ইউজার লগইন
ব্লগ
শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ৪
ব্লগে লেখালেখির একটা বড় সুবিধা হচ্ছে যে, মানুষজন ব্লগের লেখা এবং লেখকের ব্যাপারে কী ভাবছে- তা সহজেই জানা যায়। এখানে ভুংভাং করে পার পাওয়ার কোনো উপায় নেই। পত্রিকায় একটি কলাম লিখলে সেই পত্রিকার তালিকাভুক্ত কোনো কলামিস্ট যদি ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেয় বা প্রশংসা করেন, তাহলে হয়তো কলাম লেখকের একটি নির্দিষ্ট লেখার পক্ষে বা বিপক্ষে দুএকটা ছত্র থাকতে পারে। না হলে কলামিস্ট যা লিখবেন, তা-ই সই। আজকাল অবশ্য পত্রিকাগুলোর ইন্টারনেট সংস্করণে মন্তব্য করা যায়- কিন্তু তাও মডারেটেড। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের পছন্দ না হলে অনেক মন্তব্য প্রকাশ হয় না। আমি নিজে একটি বড় পত্রিকার কয়েকটি খবর ও কলামে একসময় কিছু মন্তব্য করেছিলাম- কিন্তু অধিকাংশই প্রকাশ হয় নি। কলামিস্টের ভুল ধরিয়ে দেয়া মহাপাপ! পত্রিকার আদর্শের বাইরে মন্তব্য করা গর্হিত কাজ!
বইমেলা সরগরম - ০৪
বাঙালীর জীবনে ষাট বছরের উর্ধ্বে বেঁচে থাকাই যেন একটা অভিশাপ। বাংলার আবহাওয়া-ভালো স্বাস্থ্য বহুদিন রক্ষার পক্ষে অনুপযোগী-তাই ষাটের উর্ধ্বে বাঙালীকে আমি চিরকালই দেশের উপর একটা বোঝা বলে মনে করেছি- আজো করি। ষাটের পরে আর বাঙালীর উৎপাদন শক্তি বা সৃষ্টিশীলতা থাকে না বলে আমার বিশ্বাস সে শুধু গিলিতচর্বন করে অতীতের মধ্যেই বেঁচে থাকতে চায়।
তাই আমি সাটের পরেই লিখছি অতীতের কথা।
কামরুদ্দীন আহমদ- বাংলার মধ্যবিত্তের আত্মবিকাশ।
কামরুদ্দীন আহমেদের বইটি লেখা শুরু হয়েছিলো ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর কারাগারে বন্দী অবস্থায়, সরদার ফজলুল করিম, আতাউর রহমান খাঁ এবং আরও অনেকেই জুলাই মাসের শেষের দিক গ্রেফতার হন, তারা কারাবন্দী ছিলেন এবং পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পনের পরদিন ১৭ই ডিসেম্বর তারা সবাই মুক্তি পান। সম্ভবত পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনের বিষয়টা নিয়ে এত মাতামাতি হয়েছে ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পন, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে তাদের বন্দীজীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দী সবাই মুক্তি পেয়েছেন পরের দিন সকালে।
সময়ের লাশ ৪ র্থ পর্ব
মনে পড়ে, আর একদিনের কথা। সেদিন পুকুরে এক ঘটি জল আনতে গিয়েছিলাম লক্ষ্মী পূজাটা সম্পন্ন করার জন্য। অনেকটা ইচ্ছে করেই গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ও স্নান করছে। পায়ের কাপড়টুকু উঠিয়ে যেই ঘটিটা পানিতে ডুবিয়েছি অমনি সে বলতে আরম্ভ করল, আমি যাকে ভালোবাসি তার পা আমি কোনদিন দেখিনি। তার বুকে হেঁটেছি, শুয়েছি। একদিন হয়তো তার কোলে ঘুমিয়ে যেতে হবে। আমি বেশ লজ্জা পেয়েছিলাম। কোন কথা না বলেই সেদিনও চলে এলাম। ঘাটের সিঁড়ির চারটি ধাপ পার হতেই ও আমাকে পানি ছিটিয়ে দিল। বলল, ‘তুমি সুন্দর, আমার সেই প্রেমিকার মত--ঠিক প্রেমিকার মত!’ কে ওর প্রেমিকা? সেদিন বুঝতে পারিনি। অনেক পরে বুঝতে পেরেছি। আরেকদিন কোন এক কথা প্রসঙ্গে বাবাকে বলেছিল, ‘জানেন স্যার, এই বাংলার সবাইকে আমার বড় আপন মনে হয়। আমার তো মা-বাবা কেউ নেই। তাই এ দেশ, এই মাটিই আমার মা-বাবা।’ ওর সাথে কখনও কথা বলিনি। কেন? লজ্জা হয়? না, অন্য কিছু--আমি জানি না। আমাদের ব্যাপারটা মা-বাবা-রাম সবাই জেনে গেছে। তাই আমাকে প্রায়ই মায়ের বকা শুনতে হয়। সুমাদকেও একবার বকা শুনতে হয়েছে। একদিন দূর থেকে ওকে দেখেছিলাম। ও কাঁদছে। কেন কাঁদছে? কেন?
যদি আসে তব কেন যেতে চায়, দেখা দিয়ে তব কেন গো লুকায়
............................................................................................................................................................................................................................
যখন তোমার সঙ্গে আমার হলো দেখা
লেকের ধারে সঙ্গোপনে
বিশ্বে তখন মন্দা ভীষণ
রাজায় রাজায় চলছে লড়াই উলুর বনে
লেকের ধারে না, ছেলেটার সঙ্গে মেয়েটার দেখা ক্লাশে। দেখা বলা হয়তো ঠিক না। বলা যায়, ছেলেটা মেয়েটিকে প্রথম দেখলো ক্লাশ রুমে।
ছেলেটি খোঁড়েনি মাটিতে মধুর জল
মেয়েটি কখনো পরে নাই নাকছাবি
ছেলেটি তবুও গায় জীবনের গান
মেয়েটিকে দেখি একাকী আত্মহারা
মেয়েটি একাকী আত্মহারাই থাকে। নতুন ক্লাশ। কেউ কাইকে চেনে না। তবুও মেয়েটির কোনো দ্বিধা নেই। সে সবার সঙ্গে মেশে কথা বলে। লাজুক ছেলেটি কেবল দূর থেকে দেখে। নামও জানে না। কেবল জানে রোল ২৬। ছেলেটির রোল ১৯।
একদিন ছেলেটিকে উৎফুল্ল দেখা যায়। ছেলেটিকে বলি, খবর কি? কোনো উত্তর দেয় না। ছেলেটি তার বন্ধুকে বলে। তার বোনটি যে বন্ধুর মতোই। রোল ২৬ এখন রোল ১৯ এর সঙ্গে অনেক কথা বলে।
শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ৩
বইমেলা নিয়ে ফেসবুকে মানুষের উচ্ছ্বাস ভালোলাগে। কারও নতুন বই বেরুচ্ছে, কেউ বইমেলা থেকে কিনে এনেছেন গাদাগাদা বই, কেউবা শুধুই বেড়াতে গিয়েছেন- দেখা হয়ে গেছে নানান জনের সাথে। বছর দশ-পনের আগেও মানুষ কি বইমেলায় নিছক আড্ডা দিতে যেত? আমার অভিজ্ঞতা তেমনটি বলে না। তখন মানুষজন যেতেন একটু ঘুরতে, দুয়েকটা বই কিনতে, এই ফাঁকে হয়তো পরিচিত কয়েকজনের সাথে দেখা হয়ে যেত। লেখকদের কথা অবশ্য আলাদা, তারা অপর লেখকদের সাথে আড্ডা দিতে যান, অটোগ্রাফ দেবার জন্য যান; কিন্তু সাধারণ মানুষদের জন্য বইমেলা একটা আড্ডার স্থান, সামাজিকতার স্থান হিসেবে দিন দিন বইমেলাটা একটা দারুণ জায়গা হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টা দারুণ লাগে, কারণ এই ধরনের আড্ডাতে বই-ই শেষ পর্যন্ত মুখ্য বিষয় হয়ে দাড়ায়। অনেকের প্রতিদিন বই কেনার সামর্থ্য থাকে না, কিন্তু বইমেলায় না গেলে কেমন যেন ফাঁকা ফাঁকা লাগে, সন্ধ্যেটা কাটতে চায় না- বইমেলা যে এই আকুতিটা তরুণপ্রাণে সৃষ্টি করে দিয়েছে- এ কি কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার!
এয়েচিগো পিরে এয়েচি
তা ভাই বোন বন্দুরা জিগাইতেই পারেন কই গিয়েচিলাম আর্কৈত্থিকা ফিরে এয়েচি। না না না। আমি কুথাউ যাইনাই। আমার ইন্টার্স্টেট মানে ইন্টার্নেট চইলা গেচিলো আর্কি আমার্থিকা। যাউজ্ঞা এলা, ফিরে যকন এয়েই পরেচি আপ্নেগোর সম্মুকে নিয়ে এয়েচি এক জোশিলা বান্দর্নাচের খেলা। বাচ্চারা এক্টু পিচনে গিয়ে বসো, বুঈড়ারা এট্টু বাত্রুম্ফাত্রুম ঘুইরা আসেন............
তো কি হৈলো? খেলা ফিনিশ 
অনিবার্য অলসতার দিনকাল
শরীর জুড়ে ক্লান্তিময় বিষন্নতা। তাও ভাবলাম লিখে ফেলি পোস্ট। পোষ্ট লিখলেই কাজ শেষ নয়তো মনে হয় ব্লগে লিখলাম না কেনো। ব্যাসিকেলি আমি অলস লোক না। ঘুমাতে অতো বেশী ভাল্লাগে না। কেউ কোনো কাজ দিলে আর আমি তা করতে পারলে মানা করি না। নিজের পকেটের পয়সা খরচ করেও অনেকের অনেক কাজে নেমে গেছি। তাই বলা যাবে না আমি অলস। তবে আমি নিজে অনুভব করি যে আমি খুব অলস। নয়তো এই চায়ের দোকানে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা কোনো নরমাল মানুষের জন্যে সম্ভব না। এমন না যে সব সময় অনেক লোকজন থাকে। এমন অনেক সময় গেছে যখন আমি আর চায়ের দোকানদার বাদে কাক কুত্তাও নাই। বসে আছি আছি তো আছিই একটানা একি ভাবে। এই অন্তহীণ অলস সময় গুলো আমি অন্য কিছু করলে নিশ্চই অনেক কিছু হয়ে যেতো। শুধুমাত্র বাসা থেকে পড়াশুনাটা করলেও অনেক গুলা বই শেষ করা যেতো, যা অনেক দিন আমার আলমারি হীন ঘরে ফ্লোরে পড়ে আছে।
~*-নীরবের বন্ধু খোঁজা আর আত্মকথা-*~
কিছু ব্যাপার জীবনকে সত্যিই পিছিয়ে দেয়
নীরব নামের ছেলেটা দিনের পর দিন জীবন যুদ্ধে পরাজিত হতে হতে পাথর হয়ে যাচ্ছে। নিজের দুর্বলতা,কষ্ট, কিম্বা ভালবাসার কথা নিজের মনের মধ্যেই পুষে রাখতে পছন্দ করে নীরব। কখনো কথা বলতে থাকে রাতের তারার সাথে চুপিচুপি।
কাউকে কিছু বলতে গেলেই নীরবের শুধুই মনে হতে থাকে-
নিজের গোপনীয়তা যদি কারো কাছে দৃষ্টিকটু হয়?
কিম্বা কেউ যদি একান্ত ব্যক্তিগত ব্যপারটাকে তুচ্ছ করে ? তামাশা করে?
এমন ও তো হতে পারে যে গোপন কথা আর গোপন থাকলো না ?
ভালোবেসে নীরব একবার আকাশকে বলেছিল তার নিজের জীবনের একান্ত কিছু গোপন কথা , সামাজিক ভাবে তার হেয় হবার কথা , তার পরাজয় এর কথা , তার পরিবার এর কিছু অপ্রিয় সত্য কথা । নাহ নীরব এর কথা নীরবে সইতে পারেনি আকাশ। প্রবল ঝড় আর বৃষ্টি দিয়ে আকাশও বুঝিয়েছিল নাহ এ আমি সইব না। তোমার কষ্ট তোমারই থাক। তাই নীরব এখন বন্ধু হিসেবে রাতের তারা কেই খুঁজে নিয়েছে , দিনের আলোয় যে সত্যিই নির্বাক।
আজ নীরব বাস্তবতা বোঝে । দারিদ্রকে মোকাবেলা করতে জানে ।
বইমেলা সরগরম - ০৩
ভেবেছিলাম পুলিশ কন্ট্রোল রুমে গিয়ে বলবো আপনারা যেভাবে বাংলা একাডেমীর গেটে মেটার ডিটেক্টর লাগাচ্ছেন তা দিয়ে হয়তো বই মেলার প্রথম সপ্তাহ কোন মতে পার হয়ে যাবে কিন্তু বই মেলার মূল ভীড়ের সময় আপনারা গাবতলী পর্যন্ত মানুষের লাইন তৈরি করে ফেলবেন। তবে গিয়ে দেখলাম বাংলাদেশের পুলিশকে যতটা নির্বোধ ভাবি তারা ততটা নির্বোধ না, তারা ঠিকই বেশ বড় পরিসর নিয়ে মেটাল ডিটেক্টর বসিয়েছেন। তাদের সুচিন্তিত পদক্ষেপের জন্য তাদের ধন্যবাদ।
ঘুরে এলাম বগালেক-কেওকাড়াডং-তাজিংডং-নাফাকুম
কি হয়েছিলো সে রাতের পরে
শশাংক সাহেবের বই থেকে জানা যায়, সেদিনের সেই গোপন মিটিং এর পরে সর্বাধিক গোপনীয়তায় আরো দুইবার, বঙ্গবন্ধু, মানিক মিয়া এবং তিনি গোপনে দেখা করেছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের ভারতের কাছ থেকে চাওয়া সম্পর্কে আরো ভালো ধারণা নেয়া।
ঘুরে এলুম বইমেলা ২০১৩
সবার আগে বইলা রাখি, আমি আসলে ঐরকম কোনো পড়ুয়া না। আমার বইমেলায় যাবার প্রধান কারণ হইতেসে মানুষজন দেখা। মানুষজনের আনন্দ, কষ্ট, বিষণ্ণতা, উচ্ছাস এগুলা বুঝার চেষ্টা করা। আর কিছু লেখকের সান্নিধ্য পাওয়া। এইজন্যেই আমার লেখায় বইপত্রে খোঁজ খবরের থিকা মানুষজনের কথা বেশী বেশী থাকবো...
সারাদিন ভাবসি যে আইজকাও বইমেলায় যামুনা, কিন্তু হঠাত ৪টার দিকে মনে হইলো- কি আছে জীবনে, যাইগা এইবারের বইমেলায় পয়লা চক্কর দিয়াই আসি। দিলাম দৌড়। গতবছরেও মেলার দ্বিতীয় দিন যেই লাইন আর ভীড় দেখসিলাম, সেইটা এইবার আর দেখলামনা। আর ফুটপাথের সাইডে যেই দোকান গুলা থাকে সেগুলাও পাইলাম না। কেরম জানি ন্যাড়া ন্যাড়া লাগতেছিলো। যাই হোক, ঢুইকা পড়লাম মেলার ভিতর। ঢুইকাই দৌড়, গত তিনবছর ধইরা বইমেলায় আমাদের যেইটা স্থায়ী ঠিকানা, মানে লিটলম্যাগ চত্ত্বরে। গিয়া দেখি ফাঁকা ফাঁকা। পরিচিত লোকজন তো নাইই, অপরিচিত লোকজনও কম।
ওয়ানস আপন আ টাইম দেয়ার লিভড আ কিং কলড আপ্পু রাজা
ওয়ানস আপন আ টাইম দেয়ার লিভড আ কিং কলড আপ্পু রাজা
সময়ের লাশ 3য় পর্ব
দু’জনেই চলে গেল। বাবা অবশ্য আদর করে বলেছিল, ‘এগুলো কিছু না, মা। কালই আমি সুমাদকে নিয়ে আসব।’ স্বপ্নের কথা বললেও চিঠির কথা গোপন রেখেছিলাম। আবার ঘুমিয়ে ভাবতে লাগলাম আর মনে মনে বলতে লাগলাম--আমি কে?--না, আমি দিলীপ দাসের মেয়ে কল্যাণী। আমার বয়স চৌদ্দ। বাবা-মা আমার জন্য বর দেখছে। আমি শিক্ষিতা, সুন্দরী (সবাই বলে)--আমার হবু স্বামী নিশ্চয়ই খুব সচ্ছল হবে। তবে সুমাদ একি বলছে, আমি একটা মানচিত্র! রাত তিনটা বাজে। আমি আবার চিঠি পড়তে শুরু করলাম। ‘তোমার সারা দেহের লোমে লোমে ছড়িয়ে আছে আ- ই- ক- ম...। ওরা তোমাকে দলিত মথিত করে তোমার লোমগুলি একটি একটি করে তুলে নকল উর্দু অক্ষরযুক্ত লোম লাগিয়ে দেবে। তুমি অপসংস্কৃতি আর পরাধীনতার শৃংখলে আটকে যাবে। তোমার ভাষা হবে দেহের সাথে সম্পর্কহীন। তোমার কথা এত মধুর শুনাবে না। বুঝতে পারনি?
শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ২
স্মৃতি শুধু সাদামাটা প্রতারণাই করে না; মারাত্মকভাবেও প্রতারণা করে।
গতকালের শোনা কথায় বইমেলায় কার কার সাথে দেখা হলো, কী আলোচনা হলো তার একটি বিতং বর্ণনা দিয়েছি। কিন্তু বইমেলা থেকে চলে আসার আগে রাসেল ভাইয়ের সাথে যে দেখা হলো, তা কী করে যেন বেমালুম ভুলে গিয়েছিলাম। রাসেল ভাইয়ের সাথে আলাপ হলো টুকটাক, সাথে ভাবী ছিলেন। কিন্তু পুরো ঘটনাটা কী করে যেন মনেই আসেনি লেখাটি তৈরি করার সময়। মনে পড়লো আজ দুপুরে- ঘুম থেকে উঠা পর। এ সময়ে হঠাৎ করে মনে পড়ার কোনোই কারণ নেই, কিন্তু যে রহস্যজনক কারণে ভুলে গিয়েছিলাম, ঠিক সেই রহস্যজনকভাবেই আবার এটি মনে পড়ে গেল।
আজকে বইমেলা যাওয়ার ইচ্ছে ছিল। রাতের ট্রেনে যাচ্ছি রাজশাহী- ভাবলাম বিকেলবেলা ঢু মারা যাবে। কিন্তু বিকেলেই চলে এলেন কয়েকজন অতিথি। ফলে যাওয়া আর হলো না। গতকাল অবশ্য শান্ত ভাইয়ের সাথে কথা হচ্ছিল এ নিয়ে- তিনি বললেন, রাতের ভ্রমণ- ধুলাবালি খেয়ে সারারাত ভ্রমণ করার চেয়ে কিছুটা বিশ্রাম নেয়া ভালো। তাঁর কথা একদিক দিয়ে ঠিক- কিন্তু বইমেলার জন্য আকুলিবিকুলিটা তার চেয়েও বড় হয়ে দেখা দেয়।