শওকত মাসুম'এর ব্লগ
প্রেসার, চারিদিকে প্রেসার
১.
আমাদের অফিসে ব্লাড প্রেসার মাপার একটা যন্ত্র আছে। সেইটা থাকে প্রশাসনে। সেখানে কাজ করে কুসুম (ছদ্ম নাম)। আমাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে শাড়ি পরে এসে আমার সামনে এসে জানতে চাইছিল তাকে কেমন লাগছে। আমি সেই ঐতিহাসিক বাণী দিছিলাম। বলছিলাম, 'পরের বউয়ের মতোই লাগছে'।
তাকে অবশ্য সবসময়ই এরকম লাগে।
প্রায়ই দেখি অফিসের কেউ না কেউ কুসুমের কাছে যাচ্ছে এবং ব্লাড প্রেশার মাপছে। সবারই প্রেসার অস্বাভাবিক। দেখা গেল আমাদের অফিসের সবাই উচ্চ ব্লাড প্রেশারের সমস্যায় ভুগছে। বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করলো।
অফিসের কাজের চাপ বেশি। সবাইকে অতিরিক্ত খাটায়। এই ধারণাটা সবার মধ্যে বেশ পোক্ত হয়ে গেল। সবারই ধারণা কাজের চাপেই ব্লাড প্রেসার বাড়ছে। অসন্তোষ ধুমায়িত হল।
অটোগ্রাফ দেখেছেন? গানগুলো শুনছেন?
নানা ব্যস্ততার কারণে সিনেমে দেখা কমে গেছে। অসংখ্য ছবি আছে, দেখা হয় না। সময় আমার সব সময় কেড়ে নিচ্ছে। দেখবো বলে গত শুক্রবার অনেকগুলো সিনেমা কিনলাম। আবার দেখা শুরু করবো ভাবছি। ব্যস্ততা তো থাকবেই, কিন্তু জীবন থেকে আরও অনেক কিছুর মতো সিনেমা দেখার সময়, বই পড়ার সময়, গান শোনার সময় আমি হারিয়ে ফেলতে চাই না।
এখন ছবি দেখা হয় কম। ভাল হয়েছে শুনলেই দেখার আগ্রহ বেশি হয়। আবহমান ছবি নিয়ে লেখার সময় বাতিঘর বলেছিল ছবিটার কথা। সেটা কিনলাম এবং দেখলাম। ছবিটার নাম অটোগ্রাফ।

শেয়ারবাজার: দায় সরকারেরই
দেশের শেয়ারবাজার যে পর্যায়ে গিয়েছিল, তাতে পতন অনিবার্য ছিল। প্রশ্ন ছিল, পতন কখন হবে এবং কী গতিতে হবে। শেষ পর্যন্ত পতন ঘটল। তবে ধারণার আগে এবং অনেক দ্রুতগতিতেই সেটি হয়েছে। যত দ্রুতগতিতে বাজার বেড়েছিল, তার তুলনায় অনেক কম সময়ে বাজারের পতন ঘটল।
বাজার এখন ক্রেতাশূন্য বলা যায়। রাতারাতি লাখপতি হওয়ার জন্য যাঁরা বাজারে ছুটে এসেছিলেন, তাঁরা এখন যেকোনোভাবে বাজার থেকে বেরিয়ে যেতে মরিয়া হয়ে পড়েছেন। আর এ কারণেই কিছুতেই পতন ঠেকানো যাচ্ছে না। সবাই এখন শেয়ার বিক্রি করার দীর্ঘ সারিতে।
পেচ্ছাপেচ্ছি: ভার্সন ২০১১
বছরের প্রথম দিনে পোস্ট না দিলে মনটা খারাপ থাকবে সারাবছর। তাই ভাবলাম লিখেই ফেলি। আর পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে পেচ্ছাপেচ্ছিই আমার সবচেয়ে পছন্দ।
১.
এখন পড়ছি নির্মল সেনের আমার জবানবন্দী। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংবাদিক জীবনের গল্প। সমাজতন্ত্রী এই রাজনীতিবিদ আজীবন সবার মনে থাকবেন একটা লাইনের জন্যই-স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই।
গোলাপি এখন ট্রেনে সিনেমায় ভিলেন এটিএম শামসুজ্জামান একবার একজনকে গালি দিয়ে বলছিল-শালা কমিউনিষ্ট। সে সময়ে সমাজতন্ত্রের এতো খারাপ অবস্থা ছিল না। এখন আগের দিনের সেইসব বিপ্লবীদের পরিণতি দেখে সেই গালিটা মাঝে মধ্যে দিতেও ইচ্ছা করে।
তারচেয়ে সেই পুরান কবিতাটা বলি...
আমার যে বন্ধুরা পৃথিবীকে বদলাবে বলেছিল
ত্বর সইতে না পেরে
এখন তারা নিজেরাই নিজেদের বদলে ফেলছে।
(সুভাষ মুখোপাধ্যায়)
পিকনিক রঙ্গ
১. সেরা ধরা খাওয়া......
সবাই বাসে বসে আছে। কিন্তু বাস আর ছাড়ে না। মেসবাহ ভাই বাস ছাড়তে কিছুতেই রাজী হচ্ছেন না। সবাই অস্থির, কিন্তু মেসবাই অনড়। কাহিনী কী? কাহিনী হচ্ছে একটা ফোন। মেসবাহ ভাইয়ের হলুদ ফোনে একটা ফোন আসে, আর মেসবাহ ভাই গাড়ি ছাড়তে না করে।
বিষয় হচ্ছে একজন আসছে, তাকে পিকনিকে নিয়ে যেতে হবে। সে আসলো ৪০ মিনিট পর। সাথে ফুল ফ্যামিলি। আসলো গাড়িতেই।
এসেই বলে, আপনাদের বাসরে তাহলে আমরা ফলো করি........
২. আবারও সেরা ধরা খাওয়া.......
রায়হান ভাইয়ের একটা মন্তব্য.......আপনার এই কালেকশনটা ভাল হয় নাই।
এর ব্যাখ্যা করা সম্ভব না।
৩. সেরা জামাই.....
সবাই ঘুরে বেড়ালো, বউ তাস খেললো, তিনি ভাল করে খেতেও পারলেন না, কিন্তু ছেলেকে খাওয়াতে হলো...
তার দুঃখে চক্ষে পানি চইলা আসছিলো। আমার একার না, অনেকেরই।
পিকনিক নিয়া দুইটা শিক্ষামূলক ঘটনা
পিকনিকে তো যাইতাছেন? বউ নিয়া যাবেন? তাহলে আসেন একটা গল্প কই।
একবার এক কামেল লুক বউ আর ছেলে নিয়া গেল পিকনিকে। এই লুকের মূল কাজ বউয়ের পিছন পিছন ঘুর ঘুর করা। নিজের বউয়ের পিছন যে ঘুর ঘুর করতে পারে সে যে কামেল লুক এই নিয়া আর সন্দেহ নাই।
পিকনিক নেতা দাদাভাই সকাল থেইকাই খালি রান্দে, আর রান্দে। কিন্তু রান্দোন আর শেষ হয় না। সকাল যায়, দুপুর গড়ায়, বিকালও যায় যায়। কিন্দু রান্দা চলতাছেই।
পরে দাদাভাই বুদ্ধি কইরা ভাপা পিডাওয়ালারে বসাইয়া দিল। শীতের বিকালে পিডা বানায়, আর সাথে সাথে ফুরুত। লাইনে না খাড়াইলে পিডা নাই।
ঐ লুকের পোলার লাগছে জবর খিদা। সেও আইসা লাইনে খাড়াইতে চায়, কিন্তু কামেল বাপ কয়, যাও, যাও, এখনই খাবার খাইবা। পিডা খাওন লাগবো না।
কিন্তু দাদাভাইয়ের রান্দোন আর শেষ হয় না।
কামেল লুকটা গেল বউয়ের কাছে। যাইয়া শোনে পুত্র তার মায়েরে বলতাছে,
আইজকের ডায়লগ-কত আছে?
দুই ভাই। নাম ধরেন দবির আর ছবির। দবির বড়, ছবির ছোট। প্রশ্ন করতে পারেন, নাম দবির আর ছবির কেন? রায়হান আর টুটুল না কেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারুম না। তাছাড়াও স্টাট্যাসেও মিলবে না। সিনেমায় থাকা না জীবিত বা মৃত কারো সাথে সম্পর্ক নাই-মনে করেন সেইটাই।
যাই হোক, মূল গল্পে আসি। দবির আর ছবিররা গরীব। তাদের মা একদিন মুড়ি ভাইজা মোয়া বানাইয়া দুই ভাইরে ডাইকা কইলো, যা বাজারে যা, বিক্রি কইরা আয়।
তাদের মা দবির আর ছবিররে কইলো একেকটা মোয়া ১০ পয়সা কইরা বিক্রি করতে হইবো। তারপর বড় ভাই দবিরের হাতে ১০ পয়সা দিয়া কইল, এইটা হইল পথ খরচা। রাস্তায় ক্ষুধা লাগলে কিছু কিনা খাইস।
এক ব্যাগ মোয়া নিয়া রওয়ানা দিল দুই ভাই। পথে লাগছে ক্ষিধা। দবির ছবিররে কইল-তোরে আমি ১০ পয়সা দেই তুই আমারে একটা মোয়া দে।
ছবির একটা মোয়া দিল। ১০ পয়সা এখন ছবিরের কাছে।
আতঙ্কের বাজারে বুঝেশুনে পা ফেলুন
গৌরী সেন ছিলেন ১৭-১৮ শতকের সুবর্ণবণিক সম্প্রদায়ের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। নানাভাবে তিনি বিপদগ্রস্ত মানুষকে অর্থসাহায্য করতেন। সেই থেকে বলা হয়, ‘লাগে টাকা, দেবে গৌরী সেন’।
জীবনের জন্য প্রয়োজন সঞ্চয়। একটা সময় ছিল, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য কিছু অর্থ রাখতেই হতো। আর এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পাশাপাশি যোগ হয়েছে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্যের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু এখন আর গৌরী সেন নেই। তবে অর্থ প্রয়োজন। কে দেবে অর্থ?
আবারও পেচ্ছাপেচ্ছি
১.
অফিসে আমি ভদ্রলোক। কিন্তু নিষ্ঠুর এই পাপিষ্ট সমাজে ভদ্রলোক হইয়া থাকাটা মুশকিল। সব অফিসের মতো আমার অফিসেও একটা ক্যান্টিন আছে। সেইখানে চা-কফি বিক্রি হয়। ফলে পানি গরম হইতেই থাকে। যে বিল্ডিং-এ পানি গরম হয় সেইখানে ভদ্রলুক হইয়া থাকাটাই নিয়ম।
আমার অফিসের দুষ্ট ছেলেরা নানা বিষয় নিয়ে গল্প করে। এর মধ্যে সবচয়ে চরম মিথ্যা গল্পটা হইল অফিসে নাকি আমার সঙ্গে দেখা করতে কখনোই কোনো ছেলে আসে না (আমার বাড়ি বরিশাল, চিটাগং না)। দুষ্ট ছেলেরা বলে আমার কাছে নাকি সবসময় মেয়েরাই দেখা করতে আসে, তাও আবার সুন্দরী টাইপ মেয়ে (ইয়ে মানে জয়িতা ও জেবীন কি কখনো আমার অফিসে আসছিলা?)।
উইকিএডাল্টসলিকস: দি বাংলাদেশ ভার্সন
একসময় ব্লগটা ভাল ছিল। মন খুইলা কথা কইতাম। এখন কেমন যেন সুশীল সুশীল লাগে। আমার এই সুশীল ব্লগ ভাল লাগে না। সুতরাং যারা আমার সাথে একমত না তারা এই পোস্টে ঢুইকেন না।
১.
অবশেষে আমগাছ হইল জাতীয় গাছ। আমার তো মনে হয় জাতীয় গাছ বাঁশ হইলেই বেশি মানাইতো। মন্ত্রীসভার বৈঠকে অবশ্য বাঁশের সাথে কোনো রকম প্রতিযোগিতা ছাড়াই আম গাছ জাতীয় গাছের স্বীকৃতি পাইছে। এই তথ্য সবারই জানা। কিন্তু ঘটনার এখানেই শেষ না। আরও আছে।
পছন্দের ১০ বাংলা ছবির গান
ঈদের টিভি অনুষ্ঠানের মধ্যে তুলনামূলক নতুন সংযোজন সরাসরি গানের অনুষ্ঠান। সম্ভবত এটি শুরু করেছিল একুশে টিভি, এখন সবাই করছে। রাত ১২টার দিকে শুরু হয়ে চলে মধ্য রাত পর্যন্ত। গত ঈদে তো আইয়ুব বাচ্চু ভোর সাতটা পর্যন্ত গান গেয়েছিলেন। এবার আবার দেশটিভি কোলকাতা থেকে চন্দ্রবিন্দু ও দোহার ব্যান্ড এনে গান শুনালো।
গতরাতে ছিল সামিনা ও ফাহমিদা-দুই বোনের গান। আমি আবার সামিনার বিশাল বিশাল ভক্ত। দুই বোন একসঙ্গে গাইল তুমি কখন এসে দাঁড়িয়ে আছো..... মাহমুদুন নবীর সেই বিখ্যাত গান। অসাধারণ একটা গান, তার দুই মেয়ে গাইলোও অসাধারণ। গানটা শুনতে শুনতে ভাবছিলাম সেরা বাংলা গান কোনগুলো? বিশেষ করে সিনেমার।
চমৎকার এক আড্ডার কাহিনী
ঈদের তিনদিন বন্ধ। সাথে এক শুক্রবার। ফলে সবমিলিয়ে ৪দিন বন্ধ। আর শনিবার যাদের অফিস করতে হয় না, তাদের অবস্থা আরও ভাল। তারপরও কথা থাকে। টানা চার-পাঁচ দিন ঘরে বসে বসে টিভি দেখা সহজ না। হয় টিভি দেখতে হবে, না হয় বউ দেখতে হবে। আমরা যারা বউদের ভয় পাই না এবং বউ কিছু বললে চুপচাপ থাকি তাদের পক্ষে টানা ঘরে বসে থাকা আরও কঠিন।
এদিক থেকে এবির একটা ভাল অভ্যাস আছে। এবির লুকজন আড্ডা মারতে বড়ই ভালবাসে। এদিক থেকে রায়হান ভাইয়ের উৎসাহ বরাবরই (লুকটা কেন যে ঘরে থাকতে চায় না?)। আর মেসবাহ ভাইয়ের ব্লগার হওয়ার একমাত্র যোগ্যতাই হল তার ওখানে আড্ডার একটা ভাল জায়গা আছে।
পাঠচক্র ব্লগ:লরেন্স লিফশুলজ-এর এই লেখাটি পড়েছেন?
লেখাটা এখানে দেয়ার লোভ সামলানো গেল না। জরুরী এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা লেখা। লেখাটা অনেক বড়। আগ্রহী পাঠকরা পুরোটাই পড়তে পারেন। তবে আমি গুরুত্বপূর্ণ চারটি অধ্যায় এখানে দিচ্ছি। ব্লগে এতো বড় লেখা হয়তো পুরো আসবে না। তাই বিশেষ বিশেষ অংশ এখানে দিলাম।
লেখাটার নাম বাংলাদেশ: প্রতিশ্রুতি, বিপদ ও আশা
লেখক লরেন্স লিফশুলজ।
১.
কোন সিপাহী, কোন জনতা, কিসের বিপ্লব
সেই ১৯৭৫ সাল থেকে শুনে আসছি ৭ নভেম্বর সিপাহী বিপ্লবের দিন। আর এই দিনটি সরকারি ছুটি থাকে, পালন করা হয় সংহতি দিবস হিসেবে। এই সংহতি সিপাহী আর জনতার।
কোন সিপাহী
১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত রক্তাক্ত সময় নিয়ে অনেক বই লেখা হয়েছে। তবে সবই সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের লেখা। একমাত্র ব্যতিক্রম ‘সৈনিকের হাতে কলম’। নায়েক সুবেদার মাহবুবর রহমানের লেখা। সুবেদার মাহবুব বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সভাপতি ছিলেন। এই সেই বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা, যাদের হাত ধরে সমাজ বিপ্লব করতে চেয়েছিলেন কর্ণেল তাহের।
পুরো বইটি পড়ে আমি বড় ধরণের ধাক্কা খেয়েছি। এই যদি হয় বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার প্রধান ব্যক্তির চিন্তা ভাবনা, তাহলে সেই বিপ্লব নিয়ে আতঙ্কিত হওয়াই স্বাভাবিক। সন্দেহ নেই সুবেদার মাহবুব অত্যন্ত সাহসী। কিন্তু বিপ্লবী কোনোভাবেই বলা যায় না। খানিকটা বিপথগামী বলা যায়। আর বড় ধরণের ভারত বিদ্বেষী।
আবারো পেচ্ছাপেচ্ছি
১.
আজকাল খুব বেশি টিভি দেখা হয় না। যত বেশি চ্যানেলের সংখ্যা বেড়েছে, টিভি দেখা তত কমেছে। তার মানে এই নয় যে, টিভির সামনে বসে থাকি না। অনেক সময় টিভি চলে, চ্যানেল থেকে চ্যানেলে যাই কিন্তু টিভি দেখি সেটা বলা যায় না। এর চেয়ে বরং মুভি দেখাই বেশি পছন্দের।
এর মধ্যে অবশ্য গত ঈদের চারটা নাটক অখন্ড মনোযোগ দিয়ে দেখেছিলাম। তাও আবার সমালোচক হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে। প্রথম আলোর আনন্দ পাতায় ঈদের অনুষ্ঠান নিয়ে একটা বিশেষ আয়োজন ছিল। আর তা হচ্ছে ঈদের নানা অনুষ্ঠানের মধ্য থেকে ভালগুলো নিয়ে লেখালেখি করা। আমার ভাগ্যে পড়েছিল চারটি নাটক।