ইউজার লগইন
ব্লগ
ফেসবুকাব্য কথকতা!
#
হুট বাতাসের,
তুলোট মেঘের দিন -
অমলিন..
#
আউলা হাওয়ার,
বাউলা মনের দিন -
অমলিন..
#
একটা সকাল,
রবির সুরে;
উতল হাওয়ার ডাক।
একটা সকাল,
পিচ্চিবেলার;
দুষ্টু চাওয়ার ঝাঁক।
একটা সকাল,
দুপুর ফাঁকি;
মিষ্টি হাসির তাক।
একটা সকাল,
হঠাত্ বিকেল;
কত্ত কথার বাঁক।
একটা সকাল,
সাঁঝের আলো।
অন্ধকারেও,
বাসবো ভালো।
একটা সকাল,
বিষাদ ঝেড়ে;
সুখ কুড়ানোর হাঁক।
একটা সকাল,
আবোল তাবোল।
নিমিষ চুপেও,
হোক কোলাহোল।
একটা সকাল,
রাত পেরিয়েও;
একটা সকাল থাক।।
#
ভরদুপুরের তপ্ত দহনকালেও
মনের আকাশে মেঘ করে যায়..
#
একটা সকাল,
দুপুর হয়ে -
শুয়ে বসে,
একটু হেসে..
মেঘের সাথে;
মেঘের খেলায়,
আকাশনীলায়-
একটু ভেসে..
হুট বাতাসে;
আলোক ছায়ায়,
আলসেমি তে..
বিকেল ছুঁতেই -
তৃপ্ত সুখে,
হর্ষ মেখে..
রিম ঝিম ঝিম
মনের গানে,
ঘুম ঘুম ঘুম
সময় উধাও..
প্রানের পরে,
হঠাত্ এসে ;
বৃষ্টি দিল চুম..
#
কাঁচের দেওয়াল টাইপ বিশ্বাস নিয়া আর যাই হোক, ভালোবাসা যায় না..
#
চায়ের কাপে বিষাদলোকের ছায়া,
হুট ডেকে যায় অচিনপুরের মায়া -
ধুমপান বিষপান
নাটক সিনেমায় অহরহ দেখি নায়ক খুব কায়দা করে সিগারেট ঠোটে লাগায়, আয়েস করে টানে। চিন্তামগ্ন হলে, বিরহ দেখা দিলে, জটিল কাজে নিমগ্ন হলেও সিগারেট টানতে দেখা যায়। বলা যায় বিনে পয়সায় নাটক সিনেমায় সিগারেটের বিজ্ঞাপন দেখা যায়। আর সেই বিজ্ঞাপনে যখন কারো প্রিয় নায়ক সিগারেট টানে তখন অনেক উঠতি বয়সের কিশোর বালক ও সিগারেট টানার প্রতি আগ্রহ বোধ করে। এভাবেই মনে হয় অনেক মানুষের ধুমপানের হাতে খড়ি হয়।মনে আছে টাইম ম্যাগাজিনের পিছনের পাতায় মার্লবোরো সিগারেটের বিজ্ঞাপনে ঘোড়ার পাশে কাউবয় ড্রেস পরা মডেলের সিগারেট টানার ছবি। তখন মনে হত ,ইশ ওই কাউবয় এর মত সিগারেট না টানতে পারলে জীবনটাই বৃথা।
আগে শুনেছি সিগারেট না টানলে ছেলেদের নাকি ম্যানলি লাগে না। মেয়ে মেয়ে লাগে। এমন কথা শুনলে যে কেউ বোকার মত নিজের পুরুষত্ব জাহির করার জন্য হলেও সিগারেট ধরে ফেলবে হয়ত।হাস্যকর লাগে এখন এসব শুনলে। আজ আমি হয়ত সেই অবস্থানে নাই কোন কিশোরের মত আর তাই আমার কাছে এসব কথা হাস্যকর লাগে।কিন্তু উঠতি বয়সে ভাল মন্দ যুক্তি কে শোনে।
গল্পঃ মূল্য

আমার কখনও গ্রাম দেখা হয়নি সেভাবে। শহরে জন্ম, বেড়ে ওঠা। গ্রামের সাথে কোন সম্পর্কই তৈরি হয়নি! বন্ধুদের কাছ থেকে ওদের গ্রামের কথা শুনতাম। বাবাকে গ্রামের বাড়ির কথা জিজ্ঞেস করলেই বলতেন- আমাদের কোন গ্রামের বাড়ি নেই, নদীতে ভেঙ্গে গেছে। গ্রাম আমার কাছে ছিল কেবলই বইয়ে পড়া আর টেলিভিশনে দেখা ছবির মত! সেদিন শিবলী যখন জিজ্ঞেস করল ও দুদিনের জন্য গ্রামে যাচ্ছে আমি যাব কিনা, কোন চিন্তা না করেই রাজি হয়ে গেলাম। এই রাজি হওয়া যে ঝোঁকের মাথায় তা নয়, অনেকদিন থেকেই শিবলীর কাছে ওদের গ্রামের গল্প শুনে শুনে আমার মনে সত্যিকারের গ্রাম দেখার একটি আগ্রহ তৈরি হয়েছিল।
নির্বাসিত লেখক এবং এক আশ্চর্য আবেগময় বন্ধুর জন্মদিনে!
জন্মদিনকে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভাবার লোক আমি না। অন্যের জন্মদিন সমন্ধে ভাবলেও নিজের জন্মদিন সমন্ধে মোটেও তা ভাবি নাই। ঘটা করে নিজের জন্মদিন পালন কখনো করা হয়ে উঠে নি। নিতান্তই পারিবারিক ভাবে ভালো মন্দ খেয়ে দেয়েই আমার জন্মদিন পালন করেছি বাল্যকালে। তবে মানুষ তো আমাদের মত ছিল না। বেশীর ভাগই জন্মদিন পালন করতো আর দাওয়াত পেতাম। দাওয়াত পেয়ে নিজের বাসায় না জানিয়েই দাওয়াত খেয়ে আসতাম। বিকেলে যে জামা পড়ছি, গোলকিপিং করে তার অবস্থা বারোটা তাও গিফট বিহীন সেই ভাবেই হাজির হয়ে যেতাম। জানতাম বাসায় জানালে যেতে দিবে না এরকম আবুলের ন্যায়। রাতে বাসায় ফিরে বলতাম আমাকে জোর করে নিয়ে গেছে। আমি কি করবো!
গদ্যকাব্য/মুক্তগদ্য/শরৎকাব্যঃ শরতের সরোদ
গদ্যকাব্য/মুক্তগদ্য/শরৎকাব্যঃ শরতের সরোদ
শাশ্বত স্বপন
‘এ সখি, হামারী দুঃখের নাহি ওর। এ ভরা বাদর, মাহ ভাদর--শূন্য মন্দির মোর।।’--মধ্যযুগের মিথিলার কবি, বিদ্যাপতির কবিতায় রাধার সুদীর্ঘ প্রতিক্ষা ঃ বর্ষাকালের আষাঢ়-শ্রাবণ যায়, শরতের ভাদ্র আসে তবু কৃষ্ণের দেখা নেই, ছোঁয়া নেই; আছে শুধু, শারদীয় অনুভূতি। আমি বিদ্যাপতির কবিতার কৃষ্ণের রাধার মত দু’চোখের শ্রাবন ধারার ক্লান্তি শেষে ভাদ্রবেলায় হাহাকার হৃদয়ের শূন্য মন্দির নিয়ে অপেক্ষা করি আমার রাধার জন্য অথবা অনুভব করি, তার আগমন বার্তা। ধুপাগ্নি যাতনায় হৃদয় জ্বলে যায় তবুও এ শরৎ রূপসী আমার জীবনানন্দ হৃদয়ের আঙিনায় বসে আঁধারী কাশবনের জোনাকী আলোর মত শুধু স্বপ্ন দেখায়।
গদ্যকাব্য/শরৎ কাব্যঃ ভাদ্র বেলার গান
গদ্যকাব্য/শরৎ কাব্যঃ ভাদ্র বেলার গান
--শাশ্বত স্বপন
‘তুমি যাবে ভাই--যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়--গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়...।’--ভরা যৌবনের জলতরঙ্গে শরতের কোন এক পড়ন্ত ভাদ্র বেলায় কবি জসিম উদ্দীনের নিমন্ত্রণের ডাকে সারা দিয়ে আমার হাত ধরে উপমা বলেছিল, “শুনেছি, তোমার গ্রামকে বড় ভালবাস তুমি; ছবির মত ছায়া সুনিবিড় তোমার গ্রাম; দেশের গ্রাম দেখা হয়নি আমার কোনদিন; দেখিনি ধান-পাট-সর্ষে ক্ষেত; দেখিনি ডোবা-নালা-খাল-বিল-বাঁওড়-হাওড়-নদী-সাগর; দেখিনি প্রকৃতির পাহাড়-ঝরণা-ছড়া-মেঘ-কুয়াশা-নদী আর রহস্যময় পাহাড় ঘেরা অপার সৌন্দর্যের পাহাড়ি ভুমি। আমায় তুমি নিয়ে চল সখা, তোমার যেখানে খুশী--তোমার চোখে দেখব আমি শরতের শাশ্বত রূপ।”
অসমাপ্ত সমাপ্তি
"যতদিন ছোট থাকবে,মন ততদিন পবিত্র থাকবে।বড় হতে শুরু করলেই মন অপবিত্র হতে শুরু করবে।"
"কিন্তু আমিতো জাহান্নামে যেতে চাই,তাহলে এত পবিত্রতা দিয়ে কী হবে?"
"জাহান্নামে তো তুমি যাবেই,সেটা তোমার জন্য হোক বা আমার জন্যই হোক।মন পবিত্র রাখবে জান্নাতে যাওয়ার জন্য না,চারপাশের পরিবেশের সৌন্দর্য অনুভব করার জন্য।তা না হলে জাহান্নামে গিয়েও বিরক্ত লাগবে।"
খুনী !
কোন কোন রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে একটি ছায়া কেঁপে ওঠে। বারান্দার গ্রীলে কপাল ঠেকিয়ে কান্নাকে দেয় সযতন ছোঁয়া। কখনোবা উদাস চোখে চেয়ে থাকে আকাশের দিকে। কখনো জ্যোৎস্না থাকে কখনোবা অমাবশ্যার ভ্রুকুটি। কোন কোন রাত বাতাসহীন দমবন্ধ প্রহর। আবার কখনো সারা ঘরে বাতাসের কোলাহল।
যেবার হিমালয়ে গেলাম। বরফের রাজ্যে। সেখানেও ছায়াময়ী! আমার পাশাপাশি চলছে পা-হীন পদক্ষেপে।মৃদু বাতাসে উড়ছে চুল। জড়াচ্ছে বরফের কুচি। ক্লান্তিতে চোখ বুজে এলে স্বপ্নচূড়ায় ও-ই পৌঁছে দেয় আমাকে -বলেছিল এক অচেনা শেরপা।
আজ প্রখর রোদের নীচে লেকের পাড়ে তাকে দেখলাম। অন্যমনস্ক, নি:সঙ্গ এবং স্বাধীন। বাতাস নেই তাই চুলও সংযত-সদালাপি। আমরা পরস্পরকে আড়চোখে দেখলাম। পানিতে একটানা ঘাই মেরে যাচ্ছে কোন বিরহী মাছ। ডুব সাঁতারে ছোঁয়াছুঁয়ি খেলছে কয়েকটি বালক। তারপর জেগে ওঠা ঘুর্ণিতে হঠাৎ উড়ে গেল মেয়েটি। যেভাবে প্রতি রাতেই হারিয়ে যায় তার ছায়ারূপ।
ডাক্তার বলেছিল চিকিৎসায় সেরে যাবে। আমিও জেনে গেছি যাবতীয় অসুখের একমাত্র পথ্য এই মানবী। আমি তার খুনী হব কোন সাহসে !
বুর্জোয়া জেনারেলের তথাকথিত সৈনিক জীবনে ফিরে দেখা!
বই নিয়ে আমার গত পোষ্ট ছিল কর্নেল হুদা ও তার সময়কে নিয়ে তার স্ত্রীর লেখা বই, সন্দেহ নাই বইটা অসাধারণ। তিন চার দিন আগে আমি পড়া শেষ করলাম মেজর জেনারেল মনজুর রশীদ খান (অব,) লিখিত 'আমার সৈনিক জীবনঃ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ'। বইটা বীর মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডার হুদা কে নিয়ে লিখিত বইটার প্রায় বিপরীত মুখী আরেক সেনা কর্মকর্তার বুর্জোয়া দৃষ্টিভঙ্গীতে তার যাপিত সেনা জীবনের বিবরন। এইটাও প্রথমা থেকে বের হওয়া, বইটার দাম অনেক, ৫০০ টাকা। দারুন বাধাই ও ঝকঝকে মুদ্রন, প্রচ্ছদে দেখতে আকর্ষনীয় একটা বই। ভারতে রুপীর দাম নাকি শেয়ার বাজারের কারনে হু হু করে নামতেছে। কার মুখে জানি শুনলাম ১০০ টাকায় এখন ৮২ রুপি। সমান সমান হয়ে গেলে বড়ই সুখের দিন। কলকাতার বইয়ের দাম আরেকটু সুলভ মুল্যে পাওয়া যাবে। কিন্তু বাংলাদেশী একেকটা বইয়ের যে অগ্নিমুল্য তা খুব বেশী প্যাশান না থাকলে কিনতে পারাটাও খুব কষ্ট। লোকজনের মুখে শুনি বিদেশে বইয়ের দাম কত সস্তা তা নিয়ে আলাপ। কিন্তু বাংলাদেশে আগামী দিনে ৪- ৫ ফর্মার তরুন তরুনীদের জন্য লেখা হালকা উপন্যাস চারশো পাচশো টাকাতে বেচতে দেখলেও খুব বেশী অবাক হবো না!
ঘুম ঘুম
ঘুম ভেঙ্গেছিলো বেলা ১১:৩০টায়। মাথায় বিনি কেটে দিলো ঘুম যে গভীর হয় সেটা জানা ছিলো না। বিনি কাটা বন্ধ হয়েছিলো বলেই ঘুমটা ভেঙ্গেছিলো এটা আমি নিশ্চিত। চোখ মেলে দেখি সোনিয়া পিংক রঙ্গের অন্তর্বাসে আমাকে দেখছে। আমি মুচকী হেসে চোখ বন্ধ করে বললাম,"আমাকে কি হোসনি মোবারকের মতো লাগছে?"
: একটু পর আমার বয়ফ্রেন্ড আসবে। সে এসে তোমাকে যে কি করবে সেটা ভেবে হাসছি।
ঘুম আমার দৌড়ে পালাল। তড়াক করে বিছানা ছেড়ে প্যান্ট খুজতে লাগলাম এমন সময় সোনিয়া বললো,"আন্ডারওয়্যারটা বাথটাবে, প্যান্ট টা সোফার ওপর। আর টি শার্ট জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলো। আচ্ছা একটা কথা বলতো, তোমার হ্যাংওভার হলে এত চিৎকার করো কেন?"
: (আমি প্যান্ট খুজতে খুজতে) তোমার বয় ফ্রেন্ড কখন আসবে?
: ও নীচে দাড়িয়ে আছে। তুমি বের হলেই আমি চাবি জানালা দিয়ে ছুড়ে দেবো!
: তুমি আসলেই অদ্ভুত!
"ও আচ্ছা?" বলেই আবার শুরু হলো নখরামো। নিটল শরীরের ঘোর লাগা নখরামো। দুধে আলতা শরীরে যেন মাদকের ছোয়া। চোখ দুটো সামলে প্যান্টটা পড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে নিজের রুমে গেলাম। পকেট হাতড়ে মোবাইলটা বের করে দেখি দুটো মিসড কল অজানা নম্বর থেকে।
দূর্গা পূজার ইতিহাস
বাংলাদেশের দূর্গোৎসবের কালক্রমিক ইতিহাস নির্মাণ করা এখনো সম্ভব হয়নি। এ কাজের উপযোগী সুস্পষ্ট ও অনুপুঙ্খ ধারাবাহিক তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায়নি। কোনো ইতিহাসবিদ বা সমাজবিজ্ঞানী বাংলাদেশে সবের উদ্ভবের ইতিহাস ও আনুষঙ্গিক ঘটনাপঞ্জি নির্ভরযোগ্য দলিলপত্র ঘেঁটে পরিপূর্ণভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হননি। ফলে কখন, কীভাবে দূর্গোৎসবের শুরু হলো তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে নানা ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও সূত্র থেকে বাংলাদেশে খবর পাওয়া যায়।
দূর্গা পূজার ইতিহাস
--শাশ্বত স্বপন
দ্বিজ
দ্বিজ
হাসান সাহেবের ভুরু সামান্য কুঁচকে আছে - সচরাচর এমন হয়না - তিনি আদ্যন্ত সংযত মানুষ - বিরক্তি বা রাগ সহজে প্রকাশ করেন না - কিন্তু আজকের বিকেলটা ভিন্ন - সামনের সোফায় আসীন যুবক তাকে অস্বস্তিকর বিরক্তিতে ফেলে দিয়েছে - যদিও যুবককে তিনি নিজেই আসতে বলেছিলেন.
ঘটনার সুত্রপাত তার কনিষ্ঠা কন্যাকে নিয়ে - এই মেয়েটি তার বড় আদরের - পুরো নাম তানিয়া ইসলাম - পিতৃস্নেহে সেই নাম তার কাছে কখন যেন তানি হয়ে গেছে - ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়ে - মেধা জেদ আর সৌন্দর্য তিনটি জিনিসই মেয়েটির মধ্যে প্রবলভাবে আছে - যদিও কখনো প্রকাশ করেন না - তবু বোঝা যায় - এই মেয়েকে নিয়ে হাসান সাহেবের মনের গভীরে গোপন এক ধরনের অহংকার আছে.
যখন সব ভেঙ্গে যায়, আমি দাঁড়িয়ে কিনারায়!
শিরোনামটা যথারীতি অযথাই দেয়া। এক বড় ভাইয়ের মুখে আর্বো ভাইরাস ব্যান্ডের খবর শুনলাম যে তাদের নতুন এ্যালবাম আসছে এবং তা তাদের সাইটেই ফ্রীতে পাওয়া যাচ্ছে। অডিও বাজারের ব্যাবসা যেহেতু খুব খারাপ। তাই ফ্রীতেই তারা তাদের গান গুলো দিয়ে দিলো। শ্রোতারা শুনুক। আর্বো ভাইরাস ব্যান্ডটা পারফর্ম করে খুব জোস। সেইটা আরসিসিতেই হোক বা আর্মি স্টেডিয়ামেই হোক। কিন্তু তাদের উচ্চারনরীতি একটু গেঞ্জাম প্রবন। এখনো ভোকাল সুফী বা আগে সুহার্ত ভাইয়ের র আর ড় য়ে সমস্যা রয়েই গেল কিংবা আছে। কিন্তু তাদের লিরিক অত্যন্ত পাওয়ারফুল। যেমন এই গানটার কোরাস লাইন গুলার কথাই বলি।
যখন সব ভেঙ্গে যায়, আমি দাঁড়িয়ে কিনারায়
তাকিয়ে দেখি মেঘের পরে রোদের সীমানায়
কেন সব ভেসে যায়, নবজাতক প্রেরনায়
আজ তবে শেষ হোক সব অন্ধকার!
ফরমালিন
“ফরমালিন” কথাটা মাথার ভিতর ঘুর ঘুর করছিল কয়দিন ধরে।
অনলাইনে ঘাটা ঘাটি করলাম এটা নিয়ে। এটা কি , কেন ব্যবহার হয় এসব। এটুকু জানা ছিল যে মরা লাশে পচন ধরা বন্ধ করার জন্য মর্গে কিংবা ল্যাব এ ফরমালিন নামক রাসায়নিক তরল গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
স্কুল জীবনের অনেক প্রিয় বন্ধু খোকন ময়মনসিং মেডিকেল কলেজে পড়তো। সেই সুবাদে আমি প্রায় ঢাকা থেকে ট্রেনে চেপে চলে যেতাম ময়মন্সিং মেডিকেলের বাঘমারা হোস্টেলে। আড্ডা মারাই মুলত ব্যাপার ছিল। খোকন ক্লাস থেকে ফিরে হাতের আঙ্গুল দেখিয়ে বলতো, দেখ লাশ কাটা কাটি করে হাতের আঙ্গুল কেমন শক্ত হয়ে আছে। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করতাম , তা কেন হবে? তখন ও বলত লাশ ফরমালিন দিয়ে রাখা হয় যেন না পচে, আর বডি ডিসেকশন করতে গিয়ে এখানে সেখানে ধরতেই হয়, আর তাতেই হাতে ফরমালিন লেগে যায়। আমি জিজ্ঞেস করতাম ফরমালিন কি? তখন ওর কথায় জানতে পারলাম এটা অনেক বিষাক্ত তরল গ্যাস। মৃত লাশ ছাড়াও অনেক কিট পতংগ , প্রানী ফরমালিন মিশিয়ে বড় কাঁচের জারে সংরক্ষন করা হয়। এরপর আমি আর এই ফরমালিন শব্দটা শুনি নাই মানে শোনার দরকার হয় নাই দেশে থাকাকালীন।
নতুন আমি ………
ইচ্ছে গুলো এলোমেলো হয়ে যাওয়ায় গুছাতে খানিকটা সময় লাগছে।
ওই লিখার ইচ্ছে টাও এলোমেলোর ভিড়ে হারিয়ে বসেছিলাম ,, গোছানো প্রবনতা প্রবল ভাবে শুরু করাই এই ইচ্ছে টাকেও আগের রূপে ফিরিয়ে আনলাম।

আজকাল অনেক কিছুই অবাক করছে আমায় কাছের বন্ধুরাও কথার মধ্যে সিকুরিটি গুজে গুজে চলছে . অবাক হচ্ছি ঠিকই তবে বিষয় গুলো মজা পাচ্ছি ভীষণ পুরনো কিছু কে নতুন রূপ দিলে ঠিক যেমনটি হয়।।
যাই হোক নিজের কথায় ফেরা যাক
হটাৎ অনেকটাই গোছালো হয়ে গেছি আমি যদিও কারণটা আমি নিজেই এখনো উদ্ধারে ব্যার্থ। কিছু লোকের ধারণা প্রেমে পরেছি আর কিছু লোকের ধারণা নিজেকে প্রেম করার উপযুক্ত করে তুলছি। 
আপাতত না বলে উড়িয়ে দিচ্ছি ঠিকি তবে কারনের উত্তর দিতে হালকা স্লিপ খাচ্ছি এই। 
আজ মাথা আর মন সংগ দিচ্ছে ঠিকি তবে জং লেগে যাওয়া লিখার ধরনটি যেন ফিরছে না তার আসল রূপে।
মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখার এই মজা ,
ইতির দেখা পাওয়া টা মুশ্কিল হয়ে পরে। 
তবু ইতিকে টেনেই
অফ গেলাম। শুভ রাত্রি . 