বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৪
চলতে চলতে একদিন হঠাৎ থেমে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই মনে হল , আমি চলছি কেন ? এই যে নিত্য ছুটে চলা বিরামহীন ভাবে সকাল সন্ধ্যা... কি হবে এই ছুটে চলে ?
শুভ জন্মদিন সচলায়তন
আজ ১৭ আষাঢ় ১৪১৭, জুলাই ০১, ২০১০ খ্রিষ্টাব্দ - বৃহস্পতিবার
আজ থেকে ঠিক তিন বছর আগে ঠিক এই দিনে বাংলা ব্লগের আরেক দিকপাল সচলায়তনের ডট কম এর আগমন ঘটে। চমৎকার সব লেখালেখির প্রতিশ্রুতি নিয়ে ব্লগারদের মাঝে হাজির হয়। এবং সচল তার কথা রাখে... এখনো লেখালেখির জায়গা হিসেবে সচলায়তন অপ্রতিদ্বন্দী। ব্যপক চাঞ্চল্যের মধ্যে দিয়ে জন্ম নেয়া এই ব্লগ সাইটটির আজ জন্মদিন।
বিবর্তনের পথ ধরে হরতাল: গণমানুষের হাতিয়ার যখন দলবাজদের মুঠিতে
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে দোকানপাট-যানবাহন বন্ধ করে এক অভিনব অসহযোগের কর্মসূচি নিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। গুজরাটি ভাষার প্রচলিত শব্দ হরতাল নামে অভিহিত এই ধর্মঘট কর্মসূচি প্রতিবাদের ধরন হিসাবে সে সময় থেকেই উপমহাদেশীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি জনপ্রিয় পদক্ষেপ। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম হরতাল কর্মসূচি পালনের নজির পাওয়া যায়। স্বাধিকারের এই আন্দোলন যাত্রা থেকে স্বাধী
ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস আজ
আজ ৩০ জুন, ব্রিটিশবিরোধী সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস। ১৮৫৫ সালের এদিনে ভারতের বর্তমান ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সাঁওতাল পরগনার সদর শহর বারহাইতের কাছাকাছি ভাগনাডিহি গ্রামের নিপীড়িত সাঁওতাল পরিবারের চার ভাই সিধু, কানু, চাঁদ, ভৈরব মুর্মু এবং দুই বোন ফুলমনি ও জান মুর্মুর নেতৃত্বে হাজার হাজার সাঁওতাল জুলুমবাজ ব্রিটিশ শাসন আর অন্যায় নিপীড়নের বিরুদ্ধে এক দীর্ঘ গণপদযাত্রার সূচনা করেন। পরবর্তী সময়ে সাঁওতালদের ঐক্যবদ্ধ এই শ্রেণী সংগ্রামে অংশ নেন স্থানীয় আদিবাসী এবং নিপীড়িত প্রান্তিক বাঙালিরাও। (১)
“একজন দারোগা অন্যায়ভাবে কতিপয় সাঁওতালকে গ্রেপ্তার করিয়া থানায় লইয়া যাইতেছিল। পথে বিদ্রোহীরা তাহাদিগকে আটক করিয়া তাহাদের নায়ক সিদু ও কানুর নিকট লইয়া যায়। দারোগা ক্রোধে চিত্কার করিয়া উঠিল: ‘কে তুই সরকারি কাজে বাধা দিস!’ একজন বলিল: ‘আমি কানু, এ আমার দেশ।’
দ্বিতীয়জন বলিল: ‘আমি সিদু, এ আমার দেশ।’
তিন যুদ্ধাপরাধী গ্রেপ্তার, সরকারের বিশেষ কৌশল?
বিশিষ্ট বর্বর যুদ্ধাপরাধী, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী, '৭১ এর ঘাতক দালাল এবং বর্তমানের জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের তিন নেতা নিজামী, মুজাহিদ আর সাঈদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে গতকাল।
এবি ফ্যান্টাসী কাপ: চ্যাম্পিয়ন গোল্লাবন্দী কাউয়া কেলাব
দ্বিতীয় এবি ফ্যান্টাসী কাপ শেষ হয়েছে গতকাল দিবাগত মধ্যরাতে, সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সবাইকে চমকে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ডার্কহর্স গোল্লাবন্দী কাউয়া কেলাব । গোল্লাবন্দী কাউয়া ক্লাব আর ক্লাবমালিক বৃত্তবন্দীকে "এবিফা"র(???) পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। আবারও শেষরক্ষা করতে পারলেননা রাসেল আশরাফ, বাফড়া আর লীনা দিলরুবা। আগেরবারের মতো এবারও তাঁদের দলগুলো শীর্ষচারের বাকী জায়গাগুলো দখ
মতিঝিল! মতিঝিল! মতিঝিল!
মতিঝিল গিয়েছিলাম। অনেক দিন যাওয়া হয় না। নানাবিধ বিল পরিশোধ আর শেয়ার বাজারের বন্ধুদের অবস্থা জানার ইচ্ছে ছিলো। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে ফুটপাতে হাটা দায় ছিল। নানা হকারে সব জায়গা দখল নিয়েছে! অফিস এলাকা নয়, যেন বাজার! কি নেই! কি আর করা, বাজার করে বাসায় ফিরলাম। ছবি গুলো নিয়ে না বলাই উত্তম। আমার এলজি কেএস৬৬০ মোবাইল দিয়ে তোলা! আমি ফটোগ্রাফার না, গুরু হাসান ভাই থাকলে ভাল হত।

১। বষ্টি ভেজা মতিঝিল, ফুটপাতের বাজার

২। রসুন (বাংলাদেশ), রসুন (ইন্ডিয়া), আদা

৩। ডাল (বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, কানাডা, চীন)
ফল নিয়ে কিছু কথা
এই গতবছর এই সময়ে সপ্তাহের ছুটিতে বাসায় গেছি।আব্বা বাজার থেকে কাঁঠাল নিয়ে আসছে।আম্মা কাঁঠাল ভাংতেছে আর আমাদের চোদ্দগুষ্ঠির পিন্ডি চটকাচ্ছে।কারন কি কাঁঠাল নাকি খাজা না।
আর আমরা তিন ভাইবোন দেখছি আর হাসতেছি।কিছুক্ষন পর আম্মা টেবিলে দিয়ে গেল আর বললো বছরের ফল খেতে হয় না হলে আল্লাহ মন খারাপ করবে ভাববে আমার নেয়ামত বান্দারা উপেক্ষা করছে।
আমরা তিন ভাইবোন আল্লাহকে খুশি করার জন্য তিনজন তিন রোয়া কাঁঠাল খেলাম।
আসলে আমাদের বাসায় আমরা তিন ভাইবোন কেও কাঁঠাল পছন্দ করি না।আমার ছোটটা পারলে এই ফলের নাম কে প্রস্তাব করেছিলো তারে পাইলে নাকি ওর একদিন আর উনার একদিন করে দিবে।
কিন্তু আমার আম্মা কাঁঠাল এর একনিষ্ঠ ভক্ত। বাসায় কাঁঠাল আসলে আম্মা একবার এমনি খাবে।বিকালে মুড়িদিয়ে আর রাতে দুধভাত দিয়ে আর বাকীটা কাজের বুয়াকে দিবে কিন্তু শর্ত হচ্ছে বুয়াকে বিঁচি ফেরত দিতে হবে।কারন ওগুলো দিয়ে পরে ভর্তা আর তরকারী খাওয়া হবে।
কিন্তু এইবার আল্লাহ সত্যি মন খারাপ করবে কারন আমি একটাও কাঁঠালের রোয়া খাইনি। ছোটবেলায় এই সময় ফল খাওয়া নিয়ে কত কাহিনী আছে...
হুররেএএএএএএএ নিজামী আর মুজাহিদ গ্রেপ্তার হলো এই মাত্র
পর পর দুই পোস্ট হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু খুশীর এই সংবাদটা না দিয়ে পারছি না।
কুখ্যাত রাজাকার মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুজাহিদ গ্রেপ্তার। এই মাত্র এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও গ্রেপ্তার হবে।
আজ সকালে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর এই ঘটনা ঘটলো।
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত পরোয়ানা জারি করেছিল।
ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ-১: শুরুতেই একজন পিটার কাসটারের কথা
পিটার কাসটারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেই।
পিটার কাসটার মূলত ডাচ নাগরিক। পড়তেন আমেরিকায়, ছাত্র জীবনে প্রথম এসেছিলেন বাংলাদেশে, সেই ১৯৭৩ সালে। চে গুয়েভারার পথটাই সঠিক বলে মনে করতেন। চে যেমন নিজের দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বের যে কোনো দেশের শোষিতদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলতেন, পিটার কাসটারও সেরকমই মানতেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল গণঅভ্যুত্থান ছাড়া বিপ্লব হবে না।
বিশ্বকাপ ফুটবলের পূর্বাভাষ : চ্যাম্পিয়ান ব্রাজিল
বিশ্বকাপ ফুটবল এখন একেবারে চূড়ান্ত পর্বে রয়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা আজকে শেষ হবে। এই টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের চেয়ে রেফারিই সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রেখেছে। এত বাজে জঘন্য রেফারিং মনে হয় আর কোনো বিশ্বকাপে হয় নাই। যতগুলি খেলা দেখেছি প্রায় প্রতিটাতেই ভুল ডিসিশন এর ছড়াছড়ি ছিল। এক একটা সম্ভাব্য জমজমাট ও উপভোগ্য খেলা বিনষ্ট হয়েছে এই সব ভুল সিদ্ধান্তে। সামনের সব খেলাই গুরূত্বপূর্ণ, আশা করি রেফারিদেরর
বিশ্বকাপ শর্টনোট ৭
মাঝখানে বিশ্বকাপ নিয়ে ফ্যান্টাসী লীগ চালাতে গিয়ে শর্টনোটের শর্টসার্কিট হয়ে গিয়েছিলো, সময় পাচ্ছিলামনা। ছোটবেলা থেকে যেহেতু খেলাধুলায় ভালো ছিলামনা, কিন্তু খেলা পছন্দ করতাম, তাই শেষমেষ খেলা দেখাটা আর পরিসংখ্যানের হিসেব রাখাটা একটা নেশা হয়ে গিয়েছিলো একসময়। বিশ্বকাপ এলে মৌসুমী পাখির মতো সেই নেশা আবার ফিরে আসে, পরদিন অফিস থাকলেও রাত জেগে খেলা দেখা হয় প্রায়ই, অফিসে ঝিমুতে হয়, ঘরে ফিরে সোফায় বসে চিপস-পপকর
বনলতা সেনের সাথে কিছুক্ষণ!!
আৎকা কি যে হইলো বুঝলাম্না! ঘরের ভিত্রের থেনে দৌড়ায়া বাইর হইয়া যাইতে মুঞ্চাইতাছিল। ছটফট করতে করতেই বাইর হলাম। উদ্দ্যেশ্য নিরুদ্দেশ হন্টন।
আমার আধুনিক ভাষা শিক্ষা
আজকাল আমার পদ্য লিখতে মঞ্চায়(মন চায়)। অনেক ভেবে চিন্তে কাল একটা পদ্যের দু লাইন লিখে ফেলেছি।
"আমি বুড়ো হচ্ছি এ যুগে, আমার অবস্থা টোয়েন্টি টাইট
আমি বয়স্ক শিক্ষা স্কুলে ভর্তি হইতাম চাই।"
আজকাল বড্ড বেকায়দার মধ্যে আছি। চারিদিকে সব সংক্ষিপ্ত। কিছুই বুঝিনা। বন্ধু 'ক' 'খ' এর সঙ্গে কি সব ভাষায় কথা বলে, প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে তাকালেই,সংক্ষিপ্ত জবাব- WZF. (উই আর যাষ্ট ফ্রেন্ড)। 'গ' আর 'ঘ' রা বলে, ব্যাটা লুল আর ব্র্যাকেটে বসায় (LOL)। আমার এন্টেনার উপর দিয়া যায়।
আষাঢ় মাসের বিশ্বকাপ
কার্লোস বোকানেগ্রা বুঝতেই পারছেন না মাঠে নেমে কেন কষ্ট করতে হবে। এমনিতেই দক্ষিণ আফ্রিকায় এবার হাড়কাঁপানো শীত। এই শীতে মাঠে দৌড়াদৌড়ি করার চেয়ে হোটেল রুমে বিয়ার খেতেই যত মজা। কিন্তু উপায় নেই। মাঠে নামতেই হবে। হোটেল লবিতে দেখা হয়ে গেল লেন্ডন ডোনাভানের সঙ্গে। তাঁরও নাকি মাঠে নামতে ইচ্ছা করছে না। লেন্ডন তো বলেই খালাস, কিছু করতে চাইলে তাঁকেই করতে হবে। কারণ, কার্লোসই দলের ক্যাপ্টেন।