জয়ী হোলো কৌশলি অনুপ্রেরণাদায়ক ফুটবল, হেরে গেছে মিডিয়া ফ্যান্টাসী।
এবারের বিশ্বকাপে অঘটনের ঘটনা এতোবেশি ঘটছে যে প্রেডিকশান নির্ভর কোন লেখা লিখতে সাহস করতে পারিনি গেলো কয়েকটা দিন। তবু বিশ্বকাপের আমেজে না লিখে বসে থাকাটা বেশ কষ্টকর লাগছিলো। বিশেষ করে গতকালের দুটো খেলা দেখার পর মনে হলো এমন অসাধারণ দুটো খেলা নিয়ে কিছু একটা না বললেই নয়। গতোদিনের দুটো খেলা নিয়েই সমর্থকদের তর্ক বিতর্ক নিশ্চিত চলবে আরো চারটা বছর, বাছাই পর্ব পেরিয়ে পরবর্তী বিশ্বকাপে যদি এ দলগুলো খেলতে আসে
শাস্তি
১)
মাছটা কালো রঙের,তার মাঝে কি রকম যেন লালচে একটা আভা ছড়ানো। গোটা এ্যাকুরিয়াম ভরা মাছের মাঝে কেবল একটাই আছে।
জিমরান বাবার কাছে মাছটা কেনার আগ্রহ প্রকাশ করতেই ইতস্তত করে মাথা নাড়ে দোকানী।জিমরানের দিকে চেয়ে হাসার চেষ্টাও করে।
`‘এইটা কেন নিবেন,বাবা?কত্ত রকমের মাছ আছে.. ..এই যে দ্যাখেন,কি সুন্দর অ্যাজ্ঞেল ফিস!আপনি বরং এই গুলি এক জোড়া নিয়ে যান। এক জোড়া গাপ্পি ফিশও নিতে পারেন।'’
অহনার অজানা যাত্রা (সাত)
অহনা হল্যান্ডে আসার পর এক তরফাভাবে সবাই তার দোষ-গুন, জ্ঞান - বুদ্ধি আবিস্কার করে যাচ্ছিলো। নতুন পরিবেশের ধাক্কা সামলে একটু অভ্যস্ত হয়ে এখন সেও অন্যদের জ্ঞান বিজ্ঞান আবিস্কারে মনোনিবেশ করলো। প্রথম ছমাসের মধ্যে তার আবিস্কারের অর্জন হলো ডাচ লাইফ সমন্ধে অর্নের জ্ঞান। দেখা গেলো অর্নের সব জ্ঞানের ভান্ডার হলো তাদের অফিস সেক্রেটারী। শপিং, বেড়াতে যাওয়া, বাইরে কোথাও ডিনার করতে যাওয়া অথবা অফিসিয়াল কোন ব্যাপার মোটকথা নেদারল্যান্ডসের যেকোন সমস্যার সমাধান আসে সেখান থেকে। অর্ন নিজে এসব ব্যাপারে খুব একটা কিছু জানে না, অবশ্য তার উল্লেখযোগ্য কারণ হলো অর্নের আগ্রহ একেবারেই নেই এসব ব্যাপারে। সে আছে তার অফিস, পড়াশোনা, কম্পিউটার, ছুটির দিনে সকালে দেরী করে ওঠা, ব্রেকফাষ্ট আর হয় না তখন হয় ব্রাঞ্চ, ব্রাঞ্চ খেয়ে আবার ঘুম, সন্ধ্যেয় ঘুম থেকে ওঠে টিভিতে ডিসকোভারী, ন্যাশনাল জিওগ্রাফ্রী চ্যানেল কিংবা সিএনএন দেখে আবার ঘু
সালমার পোষা প্রাণীরা
১)
‘এইটা কি রকম বাসায় আনছেন?খালি ইন্দুর আর ইন্দুর!!!’
ইচ্ছা করে স্ত্রীর গালে কষে একটা চড় দিতে,তবু বহু কষ্টে নিজেকে সামলায় মনির।মেয়ে মানুষ,বুদ্ধিকম-এইসব বুঝিয়ে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে।সারাদিনে কেবল এই দুপুর বেলাটাই আরাম করে ভাত খায় সে।নির্বোধ মেয়ে মানুষের জন্যে সেই আনন্দ মাটি করার কোনো মানে হয় না।
হালআমলের দ্বিতীয় হরতাল, ভরপুর এ্যাকশন ও একটি ফটো স্টোরি

শাপলা চত্বর
ইন দ্য হার্ট অব সিটি ঢাকা

খুব সুন্দর সার্ক ফোয়ারা

ফার্মগেট সকাল ১১টা

আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল কুড়াতে যাই।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কাউন্সিলর নির্বাচন: পোকায় কাটা গাছের গোড়ায় গণতন্ত্রের জল...
সাফল্যের নিরীখে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ণ প্রকল্পগুলোকে এই কিছুদিন আগে পর্যন্তও এগিয়ে রাখা হতো বেশ খানিক। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গেছে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার হার আবারো প্রায় পঞ্চাশ ভাগে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রবণতাও ৪% হ্রাস পেয়ে ৯৩%'এ নেমে গেছে। এমনি একসময় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে শৈশবেই গনতান্ত্রিক চর্চার প্রতি উৎসাহী, পরমতসহিষ্ণুতা এবং শ
আন্তন চেখভের ছোটগল্পঃ একটি অপবাদ
একটি অপবাদ
মূলঃ A Slander by Anton Chekhov
একজন গোলকিপারের আত্মজীবনী
আমার সারাটা জীবন মোটেমাটে ঘুরতে ঘুরতে কেটেছে।পিতৃদেবের সরকারি চাকুরির সুবিধায় আমাকে ক্লাস টেন পর্যন্ত সাতখানা স্কুল চেন্জ করতে হয়েছে।স্কুল জীবনে খেলা বলতে খেলেছি ফুটবল,কাবাডি আর যৎসামান্য ক্রিকেট।কাবাডি ক্যারিয়ার রীতিমত ঝলমলে ।পরপর দুইবার সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে কাবাডি চ্যাম্প.(একটুও বাড়িয়ে বলিনি।)।ক্রিকেটে ক্যারিয়ার ঝরঝরে।সারাজীবনের সর্বোচ্চ রান - তাও সিলেটে পাড়ার এক সম্মান রক্ষার ম্যাচ
হরতাল সংবাদ
বিরোধী দলের ডাকে সারাদেশে পূর্ণদিবস হরতাল চলছে।
যথারীতি সারাদেশে হরতাল হলেও পালিত হয় শুধুই মহানগরগুলোতে। বিশেষ করে ঢাকায়।
এবং যথারীতি হরতাল কখনো শান্তিপূর্ণ হয় না।
এবং এখন আর দেশে স্বতস্ফূর্ত হরতাল পালিত হয় না।
গত রাত থেকেই শুরু হয়েছে হরতালের প্রস্তুতি। যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ২ জন আহতও হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও প্রস্তুতি নিয়েছে পরিপূর্ণভাবেই।
হামলা গ্রেফতারও হয়েছে।
এবি ফ্যান্টাসী টুর্ণামেন্ট (আপডেট)
গতকাল ছিলো ফ্যান্টাসী লীগের সবদলের দারুণ সুখের একটা দিন, কারণ, কারো পয়েন্ট মাইনাস হয়নি। একজনও চিলি বা স্লোভাকিয়াকে গণনায় ধরেননি -- চিলি বা স্লোভাকিয়া দল হয়তো এই খবর শুনলে গতকালের পরাজয়ের চেয়ে বেশী কষ্ট পাবে!
শাশ্বত সত্য কে মনে আছে ?
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মরণব্যাধি অ্যানকোলাইজিং স্পন্ডিলাইটিস রোগে আক্রান্ত শাশ্বত সত্যর কথা মনে আছে ?
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবীতে উত্তাল সেই গণআদালত: পলাশ ভাইয়ের তোলা ছবি এবং রায়ের বিস্তারিত
কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজম গংদের বিরুদ্ধে গোটা জাতি ফুঁসে উঠেছিলো শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে। সরকার যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবীকে অগ্রাহ্য করছিলো তখন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ডাকে ২৬ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো গণআদালত। সমস্ত দেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকেরা জড়ো হয়েছিলো ঢাকায়। জামায়াত শিবিরও জড়ো করেছিলো তাদের ক্যাডার বাহিনী। আগের রাতেই সরকার ১৪৪ ধারা জারী করেছিলো। গোলাম আজমকে নিরাপত্তা হেফাজতে নিয়ে রক্ষা করেছিলো তৎকালীন সরকার! আর জাহানারা ইমামসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে গণআদালত গঠনের অপরাধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা করা হয়!
কিন্তু তবু থামেনি জনতা। ৫ লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে সেদিন বিচারে গোলাম আযমের অপরাধকে মৃত্যুদণ্ডাদেশযোগ্য ঘোষণা করে সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয় তা কার্যকরের।
সেই দিনের সেই আন্দোলন আর গণআদালতের ছবি তুলেছিলেন তৎকালীন রাজনৈতিক কর্মী এবং সাংবাদিক মনজুরুল আজিম পলাশ। এখন তিনি আছেন ইউকেতে। কিন্তু এখনো দেশ আর মানুষের জন্য কাজ করে চলছেন নিরলস।
অভিমানী মা আমার
ছোটবেলায় যখন বুঝে-না বুঝে বাজে কোনো অন্যায় করে ফেলতাম, মা এসে দুমদুম করে দুই-চার ঘা লাগিয়ে দিতেন। ব্যস ফুরিয়ে যেত। কিন্তু ভেতরটা ফালাফালা হয়ে যেত যখন মা কোনো কিছু না বলে গম্ভীর মুখে ঘুরে বেড়াতেন, দূরে দূরে থাকতেন, কাছে ঘেঁষতে চাইলেও পাত্তা দিতেন না। বুঝতে পারতাম যে এবারের অপরাধটা মায়ের সহ্যসীমা ছাড়িয়ে গেছে, মাকে হয়তো খুব আঘাত দিয়ে ফেলেছি। মা কষ্ট পাচ্ছেন আমার জন্য এ কথা মনে এলেই বুকের ভেতরটা দুমড়
প্রথম টুর্ণামেন্টের চ্যাম্পিয়ন --- "মাসুম বাহিনী"
"ওস্তাদের মার শেষ রাতে" -- এই কথাটিকে প্রমাণ করে আক্ষরিক অর্থেই গতকাল ২৫শে জুন দিবাগত "শেষরাতে" মাসুম ভাইর দল মাসুম বাহিনী ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তৃতীয় অবস্থান থেকে আবার উঠে এসেছে প্রথমে, এবং লীনাদি ও ইন্ডির যাবতীয় তাবিজ-তুমার নালিশ-অভিযোগকে
বুড়ো আংুল দেখিয়ে জিতে নিয়েছে প্রথম পর্বের শিরোপা!
থ্রি চিয়ার্স ফর মাসুম বাহিনী।
বইয়ের রাজ্যে
অনেকদিন পর পোস্ট লিখতে বসলাম... সিলেট আসছি গতকাল... উদ্দেশ্য আমার পিতাজীরে খানিক দৌড়ের উপরে রাখা... আমি পড়াশোনা শেষ কইরা যেইদিন থিকা টো-টো কোম্পানীর সিইও হিসেবে জয়েন করলাম তারপর থিকাই আব্বাজানে আমারে দেখলেই দৌড়ে উইঠা যায়...
...