অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

সবই ছিলো অজানা

একদিন বন্ধু ছিলে শীত আর শিশিরের মত
অথবা আপন ছিলে শ্রাবণের মেঘ আর বৃষ্টির মতই
অথবা নিবিড় বনে শরতের কাশফুল; নদী আর জল।

অচেনা হলে যে ভুলে যেতে হয় সব কিছু পেছনের
চেনা পথ ঘুরে যেতে হয়, পথ চলায় কখনো হলে দেখা
হঠাৎ ফিরিয়ে নিতে হয় দৃষ্টি কিংবা আড়ালে মুখ।

স্মৃতিগুলো সব দিয়ে জলাঞ্জলী বেদনার বহ্নিজালে
হৃদয়ের ক্ষত করতে আড়াল নতুন ব্যথাকে আলিঙ্গন
এর সবই ছিলো অজানা, যেমন অজানা আগামী সকাল।

২৮.১০.২০১০
কে. এস. এ

এক পয়সার কাঠি

m

ঘুট ঘুটে অন্ধকারে মৃত্যুকে ডাকছে সবাই
ঠিক সে সময় কে যেন
এক পয়সার
একটি কাঠি জ্বেলে দিল,
মরে আর যেতে পারেনি মুমুর্ষু বৃদ্ধটি

আধপোড়া মোমবাতি খুঁজে পেয়ে
প্রসব কান্নার ঘরে
বাতি হাতে হেটে গিয়েছিল সে,
লাঠিতে ভর করে
কন্যার কপালে সস্নেহে হাত রাখতেই
একটি পবিত্র শিশু কেঁদে উঠলো
কাঁপা কাঁপা আলোয়


তখন যুদ্ধ চলছে একাত্তরে,
ব্ল্যাক আউট চলছে
শিশুদের জন্য বাসযোগ্য কাঁথা নেই
মায়েদের সম্ভ্রম রক্ষা করার জন্য
কোন চাদর নেই,
জলপাই ট্যাঙ্কের সামনে
মাথা পেতে আছে কমবেশী সবাই
ঠিক তখনই একটি হাত
হানাদারদের দিকে ছুঁড়ে দেয় হাতে বানানো বোমা
মেশিনগান পালিয়েছিল সেই শব্দ-ভয়ে
শিশুটিরও আর মরে যাওয়া হয়নি


আজ আবারও অন্ধকার চারদিক
শিশুটি বড় হয়েছে, তবুও অন্ধকার
এতগুলো হাত আছে

আত্মকথাঃ মিশরের পিরামিড।

গতকাল রাতে স্বপ্নে আমার মনে হল মিশরের পিরামিড ভ্রমনে বেড়িয়েছি! কায়রো শহরের এ মাথা থেকে ওই মাথা ঘুরে বেড়িয়েছি। কত আনন্দ, কত গান, কত আড্ডা! নানা কাহিনী, নানা কথা। কিন্তু লিখে কি আপনাদের বুঝাতে পারব! আপনারা তো আবার ছবি প্রমান চান। আমাদের মুসা ভাইকে আপনারা কত কি বললেন। তিনিই যদি মুর্ত্তি ধরে একটা ছবি তুলতে পারতেন! আমি কিন্তু সে ভুল করিনি। ধাপে ধাপে ছবি তুলেছি! কিন্তু একটা আফসোস যদি পিরামিডের চূড়ায় উঠতে পারতাম! আমি আবার কাজ বেশী করি - চলুন দেখি।

1_0.jpg
১। ইয়া হাবিবী! ইয়া হাবিবী!
2_1.jpg
২। পিরামিড।
4a.jpg
-

যে শখের স্পিড গেল কমে

ঘুরে বেড়ানো শখের জন্মটা যে কবে হলো, ঠাহর করতে পারি নি। একদিন হঠাৎই আবিষ্কার করলাম যে, ঘুরতে ভালোলাগে, বেড়াতে ভালোলাগে। ততোদিনে ঢাকার আশেপাশের অনেক জায়গা ঘুরাঘুরি শেষ। ঘুরাঘুরি বলতে বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে হঠাৎ একটা জায়গায় চলে যাওয়া, যেখানে হয়তো ঠিক ঘুরে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে কেউ আগে যায় নি; অথবা আমার বা আমাদের মতো বায়ুচড়া বড়জোড় দুয়েকজন গেলেও যেতে পারে। একদিন যেমন আমরা ধামরাই বাসস্ট্যান্ডে নেমে রিকশাওয়ালাকে বললাম, এই রাস্তায় ১০ টাকা দিয়ে যতোদূর যাওয়া যায় ততোদূর যাব। সেখান থেকে বাকি ঘণ্টা কয়েক হাঁটাহাটি করে সময় পার। দুপুরে খেলাম একটা রেস্টুরেন্টে- যদি তাকে আদৌ কেউ রেস্টুরেন্ট বলে। আবার একদিন মাওয়া যাওয়ার রাস্তায় হুট করে কোথায় যেন নেমে গেলাম- হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎই দেখি সামনে পদ্মা। তীরে ভাতের দোকান। দুই পিস ইলিশ, এক পিস রুই মাছ ভাজা, এক পিস খাসির মাংস, সবজি, ছোট মাছ আর ভর্তা দিয়ে এক প্লেট ভাত খেয়ে শুনি

মাটির গন্ধ

না, আমি কোন গুরুগম্ভীর বিষয়ের অবতারনা করতে যাচ্ছি না । মনে মনে কত কথার জাল বুনে চলেছি অহরহ, সে সব কথা শুনবার, শুনাবার মত আমার কোন বন্ধু ছিল না এতদিন ! এখন “আমরা সবাই বন্ধু, আমাদের এই ‘আমরা বন্ধু’তে” । তাই এখানে সেই সব আবোল-তাবোল কথা বলতে ইচ্ছা করছে । আমার মনে হতে শুরু করেছে যে, এ আসরে মনের কথা অকপটে বলা যায়, এখানে আমার কথার নিবিষ্ট শ্রোতা আছে ।

হাসপাতাল নিবাস- কয়েকটি টুকরো ঘটনা

মেযবাহ ভাইয়ের রাতের গল্প পড়ে প্রায়ই ভাবি আমারও হাসপাতালের গল্প আছে। আজ লিখবো, কাল লিখবো। কিন্তু "অকাজের কাজি- মস্তবড় পাজি‍' হবার কারণে তা আর করা হয়ে ওঠেনা। অবশেষে আজ কাজ করার মাঝে প্রচণ্ড আলসেমীতে মনে হলো আমার হাসপাতালের গল্প কিছুটা শেয়ার করা যায়।

ব্যক্তিগতভাবে হাসপাতাল বিষয়টি আমার ভীষণ অপছন্দের। হাসপাতাল মানেই মন খারাপ, ঔষুধের গন্ধ আর অসুস্থতা ধরিয়ে দেয়া। নিজের ডেঙ্গু আমলে ৪৫ দিনের বদলে ১৫ দিন থাকা ছিল অপছন্দ থেকেই। এবং সেটার ফলে শারীরিক অবস্থার চূড়ান্ত অবনতি এবং ডাক্তার সাহেবের সাথে মুখ দেখাদেখি বন্ধ টাইপের অভিমানও সহ্য করতে হয়েছে।

রূপগঞ্জে জনতার প্রতিরোধ: কবর রচনা হোক সকল আধিপত্যবাদী শক্তির...

রাষ্ট্রের কাছে আমাগো প্রত্যাশা অনেক। ক্ষমতার ভাগাভাগিতে প্রতিযোগিতায় থাকা রাজনৈতিক দলগুলির কাছে আমাগো প্রত্যাশা সীমাহীন। রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারকগো জ্ঞানে আজো আমাগো বিপুল আস্থা। সেবামূলক সংস্থাগুলি থেইকা আমরা আজো প্রত্যাশা করি সেবার ফুলঝুড়ি। আবার এই আমরাই জানি রাজনৈতিক দলগুলি সুবিধাবাদী মুনাফাখোর ব্যবসায়ি আর মাস্তানগো ক্লাব। নীতি-নির্ধারকেরা মানে পলিসি মেইকাররা দেশের বাস্তবতাজ্ঞান বিবর্জিত একটা গোষ্ঠী। সেবামূলক সংস্থায় চাকরি পাইতেও একজন চাকরী প্রার্থীরে বহুত টাকা ঘূষ দিতে হয়। আমাগো সেনাবাহিনী আমাগো কাছে আজো দেশরক্ষার অতন্দ্র প্রহরী। আমরা ভাবি সেনাবাহিনীতে মানুষ পিটাইয়া ফেরেশতা বানাইয়া দেয়া হয়। কিন্তু আমরা জানি যূগে যূগে কালে কালে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এই দেশের প্রতিবাদী মানুষরে নির্যাতন করছে। চাকরী শেষে তারা ক্ষমতার অপব্যবহার কইরা এই দেশের রাজনীতি আর অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সুবিধাভোগী দানব হইয়া

সুগারলেস এন্ড সুগারকোটেড লাইফ

সময়টা খুব সম্ভবত নয় দশ বছর আগের যখন চট্টগ্রাম ডায়বেটিক সমিতিটা এনায়েত বাজার বাটালী রোডে ছিল। আমি অনেকদিন যাবত এ্যাপথাস আলসার নামের একধরনের মুখের অসুখে ভুগছিলাম, যে রোগের কারন বা ঔষধ এখন পর্যন্ত আবিস্কৃত হয়নি। এক পর্যায়ে আম্মার কথায় যখন ইন্ডিয়ায় যাওয়ার কথা ভাবছিলাম এমন সময় আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে এক ডাক্তারের স্বরণাপন্ন হই। ডাক্তার লম্বা লিষ্ট দিলো ল্যাব টেষ্টের। লিষ্টে ডায়বেটিস টেষ্টের কথাও উল্লেখ ছিল আর আমিও সুবোধ রোগীর মত চট্টগ্রাম ডায়েবেটিস সমিতিতে গিয়ে ব্লাড দিয়ে এলাম।

ফৌজি বাণিজ্য: শেষ পর্ব

অনেকেই হয়তো শুনেছেন। তারপরেও বিবিসির বিশেষ এই ধারাবাহিক প্রতিবেদন এখানে দেওয়ার উদ্দেশ্য দুটি। একটি হচ্ছে, যারা বিবিসি শোনেন না তাদের বিষয়টি জানানো। আরেকটি হচ্ছে নিজের কাছে রেকর্ড রাখা।
রিপোর্টগুলো তৈরি করেছেন বিবিসির কামাল আহমেদ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি স্পর্শকাতর হলেও সবার জানার প্রয়োজন থেকেই আমার এই পোস্ট। মোট তিনটি পর্বে ৯টি রিপোর্ট এখানে দেওয়ার ইচ্ছা ছিল। আজ ৭ম থেকে ৯ম পর্ব। এটাই শেষ পর্ব।

ফৌজি বাণিজ্য: প্রথম পর্ব

ফৌজি বাণিজ্য: দ্বিতীয় পর্ব

শিল্প পরিচালনায় উদ্যোগী সেনাবাহিনী

গল্প পুরাণ : দুইটি বা একটি গল্প।

গল্প ১:

ঘুট ঘুইট্যা আন্ধারের মাঝে খালি দুই জোড়া সাদা সাদা গোল গোল চোখ চরকির মত ঘুরতাছে।

শালার মায়রে বাপ!

শীতকালের শুকনা নাড়ায় পা পৈড়া জ্বালা কৈরা উঠতে খ্যাচ কৈরা উঠে রহমান।
মতির সাদা চোখ দুইটা কেবল একটু পিছনে ফিরা রহমানরে দেখে, আর কিছু কয়না। চোররে আস্তে কথা কওনের কথা শিখানের দরকার হয়না, সেডা জানে।

বিড়ি একটা ধরাই, কি কও?
আবারো ফিসফিসায় রহমান।

মতি কিছু কয়না। রহমান অবশ্য কিছু মনে করেনা। জানে হ কৈতে হৈলে মতি একটা ঘোঁৎ করতো, না হৈলে চুপ।
যদিও আজকে প্রথমবারের মত তারা আজকে একসাথে চুরি করতাছে। তবে কিনা আজকের টা রাজচুরি।!!
রাজচুরি বলে রাজচুরি!!
মনে হৈতেই রহমানর ঘাম শুরু হয় আবার।
অত্র এলাকায়, চুরির ইতিহাসে, এমন ঘটনা ঘটেনাই!! কোনো এলাকাতেই কি ঘটছে?
বুদ্ধিটা মতির।
রহমানের মাথায় এত বুদ্ধি আসবার নয়।

বন্ধু কি খবর বল...

আমার বন্ধুদের মধ্যে সবচে সুদর্শণ ছিল নুরুল ইসলাম।হঠাৎ করে ও সিদ্ধান্ত নেয়-দাঁড়ি রাখবে।সেভ করা বন্ধ করে দেয়ার পর ক’দিনের মধ্যেই দাঁড়ির জঙ্গলে ভরে যায় ওর মুখ।পাড়ার মেয়েরা হায় হায় করে ওঠে...।দিপ্তি নামের এক মেয়ে,নুরুল ইসলামের প্রতি যার দুর্বলতা ছিল প্রায় প্রকাশ্য।সে আমাকে ডেকে বলে, ‘তোমার বন্ধুর হঠাৎ ‘রবিন্দ্রনাথ’ হওয়ার শখ জাগলো কেন?’ আমি বলি, ‘তোমরা যেভাবে ওকে জ্বালাতন কর!তোমাদের যন্ত্রণায় ও এখন ‘হুজুর’ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে...শুনছি আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হবে...’।আমি একটু বাড়িয়ে বলি।‘শোন ঈশান,প্লিজ...ওর দাঁড়ি কাটার ব্যবস্থা করো, যদি কাজটা করতে পার...এক’শ টাকা পাবে...’।এক’শ টাকা তখন অনেক টাকা... তার ওপর দিপ্তির মতো সুন্দরী মেয়ের অনুরোধ,আমাকে আর পায় কে !

অবশেষে স্পেসে ..স্বপ্নরাজ্যে

যেদিন শুনলাম এতিম-খানায় যেতে হবে, মনটা খারাপ হয়ে গেল। না, কষ্ট দেখতে হবে এজন্যে না। কেমন যানি মনে হয় এতিম খানা সফর মানে গিল্ট বেস বিষয়। যাই হোক....ফিরে এসে মনে হল, ইচ্ছে ছিল স্পেস ট্রাভল করবে, তার আর দরকার হবে না। আমি চাদ, আকাশ, তারা সবই মনে হয় দেখা হল - এরা এত হাসে কেন?

http://www.flickr.com/photos/amieka/sets/72157625104271477/with/5110215144/

আমি কোথায়?

আমার এখন চুল ছিড়তে ইচ্ছা হচ্ছে। এরকম হবার কথা ছিল না। ঘুরাঘুরি করতে এসে মন খারাপ, সচারচর তেমন হয় না। তবে গত কয়েক দিন ধরে রাগে মাথার চুল ছিড়ছি। কেন?

আমি এখন ভারতে আর আমার সফর সাথি সব সাদা মাল। ট্রাফিক জাম, পলিউশন, ইন-ফ্রা-structure ইত্যাদি নিয়ে এদের কমপ্লেইন শুনতে শুনতে খান জালাপালা। তার উপরে খাবার বলতে বেশিরভাগ সবজি। ঢং করে বলতে গেলে - all vegi item....

ভারতে ঘুরতে এসে মন খারাপ এটা বলার জন্য লিখতে বসি নি। মেজাজ খারাপ হবার পর মনে হলো আমার একলাকের SWI ডোস্তদের কথা। যাদের সাথে ভ্রমন খানাপিনা নিয়ে অনেক গাল গল্প হত। CIA এর মাধ্যমে জানলাম তারা নাকি এখন এই ব্লগে। সত্যি নাকি?

দ্বিতীয় জীবন

২ মাসে আমার শরীরজুড়ে ২১টা ফোঁড়া উঠেছে। অস্বাভাবিক তাই না?
বড়ভাই ডাক্তার। ফোন করলাম। বললেন, ডায়াবেটিস চেক করিয়ে নে। ডায়াবেটিস থাকলে এমনটা হতে পারে।
আমি কিঞ্চিৎ আতঙ্কিত হলাম। এর আগে ডায়াবেটিস সম্পর্কে তেমন খোঁজখবর রাখা হয়নি। মা বাবার ডায়াবেটিস নেই। আমার হবে কেন? কিন্তু ডাক্তারের কথা শুনে আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। বাসার কাছেই চট্টগ্রাম ডায়াবেটিস হাসপাতাল। হাঁটা পথ। কিন্তু আমি আর টেস্ট করাতে যাই না। ভয়ে। যদি পজিটিভ হয়!
ফোঁড়ার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে গেলাম। আল্লাহ ভরসা।

আত্মকথাঃ আমাদের প্রথম ভ্রমন।

১৯৮৫ সালে প্রথম আমরা তিন বন্ধু (মাহাবুব, বিশু ও আমি) নানা জেলা শহরে ঘুরে বেড়াতে বের হই। প্রথমে আমাদের টার্গেট হয়, সিলেটের প্রতি। সিলেটে চা বাগান আছে, মাজার আছে এবং জাফলং। শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে আমার জন্ম এবং শ্রীমঙ্গলে আমার খালা (আপন নয়, আমার মাকে বোন ডেকে ছিলেন কিন্তু কেহ এটা বুঝতে পারত না) আছেন তাই সাহসটা আমিই দেই, চল কি আছে জীবনে! মাত্র ৯০০ টাকা নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল।

কমলাপুর রেল স্টেশনে যেয়ে দেখি মাহাবুব তার বাসা থেকে ক্যামেরাটা নিয়েছে। টাকার অভাবে আমরা সিলেট শহর ও জাফলং যেতে পারি নাই, তবে শ্রীমংগলে আমরা প্রান খুলে বেড়িয়ে ছিলাম। প্রায় প্রতিদিন চা বাগানে গিয়েছিলাম। আমার খালাম্মা (যিনি পরবর্তিতে জরাযু ক্যান্সারে মারা যান, তার প্রসঙ্গেও আমার লিখার ইচ্ছা আছে ) এত খুশি হয়েছিলেন, যা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ