ইউজার লগইন
ব্লগ
ভাবনার অবদমন
একা রিকশায় ফিরছি সন্ধ্যার পর, প্রায় অন্ধকার বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কয়েকটা রিকশা যাচ্ছে, বিকেলে বৃষ্টি হয়েছিলো তার ছাপ লেগে আছে গাছেদের গায়ে, সম্ভবত ছুটির দিন বলেই ফাঁকা রাস্তায় মাত্র কয়েকটা রিকশা আর অন্ধকার পাশাপাশি ছুটে যাচ্ছে।
আমার ননদ বুঝলেন চাচা আমাকে একদম পছন্দ করে না। আমার স্বামী ওর মা বোনের কথাই বিশ্বাস করে, .........
পাশের রিকশার দিকে তাকিয়ে দেখলাম এক যুবতি বসে আছে, রিকশাওয়ালার সাথে গল্প করছে। খুব অন্তরঙ্গ পারিবারিক গল্প, তার প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির গল্প।
অন্য আরেকদিন অন্য কোনো রাস্তায় এভাবেই কানে আসলো আমার ছেলে আর আমার কথা ভাবে না। বৌটা ওকে যাদু করে রাখছে........।
তাকিয়ে দেখলাম এক মাঝবয়েসী মহিলা রিকশাওয়ালার সাথে গল্প করছে
কষ্টের ঈদ
আমাদের বিয়ের আট বছর পর এই প্রথমবার ঠিক হয়েছিল আমার স্ত্রী শ্বাশুড়ির সাথে ঈদ করবে। প্রতিবছর আমার ভাই-বোন আমার কাছে থাকেতে আগে কখনও সম্ভব হয়নি, এবার ওরা যার যার বাসায় ঈদ করাতে ঠিক হল স্ত্রী শ্বাশুরির বাসায়ই যাবে। মেয়ের যাবার কথা শুনে শ্বাশুরি খুব খুশি হয়েছিলেন। ওনাকে যে দেখাশোনা করছিল তাকে বার বার নাকি বলছিলেন-এবার আমার সব ছেলেমেয়ে নিয়ে একসাথে ঈদ করব। দীর্ঘ দুই বছর প্যারালাইসড হয়ে বিছানায় শোয়া, তবুও ছেলেমেয়েদের কাছে ভরসার স্থল। শ্বশুর জীবিত নেই, তাই সবার মাঝে সেতুবন্ধন তৈরি করেন উনিই, ওনার টানেই কিছুদিন পর পর সবাই ছুটে আসে।
অচৈতন্য
ঈদের দিন চ্যানেল আই তে একটা খবরে চোখ আটকে গেলো। রিওয়াইন্ড করে বার বার দেখলাম আর শুনলাম।খবর টা দেখে মেজাজ বিগড়ালো, মন খারাপ হোলো আর খুব অসহায় ও মনে হোলো।
এই প্রথম জানলাম ঢাকায় " সরকারী শিশু সদন " নামে অনাথ আর অনাকাঙ্খিত শিশুদের জন্য একটা আশ্রম আছে।বাইরে থেকে খুব পরিপাটি আর সুন্দর ভবন। কিন্তু ভিতরে দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র। সাংবাদিকের ভিডিওতে দেখলাম অনেক গুলি খুব ছোট থেকে একটু বড় বাচ্চা রা অবহেলায় নোংরা পরিবেশে এখানে সেখানে শুয়ে আছে কোন তত্বাবধান ছাড়াই। একটা ছোট , বিকলাংগ শিশুকে দেখলাম ক্রিবে শুয়ে হাত পা ছুড়ে কাঁদছে, কারণ বেবী ক্রিবের কাঠের ফ্রেমে তার মাথা আটকে গেছে। এসব তদারক করার জন্য নিশ্চয়ই অনেক মানুষ আছে ওই প্রতিষ্ঠানের বেতনের খাতায়। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেলো ২/১ জন আয়া ধরনের মহিলা ঘুরা ঘুরি করছে। অফিসার ইন চার্জ কে আছেন জিজ্ঞেস করতে জানা গেলো ঈদ উপলক্ষে উনি একটু দেরি করে আসবেন।শিশুরা আজ ঈদের দিনে কি খেয়েছে জিজ্ঞেস করতেই উত্তর দিলো ডাল আর মরিচ দিয়ে ভাত খেয়েছে।
ঈদ এসে ঈদ চলে যায়!
ঈদ শেষ হয়ে গেলো। মুক্তি পেলাম। এখন ঈদ আমার কাছে একটা দিন যেদিন ভোর বেলায় গোসল করে সকাল নামায পড়া, সারাদিন টিভি দেখে, আম্মুর হাতে ভাল খাওয়া আর হাসি সুখীময় মুখ নিয়ে বসে থাকা! অনেকেই বলবেন ভালোই তো যাচ্ছে, বাবা মার কাছে বাড়ীতে একাকি এত আতিথেয়তায় দিন কাটানোর সুযোগ সময় কয়জনের হয়? তা অবশ্য ঠিক। কিন্তু ঠিক বেঠিকের এই দোলাচলে বন্ধু বান্ধব ছাড়া দিন পার করা আমার পক্ষে কষ্ট। কতটা কষ্ট তা বলা কঠিন! তবে এই গত তিনবছর ধরে ক্রমাগত ঈদে এই একাকি ঈদ পালন করতে যেয়ে বড্ড বোর হচ্ছি। নানুবাড়ীতে গেলেই অবশ্য সমস্যার সমাধান, সেখানে মামা আছে আরো অনেক মানুষ। কিন্তু যেতেই ইচ্ছা করে না। কি অদ্ভুত আমার নিস্পৃহতা। সারাদিন টিভি আর বই পড়েই ঈদের দিন গুলো পার করলাম। টিভিতে আসলে দেখার মত কিছুই হয় না। তাও অনবরত চ্যানেল পাল্টে গেছি, ভুষি মাল মার্কা সব প্রোগ্রাম গিলে খেয়েছি। গিলে আবার মনেও রেখেছি ঢাকায় ফিরে লিখবো বলে । আমার মত পিছ জগতে বিরল এইসব রদ্দি মাল দেখে তা নিয়েও কেউ এতো সময় নষ্ট করে আবার লিখবে!
তোমার জন্য কথকতা..
এই চিঠিটা তোমার, হ্যাঁ সত্যিই তোমার জন্য।
তুমি অসাধারণ সব চিঠি লিখতে পারো।
স্রষ্টা অতটা ভালো লেখার ক্ষমতা যাকে তাকে দেন না, জানো?
একটা সাদা কাগজে লেখা কিছু কথা যে কারও
জীবনটাকে দেখার চোখটাই পাল্টে দিতে পারে,
তা কয়জনই বা জানে!
আমিই বা কি ছাই জানতাম তোমায় জানার আগে?!
অনেকেই বলে থাকে,
কাউকে নাকি তার নিজের চাইতে বেশি আর কেউ বুঝতে পারে না।
আমার মাঝে মাঝেই মনে হয়,
মনে হয় না আমি নিজেকে অতটা বুঝতে পারি - যতটা তুমি বোঝো!
যাই হোক,
সেই সে-ই-ই-ই থেকেই শখ ছিল আমার,
একটা চিঠি লেখার..শুধুই তোমার জন্য।
হাজার হোক, দুইদিনের দুনিয়া!
এখনও কত্ত কথা বলার বাকি,
হুট করে একদিন মরে টরে গেলে বড় ঝামেলা,
ভূত টুত হয়ে ফিরে এসে তোমাকে জ্বালানোটা একটা যন্ত্রণাই হয়ে যাপে!
মাঝেই মাঝেই তুমি একটা দুইটা কথায় মন খুব ভালো করে দাও,
মাঝে মাঝে আবার কিছু না বলেই। হয়তো একটু অন্যরকম করে তাকানোয়।
কিছুই বলার থাকে না আমার, কিচ্ছুটি না। একটুকরো হাসি দিয়েই খালাস!
আমারও ইচ্ছে করে খুব, একেকটা দিন তোমার মন খুব খুব ভালো করে দিতে।
অতটা হয়তো পারি না, আসলে সবাইকে দিয়ে সবকিছু করা হয়েই উঠে না।
মনের গুরু "তনা"-আমার তসলিমা নাসরিন
“সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি”- এভাবেই তো চলতাম! যে যা বলতো শুনতাম, জানতাম একমাত্র লেখাপড়াতেই এ মেয়েজীবনের মুক্তি ঘটতে পারে। পাড়ার সবাই ভালো মেয়ে ভালো ছাত্রী হিসেবে আমার উদাহরণ টানতো। আমি ও তাতে কম আহ্লাদিত হতাম না। মাটির দিকে তাকিয়ে স্কুলে যাই, মাটির দিকে তাকিয়েই ফিরে আসি, যাতায়াতের পথে কেউ ভালো বললেও রা কাড়ি না, মন্দ বললে তো একদমই কাড়ি না। বাসে যদি কেউ গায়ে হাত দেয় কিশোরী আমি লজ্জায় দুঃখে মনে মনে কাঁদি, বাসায় ফিরে কেউ না দেখে মতো করে কাঁদি, কখনো স্কুলে টিফিন পিরিয়ডে কাঁদি। এই ছিলাম ৯২ সাল পর্যন্ত, ক্লাস নাইন পর্যন্ত আমার জানা আমি। মা-বাবার ভালো ছাত্রী, ভালো মেয়ে, পাড়া প্রতিবেশীর লক্ষ্মী মেয়ের রোলমডেল হঠাৎ করে রং বদলানো পৃথিবীকে অন্যচোখে অন্যধ্যানে একটু একটু বুঝতে শুরু করলাম। কচি মনে মালুম হতে থাকলো সারাদেশ যে লেখকের লিখা নিয়ে ছিঃ ছিঃ করছে তার লিখা পড়ে আমার বদল হচ্ছে, আর আমি ভালো মেয়ের সার্টিফিকেট হারাচ্ছি প্রতিনিয়ত অল্প অল্প করে।
Ice-cream, you scream....
১)
পোস্ট উৎসর্গ
নাজ রহমান, আনিকা আলম
বিন্দু বিন্দু করে গড়ে তুলি সৃষ্টির মহাসমুদ্র।
সময় মত দেও টান।
কতই খেলা জানরে বাড়ই কতই খেলা জান
ইচ্ছা মত ছাইড়া দিয়া সময় মত টান
রে বাড়ই,
সময় মত দেও টান।
পাঠালে জগত সংসারে কইরা অসহায়
মায়া মমতার খুটি গেঁড়ে করিলে সহায়।
ধীরে ধীরে আকাশ পাতালে পাতিল সংসার,
সাদ্দাম নমরূধ ফেরাউন হল তোমার দাবিদার
ভোলামন মন মনরে আমার-২......।
ভেংগে চুড়ে সব খান খান করলা
রাখতে তোমার শান।
সময় মত দেও টান।
কেউবা রাজপ্রাসাদে কেউবা থাকে বৃক্ষ তলে
কাওকে করেছ অংগহীন প্রতিবন্ধি তাঁরে বলে
কেউবা ঘোরে দ্বারে দ্বারে নিয়ে ভিক্ষের থলে
কেউবা আবার খেতে পারে না ডাষ্টবিনে ছুড়ে ফেলে।
ভোলামন মন মনরে আমার-২......।
কার ইশারায় হচ্ছে এসব
কে করবে প্রমাণ।
সময় মত দেও টান।
১০/০৮/২০১৩খ্রীঃ
ঈদের চাঁদ
আয়রে ছুটে, দেখবি সবাই, চাঁদ উঠেছে চাঁদ
রমজানের ঐ রোজার শেষে, ঋদ্ধি ঈদের চাঁদ।
ঈদ মুবারক, ঈদ মুবারক, ঈদ মুবারক, ঈদ
শিশু কিশোর যুবা বৃদ্ধার টুটে গেছে নিদ।
নতুন জামা, নতুন কাপড়, পড়ব নতুন বেশ
সুগন্ধি লাগাব গায়ে টুপিতে ঢাকব কেশ।
নামাজ শেষ গরীব-ধনী করব কোলাকুলি।
ঈদগাহে আসব-যাব আল্লাহু আকবার ধ্বনি তুলি।
খরার কবলে পড়ে মাঠ ঘাট চৌচির
ফল ফসলে ভরে যায় ছোঁয়া পেলে বৃষ্টির।
তেমনি, পাপে তাপে নাজুক যখন দেহ, মন, প্রাণ
ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়, মাহে রমজান।
রোজা, নামাজ, তাড়াবি পড়ে সবাই নিস্পাপ
আঁধার রাতে শেষে যেন নতুন মাহতাব।
এটা খোদা তোমার বানী তুমিই পথের দিশা।
নিস্পাপ হয়ে ফিরতে পারি এই তো মনের আশা।
সুখে দুঃখে সকল সময় তোমায় যেন স্বরি।
না চাইলেও তুমি দিও সাফল্য মঞ্জুরি।
০৯/০৮/২০১৩ খ্রীঃ
উত্তরা, ঢাকা
৫ টি কবিতা
নিদ্রা
নগ্ন তুমি
তুমি গভীর ঘুমে
নিদ্রা ঢাকছে তোমার নগ্নতা।
নিদ্রা-এক
তুমি ঘুমে। তোমার ঘুমের মধ্যে জেগে থাকি আমি...
মন খারাপগুলো
সব কথা তো আর লিখে দিতে পারবো না
সমম্ভব না সব চুমু এক সাথে
তবু বিষন্ন এই বেলায়
চলে যাবার 'খন
আমার কাধে একটু মাথা রাখো
আমার মন খারাপের ওপর তোমার
শরীরের ঘ্রাণটুকু ছড়িয়ে দাও
সুগন্ধী হোক মন খারাপগুলো।
অবাধ্য মন ঘুমের ভেতর
ফুল হয়ে ফুটে,
ফিসফিস করে সেইসব কথা বলে দিতে পারি,
লিখে রাখা অসম্ভব!
আজকের লেখা কদিন পরই
উড়াল শিখবে, জানি-
আমি জানি
তখন এ-বাড়ি ও-বাড়ি
সকল বাড়ি হবে জানাজানি।
তার থেকে ভালো
মন খারাপ হয়ে থাকাটাই ভালো।
আমার মন খারাপের ওপর
তোমার চুল খুলে দাও
মন খারাপটা লুকিয়ে যাক তার ভিতরে।
ক্ষত
অন্ধকারের মধ্যে যে ছায়া, সে ছায়ার ভেতরেও ক্ষত আছে..
ফেরা
তোমায় দেখতে আসি, আমার বহুকাল
তুমি কেমন আছো?
জয়গুলো তো তোমার, তোমারই আছে।
তুমি কেমন আছো?
পেছনে পড়ে আছে অনেকগুলো গতকাল
তার ভেতরে ঘুমিয়ে আছো তুমি
তোমার পাশে কে?
অন্তর্যামী নাম
আমার অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম
তবু আমি কিছুই জানিনা
ভোলামন মনরে আমার------
মইলে কোথায় ধাম।
মাটি পানি কাঁদার বিছানা
কেউবা ডুবে জলে
কেউবা আগুনে পুড়ে
কেউবা জন্তুর পেটে
শরীরটার তো হইল গতি
অন্তরের খাবার কি?
ভোলামন মনরে আমার------
জানিনা তার নাম।
অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম
মুসলমানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
পড়ে জামাত করে
ইহুদী খ্রীষ্টান গীর্জা প্যাগোডায় যায়
প্রতি শনি রবিবারে।
ভোলামন মনরে আমার------
সব অন্তরের একই বানী
সব আহলে কিতাবের
একই বানী
শুধু ভিন্ন ভিন্ন নাম।
অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম
হিন্দু বৌদ্ধও পুজা পাঠ করে
জপে হরিনাম
আরও কত শত জাতি আছে
জানিনা তাদের নাম
তারাও তাদের মত করে
ভোলামন মনরে আমার------
ডাকে প্রভুর নাম।
অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম
০৮/০৮/২০১৩খ্রীঃ
উত্তরা, ঢাকা।
ছাইড়া না যায় পাছে
যেদিন আমি বুঝতে পারলাম
কইলচজার ভিতর কেউ আছে
তারে খাইতে দিলাম পড়তে দিলাম
ছাইড়া না যায় পাছে-- হায়রে
ছাইড়া না যায় পাছে।
কত স্বাদের খাবার খাওয়াই
যখন সে যা চায়
একটু এদিক ওদিক হলে
বড়ই কষ্ট পায়।
সোনা বড়ই কষ্ট পায়।
দেশ বিদেশে ঘুরলাম আমি-২
তার তুষ্টির আশে।
তব তাহার মন পাইলাম না
কি আর করার আছে-হায় হায়
কি আর করার আছে।
সুন্দর নারী সুন্দর বাড়ী
খুইজা দিলাম তারে
তবু তাহার মন ভরে না
শুধু খাই খাই করে – হায়রে
শুধু খাই খাই করে
আমার সকল কিছু শেষ করিলাম-২
তাহারি সকাশে।
তবু তাহার মন পাইলাম না
কি আর করার আছে-হায় হায়
কি আর করার আছে।
৮/০৮/২০১৩ খ্রীঃ
উত্তরা, ঢাকা
তোমার 'ঈদের' অপেক্ষায় থাকে কিছু মানুষ....তুমি কি জানো বন্ধু??
বেতনের টাকা হাতে পেয়েই উৎ্ফুল্ল শা্হেদ পা বাড়ালো শপিংয়ের জন্য।
বাসা থেকে বের হয়ে তিন রাস্তার মাথায় এসে দাড়ালো।
রিকসার কোনো খবর নেই।
অনেক্ষন অপেক্ষার পর দূরে একটা রিকসা দেখে ইশারা করলো।
কাছে আসতেই দেখল বয়স্ক চালক।
শাহেদ বললো: চাচা আপনি পারবেননা। লাগবেনা চলে যান।
বৃদ্ধ চালক খুব মন খারাপ করে বললো: বাজান আমি বুড়া দেইখা আপনারা যদি আমার রিকশায় কেউ না উঠেন তাইলে আমি প্যাট চালামু ক্যমনে
কথাটা শাহেদের অন্তরে গিয়ে লাগলো………………. ইফতারির সময় ও ঘনিয়ে আসছে।ভাড়া ঠিক না করেই উঠে পড়লো শাহেদ।
চলতে শুরু করল……..রিকশার চাকা ঘুরছে, সাথে সাথে শাহেদের মাথায় ও বিভিন্ন চিন্তা ভাবনা ঘুরপাক খাচেছ। কার জন্য কী কেনা যায়। বরাবরের চেয়ে একটু আলাদা হতে হবে এবার। ঈদের শপিং - একটু চমক থাকা চাই। ইত্যাদি ইত্যাদি ………..
রিকশা এগিয়ে চললো
গোধূলির আলো ছড়িয়ে ধীরে ধীরে আকাশের আডালে চলে যাচেছ দিনের সূর্য।আগত সন্ধ্যার মগ্নতায় নীরব হবে যাচেছ দিগন্ত বিস্তারী প্রকৃতি।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে ঘুম ঘোরে।
ক্ষতি কি ছিল খানিক হলে দেরী
এলেই যখন নিয়ে ভাল লাগার হাতে খড়ি
ক্ষতি কি ছিল খানিক হলে দেরী
ডাগর ডাগর নয়নে রেখে নয়ন
কি ইশারা করেছ বুঝিনি তখন
পিছন ফিরে যখন গেলে চলে
হেরিনু দীঘল কালো কেশ রেখেছ ছেড়ে।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে, ঘুম ঘোরে।
তপ্ত নিঃশ্বাস দিলে এলোমেল চুলে
না না ঝড় তুলে নি হেথা
ঝড় তুলেছে বুকে।
বারান্দা ছোয়া নারকেল পল্লবও
মুগ্ধ হৃদয়ে বলল চুপিসারে।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে।।
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে, ঘুম ঘোরে।
এই সে নিশি ভোর হবে কি
বল না সবাই বল।
নিশি কেটে গেলে হাড়িয়ে যাবে সে
কি হবে আমার ভাল লাগার মানষে,
হ্যাঁ হ্যাঁ টিকটিকি ঠিক ঠিক বলেছে
কি হবে আমার ভাল লাগার মানষে,
হে নিশি
আমার সাথে থাক না জেগে
সে আসবে,
সে আসবে নিশ্চয়ই শ্বশরীরে।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে, ঘুম ঘোরে।
০৭/০৮/২০১৩ খ্রীঃ
ইত্তেফাকের ঈদসংখ্যা ২০১৩ পাঠ প্রতিক্রিয়া
সবাই মোবাইল দিয়েই পোষ্ট লেখার কথা বলতেছে জোরেসোরে। আমি আবার মাটির মানুষ কারো কথাই খুব একটা ফেলতে পারি না। আর আমার লেখা পড়তে যারা চায় তাদের জন্য এই চোখে হাতে অসহনীয় ব্যাথা করে হলেও লেখার চেষ্টা করা যেতে পারে। গুটি কয়েক মানুষও যদি আমার লেখা পড়ে ভালো লাগা মন্দ লাগা কাজ করে- তাহলে এরচেয়ে সুখের আর কী। রাতে তো জেগেই থাকি। সময়টাকে কাজে লাগানো যাক। তবে কাল মোবাইলে লিখতে গিয়ে নতুন এক সমস্যা আবিস্কার করলাম, তা হলো স্পেস টিস্পেস সহ মাত্র পাচ হাজার ক্যারেক্টার টাইপ করা যায়। খুব বেশি কিছু চাইলেও লেখা যায় না। পাচ হাজার যদি লিখিও দেখা যাবে আউট অফ মেমোরী। তাতে পুরো জিনিসটাই পন্ডশ্রম! যাক লেখা শুরু করি। ঝুকি তো থাকছেই আদৌ পোষ্টটা প্রকাশ করতে পারি কিনা!