ইউজার লগইন
ব্লগ
বিষাদলোকের জোছনায় ভেসে যেতে, ভালোবেসে – কিছু কথকতা..
বেশ অনেকদিন ধরেই মনে হচ্ছিল আজকাল লুপে ফেলার মত নতুন গান বলতে গেলে আসছেই না। মাঝে মাঝে কালে কদাচিৎ কিছু হয়তো মিলে। কিন্তু তার জন্যও আজকাল হাত বাড়াতে হয় ওপার বাংলায়। কিছু কিছু সময়ে একসাথে যখন অনেকগুলি এলবাম রিলিজ পায় তখন দেখা যায় কয়েকটা গান পাওয়া যায় যা হয়তো কয়েকবার শোনা যায়। কিন্তু টানা শুনে নেয়া যাবে, আবার শোনা যাবে এমন কোন গানের এ্যালবামের কথা ভাবলে কিছুই মাথায় আসে না আমার।
খারাপই লাগে ভাবতে। সেই কবে পেয়েছিলাম কৃষ্ণকলি'র 'সূর্যে বাঁধি বাসা', অর্ণবের 'হোক কলরব' অথবা হাবিবের 'শোনো'। প্রায় সবগুলা গানই ছিল শোনার মত, দুয়েকটা ছাড়া কোন গানই স্কিপ করতে হত না। একবার ছেড়ে দিলেই হত, দিব্যি হারিয়ে যাওয়া যেত। তেমন এ্যালবাম আর পাওয়াই যায় না, এই আফসোস আমার মাঝে মাঝেই ঘুরে ঘুরে ফিরে আসে।
বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৩
সকলেই জানি যে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাম দলগুলোর ভূমিকা ছিল খুবই জটিল ও বিভ্রান্তিকর। মস্কোপন্থীরা এই বিভ্রান্তি থেকে দূরে ছিল। তারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। কিন্তু চীনপন্থীরা এই বিভ্রান্তি থেকে বের হতে পারেনি। পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (মা-লে) যুদ্ধ শুরু হলে দুই ভাগ হয়ে যায়। এর মধ্যে এক ভাগ মুক্তিযুদ্ধকে বলেছিল, ‘দুই কুকুরের লড়াই’। মূলত মতিন-আলাউদ্দিন ও আব্দুল হক-তোহায়ার নেতৃত্বের দলগুলো মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা করে। এর মধ্যে হক-তোহায়া পাকিস্তান বাহিনীর সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াইও করেছিল। এমনকি তারা পাক সেনাদের কাছে অস্ত্র পেয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। আবার সুখেন্দু দস্তিদার লাল ফৌজ বাহিনী গঠন করে পাক সেনা ও মুক্তিবাহিনী উভয়ের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করে। একই ধরণের কাজ করেছিল মতিন-আলাউদ্দিন গ্রুপ। যদিও একাত্তরের ঘাতক-দালাল বলার সময় এইসব চীনাপন্থীদের কথা আমরা কখনোই মনে করিনা।
বাড়ী এলাম!
বাড়ীতে আসছি দুই আড়াই দিন হয়ে গেলো। আসার সময় প্ল্যান ছিলো বাড়ী থেকে প্রতিদিন পোষ্ট লিখবো। প্রতিদিনের দিন যাপন সাথে টিভি দেখা ও ঘুরে বেড়ানো নিয়ে ভালোই লেখা যাবে পোষ্ট। কিন্তু মানুষ ভাবে এক হয় আরেক। শুক্রবার দুপুরে বাড়ীতে আসার পর থেকে আমার মোবাইল দিয়ে লিখতেই ইচ্ছা করছে না। আর কীপ্যাড দিয়ে লিখলে এখন কেনো জানি না হাত ব্যাথা করে। এন্ড্রয়েড দিয়ে যে লিখবো সেরকম চার্জই থাকে না। আর কি নিয়ে লিখবো তা নিয়েও চিন্তা। কারন টিভি আজ বিকালেই একটু দেখার কপাল হলো। তার আগের দুইদিন তো ডিসের লাইনেই কারেন্ট ছিলো না। আমি বাড়ীতে আসলে সবসময় এমন হয়। হয় কারেন্ট থাকে না, নয়তো কারেন্ট থাকলে ডিস থাকে না। যে কারেন্ট আসে তা দিয়ে শুধু মোবাইলেই চার্জ দেয়া যায়। আর কিছুই করার উপায় নাই। আমাদের গ্রামে যাদের আত্মীয় ইতালি পার্টি তাদের সবারই দুইটা তিনটা করে ফ্রিজ। যেনো একটা নষ্ট হলে আরেকটা বেকাপ দেয়। আমাদের মরা ধরা ফ্রিজ যা বাইশ বছর ধরে পড়ে আছে। প্রতিবার বাড়ীতে আসলেই আম্মুর দুশ্চিন্তার কথা শুনি। আমি অবাক হই ফ্রীজটার জানের এতো জোর দেখে। কারন এতো ইলেক্ট্রিসিটি বিপর্যয়ে টিকে আছে কিভাবে?
হোম, সুইট হোম!
বাড়ি এসেছি তিন দিন হয়ে গেছে, অথচ একদিন থাকার কথা ছিল। বাড়ির মায়া ছাড়াতে পারি না, তাই এখনো নগরজীবনে ফেরা হয়ে উঠেনি। গ্রামের মধুর আলস্য চুটিয়ে উপভোগ করছি। এই তিনদিন আড্ডা, ঘোরা আর খেলা নিয়েই আছি। শুক্রবার রাতে এসেই চরম একটা ঘুম দিলাম। আহা! এই ঘুমের জন্যই তো বারবার বাড়ি আসা। এত আরাম বাড়ি ছাড়া আর কই পাব। আমার মনে হয় জীবনে যারা গ্রামে যায়নি তাদের চেয়ে দুর্ভাগা আর কেউ নেই। অনেক ছেলে-মেয়েই আছে যারা বাংলাদেশে থাকে অথচ জীবনে কখনো গ্রামে যায়নি-কথাটা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটি কিন্তু মোটেও অবিশ্বাস্য না। আমি নিজে এমন বেশ কিছু ছেলে-মেয়ে দেখেছি যারা জানেনা ধানগাছ দেখতে কেমন, তাদের ধারণা ধানগাছের কাঠ দিয়ে তক্তা বানানো হয়।এদেরকে দেখলে হাসি পায়, গ্রাম সম্পর্কে এদের চিন্তা-ভাবনা শুনে আতংকিত হই ভবিষ্যত প্রজন্ম গ্রাম চিনবে তো? এদের নিয়ে দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের চিন্তা করা উচিত, তাদের উচিত দেশের গ্রামীণ সংস্কৃতিকে আরো বেশি করে মানুষের সামনে তুলে ধরা।
বন্ধু- আড্ডা - গান, এরই মাঝে প্রাণ!
শেষমেশ ফিরেই এলাম আবার।
এক কুঁড়ি দুই পাতার দেশ, সিলেট থেকে।
আবারও শুরু আমার চিরাচরিত অলস হাবিজাবি দুষ্টামি দিন।
একবার ভেবেছিলাম এই লেখাটার নাম দিবো, 'সিলেট থেকে ফিরে - ট্রাভেলগ!'। পরে মনে হল, তাহলে কথাটা মিথ্যা বলা হতে পারে! এগারো দিন থেকে এলাম বটে সিলেট, কিন্তু ঘুরতে যাইনি কোন খানেই। কেবল, আদর্শও ছুটির মেজাজে বেড়িয়ে এলাম এই কয়টা দিন।
আচ্ছা, শুরু থেকেই বলি।
পরীক্ষা তো সেই কবেই শেষ, তারও আগে থেকে সিলেট যাবো যাবো করছিলাম। হবে হবে করেও হচ্ছিল না। ১০ তারিখ হঠাৎ করেই মনে হল, যাই গা!
বায়াকে বললাম, ও অফিস থেকে কমলাপুর স্টেশন গিয়ে পেয়ে গেল পরের দিনের টিকেট! এমনিতে যেখানে ৩/৪ দিন আগেও টিকেট কাটতে গিয়ে ফেরত আসতে হয়।
আমাকে আর পায় কে!
টুকটাক কেনাকাটা সেরে সন্ধ্যার পরপরই ব্যাগ গুছিয়ে রেডি।
অনন্ত-বর্ষা কাহিনী ('গানা' নয়, মোহাম্মদপুর থেকে)!
সিনেমা বানিয়ে যতটা না, তার চেয়ে অনেক বেশি আলোচিত হয়েছেন জলিল অনন্ত 'পম গানা' টাইপ সংলাপ দিয়ে!
তার ছবির নায়িকা বর্ষার সাথে তুমুল প্রেম শেষে বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে, সানাই বাজিয়ে, ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ বিমান উড়িয়ে বিয়ে করেছিলেন।
এখন দেখছি, সিনেমার মতোই কাহিনী ঘটছে- জলিল বর্ষাকে মারধর করেছেন, আর বর্ষা দুঃখ সইতে না পেরে মোহাম্মদপুর থানায় গিয়ে জিডি করলেন!
কোথায় হারালো এতো ভালোবাসা?
কিছুদিন আগেও আমার বাসা মোহাম্মদপুর ছিলো। বর্ষার বাসাও মোহাম্মদপুর। সেই সূত্রে তিনি আমার প্রতিবেশিনী!
মাস কয়েক আগের কোনো এক বৃহস্পতিবার প্রথম আলোর বিনোদন পাতায় 'আনন্দ'তে বর্ষাকে নিয়ে একটি ফিচার ছাপা হয়েছিলো। রিপোর্টারের সাথে কথা বলার মাঝখানেই উঠে গেলেন বর্ষা, 'অনন্ত ফোন করেছে, একসাথে লাঞ্চ করবো।'
প্রথম আলোর মতো প্রথম শ্রেণির পত্রিকাকেও তিনি তোয়াক্কা করেন না! ভদ্রতাবশত সাংবাদিককে লাঞ্চ করে যাওয়ার কথা বলবেন কী, নিজেই মাঝপথে চলে যাচ্ছেন!
পরদিন শুক্রবার। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আলোকচিত্রী সাইদা, লেখক খানমের সাক্ষাৎকার নিতে বনানী যাবো আমি এবং আমার সহকর্মী মিজান মিজানুর রহমান।
আগামীকাল ২৪ মার্চ, শাহবাগ চত্বরে মশাল মিছিল: চলুন আবার শ্লোগান ধরি একসাথে...
গণজাগরণ মঞ্চ নিয়া হাজারো প্রশ্ন-হাজারো সন্দেহ-হাজারো অভিযোগ আমাদের প্রাণে...কিন্তু এই মঞ্চ তৈরী হয়েছে সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়-প্রেরণায় সেই কথা মনে হয় আমরা ভুলতে বসেছি। আমাদের শ্লোগানে আর প্রতিরোধে যেই মঞ্চের সৃষ্টি তাকে জবাবদিহিতা করতে হবে আমাদের কাছেই। যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে একেবারেই নিঃস্বার্থ হয়েই আমরা যুক্ত হয়েছিলাম, কোনো রাজনৈতিক দল-কোনো এজেন্সী-কোনো ভিনদেশি চক্রান্ত আমাদের মোটিভেইট করেনি। আমরা শাহবাগ চত্বরে দাঁড়িয়েছি আমাদের ঐক্যবদ্ধতা মূর্ত হয়েছিলো গণজাগরণের চেতনায়।
আমাদের - একান্ত আমাদেরই প্রেরণায় যেই গণজাগরণ মঞ্চ তার অনেক সিদ্ধান্ত আজকে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। সেইসব প্রশ্নের জবাব চেয়ে আমরা আবার একতাবদ্ধ হবো...আমাদের ঐক্যের শক্তি দিয়ে গণজাগরণ মঞ্চকে বাধ্য করতে হবে জনতার কাছে জবাবদিহি থাকতে।
বাংলার মুখ
বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটা জন্মের সময় থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দুরা নির্যাতন, হত্যা, লুন্ঠন, জ্বালাও পোড়াও, ধর্ষণের শিকার হয়ে এসেছে। ১৯৭১এ এই দেশে হিন্দুর সংখ্যা ছিল ৩৭%, স্বাধীনতার ৪১ বছর পর তা এসে দ্বাড়িয়েছে ৯% এ। দেশ স্বাধীন হল সেক্যুলার দেশ কল্পনায়। সেটা কল্পনাই রয়ে গেল। যাঁরা স্বপ্ন দেখেছিলেন তাঁদের সরিয়ে দেয়া হল ষড়যন্ত্র করে। ৭১এর বিরুদ্ধ বিল্পবের লোকেরা ক্ষমতায় পৌছে গেল। তাদের স্বপ্নে মুসলিম রাষ্ট্রের পতাকা। কিন্তু তারা দেখেনা তাদের মুসলিম রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থা। হিন্দু তথা সংখ্যালঘুদের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য এরা দায়ী।

জার্নি টু সুইট হোম
জার্নি টু সুইট হোম ul>জার্নি টু মাই সুইট হোম
(১-০৩-২০১৩)
বাড়িতে চলে এসেছি আজকে। ঢাকায় ঠিকমত ঘুম হচ্ছিল না, তাই বাড়িতে রওনা দিলাম। ঠিকমত একদিন ঘুমিয়েই কাল আবার ঢাকা চলে যাব। আমার অদ্ভূত একটা অভ্যাস আছে, ঢাকায় প্রতিদিন ১২ ঘন্টা ঘুমালেও ঘুম ঠিকঠাকমত হয় না, সারাদিন যায় আলস্যের মধ্য দিয়ে, পুরো শরীরে ব্যাথা করে। কিন্তু বাড়িতে ৪-৫ ঘন্টা ঘুম দিলেই শরীর ঝরঝরে হয়ে যায়। তাই প্রায়ই ঘুমানোর জন্য বাড়ি চলে যাই, ঝাকানাকা একটা ঘুম দিয়ে পরদিন চলে আসি। কয়েকদিন থেকে মনে হচ্ছিল ঘুমটা ঠিকমত হচ্ছেনা, তাই চিন্তা করলাম বাড়ি থেকে ঘুরে আসি। যে কথা, সে কাজ। ক্লাশ শেষ করেই ছুটলাম বাড়িতে।
সুইট বিষুদবার...
বৃহস্পতিবার এরশাদ পরবর্তী শহুরে মধ্যবিত্তদের জন্য খুব আনন্দে দিন। ডিজুস রেডিও ফুর্তি তার নাম দিছে ফুর্তি দিবস । তবে আমি বুঝি না এতো ফুর্তি কই থেকে আসে? আর শুক্রবার যাদের দিকেই তাকাই দেখি সেই ছুটির সময় কই? সবাই ব্যাস্ত। এই একদিনেই ফ্যামিলী নিয়ে বের হইছে, বন্ধুদের সাথে দেখা করতে যাইতেছে, দাওয়াত খাচ্ছে, কত কাজ। এগুলারে কি ফুর্তি বলা যায়। ফুর্তি বলা যায় তাকেই যে ফুর্তিতে থাকে। নিজের মতো খাওয়া আনন্দ ঘুরাঘুরি করে বেড়ায়, কোনও টেনশন বা ভাবনা নাই। সেরকম আনন্দ কোথায় পাওয়া যায়!
আখাম্বা আচাভূয়া ইম্বিশ
অনেকদিন পর রাহাত খানের "দিলুর গল্প" পড়তে গিয়ে আবার পেলাম এই বিশেষণটিকে। "আখাম্বা আচাভূয়া ইম্বিশ" মানে এক শব্দে "অদ্ভুদ" ধরে নেয়া যায়। নিজেকে আয়নায় দেখলে আমারও প্রায়ই এটা মনে হয়। এর অনেক গুলো কারণের মধ্যে একটি হলো কপালের কাটা দাগটি। দুই পাখার বদলে চার পাখার প্লেনের আদলে কপালে এঁটে বসা এই চিহ্নটি মোটমুটি জন্ম থেকে লালন করছি। শুনেছিলাম, বয়স বাড়ার সাথে সাথে এসব দাগ নাকি মিটে যায়। কিন্তু না। আমার বেলায় তা ঘটবে কেন!! দিব্যি হাত পা ছড়িয়ে বরং ফরিং প্লেন খানা এখন কার্গো রূপ ধারণ করেছে। তাই সই। হাজারো একই নাম (ফারজানা)-এর ভিড়ে কাটার জন্য নিজের "বিশেষ" নাম পেতে বেগ হয় নি।
কাটা নিয়ে বললাম, আর তার ইতিহাস বলবো না, তা তো হতে পারে না।তখন আমার বয়স সাত। মানে সাতমাস! ভাই এবং বোনের সাথে বয়সের যথেষ্ট পার্থক্য থাকায় আমাকে মেনে নিতে তাদের কষ্ট হয় নি বটে। কিন্তু তারা আমাকে "মানুষ" হিসেবেও মেনে নেয়নি। এই ধরা যাক খেলার পুতুল বা জীবন্ত রোবটটাইপের কিছু ভেবেছিল বলে আমার শক্ত ধারনা। তাই যখনই সময় পেতো তখনই আমাকে নিয়ে খেলা শুরু করতো। যারমাঝে অন্যতম হলো, "ক্যাচ ক্যাচ" খেলা!!
আন্ধার
![]()
আস্তে আস্তে ফিকে হয়ে যায় জীবনের সকল আনন্দ উচ্ছাস,
পলিত হয়ে যায় শালিকের ঠোঁটে যৌবনা সবুজ ঘাস ও পাতার হাসি।
আমি শুকনো পাতার মরমরে শুনি নতুন জীবনের গল্প
যে ফুল বা পাতা বোঁটা হতে খসে পরে তা আর শোভা পায়না বোঁটায়।
সোনালী দিন গোধলির হলুদ আবরণে মিলিয়ে যায়
গরুর খুরে ধীরে ধীরে ঘিরে ধরে আন্ধার,
অজ্ঞতা বাদ দিলেই আন্ধার মানেই ধরিত্রী।
আমি আন্ধারের মাঝে দেখতে পাই আদিম শুদ্ধতার রুপ,
আমি খুঁজে পাই নতুন জীবনের আসাদন
একদিন আন্ধারের মাঝেই আরাধনায় রত ছিলাম।
ও হ্যা দিন !
আমি দিনকে হেলায় ফেলায় হারাতে চাইনা
দিনকে গুঁজে দিয়েছি প্রিয়তমার নাক ফুলে,
দিনকে গুঁজে দিয়েছি প্রিয়তমার গ্রীবার সৌন্দর্যে হার করে,
দিনকে গুঁজে দিয়েছি পল্লিবালার কোমরের ভাঁজে
কলশের চোয়ানো ফোটা ফোটা জলে,
দিনকে গুঁজে দিয়েছি প্রজাপ্রতির ডানায় আর ভ্রমরের গুঞ্জনে,
দিনকে গুঁজে দিয়েছি চিকমিক ঢেউ মেঘনার বুকে.......
কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে দিনের উচ্ছাসের মাঝে ব্যর্থতার গন্ধও পাই !
রিসিভরস অব স্টোলেন প্রোপার্টিঝ: তোমারও ছিল ভয়
তোমারও ছিল ভয়, রাজাকার, পাকসেনা
কিম্বা ভ্রষ্ট চরিত্র মানুষের।
বিড়ালের নতুন ছানার মত সোনালী যৌবন
মুহুর্তেই ফেলতে লুকিয়ে,
যদি ওরা আসে, এই ভয়ে ডেকে নিতে কাছে।
সন্ত্রস্ত তোমার মুখ হঠা্ত আমার দিকে
ফিরে গিয়েছিল ভয়ে,
তোমার দু'হাতে
চুলে
নখে
কচু রং শাড়ীর আচলে
সর্বত্র ভয়ের চিন্হ, ভীত শিহরণ, যদি ওরা আসে।
মানুষের প্রিয়তম বয়সের কাছে এসে
তোমার বয়স যেন থেমে গিয়েছিল ভয়ে,
তখন আমিই শুধু তোমার সাহস হয়ে
তোমার চতুর্দিকে কিছুদিন...
আহা স্বাধীনতা, যুদ্ব, ভ্রষ্ট মৃত্যুভয়
কী সুন্দর থোকা থোকা প্রিয় অভিগ্যান।
যতদিন যুদ্ব ছিল ততদিন তুমি ছিলে
আমার প্রেমিকা।
আজ তুমি মুক্ত, রুদ্র, অসীম সাহসী।
হাজার হাজার মাইল
অনায়াসে চলে যেতে পারো, ভয় নেই
শুধু ভয়
যুদ্ব নয়
ওরা নয়
আমি যদি আসি।
''ভয়''
ইসাবেলার ঘর সংসার
১.ইসাবেলা, আমার বসন্ত মানে না
বিপ্লব, হরতাল, আন্দোলন
এ বসন্ত চাইছে তোমার সাথে
নিরবিচ্ছিন্ন সঙ্গম।
২. আহা! তোমার মোমসম শরীর!
মানুষের নয় যেন পরীর, পরীর।
৩. লড়তে লড়তে বড্ড ক্লান্ত আছি, ইসাবেলা
প্রাচীন তালপাখা দিয়ে মায়ার বাতাস
চাইছি এ-বেলা।
৪. দীপিতাসোনা তুমি এখন আমার সব
তুমি সুস্থ থাকলে প্রতিটা দিন মুখরিত
অঘোষিত পরব, পরব।
৫. আপনি ছিলেন বটগাছের নামান্তর
বিদেশ গেলে ভালো মানুষগুলো আর ফেরে না
কি চিকিৎসা হয় জানি না
খবর আসে ঘটেছে দেহান্তর।
(জাতি আজ সত্যিকারার্থে অভিভাবকহীন হলো প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে)
বাংলাদেশের শিক্ষা সমসাময়িক ভাবনাঃ একটি জরুরী ভাবনার বই!
ছোটবেলা থেকেই শুনে আসা শিক্ষা নাকি জাতির মেরুদন্ড। তখনো আমি মেরুদন্ড মানে কি জিনিস তা জানতাম না। ভাইয়া প্রথমে চিনিয়ে ছিলো মেরুদন্ড মানে পিঠে যে হাড়ের উপর দিয়ে সোজা রাখে। আমার কাছে তখনও শিক্ষা কেনোইবা এতো গুরুত্বপুর্ন?