শওকত মাসুম'এর ব্লগ
ফৌজি বাণিজ্য: শেষ পর্ব
অনেকেই হয়তো শুনেছেন। তারপরেও বিবিসির বিশেষ এই ধারাবাহিক প্রতিবেদন এখানে দেওয়ার উদ্দেশ্য দুটি। একটি হচ্ছে, যারা বিবিসি শোনেন না তাদের বিষয়টি জানানো। আরেকটি হচ্ছে নিজের কাছে রেকর্ড রাখা।
রিপোর্টগুলো তৈরি করেছেন বিবিসির কামাল আহমেদ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি স্পর্শকাতর হলেও সবার জানার প্রয়োজন থেকেই আমার এই পোস্ট। মোট তিনটি পর্বে ৯টি রিপোর্ট এখানে দেওয়ার ইচ্ছা ছিল। আজ ৭ম থেকে ৯ম পর্ব। এটাই শেষ পর্ব।
শিল্প পরিচালনায় উদ্যোগী সেনাবাহিনী
ফৌজি বাণিজ্য: দ্বিতীয় পর্ব
অনেকেই হয়তো শুনেছেন। তারপরেও বিবিসির বিশেষ এই ধারাবাহিক প্রতিবেদন এখানে দেওয়ার উদ্দেশ্য দুটি। একটি হচ্ছে, যারা বিবিসি শোনেন না তাদের বিষয়টি জানানো। আরেকটি হচ্ছে নিজের কাছে রেকর্ড রাখা।
রিপোর্টগুলো তৈরি করেছেন বিবিসির কামাল আহমেদ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি স্পর্শকাতর হলেও সবার জানার প্রয়োজন থেকেই আমার এই পোস্ট। মোট তিনটি পর্বে ৯টি রিপোর্ট এখানে দেওয়ার ইচ্ছা। আজ থাকলো ৩য় থেকে ৬ষ্ঠ পর্ব।
ট্রাষ্ট ব্যাংককে ঘিরে বিতর্ক
মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণের ধারণা থেকে যে ব্যাংকের শুরু, শেষপর্যন্ত তা হয়েছে সামরিকবাহিনীর ব্যাংক। আর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রয়োজনে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলো যে প্রতিষ্ঠান সেটি হলো ট্রাষ্ট ব্যাংক।
আবহমান

পত্রিকায় পড়লাম পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ বলেছেন, তিনি না পুরুষ, না নারী। তিনি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ। এ কথা বলার পর ঋতুপর্ণ ঘোষ নিয়ে ফিসফাস অনেক কমে গেছে। আমি ঋতুপর্ণ ঘোষের এই অবস্থানটাকে সমর্থন করি।
বলতে দ্বিধা নেই, এই লোকটি সম্বন্ধে আমার ব্যাপক আগ্রহ। ব্যক্তি ঋতুপর্ণ ঘোষ নয়, তাঁর সিনেমা নিয়েই আমার ব্যাপক আগ্রহ। পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের বড় ধরণের ভক্ত আমি। সব চরিত্র কাল্পনিক ছবিটা দেখে আমি কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না, এই ছবিটা নিয়ে কিভাবে লেখা যায়। খেলা, দোসর বা তিতলী খানিকটা সহজ সিনেমা। সব চরিত্র কাল্পনিক ছবিটাকে সিনেমাকাব্য বলা যায়। কালপুরুষ ছবিটা দেখে যেরকম বিভ্রান্ত লাগে, সেরকম মনে হয়েছিল সব চরিত্র কাল্পনিক দেখে।
আজকের এই লেখার বিষয় অবশ্য তার নতুন ছবিটা, আবহমান। আবারও বলি আমি মুগ্ধ।
মন্ত্রী মহোদয়ের মুঠোফোন আলাপ
আমরা মন্ত্রী মহোদয়ের জন্য বসে আছি। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ৪টায়। দুজন মন্ত্রী থাকবেন। কেবিনেট মিটিং আছে, তাই দেরি হচ্ছে। একজন মন্ত্রী চলে আসলেন সাড়ে ৪ টায়। আরেকজনের অপেক্ষায়।
মূল মিলনায়তনের পাশেই আয়োজক সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের অফিস। সেখানে বসানো্ হলো মন্ত্রীকে। চা খেতে খেতে গল্প হচ্ছিল নানা বিষয়ে।
এ সময়ে মন্ত্রীর সেলফোনটা বেজে উঠলো। মন্ত্রী কি কথা বলেন, কার সাথে বলেন-উৎসুক আমরা সবাই।
ওপাস থেকে...........
মন্ত্রী-লেখাটা পড়ছি। লিখলে কী করবো বলো। .........ভাই, অনেক সিনিয়ার মানুষ। তাকে আমরা সবাই ভালবাসি। তিনি যদি লেখেন মন্ত্রী সভা পরিবর্তনের সময় এসেছে তা তো তিনি বলতেই পারেন।
ওপাস থেকে-----------
ফৌজি বাণিজ্য: প্রথম পর্ব
অনেকেই হয়তো শুনেছেন। তারপরেও বিবিসির বিশেষ এই ধারাবাহিক প্রতিবেদন এখানে দেওয়ার উদ্দেশ্য দুটি। একটি হচ্ছে, যারা বিবিসি শোনেন না তাদের বিষয়টি জানানো। আরেকটি হচ্ছে নিজের কাছে রেকর্ড রাখা।
রিপোর্টগুলো তৈরি করেছেন বিবিসির কামাল আহমেদ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি স্পর্শকাতর হলেও সবার জানার প্রয়োজন থেকেই আমার এই পোস্ট। মোট তিনটি পর্বে ৯টি রিপোর্ট এখানে দেওয়ার ইচ্ছা। আজ থাকলো প্রথম তিনটি পর্ব।
ফৌজি বাণিজ্য:উত্তরাধিকার
ঢাকার বাইরে মফস্বলের কোন শহরে আপনি যদি আইসক্রিম খেতে চান তাহলে হতে পারে যে আইসক্রিমটি আপনি খাচ্ছেন তা সেনাবাহিনীসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তৈরী।
ওদের জানিয়ে দাও
কাল গিয়েছিলাম কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (সিএজি) অফিসে, একটা প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে। যারা আমারে আদৌ পাত্তা দিতে চান না, তাদের বলি, সেখানে আমি একটা ক্লাশ নিতে গেছিলাম। সিএজি কার্যালয়ে একটা মিডিয়া সেল খোলা হবে, তাই সাংবাদিকতা কী জিনিষ আর সাংবাদিকরা কী বস্তু সেইটা জানানোর উদ্দেশ্যেই যাওয়া। এইটা একটা আমার জন্য লাভজনক প্রকল্প।
সেখান থেকে বের হওয়ার পর মনে হলো পথেই যেহেতু, তাই একবার সাগর পাবলিশার্স ঘুরে যাই। আগে এক সময় উপন্যাস ও গল্পের পাড়ায় খালি ঘুরতাম। এখন সেখানে আর যাইই না। আর নতুন কোনো ভাল উপন্যাস বের হয়েছে বলে অনেকদিন খবর খবর পাই না। তাই বিশেষ কিছু না হলে উপন্যাস থেকে আগ্রহ কমে গেছে।
টুকরো ইতিহাস-২: পরের বউ
প্রতি সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। এখানেই গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয, সিদ্ধান্তও হয়। অনেক গোপনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনার একটি জায়গাও এই বৈঠক। এরশাদের সময় ছিল মিনি কেবিনেট। অল্প কয়েকজনকে নিয়ে বসতো এরশাদ।
গতকালও ছিল মন্ত্রিসভার বৈঠক। বৈঠক যখন শেষ তখন প্রধানমন্ত্রী দুজন মন্ত্রীর নাম ধরে বললেন, এই দুজন ছাড়া সবাই চলে যান। তারপর আরও তিনজন মন্ত্রীকেও বলা হল থাকতে। আলোচিত দুজন মন্ত্রীকে নিয়ে এরপর বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি তিন মন্ত্রী ছিলেন দর্শক। কী আলোচনা?
-আমি কী করে বলবো? আমি কী ছিলাম নাকি?
যারা ছিলেন তারা যদি ভবিষ্যতে কিছু লেখেন, তাহলেই জানা যাবে।
কেউ কেউ যে লেখেন না তা নয়। একজন সাবেক সচিব লিখে গেছেন এ ধরণের নানা বৈঠকের কাহিনী। সেটা বরং বলি-
৩ এপ্রিল, রোববার, ১৯৭৭
আজও আমার জন্মদিন
আজ ২৯ সেপ্টেম্বর। ১৪ আশ্বিন, ১৯ শাওয়াল। আজকে আমার জন্মদিন। আমার আরও একটা জন্মদিন আছে। আরে না না, এইটা খালেদা জিয়া সিনড্রম না, এইটা অন্য কাহিনী।
আমার আরেক জন্মদিন হল ২৭ মার্চ। তবে ২৭ মার্চে আমার তেমন কোনো কষ্ট করতে হয় নাই। কেমনে কেমনে দুনিয়ায় আসছিলাম তাও মনে নাই।
কিন্তু ২৯ সেপ্টেম্বরের কথা খুব মনে আছে, প্রতিটা মুহূর্ত। মনে থাকবেই বা না কেন? এই জন্মদিন করা খুব সহজ কাজ না। মেলা পরিশ্রম করতে হয়। টেন্ডুলকারের মতো ব্যাটে-বলে মিলাতে হয়, তারপরই তো ছক্কা মারা যায়।
ম্যালা যে পরিশ্রম করতে হয়, তা বিশ্বাস না হলে মেজবাহ ভাইরে জিগান। তারেও ম্যালা পরিশ্রম করতে হইছে। তারপরই তো ফল পাইছে। শোনা যায় রায়হান ভাইও পরিশ্রম বাড়াইয়া দিছে।
পরিশ্রম তো আছেই, আরও আছে নানা ধরণের অনিশ্চয়তা।
বইয়ের ঝাপি
আমি তখন ক্যাডেট কলেজে পড়ি, আর আমরা থাকতাম নাখাল পাড়ায়। সে সময়ে একটা সেল্ফ কেনা হল। সেল্ফের তিনটা তাক। উপরেরটায় স্থান পেলে কাপ-পিরিচ-প্লেট-গ্লাস ইত্যাদি। নীচের তাকে আমার ছোট ভাইয়ের নানা ধরণের খেলনা। আর মাঝের তাকটা আমি দখল করলাম, তখন আমার সংগ্রহে ১০/১৫টা বই। এর বেশির ভাগই পুরস্কার পাওয়া। একটা সময় সেই সেল্ফ পুরোটাই আমার দখলে এলো। কিন্তু তাতেও বই ধরে না। তারপর কিনলাম আরেকটা। একসময় এই সেল্ফও বইয়ে ভরে গেল। গত বছর অটবি থেকে কিনলাম আরেকটা। সেটিও এখন ভর্তি।
এর মধ্যে সবচেয়ে পুরানোটা বয়সের ভারে আক্রান্ত। ঈদের ছুটিতে বসেছিলাম পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে। বিশেষ করে সামনে পেছনের সারির বইগুলোর দিকেই মনোযোগ দিতে হল, যেগুলো খানিকটা ছিড়ে গিয়েছিল অতি ব্যবহারের কারণে। কিংবা কিনেছিলামই পুরান বই, ফু্টপাত থেকে।
টুকরো ইতিহাস-১
এইটা আমার নতুন ব্লগ প্রকল্প। ইতিহাসের ছোট ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়ে ছোট ছোট পোস্ট লেখা। সবাই পছন্দ করলে এটা চলতে পারে।
শুরুটা মওদুদ আহমদকে নিয়ে।লেখক মওদুদকে আমার খানিকটা পছন্দ। তাঁর বলা ও লেখার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। তাঁর একটা বই চলমান ইতিহাস-জীবনের কিছু সময় কিছু কথা ১৯৮৩-১৯৯০। দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে প্রকাশ, ২০০৯ সালে। সেখানে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অনেক কিছুই লিখছেন। তবে আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে এ বিষয়টি।
তিনি লিখেছেন,
দলের জন্য আমি কোন চাঁদাও তুলিনি, আর তাই অন্যায়ভাবে কোন কাজও আমাকে কারো জন্য করতে হয়নি। ......এই চাঁদা নিয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে আমার ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। মাসে তিন লাখ টাকা করে দশজন মন্ত্রীকে দলের জন্য চাঁদা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি এভাবে চাঁদা দেওয়ার পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিলাম।
ইচ্ছাকৃত, অজ্ঞতা নাকি অসাধুতা
আজকের পত্রিকায় ছাপা হওয়া সংবাদটা এরকম।
জাতিসংঘ পদক গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি), বিশেষ করে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনায় সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘ পদক (অ্যাওয়ার্ড) পেয়েছে। নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যায় ম্যানহাটনের একটি হোটেলে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পদক গ্রহণ করেন। এর আগে রোববার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে এসে পৌঁছান।
আমি যদি হতাম
১.
ঈদ সংখ্যা সাপ্তাহিক-এ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী আত্মজীবনী লিখেছেন। সেখানে এক জায়গায় বলেছেন, ‘কে না জানে এই বাংলাদেশে সুস্থ থাকাই এখন সবচেয়ে বড় সাফল্য’।
আমার দেখা সেরা ১০ ছবি, আপনার তালিকাটা শুনি তো
এইটা নতুন ভাবনা। ভাবলাম প্রতিবছর আমার দেখা সেরা ১০ সিনেমার একটা তালিকা হালনাগাদ করবো। কারণ তালিকা প্রতিবছর বদল হয়। নতুন নতুন সিনামা দেখি, ফলে তালিকাও বদলে যায। ২০০৮ সালে একটা তালিকা করেছিলাম। সেই তালিকা মিলিয়ে দেখি মিলছে না। কিছু বাদ পড়ছে, কিছু আবার তালিকায় ঢুকছে। তাই ভাবলাম তালিকা একটা করেই ফেলি।
স্বজাতি কুকুর ও সেই সব যুদ্ধবন্দী
‘একাত্তরের সংকটের জন্য কিছু লোক সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে, আবার কেউ কেউ দায়ী করছে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে। বাংলাদেশের অনেক রাজনৈতিক নেতাও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। এমনকি বাংলাদেশের মানুষ এখনো বিশ্বাস করে যে আমরা সঠিক ছিলাম। গোলাম আজম সাহেবসহ সাধারণ মানুষ এখনো মনে করেন না আমরা ভুল করেছি।’

