চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৩
১।
সেদিন মেঘকন্যাদি আমাদের রাজশাহীর পোলাপাইনরে ধুয়ে দিলো আমরা ঠিক মতো ইংরেজী পারি না বলে। উনি মনে হয় ভুলে গেছেন কবিগুরু বলেছেন ‘’আগে চাই বাংলাভাষার গাথুঁনি..................’’
২।
কোরিয়ানরা কবিগুরুর এইকথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। মাস্টার্স পাশ লোকজন ইংরেজী বুঝে না এই রকম লোক এখানে হাটেঁ মাঠে ঘাটে সব জায়গাতে দেখা যায়। আর যে বনে বাঘ নাই সেই বনে শিয়াল রাজা আমাদের হয়ছে সেই দশা।লোকজন আমাদের ইংরেজী বলা দেখে হাঁ হয়ে থাকে? ডিপার্টমেন্ট ফরেনার স্টুডেন্টদের মিটিংয়ে ডিন জিজ্ঞাসা করে তোমরা এতো ভালো ইংরেজী কি ভাবে পারো? আর কারো কথা জানি না আমি আমারটা জানি আর ঢোকঁ গিলি। যে কিনা কোনমতে পাশ করে এসেছে এসএসসি এবং এইচএসসিতে

পিন আপ পত্রিকা
সকালে যেখানে দাঁড়িয়ে চা সিগারেট টানি কাজে যাওয়ার আগে, সেটার সাথেই একটা পত্রিকাস্ট্যান্ড, কখনও সেখানে মনোযোগ দিয়ে দেখা হয় নি আগে, আজ খেয়াল করে দেখলাম সেখানে বেশ কিছু পত্রিকা রাখা " শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য", এমন শিরোণাম দেওয়া পত্রিকা বাংলাদেশে কয়টা ছাপা হয় আমার জানা নেই, বাংলাদেশের "প্রেস পাব্লিকেশন সংস্থা" কিংবা তথ্য অধিদপ্তর এমন পত্রিকা প্রকাশের অনুমতি দেয় কি না এটাও আমার জানা নেই, কিন্তু পত্রিকা স্ট্যান্ডে জায়গা করে নেওয়ার মতো পাঁচ থেকে ছয়টি পত্রিকা কিংবা বই দেখে বুঝলাম যৌনতা বিষয়ে আমাদের সামাজিক গ্রহনযোগ্যতার মাত্রা বদলেছে।
"আমার আমি"
খুব ছোট বেলায় বাবার উপর বেজায় রাগ ছিল । অভিযোগ অনেক । খেলতে দেয় না , সব কার্টুন দেখতে দেয় না আরো কত কি ? কিন্তু এখন ভাবি কি বোকাই না ছিলাম । প্রথম যখন কম্পিউটার দেখি আবাক হয়ে দেকতাম মনিটর টাকে ।ভাবতাম কি জিনিস বানাইছে আল্লাহ্ ।কিছুদিন পরে বুজলাম আসলে কীবোর্ড টাই হলো কম্পিউটার ।অনেক দিন পর এক বড় ভাই বললেন নিচের বক্সটা হলো CPU এবং আসল কম্পিউটার ।এই ধারোনাটা বহন করেছি অনেক বছর। এখনো মনে পড়ে ১৯৯৮ সালে বাসে করে চট্রগ্রাম থেকে ঢাকা আসছি এসি বাসে । আমার বাম পাসে এক ছাত্র যাচ্ছে । তার কোলে তাওল পেচানো একটি বস্তু ।তার এক সঙ্গি ড্রাইভারকে বলছে ভাই আমরা একটা হার্ডডিস্ক নিয়ে যাচ্ছি গাড়ি যেন বেশি লাফালাফি না করে । ঐ সময়েতো শীততাপ নিয়ন্ত্রিত রুম ছারা কম্পিউটার চিন্তাই করা যেত না । আর সেই রুমে যেতে হবে খালি পায় ।আর কম্পিউটার কেনার আগে বাসায় এসি অবশ্যই লাগাতে হবে।
ক্রী পাখিটা ঘুরে বেড়ায় প্রিয় পোস্টের আলমিরায়
১
লস্ট ইন ট্রান্সলেশন দেখে মাথা ফুলস্পীডে ঘুরতেসে। আহা আমারও তো কত রাত ঘুম আসে না। কিন্তু তাতে কি আর স্কারলেট জোহানসন মেলে? মুভির শুরুতে যখন কুশীলবদের নাম দেখায়, সেই সীনটা দূর্দান্ত। একটি মেয়ে পাশ ফিরে শুয়ে আছে। পরনের হালকা মিষ্টি কালারের প্যান্ট আর পেছনের দেয়াল একই রঙএর। তারচে' একটু ব্রাইট মেয়েটির গাএর রঙ। অসাধারণ কম্বিনেশন! আর মুভির কাহিনী, কিছুই বললাম না। লাইফের এই দূর্দান্ত এ্যঙ্গেলটা কয়জন মানুষ দেখতে পায়?
২
পৌণপুণিক গন্তব্যের অপেক্ষা
সশব্দ সন্ধ্যা নেমে আসে নাগরিক রাজপথে।
কালো ধোঁয়া, সাদা ধোঁয়া
উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে গুমোট চারদিক।
ঘাম জড়ানো জুলফি আর কপালে
চটচটে ধুলো।
কর্মক্লান্ত শরীর মনের আবর্জনায়
সহযাত্রীদের জড়িয়ে নেবার প্রচেষ্টায় ব্যাস্ত সকলে।
অন্যের ঘামে ঘাম ছুঁইয়ে বসে থাকা মানুষগুলোর
মৃতপ্রায় চোখ থেকে স্বপ্ন ছুটি নিয়ে চলে গেছে বহুদুরে।
অপেক্ষা তাই পৌণপুণিক গন্তব্যে পৌছোনোর।
____________________________________
dM
MMr
4MMML .
MMMMM. xf
. "M6MMM .MM-
Mh.. +MM5MMM .MMMM
.MMM. .MMMMML. MMMMMh
)MMMh. MM5MMM MMMMMMM
3MMMMx. 'MMM3MMf xnMMMMMM"
একটি জানালার গল্প
খেলাপী হিসাবে আমার সুখ্যাতি আছে...এই কারনে মুরাকামির ছোট্ট একটা গল্প বেছে নিলাম অনুবাদের জন্য। তার চার ভাগের এক ভাগ হিসাবে শুরুর চিঠিটা গড়গড়িয়ে অনুবাদ করা গেলো...আশা করি আগামি তিনদিনেই এটা শেষ করে ফেলা যাবে...
একটি জানালার গল্প
হারুকি মুরাকামি
শুভেচ্ছা,
ফুরিয়ে যাওয়া এক একটা দিনের সাথে শীত চলে যাচ্ছে ধীরে ধীরে, আর সুর্যের আলোয় ঘ্রাণ পাচ্ছি বসন্ত দিনের। মনে হয় তুমি ভালোই আছো।
তোমার শেষ চিঠি পড়ছিলাম, ভালো লেগেছে। বিশেষ করে হ্যাম বার্গার স্টেক আর নাটমেগ'এর সম্পর্ক নিয়ে লেখা প্যারাগ্রাফটা বেশ হয়েছে। নিত্যদিনকার ঘটনা নিয়ে তোমার অনুভূতির তীব্রতা টের পাওয়া যায়। রান্নাঘরের উষ্ণ ঘ্রাণ কিংবা কাটিং বোর্ডে ছুরির সাথে পেয়াজের রেষারেষিটা একদম ঠিক ভাবে ধরা পড়ে!
২০৩৬ - এ ব্লগ স্টোরি (১৭)
আমাদের যাবার কথা ছিলো পোভার্টি মিউজিয়ামে। মিরপুর যাবার জন্য সাবওয়ে বেস্ট হয়তো, স্কাইরিভার থেকে দশমিনিটের পথ। কিন্তু ইদানিং সাবওয়ের ভেতরে হকারদের উৎপাতে দাড়িয়ে থাকা দায়। বসার তো কোনো সুযোগই নেই। এত ঘিঞ্জি, স্যাতস্যাতে আর টেকনো-এডাল্টির দাপট যে সাবওয়েতে পারতপক্ষে আমরা চড়ি না। গাড়ীতে যেতে ঘন্টাখানেক লাগবে বটে, কিন্তু তারপরেও আমরা ফ্লাই-ওভার বেছে নিলাম। বিলাসিতার লোভ সামলাতে না পেরে একেবারে পেট্রোল-কারই ভাড়া করলাম। টাপুরের মা আর আমি খরচ এড়াতে ওয়াটার রিফুয়েলারই ব্যবহার করি নন-ইন্সুরেন্সড ঝুঁকি নিয়ে। তবে পেট্রোল-কারে চড়ার পরে টাপুরের মা বেশ ফুরফুরে হয়ে উঠলো, যাক – এটলিস্ট এই পথটুকুনে কিছু হয়ে গেলে ইন্সুরেন্সের বেনেফিটের সাথে আমার দেহটা ঠাঁই পাবে স্ট্রিট-এক্সিডেন্ট ভিকটিম মিউজিয়ামে। তোমাকে দেখবো ভুত হয়ে!
সম্পর্ক কিংবা অসম্পর্কের গল্প
১))
আমাদের প্রিয় বন্ধু সাগর একসময় ডায়েরী লিখত।
আমরা জানতে চাইতাম, তুই এত চুপচাপ কেন? বন্ধু আমাদের হেসে বলত,কই? পাতার সাথে তো কথা বলি। পাতা- যাকে আমরা দীর্ঘদিন ভেবে এসেছি রূপসী কোনো তরুণী, যার কথা ভেবে আমরা বন্ধুরা কত সময় পার করেছি উদাস থেকে উদাস হয়ে। এক অদেখা তরুণী যে আমাদের প্রিয় বন্ধুর সব কথা জানে, আমরা তার কাছের হয়েও কিছু জানি না সেই তরুণী দিন থেকে দিন আমাদের চোখের বালি হতে থাকল।
আমরা যখন আবিষ্কার করলাম, পাতা মানে কোনো নারী না, গাছের পাতা না বরং পাতা দিয়ে বানানো ডায়েরী,আমাদের মন কিঞ্চিত খারাপ হলো। সাগরকে নিয়ে নতুন করে আলোচনার কিছু না পেয়ে আমাদের ভেতর বিরক্তি কাজ করতে শুরু করে আর ডায়েরীটি পড়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমাদের কুঁড়ে কুঁড়ে খেতে থাকে।
যাপিত জীবন: খেলা দেখা, সমর্থন, আবাহনী-মোহামেডান
একেবারেই ছেলেবেলায়, আমরা তখন মাত্র ঘরের বাইরে খেলাধুলা শুরু করেছি। মানিক,নজু ছিল আমাদের পান্ডা। মোট পাঁচ ভাই ছিল ওরা। মহল্লার খেলাধুলায় বাকি ছেলেদের উপর হম্বি-তম্বি করত। আমরা সব সময় চুপচাপ মেনে নিতাম। প্রতিবাদ করারও সাহস পেতামনা। যেমন ফুটবল খেলা চলছে, একজনকে বলল তুই বস, সাইড লাইন থেকে আরেকজন কে নামাত খেলতে তাদের ইচ্ছামত। আমরা বিনা প্রশ্নে মেনে নিতাম তাদের মাতুব্বরী। কারণ প্রতিবাদ করলে মাইর খাওয়ার ভয় ছিল। তাছাড়া বাইরের দুনিয়ার সাথে তাদের বিস্তর জানাশোনা ছিল। একদিন একটা ফুটবল নিয়ে এসেছে। বলল আন্টি দিছে। কোন আন্টি? নায়িকা শাবানা আন্টি। আমরা আম পোলাপাইন তাই বিশ্বাস করতাম।
আমি সেই অসম্ভবকেই চাই

হ্যাঁ, আমি সেই অসম্ভবকে চাইঃ আমাকেই ভালোবাসো চিরদিন
ভালবাসো যখন সকল কামনা ফুরিয়ে যায়
ভালবাসো সেই তপস্বীর একাগ্রতায়।
যখন পৃথিবী, তার সবকিছু, তোমার সকল পবিত্রতা
একসাথে নিষেধ করতে থাকে তোমায়ঃ বেশীই ভালবাসো, তারপরও।
যখন এক বেনামী রাগ অন্ধ করে দেয় তোমাকেঃ আমাকেই ভালবাসো।
যখন ঘর থেকে কাজের দিকে প্রতিটি পা ক্লান্ত করে তোমাকেঃ আমাকে ভালবাসো ।
আর যখন কাজের শেষে ঘরে ফেরোঃ আমাকে ভালবাস, আমাকেই।
আমাকে ভালবাসো যখন তুমি নিস্পৃহ।
যখন আগের নারীর চেয়ে বেশী আকর্ষনীয় প্রতিটি রমনীর রূপ,
অথবা বেশী দুঃখী, আমাকেই ভালবাস যেমনটি বেসেছ আগেঃ
না, চাটুকার বা বিচারকের মত নয়
বরং সেই স্নেহে যা রেখেছ একান্ত নিজের জন্য।
ভালবাসো নিজস্ব একাকীত্বের মত, মৃত্যুচিন্তার মত।
শেয়ারবাজারের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে এখন যা ঘটছে
১.
রিপোটিং করার মধ্যে এক ধরণের নেশা আছে। এই নেশার কারণেই একবার রিপোর্টিং শুরু করলে এ থেকে বের হওয়া মুশকিল। যেমন ধরেন, ৭ এপ্রিল শেয়ারবাজারের জন্য গঠিত তদন্ত কমিটি অর্থমন্ত্রীর কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেবে বলে জেনে আসছি। জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গে রিপোর্টিং এর নেশা চেপে ধরলো। প্রতিবেদনটি বের করতে হবে। সরকার সহজে এই রিপোর্ট প্রকাশ করবে না জানা ছিল। সরকার প্রকাশ না করলেই যে পাওয়া যাবে না তাও না।
আগে থেকেই শুরু করলাম যোগাযোগ। একজন কথাও দিলেন যে রিপোর্টটি দেবেন। তবে প্রথম দিন কেবল সারাংশ, আর কয়েকদিন পর পুরোটা।
অর্থমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়ার আধা ঘন্টার মধ্যে পেয়ে গেলাম সারাংশ অংশটুক। তিনি কথা রাখলেন, আমার জন্য সারাংশটুকু পকেটে রেখেছিলাম, কোন এক ফাঁকে সবার চোখ এড়িয়ে দিয়ে দিলেন।
নতুন ডিকশনারী যেদিন লিখিত হবে, কেউ আমাকে ভুলে যেও না (চিক্বুর সহ)...
সারা জীবনের পড়া বাংলা মিডিয়ামে। পড়া মানে মুখস্থ করতে হবে। যা আপনাদের মেঘ একটুও পারে না। ফলাফল হাত পেতে মার খাওয়া। যাক্, সেসব নিয়ে হায় আফসোস নেই। ইংলিশ ফর টুডে পড়ে ই কেউ ইংরেজিতে কবিতা লিখে আর আমাদের মতো মাঝারীরা ভাবে - এভাবে কি ভাষা শেখা যায় (এভাবে কি তার সাথে প্রেম করা যায় - ফজলের সেই গান নোভা ব্যান্ড)। আরবীতে যখন ব্যাকরণ আর কবিতা লিখা শিখলাম ( শিখতে বাধ্য হলাম) তখন ভাবনার ষোলকলা পূর্ণ হলো। বাপস, আমি বাংলা জানি (আজো জানি না সত্যি জানি কি না), ইংরেজি জানি (ইংলিশ বই পড়তে দিলে আমার একমাস লাগে), আরবী জানি (পড়তে পারি কিন্তু আগের মতো কিছুতেই অর্থ বুঝি না) - আমরা ক্লাসের সবাই একদিন আলাপ করছিলাম আমরা আসলে বহু ভাষা বিশারদ এর খেতাব পাওয়া উচিত। এসব চিরতা গিলতে গিলতে এসএসসি র বৈতরণী পার হলাম। এবং খুব সুন্দরভাবে ঐ টিক মার্কের আমলেও ইংরেজিতে লেটার পেলাম না। সব দোষ আমার মুখস্থবিদ্যা না থাকার
(
২০৩৬ - এ ব্লগ স্টোরি (১৬)
সড়কে ফুটপাথ নেই। তবে হাঁটার জন্য আলাদা লেন আছে। বিষয়টা বিরক্তিকর। একসময় ঢাকার রাস্তায় ফুটপাথ ছিলো। যদিও তাকে চাকাপথ বলা হতো - মটর বাইক, রিকশা দিব্যি সেঁধিয়ে যাওয়ায়। তারপরেও আলাদা একটা জায়গা তো ছিলো। এখন চার লেনের সড়কের একটা থাকে পথচারীদের জন্য। তবে ক'জন আর সত্যিকারের পায়ে হেটে চলে! রোলার-স্কেটিং আর স্টিং-কেডসের প্রাদুর্ভাবে জুতা পায়ে হাঁটার জো নেই। যে হারে মানুষ এখন যান্ত্রিক পায়ে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে - প্রখর রোদ্র সেবন একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ক্যানসার প্রিভেনসনের জন্য ডাক্তার আমাকে দুপুরে ঘন্টা দুই প্রখর রোদে হাঁটতে বলেছিলো। অযান্ত্রিক গ্রাস সু পায়ে। আমার সবুজ রঙা দেহে সূর্যের আলোকরশ্মি একধরনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরী করবে, যা গ্রাস সু’তে বন্দী হবে। এর ভেতরে কি এমন ধারক রয়েছে নাকি। ঘরে ফিরলে রিএনার্জিকলার হবে।
বেহাল মুজিবনগরে এক চক্কর
১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস পালিত হয়ে গেল। কয়েকদিন আগে আমরা কয়েকজন লালনমেলায় যাওয়ার সুযোগে মুজিবনগর দেখে এলাম। তো, দেখতে গিয়ে মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। আমার লেন্সটা শেষ সময়ে বিগড়ে যাওয়ায় ৫০ মিলি/১.৮ দিয়েই ক্যামেরা চালাচ্ছিলাম। ভেবেছিলাম বাউলদের প্রোফাইল তুলতে এই লেন্সই যথেষ্ঠ। কিন্তু অবস্থা দেখে সেই লেন্স দিয়েই কিছু ছবি তুলে আনলাম। আসল পরিকল্পনা ছিল এই ছবিগুলো দিয়ে রাজকূটে একটা ফটোফিচার করব ১৭ এপ্রিলের আগে আগে। কিন্তু পরিকল্পনার পরী উড়ে গেল আগেই, রাজকূট অকালে নিহত হয়ে গেল।
তো, ব্লগই ভরসা। আসুন, মুজিব নগর দেখে আসি।
১. জ্বি, এটাই সেই সৌধ। খুব নীরব নিঝুম দেখে ভাববেন না এখানে লোকজন নেই:
২. লোকজন আছে মানে আছে, সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে বসে গেছে গোটা একটা বাজার:
খুব সকালের স্বপ্নেরা
সকাল সকাল এক স্বপ্নের করাঘাতে
দরজা খুলে দেখি--
সীমান্ত পেরিয়ে কতিপয় অতিথি এসেছেন।
চোখে তাদের ভারী বিষন্নতা, চেহারা মলিন
পা ধুয়ে দিলাম, হাত ধোবার জল দিলাম, উঠানে আসন পেতে দিলাম
তন্দুরের পাশে বসে সেঁকে দিলাম কিছু মোটা রুটি।
পুটলিতে করে অতিথিরা গত বছরের ফসলের গূড় এনেছিলেন।
যখন চোখ খুললাম, ঘরে কেউ ছিল না,
তন্দুরে হাত দিয়ে দেখলাম সেটা এখন ও নিভে যায়নি,
আর আমার মুখে মিষ্টি গূড়ের চটচটে স্বাদ যেন এখন ও লেগে আছে।
স্বপ্ন ছিল হয়তো।
স্বপ্নই হবে।
সীমান্তের ওপারে শুনেছি কাল রাতে গুলি চলেছে।
সীমান্তের ওপারে শুনেছি কাল রাতে কতিপয় স্বপ্নকে হত্যা করা হয়েছে।
------------------------------------------------------------------------------