ইউজার লগইন
ব্লগ
ব্ল্যাক আউট কর্মসূচী প্রত্যাহার
সিদ্ধান্ত মোতাবেক, ব্লগ ব্ল্যাক আউটের কর্মসূচী প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে আজ ৮ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে।
আমরা বেশ কয়েকটি ব্লগ এক হয়ে ব্লগ ও ব্লগারদের কন্ঠরোধ ও ব্লগার গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছি! এইরকম ঐক্য ব্লগ বা ব্লগার গুলোর মধ্যে এর আগে দেখা যায়নি! আমরা বন্ধু ব্লগ আশা করে ব্লগ ও ব্লগারদের এমন ঐক্য আমরা ধরে রাখবো এবং সামনের সময় গুলোতে প্রয়োজনে কাজে লাগাতে পারবো, রুখে দাঁড়াবো প্রয়োজনে!
আমাদের প্রতিবাদের কথা গুলো ছড়িয়ে গেছে অনেক দূর! ছড়িয়ে দেবার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানায় আমরা বন্ধু ব্লগ! আমরা আমাদের ব্লগারদের কাছ থেকেও পেয়েছি অভূতপূর্ব সহযোগীতা যা আমাদের সাহসী করেছে ব্ল্যাক আউট ধরনের কর্মসূচী পালন করতে! ব্লগ গুলোর প্রতি ব্লগারদের এমন আস্থা ভবিষ্যতে আরোও বেশি সচেতন ভাবে পরিচালিত করতে শক্তি যোগাবে!
ব্ল্যাক আউট কর্মসূচী নিয়ে বিস্তারিত তথ্য ব্লগ মডারেটর জানিয়ে দিবেন কিছু সময় পরেই!
লিখুন, লিখতে থাকুন!
হাতে হাত রেখে চলো নিঃশঙ্ক হই!
হেফাজতে ইসলাম
১.
হেফাজতে ইসলাম কি ফরহাদ মজহার/শফিক রেহমানদের ব্রেইনচাইল্ড? হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।।
তারা এদের খানা-পিনা, ওজুর পানির বন্দোবস্ত করার জন্য সরকারকে উপদেশ দিয়েছেন।।
দেশের "তৌহিদি জনতা" ফ্রন্ট এতদিন দুইটা বিষয়ের অভাবে ভুগছিলো:
(১) অরাজনৈতিক চেহারার প্লাটফর্ম (জামাত বা ঐক্যজোট তাদের মূল অবলম্বন ছিলো)
(২)পশ বা সুশীল ইমেজ
(এরা শ'খানেক লোক এক হয়ে মিছিল করলেও সেটা কেন জানি জঙ্গি হয়ে পড়ে। জ্বালাও-পোড়াও, ধরো-মারো ছাড়া এরা আন্দোলন করতে পারেনা। অপনেন্ট ফ্রন্টের মিডিয়া তো আর ছাড় দেবেনা, তাইনা?)
হেফাজতে ইসলাম আপাতদৃষ্টিতে এই দুটো সংকট কাটিয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। যদিও শুরুতে তারা ৩১৩ জনের বদর স্কোয়াডের নামে খুব লম্ফঝম্ফ করেছিলো, এখন ওটা নিয়ে টুঁ শব্দও করছেনা। তারা জঙ্গি ইমেজকে ওভাররাইড করে "শান্তিপ্রিয়" হিসাবে আবির্ভুত হতে প্রাণপণ।
যা ভেবে অবাক হই, এই আইডিয়া এতদিন তৌহিদি জনতার মাথায় আসেনাই কেন?
সম্ভবত বার্ডস-আই-ভিউ থেকে না দেখলে অনেক সময় আসল দূর্বলতাগুলো চোখে পড়েনা।। নাস্তিক মজহার/রেহমানকে সেজন্য হলেও তাদের দরকার ছিলো।
২.
৪ এপ্রিল, জাগরণ মঞ্চের ডাক এসেছে
গত কিছুদিন ধরেই হতাশা ঘিরে ধরেছে আমাকে! বেশ কিছু কারনে ক্ষোভ জমেছে মনে! না পাওয়ার ভয় গুলোকে এতোদিন ইগ্নোর করছিলাম তবে গত কয়েকদিন সেই ভয় গুলোই সামনে এসে দাড়াচ্ছে বার বার! হ্যা, এই সব কিছুই শাহবাগ, প্রজন্ম চত্তর কে ঘিরে! ভাবছিলাম কি হবে শাহবাগ গিয়ে? এই আন্দোলনের সাথে থেকে? কেনো নিজের সময় নষ্ট করে যাচ্ছি ওখানে? যারা বিরোধীতা করছে কেনো তাদের সাথে লড়াই করে যাচ্ছি অনলাইনে? কেনো আজ আমার সব কিছুতেই শাহবাগ?
সব কয়টি প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে স্পষ্ট! এই বাংলাদেশ যারা গড়ে দিয়ে গেছেন তারা একটি চেতনা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলেন এবং আমি সেই চেতনা গুলোকেই বাস্তবায়ন করতে চাই! তাদের বিসর্জন গুলো বৃথা যেতে দিবোনা আমি! আমি তাদের অসমাপ্ত কাজ গুলো করার জন্য একটু ভাগিদারী হইতে চাই! হ্যা, পাওয়ার যায়গাটুকু হয়তো খুব সামান্য, তাই বলে কি আমি পিছু হাটবো? নাহ, আমি পিছু হটছিনা! আমি লড়াই করে যাবো! আমি আছি শাহবাগে!
সাফারি
না না না না বলব না আর কিছু,
লিখব না আর কেমন লাগার গাঁথা,
এরচে ভাল বিস্ফারিত চোখ আর
পাথর হৃদয় ভাব গিজগিজ মাথা!
লাগছে কেমন বলার কী আর মানে,
বইয়ের পাতা কিংবা কোন গানে,
কোন অচেনার একটু মৃদু হাসি,
চোখ চিকচিক, কিংবা কোনখানে,
এক ঝটকায় এত্তটুকু হয়ে
আরেক চোখে আমার আমি দেখা,
উতল হয়ে মনের জলে ভেসে
হঠাৎ এসে কয়টা কথা লেখা,
কোন্ অচেনা মায়ের আকুল চোখে
হালকা সময় এক লহমায় ভারী,
কোন্ এক ছেলের বিষণ্ণ কী কথায়
খুশির সাথে হঠাৎ ছাড়াছাড়ি,
বিক্ষোভে মন আগল ছাড়া হতেই
কয়টা কথায় মনের ধুলো ওড়ে,
উথাল পাতাল উদ্ভুটি দিন পুরো
ডিগ্রী ধরে তিনশো ষাটে ঘুরে
দিব্যি আবার চাঙ্গা, সে ঐ
শব্দে ভেসেই হোক-
কী এসে যায়, আনন্দে বা
অচিন কোন শোক,
না না না না আর হবে না অত,
বলায় এখন লাল কালিতে মানা,
অত্ত লেখার হিড়িক, এখন বাতিল,
এখন কেবল তীক্ষ্ণ এবং তীব্র কঠিন না না,
খাঁচায় ফেরার সময় হলো বুঝি,
আমার সাথে সাধ্যমত যুঝি,
ছোট্ট খাঁচা হাতছানি দেয়, ডাকে,
ইচ্ছে না হোক, খাঁচায় ফেরাই ভালো,
লালচে আভার ওই পারেতেই কালো,
এই সাফারি, এই এখানে রাতে,
অন্ধকারের প্রবল কৃপান হাতে,
সব কিছুই আগের মতো
দালালদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলেন বঙ্গবন্ধু। এর আগে আইন সংশোধন করে দালালদের মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তি পায় অনেক অনেক দালাল। ১৯৭৩ সালে ডিসেম্বরে তিনি বললেন,
এসব লোক দীর্ঘদিন ধরে আটক রয়েছেন, এতদিন তারা নিশ্চয়ই গভীরভাবে অনুতপ্ত। তারা নিশ্চই তাদের অতীত কার্যকলাপের জন্য অনুশোচনায় রয়েছেন।.......মুক্ত হয়ে দেশগঠনের পবিত্র ও মহান দায়িত্ব গ্রহনের পূর্ণ সুযোগ তারা গ্রহণ করবেন এবং তাদের অতীতের সকল তৎপরতা ও কার্যকলাপ ভুলে গিয়ে দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।
এরপর আসল ১৯৭৪। বঙ্গবন্ধু লাহোরে ইসলামী সম্মেলনে যোগদান শেষে ফিরলেন। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই কেউ মনে রাখলো না বঙ্গবন্ধুর আশাবাদের কথা। বরং দালালরা পেয়ে যায় সুযোগ। কাজেও লাগালো সেই সুযোগ।
বেআইনী ঘোষিত জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলামী, মুসলিম লীগ, পি.ডি.পি. প্রভৃতি দলের একশ্রেণীর সদস্য এবং অন্যান্য পাকিস্তানপন্থীরা বেনামীতে রাজনীতির আসরে নামার জন্য 'চাঁদ তারা মার্কা' পতাকা নিয়ে জাতীয় গণতন্ত্রী দল নামে একটি নতুন দল গঠন করেন।
বিলাসী (২০১৩) - ২
মৃত্যুঞ্জয় আমাকে চিনিতে পারিয়া বলিল, কে, ন্যাড়া?
বলিলাম, হুঁ।
মৃত্যুঞ্জয় কহিল, ব’সো।
মেয়েটা ঘাড় হেঁট করিয়া দাঁড়াইয়া রহিল। মৃত্যুঞ্জয় দুই-চারিটা কথায় যাহা কহিল, তাহার মর্ম এই যে, প্রায় দেড়মাস হইতে চলিল সে শয্যাগত। মধ্যে দশ-পনরো দিন সে অজ্ঞান অচৈতন্য অবস্থায় পড়িয়া ছিল, এই কয়েকদিন হইল সে লোক চিনিতে পারিতেছে এবং যদিচ এখনো সে বিছানা ছাড়িয়া উঠিতে পারে না, কিন্তু আর ভয় নাই।
মৃত্যুঞ্জয় কহিলো - ব্লগে যাহারা সকাল সন্ধ্যা মানবতার কথা বলে, ধর্মের কথা বলে, সুশীল ব্লগার - তাহার কেহই তাহাকে দেখিতে আসে নাই। সেই রোগীকে এই বনের মধ্যে একাকী যে নাস্তিকের মেয়েটি বাঁচাইয়া তুলিবার ভার লইয়াছিল, সে কতবড় গুরুভার! দিনের পর দিন, রাত্রির পর রাত্রি তাহার কত সেবা, কত শুশ্রূষা, কত ধৈর্য, কত রাত-জাগা! সে কত বড় সাহসের কাজ! কিন্তু যে বস্তুটি এই অসাধ্য-সাধন করিয়া তুলিয়াছিল তাহার পরিচয় যদিচ সেদিন পাই-নাই, কিন্তু আর একদিন পাইয়াছিলাম।
মাহমদুর রহমান এবং সরকার : একই সমতলে!
শেষ পর্যন্ত আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আর সরকারের বক্তব্য মিলেই গেলো!
মাহমুদুর রহমান সাহেবের যেমন হঠাৎ করে 'ধর্ম'প্রীতি বেড়ে গেছে, তেমনি সরকারেরও। তারা ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন ব্লগ সাইট বন্ধ আর 'নাস্তিক' ব্লগারদের গ্রেপ্তার করতে।
মাহমুদুর রহমান অনেকদিন ধরে চাইছিলেন গণজাগরণ মঞ্চ বন্ধ করে দিতে। এখন সরকার চাইছে। সরকারের কর্তাব্যক্তিদের মাথায় কী পোরা তা নতুন করে প্রমাণিত হলো।
গণজাগরণ মঞ্চ কি সরকারের কথায় গঠিত হয়েছিলো যে এখন আবার তাদের কথায় বন্ধ করে দিতে হবে?
ভোটের রাজনীতি! জোটের রাজনীতি! রাজনীতির প্রথম কথা নির্লজ্জ হও, বিবেকহীন হও
পলাই পলাই
মজাদার কাহিনী ঘটতেছে দুইন্যার ভিত্রে। বল্গারেরা পলাইতেছে দিন দুইন্যার্থিকা শ্লার দ্যাস্টারে কত্ত আগাইন্যা ভাবসিলাম। বাল্টা মারা খাইতেছি সকাল্বিকাল দুই বেলাই। যাউজ্ঞা এলা। বাহাদুরে ধর্চে তিন্ডি সন্ত্রাসেরে। বাইন***রা ভাবসিলো পাল্টায় দিবো সবকিছু। এইবারা মারাখা হুমুন্দির্পো। এত্তব্র সাবাস, বাহাদুর সাবের এগেন্সে লিখোস? তোগোর লাইজ্ঞা উইসাইডে রৈছে জাহান্নামের আগুন, এইসাইডে রৈছে ডিবির্ঠাপ। মারাখা গিয়া। আইজকা মানব্বন্দন চো**ছে কয়জন। অরে আবালের্দল, তোগোর বন্দনে গিয়া চাইছিল্ম কয়ডি বালদাঙ্কৈরামু। বালছাল।

অনৈসলামিক স্ট্যাটাস - ১
ব্লগ বন্ধ এবং ব্লগার গ্রেফতারের প্রতি উত্তর
যে সব মাদ্রাসায় সহি ইসলাম চর্চা হয় না, মওদুদী ইসলাম চর্চা হয়, বিতর্কিত শরীয়া আইন ও ফতোয়া সম্পর্কে উৎসাহিত করা হয়, সেসব মাদ্রাসা বন্ধ করা উচিত। সেসব অনৈসলামিক শিক্ষক মাওলানাদের মোনাফেক বা মুরতাদ ঘোষণা করা উচিত। বাংলাদেশের প্রতিটি মাদ্রাসায়-মসজিদে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সঠিক শিক্ষা দেয়া হয় কী না, তা দেখার জন্য শাহরিয়ার কবীর, মুনতাসীর মামুন, এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ব্লগারদের নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি কমিটি করা হোক। কেননা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের করুণ ইতিহাস বলে, '৭১-এ প্রায় সব ইসলামী দলই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সমর্থনে ছিলো। এমনকি তারা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর গণহত্যা এবং নারী ধর্ষণ প্রকারান্তরে যায়েজ মনে করেছিলো। তাছাড়া সম্প্রতি শহীদ মিনার ভাঙ্গা এবং জাতীয় পতাকা পোড়ানোর মত ঘটনাও ঘটেছে।
চিকিৎসকের অধিক
আমার চিকিৎসক গুলজার আহমেদ পেশাগত শল্যচিকিৎসক হলেও তিনি রোগী দেখেন পেশাগতির চেয়ে অনেক নিবিড়ভাবে। একবার তাকিয়ে আর দুবার প্রশ্ন করেই দুষ্পাঠ্য অক্ষরে খসখস করে ব্যবস্থাপত্র লিখতে শুরু করেন না। রোগীকে যেন তিনি রোগী হিসেবে দেখেন না, ভাবেন একজন ‘মানুষ’ বিপদে পড়ে তাঁর কাছে এসেছে সাহায্যের জন্যে। তাই নিছক টাকার চিন্তা মাথায় থাকে না। তিনি পরম মমতা নিয়েই মানুষকে সাহায্য করেন। সেজন্যেই আমি তাঁকে বলেছি: ইউ আর অ্যা ডক্টর অ্যান্ড মোর দ্যান অ্যা ডক্টর।
গান
পিচ্ছিল আঁধারে বয়ে চলা সময়
ভাবছো বসে এভাবে হবে বুঝি
ধ্বংসের জয়
আজ গাড়ি পোড়ানো, কাল পুলিশ খুন
ভাবছো বসে এভাবেই হবে বুঝি
ক্ষমতায় আরোহণ
আমি আম জনতা বলছি তোমায়
শুনে নাও
পারেনি কেউ করতে বাঙ্গালীকে
এমন করে ভাও
বায়ান্ন বলো, বলো ঊনসত্তর, কিংবা সেই উত্তাল একাত্তর
আমরাই ছিনিয়ে এনেছি বারবার
আঁধার সরিয়ে ঝকঝকে রোদ্দূর
কেমন করে ভাবো তোমরা
ট্রেনে আগুন, বাসে আগুন দেখ
ভয় পাবে বাঙ্গালীর প্রাণ ভোমরা
ভাবছো বসে দেখিয়ে জুজু ধর্মের
ঢেকে দেবে ইতিহাস যত অপকর্মের
জেনে রেখো জেনে রেখো সে হবার নয়
হবে হবে হবেই শুনো- জয় বাংলার জয়
বলি আবার একসাথে জয় বাংলার জয়
জয় বাংলার জয়
জয় বাংলার জয়
আমি বাকরুদ্ধ
রাসেল ভাইকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি, ঢাকায় থাকাকালীন কয়েকবার তার সাথে আড্ডার সুযোগ হয়েছিল। রাসেল ভাই সহ বাকি যে দু'জন ব্লগারকে বিনা কারণে ধরা হল, তারপর থেকে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে আছি। প্রতিবাদে ফেটে পড়ার মত অগণিত কারণ থাকলেও কিছুই লিখতে ইচ্ছে করছেনা। শুধু একটা কথাই মনে হচ্ছে সহযোদ্ধাদের এমন অপমান একজন ব্লগার হিসেবে দেখতে হবে,এইজন্যই কি সাড়ে পাঁচ বছর ধরে ব্লগিং করছি ?
আর কিছু লিখতে পারলামনা, মনটা চরমভাবে বিক্ষিপ্ত।
আমাকে সৃষ্টি করা না হলে কিছুই সৃষ্টি করা হতো না
লেখাটি নিজেকে দিয়ে একটু চিন্তা সহকারে বিচার করবেন
.................................................
যখন আমি পৃথিবীতে ছিলামনা তখন পৃথিবীও আমার কাছে ছিলনা
যখন আমি পৃথিবীতে থাকবোনা তখন পৃথিবীও আমার কাছে থাকবেনা
এখন আমি আছি পৃথিবীও আমার কাছে আছে।
অতএব, আমি আছি পৃথিবী আছে
আমি নাই পৃথিবী নাই
তাহলে আমার জন্যই পৃথিবী সৃষ্টি করা হয়েছে
আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলেই পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে
আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলেই আকাশ বাতাশ সৃষ্টি করা হয়েছে
আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলেই গ্রহ তারা চাঁদ সূর্য সৃষ্টি করা হয়েছে
আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলেই নদীনালা সাগর ঝরনা পাহাড় পর্বত সৃষ্টি করা হয়েছে
আমিও বলতে পারি আমাকে সৃষ্টি করা না হলে কিছুই সৃষ্টি করা হতো না !!!!!!
মশিউর রহমান (বাংলার বাউল)
২ রা এপ্রিলঃ জিঞ্জিরা জেনোসাইড
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নরঘাতক পাকসেনাদের দ্বারা বিভিন্ন পরিকল্পিত গনহত্যা পরিচালিত হয়েছে। একাত্তরের এইসব গণহত্যাগুলো বিংশ্ব শতাব্দির কুখ্যাত ইহুদীদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, ভিয়েতনামে মার্কিনের দ্বারা গণহত্যা কিংবা রুয়ান্ডায় সংঘটিত গণহত্যার সমান। জানোয়ার পাকসেনারা যে কত হিংস্র হয়ে বাংলার স্বাধীনতাকামী নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে তা একজন পাকসেনার স্বীকার উক্তি থেকে পাওয়া যায়।
“...we were told to kill hindus and kafirs (non-believers in God). One day in June, we cordoned a village and were ordered to kill the kafirs in that area. We found all the women reciting from the Holy Quran and the men holding special congregational prayers seeking God’s mercy. But they were unlucky. Our commanding officer ordered us not to waste any time”.( comfession of a Pakistani Soilder)।
এতো সবই তোমার সকাল বেলার খিদে, সন্ধ্যে বেলায় যাবে হারিয়ে...
পোষ্ট লেখার কোনো ইচ্ছে নাই। প্রচন্ড গরমে কারেন্ট থাকে না তার ভেতরে বাসায় সিলিংর উপরে টিন দেয়া বলা যায় গরমে অতিষ্ট অবস্থা। লেখা সেইভ করে লেখা হয় না আর ইউপিএস নাই তাই পোস্ট লেখাটাকেও অযথা সময় নষ্ট মনে হয়। আর কি লাভ এইসব বোকা বোকা দিনলিপির পোষ্ট লিখে? যখন রাসেল ভাইরা জেলে ডাকাতের মামলা আসামীর মতো পুলিশের সাথে ফটোসেশন করা হয় তখন এইসব ব্লগ টগের কি মুল্য থাকতে পারে? তাও লিখছি কারন কিছুই তো করার নেই। কে ধর্ম বিশ্বাসী আর কে অবিশ্বাসী তা নিরুপন করে দিলো কিছু সারমেয় প্রানী আর তার ভিত্তিতে ডিবি ধরে আনলো তিন ব্লগারকে। কি এক দুর্বিষহ এক দেশে আছি? আমরা আজকে থেকে ব্লগার না সেই পাচ ছয় বছর ধরে ব্লগে দিন পার করতেছি। কিছু ধর্ম বিদ্বেষী পোষ্ট হয়তো দেখতাম তাতে খারাপ লাগতো। ফেসবুকে শত শত স্ট্যাটাস আছে তা নিয়ে কিন্তু সেই ব্লগারদের শত্রু ভাবি নাই কখনও। ভাবছি তার মতামত সে জানাচ্ছে। সে আমার ধর্মের সম্মান দিতে পারছে না সেইটা তার ব্যার্থতা। আমি কেনো তাকে শত্রু ভাববো?