গ্রীক পুরাণের দেবতা ও দেবীরা
যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি তখন প্রথম বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের সদস্য হই। আমার হাতে প্রথম যে বইখানা তারা তুলে দেয় তা হল “ট্রয়ের উপকথা”(নামটা স্পষ্ট মনে নেই)।আমি সেই বইটা এক সপ্তাহে প্রায় চার বার পড়ে ফেলি।আবার ক্লাস থ্রি কি ফোর থেকে আমার সখ্য বিটিভির হারকিউলিস সিরিজের সাথে।তখন হারকিউলিসে বেশ কিছু সিন ছিল বাবা মনে করতেন আমার উপযোগী না।রাত ১০টার নিউজের পর তাই তিনি আমার সাথে যেগে থাকতেন হারকিউলিস সেন্সর করতে।কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই ১০ মিনিট বাদে আমি তার নাকের কলের গান শুনতাম আর নির্বিঘ্নে হারকিউলিস উপভোগ করতাম। মূলত তখন থেকেই আমার গ্রীক মিথোলোজির প্রতি আকর্ষণ। আমি সবসময়ই গ্রিক মিথোলোজি নিয়ে ভাবতাম। ট্রয় নিয়ে যে বইটা সেটা পড়ে আমার নিজেকে কেন জানি হেক্টর মনে হত। এত কথা বলার মানে হল আমি গ্রীক মিথের প্রতি আগ্রহী। তাই আমার আজকের লেখাটা তাদের নিয়ে।
কথার কথা
আমরা বন্ধুত্বের জয়গান গাই। বন্ধুর মতো একে অপরের পাশে দাঁড়াই , পাশে দাঁড়াই গোটা মানবজাতির, এমনই শ্লোগান সামনে রেখে ২০০৪ সালের ২৮ অক্টোবর 'আমরা বন্ধু'র যাত্রা শুরু হয়েছিল । আর মাত্র ক'দিন পরেই ছয় বছর পূর্ণ হবে । বর্ষপূর্তিতে বিশেষ কোন আয়োজন আছে কিনা তা জানা নাই ।
আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে 'আলপিন' নামে প্রথম আলো থেকে একটা ক্রোড়পত্র বের হত । এতে আরিফের আঁকা কার্টুনের কথাও ভুলে যাবার কথা নয় । আরিফের আঁকা একটা কার্টুন নিয়ে তুলকালাম কান্ড ঘটানো হয়েছিল । আরিফের দন্ডিত ও আলপিন বন্ধ হওয়া সেও তো বেশী আগের কথা নয় । সেই আরিফের মায়ের দু'টি কিডনীই নষ্ট হয়ে গেছে । এ মা দু'টো অবুঝ শিশু সন্তানসহ স্বামী কর্তৃক বিতাড়িত হয়েছিলেন এবং অনেক লাঞ্চনা গজ্ঞনা সয়ে সন্তানদের এখনও বাঁচিয়ে রেখেছেন । মায়ের এ গুরুতর অসুস্থতা তাঁর সন্তানদের হতবিহ্বল করে তুলেছে ।
সুখে থাকলে ভূতে কিলা্য়
সরকারি কলেজে সুখের সাথে মনের আনন্দে চাকরি করছিলাম । ভূতের পরামর্শে ১৯৮২ তে প্রশাসন ক্যাডারে ঢুকবার আবেদন করতে হয়েছিল । কিলাতেই থাকলো সে । পিএসসি'র মনোনয়ন পেলাম । ভূতের কিলে অতিষ্ট হয়ে শেষে ১৯৮৩র জুনে পেশা বদল করতেই হল । বাধ্য হয়ে বয়সের বাধা না আসা পর্যন্ত তা করতেও হল । আগের পেশায় থাকলে যতখানি এগুতাম এখানে তার ধারেকাছেও যেতে পারলাম না। এটি ঈশপের গল্প হলে শেষ হত যে বাক্য দিয়ে তা হল, " কদাপি মধ্য বয়সে পেশা বদল করিও না" ।
পুনশ্চঃ ও হ্যা, অন্য একটি কথা । এ গল্পের সাথে সম্পর্কিত নয় মোটেই । এটি ব্লগ সম্পর্কিত ।কেউ আমাকে একটু বুঝিয়ে বলবেন 'ব্লগর ব্লগর' কি জিনিষ !
অচল গল্প!
জানি এসব গল্প অচল, এই সময়ে
অন্যরকম গল্প সবাই চায়।
জানতে পারি নি তখনো, সত্যি কি আর হয় কখনো,
এসব শুধু বাতিল পুরোন গদ্যতে মানায়।
তখন তোমায় দেখতে পেতাম
মাঝে মাঝে এদিক সেদিক,
সময় অসময়ের ফেরে ভাগ্য আমায় টানতো যেদিক,
ছাদের কোণে, গলির মোড়ে, বারান্দা বা সদর দোরে,
মনে হত কষ্ট ভেজা অন্ধকারে, তুমি যেন
একটুখানি আলোর ঝিলিক
ভাবনা গুলো উড়তো যে হাওয়ায়---
জানি এসব গল্প অচল এই সময়ে
অন্যরকম গল্প সবাই চায়!
হঠাৎ যেন মনে হল বাঁধছে বাসা ভালোবাসা
ছলকে ওঠা একটু আশা নাড়ছে কড়া
এলামেলো বিষণ্ণ চিন্তায়---
জানি এসব গল্প অচল এই সময়ে
অন্যরকম গল্প সবাই চায়!
জেনেও তুমি আসলে কাছে, হাসলে কিছু
বললে কথা, জ্যোৎস্না ঝরে পড়লো যেন
ছোট্ট আমার ঘরের ভেতরটায়------
জানতে পারি নি তখনো সত্যি কি আর হয় কখনো
এসব শুধু বাতিল পুরোন গদ্যতে মানায়।
আসলে কেন বদলে দিতে
আমার কলিগেরা
আমার কলিগদের মধ্যে কতিপয় কলিগের কাহিনী বলবো আজ।
রোমানা :
রোমানার কথা মনে আছে ? এডমিনে কাজ করতো। সেই যে মেয়েটা। যে শুধুমাত্র গল্প শুনে শুনে আমাদের টুটুলের প্রেমে পড়েছিল। কিন্তু বেচারি রোমানা জানতো না, টুটুল ডুবে ডুবে জল খাচ্ছে নাজের সাথে। মনের দুঃখে অবশেষে করলো কী, টুটুলের হলুদের দিন নিজের হলুদ এবং বিয়ের দিন নিজের বিয়ের তারিখ ঠিক করেছিল। অবশ্য বাবুর ক্ষেত্রে একটু পিছিয়ে পড়েছিল। গত মাসে রোমানা মেয়ের মা হয়েছে। আশায় আছি, টুটুলের ছেলের সাথে যদি রোমানার মেয়ের একটা কিছু হয়...
নাহিদ :
৯০ এর ঢাকা ---- মধ্যবিত্তের চোখে (আপডেটেড)
নব্বইয়ের ঢাকায় বাচ্চারা স্কুলে টিফিনে খেতো বোম্বে সুইটসের রিং চিপস, বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া ফুজি নুডুলস, কিংবা কেনা বার্গার। নানাধরনের উন্নত মিল্ক চকোলেট, ক্যাডবেরীও তখন বাচ্চাদের মেনুতে খুব জনপ্রিয়। সেসময় ঢাকায় মধ্যবিত্তদের কাছে আসে পিজা, শর্মা, হেলভেসিয়া মানে ফ্রাইড চিকেন। এর আগে বাইরে খেতে যাওয়া মানে ছিলো চায়নীজ কিংবা কাবাব। সেই সময় চায়নীজ রেষ্টুরেন্টের লোকেরা সিচুয়ান ষ্টাইল, থাই এগুলো নিয়ে আসেন। যদিও এখনো আমি ঢাকার চায়নীজ, সিচুয়ান ষ্টাইল আর থাই রান্নার মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য করতে পারি না। ডলসি ভিটার আইসক্রীম, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ এগুলো জনপ্রিয়তা পায়। ছোট ছোট আইসক্রীম পার্লার, ফাষ্ট ফুডের দোকান গজিয়ে ওঠার সময় সেটা। গুলশানে একটি ফাষ্ট ফুডের দোকান হলো তখন “হট হাট” যাতে সেই সময়ের হট গার্লস আর বয়েসরা যেতেন। আর ধানমন্ডিতে ছিলো “খাই খাই”। ওয়েষ্টার্ন গ্রীলের জনপ্রিয়তাও তখন বেশ তুঙ্গে। উত্তরাতে লেকের ম
হে অরণ্য তুমি...........
তোমার প্রশান্তিতে
হে অরণ্য...
আমায় করো ধারন।
এমন শুদ্ধতা
আর আছে কোথা..!!
যেথা মন চায়
করি অবগাহন..।।
তোমাতেই হারাবো বলে হায় !!!
কি আনন্দ কি বেদনায়...
আসব ফিরে বারে বারে....;
শিশির ভেজা প্রভাতে,
আগুন ঝরা সন্ধ্যায়,
জোনাকির আলো্য় ভরা রাত্রিতে ।।
স্বার্থহীন বন্ধু তুমি আমার,
আমি তোমার বন্ধু স্বার্থপর.!!
তোমার সৌন্দর্য্য কেবলই
করে নিয়েছি ভর...;
এই মনে আর প্রাণে..।
প্রশ্ন জাগে মনে...
আজকাল ক্ষনে ক্ষনে...
তোমার বিশালতার একটুখানি ছোঁয়া..
লেগেছে কি এই প্রাণে...!!??
যে সাধ অপূর্ণ থাকেনি
"যেদিন সব কিছু পিছনে ফেলে
জীবনের সীমারেখা অতিক্রম করে যাব
সেদিন যেন কেউ কেউ
কাধেঁ করে আমাকে এখানেই রেখে যায় ।
সুলতা, তুমি কেঁদোনা -
তোমার চোখের পানিতে
আমার চলার নতুন পথ
ঝাঁপসা হয়ে যেতে পারে -
শুধু আমার সঙ্গী হিসেবে রেখে যেয়ো
একটি ছাতিম আর একটি শিউলির চারা ।
দেখো -
সকলের কাছাকাছি হয়েও
তবু যেন একটু দূরত্ব থাকে ;
সারা জীবন সবাইকে
দুঃশ্চিন্তা আর অনিশ্চয়তার আবর্তে
বারবার শঙ্কিত এবং বিপদগ্রস্থ করে তুলেছি -
চিরশান্তির নিস্তব্ধতার মাঝে
যেন আর কোন ঢেউ তুলতে না পারি
যেন কারো চিরকালীন ঘুমের ব্যাঘাতের
কারণ না হয়ে উঠি -
তার জন্যই এই সতর্ক দূরত্ব ।"
--চলো বেড়িয়ে আসি, শুজা আহমাদ
আমার কথা ঃ শুজা আহমাদের প্রকাশিত একমাত্র বই 'চলো বেড়িয়ে আসি'তে তার আর সব ইচ্ছা-আকাঙ্খা পূরণ হোক আর না হোক গত ২৮ জানুয়ারি তার এ ইচ্ছাটা পূর্ণ হয়েছে ।
আমার '৭১
টুটুল লিখেছেন, "আমার কোন ভুল না হলে মু্ক্তিযুদ্ধকে আপনি একেবারে আপনার পরিপক্ক অবস্থায় দেখেছেন। আপনার সেই সময়কার কথা শুনতে চাই। যেটা পরবর্তীতে ইতিহাস হয়ে পথ দেখাবে পরবর্তী প্রজন্মকে ।"
সত্যিই তো, আমার সে সময়কার কথা এ সময়ের তরুণদের শুনবার ও জানবার আগ্রহ থাকতেই পারে । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ক্লাশের ছাত্র - ৬৮-৬৯এর প্রতিটি আন্দোলনের, প্রায় প্রতিটি মিছিলের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ । ৭০-৭১এ কলেজের শিক্ষক, ছাত্রদের মুক্তিযুদ্ধে যোগদানে উৎসাহী ও উদ্বুদ্ধ করা এ সব তথ্য আমি কাউকে জানাবো না কেন ?
ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ
বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ কইরা যখন ঢাকায় মেস এ উঠি, আবিস্কার করি মেস বাসিন্দা বিসিএস পরীক্ষার্থী বড় ভাইয়েরা মেসে দুই খান পত্রিকা রাখেন। পরবর্তীতে আমার বন্ধুরা যখন একের পর এক সেই মেস এ উঠতে থাকে পত্রিকার সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় তিন খানে।
দুইখান বাংলা পত্রিকা নিয়াই মেসবাসিন্দারা টানাটানি বেশি করতো, ইংরাজি ডেইলি স্টার খান আমার মত কামছাড়া আঁতেলের বিছানাগত থাকতো। প্রত্যেকদিন বদলা খাইটা আইসা পড়তাম দৈনিক তারা নিয়া। এই পাতা-ঐ পাতা ঘুরাঘুরি কইরা শেষে স্থির হইতাম স্পোর্টস অংশে। ফুটবল/ক্রিকেট/টেনিস ছিলো প্রধান আকর্ষণ। নিয়মিত ইংরাজি পত্রিকা পাঠ করায় ভাষাজ্ঞানের কতখানি উন্নতি হইছে তা আল্লাহ মালুম। কিন্তু ফুটবল তথা ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের প্রতি একটু একটু কইরা টান যে বাড়তেছিলো তা এখন মোটামুটি 'শিউর' কইরা কইয়া ফেলতে পারি। এই নিয়মিত ফুটবল সংবাদ পাঠের একটা বিরাট লাভ ছিলো। ফুটবল নিয়া যে যেখানেই
আত্মকথাঃ ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
আমার চাচার অফিসের পাশের বিজ্ঞাপন কাম সাপ্লাই অফিসের বিপ্লবদা এসে আমাকে জানালেন, তাদের একটা কাজ করে দিতে হবে। আমি হাসি মুখে বলি, জীবনে কথা জনের কত কাজ করলাম এ আর কি! বলেন। বিপ্লবদা একগাল হেসে বলেন, আমাদের একটা পোষ্টারে আপনাকে মডেল হিসাবে কাজ করে দিতে হবে। আমি রাজি হয়ে গেলাম। সদ্য বিদেশ ফেরত বেকার হিসাবে কাজের দরকার আছে। বিপ্লবদা আমাকে এলিফ্যান্ট রোডের একটা ফটোস্টুডিও দোকানের ঠিকানা দিয়ে বললেন, আগামী কাল ক্লিনসেভ করে সকাল দশটায় চলে যাবেন।
আমার দ্বিতীয় প্রেমিকা
বিয়ের পর আমার স্ত্রীর সংগে প্রথম যে বিষয়টি নিয়ে তুমুল ঝগড়ার সূত্রপাত হলো,সেটা ছিল ‘পরকীয়া’ …।আমার ‘দ্বিতীয় প্রেমিকা’র সংগে তখন আমার ‘পরকীয়া প্রেম’ তুঙ্গে।দু’ঠোঁটের ফাঁকে তার শরীরের মোহনীয় স্পর্শ না পেলে আমি তখন পাগল হয়ে যেতাম…।যা আমার স্ত্রী কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না…।
হাঁ তখন সিগারেট ছিল আমার’দ্বিতীয় প্রেমিকা’।এ সিগারেটের সঙ্গেই ছিল আমার গভীর প্রেম অর্থাৎ পরকীয়া প্রেম…।পরকীয়া বললাম এজন্যে যে,সিগারেট খেতে হতো আড়ালে-আবডালে,লুকিয়ে লুকিয়ে…পাছে সদ্য বিয়ে করা বউ দেখে ফেলে…।কিন্তু…সিগারেটের গন্ধ লুকাবো কিভাবে!বাসায় এলেই বউ ভ্রু কুঁচকাতো।প্রথম প্রথম কিছু বলতোনা, মুখটাকে থমথমে করে রাখতো।কিন্তু ক’দিন যেতে না যেতেই…একদিন তিনি প্রচন্ড রাগে ফেটে পড়লেন…।
শুধুই গল্প নয়
আজকে ভাঙ্গা পেন্সিলের লেখা “দাস” পোষ্টটা পড়তে পড়তে বহুদিন আগে শোনা একটা গল্প মনে পরে গেলো। তখন গল্প হিসেবে শুনলেও এখন মনে হচ্ছে সবকিছু কেনো গল্পই হতে হবে?
প্রমোদ বালক কি গেলমান??
"(আইন প্রতিমন্ত্রী) বলেছেন, তার কাছে সংবাদ আছে- একাত্তর সালে নারী নির্যাতনে ঘটনার বিষয়ে। এরকম আমার কাছেও তো সংবাদ আছে, কেরানীগঞ্জে তিনি একজন প্রমোদ বালক।" -
সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী
বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের ভেতরে অক্লেশে অশালীন শব্দ উচ্চারণ এবং দৈহিক ভঙ্গিতে সেটাকে আরও বেশী অশালীন করে তুলতে পারেন একমাত্র সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী। এর আগে বিমানবন্দরে শেখ হাসিনা সম্পর্কে তার কুখ্যাত উক্তি স্মরণ করলে বিষয়টা আরো পরিস্কার হতে পারে, কিন্তু আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম সম্পর্কে তার এই উক্তির তেমন জোরালো প্রতিবাদ চোখে পড়লো না।
ফৌজি বাণিজ্য: দ্বিতীয় পর্ব
অনেকেই হয়তো শুনেছেন। তারপরেও বিবিসির বিশেষ এই ধারাবাহিক প্রতিবেদন এখানে দেওয়ার উদ্দেশ্য দুটি। একটি হচ্ছে, যারা বিবিসি শোনেন না তাদের বিষয়টি জানানো। আরেকটি হচ্ছে নিজের কাছে রেকর্ড রাখা।
রিপোর্টগুলো তৈরি করেছেন বিবিসির কামাল আহমেদ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি স্পর্শকাতর হলেও সবার জানার প্রয়োজন থেকেই আমার এই পোস্ট। মোট তিনটি পর্বে ৯টি রিপোর্ট এখানে দেওয়ার ইচ্ছা। আজ থাকলো ৩য় থেকে ৬ষ্ঠ পর্ব।
ট্রাষ্ট ব্যাংককে ঘিরে বিতর্ক
মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণের ধারণা থেকে যে ব্যাংকের শুরু, শেষপর্যন্ত তা হয়েছে সামরিকবাহিনীর ব্যাংক। আর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রয়োজনে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলো যে প্রতিষ্ঠান সেটি হলো ট্রাষ্ট ব্যাংক।