটা সংস্থা আমার প্রকাশকের সঙ্গে যোগাযোগাগ করেছে, তারা একসঙ্গে ১০০টি বই কিনতে চায় 
সুতরাং ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই কিনুন, কিনে
নিন। এখনো বসে আছেন? মেলার দিকে
হন।
তারপরেও যারা বসে আছেন তাদের
।
আর যারা কিনছেন তারা ব্লগিং-এর অবসরে
।
ভয়কে আমরা করবো জয়ঃ টাইগারপাস-৫
[পূর্বকথা: কাজীবাড়ীর কনিষ্ঠসন্তান ফরিদ ইংরেজবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়ে রাজরোষে পড়তে গিয়েছিল বলে তাকে চট্টগ্রাম শহর থেকে দূরের এক গ্রামে পাঠিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ফরিদের সাম্পান এখন কর্ণফুলী নদীতে...
**************************************
কোনরকম আগাম সংকেত না দিয়ে মাঝি বুড়া দুম করে একটা অচেনা ঘাটে সাম্পানটা লাগিয়ে দিল।
-ব্যাপার কি? ফরিদ জানতে চাইল। মাঝি ইশারায় বললো তলপেটে চাপ। এই চাপ নামাতে হবে এবং হুক্কায় আগুন দিতে হবে।
ফরিদও নেমে দাঁড়ালো ঘাটের কিনারে। জায়গাটা একটা হাটের মতো মনে হলেও কেমন গা ছমছম নির্জনতা এখানে। আজকে হাটবার নয় বলেই কি? জনমানবশূণ্য বাজার হাটুরেদের ছনের চালাগুলো বাঁশের চার পায়ের উপর চুপচাপ দাঁড়িয়ে।
জানতে ইচ্ছে করে
অনেকদিন আগে একটা গল্প শুনেছিলাম, এরকম-
এক কৃষক কয়েকজন মজুর নিয়োগ করেন তার পাটের জমি কোপানোর জন্য। মজুরদের মধ্যে একজনের ছিল একটি চোখ নষ্ট, তাই সবাই তাকে 'কানা' বলে ডাকত।
কোপানো শেষে জমির মালিক গেলেন কোপানি কেমন হলো তা দেখতে। কিন্তু কৃষক দেখলেন জমিতে অনেক আগাছা এখনো বিদ্যমান। তিনি জমির এক জায়গায় গিয়ে মজুরদের ডেকে বললেন - এই জায়গাটা কে পরিস্কার করেছে রে?
শ্রমিকদের কর্তা ব্যক্তি বলল - এই জায়গাটা আমাদের 'কানায়' পরিস্কার করছে। মালিক কিছুদূর যেয়ে আরো একটা জায়গা দেখিয়ে বললেন- এই জায়গাতেও আগাছা আছে, এখানে কে কাজ করছে?
'আর কেডায়- ঐ কানায়' - কর্তা শ্রমিকের উত্তর। এভাবে মালিক এখানে সেখানে যেয়ে যতবার জিজ্ঞেস করে প্রতিবারই ঐ একই উত্তর- "কানায়"।
জমির মালিক এবার গম্ভীর হয়ে ভারী গলায় বলল- সবই যদি কানায় করছে তয় তোরা কি করছস? তোরা কি বইয়া বইয়া কানার পিট খাউজাইছস?
জেলার নাম কুষ্টিয়া
গত পাঁচদিন কুষ্টিয়া কাটিয়ে আসলাম।এবার শহরের আমার প্রিয় জায়গা গুলাতে আমি ইচ্ছা করেই যাইনি বা যাওয়া হয়ে উঠেনি।জায়গাগুলো মনের মধ্যে যেভাবে আছে সেভাবেই থাকুক সেই কারনে। কিন্তু কুষ্টিয়া মনে হয় আগের মতোই আছে।সেই রকম নিরিবিলি।যে রকম দেখে আসছি ছোটবেলা থেকে।এই শহরটা আমার জন্মস্থান কিন্তু এই জীবনে এই শহরে আমার গোটা তিরিশদিনও থাকা হয় নাই।ছোটবেলাতে নানাবাড়ি গেলে আমরা ছোটরা স্কুলের সমাজ বই নিয়ে বসতাম দেশের কোন বিভাগ বেশি ভালো এই নিয়ে বরাবরের মতো আমি আর আমার এক খালাতোভাই থাকতাম রাজশাহীর পক্ষে আর বাড়ির অন্যরা থাকতো খুলনা বিভাগের পক্ষে।তখন খুব মন খারাপ হতো কারন জন্মস্থান আমার কুষ্টিয়া হলেও আমি খুলনা বিভাগের লোক হতে পারতাম না বলে।
ছবি ব্লগ: হারিয়ে যাওয়ার ঠিকানা...
বুড়া বয়সেই ছবি তোলার শখটা মাথায় চাপলো। যখন তারুণ্যে উদ্দাম ছিলাম, তখন ক্যামেরা কিননের সামর্থ্য ছিলো না...তখন ছবি নিয়া নানারকম এক্সপেরিমেন্টাল আগ্রহ কাজ করতো। তখন এলোমেলো হাটতাম-ঘুরতাম। এর ফাকে ফাকে খালি চোখে অবলোকন করতাম লাখো ছবির ফ্রেইম। মধ্যবয়স পার কইরা এখন আর আগের মতোন উদ্দেশ্যহীন থাকতে পারি না। কোথাও ঘুরতে যাওনের লেইগা পরিকল্পণা লাগে। পরিকল্পণার পারফেকশনের ভক্তও হইয়া উঠি মাঝে সাঝে।
গতোমাসের শেষ দিনে পেশাগত কাজে ঢাকার পাশেই মানিকগঞ্জের ত্বরা গ্রামে গেছিলাম। সাধারণতঃ কাজের সময় আমার কেনো জানি ছবি তুলতে শখ হয় না। তয় ঐদিন এক তরুণ বন্ধু আমার সাথে যাইবো বইলা গো ধরলো। সে উঠতি ফটোগ্রাফার। অকুস্থলে পৌছাইয়া তারে ক্যামেরা বাইর করতে দেইখা আমিও ভাব ধইরা কয়টা ছবি তুললাম। মনে হইলো ছবিগুলি ব্লগে শেয়ার করা যায়...
বই মেলা এবং একটি নতুন বই
ফেব্রুয়ারী মাস মানেই ভাষার মাস। আর এই মাসেরই আরেকটা অবিচ্ছেদ্য অংশ বই মেলা। আমারা যে এখনো নষ্ট হয়ে যাই নি তার প্রমাণ বই মেলা। এতো জ্ঞানপিপাসু লোকের ভীড় দেখে এখনো বোঝা যায় আমরা আমাদের আত্মার মৃত্যু ঘটতে দেইনি। সাহিত্যের রস এখনো আমাদের মন থেকে মুছে যায় নি। যাই হোক এইসব দার্শনিক টাইপ কথা না বলে মূল কথায় আসি। কথাটা একটা বই নিয়ে। ছোটদের জন্য লেখা একটি বই। বহুল ব্লগ আলোচিত মাইনুল এইচ সিরাজীর ‘প্রেম পৃথিবীর পাঁচালি’ বইটি কিনতে গিয়ে বইটি চোখে পড়ে। শাহানা সিরাজীর ‘প্রজাপতির দেশে’। ‘প্রেম পৃথিবীর পাঁচালি’ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। উনার লেখা আমি সবসময়ই পছন্দ করি। উনার এই বইটাও আমার প্রত্যাশা পূরণ করেছে। এখন আসছি ‘প্রজাপতির দেশে’ বইটার কথায়। প্রথমেই বলি বইয়ের প্রচ্ছদের কথা। মামুন হোসাইন ছোটদের কথা মাথায় রেখে মানানসই একটি প্রচ্ছদ তৈরি করেছেন। যথেষ্ট আই ক্যাচিং। লেখিকা শাহানা সিরাজী বইটিকে শিশু-কিশোর
ওরা বড় হবে,চড়বে গাড়ী / আর আমি কাটবো ঘাস!
আমাকে নিয়ে কোন সময়ই আমি উচ্চ ধারনা করি না।নিজেকে কোন সময়ই বড় কিছু এই জীবনে কখনোই মনে হয় নাই।এইটা কোন বিনয় বা লোক দেখানো ভদ্রতা না এইটা নিজের একান্ত বোধের জায়গা!সুতরাং লোকজন আমার অক্ষমতা নিয়ে কিছু ভৎসনা করবে এইটা মেনে নেওয়া ছাড়া আমার আর কোন গতি নাই।অন্যের জন্য কিছু করতে পারলে নিজের অনেক ভাল লাগে তাই করে দেই সাধ্যের ভেতরে থাকলে।এই যেমন কথা ছিলো আমার এক বন্ধুর ছোট ভাই চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসবে তার জন্য ফিরতি টিকেট কাটতে হবে ট্রেনের। আমিও অনুপ্রানিত হয়ে ছুটির শনিবারে কমলাপুরে যেয়ে টিকেট কাটলাম। এরপর কয় সে আসবে না মেজাজটা প্রচন্ড গরম হইলো সেই বন্ধু মাফটাফ চেয়ে তো অস্থির কি আর করা যাব.. গেলাম আবার টিকেট ফেরত দিতে ভাবলাম একটু ব্যাবসা করা যাক ফেরত না দিয়ে বেচে দিলাম এক চাচার কাছে ১৬৫ টাকার টিকেট বেচলাম ২০০ টাকায়।ভালৈ লাগলো ব্যাবসাটা করতে সেই আনন্দে কেটে আনলাম জামালপুর যাবার টিকেট।
মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৬
সপরিবারে ঢাকার রাস্তায় নামবার একটাই বিপদ, মুখে কুলুপ এঁটে রাখতে হয়, সিগন্যালে গাড়ী থেমে আছে, ঠিক পেছনেই একটা ৯২ মডেলের টয়োটা বিশ্রীভাবে হর্ণ বাজাচ্ছে, মেজাজ তিরিক্ষি, মিশুকের পেছনের ফাঁক দিয়ে তাকালাম, যদি সত্যযুগ হতো তাহলে সে আগুণে বিস্ফোরিত হতো গাড়ীটা কিন্তু কলিকালে এইসব ঘটে না। ভীষণ ইচ্ছা করতেছে নীচে নেমে ড্রাইভারের কলার চেপে নামিয়ে বলি ' বাঞ্চোত তোমার হোগা দিয়া হর্ণ ভইরা তার পর বাজাবো, এই সিগন্যালে হর্ণ বাজায়া উইড়া যাইবা তুমি?' কোলে ছেলেকে নিয়ে এই স্বরস্বতী পূজার দিন এইসব বলা হয়ে উঠে না। পেছনে টয়োটার হর্ণ বাজতে থাকে
ইন্টারভিউ
লিফটের ঝকঝকে কাঁচে নিজের চেহারাটা নিবিড়ভাবে একটু পর্যবেক্ষণ করে নিই। সঙ্গের মানুষগুলোকে খানিকটা উপেক্ষা করেই গালের হনুর ওপর উঁকি দিতে থাকা ব্রণটাকে একটু টিপে দেখি। নাহ্ এখনো শক্ত হয়ে আছে। কিছু বলা যাবে না। বললে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে যাবে। অবশ্য আমি জানি, ব্রণগুলো ঠিক ইন্টারভিউএর দিন ছাড়া আর কোনোদিন ওঠে না। তাই এ নিয়ে আফসোস করে লাভ নেই। স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম হিসেবে মেনে নিয়ে অগ্রসর হতে হবে।
চুলগুলো একটু ঠিক-ঠাক করে নিলাম। এরপরে হয়তো আর সে সুযোগ মিলবে না। এসব কর্পোরেট হাউজের ভাবগতিক সবসময় বড় দুর্বোধ্য আমার কাছে। হয়তো কোনো মিটিং রুমের মতো জায়গায় ঘন্টাখানেক সটান বসে থাকার পর ডাক আসবে জনাকয়েক লোকের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করার। আরেকবার চুল ঠিক করে নেবার সুযোগ না পাওয়ার আছে প্রচুর সম্ভাবনা।
আমার বই: সাদা-কালোর অর্থনীতি

আজ বের হয়েছে বইটি। দিব্য প্রকাশ থেকে। মূল্য ১২০ টাকা। আজ বের হলো বলে আবারো বিজ্ঞাপন দেওয়ার লোভ সামলানো গেল না। বইটির সবচেয়ে ভাল অংশ তুলে দিলাম, আর সেটি হল মুখবন্ধ, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের লেখা।
মুখবন্ধ