ইউজার লগইন
ব্লগ
আমি এখন খুলনায়
আমি এখন খুলনায়
আমি খুলনা এসেছি মে,৫, ২০১৪ খ্রীঃ আজ ১২দিন হয়ে গেল। এ কদিন কিছুই লেখা হয়নি। আবেগ মিশ্রিত গান কবিতা লেখা বাদই দিলাম শুধু আসার পর থেকে দিনলিপিগুলো লেখলেই একটা বিশাল লেখা হয়ে যেত, আর বড় বড় লেখকদের মত চাটনি সদেশ রস সংযোজন করতে পারলে তো সবিশেষ উপাদেয় কিছু পাঠকদের দিতে পারতাম।
একটু একটু করে প্রতিদিন!
গত দু -তিন দিন লেখা হলো না। লেখবো লেখবো করেও আর লেখা হয়ে উঠলো না। আর ব্লগে দেখলাম অনেকের পোষ্ট তাই তেমন জরুরী ভাবলাম না। যখন ব্লগে কেউ লিখে না তখন আমার ইচ্ছে করে সপ্তাহের সাত দিনই লেখি। কিন্তু সব সময় তাও আর হয়ে উঠে না। তবে ঘুরে ফিরে সেই দিনলিপি লেখি বলে আর কোনো লেখার বিষয় যে পাই না ব্যাপারটা এমন না। মাথায় হাজারো বিষয় আসে, অনেক কিছু নিয়েই লিখতে ইচ্ছা করে কিন্তু লেখি না। কি লাভ মাথা খাটিয়ে, এরচেয়ে নিজের যে দিনযাপন তাই ঢুকিয়ে দাও ব্লগে। হেলাল ভাইয়ের এক পোষ্টের উসিলায় গিয়েছিলাম সামহ্যোয়ার ইন ব্লগ। পুরোই হিন্দি চুলের মতো অবস্থা। এত মানুষ লগইন আর অতিথি এত তাও ফার্স্ট দশ পাতায় পড়ার মতো একটা পোষ্ট পেলাম না। মনটা খারাপ লাগলো। নিজের কিছু ভালো লাগার পুরানো পোষ্ট দেখলাম তাতেও দেখি নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য মন্তব্য নাই। তাহলে এত লোক ব্লগে করে টা কি?
ফানুস
এই সময়ে দাঁড়িয়ে আমাদের সমাজ খুব করে অনুভব করছে ব্যক্তি কেন্দ্রিক জীবন যাপনের সবচেয়ে খারাপ দিকটি। আমাদের এই এককেন্দ্রিক জীবন যাপনের আনন্দ ভুলিয়ে দিচ্ছে একক ব্যক্তি সত্তা বলে কিছু নেই। প্রযুক্তি বা ব্যক্তি প্রতিভা কখন ও ই একক সত্তা কে ্টিকিয়ে রাখতে পারে না। । আর এই না পারা টা ই আমাদেরকে সমাজবদ্ধ জীবন যাপন করতে বাধ্য করে।। কিছু নিয়ম, কিছু জীবনাচরণ, আর কিছু আইন করে নেই প্রয়োজন মাফিক। যাতে সবার ই স্বার্থ রক্ষা হয় এবং পাশাপাশি থাকতে পারি।।
এ বি'র বন্ধুরা
মনে হয় কিছুই দেখিনা আমরা
কিছুই শুনিনা । চারপাশে যত কিছু ঘটুকনা কেন,
আমাদের চোখ-কান থাকে বন্ধ ! আমরা দেখিনা শুনিনা,
আমরা এ বি’র সব বন্ধুরা !
আমাদের নদীর সব পানি মানুষের খুনে লাল হয়ে যাক,
আমাদের পড়শী কেউ গুম হয়ে যাক,
কারো বোন, আত্মজা বা স্ত্রীর সম্ভ্রম লুটে যাক,
আমাদের কি আসে যায় ! আমাদের নিজেরতো কেউ না !
তাইতো আমাদের কিছুই লেখা হয়না এসব নিয়ে !
আমরা মজে থাকি নিজেদের নিয়ে ।
প্রেম, ভালবাসা, ইর্ষা,ঘৃণা, মান-অভিমান,
গান-সিনেমা জাগতিক সব কিছু থাকে আমাদের লেখায় !
থাকেনা শুধু মানুষ ! অবহেলিত মানুষরা !
গেলো বছর হটাৎ কিভাবে যেন জেগে উঠেছিলাম সবাই !
[আমার নিজের কিন্তু সংশয় ছিল, ঘরপোড়া গরু কিনা !]
সে জাগরণ ও একদিন লুট হয়ে গেল ।
যে যার মতো ঘুমিয়ে পড়লাম সবাই আবার ।
একটা অনৈতিক নির্বাচণ হল, অবৈধ সরকার হলো
আমরা চুপ থাকলাম ।
ভারত আমাদের শুকিয়ে মারার তাবত ব্যবস্থা করল।
উত্তরাধিকার ১
আমার প্রথম সন্তান ঋক । মানসিক ভাবে নিজের ভিতর মাতৃত্ব বোধ টা প্রোথিত হবার বেশ খানিকটা সময় পূর্বে ই আমি সন্তান এর হাসি দেখেছি। প্রাথমিক ভাবে সন্তান ঋক আমাকে যতটা অভিভূত করে রাখতো, তার চেয়ে বেশি রাখতো একটা মানব শিশু। অদ্ভুত একটা অনুভব। সময়ের সাথে সাথে আমি ও আমার সন্তান কে দেখতে শিখলাম, বুঝতে শিখলাম, নিজের মাঝের মা বিষয় টা ধরা দিতে লাগলো। আমার খুব বেশি দায়িত্বশীল আচরণের জন্য অনেকে ই আমাকে দিদি বা আম্মা বলে ডাকতো। অথচ এই আমির নিজের স্বজাতকের "মা" এই বিষয় টা বুঝতে ও বেশ খানিটা সময় পার করতে হয়েছে। জীবনের টানা পোড়নে ছেলে কে আমি ঠিক সময় ও দিতে পারিনি। দেড় বছর ব্যস থেকে সে তার বাবার সাথে এক দেশে, আমি অন্য দেশে। আমাদের যোগাযোগ ফোন আর নেট এ।। বছরে একবার কি দুইবার মাস খানেকের জন্য দেখা যার অধিকাংশ সময় ই চলে যেত বিভিন্ন সামাজিকতা রক্ষা করতে করতে।
মাঝরাতের মাল গাড়ি
লেখাটা অনেক ভালো না লাগা নিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে জানি না।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিত সেই মেয়েটিকে ভেবেই এটি লিখব বলে ঠিক করেছি। আমার কি-বোর্ডের উপরে সিগারেটের ছাই জমে যাচ্ছে আর অর্ধমাতাল অবস্থায় আমি লিখে যাচ্ছি।
কেননা আধাবোতল হুইস্কি খেয়ে যখন হলে যাচ্ছিলাম তখন দেখেছিলাম মেয়েটিকে কয়েকটি লোকের সঙ্গে বসে থাকতে। ফুলার রোডে। না, সে ফুটপাতে বসে ছিলো না, বসেছিলো রাস্তায়। আর উঁচু ফুটপাতে বসেছিলো দু চারজন যারা মার্ক্সবাদ কিংবা লেনিনবাদে বিশ্বাস করে।
অগ্রন্থিত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
দুনিয়াজুড়ে প্রেমিকদের দল দুইটি। একদল তাজমহল দেখেছে, অন্যদল তা দেখেনি। প্রেমিকদের মধ্যে প্রচলিত এমন কথা আপনারাও নিশ্চয়ই শুনেছেন, প্রিয় পাঠক। ভ্রমণপিপাসুরাও এমন কথা বলেন। আবার, যারা এলিয়েন, ভিনগ্রহ নিয়ে পড়াশুনা করেন,তাদেরও দল দুটি। একদল দানিক্যান পড়েছেন, অন্যদল , যারা পড়েনি। আমার হিসাবে পাঠক মদারুর মতো। দুটি কারণে পড়ে। বৃষ্টি উদযাপন করতে, আবার বৃষ্টি আসেনি এই দু:খে। কিন্তু এ কথা বলতেই হয়, অসাম্প্রদায়িক পাঠকদের দল দুটি। একদল লালসালু পড়েছে অপর দল পড়েনি। পরীক্ষা পাসের জন্য হলেও আমাদের সমবয়সীদের লালসালু পড়তে হয়েছে। ফলে,সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ’র অগ্রন্থিত রচনা একটি লোভনীয় বই। কিন্তু প্রথমার বইটি যতটা ওয়ালীউল্লাহর অগ্রন্থিত রচনা হয়েছে, তারচেয়ে বেশী অগ্রন্থিত সাজ্জাদ শরিফ,অগ্রন্থিত শহীদুল জহির এবং অগ্রন্থিত শিবব্রত বর্মন হয়েছে। কেন? বলছি। তার আগে অনুবাদ বিষয়ে বলি।
বৃষ্টিবিলাস
অসংখ্য অনুষঙ্গ না থাকলে শুধুমাত্র বৃষ্টি আমার কখনও ভালো লাগে না। আকাশে মেঘ জমলে হৃদয়ে উল্লাস জাগে না আমার। বৃষ্টির সৌন্দর্যের বদলে বৃষ্টিপরবর্তী ঝঞ্ঝাট মনে করে কিছুটা বিরক্তও হই। ছোটোবেলার বৃষ্টির আনন্দ ছিলো, সে আনন্দের সাথে অবধারিতভাবেই " আজকে স্কুলে যেতে হবে না" শর্ত ছিলো। হাফ ইয়ার্লির বৃষ্টির বিষ হজম করে কাদা প্যাঁচপ্যাঁচে মফঃস্বলের রাস্তা ডিঙিয়ে ভেজা ভেজা হাতে পরীক্ষার খাতায় প্রশ্নের উত্তর লিখে বিদ্যাদিগগজ হয়ে যেতে হবে পরিস্থিতির বাইরে ছোটোবেলার বৃষ্টি অনেকটাই সহনীয় ছিলো। এক টানা ৩-৪ দিন বৃষ্টির পরে যখন মহল্লার মাঠ আর হেড়িং বোন সড়কটা আলাদা করা কঠিন সে সময়ে আরও এক ঘন্টা বৃষ্টির অভিশাপ সহ্য করা সম্ভব হতো না কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টিতে ভেজা হতো নিয়মকরেই, বৃষ্টিতে ভিজলে ঘামাচি মরে।
২৫০ পেরিয়ে!
নিজের পোষ্ট সংখ্যা কত, তার হিসেব আমি খুব একটা রাখি না, সেরকম ভাবে মনে রাখাই হয় না। মাঝে মধ্যে চোখে পড়লে অবাক হই আহা কত পোষ্ট লিখে ফেললাম এই তিন আড়াই বছরের মধ্যেই। শান্তি পাই, পুরোনো পোষ্টগুলো দেখি। ডায়রীর মতো করে পড়ি, আহা আগে কত কি নিয়ে ভাবতাম। কত সেনসিটিভ সচেতন রসিক মানুষ ছিলাম। তবে আগের পোষ্টগুলোতে বাক্য গঠন ও বিরাম চিন্হে ভুল সিরিয়াস চোখে পড়ে। এখনো যে তা নাই তা বলবো না, কিন্তু আগের চেয়ে কম চোখে পড়ে। আগে ধারনা ছিল ব্লগ লিখতে লিখতে এক ধরনের হাত এসে যাবে, হয়তো নিম্ন মাঝারী মানের গল্প লিখতে শুরু করতে পারবো। কিন্তু সেই আশায় গুড়ে বালি, যা আশা ভরসা ছিল সব শেষ করে দিয়েছে সৈয়দ শামসুল হক, তিনি বাংলা গল্প উপন্যাস লেখার যে উপায় উপকরণ দেখিয়েছেন তা পড়ে আমি বিস্মিত। লেখালেখি জিনিসটাকে আমরা যত খেলো ব্যাপার হিসাবে ধরি তার চেয়ে অনেক বেশি শ্রমসাধ্য ও অধ্যাবসায়ের সৃজনশীল কাজ। তাই এই ভালো, ব্লগ লেখি তেমন ক
অযথা
আনন্দিতা কথা বলতে শেখার পর যখন কাকের ডাক নকল করে ক্বা আ আ ক্বা আ আ বলতে শিখলো আমরা সবাই খুব খুশী ছিলাম। আনন্দের পোঁটলা কাকের ডাক ডাকলে, বেড়ালের ডাক ডাকলে সে প্রতিভা পরিচিতজনদের দেখানোর ভেতরে এক ধরণের নির্ভেজাল আনন্দ ছিলো। বাচ্চারা খুব দ্রুত বদলে যায়, আগ্রহ বদলায়, উৎসাহ বদলায়, কয়েকমাস আমাদের আবদার মিটিয়ে ক্বা আআআ ক্বা আআ ডেকে নতুন আগ্রহে শিখলো দ্যা ডগ সেইজ বাও বাও দ্যা কাউ সেজ মু মু, তারপর ইন্টারনেটের নার্সারি রাইমকে নিজের মত আধাবাংলায় স্মরণ করতে শিখলো।
বাসা ভর্তি শিক্ষক, সবাই কোনো না কোনো সময় স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি যায় ছাত্র পড়াতে আর ছাত্র পড়ানোর কৌশল শিখতে। যন্ত্রযুগে কম্পিউটারের নার্সারি রাইম আর এত এত উৎসাহী শিক্ষকের চাপে দ্বিতীয় জন্মদিনের আগেই বড় হাতের ইংরেজী বর্ণমালা চিনে ফেললো। প্রতিভা নয় বরং ছবির সাথে উচ্চারণ মেলাতে পারার দক্ষতা অর্জন করে ফেললো।
কৃষ্ণচুড়ায় রাঙানো জীবন...
কৃষ্ণচূড়ার সাথে আমাদের সখ্যতা বলা যায় শুরু থেকেই। বাংলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কৃষ্ণচূড়ার বৃক্ষরাজী। অন্য সময়টাতে এই গাছ তেমন একটা লক্ষণীয় নয়। গ্রীষ্মের এই সময়টাতে গাছগুলো হঠাৎ করেই আমাদের সামনে উপস্থিত হয়া তার রূপ নিয়ে।
ষড়ঋতুর এই দেশে মুর্হুমুহু পাল্টায় সময়ের রূপ, গন্ধ। কাল বৈশাখীর ছোঁয়ায় গ্রীষ্মের এই তাপদাহে আমাদের মনের আগুনকে আরেকটু বাড়িয়ে আমাদের সামনে হাজির হয় রক্ত রাঙা কৃষ্ণচূড়া। কৃষ্ণচূড়াকে দেখলে মনে হয় যেন কোনো আগুনের জ্বলন্ত শিখা।
ইটকাঠের এই ঢাকার শহরে যেখানে বৃক্ষের দেখা পাওয়াই মুশকিল সেখানে কৃষ্ণচুড়া দেখাটা হয়তো শহরবাসীর কাছে বিশাল পাওয়া। এক সময়ের ক্রিসেন্ট লেক (চন্দ্রিমা উদ্যান/জিয়া উদ্যান) এর দুপাশেই এই সময়টা লালাভ রঙে ঢাকাবাসীকে আকৃষ্টকরে বিপুল ভাবে।
আল্লাহ কেন সকল মানুষকে মুসলিম হতে বাধ্য করেন নি?
স্রষ্টা মানুষের মধ্যে জন্মগত ভাবে ভালো ও মন্দের পার্থক্য বোধ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। কুরআনে আল্লাহ বলেন- ‘আর আমি ভালো ও মন্দ উভয় পথ তার জন্য সুস্পষ্ট করে রেখে দিয়েছি’(সুরা আল বালাদ)। ‘আমি তাদের পথ দেখিয়ে দিয়েছি, চাইলে তারা কৃতজ্ঞ হতে পারে আবার চাইলে হতে পারে অস্বীকারকারী’। (সুরা আদ্দাহর)।
মানুষের মধ্যে একটি নফসে লাওয়ামাহ(বিবেক)আছে। সে অসৎ কাজ করলে তাকে তিরস্কার করে। (সুরা আল কিয়ামাহ আয়াত-২)। আর প্রত্যেক ব্যক্তি সে যত ওজর পেশ করুক না কেন সে কি তা সে খুব ভালো করেই জানে।(সুরা আল কিয়ামাহ আয়াত১৪-১৫)।
এই সবই তো সুন্দর, এ জীবনের আনন্দ, তার থেকে সুন্দর আমার মা!
'তোমাকে' ডাকটা এখানে খুব একটা খাটে না। কারন আমি আমার আম্মুকে 'আপনি' বলি আর বাবাকে বলি তুমি। এই অদ্ভুত ডাকের সিস্টেম অনেককে অবাক করে। অনেকে মা বাবা সবাইকে আপনে বলে ডাকে, অনেকে আবার দুইজনকেই তুমি করে ডাকে, কেউ কেউ আম্মুকে তুমি আর বাবাকে আপনি বলে। আমি হলাম উল্টো, আমরা দুই ভাই আম্মুকে আপনি বলে ডাকি। আর আব্বুকে তুমি। বছর পাঁচেক আগে ভাইয়া একবার ভাবছিলো আম্মুকে তুমি করে ডাকার। অভ্যাস নাই দেখি সিরিয়াস লজ্জা লাগে। মাঝেমাঝে ভাবি এত এত মানুষ আম্মুকে তুমি ডাকে কি করে? আবার আব্বুকে তুমি ডাকি,আপনে ডাকাই হয় না। আব্বু তাতে মন খারাপ করে বলে মনে হয় না। তবে এমন না যে আমি আব্বুর সাথে ফ্রি বেশী, বেসিক্যালি আমি আব্বু আম্মু কারো সাথেই ফ্রি বলতে যা বোঝায় তেমন কিছুই না। সব শেয়ার করি না ছোটবেলা থেকেই। কারন নিম্নমধ্যবিত্ত সংস্কারে ভরা মন আমার, ওতো শেয়ারের কি মধু তাই খুঁজে পাই না। এইটাই ভালো!
আপনারা বলবেন কি???????
ফোনে বাবার কণ্ঠ শুনেই
মেয়ের ধৈর্যের সকল বাধ ভেংগে গেল।
প্রথমে ফোপানি
অতঃপর সজল কান্না।
না বাবা চোখে দেখতে পাচ্ছে না।
কিন্তু অন্তর চক্ষু
বাবার কলিজাটা ভেঙ্গে খান খান হবার জোগার।
সব সামলে নিয়ে প্রশ্ন!
কি হয়েছে বাবা
কাঁদছ কেন?
ট্রাফিক জ্যাম গাড়ীতে বসে আছি
পরীক্ষা আরম্ভ হয়ে গেছে।
কাঁদতে হবে না, তোমার ম্যাডামকে ফোন কর।
না হলে আবার পরের সিমিষ্টারে দিবে,
এবার যেন সাইক্লোন ......
না না...।
কি করে সহ্য করবে,
গত তিন চারদিন ধরে রাত জেগে
তিন বান্ধবী মিলে প্রজেক্ট প্রস্তুত করেছে।
শুধু ট্রাফিক জ্যামের জন্য পরীক্ষা ও
প্রজেক্ট জমা দিতে পারবে না।
আমি নিজেও কেমন যেন
অসহায় বোধ করছিলাম।
এদিক সেদিক পায়চারী করছিলাম
ওর মাকে দিলাম।
কিছুতেই স্বস্থি পাচ্ছিলাম না।
মিনিট ৪৫ পরে ফোন এল
বাবা পৌচেছি, পরীক্ষা
আরম্ভ হয়নি।
অনেকে এখনো পৌছতে পারেনি।