ইউজার লগইন
ব্লগ
"ভয় পেয়ো না, আমি আর পিছু ফিরে আসব না"
যদি কখনও শোনো এই আমি আর নেই এই সুনীল ধরায়,
জানি কাঁদবে হয়ে অসহায়,
কিন্তু ভয় পেয়ো না আমি আর পিছু ফিরে আসব না ।
কাক ভোরে অথবা কোনো এক সকালে,
যদি মনে পরে যায় অতীতের কোনো কথা,
এক ফোঁটা হলেও ঝরিও তোমার দুটি চোখের পানি,
না না ভয় পেয়ো না আমি আর পিছু ফিরে আসব না ।
যদি কখনও হাঁটতে হাঁটতে একলা মনে হয় নিজেকে,
চোখ বন্ধ করে ডেকো একটিবার এই আমাকে,
ছাঁয়ার মতো থাকব তোমার প্রতিটি পদক্ষেপে,
ভয় পেয়ো না চিরো কালের মতো তোমার কাছে পিছু ফিরে আমি আসব না।
যদি কখনো মেঘলা আকাশে দেখতে পাও ঐ চাঁদটাকে,
বইছে মাতাল হাওয়া এমন কোনো রাতে,
চাঁদের মাঝে যদি দেখো আমার সেই চেহারা,
একটু মনে করো বলেছিলাম তোমায় এমন কোনো একটি রাতের কথা,
যে রাতে আমার স্মরণে পরবে চোখের পানি হাজার জনের মাঝে থেকেও একলা হবে তুমি যাকে বলে ভীরের মাঝেও একা,
একটু কেঁদো মন খুলে,
না না ভয় পেয়ো না আসব নাকো আমি ।
জানি থাকবে না মনে এই আমাকে,
তোমার প্রথম ভালোবাসা নই আমি।
জানি অনেক ভুল করেছি ক্ষমা করো তুমি।
সত্যি বলছি আর কোনোদিনও ফিরব নাকো আমি।
"পারলে আমায় মনে রেখো আর ভালো থেকো তুমি ।"
শোক প্রকাশ নয়, চাই কঠোর আন্দোলন!
সাভারের রানা টাওয়ারে সংঘটিত ঘটনায় এখন পর্যন্ত দেড় শতাধিক মৃত্যুর ও সাত শতাধিক আহত হওয়া অসংখ্য শ্রমিক কর্মচারী নিখোঁজ থাকার ঘটনায় আজ সারা জাতি গভীরভাবে শোকাহত।
এ জাতি আর কতদিন এভাবে শোক পালন করবে? এ জাতি আর কতকাল নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করবে? এ জাতি আর কত আহত ব্যক্তির দ্রুত আরোগ্য কামনা করবে?
স্পেকটা থেকে এই রানা টাওয়ায় প্রতিটি ঘটনার পর জাতি শোক প্রকাশ করে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত আর আহতদের দ্রুত আরোগ্য লাভের কামনা করতে করতে আমরা আজ ক্লান্ত।
তাই আর শোক প্রকাশ নয়, নয় কোন নিহত ব্যক্তির আত্মার মাগফেরাতের জন্য দোয়া প্রার্থনা বা আহত ব্যক্তির দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য কামনা!
এখন সময় এসেছে প্রতিরোধ করার, এখন সময় এসেছে রুখে দাঁড়াবার। মুখ বুঝে সহ্য না করে এই খুনি আর খুনির দোসরদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আর রুখে দাঁড়িয়ে নিজেদের অধিকার বুঝে নেওয়ার এখনই সময়!
বন্ধ হবে কি অসহায় মানুষের মৃত্যুর এ মিছিল।
বন্ধ হবে কি অসহায় মানুষের মৃত্যুর এ মিছিল।
হায় প্রভু তুমি আমাদের কত অসহায় করে সৃষ্টি করেছ। কত মায়ের আহাজারি, বাবাগো একটু বাচাও, কিশোরী বোন সাড়া পৃথিবীর ভাইদের ডেকে ডেকে বলছে আমাকে বাচাও ভাইয়া, আমি বাঁচতে চাই। পাঁচ ছয় ইঞ্চি দূরে বোনটিকে সাড়া পৃথিবীর ভাইয়েরা আপ্রাণ চেষ্টা করছে বাঁচাতে। আজ যে সে অবহেলিত বলতে গেলে ঘৃনিত ১৫০০ টাকা মাসিক বেতনের গার্মেন্টস শ্রমিক নন। আজ সে মানুষ, সাড়া পৃথিবীর সকল ভাইদের বোন। একজন ভাই হাত নেড়ে নেড়ে বলছে ভাই আর কত সময় লাগবে আমাকে বের করতে। ভাইদের মুখে জবাব নেই। কি জবাব দিবে তারা নিজেরাই যে জানেনা কখন পারবে তাকে তার পরিচিত আলো ঝলমলে নির্মল বাতাসে ফিরিয় আনতে নাকি আর ফিরে আসা হবে না তার পরিচিত ভালবাসার পৃথিবীতে অথবা তার প্রানপ্রিয় আপনজনের কাছে।
আমার শেষ স্মৃতিটা মার কাছে পৌঁছে দিও

আহা বোন!
সূঁচ-সুতো দিয়ে কেবল নিজেদের মৃত্যু বুনে যাচ্ছো...
- ভাষ্কর
বুধবার বিকাল চারটায় অনেক চেষ্টা করেও যখন দিপঙ্কর বের হতে পারেনি তখন এক উদ্ধারকর্মীর হাতে তুলে দিয়েছে নিজের ব্যবহার করা মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ।
দিপঙ্করের চাচা সুদাংশু ঘোষ বলেন, “আমি কাল ১০টায় মোবাইলে এই খবর শোনার পর কুষ্টিয়া থেকে এসেছি কেবলমাত্র লাশের আশায়। তবে এসে শুনি ও তখনও বেঁচেছিলো। উদ্ধারকর্মীদের নাকি বলছিলো যে, আমার হাতটা কেটে হলেও আমাকে বের করো। আমি মরতে চাই না।”
অলিখিত আমার তুমি
তুমি আমার জীবনের অলিখিত অধ্যায় কিন্তু তোমাকে নিয়ে আমি বেশি লিখি। অলিখিত অধ্যায় বলেই যন্ত্রণার কারণ হয়ে ওঠে মাঝে মাঝে। অবশ্য এটাও ঠিক যে জ্বালা-যন্ত্রণা-দুঃখের মাঝেও একটা সুক্ষ আনন্দ বোধ থাকে। আর তাছাড়া দুঃখ কে যেচে আপন করে নেয়া মানুষের স্বভাবচারিতার বড় দিক।
মনের কোনে অতি গোপনে অভিমানী একটা মন লুকিয়ে থাকে। সেই মনটা খেয়াল চায়, সঙ্গী চায়, গুরুত্ব পেতে চায়।সেই মনটা চায় তাকে একান্ত করে কেউ ভালবাসুক।
সেই মনটা চায় তার কাছের মানুষগুলো সবার আগে তার দিকটা দেখুক,তারপর অন্যকিছু।
বিবেক কিন্তু বাঁধ সাধে কারন একটু স্বার্থপরতা তো হয়েই যায় আর যখনই মনের কথা বাদ দিয়ে বিবেকের সাথে মত মিলাই তখন ই হয় সবচাইতে বড় স্বার্থপরতা।তবে সেটা নিজের সাথে।কিন্তু এ স্বার্থ-পরতায় নিজের ছাড়া আর কারো কোন ক্ষতিই হয় না।
আমি সবার কথা ভাবি কিন্তু কারো একটু সময় হয় না আমার কথা গুলা শুনার, আমি সবার সব কথা শুনি কিন্তু কারো একটু সময় হয় না আমার হাসির মাঝে লুকানো কান্নাগুলকে বুঝার। বড্ড একা লাগে এই বিশাল ধরণীর বুকে।
আমি ভাবি সব মানুষ্ই কিন্তূ একা।
পায়ের ধুলো নেই-১২
ওটা কি বল? নাতো ওটা দেখি শক্ত। বা রে, গায়ে আবার প্যাঁচানো আছে ট্যাপ। লাল রঙের। এই ট্যাপ দিয়েই টেনিস বলকে ট্যাপ-টেনিস বানানো যাবে। দারুণ আনন্দ হয় ছেলেটির। সে আনন্দ বিজয়ের। টেনিস বল একটা থাকলেও তাকে ট্যাপ -টেনিস বানানোর শখ পূরণ করা যাচ্ছিল না কোনভাবেই। হাসিতে উজ্জল হয় দিন।
অবশ্য দিনটা একটু অন্যরকম। গাড়ির প্যা পো খুব একটা নেই। মাঠেও জমছে না খেলা। অনেক মানুষ নেই বলে মাঠটিকে লাগছে বেশ বড়। এটা ছেলেটির কাছে এক বিস্ময়। মানুষ কম থাকলে মাঠ কেন বড় হয়ে যায়! আবার কেউতো মাঠের কোন অংশ বাড়ি নিয়ে যায় না।তাহলে বেশি মানুষ হলে মাঠ কেন ছোট লাগে! যাহোক, শক্ত কৌটাটা আপাতত বাড়ি নিয়ে যাওয়া যাক।
লাল রঙ দেখে ছোট বোনটা ঘুর ঘুর করে ভাইয়ের পাশে।সে পড়ে টু-তে।তোমার হাতে ওইটা কী ভাই?
কী জানি। এইটা থেকে ট্যাপ এনে টেনিস বলে লাগাবো। ট্যাপ টেনিস হবে।
আমারে খেলতে দিবা।
দিমুনে। বাবা কাজে গেলে আসিস।
বাবা কাজে যায়।মা রান্নায় ব্যস্ত হয়। ঘরের দরজা বন্ধ করে ভাইয়ের কাছে আসে মেয়েটি।সে টু-তে পড়ে। জানালা দিয়ে আসা রোদ ঘরকে যথেষ্ট আলোকিত রাখে।
কই ভাই, ট্যাপ-টেনিস বল বানানো শেষ?
দ্বিধা

আমার কিছু কথা ছিল
তোমাকে বলার, শুধু তোমাকেই,
শুনবে?
আমার মনের মধ্যে এক নদীর বাস,
সে নদীর দুদিকে দু'টি ধারা
দুদিকেই টানে,
কোনদিকে যে যাই! বুঝতে পারিনা।
নিজেকে বড় অচেনা লাগে
এই বদলে যাওয়া নিষ্ঠুর সময়ের ভিড়ে
নিজেকে ঠিক মেলাতে পারিনা,
হয়ত এই সময়ে বড়ই অচল!
অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া ধূসর এ্যালবামে
হাতড়ে বেড়াই ক্ষয়ে যাওয়া অতীত,
ধ্বংশস্তুপের মাঝখানে দাঁড়িয়ে
দুমড়ে ফেলা মানচিত্র হাতে নিয়ে
ক্ষত বিক্ষত আমি মিলাতে চাই
জীবনের ভগ্নাংশের হিসাব নিকাষ,
মেলেনা, অপেক্ষার বৃষ্টিও নামেনা
কেন, বলতে পারো?
কখনো মনে হয় মনটাকে
ভাসিয়ে দেই সময়ের স্রোতে
যাক না ভেসে জোয়ারের টানে, যেদিকে খুশি!
হয়না, দ্বিধায় পড়ে যাই
কেন যে এত দ্বিধা !
তাও বুঝি না।
অনেক কিছুই করা হয়নি-
পারিনি মেঘলা দুপুরে ঝরা পাতার মর্মর
ধ্বনি মাড়িয়ে মেঘ বালিকার পিছু নিতে,
উদাসী পথে হেঁটে হেঁটে রঙধনুর
সাতরঙে নিজেকে রাঙিয়ে নিতে,
কিংবা পিচঢালা পথে হেঁটে যেতে
অচেনা রোদ্দুরে!
সস্তা মানুষদের নিয়ে সস্তা কথা
সাভারে রানা প্লাজা ধ্বসে গেছে। দুপুর একটা পর্যন্ত পাওয়া খবরে মৃতের সংখ্যা ৮২। এতক্ষণে এ সংখ্যা নিশ্চয় একশ ছাড়িয়ে গেছে । আহত ছয় শতাধিক ।মৃতের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশংকা করা হচ্ছে। ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি.........।।
আমরা সবুজ
আজকে বরং আমরা চল টিভির খবর বন্ধ রাখি,
আজকে চল ন্যাট জিওতে দেখব যত গাছ আর পাখি,
রক্ত দেখে হৃদয় টানে, কোমল প্রাণে আঘাত লাগে,
মন ভিজে যায় ভাপ আর জলে,
ব্যথায় ব্যাকুল দুঃখ কাতর রাগে,
কয়টা হল, লাশ গুণে যাই চল,
স্ক্রল করে যাই এপি'র কোমল পাতায়,
বাংলাদেশের নাম ফেটেছে আবার
কয়টা ঢ্যাঁড়া কেবল নামের খাতায়!
মন খারাপের সময় কোথায় অত
চুকবে তো দাম টিপসইয়ে আর চেকে,
আমরা সবুজ অবুজ কচিই থাকি
ঘাসের চাদর গন্ধ ফেলুক ঢেকে!!
আস্তিক বা নাস্তিক
আমার অফিসের এক কলিগ সেদিন আমার চেম্বারে ঢুকে অনেকটা ফিস ফিসিয়ে বলল আপনি তো ব্লগ টগে লেখেন একটু সাবধানে থাকবেন যেমন চারদিকে ধর পাকড় আরম্ভ হইছে বলা তো যায় না। আমি তাকে আদর করে আমার সামনের চেয়ারে বসতে বললাম। কারন এ সময় তাদের কোন অবস্থায় চেতানো যাবে না। তার বিদ্যার দৌড় মাদ্রাসায় কয়েক বছর যাওয়া আসা। তাছাড়া আমি কার্য উদ্ধারের জন্য অনেকটা আলু স্বভাবের। যাকে যা মালিশ করলে কাজটা হবে তাকে তাই মালিশ করি। তবে তা কখনই নীতির বাইরে গিয়ে নয়। আমি তাকে বললাম আমি যদি ব্লগে লেখতে পারতাম তবে নিজেকে ধন্য মনে করতাম। তবে আমি বিভিন্ন বিষয়ে লিখি তা তো আপনারা জানেন, বিশেষ করে আপনি।
আমি যে কবিতা লিখি তা আপনি পড়েছেন, জি হাঁ
আমি যে গল্প লিখি তা আপনি পড়েছেন, জি, হাঁ,
আমি যে কয়েকটা গান লিখেছি পড়েছেন, জী,হাঁ
তাহলে বলুন তো এ লেখা গুলোই যদি আমি কোন ব্লগে লিখতাম তা হলে আপনার দৃষ্টিতে কি আমি নাস্তিক হয়ে যেতাম। না তা কেন?
ধারাবাহিক উপন্যাসঃ হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ (পর্ব-4-12)
ধারাবাহিক উপন্যাসঃ হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ (পর্ব-৪)
--শাশ্বত স্বপন
সিঁদুর কেন আমাকে কবিতা দিল? এডভান্স চিন্তা-ভাবনা করে কোন লাভ নেই। কোন ছেলেকে হয়তো সে ভালবাসে অথবা ভালবাসতে চায় এবং তাকে হয়তো কবিতাটা দেবে। আমাকে দিয়ে হয়তো রিহার্সাল করিয়ে নিচ্ছে। মাথাটা কেন জানি ঘুরছে। বিছানায় কিছুক্ষণ শুয়ে রইলাম। যন্ত্রণাটা কমতেই আবার স্মৃতিতে এলো সেই মেয়েটার ছবি। ভাবতে শুরু করেছি, কেন সে এমন হলো? তার নাম কি? কবে এমন হয়েছে?
রানা প্লাজা ধ্বসে জরুরী ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন
প্রচুর রক্তের প্রয়োজন... ব্যাগ ব্যাগ রক্ত লাগবে... শয়ে শয়ে আহত আমাদের বোন এবং ভাইয়েরা... দয়া করে যে যেখান থেকে পারেন ... সহায়তা করুন।
৮টি অপারেশন থিয়েটারে প্রায় ১৩০ জন চিকিৎসক আহতদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। আহতদের জন্যে বিভিন্ন গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন। যারা রক্ত দিতে আগ্রহি দয়া করে এনাম মেডিকেল হসপিটালে যোগাযোগ করুন। ...স্থান- এনাম মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, সাভার, ঢাকা।
Victims from the Savar incident are being take to Enam Medical College. They need bags and bags of blood.
PLEASE!!!
Those who can donate......here is the address of Enam Medical College:
9/3, Parboti Nagar, Thana Road, Savar Dhaka, Bangladesh.
Phone: 7743778-82
Mobile: 01718846107
============================
Give Blood Save a Life.
Contact:
Taslima Akhter 01711544544
Enam Medical 01681212777
Tuhin 01923337010
তেতো হয়ে গেছে সব হঠাৎ অসময়!
পোষ্ট লিখতে বসলাম আরেকটা। করার মতোন তেমন কিছু নাই আসলে। তাই লেখতে বসা। কারেন্ট থাকলে ফ্যানের বাতাসে এখন আমার আর কিছুই করতে ভালো লাগে না। দুপুরে থেকে সন্ধ্যা অবধি টানা বই পড়তে পড়তে ভালো লাগছে না। এখন আবার বই নিয়ে বসতে ইচ্ছা নাই। আমার পিসির টেবিল ছাড়া আর টেবিল নাই রুমে। শুয়ে শুয়ে বই পড়লে আমার কেনো জানি বইয়ের প্রতি সিরিয়াসনেস কমে যায়। তাও উপায় নাই গোলাম হোসেন। শুয়ে বসেই পড়ছি। শুয়ে বসে পড়ার আরেক সমস্যা হলো বারবার মোবাইলে ফেসবুক দেখা। ফেসবুক ব্যাপারটা অসহ্য। যদি অনেকের মতো ফেসবুক ছাড়া কাটাতে পারতাম তাহলে দারুন হতো। কিন্তু ফেসবুকে এক মোহে থাকি। আর মানুষের আপডেট জানার অদম্য ইচ্ছা পোষ মানে না। ফেসবুক থেকে সুমনাকে ডিলেট মারছে পুলক। কারন সুমনা ওরে চড়কীর মতো ঘুরাচ্ছে। ডিলেট মারার পর পুলকের মনে হলো আর তো আপডেট জানা যাবে না। এখন বলতেছে শান্ত ভাই ডিলেট ফেরানোর কোনো ওয়ে আছে? আমি বললাম একটা ওয়ে আছে। নতুন একটা চকলেট আসছে নাম এটম। তার ট্যাগ লাইন হলো এটম খাও চাপা পিটাও। আপনি এটম চাবাতে চাবাতে বলবেন সুমনা আমার একাউন্টে কি জানি এক সমস্যা হইছে? অনেকেই ডিলেট কিভাবে জানি?
হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা
কালহ্যা রাইত থাইক্যাই আমার একটাই চিন্তা মাতাডার মইধ্যে ঘুরাঘুরি করতাছে, আমরার হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা অইয়া গেছুন অহন আমগোর কি অইব। মাইনে আমাগোর সংসদের কিতা অইব। আমারে মিঠামাইনের মাইনষে পাইলে এমন পিডান ডাই না পিডাইব আড্ডি গোড্ডি খুইজ্যা পাওন মুশকিল অইব। এই ব্যডা তর বাড়ি অইছে গ্যা দিনাজপুর আর তুই বেডা এমন কইরা কইলি মনে অয় হের বাড়ি তোর দেশে। আর হারা দেশের পাবলিকে তো পাইলে হাটের মাইরের মতন আন্ধা গোন্ধা মাইর লাগাইব আর কঈব যে, অত গুলা মাইনষের রক্ত আর কত মা বইনের ইজ্জতের দাম দ্যায়া যে সংসদ আমরা আনছি হেইডারে লইয়া তুমি মশকরা কর। কি অইব মানে?
আমি তো রাজনীতি করি না আর এর জন্য যে মেধার দরকার তাও আমার নাই। তবু সময় পেলেই মাঝে মাঝে সংসদ অধিবেশনের চলতি বিবরণী দেখতাম। ঊনার মত মানুষের গুনের বিষয়ে একটি বর্ণ লেখা বা ঊচ্চারন করা আমার পক্ষে শুধু অসম্ভবেই না রিতিমত অন্যায়। শুধু বলব সংসদ অধিবেশন দেখেই ঊনার প্রতি আমার আশক্তি বা দুর্বলতা বলেন এমন পর্যায়ে পৌছে গিয়েছে যে বিরুধী দলের কেঊ যখন ঊনাকে বাজে কথা বলত তখন অন্তরে খুব ব্যথা পেতাম।