ইউজার লগইন
ব্লগ
ইফতারাড্ডা নিয়ে ফজুল পোষ্ট
রোজার দিনের সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয় হলো ইফতারের দাওয়াত। ঘরের ডাইনিং চেয়ারে হাঁটু মুড়িয়ে বসে লেবু/দই/আমের সরবতের সাথে প্রচুর সালাদ দিয়ে ছোলা মুড়ি পিয়াজু মাখিয়ে খেতে যে তৃপ্তি তার সাথে ফাইভ ষ্টার হোটেলের ইফতারিও পাত্তা পায় না। কারো কোন দুইমত থাকলে আওয়াজ দিয়েন। 
স্বীকারোক্তি
মান্যবর,
অপরাধ নেবেন না,আমি এখন পুরোদস্তুর শহুরে মানুষ। গাঁওগেরাম আর পূর্ব পুরুষের ভিটেমাটির রং বহুকাল আগেই ভুলে গেছি। কোন এককালে আমার দাদাজান নিজ হাতেই কষতেন লাঙ্গল,আমার বাবাও করতেন,এটা আমার জন্য ঘেন্না বিশেষ!!বাজানের কোদাল হাতুড়ির ঠোকাঠুকি এ বোধকরি অপমানকর কথাই;
কেননা আমি এখন শহুরে আদলে গড়া অন্য মানুষ।
ক’এর মা, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্মৃতির জাবর কাটা
তিন প্লাস বয়স হলেও কেন জানি অনেক স্মৃতি মনে আছে তার। সেকালে হয়ত ভেজাল কম খাওয়া হত বলেই মাথাটার ভেতরে গ্রে মেটার একটু বেশিই ছিল। অথবা এমন হতে পারে, কারো কারো মেধাটা একটু এক্সট্রা অর্ডিনারি ধরনের হয়। সেরকম একজন হচ্ছে আজকের সুত্রধর। ধরে নেই সুত্রধরের নাম ‘ক’।
আমরা বন্ধু'র ইফতার আড্ডা
সবাই একসাথে বসে একদিন ইফতার করবো বলে ২৯/০৮/১০ তারিখ রবিবার নিকেতনে ভাস্করদার অফিসে আয়োজন করা হলো জম্পেস এক ইফতার আড্ডার। ভাস্করদা আগেই ছিলো অফিসে। অফিসটা দারুণ পছন্দ হইছে। রায়হান ভাই, টুটুল খাবার দাবার নিয়ে আগেই চলে গেলো। বিলাই ও এর মধ্যেই চলে এসেছিলো। মাসুম ভাই আর বিমা একা চিনবে না বলে আমি আর তাতাপু তাদের দুজনকে কাওরান বাজার থেকে নিয়ে গেলাম, পৌঁছলাম ইফতারে ২০ মিনিট আগে।মেসবাহ ভাই লালদা কে নিয়ে হল
চট্টগ্রামের ব্লগারেরা সব কই??(একটা জাগরণ মূলক পুস্ট)
মনটা বড় খারাপ। সারা দিকে শুধু ঢাকা আর ঢাকা।আমার চট্টগ্রামের মানুষেরা কই যে গেল?গত বার আমরা বন্ধুর আড্ডা হল সানমারে।বন্ধু মুক্ত বারবার কইল,"তুই কিন্তু আসিস।বেটা তুই বিশাল লাকি।সহজে কেউ নুশেরাপুর দেখা পায়না আর তুই এবিতে মাস ঘুরতে না ঘুরতেই তারে দেখবি।...."কিন্তু আমি শালা তখন আমার ফাইনাল প্রজেক্ট নিয়ে এত আনলাকি ছিলাম যে মুক্ত যখন আড্ডা দিচ্ছিল তখন আমি এক হিটলারের সামনে বসে গালি খাচ্ছি
গানগল্প- ২ [এতদিনে ফুল কুড়ালাম, ভরল মনের ডালা]
"ধূচ্ছাই, ভাল্লাগে এসব? প্রতিদিন এই একই কাজ? একখানে বসে থাকা? বসে থাকতে থাকতে তো আমি মাটির সাথেই লেপ্টে যাব! কোনদিন দেখবো, আমি নিজেই মাটিতে শিকড় গেঁড়ে ঢুকে গেছি! ধূর! আর করবো না। আজই শেষ।” আনমনে গজগজ করতে থাকে লাবণ্য। তারপর পাশের রান্নাঘরে বসে থাকা মা'কে শুনিয়ে শুনিয়ে বলতে থাকে, "কেন বাবা, আর কেউ নেই? আমিই কেন রোজ রোজ এই কাজ করবো? আর কেউ নেই? একটু ঘুমাতেও দেবে না, সাত সকালেই ঘুম ভাঙিয়ে দেবে!
আমার দেখা সেরা ১০ ছবি, আপনার তালিকাটা শুনি তো
এইটা নতুন ভাবনা। ভাবলাম প্রতিবছর আমার দেখা সেরা ১০ সিনেমার একটা তালিকা হালনাগাদ করবো। কারণ তালিকা প্রতিবছর বদল হয়। নতুন নতুন সিনামা দেখি, ফলে তালিকাও বদলে যায। ২০০৮ সালে একটা তালিকা করেছিলাম। সেই তালিকা মিলিয়ে দেখি মিলছে না। কিছু বাদ পড়ছে, কিছু আবার তালিকায় ঢুকছে। তাই ভাবলাম তালিকা একটা করেই ফেলি।
চোখ আর দৃষ্টি বিষয়ক কিছু স্বগতঃ সংলাপ...
এক.
শারফুর সাথে একদিন....
ওমরায় যাব বলে অনেক আগে থেকেই চিন্তা ভাবনা করে রেখেছি। তবে তারিখটা কি হবে সেটা ঠিক করা হয়নি। আমাদের কম্পানির কয়েকজন কলিগ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম একটা রেন্ট কার নিয়ে মক্কা ও মদীনা ওমরা ও রওযা জিয়ারত করে আসবো। কিন্তু পাকা পুক্ত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কেউ ই।
উদ্দেশ্যহীন, শান্তিময় জীবন...
এই জীবনে লেখাপড়া করছি মাত্র কয়েক ক্লাস। বড় ভাই ১০ ক্লাস পড়ার পর হঠাৎ করে ঘোষনা দিলেন, তিনি আর ১১ ক্লাসে ভর্তি হবেন না। টেকনিকেলে পড়বেন। কী আর করা। বাবা মনের দুঃখ মনে চেপে ভাইয়াকে ভর্তি করে দিলেন টেকনিকেলে। তারপর বড়াপা। আমরা পিঠাপিঠি না হলেও পড়তাম এক ক্লাসে। ১২ ক্লাস পাশ করার পর বড়াপার বিয়ে হয়ে গেল। এবারো বাবা মনে কষ্ট পেলেন।
শেষ রাতের শেষ অন্ধকারের কিছু স্মৃতি... পর্ব দুই
ভূমিকাঃ ভোর হয়েছে বেশ আগেই। গাছের পাতা কালো থেকে সবুজে রুপ নিয়েছে। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আমাকে আনন্দ দেয়না; যেমন দিচ্ছেনা এখন। বৃষ্টির ফোঁটাগুলো আপ্রান চেষ্ঠা চালাচ্ছে গাছের পাতার সাথে মিশে যেতে। কিছুক্ষন চষে বেড়িয়েই গড়িয়ে পড়ে, মাঝে মাঝে দু’এক ফোটা প্রান-পণে লেপ্টে ধরে আছে গাছের পাতার সাথে, অনেকটা যোকের মত। যেনো বৃষ্টির ফোঁটার প্রার্থনা পাতার মাঝেই বসত গড়া। গাছের পাতার সাথে লেপ্টে থাকা বৃষ্টির ফোঁ
কে?
১.
"পিং পং, পিং পং!"
রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে দরজা খোলার জন্য হাঁটা শুরু করা মাত্র লায়লা বুঝে ফেলে ওটা আসলে কলিংবেলের শব্দ না। বিস্ময়করই বটে। পাঁচ বছরের বাচ্চা মেয়েটি তার, নিঝুম। খেলার ছলে কিভাবে যেন আয়ত্ত করে ফেলেছে, অবিকল কলিংবেলের মতো শব্দ করতে পারে। তারপর শুরু হয় তার কথার বন্যা।
"কে? কে?"
ওপাশের কথা আর কেউ শোনেনা, শুধু নিঝুম শুনতে পায়।
আবারো রং
হুদাই কিছু আঁকাআঁকির চেষ্টা চরিত্র করলাম আবারো, সাথে কিছু পুরানা স্কেচ মার্কা ছবি আর আমার খেলনা খেলনা গ্লাস পেইন্টিং প্র্যাকটিস। য়াযাদ ভাই বলেছেন বড়ো হইয়া আটিস হবো, এই ভরসায় আঁকাআঁকি শিখুম ভাবতেসি, নাহয় আমার বয়স তিরিশই হইলো... এই বয়েসে শিখলে মাইর তো আর দিতাসে না কেউ... আর ভাগ্যিস ছবি আঁকলে প্রতিবেশীরা শুনতে বা দেখতে পায়না, তাই আমার জানালা পঁচা ডিমের হাত থাইকাও বাঁইচা যায়। আর তাছাড়া এই অ্যাডে'র সাগর পাড়ের দাঁড়ানো শিল্পী'র চে ভালো আঁকতে পারি এইটা আবিষ্কার কইরাই আমি মোটামুটি আমোদে আছি।
আমরা পরিত্রান চাই
গতকাল ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছিলো
