ইউজার লগইন
ব্লগ
কীবোর্ডবাজি, কিছু একটা না লিখলেই নয়, তাই লেখা
১.
অফিসের একটা ক্যাচালে ব্লগ নেট সবকিছু থেকে প্রায় নির্বাসনে বেশ কদিন ধরে। অনেককিছুই মিস। গেল সপ্তাহ এবং তার আগের সপ্তাহেও একই অবস্থা। এই সপ্তাহে কি হবে এখনো জানি না। পত্রিকা পড়া বাদ দিলেও ফাঁকে ফাঁকে যা দেখেছি তাতে মনে হয়েছে বাংলাদেশের এখন ইভ টিজিং জ্বর চলছে।
২.
মাটির টানে, ঘরের পানে
মানুষ ভাবে এক আর হয় আরেক। কল্পনা আর বাস্তবতার এই বেরসিক গোঁজামিল কখনো হৃদয় বিদারক, কখনো হতাশাব্যঞ্জক আবার কখনো ঘোর গ্রীস্মে মেঘ না চাইতেই এক পশলা শান্তিময় বারিষ। আমার ক্ষেত্রে ঘটলো শেষেরটাই। কথা ছিল আব্বা-আম্মা আসবেন তাইওয়ানে, আমরা অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমাবার আগেই নাতনীদের দেখতে। কিন্তু দেখা গেল তাদের ভিসা নিয়ে ঝামেলার এক শেষ, থাইল্যান্ড গিয়ে ভিসা নিতে হবে, সেখানে আবার অপেক্ষায় থাকতে হয় চার-পাঁচ দিন। বুড়ো হাড়ে এর এত ঝামেলা সইবে না বলে বাবার অসোয়াস্তি শুনে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম নিজেরাই থাইল্যান্ডে চলে গিয়ে তাদের সাথে সপ্তাহখানেক সময় কাটাতে। কিন্তু সেখানেও অনেক হাঙ্গামা, ফ্যামিলি ফ্রেন্ডলি রিসোর্ট পাওয়াই মুশকিল। পাতায়া বা ফুকেটের অর্ধ নগ্ন বীচে তাঁদের পোষাবে না। তাই হুট করে অনেকটা ঝোঁকের মাথায় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম আমরা বরং বাংলাদেশেই চলে আসি এক সপ্তাহের জন্য। খুবই অল্প সময়, নিজের দেশে বেড়াবার জ
বাজে কথার ঝাপি
আমরা বন্ধুতে আমি নতুন, এই সাইটে আগে ঢুকিনি কখনো। ঠিক জানিনা কত শক্তিশালী ব্লগার এখানে আছে
, তারা কি লেখে। তাই সদস্য হবার পরেও সাহস করে কিছু লিখিনি। হঠাৎ করে আজকে কিছু একটা লিখতে ইচ্ছা করছিল খুব, তাই বসলাম লিখতে। কিন্তু লোডশেডিং মামা শুরুতেই দিল বাগড়া। ওনার মন বোঝা তো মুশকিল। কথায় বলে নারীর মন নাকি দেবতারাও বোঝেননা। কথাটা এখনকার জন্য হবে, বিদ্যুতের মন স্বয়ং দেবতারাও বোঝেননা। এক ঘন্টা পর উনি এলেন আর আমি তাই এখন আমার বুড়ো কম্পিউটারের সামনে।
কিন্তু যা লিখতে চেয়েছিলাম তা লেখার আর মুড নেই। এরকম ফাঁকা মন নিয়ে কিছু লেখা উচিত না। তাই আজ এখানেই শেষ।
একটি বই আলোচনা অনুষ্ঠান ও অন্যান্য...
গতকাল চট্টগ্রামের বিশদ বাংলায় চমৎকার একটি সন্ধ্যা কাটলো। এর আগে কখনো কোন বই আলোচনা অনুষ্ঠানে যাওয়া হয়নি। লেখক নিজের জানাশুনা এত নিখুত ভাবে বলে যেতে পারেন, সে সম্পর্কেও কোন ধারনা ছিল না।






~~~~~~শুভ জন্মদিন!!!~~~~
‘’আমি তারে চোখে দেখি নাই তার অনেক গল্প পড়েছি।
গল্প পড়ে তার আমি ফ্যান হয়ে গেছি।‘'
ধুর যা মিললো না!!!!!!!!!!!!!মিলে নাই তো কি হয়ছে?লেখা তো হয়ছে।
হ্যাঁ ভাই ও বোনেরা আজ সেই ঐতিহাসিক দিন।আজ থেকে একশো পাচঁ বছর আগে এই দিনে বাংলাদেশের এক ঘরে মিয়াঁও মিয়াঁও করে এসেছিল যেই শিশু, তার আজ জন্মদিন!!!!!!!!!!!!
সকাল থেকে ভাবলাম মুক্ত বোধ হয় একটা বয়ান দিবে এই উপলক্ষে।কিন্তু কই সে মনে হয় দারুচিনির দীপে(বানান টা ভুল হলো) নতুন বান্ধবী নিয়া বেড়ায়তে গেছে।তাই আমিই লিখলাম অবশেষে।
শুভ জন্মদিন শাওন।আরো একশ পাচঁ বছর তোমার রুপ ল্যাবণ্য ধরে রাখো।আর ব্লগের পাতা ভরে তুলো।এই কামনা রইলো।

অফটপিকঃ কেক-কোক খাইতে চাইনা।একটা পোস্ট দাও।
একটি মেয়ের গল্প
আমি যে মেয়েটির গল্প বলতে চাই, সে কখনো ঈভ-টিজিং’র শিকার হয়নি, গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা ‘সারমেয়’ গুলো তার দিকে হিংশ্র-লালসার দৃষ্টিতে তাকায়নি, ‘তার রূপে মুগ্ধ হয়ে’ কোন ভয়ন্কর সন্ত্রাসী তাকে প্রেম নিবেদন করেনি, পাড়ার কোন বখাটে তার কাছে কখনো কুৎসিত ভাষায় উড়ো চিঠি পাঠায়নি, মোবাইলে মিসকল দিয়ে কেউ কখনো তাকে অতিষ্ঠ করেনি। কলেজে যাওযার পথে বাসে কোন ‘হেল্পার’ (যাদের সে ‘মামা’ বলে সন্বোধন করে) তার গায়ে হাত দেয়নি, কলেজ বা ভার্সিটির কোন বিকৃত মনা শিক্ষক তাকে কখনো যৌন হয়রানী করেনি, ফ্ল্যাটের কোন ‘বড় ভাই’ সিঁড়িতে একা পেয়ে গভীর আবেগে জড়িয়ে ধরেনি। মা কখনো তাকে এক একা ঘরের বাহিরে যেতে নিষেধ করেনি, পিতা তাকে বাল্যবিবাহ দেয়ার চেষ্টা করেনি, কোন গৃহশিক্ষক পড়াতে এসে পড়া বুঝিয়ে দেয়ার ফাঁকে তার হাত ধরেনি, প্রেমিকের হাত ধরে রাস্তায় হেঁটেছিল বলে ‘ধার্মিক’ পুরুষেরা তাকে ‘বেহায়া মেয়েছেইলা’ বলে
আহা সৈদি বাদশাহর নাতি-
You shall not covet your neighbor’s house; you shall not covet your neighbor’s wife, or male or female slave, or ox, or donkey, or anything that belongs to your neighbor
মুসার ঈশ্বরের শেষ নির্দেশ। বিখ্যাত টেন কমান্ডমেন্টসের শেষ কমান্ডমেন্ট এটা। ভাষ্যটাকে সরল বাংলায় বললে বলা যায়-
হে মানব সম্প্রদায় তোমার পরের সম্পদের দিকে বদ নজর দিবে না, তাদের গৃহ কিংবা স্ত্রী ভোগ করিবে না, প্রতিবেশীর নারী কিংবা পুরুষ দাস ভোগ করিবে না, প্রতিবেশীর গবাদি পশু কিংবা অন্য যেকোনো বস্তু যা তোমার প্রতিবেশীর, সে সম্পদ কামনা করিবে না।
তুমি না থাকলে!
আজ পুরা দুপুরটা ফ্রী আছি। কি করে সময় কাটানো যায়। মার্কেটে বেশী ঘুরা ঘুরি আমার পশ্চন্দ না, যা কিনার কিনে ফেলেছি। শহরটা দেখে যেতে চাই। অচেনা জায়গায় হারিয়ে যেতে ইচ্ছা হয়। দেখি কি হয়। একাই বের হয়ে গেলাম।
হোটেল ম্যানেজার প্রেমলাল হাসিমুখে তাকায়। মনে হয় কিছু বলবে, না শুনার সময় নেই। প্রথমে রাস্তায় নেমে ডলার ভাংগালাম। টাকার বিক্লপ নেই দুনিয়াতে। টাকা থাকলে বাঘের দুধ খাওয়া যায়!
চোরাস্তার মোড়ে এসে মনে হল। বন্ধুদের খবর নেই। আমরা বন্ধুতে কিছুক্ষন আড্ডা মারি, তার পর হারানোর চেষ্টা চলবে। অনেক জিজ্ঞাসাবাদের পর এই সাইবার ক্যাফে পেলাম। নাম সাইবার ভেলী। দোতালায় অবস্থান। হাসিমুখে স্বাগত জানালো এক যুবক। পরিচয় দিলে বলল, আপনার যে কোন আইডি কার্ড দিন, যাতে আপনার ছবি আছে। পাসপোর্ট নাই, অফিসের আইডি দিলে সে মেনে নিয়ে আমার একাউন্ট করে দিল। বাহ অনেক ফাস্ট লাইন। চোখের পলকে এসে যাচ্ছে।
বাংলা টাইপিং করার কোন সফটওয়্যার নেই। ওকে জানিয়ে দিলাম, আমি নিজেই সফটওয়্যার নামিয়ে নিব - যুবকটি সায় দিল, আমার পাশে এসে বসল - আমিও দেখব কি সফটওয়্যার দিয়ে আপনি বাংলা লিখবেন! কম্পিউটার এ বসেই আমরা বন্ধুতে একটা চক্কর মেরে অভ্র সাইটে গিয়ে নামিয়ে নিলাম। অভ্র নুতন ভার্সান!
মেশিন রিস্টাট করলে নিল। যুবকটি দেখে যাচ্ছে। বাস, বাংলা টাইপিং শুরু। যুবক সাইটার নাম লিখে নিল। বলল অনেক বাংলাদেশী এখানে আসে, শুধু শেয়ার মার্কেটের খবর নিয়ে চলে যায়। এ প্রথম আমাকে দেখলো, যে বাংলা টাইপ করলো। ওকে অনুরোধ করলাম যাতে অভ্র না মুছে দেয়। আমি যতদিন থাকি এসে লিখে যাব।
থ্যাঙ্ক ইউ অভ্র। তুমি না থাকলে, দুপুরটা আজ মিষ্টি হত না!
বন্ধুরা, আপনারা কেমন আছেন - প্রিয় দেশ কেমন চলছে!
ছিঁড়ে ফেলা চিরকুটের খানিকটা
...............অনেকদিন হল আমাদের মুখোমুখি বসা হয় না। এইটুকুতো সময় অথচ কি আশ্চর্য কতটা আলোকবর্ষ পার করে ফেলেছি। সেই সব চায়ের পেয়ালায় তোমার ঠোঁটের দাগ মুছে দেবার দিন কি অদ্ভুত সাদাকালো দেখায় এখন। জড়িয়ে ধরা শক্ত বাঁধনে আমার পাঁজরে তোমার হৃৎপিণ্ডের ধুকপুক ......। পৃথিবী থেমে যাবার অনুভূতিটা কেমন যেন স্বপ্ন স্বপ্ন মনে হয়। আদৌ কি হয়েছিল সে সব? আবছায়া ......
কার কি ক্ষতি ছিল আমরা এখনও হাত ধরে রাখলে। অথচ দেখো খামোখাই এইসব প্রান্তরে একলা একলা হোঁচট খেয়ে পড়ে থাকা। কি আশ্চর্য অপচয় ...... শেষটাইতো আমাদেরকে আমাদের কাছেই ফিরতে হবে। খুব জানি, এই সব দিকভ্রান্ত পথের শেষে, সীমান্তে আমরাই শুধু আমাদের জন্য অপেক্ষায় থাকব .......
তোমাদের অবদান কোনদিন ইতিহাস থেকে মুছে যাবে না ....
![]()
আজ জেল হত্যা দিবস।
ইতিহাসের আরো একটি কলংকজনক অধ্যায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’এর অনুপস্থিতিতে যারা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই সূর্য সন্তানদের হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালী জাতীকে নেতৃত্বশূন্য করার একটি সফল চেষ্টা। যাদের হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনে বাংলাদেশ নাম ধ্বনিত হতো সেই চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামান। দেশকে ভালবাসাই ছিল যাদের অপরাধ... দেশের মানুষের জন্য ভাবনা ছিল যাদের প্রতিটি নি:শ্বাসে সেই ভাবনা/ভালবাসাই তাদের জন্য কাল হয়ে দাড়ায়।
ইভ টিজিং নিয়া একখণ্ড ক্যাচাল
ফেসবুকে আমার এক কবি বন্ধু আছে। যদিও উনার কবিতা পড়ি নাই তবে আজিজে উনার বই পাওয়া যাচ্ছে এই সংক্রান্ত তথ্য পেয়েছি অনেকবার উক্ত কবির কাছ থেকেই। তো আমার সেই কবি বন্ধু গতকাল একখানা স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, 'Eve teasing' নামের ক্যাপসুলটিকে পাবলিককে খুব ভালোভাবে গেলাতে পেরেছে বঙ্গমিডিয়া !। এমনিতে আজকাল ভাল মানুষ হয়ে গেছি। কারো সাথে কোন ক্যাচালে জড়াই না, ব্লগ টগ লিখি না। শুধু অফ লাইনে চুপচাপ বসে এইটা ঐটা ঘাঁটাঘাঁটি করি। কবি বন্ধুর স্ট্যাটাস দেখে খানিক ক্যাচাল করতে ইচ্ছা করল। এই পোষ্টখানাতে ঐ ক্যাচালটাকেই প্যাঁচাইয়া চুইংগামের মতো ব্লগে টেনে নিয়ে আসলাম। যদিও ইভ টিজিং ইস্যুটাকে পত্রিকাওয়ালাদের বাণিজ্যিকীকরণ সংক্রান্ত মতবাদের সাথে আমার দ্বিমত নাই তবে মৃত্যুগুলাতো আর অবস্তব না আর সেই খবর ছেপে পত্রিকাওয়ালারা দুইটা পয়সা কামালেও গণসচেতনতাটাতো কিছুটা হলেও বাড়ছে। তাছাড়া আলোচ্য ক্যাচালে বহু টিন-
রক্তাক্ত পঁচাত্তরঃ চারটি অবশ্যপাঠ্য বই

বিখ্যাত তর্জনী উঁচিয়ে বঙ্গবন্ধু
যে কোন কারনেই হোক, গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর গঠন ও ক্রমবিকাশ নিয়ে যৎকিঞ্চিত পড়াশোনা করছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সৃষ্ট আমাদের এই প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা পরবর্তী এক দশকে নানাবিধ চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে তবেই আজকের অবস্থানে এসেছে । এই পুরো দশকের মাঝেও আবার ’৭৫ এর মধ্য আগষ্ট থেকে নভেম্বরের প্রথমভাগ পর্যন্ত এই পৌনে তিনমাস সবচেয়ে বেশি ঘটনাবহুল। এদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একের পর এক মোড় ঘুরিয়ে দেয়া তিনটি অভ্যুত্থান ঘটেছে এ সময়ে।
১৫ আগষ্ট, ৩ নভেম্বর এবং ৭ নভেম্বর।
ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ৪ ( একটুকরা জার্মানী)
ছবি: নরওয়েতে শেষ রাত
আমাদের তিন সপ্তাহের অসলো যাত্রার শেষকাল চলছে, পরেরদিন ভোরবেলা অসলো থেকে রওয়ানা দিব... রাতে আমার হঠাত করে মনে পড়লো আমি রাজ্যের মানুষকে লাফালাফি করে জানিয়েছি জার্মানীতে আসছি...এবং শেষ মুহুর্তে আমার যা স্বভাব... কারো সাথে যোগাযোগ করি নাই । শেষে মৌসুমরে বললাম কিছু করতে... সে ভাস্করদারে ফোন দিলো... ভাস্করদা আবার কেমনে কেমনে জানি চোরদা'র (উনি চোর নামে সামুতে লিখতেন এককালে, উনার সত্যিকারের নামটা বেমালুম ভুলে গেসি) সাথে যোগাযোগ করে ফেললো.... শেষমেষ জানা গেলো সাত-সকালে আমাদেরকে রিসিভ করতে ফ্র্যাংকফুর্ট এয়ারপোর্টে কেউ একজন থাকবেন ( কে সেই অভাগা ব্যক্তি তখনো জানিনা।) কেমন জানি লজ্জা করছিলো...কাকে না কাকে জ্বালাচ্ছি কে জানে।
তিন ব্লগার ও একটি মনোরম সন্ধ্যা
আসলে ব্লগার ছিলাম আমরা চারজন...না-না পাঁচজন। গিয়াস আহমেদও ছিল, এবিতে যিনি ‘বন্ধু’ নামে নিবন্ধিত। দিনটি ছিল শুক্রবার, অক্টোবর-২৯। আমরা মিলেছিলাম একটি বৈঠকে। পুরোনো বন্ধুদের প্রাণবন্ত আড্ডাবাজী (নাকি গলাবাজী!....মতান্তরে চাপাবাজী)। চলে প্রায় তিন ঘন্টা...। সঙ্গে চা ,কফি আর সিগারেট। (সিগারেটের প্রতি বন্ধুদের ভালোবাসা দেখে ভাবি, নিজের জীবনের প্রতি এদের ভালোবাসা এতো কম কেন !)আমি আড্ডায় পৌঁছি বিকেল চারটায়। গিয়ে দেখি মেসবাহ য়াযাদ আর রানাভাই বসে আছেন ।‘আমারা বন্ধু’তে মেসবাহ’র জনপ্রিয়তা(নাকি ব্লগারপ্রিয়তা!) ঈর্ষনীয়। জিজ্ঞেস করি, এতো কম লিখেও বেশী আলোচিত হওয়ার রহস্য কি ! মেসবাহ তার সেই বিখ্যাত হাসিটা ডেলিভারী দিলেন (এই রহস্যময় হাসি দিয়েই নাকি একদা তিনি মনুভাবীর মন জয় করেছিলেন)। তারপর...
হলুদ পাতা হয়ে ঝরে যাই
![]()
সোনালী হেঁয়ালি সূর্যাস্তের দীপ্তির ভিতরে আমাদের স্পর্শাতুর মন হারিয়ে যায় সময় নামক ঘড়ির আঁধারে.রাতের পর রাত,মাইলের পর মাইল পেরিয়ে আমরা পৌঁছে যাই নবীন করুন রৌদ্র ভোরে যেখানে চিন্তার সংবেগ আমাদের বেঁধে রাখে সূর্যালোকিত শালিকের মতন।
আলতা পায়ে দেখেছিলাম যারে সে হারিয়ে গেছে আজ হেমন্তের ম্লান মাঠের বিকেলে।সেদিন আমার আবেগ তাই বাঁধ ভেঙ্গে গিয়েছিলো;আকাশকে জীবনের নীল মরুভূমি মনে হয়েছিলো।ভয়ার্ত চোখে দেখেছি ডুবন্ত সূর্যের সাথে আমার হাজার রূপান্তরের ভেঙ্গে যাওয়া।কিছু বলতে পারিনি,বাধা দিতে পারিনি,শুধু অনুভব করে গেছি পতনের ক্রান্তি শব্দ।