ইউজার লগইন

শওকত মাসুম'এর ব্লগ

কী পড়ছি, কী দেখছি, কী শুনছি

কী পড়ছি

এক বিবাহিত মেয়ের প্রতি

সেই বয়সের কথা। এক বালিকার সাথে তুমুল প্রেম করি। সেই বালিকা একদিন আবেগঘন হইয়া কইল, বিয়ার পরেও কি তুমি আমারে এইভাবে ভালবাসবা?
আমি কইলাম, অবশ্যই বাসবো। আমি বিবাহিত মেয়েদেরই সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।

গল্প: জয়-পরাজয়

জহির একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাঝারি মাপের কর্মকর্তা। তার আলাদা কোনো বিশেষত্ব নেই। এরকম একজন মানুষ পথেঘাটে দেখতে পাওয়া যায় এবং কেউ মনেও রাখে না। সেই তুলনায় রাজিয়া বানু একদমই অন্যরকম। মুখে একটা আলগা লাবন্য আছে, মানুষ বার বার চোখ ফিরায়। রাজিয়া বানুরে রূপসী বলা যায় যে কোনো অর্থেই। তাদের তিন বছর হলো বিয়ে হয়েছে।

নারী দিবস নিয়ে একটা কিছু লেখার চেষ্টা

১.
শুরুতেই নারীর জয়গান গাই। খানিকক্ষণ আগে দেওয়া হল অস্কার পুরস্কার। এবার সেরা পরিচালক হলেন ক্যাথারিন বিগোলো। অস্কারের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো নারী সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেলেন। তার ছবিটির নাম দি হার্ট লকার। সেরা সিনেমার পুরস্কারও পেয়েছে এটি। আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ ১০০ বছরে পা দিল। এরকম এক দিনে এর চেয়ে ভাল পুরস্কার আর কী হতে পারে।

একদিন খুঁজেছিনু যারে

সাগরের কথা
পাঁচ বছর পর সাথীকে দেখছি। আমরা একই শহরে জীবন যাপন করি। হঠাৎ রাস্তায় দেখা হতেই পারতো। আমার চোখ পাঁচ বছর ধরে সাথীকে খুঁজেছে। কিন্তু কখনো দেখা পাইনি। সেই সাথীকে আজ দেখছি।
অনুষ্ঠানটায় আসবো না বলেই ভেবেছিলাম। মানুষের কোলাহোল আগের মতো আর ভাল লাগে না। নির্জনতা খুব প্রিয় হয়ে উঠছে আজকাল। একা থাকায় অভ্যস্ত হতে শুরু করেছি। তারপরেও বেরোতে হয়, আসতে হয় এরকম দু’একটি অনুষ্ঠানে। এসেছি বলেই সাথীকে দেখছি, পাঁচ বছর পর।  

সাথীর কথা

সাথীর জন্য ২২ গোলাপ


একেই বলে কাকডাকা ভোর। ছোট্ট মফস্বল শহরটায় বাস থেকে এসময়েই নামলো সাগর। মোটেই তার আসার কথা না। সাগর চায়ও না বাসার কেউ দেখে ফেলুক। কিছুসময় থেকেই আবার বাসে উঠতে হবে। পরীক্ষা চলছে, ঢাকায় ফিরে পড়তে বসতে হবে। ফাইনাল পরীক্ষা।

ব্লগর ব্লগর

এই কাহিনীর কোনো চরিত্রের সঙ্গে কেউ কোনো মিল খুঁজে পেলে দায়-দায়িত্ব তার। আমি কিছু জানি না। Frown

ক্লাশে নতুন শিক্ষক এসেছেন। প্রথম ক্লাশ। এসে ভাবলেন প্রথম দিন পড়ালেখা
না করে একটু গল্পসল্প করাই ভাল। তাছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের জানা, পরিচিত হওয়া
এটাও জরুরী।

একটা ভদ্রলোকের গল্প বলি (উৎস্বর্গ-নজরুল ইসলাম পলান)

(আমি তখন এবিতে নতুন আসছি। নজরুল তখন মজার মজার কিছু পোস্ট দিতো। সেই পোস্ট পইড়া আমরা মুগ্ধ হইতাম। আর নুপুর তো প্রেমেই পইড়া গেলো। সেই যুগে এই গল্পটা নজরুল একটা পোস্টে দিছিলো। আমাদের অফিসে সুমনা শারমীন বা সুমী আপার সামনে কোনো বাজে কথা বলা যায় না, তার সামনে বড়দের গল্পও বলা যায় না। একদিন সুমী আপারে এই গল্প শুনাইলাম। তারপর থেকে এই গল্প আমার অফিসে ব্যাপক হিট। রস-আলোর সম্পাদক সিমু নাসের ধরলো তারে এইট

জীবিত বা মৃত ব্যক্তির সাথে কোনো মিল নাই কিন্তু

১.

আলফ্রেড হিচকক মশাই জীবনে একটাই কমেডি বানাইছিলেন। ১৯৪১ সালে মুক্তি পায় মি. অ্যান্ড মিসেস স্মিথ। কঠিন ভালবাসা দুই জনের মধ্যে। একদিন তারা আবিস্কার করলো তিন বছর আগে তারা যে বিবাহ করেছিলেন, সেইটা বিধিমত হয় নাই। নতুন কইরা যখন বিবাহের কথা উঠলো, বাইকা বসলো মিসেস স্মিথ। সে নাকি কোনো অবস্থাতেই এই ছেলেরে আরেকবার বিয়া করবো না।
সিনেমাটা দেইখা একটু ভাবিত হইলাম। মনে মনে চিন্তা করলাম, আমারে যদি এখন কেউ কয় নিজের বউরেই কি আবার বিয়া করবা? তাইলে আমার উত্তর কি হইবো?

২.

একটা শিক্ষামূলক পোস্ট

১.

রাজার ছেলে ও ধোপার ছেলে একসাথে লেখাপড়া করে। বড় হয়ে রাজার ছেলে রাজা হলো, আর ধোপার ছেলে ধোপা। ধোপা প্রতিদিন কাকডাকা ভোরে গাধার পিঠে কাপড় নিয়ে রাজপ্রসাদে যায়, কেউ দেখার আগেই ফিরে আসে।

আমার ধরা খাওয়া অথবা না খাওয়ার গল্প (এইটারও উৎস্বর্গ করলাম নুশেরা আর কাকনকে)

বিদ্যুৎ ভাই চমৎকার গান করেন। বিদ্যুৎ ভাই মানে সুজিত মোস্তফা, আবু হেনা মোস্তফা কামালের ছেলে। অনেকে যেটা জানেন না তা হল বিদ্যুৎ ভাই আসর জমাতে পারেন চমৎকার। সম্ভবত বাবার এই গুণটা তিনি ভালই পেয়েছেন। এই আড্ডা অবশ্য সুশীল না, বড়দের গল্প বলার ক্ষেত্রে এরকম দক্ষতা আমি অন্তত আর পাইনি। বড়দের গল্প না হয় অনেকে শুনুছেন, বড়দের গান? শুনতে হলে বিদ্যুৎ ভাইই ভরসা।

ভারত থেকে ঋণ নয়, বাণিজ্য সুবিধা পাওয়া বেশি প্রয়োজন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের শেষ দিনে অর্থাৎ ১৩ জানুয়ারি
দিল্লির মৌর্য শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক
প্রশ্ন করেছিলেন, তাৎণিকভাবে কোন বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে সুফল বয়ে আনবে। এর উত্তরে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘ভারতের ১০০ কোটি ডলারের (প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা) ঋণসহায়তা আমাদের অনেক উপকারে আসবে।’

অনেকদিন দেখা হবে না, তারপর একদিন দেখা হবে

১. ব্যস্ততা দিচ্ছে না অবসর। হঠাৎ করে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। অফিস থেকেও নতুন কিছু দায়িত্ব পাওয়ায় কাজের চাপও বেড়ে গেছে। ব্লগ পড়া হয়, মন্তব্য করা হয় না, লেখা তো নয়ই। টুটুল ম্যাসেঞ্জারে এসে নক করে, কেন ব্লগে আসি না। অফিস ফেসবুক বন্ধ করে দিছে। প্রক্সি দিয়ে ঢুকলেও আগের মতো সক্রিয় না। কেউ কেউ এসএমএস করে ফেসবুকে আমন্ত্রণ জানালে তবেই ঢোকা হয়। কেমন নিরস হয়ে যাচ্ছি।

২. প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের ফলাফল নিয়ে খুব বেশি উচ্ছসিত হতে পারিনি। ভারত বিরোধী কোনো উগ্র অবস্থান আমার নেই। কিন্তু অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে আমার খানিকটা সমালোচনা করতে চেয়েছিলাম। ইচ্ছা ছিল একটি উপ-সম্পাদকীয় লেখা। মতি ভাইকে বলতেই তিনি বললেন প্রথম পাতার জন্য সংবাদ বিশ্লেষন আকারে লিখতে। লিখেছি, আজ যাচ্ছে। সরকার বিষয়টি কি ভাবে নেয় বুঝতে পারছি না।

যেদিন মোনালিসা দেখতে গেলাম

প্যারিসে গেলে লুভর মিউজিয়ামে যাওয়া নিয়ম। বিশেষ করে মোনালিসা দেখে না আসা অপরাধের মধ্যে পড়ে। তাতে মোনালিসাকেও অপমান করা হয়। তাই প্যারিসে গেলেই মোনালিসাকে দেখে আসতে হয়। মোনালিসার বাস লুভর মিউজিয়ামে।

মুভি ব্লগ: শূন্য দশকের সেরা ১০ ছবি

শূন্য দশকের সেরা ছবি কোন দশটা? এক কথায় উত্তর দেওয়া মুশকিল। একজনের সাথে আরেকজনের পছন্দ মিলবে না। ওয়েব সাইট ঘাটলে একশর বেশি তালিকা পাওয়া যাবে, একটির সাথে আরেকটি সম্পূর্ণ মিল নেই। সমালোচকদের এক রকম পছন্দ, দর্শকদের আরেকরকম। আর গত ১০ বছরে যত ছবি বের হয়েছে তা দেখাও একজনের পক্ষে সম্ভব না। তারপরেও গ্রহণযোগ্য কিছু তালিকা ধরে শূন্য দশকের সেরা ছবির একটি তালিকা এখানে করা যেতে পারে।