ইউজার লগইন
ব্লগ
বেলা অবেলা

খুব ভোরে ঘুম ভেঙ্গে গেল রঞ্জুর। পাশ থেকে মোবাইল ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলো মাত্র সাড়ে পাঁচটা বাজে। সেলিম ও পাভেল তখনও ঘুমাচ্ছে। আজ কয়েক রাত ধরে ঠিকমত ঘুম হচ্ছে না ওর। মায়ের কথা খুব মনে পড়ে আজকাল! প্রায় প্রতিদিনই মা’র সাথে কথা হয় তবুও মায়ের মুখটা দেখতে না পাওয়ার অতৃপ্তি যেন থেকেই যায়। আরো কিছুক্ষণ বিছানায় গড়াগড়ি করে অবশেষে উঠে পড়ল। হাত মুখ ধুয়ে রাস্তায় বেরিয়ে এল, উদ্দেশ্য কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করা।
মুদ্রারাক্ষস
রোজনামচায় বনফুল লিখেছিলেন, ‘শাসকেরা পাকে-প্রকারে বলেছেন-বারো টাকা কেজির তেল দিয়ে ভাল করে ভাজ/চোদ্দ টাকা কেজির মাছ/তারপর আমাদের জয়ধ্বনি দিয়ে দু’হাত তুলে নাচ।’ বনফুল এই রোজনামচা লিখেছিলেন ১৯৭৭ সালে, ২ ফেব্র“য়ারি। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। অথচ বারো টাকা কেজির তেলের কথা শুনলে মনে হয় এ যেন শায়েস্তা খাঁর আমলের কিছুদিন পরের কথা। শায়েস্তা খাঁর কথা যখন এসেই গেলো তখন টাকায় আট মন চালের কথাও এসে যায়। এখন তো এক টাকার নোটই যাদুঘরে চলে গেছে, সুতরাং এক টাকায় আট মণ চাল কেনার প্রশ্নই আসে না।
শায়েস্তা খাঁর আমলের সেই স্বর্গসম সময়ের কথা লিখে গেছেন ঐতিহাসিকেরা। অর্থনীতিবিদেরা হলে লিখতেন অন্যরকম। কারণ টাকায় আট মন পাওয়া যেতো ঠিকই, কিন্তু টাকাটাই যে পাওয়া যেতো না। এক টাকা উপার্জনের ক্ষমতাই বেশিরভাগ মানুষের ছিল না সেসময়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে ক্রয়ক্ষমতা, প্রকৃত আয়, দ্রব্যমূল্য বিষয়গুলো অনেক পুরোনো। এর অর্থনৈতিক নাম মূল্যস্ফীতি বা মুদ্রাস্ফীতি।
লাইভ ব্লগিং!
এই পোষ্টটা লিখছি সাহস করেই। জানি না পোষ্ট দিতে পারবো কিনা এতো জটিলতায়, তাও লিখছি। কালকেও একটা পোষ্ট দুই ঘন্টা ধরে লিখেও দিতে পারি নাই কারন লেখা শেষেই ঠিকমত মোবাইলটা করলো হ্যাং। রাগে দুঃখে সেটটা বেডরুমের দেয়ালের দিকে ছুড়ে মারলাম। খুব বেশী ক্ষতি হয় নি মোবাইলটা। দিব্যি সুস্থ আছে। যাই হোক পোষ্টটা লিখছি সিক্সটি পারসেন্ট চাদঁ জানালায় দেখতে দেখতে। খুব দ্রুত চলছে ট্রেন, সাড়ে তিন ঘন্টা লেট করে। শিডিউলের অবস্থা বারো টা। যতক্ষন ট্রেন জামালপুর থেকে ছাড়লো সেই অপেক্ষার সময় টুকুতে প্রাইভেট কারে ঢাকায় পৌছে যাওয়া যাবে জ্যাম না থাকলে। কিন্তু কি আর করার ব্যাক্তিগত গাড়ী নাই, বাসে যাওয়ার রুচি নাই তাই ট্রেন ছাড়া গতি নাই। আমাদের বেগতির যাত্রীরাই বাংলাদেশ রেলের সম্পদ। শত অব্যাবস্থাপনাতেও এই কু ঝিক ঝিক গাড়ীতে করেই ঢাকায় আসা যাওয়ার কাজটা করছি ফি বছর। এখন খুব চা খেতে ইচ্ছা করতেছে তাও আজ ট্রেনে চায়ের কোন ব্যাবস্থা নাই। উল্টা যাত্রায় ট্রেন সফরে যখন তাড়াকান্দিতে ইন্জিন বদল করে ঢাকা মুখী রওনা দিলো তখনই আটটায় দুই কাপ চা একত্রে মেরে দিলাম। মামাকেও খাওয়ালাম। অনেক দিন পর দুধ চা খেয়ে মন আহলাদিত। মা
অনৈতিক অবচয়ী অর্থনীতি
"অনৈতিক অবচয়ী অর্থনীতি" হয়তো কোথাও না কোথাও বৈধ ও অবৈধ উপার্জনের অর্থনৈতিক চক্রকে উপস্থাপনের জন্যে ব্যবহৃত হয়েছে, কিংবা হতে পারে এই শব্দগুচ্ছ একান্তই আমার উদ্ভাবন( সেটা হওয়ার সম্ভবনা খুবই কম)।
পণ্য উৎপাদন এবং বিপণনে রাষ্ট্রের সক্রিয় অংশগ্রহন এবং নিস্ক্রিয় অংশগ্রহনের মাত্রাভেদে বাজারে পণ্যের ক্রয়মূল্যের উত্থানপতন অনেকাংশেই নির্ভরশীল। রাষ্ট্রের তত্ত্বাবধায়ক ভূমিকা ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতাকে সব সময়ই সীমিত করছে, সীমিত পর্যায়ের মূল্যস্ফ্রীতি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির শর্ত হিসেবে ধরে নেওয়া হলেও " অনৈতিক অবচয়ী অর্থনীতি" চর্চা আসলে ভোক্তা এবং রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতে কোনো ভুমিকা রাখে না।
"অনৈতিক" কারণ এভাবে উপার্জিত কালো টাকা সরাসরি বাজারে প্রবেশ করলেও রাষ্ট্রের রাজস্ব আয়ে সেটা কোনো ভুমিকা রাখে না। চাঁদাবাজী এবং মজুতদারী ধাঁচের পণ্যমুল্য স্ফ্রীতি ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতাকে ধারাবাহিক শোষণ করতে করতে ভোক্তাকে নিঃস্ব করে ফেলে। ভোক্তা অধিকার পরিপন্থী এই প্রক্রিয়া বেআইনী বিবেচনায় অনৈতিক।
ঘোর
স্পর্শঘোর...
তোমাকে কখনো শাড়িতে দেখিনি আমি, শুধু ছবি ছাড়া। কতোবার ভেবেছি বলব একদিন শাড়ি পরতে, বুকের দুরুদুরু ছন্দ ছাপিয়ে ঠোঁট পর্যন্ত পৌঁছুতে পারেনি শব্দ গুলো। একদিন আসইনা ... পেয়াজখসী আঁচল জড়ানো তোমাকে দেখি প্রাণ ভরে। হয়তো সেদিন ভুলকরে ছুঁয়ে দেবো তোমার হাত কিংবা শাড়ির আঁচল। স্পর্শঘোর জমা হবে স্মৃতির একান্ত সিন্দুকে...
শব্দঘোর...
তোমার আঁচলে আঁকা স্পর্শঘোর ছবি হয়ে গেলে, বসে থাকি নীরবে। ছবিটায় শব্দ ছোঁয়ালেই হয়ে উঠবে কবিতা, আর তুমি কবিতাটা একবার পড়লেই হয়ে যাবে গান। কিছু কিছু গান, কেন জানি বসে যায় বুকের ভেতর। রোদ গলে পড়া দুপুরে সেই গান শুনলেই বৃষ্টি নামে মনের নিকোনো উঠোনে। ঝিলিমিলি সেই উঠোনে তোমার উচ্চারিত শব্দগুলো বৃষ্টি হয়ে ঝরে। শব্দঘোরে ডুবে যায় চরাচর...
সময়ঘোর...
তার ছিড়া গল্প
১.
দূরে কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে। চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছি। জানালা দিয়ে অনেক দূরের কিছু পাহাড় সারির ধোঁয়াশা। ধোঁয়াশাটা বৃষ্টির পর্দা। পাহাড়গুলো নদীর ওপারে। মাঝে মাঝে দেহবহির্ভূত হয়ে মনটা ওই পাহাড়ের আড়ালে আশ্রয় নেয়। একদিন নদীটা পার হয়ে সোজা ওই পাহাড়গুলোর দিকে চলে যাবো। অফিসে আসার পথে প্রতিদিন নদী পারাপারের খেয়াঘাট পেরিয়ে আসি। কখনো সখনো দেখি সারিবদ্ধ মানুষ নৌকা থেকে নেমে শহরের নানান জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। যেখানে ঘাট, সেখানেই বাসস্টপ। সন্ধ্যের আগে কাজ সেরে সবাই ফিরে যাবে ওই পাড়ে।
নষ্ট জীবন
ধীরেধীরে রাত গভীর হয়,
সকলই ঘুমিয়ে যায়; শুধু জেগে রয়-
ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা কিছু ল্যাম্পপোস্ট
আর রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুরগুলো,
তাদের সাথে জেগে থাকে
দুটি নির্ঘুম চোখ আর একরাশ কষ্ট।
কষ্টেরা দিনে ঘুমায় আর রাতে জেগে ওঠে,
হাতরে বেড়ায়, খোঁজে সুখের স্মৃতি;
ক্লান্ত হয়, অস্থির হয় তবুও খুঁজেফেরে
কোথায় কোন যায়গায় তার সৃষ্টি?
আর এভাবেই জীবন অতিবাহিত হয়,
কেটে যায় রাতের পর রাত,সপ্তাহ, মাস,বছর।
এভাবেই বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যায় স্মৃতি,
স্মৃতিহীন জীবন থেমে রয়, তার নাম নষ্ট।
একটা ছেড়া রাত, স্বপ্নগুলো নষ্ট
১
ঢাকা ভার্সিটিতে ইকনমিকস নিলে ফোর্থ সাবজেক্ট হিসাবে ম্যাথ আর স্ট্যাটিসটিকস নেয়া বাধ্যতামূলক। চিরজীবনই আমার অংকের ভীতি আছে। অংক যাও বুঝি, পরিসংখ্যান একদমই না। সেই অংক আর পরিসংখ্যান নিতে হল বাধ্য হয়ে। পরিসংখ্যান ম্যাডাম ছিলেন দারুণ সুন্দরী। সুতরাং পরিসংখ্যান বুঝি আর না বুঝি ক্লাশে হাজির থাকতামই। বছর শেষে দেখা গেল স্টাটিসটিকস কিছুই বুঝি নাই, বুঝলাম খালি ভাইটাল স্টাটিসটিকস।
তারপর অংক আর পরিসংখ্যান শিখতে ফার্মগেট এলাকায় এক টিচারের কাছে পড়তে যেতাম। সঙ্গে আমারই ক্লাশের আরও তিনটি মেয়ে। ফলাফল একই। শিখলাম কেবল ভাইটাল স্টাটিসটিকসটি।
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-১০)
জীবনানন্দীয় ক্লান্তি
সমস্ত দিনশেষে ভ্রু'র কোণে এসে জমে
জীবানন্দীয় ক্লান্তি
এসব অবগুণ্ঠনহীন যাপিত জীবন
বহুদিন ছুটিতে থাকা অশ্বের অনভ্যস্ত ক্ষুর ঠোকা
অজানার পারে ছুটবে বলে-
কেউ বোঝে না, দেখে না কেউ মন দেহ
উল্টে পাল্টে;
উন্মুক্ত রং রস, তারচেয়ে বেশি প্রকাশিত
হৃদয় দ্বার, সুবিধাটুকু করে উপভোগ
উগড়ে দেয়া আধুনিক ভাষার ধার!
কেউ জানে না কি লেখা প্রাচীন মিশরীয় স্লেটে-
ভুলে যাওয়ার সুত্র বা পারম্পর্যহীন কথার ভার!
আগামীকাল তুমি আসোনি মায়াসভ্যতা-
কালো বিড়াল বৃথা মরলো কেঁদে।
সমস্ত দিনশেষে ভ্রু'র কোণে জমে থাকে
মানবীয় ক্লান্তি,
জীবনানন্দ সেই কবে থেকে কবি মাত্রেরই
মৃত্যু-প্রাণের ঐকতান অথবা নিখাদ বিভ্রান্তি।
দূর্গা পূজার ইতিহাস
দূর্গা পূজার ইতিহাস
--শাশ্বত স্বপন
পনেরোই আগষ্ট, মান্টোর শ্রেষ্ঠ গল্প!
শোক দিবসের এই সকালে ঘুম থেকে উঠেই চা খেতে খেতে এই পোষ্ট লিখতে বসলাম। কি লিখবো তা আসলে এখনো মাথাতে আসে নি, আর পনেরোই আগষ্টের সকালে লেখা খুব সহজ না। সেই দুঃসহ স্মৃতি যা আজো বাঙ্গালীর এক ভয়াবহ ট্রাজেডীর নাম। আমি অবশ্য খুব শোকার্ত হই না। কারন এই নির্মম হত্যাকান্ডের এক যুগ পরেই আমি দুনিয়াতে আসছি। নিতান্তই আওয়ামী মনস্ক পরিবারে না জন্মালে এই ব্যাপারটা নিয়ে তেমন জানারই সুযোগ রাখে নি সেই সময়ের রাষ্ট্রক্ষমতার মানুষেরা। ছোটবেলায় জিয়ার ক্যাপ সানগ্লাস পড়া ছবি দেখছি ততবার বঙ্গবন্ধুর ছবিও দেখি নি। সেই শিশু মনে আমার জিয়াকেই বেশী গ্ল্যামারাস লাগতো। ৯৬ এর ইলেকশনের পর আমি বঙ্গবন্ধু চিনতে শুরু করি। তা টিভির কল্যানেই। টিভিতে যখনই সাতই মার্চের ভাষন দেখাতো সেই বজ্রকন্ঠের আহবানে শিহরিত হতাম। আমার ক্লাস ফাইভ সিক্সের রাফ খাতা যদি পাওয়া যায়, তবে দেখা যাবে সুযোগ পেলেই আমি এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তি সংগ্রাম এমন লাইন গুলো লিখে রাখতাম। একবার এক টিচার এই জিনিস দেখে তিরস্কারের সুরে বলছিল তুই কি পলিটিশিয়ান হতে চাস?
খড়গ চড়াও
রক্তে রাঙা মৌলবাদীর হাত ভেঙ্গে দাও, গুঁড়িয়ে দাও
লেবাসধারী ভন্ডগুলোর শির থেকে পা মুড়িয়ে দাও।
নগ্ন করে বেত্রাঘাতে পশ্চাদ্দেশ ফুলিয়ে দাও
মারের চোটে শুকরগুলোর জনকের নাম ভুলিয়ে দাও।
বাঁশ ঢুকিয়ে কাশের বনে কাকতাড়ুয়া বানিয়ে দাও
দু'পা বেঁধে গাছের ডালে উল্টো করে টানিয়ে দাও।
ওদের সঙ্গে যারাই করে আঁতাত শুকর পাল তারাও
তাদের গায়ে লবণ ছিটাও, তার আগেতে ছাল ছাড়াও।
অনেকটা কাল কেটে গেছে, ওদের প্রতাপ চাই না আর
কোনভাবেই ঘৃণ্য ওরা আবার যেন পায় না পার।
পশুগুলোর শিশ্ন কেটে ওদের হাতেই ধরিয়ে দাও
আর দেরী নয় ঠিক এখনই ঘাড়ে খড়গ চড়িয়ে দাও।
আমার যতো সিনেমা - ৩
“নহন্যতে” সিনেমার নামটা শুনছিলাম কদিন ধরেই। ছোটবেলায় পড়া মৈত্রীয় দেবী আর মির্চা এলিয়াদকে মাথায় রেখে সিনেমাটা দেখতে বসে প্রথমে একটু আশাহত হয়েছিলাম। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সিনেমায় ডুবে গেলাম। কাহিনীটাই এমন টানের। পুরো সিনেমাটাই টান টানের। জীবন মানুষকে কখনো কখনো এমন জায়গায় এনে দাড় করিয়ে দেয় মাকে বেছে নিতে হয়, এক সন্তানকে বাঁচাতে পারবো, কাকে চাও, ছেলেকে না মেয়েকে? সিনেমার শুধু শেষটা ভাল লাগেনি বড্ড সিনেমাটিক লেগেছে। বাচ্চা এডাপ্ট করা আর পরে বাচ্চার তার বায়োলজিক্যাল পেরেন্টসদের সাথে যোগাযোগ করা একটা সাধারণ ঘটনা। পরিচালক এটাকে এতো নাটকীয়রুপ না দিলেও পারতেন। হয়তো বাচ্চা মেয়েটার অভিমানের পাল্লাটা অনুধাবন করানোর জন্যে এই নাটকটার অবতারনা কিন্তু কোন বাচ্চাটা অভিমান করে না যখন জানতে পারে তার বায়োলজিক্যাল পেরেন্টস তাকে দিয়ে দিয়েছে? নো ম্যাটার কারণ যাই থাকুক? আমি হলে হয়তো শেষটুকু অন্যভাবে লিখতাম। ব্যাক্তিগত অনুভব, ক্ষমা এই জিনিসগুলোকে প্রাধাণ্য দিতাম। তবুও বলবো অসাধারণ একটা মুভি, সিনেমাপ্রেমীদের জন্যে।
মায়েরা যেমন হয়!
মায়েরা যেমন হয় এই নামে পোষ্ট কেন লেখছি তা জানি না। অনেকক্ষণ ব্লগের পাতা খুলছিলো না। অভিসম্পাত দিচ্ছিলাম ব্লগকে। কানে বাজছিলো শিলাজিতের গান। হঠাত্ করেই দেখি ব্লগ পেজের খোলা গেল। ঈদসংখ্যা আরো দুটো শেষ তা নিয়ে লিখতে ইচ্ছা করছে না। তাই এই পোষ্টটা লিখতে শুরু করলাম শুয়ে শুয়ে মোবাইল দিয়ে। জানি না আদৌ প্রকাশিত হবে কিনা! এই ছোট পরিসরে আম্মুকে নিয়ে আদিখ্যেতা দেখানো লেখা ঠিক হবে কিনা জানি। তাও লিখছি কারন মা কে নিয়ে ছোট বড় পরিসরে যে যেভাবেই লিখুক কথার শেষ হবে না। এক বাধ ভাঙ্গা উচ্ছাসের মতোই অনেক কথা বলে ফেলা যায় খুব সহজেই। আর মায়েদের ভালোবাসি না বাসি, আমাদের জাতির আদিখ্যেতার তো শেষ নাই মাতৃভক্তি নিয়ে। তাই সেই চিরচেনা স্নেহ ভালোবাসার কথাগুলাই লিখতে বসলাম!
