ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার আমি
আমার পরিচিত কাছের মানুষেরা অভিযোগ করেন আমার কাছে, আমি বড় হই না, বাচ্চাদের মতো করি, বয়সটা আমার কোথাও একুশে আটকে আছে। হয়তো পিছনে পিছনে বলেন, আমি যা করি তা হয়তো আমাকে মানায় না। যিনি আমার এই ছেলেমানুষীর সবচেয়ে বেশী ভুক্তভোগী তিনি বলেন, শরীরটা শুধু ডেভেলাপ করেছে, ব্রেইনটা ডেভেলাপ করেনি। তবে তিনিও এটা বলতে বলতে এখন ক্লান্ত হয়ে ক্ষ্যান্ত দিয়েছেন শুধু আমি যেমন ছিলাম তেমনই রয়ে গেছি। সবার অনুযোগের পরেও আজও নিজেকে সামলে সবার আকাঙ্খা অনুযায়ী নিজেকে বড় করে তুলতে পারিনি।
বদলে যাওয়া বড় হওয়া সব কী নিজের হাতে থাকে? সবাই কী চাইলেই নিজেকে ইচ্ছেমতো বদলে ফেলতে পারে? বড় হয়ে যেতে পারে?
এইম ইন লাইফ - শিবির
হাইস্কুলের পাঠ চুকিয়েছে। এবার কলেজে ভর্তি হবার পালা। দরিদ্র বাবা-মা এর স্বপ্ন ছেলে শহরের কোন কলেজে পড়বে, একদিন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিয়ে বাবা-মা এর নাম উজ্জ্বল করবে, সাথে পরিবারে আসবে স্বচ্ছলতা। ঘরে আছে ছোট দু'টি বোন। তাদের বিয়ের বয়স হতে হতে নিজ পায়ে দাঁড়াবে তাদের ভাই। ধুমধাম করে বিয়ে দিবে।
ভর্তি হলো শহরের একটি কলেজে। যাবার সময় মা তার অনেক দিনের জমানো কিছু টাকা হাতে গুজে দিয়ে বলে, "যা বাপ, আমারে কিছু দিতে হইবো না, আমার মাইয়া দুইডারে চাইলেই হইবো।" বাবা আশ পাশের গ্রামের ধনী পরিবারগুলোর জমিতে দিনমজুরের কাজ করেন। প্রতিদিন তার মজুরী থেকে কিছু টাকা উঠিয়ে রাখেন ছেলের মাসিক খরচের সাথে দু'টো টাকা যদি বেশি দেয়া যায় ছেলেটা খুশী হবে।
ছেলেটি শহরে এসে গ্রামের কথা খুব মনে পড়ে। সবসময় মনে হয় সে নিজে যদি কিছু করতে পারতো, যদি একটা টিউশনি পেতো তবে তার বাবার কাছ থেকে প্রতিমাসে টাকা নিতে হতো না। সে টাকায় তার পরিবার আরেকটু সচ্ছলভাবে চলতে পারতো। সহপাঠীদের সাহায্য চায় এ ব্যাপারে।
সাপ্তাহিক হতাশা
শ্লার লাইফ! শ্লার চাকরী!!! ইটস সাক্স!!!
সারাটা সপ্তাহ অপেক্ষা করি এই একটা শুক্রবারের জন্য। সারাটা সপ্তাহ এই ফাত্রা রাজনীতির ফাপরে পইরা জীবন হাতে নিয়া অফিস করলাম। শুক্রবারে একজনের সাথে দেখা হবে এই আশায়।
ছয়টা দিন গোলাপি বেগমের পেইন সহ্য করলাম। আর যেই না তার পেইন শেষ হইলো অমনি শুরু হইলো তথাকথিত কর্পোরেট এর পেইন।
হঠাৎ করে তাদের শুক্রবারে খোলা রাখার সাধ জাগলো!!! যদি শুক্রবারে খোলাই রাখবি রে হাউয়ার পুত, তাইলে গত ছয়দিন এত্তো পেইন দিয়া অফিস করাইলি ক্যারে???
শালা ফাউলের গুষ্টি, গাছেরটাও খাইবো আবার তলারটাও কুড়াইবো। আর তাদের এই চিপায় পইরা আমাগো জীবন নষ্ট।
ভালোবাসার মানুষটাকে সারা সপ্তাহ জুড়ে আশায় রেখেছিলাম যে শুক্রবারে তোমায় নিয়ে ঘুরতে যাবো। আজ এটা শোনার পরে সে বললো, থাক ব্যাপার না। সবসময় যে প্ল্যান সাক্সেসফুল হবে তা তো নয়!!!!
শুনে ভালো লাগলেও, ঠিকই বুঝতে পেরেছি যে সে কষ্ট পেয়েছে। এই কষ্ট অপ্রাপ্তির কষ্ট। আর তার অপ্রাপ্তি আমায় অসহায় করে দেয়।
ধ্বংসের জয়গান
ছন্নচ্ছাড়া দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে ছিলো কালো লোকটি। বয়সের দাগ কপালের ভাজে লেগে থাকলেও দু বাহুতে ঘোষনা দেয় অসুরতম শক্তির। কাঠিন্যে ভরা মুখের কাটা দাগে লেখা আছে নির্যাতিত অতীতের গল্পগুলো। হাতে একটা চিঠি বাতাসে পত পত করে উড়ছে। প্রচন্ড ঠান্ডায় যেখানে আমার দাতের দোপাটি কাপছিলো তার উদাস চোখের উষ্ঞতায় মনে হলো প্রকৃতির এই শৈত্য স্পর্শ তাকে কাবু করতে পারেনি। হঠাৎ সজাগ হয়ে যায় পকেটে থাকা মোবাইলের কাপুনিতে। নিজের ভাষায় কি যেনো বলে খুশি হয়ে গেলো আর চোখ দিয়ে পড়তে থাকলো অশ্রু। ফোনে কথা শেষ হলে এগিয়ে যাই," বন্ধু, তোমার অশ্রু মাখা হাসি মুখ দেখতে ভালো লাগছে। বলবে খুশীর খবর?"
: বন্ধু, চলো কোথাও বসি যদি তাড়া না থাকে।
ভারতের প্রকাশ্য নাক-গলানোর দায় আপনাদের উপরও বর্তায়
সীমান্তে গুলি করে মানুষ মারছে ভারত। ভারত আমাদের পাওনা পানি দিচ্ছে না। ভারত বাঁধ দিয়ে, আমাদের ভাতে মারছে। তিতাস নদী দু'ফাঁক করে তাদের বাংলাদেশের উপর দিয়ে ট্রানজিট দেয়া হয়েছে। রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কৌশল নিয়ে আমাদের সুন্দরবন ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছে, ভারতের সাথে আমাদের বিরাট বাণিজ্য ঘাটতি আছে। এবং আরো আরো যেসব ঘৃণ্য কাজ করছে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। সেসব কিছুর বিরুদ্ধে দেশে জোরে-সোরে প্রতিবাদ হোক, আন্দোলন হোক, বিপ্লব হোক কোন সমস্যা নাই।
কিন্তু ভারতকে শায়েস্তা করার জন্য, পাকিস্তানের আইএসআই-এর মদদে গোপনে দশ ট্রাক অস্ত্র নিয়ে এনে সে দেশের বিচ্ছিন্নবাদীদের হাতে তুলে দেবেন। এই ধৃষ্ঠতা দেখাবার অপরিসীম কাপুরুষত্ব কোথায় পেলেন? ভারত কি বসে বসে জর্জ মিঞা নাটক দেখবে?
এই অসময়ে জলপাইপুরে ধ্রুপদী সংগীতের রাতগুলো!
শিরোনামটা একটু বেশী বেশী হয়ে গেল, তাও দিয়ে ফেললাম। কিচ্ছু করার নাই এই আগুনে পোড়ার অসময়ে, এতকাল শুনেছি দাহকাল- যা একটি শব্দ হিসেবে ধরে নিয়েছি, কিন্তু এখন দেখি আসলেই দহনের সময়। কেউ পুড়ছে কিংবা কেউ পোড়াচ্ছে, আমরা শুধু সব তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছি। তবুও এর প্রতিকারে আমাদের ফেসবুকে স্ট্যাটাস লেখা ছাড়া আর কোনো কিছু করার উপায় জানা নেই। আমি ৯৫-৯৬ এর আমলে ছিলাম নিতান্তই ছোট মানুষ, হরতালে বাসার পাশেই স্কুল থাকতো বন্ধ, সারাদিন খেলা আনন্দ আর আনন্দ। বিটিভিতে নাটক হতো আর খবরে দেখতাম খালেদা জিয়া নানান কিছুর ফলকের সামনে দলবেধে দোয়া করছে। তখনই আমার মনে প্রশ্ন আসছে- ক্যামেরার সামনে দোয়া করে কেন?
দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকদের নিত্য দিনের জীবন
দু:খজনক বাস্তবতা হলো সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের দেশে বসবাসরত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের প্রতিনিয়ত দেশপ্রেমের পরীক্ষা দিতে হয়। নিম্নবর্ণের হিন্দু যাদের সহায়-সম্বল ভিটে মাটিটুকুই , এই মাটিতে জন্ম এ মাটিতে দাহ হওয়ার পরও প্রতিনিয়ত ভারতপ্রেমের গঞ্জনা শুনতে হয় যাদের, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট নয় এমন দেশগুলোর মধ্যে ভারতে সবচেয়ে বেশী মুসলমান বসবাস করলেও সাম্প্রদায়িক বাস্তবতায় ভারত এখনও আমাদের কাছে হিন্দু রাষ্ট্র এবং একই সাম্প্রদায়িক কারণে এই দেশের প্রতিটি হিন্দুই ভারতপ্রেমিক দেশদ্রোহী।
ক্রমাগত অবমাননা, লাঞ্ছনার এই ইতিহাস মনে রেখেই এই দেশে একজন হিন্দু বসবাস করে। সংখ্যালঘুদের ভেতরে সংখ্যাগুরু হিন্দু সম্প্রদায়ের দৈনন্দিন বাস্তবতার ছবিতে বাংলাদেশের অপরাপর সংখ্যালঘুদের জীবনযাপনের বাস্তবতা মূর্ত প্রতিনিয়তই। বৌদ্ধ অধ্যুষিত বার্মা কিংবা শ্রীলংকা কিংবা চীন কিংবা জাপানের স্থানীয় রাজনৈতিক সংঘাতের আঁচে পূড়ে যেতে পারে রামু যেভাবে ভারতের আভ্যন্তরীণ কোন্দলে পুড়ে যায় এই দেশের হিন্দুবাড়ীগুলো। আমরা সাম্প্রদায়িক দানবপূজা করছি, ধর্মের আড়ালে মানুষ পোড়ানোর নৃশংসতায় সমঝোতা করছি।
যাপিত জীবনের অজানা ইতিহাস
নর্দমা থেকে উঠে আসা মাছিটা প্লেটের ভাতের উপর পড়লো। খুবই বিরক্তিকর। এই আকাল সময়ে, অভাবের ভেতর যখন একপ্লেট ভাতের মূল্য অনেক, তখন হারামজাদা মাছি পাশের নর্দমা থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসলো। তার পায়ে নিশ্চয়ই পাশের বাড়ির দারোয়ানের পেশাপ লেগে আছে। পাশের বাড়ির দারোয়ান শেখ মতিন প্রায়ই এ নর্দমায় তার কাজ সারে। হলদে পেশাপের গন্ধে টিকা মুশকিল। তবুও এ নর্দমা ঘেষা টিনের ঘরেই আমাকে বাস করতে হয়।
কংক্রিটের অবহেলার মিথ্যামাখা শহরে নর্দমার পাশে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যাওয়ার গল্প এ দেশের ইতিহাসে লেখা হবে না। রাষ্ট্র তো যুদ্ধের কথা পুঁথিবদ্ধ করে কিংবা রাজনৈতিক চোরদের কথাও লিখে রাখে। কিন্তু আমার মতো গ্রাম থেকে উঠে আসা গরীব সংসারের ছেলেরা প্রতিনিয়ত নিজের ভাগ্য ফেরাবার চেষ্টায় যে সংগ্রাম, যে যুদ্ধ করে চলে তাদের কথা কোথাও কখনও লেখা হয় না।
হতে পারে, যদি আমি মহান কোনো ব্যক্তিতে পরিণত হই। তখন আমার কষ্টের গল্প মানুষ শুনতে চাবে, পড়তে চাবে। তারপরও এ কষ্ট, এ বঞ্চনা, এ গ্লানিবোধ কেউ কখনও অনুভব করবে না।
অমসৃণ আঁধার
ভয়ংকর রকম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে শীতের আগুণখানা
ওখানে তপ্ত ঘি ঢেলে দিও না
পুড়ে যাবে শরীরের শান্ত টলোমলো ধাম
যেভাবে ছড়িয়েছে কার্বন বাতাসে
সহসা পাকিয়ে পাকিয়ে কুন্ডলী
- তেজোস্ক্রিয়তায় মৌণ নিথর হবে
পোড়া দেহের মাংস
কী যে এক বিন্দু বিন্দু জলীয় রসের নিঃসরণ
প্রলেপ মাখাতে চাইবে ফুটন্ত সময়
চেতনহীন রাজপথের অমসৃণ আঁধারে।
মাশরুম জন্ম
সব সৌন্দর্য নিয়ে ইতি-উতি উঁকি দেয় সে
রাতজাগা আকাশ
তার পায়ের কাছে বেজে চলে নীরব সমুদ্র ঝুমঝুম
যদিও ভস্মিভূত সে চিতার অনলে
দগ্ধ বুকের বাহাদুরি
কোথাও বাজিয়ে তুলে সতর্ক সাইরেন
তখন বৃষ্টি মেঘের স্পর্শ বাড়িয়ে এনে
গজিয়ে তোলে দু'চারটা ব্যাঙের ছাতা - মাশরুম।
ধূসর গোধূলিঃ সবুজ জমিনে বর্গী...

সেদিন কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে যায় বিভার। ঘরে ঢুকে দেখে মন খারাপ করে বসে আছে প্রভা। কাছে এসে মাথায় হাত বুলিয়ে মেয়েকে জিজ্ঞেস করে-
-কি হইছে প্রভা? মুখটা এত কালা কইরা বইসা আছস ক্যান?
মাকে দেখে সারাদিনের জমিয়ে রাখা কষ্টগুলো বুকের ভিতর থেকে যেন বেরিয়ে আসে এক নিমেষেই, কান্নাজড়িত কন্ঠে প্রভা বলে,
-আমি আর ইশকুলে যামু না মা
-ক্যান, কি অইছে?
তালুকদারের হাটখোলার ঘটনা মায়ের কাছে খুলে বলে প্রভা।
-তুই এতদিন আমারে কস নাই ক্যান?
-তুমি চিন্তা করবা হেইলইগ্যা এতদিন তোমারে কইনাই।
ভুলের ভাণ্ডার
ভুল বানানটি সঠিক বটে
লিখবেন না কেউ ভূল
তুল লিখেন টুল লিখেন
লিখবেন না বানান মুল।
মূল কিন্তু মুল নয়
রাখবেন মনে সবে
মুল যদি লিখে কেউ
ভুল জানবেন তবে।
কুল যদি বরই হয়
কূল নদীর পাড়
ভুল বানানে অভ্যস্ত
লজ্জা দেবে স্যার।
তুলা লিখেন কুলা লিখেন
লিখবেন না কেউ মূলা
মুলা বানান সঠিক তবে
লিখবেন না ফরমূলা।
ফরমূলা নয়, ফরমুলা
জেনো নিশ্চয়
ইংরেজি উচ্চারণে
(ূ) ঊ-কার নাহি হয়।
কারণ বারণ মরণ লিখেন
ধরণ লিখবেন না
ধরণ যেন ধরন হয়
লিখতে ভুলবেন না।
গুণ লিখেন ঘুণ লিখেন
গুন লিখবেন না
গুণিতকের মর্মকথা
এতে পাবেন না।
কাঁটা-বোঁটা সবই লিখেন
ফাঁটা লিখবেন না
ফ-এর ওপর চাঁদ বসালে
ফাটা থাকবে না।
হাসি লিখেন কাশি লিখেন
হাস লিখবেন না
চাঁদ ছাড়া হাঁস-ফাঁস
কিছুই হবে না।
বাড়ি-গাড়ি সবই লিখেন
হাড়ি লিখবেন না
হাঁড়ির ওপর চাঁদের টিপ
দিতে ভুলবেন না।
আসন বাসন নয়নে
‘ন’ হবে নির্ভুল
প্রান ঘ্রান ত্রান লিখে
করবেন না তাই ভুল।
প্রাণ ঘ্রাণ ত্রাণ বানানে
লিখবেন মূর্ধন্য- (ণ)
এ নিয়মে লিখে যান
বর্ণ বর্ষণ আর কার্পণ্য।
অনুরোধে হবে করুন
অবস্থাতে করুণ
তোরণ বানিয়ে তারুণ্য
পোড়া রোগীর মিছিল
পোড়া রোগীর মিছিল
ডেস্ক রিপোর্ট
টাইম নিউজ
undefined
ঢাকা: পোড়া রোগীদের চিকিত্সাার একমাত্র জায়গা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট৷ শুধু রাজধানী নয়, দেশের আর কোথাও পোড়া রোগীদের চিকিত্সাের বিশেষায়িত কোনো হাসপাতাল বা ইউনিট নেই৷
দেশে বর্তমানে রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় অগ্নিদগ্ধ রোগীর সংখ্যাও অনেক বেড়ে গেছে৷ রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো যানবাহনে আগুন দেয়া হচ্ছে৷ অগ্নিদগ্ধ হচ্ছেন সাধারণ মানুষ৷ কিন্তু এই পোড়া রোগীদের চিকিত্সা দিতে গিয়ে চরম হিমশিম খাচ্ছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষায়িত এই ইউনিটটি৷ সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার বিরোধী দলের ডাকা অবরোধের মধ্যে রাজধানীর শাহবাগে বাসে পেট্রোল বোমা হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা৷ এতে ১৯ জন দগ্ধ হন৷ এর মধ্যে মারা গেছেন দুই জন৷
তবুও আঁখিজলে হলুদ স্বপ্ন
শুনেছি কেউ কারো পিছু নিলে ভিকটিম বিষয়টি বুঝতে পারে এবং বুঝেও না বোঝার ভান করে থাকে।কেউ কোনদিন আমার পিছু নিয়েছিল কিনা মনে করতে পারছিনা,তবে এই মুহূর্তে যে কেউ আমার পিছু নিয়েছে সেটা বুঝতে পারছি।লোকটা বেশ লম্বা,পেছনে না ঘুরেও সেটা বোঝা যাচ্ছে।এখন পড়ন্ত দুপুর,সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়তে শুরু করেছে,আর আমি হাঁটছি পূর্ব দিকে।আমাকে ফলো করা লোকটা নিজেকে অনেক দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও একটু পর পর আমার পাশে তার ছায়া এসে পড়ছে।পরক্ষণেই সীমাহীন ব্যস্ততায় ছায়াটি নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছে।
সবার পড়া বনফুলের গল্প!
'শ্রেষ্ঠ' এই শব্দটার ব্যাবহার আমার ভালো লাগে না। ভালো কিংবা সেরা বলা যায় কিন্তু কোনো জিনিসকে এত সহজে শ্রেষ্ঠ বলতে ইচ্ছা করে না। কারন শ্রেষ্ঠ বলার সাথে সাথেই বাকী সব গুলোকে তুচ্ছ ঘোষনা করতে হয়। আর সাহিত্য, নাচ, গান, সিনেমা যাই হোক আর্টফর্মের কোনোকিছুই শ্রেষ্ট বলে রায় দেয়া যায় না। কারন সব কিছু সময় নির্ধারন করে, আজ যা শ্রেষ্ঠ কাল সেটা অতি সাধারণ ব্যাপার বলে হয়ে যেতে পারে। তবুও আমরা শ্রেষ্ঠ বলি, রায় দেই অমুক জিনিসটা সবার সেরা। ঠিক তেমন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রেরও চিরায়ত বাংলা গ্রন্থমালা সিরিজের অসংখ্য বই আছে যা পাঠকদের সুবিধার জন্য ঘোষনা দেয়া যে অমুক লেখকের শ্রেষ্ঠ গল্প বা কবিতা সুলভ সংস্করণে। পাঠকদের জন্য সুবিধা যে তারা বিখ্যাত সব লেখকদের কিছু ভালো লেখা এক বইতেই পাওয়া যায়। আমার এক বন্ধু ছিল নাম মাইনুল। ওর কাছে আমি খুব থ্যাঙ্কফুল কারন ওর বড় বোনের এইসব বইয়ের ছিল আড়ত, আমি নিয়ে নিয়ে পড়তাম আর তাতে ক্লাস টেন এলিভেনেই আমার প্রচুর বাংলা ক্লাসিক জিনিস পড়া শেষ না হলেও কিছুটা পড়ে ফেলা হয়েছিল।
