ইউজার লগইন
ব্লগ
একটি হলুদ সন্ধ্যা ...
গত এক মাস ধরে অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুরাদ হাফিযের হলুদ সন্ধ্যা হল।ব্যাপক প্রস্তুতির পর জয়িতা আর শ্রেয়ার সাথে রওনা হলাম লিনা আপার গাড়িতে। বিয়ে বাড়িতে গিয়ে দেখা হয়ে গেল মেজবাহ ভাই, রায়হান ভাই, মাসুম ভাই, নাজ, টুটুল ভাই,জেবিন, বাবুষ্কা আর মুক্তর সাথে। জেবিনের টিপ দেখে আমি মুগ্ধ ।লিনা আপু,জয়িতা,নাজ আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক সুন্দর লাগছিল (যদিও শাড়ি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনে হয় খারাপ হয়নাই
) আমাদের বর কে দেখাচ্ছিল লাজুক একজন বরের মতই। মনেই হচ্ছিল না যে পুরোনো বর। অনেক গল্প গুজবের পর যখন বাবুষ্কা চলে গেল, তারপর দুই ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে কনে পক্ষ এল।কনে পক্ষ দের দেয়া হয়েছিল ছোট্ট ছোট্ট থলিতে করে উপহার। লাল থলিতে তেমন কিছু পাওয়া যায়নাই। সাদা থলি ভর্তি ছিল চকলেট এ। সেই ভাগ শেষ পর্যন্ত কিন্তু পাইনাই (মুরাদ মনে রাখিয়েন) ......
আমার নয় কিছু
একটা ঘটনা ঘটেছে। সেদিন রাতে ফ্লাক্সের পানি শেষ হয়ে গেলে ডাইনিং টেবিলে পানি আনতে গিয়েছিলাম। এই সামান্য কাজের জন্য লাইট জ্বালাতে ইচ্ছে করে না কখনোই।
সুন্দর পরিপক্ব একটি নিঝুম রাত, এরমধ্যে একটা টিউবলাইট জ্বালিয়ে চারিদিকে কৃত্রিম আলো ঢেলে দেয়ার কি অর্থ হতে পারে? এই ভাবতে ভাবতে অন্ধকারে ফিল্টার থেকে পানি ভরছিলাম। হঠাৎ দেখলাম, ফ্লাক্সের তলা অলৌকিকভাবে ফুটো হয়ে পানি নিচে আমার পাএর ওপর গিয়ে পড়ছে। ঠিক সে সময় আমি ঘরের ভেতর বেশ কয়েকটা নিঃশ্বাস পড়ার শব্দ শুনলাম। এবং একটা অসমাপ্ত শব্দ, নান্।
এরপরে স্বাভাবিক বুদ্ধিতে যা মাথায় আসে তা হলো, ভয়ে একটা চিৎকার দেয়া। মনে হচ্ছিলো এখনো মুখের পেশীগুলো বিবশ হয়ে যায় নি। সর্বশক্তিতে একবার আপনজনদের আমার বিপদের কথা জানিয়ে দিতে পারলেই আমি বেঁচে যাবো। চিৎকার দিলাম কিন্তু শব্দ হলো না। বুঝতে পারলাম, গলা দিয়ে আর স্বর বেরুচ্ছে না।
আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন?
আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন। আজ শুক্রবার। সাধারনত আমাদের সবারই সাপ্তাহিক ছুটির দিন। আর ছুটির দিনে আমাদের মোটামুটি সবার ঘরেই ভাল রান্না হয়। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্দ্ব, খ্রীষ্টান সবার ঘরেই। বিশেষ করে এইদিনে দুপুরের খাবারটা আমাদের দেশে বেশ জেরেসোরে হয় - স্বামী স্ত্রী, ছেলে মেয়ে, ভাই বোন, মা বাবা সবাইকে নিয়ে দুপুরে খেতে বসার মজাই আলাদা, এই আনন্দ বলে শেষ করার মত নয়।
আমার এমনি একটা পুরানো ইচ্ছা যদি এমন একদিনে আমরা বন্ধু'র সবাইকে নিয়ে এক দুপুরে খেতে বসতে পারতাম! চলুন, আপনাদের জন্য আমার আইটেম গুলো কি কি হতে পারে দেখে আসি।
আইটেম ১; দুই ধরনের ভর্তা। টমেটো পুড়িয়ে শুকনা মরিচের ভর্তা। সাথে টাকি মাছের ভর্তাও থাকবে।
একটা নোবেল প্রাপ্তির সুখবর
যেকোনো দিন বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকার পাতা খুলে পড়লেই আঁতকে উঠি, মনে হয় ক্রাইম থ্রিলার পড়ছি, গুমখুন, গুপ্তহত্যা, ষড়যন্ত্রের নীলনকশা, বিদেশী শক্তির উস্কানি আর বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার স্বদেশী এজেন্টদের পারস্পরিক সংঘর্ষ আর এদের মুখোশ উন্মোচনে নিবেদিতপ্রাণ সংবাদপত্রকর্মীদের দেশপ্রেম দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই।
দেশের দুটো গোয়েন্দা সংস্থা বিশেষ মন্তব্য প্রতিবেদনের উপসংহারে বলেছে " দেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করবার চক্রান্তে লিপ্ত আছে বিদেশী রাষ্ট্রের এজেন্টগণ।" তবে আমাদের মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন 'কোনো চক্রান্তেই এ দেশের গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করা সম্ভব হবে না।'
নিত্য পুরাতন ও অন্যান্য
সময়ের সাথে সব বদলায় না মানুষ বদলায়। আমার মনে হয় সময় আর মানুষ পরপস্পরের সাথে বদলায়। গত কটা দিন ঘাপটি মেরে ফেসবুকে বসে থেকে আমার এ উপলব্ধি। এই যেমন আগে বন্ধুরা আপডেট দিত-বোরিং ক্লাস ঘুম আসে। কাল এক্সাম সব ভুলে গেছি...।পি কে স্যারের *******। আজ তাদের আপডেট অফিসে বসে ফেসবুক ঘাটছি বা কাল শুক্রবার কি শান্তি। আবার কাল এক বন্ধু দেখলাম এক ধাপ এগিয়ে আপডেট দিল কবে যে একটা বঊ পাব ইত্যাদি। আমার ও ভালোই চেঞ্জ হয়েছে। কোন ছবি ভাল লাগলে বা খুব বেশি কিছু না হলে আমার কোন স্ট্যাটাস থাকেনা। কি লিখব?
কবিতা পড়ার প্রহর
চোখের উপর হাত উল্টো করে চেপে শুয়ে আছে অদিতি। ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করে বাজছে। একটু আগেই সে ঘড়িতে সময় দেখলো রাত ১২.৪০ মিনিট। অদিতি ভাবছে, প্রতিদিন অরিত্রর সাথে তার দেখা হয় না, তবু একই শহরে থাকে, অকারণেই একটু পর পর কথা হয় ফোনে, অকারণ এস এম এস। মনে হয় দুজন দুজনের পাশেই আছে।অরিত্র গতকাল রাতের বাসে চট্রগাম গিয়েছে তার অফিসিয়াল কাজে।ঢাকায় না ফেরা পর্যন্ত অদিতির মন অস্থির থাকবে।মোবাইল ফোনটা আরেক হাতে ধরে আছে। ফোন করতে ইচ্ছে করলেও করতে পারছে না কারণ অরিত্রর সাথে তার দুজন সহকর্মীও আছে। তারা রাতের খাবারের পর আড্ডা দিচ্ছে, সেটা অদিতিকে এস এম এস করে জানিয়েছে।হাত সরিয়ে চোখ মেলে দেখতে ইচ্ছে করছে না কত রাত হলো।হঠাৎ মোবাইল বেজে উঠলো।অদিতি খুব আদুরে গলায় বললো...
-হ্যালো!
-কি করো?ঘুমাওনি কেনো?
-তোমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছিলো যে!মনে হচ্ছে অনেক দূরে তুমি।
বাঙালির গরব : হাজার বছর আগে বাঙালিরা জনগনের মধ্য থেকে রাজা নির্বাচিত করেছিল দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করার জন্য

ব্যক্তিই পারে পরিবর্তন করতে সমগ্র জাতির ভাগ্য।
ব্যক্তিই পারে সৃষ্টি করতে নতুন ইতিহাসের।
একজন ব্যক্তি মহাত্মা গান্ধী সারা পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন প্রতিবাদের নতুন পদ্ধতি।
একজন ব্যক্তি নেলসন মেন্ডেলা সারা দক্ষিন আফ্রিকার বর্ণবাদের শৃঙখল ভেঙেছেন।
একজন ব্যক্তি শেখ মুজিব একটা জাতিকে হাজার বছরের গোলামির গ্লানি দূর করে স্বাধীন ভূখন্ড উপহার দিয়েছে।
একজন ব্যক্তি রাজা গোপাল একশ বৎসরের মাৎসান্যায়ের অবসান ঘটিয়ে হতদ্যম বিশৃঙখল নিজ জাতিকে সমৃদ্ধিশালি গর্বিত জাতিতে উন্নীত করেছিলেন।
হাজার বছর পিছনের বাঙালির গর্বের সেই চমকপ্রদ অভূতপূর্ব ঘটনাবলীর দিকে একটু নজর ফেলা যাক।
মাৎসান্যায়
সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছিনা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময় ঘনিয়ে এল
বিশ্বকাপের উত্তাপ লাগতে শুরু করেছে অনেক আগে থেকেই। তবে সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে আজ। প্রথম দল হিসেবে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় আসছে কানাডা। কানাডাকে দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে মাঠের বাংলাদেশেরও। ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে তাদের বিপক্ষে।
বিষ্ময়কর যুবক মোঃ শহর আলী!
আমরা আজ সবাই সহজলভ্য জিনিস পাওয়ার প্রত্যাশা করি। অথচ কোন কাজের কথা বললে আমরা এড়িয়ে যাই বা সহজভাবে বলে দেই, আমি পারব না বা আমার দ্বারা সম্ভব না, আমরা বেশির ভাগই ভাবই আমাদের ক্ষমতা খুবই সীমিত সব কাজ আমাদের দ্বারা সম্ভব না। অদ্যম ইচ্ছাশক্তি আমাদেরকে সাফলের চুড়ান্ত শিখরের পৌছে দিতে সক্ষম।এমন ই এক যুবকের সাথে
আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব
জীবনের শেষ শুকনা খাওয়া
নিরান্নব্বই সালের শ্যাষ সপ্তায় দুই দোস্ত মিল্যা ঠিক করলাম নয়া সেঞ্চুরিতে আর শুকনা ধরামু না। আরেক দোস্ত আছিলো খুলনাত, তারে দিয়া শুকনা আনাইলাম তিরিশ টেকার। সেই টাইমে তিরিশ টেকায় বহুতগুলা শুকনা পাওন যাইতো। যাই হউক, শুকনা সাইজ করনের দায়িত্ব পড়লো আমার উপরে। অইটাইমে শুকনা ভালোই সাইজ করতে পারতাম। তো আটানা দামের সান-মুন সিগ্রেটের সুকা ফালায়া দিয়া পুরা শুকনা দিয়া তিনটা লোড দিলাম। সান-মুন সিগ্রেটের ফিল্টার দামী সিগ্রেটের ফিল্টারের থাইকা ছোট আছিলো, যার লাইগা বেশি ধুমা ফিল্টার হইতোনা :হুক্কা:।
নতুন ইমোর দ্রুত ব্যবহার
আমার বই বের হয়েছে। গেছি বই মেলায়। আমার সামনে লম্বা লাইন। অটোগ্রাফ দিয়ে কুলিয়ে উঠছি না। এক পর্যায়ে কলমের কালি শেষ হয়ে গেল। কী আর করি। তখন আঙুলটাকেই কাজে লাগালাম।

কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চালানো গেলো না। কেমনে যাবে? দিবাস্বপ্ন
কী এতোক্ষণ ধরে দেখা যায়?
তবুও সবাইকে জানিয়ে রাখি। আমার এই বই কিনতে লাগবে ৯০টি
টাকার মুদ্রা। ২৫% কমিশন ধরে এই দর। 
তবে এরই মধ্যে যারা কিনেছেন তাদের
। আর যারা কিনবেন বলে ঠিক করেছেন তাদের জন্য
আজ একটা সংস্থা আমার প্রকাশকের সঙ্গে যোগাযোগাগ করেছে, তারা একসঙ্গে ১০০টি বই কিনতে চায় 
সুতরাং ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই কিনুন, কিনে
নিন। এখনো বসে আছেন? মেলার দিকে
হন।
তারপরেও যারা বসে আছেন তাদের
।
আর যারা কিনছেন তারা ব্লগিং-এর অবসরে
।
ভয়কে আমরা করবো জয়ঃ টাইগারপাস-৫
[পূর্বকথা: কাজীবাড়ীর কনিষ্ঠসন্তান ফরিদ ইংরেজবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়ে রাজরোষে পড়তে গিয়েছিল বলে তাকে চট্টগ্রাম শহর থেকে দূরের এক গ্রামে পাঠিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ফরিদের সাম্পান এখন কর্ণফুলী নদীতে...
**************************************
কোনরকম আগাম সংকেত না দিয়ে মাঝি বুড়া দুম করে একটা অচেনা ঘাটে সাম্পানটা লাগিয়ে দিল।
-ব্যাপার কি? ফরিদ জানতে চাইল। মাঝি ইশারায় বললো তলপেটে চাপ। এই চাপ নামাতে হবে এবং হুক্কায় আগুন দিতে হবে।
ফরিদও নেমে দাঁড়ালো ঘাটের কিনারে। জায়গাটা একটা হাটের মতো মনে হলেও কেমন গা ছমছম নির্জনতা এখানে। আজকে হাটবার নয় বলেই কি? জনমানবশূণ্য বাজার হাটুরেদের ছনের চালাগুলো বাঁশের চার পায়ের উপর চুপচাপ দাঁড়িয়ে।
জানতে ইচ্ছে করে
অনেকদিন আগে একটা গল্প শুনেছিলাম, এরকম-
এক কৃষক কয়েকজন মজুর নিয়োগ করেন তার পাটের জমি কোপানোর জন্য। মজুরদের মধ্যে একজনের ছিল একটি চোখ নষ্ট, তাই সবাই তাকে 'কানা' বলে ডাকত।
কোপানো শেষে জমির মালিক গেলেন কোপানি কেমন হলো তা দেখতে। কিন্তু কৃষক দেখলেন জমিতে অনেক আগাছা এখনো বিদ্যমান। তিনি জমির এক জায়গায় গিয়ে মজুরদের ডেকে বললেন - এই জায়গাটা কে পরিস্কার করেছে রে?
শ্রমিকদের কর্তা ব্যক্তি বলল - এই জায়গাটা আমাদের 'কানায়' পরিস্কার করছে। মালিক কিছুদূর যেয়ে আরো একটা জায়গা দেখিয়ে বললেন- এই জায়গাতেও আগাছা আছে, এখানে কে কাজ করছে?
'আর কেডায়- ঐ কানায়' - কর্তা শ্রমিকের উত্তর। এভাবে মালিক এখানে সেখানে যেয়ে যতবার জিজ্ঞেস করে প্রতিবারই ঐ একই উত্তর- "কানায়"।
জমির মালিক এবার গম্ভীর হয়ে ভারী গলায় বলল- সবই যদি কানায় করছে তয় তোরা কি করছস? তোরা কি বইয়া বইয়া কানার পিট খাউজাইছস?
জেলার নাম কুষ্টিয়া
গত পাঁচদিন কুষ্টিয়া কাটিয়ে আসলাম।এবার শহরের আমার প্রিয় জায়গা গুলাতে আমি ইচ্ছা করেই যাইনি বা যাওয়া হয়ে উঠেনি।জায়গাগুলো মনের মধ্যে যেভাবে আছে সেভাবেই থাকুক সেই কারনে। কিন্তু কুষ্টিয়া মনে হয় আগের মতোই আছে।সেই রকম নিরিবিলি।যে রকম দেখে আসছি ছোটবেলা থেকে।এই শহরটা আমার জন্মস্থান কিন্তু এই জীবনে এই শহরে আমার গোটা তিরিশদিনও থাকা হয় নাই।ছোটবেলাতে নানাবাড়ি গেলে আমরা ছোটরা স্কুলের সমাজ বই নিয়ে বসতাম দেশের কোন বিভাগ বেশি ভালো এই নিয়ে বরাবরের মতো আমি আর আমার এক খালাতোভাই থাকতাম রাজশাহীর পক্ষে আর বাড়ির অন্যরা থাকতো খুলনা বিভাগের পক্ষে।তখন খুব মন খারাপ হতো কারন জন্মস্থান আমার কুষ্টিয়া হলেও আমি খুলনা বিভাগের লোক হতে পারতাম না বলে।
ছবি ব্লগ: হারিয়ে যাওয়ার ঠিকানা...
বুড়া বয়সেই ছবি তোলার শখটা মাথায় চাপলো। যখন তারুণ্যে উদ্দাম ছিলাম, তখন ক্যামেরা কিননের সামর্থ্য ছিলো না...তখন ছবি নিয়া নানারকম এক্সপেরিমেন্টাল আগ্রহ কাজ করতো। তখন এলোমেলো হাটতাম-ঘুরতাম। এর ফাকে ফাকে খালি চোখে অবলোকন করতাম লাখো ছবির ফ্রেইম। মধ্যবয়স পার কইরা এখন আর আগের মতোন উদ্দেশ্যহীন থাকতে পারি না। কোথাও ঘুরতে যাওনের লেইগা পরিকল্পণা লাগে। পরিকল্পণার পারফেকশনের ভক্তও হইয়া উঠি মাঝে সাঝে।
গতোমাসের শেষ দিনে পেশাগত কাজে ঢাকার পাশেই মানিকগঞ্জের ত্বরা গ্রামে গেছিলাম। সাধারণতঃ কাজের সময় আমার কেনো জানি ছবি তুলতে শখ হয় না। তয় ঐদিন এক তরুণ বন্ধু আমার সাথে যাইবো বইলা গো ধরলো। সে উঠতি ফটোগ্রাফার। অকুস্থলে পৌছাইয়া তারে ক্যামেরা বাইর করতে দেইখা আমিও ভাব ধইরা কয়টা ছবি তুললাম। মনে হইলো ছবিগুলি ব্লগে শেয়ার করা যায়...