অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ২০ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

শরবত পান করবেন জনাব।

অনেক গরমে জীবনটা যখন বের হয়ে যাবার দশায় পড়ে যায় তুখন এক গ্লাস ঠান্ডা শরবত খেয়ে দেখতে পারেন। কেমন লাগে! পুরা শরীরে একটা ঠান্ডার পরশ ছুঁয়ে যাবে, মনে হবে আহ কি শান্তি! শরবতের কথা আমি ছোট বেলা থেকে জানি, আমি দেখেছি আমার বাবা যখন দুপুরে কোথায়ও থেকে আসতেন তখন আমার আম্মা আমার বাবাকে লেবুর শরবত বানিয়ে দিতেন, মাঝে মাঝে পাকা বেলের। এক চুমুকে বাবা পান করে নিতেন। তার পর বের হত বাবার মুখে কথার ফুলঝুরি! (আজকাল কোন স্ত্রী তার স্বামীকে শরবত বানিয়ে দেন কিনা আমার জানা নেই!)

এরপর কখনো আমরা দুপুরের দিকে স্কুল থেকে রোদ্দে পুড়ে ফিরলে আম্মা আমাদেরও শরবত বানিয়ে দিতেন - লেবু, কাঁচা আম, কামরাঙ্গা, তরমুজ আরো কত কি দিয়ে! আমরা ভাই বোন কেহ শরবত পছন্দ করতাম না। তবুও আম্মা বানিয়ে দিতেন। বলতেন খেয়ে দেখ, মনে শান্তি পাবি! বাবার মত আমরাও এক চুমুকে পান করে সতেজতা ফিরে পেতাম। দুপুরের দিকে আমাদের বাসায় কোন মেহমান আসলে, শরবত মাষ্ট। (আজকাল মেহমানদের শরবত দিলে মাইন্ড খেতে পারে!) শরবতের জন্য আমার আম্মাকে আমার এক চাচী বলতেন - শরবতের মাষ্টার। নানা প্রকারের শরবত বানাতে আম্মার জুড়ি মেলা ভার ছিল। তবে আম্মাকে আমি কখনো শরবত খেতে দেখি নাই!

শরবতটা আমাদের সমাজে/ পরিবারে খুব একটা আর টিকে নেই। তবে একটা জায়গায় এখনো আছে। বিয়ে বাড়ীর দরজায়! বিয়ে বাড়ীর দরজায় দুলামিয়াকে ফিতা দিয়ে আটকে দেয়া হয়। তারপর টাকা পয়সা নিয়ে ফয়সালা হলে ফিতা কাটার পর দুলামিয়াকে শরবত খেতে দেয়া হয়। তবে পরীক্ষার একটা ব্যবস্থা থাকে! এক গ্লাসে থাকে লবন দিয়ে আর অন্য গ্লাসে চিনি দিয়ে। দুলামিয়াকে রুমালের ফাঁকে সঠিক গ্লাস চিনে নিতে হয় (এই শরবতের কোয়ালিটি একে বারে জিরো, কোন মতে পানিতে গুলানো, দুলামিয়ার সাথে প্রথম ঠাট্টা হয় শ্বশুর বাড়ীতে!)।

সে যাই হোক, আপনাদের বলা ভাল আমার বিয়েতে এ রকম শরবত খেতে হয় নাই, আলহামদুল্লিলাহে। সুযোগ ছিল না। লম্বা কাহিনী, পরে বলব। মায়ের হাতের শরবতের পর এ দুনিয়াতে আর একজনের হাতের শরবত পান করার সুযোগ হয়েছে, দুই দফায় অনেকবার। প্রথম দফায় তার হাতের শরবত পান করেছিলাম ১৯৯১ সালে, আর ২য় দফায় ২০১০ সালে। আমি তার হাতের শরবতের ভক্ত হয়ে উঠেছি। তার বানানো শরবতের মাঝে যে কি যাদু আছে, না পান করলে বুঝা যাবে না। সেই ছোট বেলা থেকে শরবত বানিয়ে আসছেন, প্রায় ২৫ বছর! একই জায়গায়! একই ধরনের লেবুর শরবত!

পাঠচক্র ব্লগ:লরেন্স লিফশুলজ-এর এই লেখাটি পড়েছেন?

লেখাটা এখানে দেয়ার লোভ সামলানো গেল না। জরুরী এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা লেখা। লেখাটা অনেক বড়। আগ্রহী পাঠকরা পুরোটাই পড়তে পারেন। তবে আমি গুরুত্বপূর্ণ চারটি অধ্যায় এখানে দিচ্ছি। ব্লগে এতো বড় লেখা হয়তো পুরো আসবে না। তাই বিশেষ বিশেষ অংশ এখানে দিলাম।

লেখাটার নাম বাংলাদেশ: প্রতিশ্রুতি, বিপদ ও আশা
লেখক লরেন্স লিফশুলজ।

১.

নির্বাসিতজনের আত্মকথা...

নির্বাসিত শরীর চলেছে পৃথিবীর পথে। নির্বাসনের পথেরা গন্তব্যহীন...যদিও অধিবাসীরা ঠিকি পৌছে যায় তাদের ঘর-গৃহস্থালিতে। বিকেলে আরাম করে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে ভাবে নিজস্ব এক টুকরো জমির কথা। নির্বাসিত আমার অধিকার নাই ভূমির ভূমিকায়।

তুমিও পেয়েছ খুঁজে একটা মেইল বক্স। আর আমার দরোজা পেরিয়ে খবরের কাগজটাও নিয়মিত এসে পৌছায় না প্রায়শঃ। সিঁড়ি বেয়ে যদি কোনদিন দুধওয়ালা কিম্বা মাছ বিক্রেতা এলে খাবার জুটে যায়...দুপুরটা নিশ্চিন্তে কাটে। তবে রাতে অন্ধকার ছাড়া আর কোনো খাবার থাকে না।

তোমার মেইল বক্সে আমি রোজ একটা করে চিঠি লিখে আসবো বলে ভাবি। কাগজ অথবা কলমের অভাব আমাকে অসহায় করে তোলে। মেইল বক্স খুলতেই তুমি একতাড়া মেইলে হাবুডুবু খেয়ে আবার বাড়িতেই ফিরে যাও। আমি তোমার মেইল আর তোমাকে চলে যেতে দেখি। আমাদের দূরত্ব বাড়ে। আমার জানালা থেকে তোমার দরোজা বেশ অনেকটা দূর...

আমি গরাদে মুষ্টিবদ্ধ হাত আর চিবুক রেখে নির্বাসনের জ্বালাটা টের পাই। টের পাই এইখানে নির্বাসিতজনেরা খুব সুখে থাকে না...

প্রিয় নারী,”শুভ জন্মদিন”

প্রিয় নারী,
আজ রাতে কিছুতেই নিজেকে অন্য কারো দৃষ্টিতে প্রশংসিত দেখতে ইচ্ছে করছে না। পৃথিবীর তাবত ভালোকে পাশ কাটিয়ে আমার আপন দুর্ভাগ্যের জন্য নিজেকেসহ অপরাপর অন্য নারীরা যারা আমার সাথে কোন না কোনভাবে যুক্ত তাদের দোষারোপ করার সাধ জাগছে।

ছদ্মবেশের প্রতিটা মুখোশ টেনে সরিয়ে আসল ’আমি’ কে নিয়ে যদি বাঁচতে পারতাম! বেদনার সব স্তর অতিক্রম করতে করতে আমি জানি তুমি আমার সব শান্তির উৎস। হায়! আমি তোমাকে হারিয়ে ফেলেছি ’দূরত্ব ’ নামক অদ্ভূত দেয়ালের আড়ালে। সময়ের ফেরে আমি হাবুডুবু, স্পর্শহীনতায় আমার নাক পর্যন্ত বিষাদ। আমাদের আর একে অন্যের ঝুরকো রূপোলী চুল নিয়ে হাসা হয় না। তুমি হয়তো আজকাল বানরটুপিতে সবটা ঢাকো!

কোন সিপাহী, কোন জনতা, কিসের বিপ্লব

সেই ১৯৭৫ সাল থেকে শুনে আসছি ৭ নভেম্বর সিপাহী বিপ্লবের দিন। আর এই দিনটি সরকারি ছুটি থাকে, পালন করা হয় সংহতি দিবস হিসেবে। এই সংহতি সিপাহী আর জনতার।
কোন সিপাহী
১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত রক্তাক্ত সময় নিয়ে অনেক বই লেখা হয়েছে। তবে সবই সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের লেখা। একমাত্র ব্যতিক্রম ‘সৈনিকের হাতে কলম’। নায়েক সুবেদার মাহবুবর রহমানের লেখা। সুবেদার মাহবুব বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সভাপতি ছিলেন। এই সেই বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা, যাদের হাত ধরে সমাজ বিপ্লব করতে চেয়েছিলেন কর্ণেল তাহের।
পুরো বইটি পড়ে আমি বড় ধরণের ধাক্কা খেয়েছি। এই যদি হয় বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার প্রধান ব্যক্তির চিন্তা ভাবনা, তাহলে সেই বিপ্লব নিয়ে আতঙ্কিত হওয়াই স্বাভাবিক। সন্দেহ নেই সুবেদার মাহবুব অত্যন্ত সাহসী। কিন্তু বিপ্লবী কোনোভাবেই বলা যায় না। খানিকটা বিপথগামী বলা যায়। আর বড় ধরণের ভারত বিদ্বেষী।

কীবোর্ডবাজি, কিছু একটা না লিখলেই নয়, তাই লেখা

১.
অফিসের একটা ক্যাচালে ব্লগ নেট সবকিছু থেকে প্রায় নির্বাসনে বেশ কদিন ধরে। অনেককিছুই মিস। গেল সপ্তাহ এবং তার আগের সপ্তাহেও একই অবস্থা। এই সপ্তাহে কি হবে এখনো জানি না। পত্রিকা পড়া বাদ দিলেও ফাঁকে ফাঁকে যা দেখেছি তাতে মনে হয়েছে বাংলাদেশের এখন ইভ টিজিং জ্বর চলছে।

২.

মাটির টানে, ঘরের পানে

মানুষ ভাবে এক আর হয় আরেক। কল্পনা আর বাস্তবতার এই বেরসিক গোঁজামিল কখনো হৃদয় বিদারক, কখনো হতাশাব্যঞ্জক আবার কখনো ঘোর গ্রীস্মে মেঘ না চাইতেই এক পশলা শান্তিময় বারিষ। আমার ক্ষেত্রে ঘটলো শেষেরটাই। কথা ছিল আব্বা-আম্মা আসবেন তাইওয়ানে, আমরা অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমাবার আগেই নাতনীদের দেখতে। কিন্তু দেখা গেল তাদের ভিসা নিয়ে ঝামেলার এক শেষ, থাইল্যান্ড গিয়ে ভিসা নিতে হবে, সেখানে আবার অপেক্ষায় থাকতে হয় চার-পাঁচ দিন। বুড়ো হাড়ে এর এত ঝামেলা সইবে না বলে বাবার অসোয়াস্তি শুনে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম নিজেরাই থাইল্যান্ডে চলে গিয়ে তাদের সাথে সপ্তাহখানেক সময় কাটাতে। কিন্তু সেখানেও অনেক হাঙ্গামা, ফ্যামিলি ফ্রেন্ডলি রিসোর্ট পাওয়াই মুশকিল। পাতায়া বা ফুকেটের অর্ধ নগ্ন বীচে তাঁদের পোষাবে না। তাই হুট করে অনেকটা ঝোঁকের মাথায় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম আমরা বরং বাংলাদেশেই চলে আসি এক সপ্তাহের জন্য। খুবই অল্প সময়, নিজের দেশে বেড়াবার জ

একটি বই আলোচনা অনুষ্ঠান ও অন্যান্য...

গতকাল চট্টগ্রামের বিশদ বাংলায় চমৎকার একটি সন্ধ্যা কাটলো। এর আগে কখনো কোন বই আলোচনা অনুষ্ঠানে যাওয়া হয়নি। লেখক নিজের জানাশুনা এত নিখুত ভাবে বলে যেতে পারেন, সে সম্পর্কেও কোন ধারনা ছিল না।

1.jpg.jpg

2.jpg.jpg

4.jpg

6.jpg

8.jpg

9.jpg

~~~~~~শুভ জন্মদিন!!!~~~~

‘’আমি তারে চোখে দেখি নাই তার অনেক গল্প পড়েছি।
গল্প পড়ে তার আমি ফ্যান হয়ে গেছি।‘'

ধুর যা মিললো না!!!!!!!!!!!!!মিলে নাই তো কি হয়ছে?লেখা তো হয়ছে।

হ্যাঁ ভাই ও বোনেরা আজ সেই ঐতিহাসিক দিন।আজ থেকে একশো পাচঁ বছর আগে এই দিনে বাংলাদেশের এক ঘরে মিয়াঁও মিয়াঁও করে এসেছিল যেই শিশু, তার আজ জন্মদিন!!!!!!!!!!!!

সকাল থেকে ভাবলাম মুক্ত বোধ হয় একটা বয়ান দিবে এই উপলক্ষে।কিন্তু কই সে মনে হয় দারুচিনির দীপে(বানান টা ভুল হলো) নতুন বান্ধবী নিয়া বেড়ায়তে গেছে।তাই আমিই লিখলাম অবশেষে।

শুভ জন্মদিন শাওন।আরো একশ পাচঁ বছর তোমার রুপ ল্যাবণ্য ধরে রাখো।আর ব্লগের পাতা ভরে তুলো।এই কামনা রইলো।

happy_birthday.jpg

অফটপিকঃ কেক-কোক খাইতে চাইনা।একটা পোস্ট দাও।

একটি মেয়ের গল্প

আমি যে মেয়েটির গল্প বলতে চাই, সে কখনো ঈভ-টিজিং’র শিকার হয়নি, গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা ‘সারমেয়’ গুলো তার দিকে হিংশ্র-লালসার দৃষ্টিতে তাকায়নি, ‘তার রূপে মুগ্ধ হয়ে’ কোন ভয়ন্কর সন্ত্রাসী তাকে প্রেম নিবেদন করেনি, পাড়ার কোন বখাটে তার কাছে কখনো কুৎসিত ভাষায় উড়ো চিঠি পাঠায়নি, মোবাইলে মিসকল দিয়ে কেউ কখনো তাকে অতিষ্ঠ করেনি। কলেজে যাওযার পথে বাসে কোন ‘হেল্পার’ (যাদের সে ‘মামা’ বলে সন্বোধন করে) তার গায়ে হাত দেয়নি, কলেজ বা ভার্সিটির কোন বিকৃত মনা শিক্ষক তাকে কখনো যৌন হয়রানী করেনি, ফ্ল্যাটের কোন ‘বড় ভাই’ সিঁড়িতে একা পেয়ে গভীর আবেগে জড়িয়ে ধরেনি। মা কখনো তাকে এক একা ঘরের বাহিরে যেতে নিষেধ করেনি, পিতা তাকে বাল্যবিবাহ দেয়ার চেষ্টা করেনি, কোন গৃহশিক্ষক পড়াতে এসে পড়া বুঝিয়ে দেয়ার ফাঁকে তার হাত ধরেনি, প্রেমিকের হাত ধরে রাস্তায় হেঁটেছিল বলে ‘ধার্মিক’ পুরুষেরা তাকে ‘বেহায়া মেয়েছেইলা’ বলে

আহা সৈদি বাদশাহর নাতি-

You shall not covet your neighbor’s house; you shall not covet your neighbor’s wife, or male or female slave, or ox, or donkey, or anything that belongs to your neighbor

মুসার ঈশ্বরের শেষ নির্দেশ। বিখ্যাত টেন কমান্ডমেন্টসের শেষ কমান্ডমেন্ট এটা। ভাষ্যটাকে সরল বাংলায় বললে বলা যায়-
হে মানব সম্প্রদায় তোমার পরের সম্পদের দিকে বদ নজর দিবে না, তাদের গৃহ কিংবা স্ত্রী ভোগ করিবে না, প্রতিবেশীর নারী কিংবা পুরুষ দাস ভোগ করিবে না, প্রতিবেশীর গবাদি পশু কিংবা অন্য যেকোনো বস্তু যা তোমার প্রতিবেশীর, সে সম্পদ কামনা করিবে না।

ছিঁড়ে ফেলা চিরকুটের খানিকটা

...............অনেকদিন হল আমাদের মুখোমুখি বসা হয় না। এইটুকুতো সময় অথচ কি আশ্চর্য কতটা আলোকবর্ষ পার করে ফেলেছি। সেই সব চায়ের পেয়ালায় তোমার ঠোঁটের দাগ মুছে দেবার দিন কি অদ্ভুত সাদাকালো দেখায় এখন। জড়িয়ে ধরা শক্ত বাঁধনে আমার পাঁজরে তোমার হৃৎপিণ্ডের ধুকপুক ......। পৃথিবী থেমে যাবার অনুভূতিটা কেমন যেন স্বপ্ন স্বপ্ন মনে হয়। আদৌ কি হয়েছিল সে সব? আবছায়া ......

কার কি ক্ষতি ছিল আমরা এখনও হাত ধরে রাখলে। অথচ দেখো খামোখাই এইসব প্রান্তরে একলা একলা হোঁচট খেয়ে পড়ে থাকা। কি আশ্চর্য অপচয় ...... শেষটাইতো আমাদেরকে আমাদের কাছেই ফিরতে হবে। খুব জানি, এই সব দিকভ্রান্ত পথের শেষে, সীমান্তে আমরাই শুধু আমাদের জন্য অপেক্ষায় থাকব .......

তোমাদের অবদান কোনদিন ইতিহাস থেকে মুছে যাবে না ....

চার নেতা

আজ জেল হত্যা দিবস।
ইতিহাসের আরো একটি কলংকজনক অধ্যায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’এর অনুপস্থিতিতে যারা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই সূর্য সন্তানদের হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালী জাতীকে নেতৃত্বশূন্য করার একটি সফল চেষ্টা। যাদের হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনে বাংলাদেশ নাম ধ্বনিত হতো সেই চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামান। দেশকে ভালবাসাই ছিল যাদের অপরাধ... দেশের মানুষের জন্য ভাবনা ছিল যাদের প্রতিটি নি:শ্বাসে সেই ভাবনা/ভালবাসাই তাদের জন্য কাল হয়ে দাড়ায়।

ইভ টিজিং নিয়া একখণ্ড ক্যাচাল

ফেসবুকে আমার এক কবি বন্ধু আছে। যদিও উনার কবিতা পড়ি নাই তবে আজিজে উনার বই পাওয়া যাচ্ছে এই সংক্রান্ত তথ্য পেয়েছি অনেকবার উক্ত কবির কাছ থেকেই। তো আমার সেই কবি বন্ধু গতকাল একখানা স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, ‎'Eve teasing' নামের ক্যাপসুলটিকে পাবলিককে খুব ভালোভাবে গেলাতে পেরেছে বঙ্গমিডিয়া !। এমনিতে আজকাল ভাল মানুষ হয়ে গেছি। কারো সাথে কোন ক্যাচালে জড়াই না, ব্লগ টগ লিখি না। শুধু অফ লাইনে চুপচাপ বসে এইটা ঐটা ঘাঁটাঘাঁটি করি। কবি বন্ধুর স্ট্যাটাস দেখে খানিক ক্যাচাল করতে ইচ্ছা করল। এই পোষ্টখানাতে ঐ ক্যাচালটাকেই প্যাঁচাইয়া চুইংগামের মতো ব্লগে টেনে নিয়ে আসলাম। যদিও ইভ টিজিং ইস্যুটাকে পত্রিকাওয়ালাদের বাণিজ্যিকীকরণ সংক্রান্ত মতবাদের সাথে আমার দ্বিমত নাই তবে মৃত্যুগুলাতো আর অবস্তব না আর সেই খবর ছেপে পত্রিকাওয়ালারা দুইটা পয়সা কামালেও গণসচেতনতাটাতো কিছুটা হলেও বাড়ছে। তাছাড়া আলোচ্য ক্যাচালে বহু টিন-

ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ৪ ( একটুকরা জার্মানী)

ছবি: নরওয়েতে শেষ রাত
last
আমাদের তিন সপ্তাহের অসলো যাত্রার শেষকাল চলছে, পরেরদিন ভোরবেলা অসলো থেকে রওয়ানা দিব... রাতে আমার হঠাত করে মনে পড়লো আমি রাজ্যের মানুষকে লাফালাফি করে জানিয়েছি জার্মানীতে আসছি...এবং শেষ মুহুর্তে আমার যা স্বভাব... কারো সাথে যোগাযোগ করি নাই । শেষে মৌসুমরে বললাম কিছু করতে... সে ভাস্করদারে ফোন দিলো... ভাস্করদা আবার কেমনে কেমনে জানি চোরদা'র (উনি চোর নামে সামুতে লিখতেন এককালে, উনার সত্যিকারের নামটা বেমালুম ভুলে গেসি) সাথে যোগাযোগ করে ফেললো.... শেষমেষ জানা গেলো সাত-সকালে আমাদেরকে রিসিভ করতে ফ্র্যাংকফুর্ট এয়ারপোর্টে কেউ একজন থাকবেন ( কে সেই অভাগা ব্যক্তি তখনো জানিনা।) কেমন জানি লজ্জা করছিলো...কাকে না কাকে জ্বালাচ্ছি কে জানে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ