শওকত মাসুম'এর ব্লগ
একটা বাফড়া সংক্রান্ত গবেষণামূলক পোস্ট (বড়রাই খালি আইসেন)
ব্যাপক গবেষণামূলক এই পোস্টটা বাফড়া ছাড়া উৎস্বর্গ করার আর কাউকে পাওয়া গেলো না। নজরুলের এক পোস্টে বাফড়ার এই কথাটার পর উৎস্বর্গ না করার কোনো কারণ নাই।
ণিজের প্রফাইল পিক তো বহুত দেকলাম..... ব্রাজিলিয়ান বাফড়া দেখতাম চাই
তাছাড়া কে না জানে আই লাভ বাফড়া।
আমার আর কি দোষ। রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত বাফড়া লাইক করতেন। তার এই কবিতাটা পড়েন...
১
মিডিয়া ভাবনা: আমার দেশ ও দিগন্ত টিভি
১.
মাহমুদুর রহমানকে পছন্দ করার আমার তেমন কোনো কারণ নাই। পেশাগত কারণে তাকে আমি চিনি বহুদিন ধরে। তাঁর কান্ডকীর্তি লিখে শেষ করা যাবে না। যে লোকটির পত্রিকায় লেখা হয়, কেন হিন্দুরা পদোন্নতি পায়-তার তাকে পছন্দ করার মতো কিছু থাকে না। মতায় থাকতে এই লোকটি কীরকম বাড়াবাড়ি করেছে সেটি অনেকেই হয়তো জানেন। এই লোকটির সবচেয়ে বড় সখ্যতা জামায়াতের সাথে।
তিনি (এইটা একটা গল্পের বাচ্চা)
তিনি মানুষটিকে মনে রাখিয়াছেন। বিপদের দিনে আশ্রয় দিয়াছিলেন। তখন সামান্য ঐ আশ্রয়টুকুই ছিল জীবনের জন্য মহামূল্যবান। সেই মানুষটি আজ মৃত্যুশয্যায়। তিনি হঠাৎ করিয়া ব্যক্তিগত সচিবকে ডাকিয়া বলিলেন, তিনি মানুষটির বাসায় যাইতে চান।
জীবন অনেক বদলাইয়া গিয়াছে। এখন আর হঠাৎ করিয়া কোথাও যাওয়া হইয়া উঠে না। তবুও আজ তিনি বাহির হইলেন। মানুষটিকে আর কখনো দেখিতে পারিবেন না বলিয়াই মনে হইতাছে।
যারা মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয়ের স্বীকৃতি চাচ্ছেন
যারা মুসা ইব্রাহীমের স্বীকৃতি চাচ্ছিলেন তাদের জন্য এই খবর। আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়া গেছে। খবরটি দেই আগে।
Md. Musa Ibrahim has been successful to scale Mt. Everest
Md. Musa Ibrahim, member of H.G. International Everest Expedition 2010, has been successful to scale 8,848 meter high Mt. Everest on 23rd May, 2010.
বউরঙ্গ (পোলাপাইনের জন্য না)

সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর পাশে হাত দিয়া দেখি বউ নাই। আবার দরজাও বন্ধ। বউ কৈ গেলো। চোখ মেলে দেখি পায়ের কাছে শোয়া। আমি তারে বললাম, ‘ও, তুমি সকাল সকাল বেহেস্তে গেছো।’ সে বললো ‘মানে কি?’ আমি বললাম, ‘স্বামীর পায়ের কাছেই তো স্ত্রীর বেহেস্ত।’
সিনেমা দেখচক্র : ইন দ্য হিট অব দ্য নাইট ও সিডনি পয়েটিয়র
নজরুলের প্রস্তাবটা মানলাম। অনেকে দেখলাম সমর্থনও করেছে। সিনেমা দেখচক্র। আসুন, তাহলে শুরু করি।
পছন্দের বাংলা ছবি
প্রিয় ১০ বাংলা ছবির এই তালিকা আমি তিন ভাগে ভাগ করেছি। প্রথম ভাগে ভারতীয় বাংলা ছবি। তবে প্রথম তালিকায় আমি সত্যজিত রায়কে রাখিনি। তাঁর জন্য আমার আলাদা একটি তালিকা। আমি সব ভাষার ছবি দেখতেই পছন্দ করি। ভাল হিন্দী ছবিতেও আমার আপত্তি নাই। আজকাল নন হলিউডি ছবি দেখতে বেশি ইচ্ছা করে। খুঁজে খুঁজে তাও দেখছি। বলে রাখছি এই তালিকা এলোমেলো, পছন্দের ক্রম না।
কবিতারা
মাঝে মধ্যে কবিতায় পায় আমাকে। সেল্ফ থেকে কবিতার বই বার করি, বার বার পড়া কবিতা বার বার পড়ি। উপন্যাস বা প্রবন্ধ বারবার পড়া যায় না। কবিতা যায়।
আঞ্চলিক ভাষায় লেখা কবিতা কেমন লাগে? আমি তো মুগ্ধ হয়ে পড়ি।
কাকে দিয়ে শুরু করবো? সৈয়দ শামসুল হক?
জামার ভিতর থিকা যাদুমন্ত্রে বারায় ডাহুক,
চুলের ভিতর থিকা আকবর বাদশার মোহর,
মানুষ বেকুব চুপ, হাটবারে সকলে দেখুক
তারেও তো ভুলতে পারি না
ববিতার পর যার প্রেমে পড়ছিলাম তিনি হইলেন ডিম্পল কাপাডিয়া। ববির ডিম্পল না, ফিরা আসার পর যে ডিম্পল তিনি।

তারে ভুলতেই পারলাম না
মনটা খুবই খারাপ। জব্বার কাগুর বিতলামি দেইখা আমোদ হয়, মন খারাপ হয় না। বার্সা ৩-১ গোলো হারছে, হতাশ হইছি, মন খারাপ করি নাই। সৌরভ দাদার দল সেমিফাইনালে উঠতে পারে নাই, কষ্ট পাইছি। তীব্র মন খারাপ করতে পারে নাই। সন্ধায় সবাই আড্ডা দেয়, তাও মাইনা নিছি। কিন্তু......
বউরে ডরায় না কেডা?
করিম সিদ্ধান্ত নিছে জীবনেও সে বিয়ে করবে না। একদিন সবাই গিয়া ধরলো, কেন বিয়া করবা না। করিমের জবাব, ভয়ে। বিবাহে তার ভয় নাই, ভয় বৌকে। যে জীবনেও বিবাহ করে নাই তার আবার বৌকে ভয়? কেমনে কী?
করিম বললো, অনেক আগে একবার বন্ধুর বিয়ে খাইতে গেছিলাম। ভীড়ের মধ্যে হঠাৎ এক মহিলার শাড়ীর আঁচলে পা পইরা গেলো। সেই মহিলা ঘুইরাই কইলো, চোখের মাথা খাইছো? দেইখ্যা হাঁটতে পারো না? এক চরে দাঁত ফালাইয়া দিবো। কোনো কান্ডজ্ঞান নাই। আন্ধা কোনখানকার।
এইটুক বলার পরই সেই মহিলার চোখ পড়লো আমার উপর। জিহবায় কামড় দিয়া কয়, ও সরি, আপনি। আমি ভাবছিলাম আমার হাজব্যান্ড।
সেই কথা করিম ভাবলে এখনও আইতকা ওঠে। তারপর থেকেই তার প্রতিজ্ঞা, জীবনেও বিবাহ করবে না।
তাইলে পুরান আরেকটা গল্প কই। আগেও সামুতে বলছিলাম।
চোর ধরা পড়েছে। ধরলো আবার দবিরের বউ সখিনা। খালি ধরাই পড়েনি, সখিনা তাকে এমন মার দিয়েছে যে বেচারা চোর হাসপাতালে।
মিশরের দীনা, রানধা কামেল ও আরও কিছু গল্প
দীনার গল্প
মিশরে আমাদের গাইড ছিল দীনা। মিশরের মেয়ে। সে নিজেই জানালো তার বয়স ২৭, বিয়ে করেনি, কারণ একজন পারফেক্ট পুরুষ সে খুঁজে পায়নি। তবে এটা বুঝলাম তার পারফেক্ট পুরুষের খবর আছে। এক সেকেন্ডও কথা না বলে থাকতে পারে না। হয় আমাদের সাথে কথা বলছে, না হয় ড্রাইভারের সাথে, আর তা না হলে ফোনে।
কী পড়ছি, কী দেখছি, কী শুনছি
কী দেখছি
প্লেনে আমি তেমন ঘুমাতে পারিনা। না ঘুমিয়ে সময় কাটানোর সবচেয়ে প্রিয় উপাদান প্লেনেই আছে। আমি একটার পর একটা মুভি দেখি। অনেকগুলো দেখলামও। এর মধ্যে একটা দেখলাম জীবনে দ্বিতীয় বার। একটা হিন্দি ছবি। অনেক আগে দেখেছিলাম, আবার দেখলাম। দর্শকের মৃত্যু হয়নি।
তিসরি কসম, ১৯৬৬ সালের ছবি। আমার দেখা সেরা হিন্দি ছবির একটি। বাসু ভট্টাচার্যের এই ছবিটি অবশ্যই ভারতের সেরা মুভির একটি।
সকলের দোয়াপ্রার্থী
১.
তিনি খুবই বিখ্যাত ব্যক্তি। নোবেলও পাইয়া যাইতে পারেন। একসময় তিনি মিডিয়ার সামনে আসতেন না। একটা রহস্য রাখতে চাইতেন। হঠাৎ কি যেন হইলো. মিডিয়া ক্রেজ শুরু হইলো তার। দুষ্ট লোকেরা বলে তাঁর শুভাকাঙ্খিরা নাকি কইছে নোবেল-টোবেল পাইতে হইলে মিডিয়ায় ঘন ঘন আসতে হবে। তারপর নাকি তার মন ঘুরছে, তিনি মিডিয়ায় পারলে প্রতিদিন আসেন।
