ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার আকাশ দেখা(তৃতীয় পর্ব)
চোখের বা মনের হেলোসেনেশন যাই হউক না কেন মিতা নুর আজ আর এ পৃথিবীতে নেই। এটাই সত্যি। এত সুন্দর এত মায়াময় পৃথিবীকে ছেড়ে, যার পৃথিবীটা আমার বা আপনার বা সাধারনের চেয়েও অনেক অনেক বেশী আলোকোজ্জল, বর্ণিল ও মায়াময় সে কেন এভাবে চলে যাবে?
বুদ্ধম স্মরণম গচ্ছামি
[যে আমারে চিরদিন রাখিলো এ অপমানে অন্ধকারে
পূজিবো না, পূজিবো না সে দেবতারে]
প্রত্যেক অস্ত্রের পেছনে এক একজন মেন্ডেলা থাকে
লাঠি হাতে লেংটি পড়া গান্ধিও। তাই পৃথিবী জুড়ে দূরবর্তী
মানুষগুলো ভাতের বদলে বাবলা পাতা রেধে খায়।
করমচাঁদের মহাত্মা হবার দায় মেটাতে হয়নি কাকে?
হিন্দু হয়নি বাস্তুচ্যুত? ভাঙ্গেনি মসজিদ? শিখের তলোয়ারে
রক্তের দাগ এখনো কি মুছে গেছে? নুন আন্দোলনে মুছে গেছে সব?
অথচ আপনারা গান্ধী পুজা করেন; ছাগলের দুধ খান
যৌণতার ব্লিজার্ডে কিশোরীর নির্ঘূম রাত কাটে
আপনারা হাত তালি দেন, জিন্নার টুপির নিচে বস্তুবাদের
চেতনা কে মুছে দিয়েছে? কে বলবে সাহস করে, আমি মানুষ;
মানুষের পৃথিবীতে মানুষই বাঁচবে; শুধু মুসলমানের
হাতে জল খেলেই জগতের সকল প্রাণী সুখী হয় না।
আনন্দের মতো করে আরেক বার পৃথিবী বলুক-
যে মানব আমি সে মানব তুমি কন্যা
সেই বারি পবিত্র যা তৃপ্ত করে তৃষিতেরে
--------------------------------------------------
(খসড়া গদ্য)
বিলবোর্ডের উন্নয়ন সম্প্রচার
আওয়ামী লীগের প্রচারণা বিলবোর্ড সবগুলো দেখেছি এমনটা বলবো না, আমার চলতি পথের দুইপাশে সামান্য যে কয়েকটা নজরে এসেছে সেগুলোর বিশ্রী লাল রঙ, কম রেজুলেশনের বিবর্ধিত ফেটে যাওয়া ছবিগুলোর পাশে অনেকগুলো সংখ্যা লেখা, যে সংখ্যাগুলো আওয়ামী লীগের সাফল্যসূচক।
শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন, জিডিপিতে স্থিতিশীলতা , দারিদ্রবিমোচনে দক্ষতা এবং আরও অনেকগুলো সংখ্যাই সেখানে আছে, সংখ্যাগুলো চমৎকার কিন্তু যারা ভোক্তা- এইক্ষেত্রে সাধারণ জনগণ, যারা মাথাটা ১৫ ডিগ্রী উপরে উঠিয়ে বিশাল বিশাল বিলবোর্ডে বিশাল বিশাল সংখ্যা গোনা সাফল্য যাচাই করে, আওয়ামী লীগের আশা, পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকেই ভোট দিয়ে দিবে, তাদের কাছে এই সংখ্যাগুলোর অর্থ অচেনা।
এই সংখ্যাগুলোর সাথে সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের যোগাযোগ কোথায়? কিভাবে এই সংখ্যাগুলো তার জীবনযাপনে এক ধরণের উন্নয়ন বয়ে এনেছে? কেনো এই উন্নয়ন তার জীবনমানকে কাঙ্খিত জায়গায় পৌঁছে দিতে পারে, এসব প্রশ্নের উত্তর সেখানে নেই। ১৮ ফুট বাই ৩০ ফুট ক্যানভাসের লাল রঙএর পোস্টারের কোণে লেপ্টে থাকা সংখ্যাগুলো কেনো সাধারণ মানুষকে স্পর্শ্ব করবে?
বিষন্ন বাউন্ডুলের জন্মদিন
বাইরে ঝড় ঝড় বৃষ্টি,
সাথে হাওয়া মিষ্টিময়
তাপিত হৃদয়,
হল প্রাণময়
কি যে শান্তি বলিবার নয়।
মহিমান্বিত শবে কদরের রাত
এমন দিন জন্মদিন
কজনার হয়।
আরাফাত শান্তর পোস্টে জানলাম
আজ তোমার জন্মদিন, নামটিও জানলাম বর্ণ
তাও কিন্তু খোদা মিটেনি
মানুষের নাম শুধু বর্ণ তে সীমাবদ্ধ থাকে না
নামের রূপ রস গন্ধ বাড়াতে সবাই আরও কিছু টাইটেল লাগায়
আমাদের দেশের হুজুরদের নাম পড়তে তো মিনিট কয়েক লেগে যায়।
তোমারটাও হয়ত তাই হয়ত বা নাই
তাও যে টুকু জেনেছি তাই নিয়ে আপাতত খুশি।
আমরা বন্ধুতে সবাই উৎসাহ দেয়
তুমি যে একটু বেশীই দাও, কেন জানিনা।
বন্ধু আজ তোমার জন্ম দিন
কি দিব তোমায় উপহার
বারান্দায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে হাত ভেজালাম
ভেজা হাতের তিলক ফোটা দিলেম
তোমার কপোলে,
হৃদয়ের অকৃত্রিম ভালবাসা দিয়ে
সাজালাম সমীরণও সাজে
আর কি দিব বল।
অসীম দয়াময়ের কাছে
দোয়া করলাম
রোজা রেখে
থাক সুখে, খাও দুধে ভাতে
হও সুখী
থাক সুখী
দিনে এবং রাতে।
বৃষ্টগ্রস্ত
* * * * * * * * * *
উৎসর্গ
* * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * * *
বিষণ্ণ বাউন্ডুলের জন্মদিন ও আমার দিনকাল!
ভেবেছিলাম মোবাইলে পোষ্ট লিখবো না তাও সাহস করে লিখতে বসলাম। মোবাইল হ্যাং করার কারনে পোষ্ট না প্রকাশ করতে পারার হান্ড্রেড পারসেন্ট সম্ভাবনা নিয়েই এই পোষ্ট লিখছি। আড়াই ইন্চির স্ক্রীনে লিখতে গেলে ব্যাপক ধৈর্য তার সাথে চোখের ও হাতের অনেক ব্যাথা সহ্য করতে হয়, অনেকদিন মোবাইলে লিখি না তাই পারবো কিনা জানি না তাও চেষ্টা করি। দেখা যাক কী হয়!
দখিনা নিঝুম বন্দরে বিলুপ্ত নীলের পূর্বপুরুষ উতলা নাওয়ের হাল ধরে
১.
রাজধানীর রাস্তাগুলো অসাধারণ। আর সংখ্যাতেও অনেক। একবার কোনো একটা রাস্তায় হারিয়ে যেতে পারলেই কেল্লা ফতে। হাজারো গলি আর লক্ষ অলিতে নিজেকে নিয়ে মিশে যাওয়াটা কঠিন নয় মোটেও। গভীর শীতের রাতে বিজয় সরণী-তেজগাঁও লিংক রোডের চূড়ায় দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরানো অনেক কঠিন তারচেয়ে।
দুপুরের কড়া রোদে যখন মানুষের সাথে সাথে মহল্লার দোকানী, দোকানের চাএর স্টোভ, উত্তরের বড় মোড়, মোড়ের বিলবোর্ড- সবাই এক তালে ঝিমায়; তখন আমার সাইকেলে চেপে ভোঁ ভোঁ করে ঘুরতে ইচ্ছে করে।
নির্বাক আমার স্বর ফোটে না....
26.07.13
আমার আস্তিনের নীচে লুকোনো নখ
বিড়ালের মুখে ইঁদুর
অপার জলে ওড়াওড়ি সীগাল
মাঝে মাঝে ডাক দেয়, সু-দূর
আমার মুখে হাসি
বিষণ্নতার কবর
রমণের ইতিহাস নিংড়ে
জন্মের ক্ষণ খোঁজা, মনের চোখ থাকে বোঁজা
আমার মুক্তির স্বেদবিন্দু
বন্ধুর পথে বন্ধু
অপেক্ষার দুর্বিনীত প্রহর
ডানে বামে এলায়িত
দিকচক্রবাল
ডাকছে সমুদ্দূর...
--------------
প্রজাপতি ওড়া পাঁজরে
নবাগত অনুভব
দিচ্ছে চাপা বিগত দিনের
দুঃখ-হতাশা-ক্ষোভ;
ইথার জানে, জানে দোর ছাওয়া
কৃষ্ণচূড়া, ইসাবেলা-
দিন শেষে ওল্ড ইজ গোল্ড।
হাজারের সাথে আরো একশ পঁচানব্বই দিন
পুড়ে গেল ঠোঁট, সাথে ফুসফুসের জমিন,
বলতে পারিনি ইসাবেলা-
“তোমাকে ভালোবাসি না”।
সারস ডানায় বন্দী স্বাধীন পদ্য
প্রথম চুম্বনস্বাদ এখনো স্মৃতিতে অনবদ্য!
কতজন কত স্মৃতিতে বাচেঁ
আমি এখনো পড়ে আছি তোমারই গড়া ছাঁচে;
ক্লান্ত মন জপে যায় একই সুর
কাছে আসো পাশে বসো
আমার আদরের ‘দূর-বহুদূর’
এককথায় –সুদূরিকা...
এবার তো দাও দেখা!
০৫০৮১৩
কত সহজ উচ্চারণে বলে ফেলো
“ভালোবাসি না”
প্রতিদিনের শেকল ভাঙা গান
কে গায় তোমাদের জন্যে
এই নষ্ট শহরে নাম না জানা যেকোন মাস্তান
১.
রাজধানীর রাস্তাগুলো অসাধারণ। আর সংখ্যাতেও অনেক। একবার কোনো একটা রাস্তায় হারিয়ে যেতে পারলেই কেল্লা ফতে। হাজারো গলি আর লক্ষ অলিতে নিজেকে নিয়ে মিশে যাওয়াটা কঠিন নয় মোটেও।
দুপুরের কড়া রোদে যখন মানুষের সাথে সাথে মহল্লার দোকানী, দোকানের চাএর স্টোভ, উত্তরের বড় মোড়, মোড়ের বিলবোর্ড- সবাই এক তালে ঝিমায়; তখন আমার ভোঁ ভোঁ করে ঘুরতে ইচ্ছে করে। চারপাশে ঝিমুতে থাকা প্রতিটি অনুষঙ্গকে দেখতে ইচ্ছে করে। হঠাৎ কোনো ব্যস্ততায় একা রাস্তাটায় ঝিমুনির জগৎ থেকে বের হয়ে আসা, অপরিচিত এক চোখ টানা সুন্দরীর প্রতি আকৃষ্ট হতে ইচ্ছে করে। তার ইস্ত্রি করা সোজা চুল, রুজ ঘষে লাল করা গাল, কমলা রঙয়ের লিপস্টিকে আঁকা ঠোঁট, শরীর আঁকড়ে থাকা কামিজ, হাঁটুর পর থেকেই শেষ হয়ে যাবার হুমকি দিতে থাকা সালোয়ার বা গানের চরিত্র থেকে উঠে আসা নূপুর পড়া একটি পা- সবাই আমাকে আকর্ষণ করে। আমার কাছে এদের সবাইকে একেকটা আলাদা চরিত্র মনে হয়। সবার অভিনয়ে একটি সুন্দর সিনেমা দাঁড়িয়েছে বলে ধারণা জন্মায়। অথচ সেই মেয়েটিই কিনা আমায় একদিন বিশাল মিথ্যে একটি কথা বলেছিলো!
ভর্তি যুদ্ধ
ভর্তি পরীক্ষার বিরোধিতা যারা করছেন তারা কিসের ভিত্তিতে করছেন, তার কারন গুলো জানতে ইচ্ছে হচ্ছে খুব। আজকের এই লিখায় যে বিষয় গুলো তুলে ধরেছেন তা হল, ১। ব্যয় বহুল, ২। কোচিং নির্ভর, ৩। পরীক্ষা দিয়ে ই তো ভর্তি যোগ্যতা অর্জন করে, আবার কেন পরীক্ষা। আগের ফলের ভিত্তিতে ই ভর্তি হউক। কথা গুলো খারাপ না, কিন্তু এতে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং পড়া শুনা নিয়ে যে ওনাদের কোন ধারনা নাই, তাদের ছেলে মেয়ে বা আত্মীয় সব্জনের ছেলে মেয়েরা ও শিক্ষা বোর্ডে র অধিনে পরীক্ষা দেয় না তা ই প্রতিয়মান হয়।
ঈদের আনন্দ
দেখতে দেখতে রোযা প্রায় শেষ হয়ে এলো। আর মাত্র কয়দিন বাকি। বিদেশে আমি কোন দিন ঈদের সেই মজা অনুভব করি না , যা কিনা পেতাম দেশে থাকাকালীন। সেই ছোটবেলা থেকে শুরু করে অনেক বড় হয়েও দেশে ঈদের আনন্দ কখনোই কম মনে হোতো না।
~~ দখিনা বাতাস!!! তোমাকে লিখা কবিতা~~
------------------------------------------------------------------------------------------------
------------------------------------------------------------------------------------------------------
মাঝে মাঝে দখিনা বাতাসে এলোমেলো হয়ে যায় আমার সব ,
উড়ে যায় সাজানো ফুলের বাগান।
নিভৃতে কাঁদে শুন্যতা,
আমি তো চেয়েছিলাম একমুঠো রোদ্দুর,
আমি চিৎকার করে বলেছিলাম – “ আমাকে নিরবে কাঁদতে দাও”
নাহ , আমাকে বিধাতা কাঁদতে দিলেন না ।
সেই দখিনা বাতাসেই আমার কাছে উড়ে এলো হারানো ফুলের বাগান...
ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না , আমি জেগে রই ...।।
ফুলের গন্ধে একা থাকতে যখন মানিয়ে নিচ্ছিলাম নিজেকে
দেখলাম ফুল গুলো চলে গেছে নষ্ট জীবানুর দখলে...।।
আমি আবার ফুলদানিতে নতুন ফুল রাখি ,
লাল, নীল, বেগুনী ...
পানি দেই , দেই সকালের সুরজের আলো,
গন্ধে আমি বিভোর,
এখানে ওখানে মৌমাছির মিছিল,
হুল ফুটিয়ে তবেই শান্তি,
মেনে নেই ,
মেনে নিতেই হয় ,
তবুও ফুল গুলো রাত ভোরে মরে যায় ...।
এভাবেই কেটে গেল অনেক দিন ।
আমি আমার মত আর হতে পারলাম কই?
তোমার মত চলতে গিয়ে , তোমাকে পেতে গিয়ে,
তোমার মত হতে গিয়ে ,
আমার আকাশ দেখা(দ্বিতীয় পর্ব)
গতকাল আমার আর আকাশ দেখা হল না। ঢাকা শহরে ইচ্ছা করলেই আকাশ দেখা যায় না। আকাশ দেখতে হলে রীতিমত প্লান প্রগ্রাম ও প্রস্তুতি নিয়ে আকাশ দেখতে হয়। সাধারণত কেউ আকাশের দিকে তাকায় না। ২৪ ঘণ্টায় দিন, ৭ দিনে সপ্তাহ, ৩০/৩১ দিনে মাস ৩৬৫ দিনে বছর। এত সময়ের মধ্যেও ঢাকা শহরের বিশ্বের দ্রুতগামী যুদ্ধ বিমানের চাইতেও দ্রুত গতিতে চলা, এবং ইউনিভার্সাল টেস্টিং মেশিনে রড টেস্ট করার ইলাস্টিসিটির শেষ বিন্দু ইল্ডিং পয়েন্ট সমান দুঃশ্চিন্তা নিয়ে চলা মানুষগুলোর একটু ফুসরত মেলে না আকাশের দিকে তাকানোর। আমার লেখাটা পোস্ট করার সাথে সাথে জানি অনেক প্রতিবাদ আসবে, উজবুকের মত আপনার মনে যা আসছে তাই লিখে যাচ্ছেন। হবে হয়তবা, কিন্তু আমার দেখা খুব কাছ থেকে দেখা যত বেশী অর্থ নৈতিক সমৃদ্ধশালী যাদেরকে আমরা খুব সুখী লোক হিসেবে কাছ বা দূর থেকে দেখি তাদেরকেই আমার বেশি সময়ের কাঙ্গাল বা অসুখী মানুষ মনে হয়।
ভাঙাচোরা দিনকাল
১.
হঠাৎ স্মৃতির বিপন্নতায় হয়তো ডুবে যায় কিছুটা সময়। দিঘল কালো চুলের মতো মেঘের ভেতর গুটিয়ে নেই নিজেকে। স্মৃতির চিঠি পাঠ করতে করতে নিজের মধ্যে বসে নীল হই নিজে। ভুলে যাই জীবনের মানে, হারিয়ে ফেলি স্বপ্নের সাকিন। দিকভ্রষ্ট হতে হতে সন্ধ্যা নেমে আসে বুক বরাবর, বিষাদ অন্ধকার শেষে আবারও কারো চোখের কোণে সূর্য ওঠে। চায়ের কাপে কালো পিঁপড়েটাকে ভেবে নেই লাল, তাতে যদি সুখ পাই। তাতে যদি সকালটা শুভ হয়।
ভাঙাচোরা এই দিনকালে, ‘ভাব লাগে না মনে’ ও কিছু কিছু সকাল ভালোবাসাবাসির রং ভিড় করে। ভুলে যাওয়া মুখ, হারিয়ে যাওয়া মুখ, হঠাৎ টুইটার বা স্কাইপে পেয়ে ভাবি, যে দিন যায়, তারে আমি পারি না ধরে রাখতে ক্যালেন্ডারের পৃষ্ঠায়। শুধু মনের ভেতর যে ডায়েরি আছে সেখানে লেখা থাকে, সমস্ত ভুল অথবা ভুল অক্ষরে লেখা নাম বা আমার ডাকনাম।
স্বপ্নশ্বাবদ
আমার স্বপ্নে মাঝেমাঝে
বেড়াতে আসে একটা চিতাবাঘ
আমি দেখি ওর শব্দহীন হাঁ-মুখ
বিশাল তৃণপ্রান্তরে ও ছোটে
সন্ধ্যার গোলাপি মায়াতেও
স্পষ্ট দেখতে পাই ওর
আলো হড়কানো সোনালি চামড়া
চারপায়ে ঝড় তুলে
ক্রমাগত বদলে দেয় গতির ঠিকানা-
ঠিক যেভাবে আমরা পেরিয়ে যেতে চাই
অচেনা রাস্তার ধাঁধাঁ |
তারপর
একটা ছিটকে যাওয়া তীরের মতো
একটা খুলে যাওয়া স্প্রিঙের ঝটকায়
একটা প্রকান্ড বাতাসী উড়ান |
আমার ঘুম ভেঙে যায়
ঘামে ভেজা শরীরে
উঠে বসি অভ্যাসমতোই ;
আর শুকনো ঠোঁট চাটতে চাটতে ভাবি
আমি কি লাফাতে পারব
যা কিছু আমাকে মারে প্রতিদিন
সেইসবের বেয়াড়া ঘাড়েতে ?
