অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

চাইনা বৃষ্টি-----আগুন চাই

দিওনা বৃষ্টি ।
নিভতে চাইনা
গাইছি আগুনের স্তব।সাগ্নিক।

শুধু শুধু জড়ো করি আসর-ভাঙ্গা জলসাঘরের দীর্ঘশ্বাসগুলো
যাবার নিয়মে চলে যায় রূপকথা বলা সবুজ টিয়াটি।তার
অনিচ্ছার একটি পালক শুধু পড়ে থাকে।পুড়াই।
মুছে ফেলি পেলব ঘাসের সবুজ-মমতা।

মুঠোতে মেখেছি জ্যোৎস্না আর
চাঁদের গরলটুকু নিঃশেষে করেছি পান;
দেখেছি হৃৎপিন্ডের নীল রং ।তীব্র।

ভাল আছি।
ঝিনুকের খোলের ভেতরে গুটানোর ভব্যতাটুকু রপ্ত হয়ে গেলে

ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ২

আমাদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছিলো অসলো রয়্যাল প‌্যালেসের ঠিক পাশেই, বেশ পশ জায়গা... অবশ্য হোটেলটা ঠিক সেই অর্থে রাজকীয় সুলভ কিছুনা, তবে নেহায়েত মন্দও না। আমি, মৌসুম আর মাল্লিকা এই তিন মহিলা এক ঘরে। অফিস করি রোজ পাঁচটা-ছ'টা পর্যন্ত... এরপরে হোটেলে ফিরে কোন কোন দিন অন্য কলিগদের সাথে ঘুরতে বেরুই... কোনদিন একা একাই ঘুরি... রাত বারোটা পর্যন্ত দিনের আলো থেকে যায়... তাই সময়ের তেমন অভাব নাই... আর আমার শরীরের ভেতরে কেমনে জানি অ্যালার্ম সেট করা হয়ে যায়, তাই আমি ভোর পাঁচটায় উঠে পড়ি... খুটখাট করে বাইরে হাঁটতে চলে যাই... গ্রীষ্মের গাঢ় সবুজ পটভূমিতে যা দেখি তাতেই মুগ্ধ। আর হোটেলের সামনেই রাজার বাড়ি আর বাড়ি সংলগ্ন বাগান... হোটেল থেকে দশ পা গেলেই একটা ডাক-পন্ড... তার উপরে আবার কাঠের ব্রিজ... ওখানে চুপ করে দাঁড়িয়ে হাঁস দেখি, সমুদ্রের চিল দেখি... রাজকীয় বাগানের বেঞ্চিতে বসে গল্পের বই পড়ি সাতটা পর্যন্ত...

আমার চাকুরী জীবন

ইত্তেফাকে বিজ্ঞাপণ দেখে হঠাৎ করে দরখাস্ত করে বসলাম। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে ইন্টারভিউ কার্ড হাতে এল। লিখিত আর মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে চাকুরীটা পেয়ে গেলাম। পোস্ট ছিল মেডিকেল-কাম সেলস রিপ্রেজেনটেটিভ। পোস্টিং চিটাগাং। ৯০ সালের গোড়ার দিকের ঘটনা। ঢাকার বন্ধুদের আড্ডার মায়া ছেড়ে জীবনের প্রথম চাকুরীতে জয়েন করলাম। আমার অফিস ছিল আইস ফ্যাক্টরি রোডে। কাজের এলাকা ছিল- তিন পার্বত্য জেলা। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি আর বান্দর

বিদ্যুত না থাকিবার ফজিলত সমূহঃ

জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (একাদশ কিস্তি)

স্কুলে যাবার আগেই জেরোমিল পড়তে আর লিখতে শিখেছিলো, আর তাই মা তাকে সরাসরি দ্বিতীয় গ্রেডে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেয়; মন্ত্রণালয় থেকে এজন্য বিশেষ অনুমতিও বের করে ফেলে, বিশেষ ব্যবস্থায় স্কুল কমিটির সামনে দেয়া পরীক্ষায় পাশের পর জেরোমিল তার চেয়ে এক বছরের বড় ছাত্রদের সাথে ভর্তি হওয়ার অনুমতি পেয়ে যায়। সবাই তার মেধার প্রশংসা করতে থাকায় তার কাছে ক্লাসরুমটাকে পরিবারেরই একটা বর্ধিত অংশ মনে হতে থাকে। মা দিবসে স

একটি অন্ধ বালকের গল্প

অন্ধ এই বালকটি অভাবের তাড়নায় একটি হার্ডবোর্ডে “আমি অন্ধ, আমাকে সাহায্য করুন” লিখে সাহায্যের আশায় মাথার হ্যাট পেতে পথের ধারে বসে ছিল। কিন্তু পথচারীর সহায়তার হাত খুলছিল না... দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় মাত্র অল্প কিছু পয়সা সে সংগ্রহ করতে পারে।

01_1.JPG

জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (দশম কিস্তি)

ঠিক জন্মবার্ষিকীর আগের দিন তাকে দিদার ঘরে শুতে পাঠিয়ে দিয়ে বাবা আর মা মিলে তার নতুন ঘরের আসবাব আর দেয়াল সাজালো। পরেরদিন সকালে যখন তারা ছেলেকে নিয়ে নতুন সাজানো ঘরে এলো, মা খানিকটা উদ্বিগ্ন বোধ করছিলো, কিন্তু জেরোমিল মায়ের অস্থিরতা দূর করতে কোনোরকম কিছু করলো না; সে হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো ঘরের মাঝখানে; তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো (যদিও তাকে আড়ষ্ট মনে হচ্ছিলো) কাঠের ছোট্ট ডেস্কটা; পুরনো আমলের এই ফার্নিচার

স্টোনিং অব সুরাইয়া এম

ভার্টিগো সমস্যার কারণে গত তিন দিন দিনের বেলা বাসায় থাকতে হয়েছে। কিন্তু একটানা টিভি দেখা যায় না এবং বিদ্যুৎ থাকে না বলে কোনো মুভিই টানা দেখতে পারি না। তার উপর আছে ছেলে মেয়ের কাটুর্্ন দেখার আবদার। তবুও এরই মধ্যে দুটি মুভি শেষ করলাম। অর্ধেক দেখা অবস্থায় দুটি ছবি নিয়েই পোস্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু মুভি দুটি শেষ করার পর আবার নতুন করে কিছু লিখতে খুব মন চাইছে। বিশেষ করে গতকাল রাতে স্টোনিং অব সুরাইয়া এম দেখার

বিলাতের দিনরাত্রি...১

বিলাত চলে আসার সিদ্ধান্তটা বড়ো আচমকা ছিলো, নিজের সাথে আড়াইটে বছর অন এন্ড অফ যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা খেলছিলাম... তারপরে হঠাৎ করে মনে হলো... বাহ! বেশ ক্লান্ত লাগছে তো। একবার এই কথা মনে হলো তো আর যায় কোথা... দিনরাত মনে হতে লাগলো। তিন বছরের
চাকরি জীবনে যতোদূর সম্বল ছিলো একাট্টা করে চলে এলাম এই দেশে। বাপ-মাকে ম্যানেজ করতে গিয়ে অবশ্য তেরোটা বেজেছিলো। এর মাঝখানে নিশীথ সূর্যের দেশে একটা চাকরী'র অফার পেয়ে গেলাম... কিন্তু নিজের আবেগের লাগাম তখনো নিজের হাতে ছিলোনা, তাই সাহস করে উঠতে পারিনি... যাই হোক বিলাতের দশটা মাসের জীবন নিয়ে লিখার ইচ্ছে ছিলো অনেক, আর তাই এই সিরিজ।

ছবি: গ্রীনিচ সানডে মার্কেট
sunday market 1

রবীন্দ্রনাথের রচনা নিয়ে গবেষণা

রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে কিছুদিন ধরে গবেষণা করছিলাম। গবেষণা করে দেখলাম রবি বাবু যে আমাদের জীবন যাপনের কথা ভেবে এত আগেই গান রচনা করে গেছে, তা কে জানতো ?

রবিন্দ্রনাথের রচনা বিশেষ করে গানের প্রাসঙ্গিক ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে এসেছে প্রেমের ক্ষেত্রে, ছ্যাকামাইছিন খাইলে, নাটকে কিন্তু আসলে তিনি গান লিখেছেন অন্য কারণে, সেটা কেউ ধরতে পারে নাই আমার আগে, গবেষণা করে সেটাই পেলাম।

যেমনঃ

খোলা চিঠি.....

শুরুর কথাঃ এই লেখাটা একটি চিঠির অংশ বিশেষ,কোন প্রিয় কাউকে লেখা। কিন্তু এর মূল অংশটা আমি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিলাম......
________________________________________________________________________________

হোয়াট হ্যাপেনস ইন ভেগাস...( শেষ পর্ব)

পবিত্র রমজান মাস চলে আসতেছে। ভেগাস নিয়া পোস্টে দিতে দেরী করলে পরবর্তীতে রমজানের পবিত্রতা বিনষ্ট করার অপরাধে আমার ফাঁসির দাবী আসতে পারে। তাই হাজার ঝামেলার মধ্যেও শেষ পর্বটা নামিয়ে ফেললাম। তাড়াহুড়া করে লেখা, ছবি পোস্টানো, ভুল-ত্রুটি মার্জনীয় Smile

শিক্ষার্থীরা আর মার খাবেনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব সৈয়দ আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রের নির্দেশে এমনই বলা হয় যে দেশের সকল সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোনরূপ শারীরিক শাস্তি প্রদান করা যাবে না।

একজন সফল অথবা বিফল নারীর গল্প (দ্বিতীয় অংশ)

আমি কেবলি্ স্বপন ও করেছি বপণ ও আকাশে...গানটা শুনছে রুবাই,বাবুকে বুকের ভেতর নিয়ে ঘুম পাড়াছ্ছে..।দেখতে দেখতে ১২ বছর হয়ে গেল সংসার এর ...ইউনিভাসিটিতে পড়ার সময় প্রেম করে বিয়ে করেছে ওরা...বিয়ের পরপর ই বড় মেয়ে পেটে আসে রুবাইর...সে আরেক যুধ্দ কিছুতেই বাচ্চা নিবে না তানভির...রুবাই মনে মনে সিদ্ধান্ত নেয় যে এসেছে যে কোন কিছুর বিনিময়ে তাকে পৃথিবীতে আনবে রুবাই।খুব আজব হলেও সত্য যখন রুবাই জানতনা ও মা হতে চলেছে

নৌকা বাইচ...

বহুদিন ধরে কিছু লেখালেখি করতে পারতেছি না বিবিধ ঝামেলায়।
তারপরও সবার সাথে জুড়ে থাকার একটা প্রবণতা কাজ করে সবসময়ই,
সেজন্যই রিসেন্টলি তোলা কিছু ছবি নিয়ে যন্ত্রণা দিতে হাজির হয়া গেসি...

...

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ